সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ।
রবিবার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে উত্তাপ ছড়ানো ম্যাচটিতে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই বিরতিতে গেছেন মারিয়া-মনিকারা।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘জয় হোক জয় হোক সবখানে চাই খুশির পরিবেশ, বিশ^ জয়ের স্বপ্ন দেখা আমার বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব গেমস্-২০১৮ এর খেলোয়াড় বাছাইয়ের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবীশ) মো. মাসুদ রানা, জেলা ক্রীড়া অফিসার খালিদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম শানু, নির্বাহী সদস্য ইকবাল কবির খান বাপ্পি, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, ইদ্রিস বাবু, কামরুজ্জামান কাজী, হাফিজুর রহমান খান বিটু, মো. রুহুল আমিন, কবিরুজ্জামান রুবেল, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, বিসিবির কোচ মোফাচ্ছিনুল ইসলাম তপুসহক্রীড়াপ্রেমীরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আম্পায়ারস এন্ড স্কোরার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১ জামায়াত নেতা-কর্মীসহ ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৪ জন, কলারোয়া থানা ৭ জন, তালা থানা ৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ৪ জন, আশাশুনি থানা ৪ জন, দেবহাটা থানা ৪ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।
স্পোর্টস ডেস্ক: ঢাকা বিভাগকে হারিয়ে জাতীয় লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জিতলো খুলনা বিভাগ। টানা চারবার শিরোপা জয়ের রেকর্ড আছে কেবল রাজশাহীর। শনিবার শিরোপা জিতে এই রেকর্ডের আরও কাছে চলে গেল খুলনা। বিকেএসপির ম্যাচে ঢাকাকে ইনিংস ও ৪৯ রানে হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় খুলনা। আর তাতেই ২৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে টানা তৃতীয় শিরোপার স্বাদ পায় দলটি। সব মিলিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জিতলো খুলনা।
এই মৌসুমে প্রতিটি রাউন্ডেই প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে খুলনা। হবেই না কেন, খুলনার একাদশ একরকম জাতীয় দলের মতোই! শেষ রাউন্ডে এই বিভাগের হয়ে খেলা একাদশে আছেন এনামুল, সৌম্য, মিথুন, রুবেল, রাজ্জাক, মিরাজের মতো তারকারা। ছিলেন জাতীয় দলে খেলা একসময়কার গুরুত্বপূর্ণ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তুষার ইমরান, যার কিনা এই রাউন্ড খেলতে নামার আগে নামের পাশে ছিল ৯,৮৫৭ রান। সেই সঙ্গে আরেক বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান জিয়াউর রহমান তো আছেনই। এই একাদশের একজনেরই কেবল জাতীয় দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তিনি মেহেদী হাসান। তারপরও তার ব্যাট থেকে প্রথম ইনিংসে এসেছে ১৭৭ রান। এমন সব খেলোয়াড় যেন দলটিতে, শিরোপা জেতা তো তাদেরকেই মানায়!
জাতীয় দলের ব্যস্ততার কারণে আগের রাউন্ডগুলো খেলতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে শেষ রাউন্ডে ফিরেই তিনি তার স্পিন জাদু দেখান। তার স্পিন ভেলকিতেই ম্যাচ জিতেছে খুলনা। এই ম্যাচে ঢাকার ২০ উইকেটেরে ১০টিই মিরাজের দখলে। সব মিলিয়ে দুই ইনিংসে ১১৩ রান খরচ করে তার শিকার ১০ উইকেট। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও জিতেছেন তরুণ এই অলরাউন্ডার।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করা ঢাকা মিরাজের ঘূর্ণিতে ১১৩ রানেই অলআউট হয়ে যায়। মিরাজের ৭ উইকেট পাওয়ার দিনে ঢাকার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান রকিবুলের (২৮)। এরপর শুরু হয় খুলনার ব্যাটসম্যানদের মিশন। এনামুল হক বিজয়ের ডাবল সেঞ্চুরি (২০২) ও মেহেদী হাসানের সেঞ্চুরি (১৭৭) ওপর ভর করে খুলনা ৪৫৯ রান সংগ্রহ করে।
৩৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে ঢাকা তাদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। প্রথম ইনিংসের তুলনায় ঢাকার দ্বিতীয় ইনিংস ভালো হলেও প্রতিপক্ষকে হারাতে কিংবা ম্যাচটি ড্র করতে এটা যথেষ্ট ছিল না। রকিবুলের ৫৮ ও তাইবুর পারভেজের ৫১ রানের ওপর ভর করে ঢাকা শেষ পর্যন্ত ২৯৭ রানে থামে। আর তাতেই ইনিংস ও ৪৯ রানে জয়ে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় খুলনার।
অভিনয় ও গ্লামার দিয়ে বলিউডের সিনে জগতে নিজেদের পাকাপোক্ত স্থানে নিয়ে গেছেন তারা। জায়গা পেয়েছেন ভক্ত ও দর্শকদের হৃদয়ে। আর তাদের জনপ্রিয়তা এতটাই গগনচুম্বী যে, স্বামী বলিউড অভিনেতা হওয়া স্বত্তেও তাদের ছাড়িয়ে গেছেন এসব লাস্যময়ী অভিনেত্রীরা। আবার বলতে পারেন স্ত্রী’র সুবাদে অনেক স্বামীই পরিচিতি পেয়েছেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তারা বেশ ভাগ্যবানও বটে! নিজস্ব পরিচয়, নিজস্ব পরিচিতি থাকলেও, স্ত্রীদের জনপ্রিয়তার জেরেই তাঁদের চেনা। আসলে, এঁরা প্রত্যেকেই বলিউড সুন্দরীদের স্বামী।
১. এই তালিকায় প্রথমেই বলতে হবে ঐশ্বরিয়া রাই ও অভিষেক বচ্চনের নাম। অভিষেক নিজেও অভিনেতা। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে। তবে জনপ্রিয়তায় অভিষেকের থেকে অনেক বেশি এগিয়ে ঐশ্বরিয়া।
২. বিপাশা বসু ও করন সিংহ গ্রোভারের ক্ষেত্রেও একই কথা। দু’জনেই অভিনেতা। তবে করন থেকে অনেক বেশি জনপ্রিয় বিপাশা।
৩. ১৯৯৯ সালে বিয়ে করেছিলেন মাধুরী দীক্ষিত এবং পেশায় চিকিৎসক রাম মাধব নেনে। মাধুরীর জনপ্রিয়তা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই।
৪. ১৯৯৫ সালে বিয়ে করেছিলেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া এবং বলিউড ডিভা জুহি চাওলা। জুহির স্বামী জয় মেহতা এক জন ব্যবসায়ী।
৫. ব্যবসায়ী অনিল ঠাডানির সঙ্গে ২০০৪ সালে বিয়ে হয়েছিল রাভিনা ট্যান্ডনের। অনিল এক জন ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটরও বটে। তবে জনপ্রিয়তায় কে বেশি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
৬. বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। ২০১১ সালে বিয়ে করেছিলেন দুবাইয়ের বাসিন্দা হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগকে। সেলিনার জনপ্রিয়তা পিটারের থেকে অনেক বেশি।
৭. প্রীতি জিনতা ২০১৬ সালে বিয়ে করেছেন আর্থিক বিশ্লেষক জেনে গুডএনাফকে। বহুদিন অভিনয় না করলেও, প্রীতির জনপ্রিয়তা আজও কমেনি। জেনেকে প্রীতির জন্যই চেনেন বেশির ভাগ মানুষ।
সস্থায় সুস্থ থাকতে ডিমের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। কিন্তু একথাও ঠিক যে প্রতিদিন ডিম খেলে মস্তিষ্কের ভেতরে নানা পরিবর্তন হতে শুরু করে। আর এই পরিবর্তন আদৌ স্বাস্থ্যকর কিনা সে বিষয়ে জানা আছে কি?
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেছে। স্টিডিটি চসাকালীন দেখা গেছে প্রতিদিনের ডায়েটে ডিমকে রাখলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু উপাকারি উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে যে তার প্রভাবে ব্রেন সেল শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি বুদ্ধির ধারও বাড়তে শুরু করে। তাই মস্তষ্কের ভেতরের এই পরিবর্তন যে আদৌ নেতিবাচক নয়, সে বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ থাকে না।
প্রসঙ্গত, আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশানে প্রকাশিত এই গবেষণা পত্রটি অনুসারে ডিমের ভেতরে উপস্থিত কোলিন এবং ডোকোসেহেক্সেনিক অ্যাসিড নামক দুটি উপাদানের মাত্রা শরীরে যত বাড়তে থাকে, তত ব্রেন পাওয়ারে উন্নতি ঘটে। সেই কারণেই তো গবেষকরা ৬ বছরের পর থেকেই বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ এই সময় বাচ্চাদের শারীরিক বিকাশ সবথেকে দ্রুত গতিতে হতে থাকে। তাই তো ছয় বচরের পর থেকে প্রতিটি বাচ্চারই ডিম কাওয়া মাস্ট! প্রসঙ্গত, ডিমে কোলিন ছাড়াও বেশ কিছু উপকারি ফ্য়াটি অ্যাসডি, ভিটামিন এ, বি১২, সেলেনিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান মজুত থাকে, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের আরও নানা উপাকারে লাগে। যেমন ধরুন…
১. প্রোটিনের ঘাটতি দূর করে:
একটা ডিমে কম বেশি প্রায় ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আর দিনের চাহিদা হল ৫০ গ্রাম প্রোটিন। তাই দিনে কম করে তিনটি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এমনটা করলে প্রায় ১৯.৫ গ্রাম প্রোটিনের ঘাটতি মেটে। বাকিটা মাছ, মাংস অথবা ডায়াটারি প্রোডাক্টের মাধ্যমে পূরণ করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এবার থেকে তাই দিনে ৩ টে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!
২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
প্রতিদিন নিয়ম করে ডিম খেলে শরীরে উপকারি কোলস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা যত কমবে, তত হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়বে। তাই পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস থাকলে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!
৩. ওজন কমায়:
অতিরিক্ত ওজনের কারণে কি চিন্তায় আছেন? তাহলে প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে একটা করে ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ওজন কমবে চোখে পরার মতো। আসলে ডিমের ভেতরে থাকা একাদিক উপকারি উপাদান অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ কম হওয়ায় ওজন কমতে সময় লাগে না।
৪. ভিটামিনের ঘাটতি দূর করে:
শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিন বি২, বি১২, এ এবং ই ভিটামিনের প্রয়োজন পরে, যার জোগান দিতে ডিমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, ভিটামিন বি২ এনার্জির ঘাটতি পূরণ করে, যেখানে বি১২ লহিত রক্ত কণিকার ঘটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর “এ” এবং “ই” ভিটামিন কী কাজে লাগে? ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়। আর ই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিযে রোগমুক্ত জীবনের পথ প্রশস্ত করে।
৫. খনিজের ঘাটতি দূর করে:
ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, জিঙ্ক এবং ফসফরাস। এই খনিজগুলি রক্তাল্পতা দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে এবং হাড়ের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, ডিমে সেলেনিয়াম বলে একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬. ব্রেস্ট ক্যান্সারকে দূরে রাখে:
হাবার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে কম করে ৬ টা ডিম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৪ শতাংশ কমে যায়। আসলে ডিমে উপস্থিত কোলিন নামক একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৭. হাড়কে শক্তপোক্ত করে তোলে:
বুড়ো বয়সে আর্থ্রাইটিস বা ঐ জাতীয় কোনও বোন ডিজিজে আক্রান্ত হতে না চাইলে এখন থেকেই প্রতিদিন ১-২ টো করে ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপাকার মিলবে। আসলে ডিমে উপস্থিত ভিটামিন ডি৩ হাড়কে সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে তাকে। তাই তো এই উপাদানটির ঘাটতি দূর হলে স্বাভাবিকভাবেই হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়।
৮. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে:
পুরো শীতকালটা যদি শরীরকে সংক্রমণ এবং নানাবিধ রোগের খপ্পর থেকে দূরে রাখতে চান, তাহলে ডিম কেতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে শরীরে ভিটামিন ই এবং ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। এই দুটি উপাদান ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ইরানে তেহরানের দুটি পার্টিতে মদ্যপান ও নাচ-গানের আসর থেকে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সেদেশের ধর্মীয় পুলিশ।
উইন্টার সলস্টিস, অর্থাৎ শীতকালের সবচেয়ে ছোট দিনটিতে এই পার্টির আয়োজন করা হয়।
ইরানে এই উৎসব ‘ইয়াল্ডা’ নামে পরিচিত।
তেহরানের ‘নৈতিক পুলিশ বাহিনীর’ প্রধান কর্ণেল জুলফিকার বার্ফার জানান, এই পার্টিতে যাওয়া লোকজন মদ খেয়ে ফুর্তি করছিল।
ইরানে মদ পানের জন্য শাস্তি হিসেবে ৮০ ঘা পর্যন্ত দোররা মারার বিধান রয়েছে। তবে ইদানিং দোররা মারার পরিবর্তে জরিমানাই বেশি করা হয়।
ইরানে নৈতিক পুলিশের ফার্সি নাম হচ্ছে এরশাদ, অর্থাৎ পথনির্দেশ। নারীরা পর্দা মেনে চলছে কিনা সেটা দেখাও এই পুলিশের কাজ।
যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে দুইজন সংগীত শিল্পীও। সেখান থেকে কিছু মদের বোতল ও মাদকও আটক করা হয়েছে।
কর্ণেল বার্ফার জানান, এই পার্টির অনেক ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছিল।
ফিলিপাইনে ক্রান্তীয় ঝড় ‘তেমবিনে’ ১৮০ হন নিহত হয়েছেন। ঝড়ের আঘাতে দক্ষিণ ফিলিপাইনে এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে নিহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম অঞ্চল মিন্দানাও দ্বীপে গতকাল গতকাল তেমবিন আছড়ে পড়ে। ঝড়ের সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে অনেক স্থানেই ভূমি ধসের ঘটনা ঘটেছে।
বিশেষত তুলনামূলকভাবে উঁচু এলাকাগুলি থেকে বন্যার জল গিয়ে জমছে নিচু এলাকাগুলিতে। এসব এলাকাতেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।
আবহাওয়া কার্যালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত আনে। দ্বীপের টিউবোড এবং পিয়াগাপো শহর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কয়েকদিন আগেই ‘কাই-তাক’ নামে একটি ঝড় ফিলিপাইনে আঘাত এনেছিল। তাতে প্রায় ৩৩ জনের প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…