সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুনির্বাচনীয় জনসভায় বক্তব্য চলাকালিন সময় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি প্রকল্প পরিদর্শণে জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বাস শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারে নগদ অর্থ সহায়তাসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য সুনীল ব্যানার্জীর স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় চার ইয়াবা পাচারকারী গ্রেফতারকালিগঞ্জে গোয়াল ঘেসিয়া নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় আসছেন জামায়াতের আমীরHogyan kezdhetsz el játszani a betmatch kaszinó platformján még maসেতু-রাস্তাঘাট-শিক্ষা উন্নয়নের ঘোষণা ধানের শীষে ভোট চাইলেন – হাবিবুল ইসলাম

কারো মুখ দেখে আমি মনোনয়ন দেব না- প্রধানমন্ত্রী

দলীয় সংসদ সদস্যদের আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে নিজ দলের নেতাদের নিজেদের মধ্যে বিদ্যমান আত্মকলহ দূর করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় অংশ নেয়া একাধিক সংসদ সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, রাত ৮টার কিছু সময় পর সংসদীয় দলের সভা শুরু হয়। সভায় সংসদ সদস্যরা নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা মন্ত্রীদের বিষয়েও বিভিন্ন অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

সংসদ সদস্যরা নিজ নির্বাচনী এলাকায় একাধিক প্রার্থীর প্রচারণা প্রসঙ্গে নেতিবাচক দিক তুলে ধরেন। কেউ কেউ অভিযোগ করে বলেন, একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে বর্তমান সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। এতে করে নিজেদের অবস্থান নষ্ট হচ্ছে।

একজন সংসদ সদস্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমার এলাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে চারজন মন্ত্রী টেলিফোন করে আমার কথা শুনতে নিষেধ করেছেন। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমি ওই এলাকায় কীভাবে কাজ করব?
এ ধরনের বক্তব্যে দলের সিনিয়র সংসদ সদস্যরা বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার সবারই আছে। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, তবে সেটা যেন কোনো অবস্থাতেই নোংরামির পর্যায়ে চলে না যায়।

সংসদ সদস্য শামীম ওসমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাদের দলের একজন নেতা সংবাদ সম্মেলন করে বলছেন, বিরোধী দলের কোন নেতার গাড়িতে আমাদের সংসদ সদস্য আগুন দিয়েছে। এই ধরনের কথা কারা বলাচ্ছে সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে আমরা হেরে যাইনি, আমাদের হারিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, গৃহায়ণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, এ কে এম শামীম ওসমান, আবদুর রহমান বদি, ইফতেখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু, ছানোয়ার হোসেন তুহিন, অনুপম শাজাহান জয় প্রমুখ।

দলের মধ্যে বিভেদ, দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ার করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য নেতারাই আগামীতে মনোনয়ন পাবেন। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রতি ছয় মাস অন্তর প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় আমি জরিপ করছি। মন্ত্রী-এমপিদের নির্বাচনী এলাকায় কার কী অবস্থান তার আমলনামা আমার কাছে আছে। জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার বাড়ান, জনপ্রিয়তা ব্যারোমিটারে যারা এগিয়ে রয়েছেন তারাই মনোনয়ন পাবেন। কারো মুখ দেখে আমি মনোনয়ন দেব না। যারা এলাকায় নিজেদের অবস্থান বা গ্রহণযোগ্যতা রক্ষা করতে পারেননি, তিনি যত বড়ই নেতা হোন না কেন আগামী মনোনয়ন পাবে না। তাই কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি বন্ধ করে দলের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে হবে। নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরুন। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি, জ্বালাও-পোড়াও তুলে ধরুন। নিজেদের মধ্যে কোন্দল করে লাভ নেই। কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সে বিষয় আমি দেখব।

শেখ হাসিনা বলেন, কারো মুখ দেখে আমি মনোনয়ন দিতে পারব না। সবাই কাজ করছে, আমি নিয়মিত বিষয়টি মনিটরিং করছি। জনপ্রিয়তার ভিত্তিতেই আমি মনোনয়ন দেব। কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি বন্ধ করে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র অতীতেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে। এ সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসী হয়ে নির্বাচনী এলাকায় জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট চাওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার গত ৮ বছরে দেশের যত উন্নয়ন করেছে, গত ৪০ বছরে অন্য সরকারগুলো তা করতে পারেনি। তাই ভোটে বিজয়ী হওয়ার আত্মবিশ্বাস নিয়েই নির্বাচনী এলাকায় কাজ করে যান। দেশের জনগণ আমাদের পক্ষেই রয়েছেন। ইনশাল্লাহ আগামী নির্বাচনেও জনগণের ভোটে আমরা বিজয়ী হব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আর কোনো সময় অপচয় নয়, নির্বাচনী এলাকায় জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের মন জয় করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, সবার আমলনামা আমার হাতে রয়েছে। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমাদের কেউ পরাজিত করতে পারবে না। তাই এলাকার যার জনপ্রিয়তা রয়েছে, দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ছাড়াও জনগণ যার সঙ্গে রয়েছে- তিনিই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন। দলের মধ্যে কোনোরূপ দ্বন্দ্ব-বিবাদ বা কোন্দলে জড়িত হবেন না। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। দলের বিরোধিতাকারীদের ক্ষমা করা হবে না।

নির্বাচনী প্রচারে সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত জোটের দুর্নীতি-দুঃশাসন, অগ্নিসন্ত্রাসের চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য এমপিদের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রীর পুত্রদের পাচারকৃত অর্থ সিঙ্গাপুর থেকে আমরা আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন বছরের পর বছর লন্ডনে বসে তারেক রহমান বিলাসবহুল জীবন-যাপন করছে। সেখানে পাচার করা অর্থ আমরা ফেরত আনতে পারিনি। জনগণকে বুঝাতে হবে এরা আবার ক্ষমতায় এলে দেশ আবার অন্ধকারে ডুবে যাবে, উন্নয়ন-অগ্রগতি থমকে যাবে, দুর্নীতি-দুঃশাসন আবার ফিরে আসবে। বিএনপি তো আগেরও দু’বার ক্ষমতায় ছিল। কেন তারা আমাদের মতো উন্নয়ন করতে পারেনি, কেন দেশকে সবক্ষেত্রে পিছিয়ে দিয়ে গেছে। ওরা ক্ষমতায় এলে আবারও পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করবে- এ বিষয়গুলোও জনগণকে জানাতে হবে।

সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আগেও ষড়যন্ত্র ছিল, আগামীতেও থাকবে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, আমরা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আরও অনেক উন্নয়ন পাইপলাইনে আছে। এগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং বুঝাতে হবে সরকারের ধারাবাহিকতা না থাকলে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যহত হবে। তাই আত্মবিশ্বাসী হয়ে নির্বাচনী মাঠে নামুন। একটি আসনে দশজন প্রার্থী থাকতেই পারে। সবাই সরকার, দল ও নৌকার পক্ষে ইতিবাচক কথা বলবেন।

সূত্র জানায়, সভায় ৫/৭ জন সংসদ সদস্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে বলেন, অনেক মন্ত্রী আছেন তাদের কাছে গেলে আমাদের কথা শোনেন না। আবার অনেক মন্ত্রী ইউএনও-ওসিকে ফোন করে আমাদের কথা না শোনার নির্দেশ দেন। আবার বেশ ক’জন তরুণ সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, আমরা নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করলেও সিনিয়র নেতারা আমাদের পাত্তা দেন না। আবার কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন যারা নির্বাচনী এলাকায় আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছেন, স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন আমাদের কথা যেন তারা না শোনেন।

কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি বলেছেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় রোহিঙ্গার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের জন্য পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান দিতে হবে।

সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমান সরকার যে উন্নয়ন করেছে, জনগণের জন্য যে সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়গুলো নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছে তুলে ধরতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বিএনপির ধ্বংসাত্মক রাজনীতি তুলে ধরতে বলেছেন তিনি। আমরা সঠিকভাবে প্রচারণা চালাতে পারলে অতীতের মতো বিপুল ভোটে জয়ী হব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোলায়মান হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নলতা প্রতিনিধি : আওয়ামীলগ নেতা সোলায়মানকে গত ১৯ নভেম্বর রবিবার গভীর রাতে নির্মম নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে ২২ নভেম্বর বুধবার বিকাল ৪ টায় সন্ন্যাসীরচক ফুটবল ময়দানে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ আনিছুজ্জামান খোকনে সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোজাহার হোসেন কান্টু, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম, তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, কুশলিয়া ইউপি চেয়ার‌্যান মেহেদি হাসান সুমন, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীন, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান সজল মুখার্জি, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মোঃ আবুল হোসেন পাড়, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সাহাজালাল, ভুমিহীন আন্দোলন সংগ্রাম কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ ওহাব আলী সরদার, নলতা ইউনিয়ন আ’লীগের ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আঃ রহিম পাড়সহ কালিগঞ্জ, দেবহাটা ও আশাশুনির বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়, ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীরে সভাপতি, সম্পাদক ও বিভিন্ন নেতাকর্মীবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সোলায়মানের নির্মম নৃশংসভাবে হত্যাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসে তখন ঘাপটি মেরে থাকা চক্রকারী একটি মহল এই দেশকে অগছল করে লন্ড ভন্ড করে দেওয়ার জন্য এদেশের নির্বাচনকে,এদেশের সাধারণ মানুষের জীবনকে নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে। এরা সেই ঘাপটি মেরে থাকা লোকেরা যারা সোলায়মানকে হত্যা করার উদ্যোশ্যে নয় এই দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বের বিশ্বাসের সকল মানুষের মনে আতংক ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নির্বাচনের পূর্বমূহুর্তে এই হত্যাকান্ডটি ঘটিয়ে তারা এই দেশের মানুষকে আর একটি সতর্ক করে দিল যে,স্বাধীনতাগামী মানুষদেরকে আমরা আর এগুতে দেবোনা। আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে আমরা আজ এই প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়েছি। সোলায়মানের হত্যাকারীরা অবশ্যই একটি সু-পরিকল্পিত হত্যাকারী। কারণ যারা সোলাইমানের লাশ দেখেছেন তারা বলতে পারেন এটা কোন কাঁচা হাতের হত্যাকান্ড হতে পারেনা। এটি খুব সুকৌশলীর হাতের হত্যা। এই হত্যাকারীদের সনাক্ত করে বিচারের আওতায় এনে ফাঁসি দিতে হবে। আর যেন এই বাংলার মাটিতে এই ধরনের নির্মম হত্যাকান্ড না ঘটে সে জন্য হত্যাকারী ও তাদের সহযোগী যেই হোক তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকীতে জেলা কৃষক দলের কেক কাটা অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা কৃষক দলের আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় কাটিয়াস্থ হালিমা খাতুন শিশু সদন প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা কৃষক দলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজুর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শের আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সানাউল্লাহ সানা, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম বুুলবুল, জেলা তাতী দলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন, জেলা কৃষকদলের সহ-সভাপতি ইসমাইল বাবু, হাসান শাহরিয়ার রিপন, সদর থানা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম, সদর থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব আবু জাহেদ, পৌর কৃষক দলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুম রাজ, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন, পৌর যুবদলের সভাপতি আলী শাহীন, শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুমন রহমান, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মধু, রেজাউল ইসলাম, রফিকুল, সাব্বির, সুমন, সাইদ, শরিফুল, একরামুল, সাজ্জাত হোসেন লাল্টুসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন, তারেক রহমান বিএনপির তারুন্যের অহংকার, বাঙালী জাতীর অহংকার। তিনি আর কেউ নন তিনি বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছেলে। বক্তারা আরো বলেন, তারেক রহমান যাতে বাংলাদেশের মাটিতে আসতে না পারে সেজন্য তাকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে রেখেছে। কিন্তু এভাবে হামলা- মামলা দিয়ে তারেক রহমানকে সারা জীবন বাইরে রাখা যাবে না। সে এদেশেরই সন্তান এবং সে যেকোনো সময় বাংলার মাটিতে আসবে। অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তারেক রহমানের জন্মবার্ষিকীতে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কেক কাটা অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার আগামীর রাষ্ট্র-নায়ক তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় কাটিয়াস্থ হালিমা খাতুন শিশু সদন প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শের আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম বুুলবুল, হাসান শাহরিয়ার রিপন, পৌর কৃষক দলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুম রাজ, পৌর যুবদলের সভাপতি আলী শাহীন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাহ, মফিজ, জাহিদ, ইসমাইল, সাইফুল, সোহরাব, লাল্টু, শাহীন, শাহাদাত, মিন্টু, খোকন, তুহিন খান, জাহির হোসেন ও তুহিনসহ নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন, তারেক রহমান বিএনপির তারুন্যের অহংকার, বাঙালী জাতীর অহংকার। তিনি আর কেউ নন তিনি বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছেলে। বক্তারা আরো বলেন, তারেক রহমান যাতে বাংলাদেশের মাটিতে আসতে না পারে সেজন্য তাকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে রেখেছে। কিন্তু এভাবে হামলা- মামলা দিয়ে তারেক রহমানকে সারা জীবন বাইরে রাখা যাবে না। সে এদেশেরই সন্তান এবং সে যেকোনো সময় বাংলার মাটিতে আসবে।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪টায় উপজেলার বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল মাঠে এ মহড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানার সভাপতিত্বে আয়োজিত মহড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রালয়ের যুগ্ম সচিব রাশেদা বেগম। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে খয়ক্ষতির পরিমান কমাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগেরবশি ক্ষতি হয় বেড়িবাঁধ ভেঙে। বেড়িবাঁধের কাজটা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের না। তারপরও এ এলাকার বেড়িবাঁধ সংস্কারে আমার সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৩ সালে সিপিপির অনুমোদন দেন হাজার বছরের সেরা বাঙ্গালী শেখ মুজিবুর রহমান। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি আশাশুনি সিপিপি’র আয়োজনে সিপিপি কর্মকর্তা গোলাম কিবরীয়া ও আ’লীগ নেতা এসএম সেলিম রেজার যৌথ পরিচালনায় এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন ছিলেন সহকারী কমিশনার একি চাকমা, সিপিপি’র খুলনা আঞ্চলিক উপ-পরিচালকরগালাম কীবরিয়া, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ দাউত হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর হান্নান, ইউপিরচয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ছেলিম খান। এসময় বুধহাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সিপিপি সদস্যবৃন্দসহ সহ্রাধিক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার ১১ইউনিয়নের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (সিপিপি)’র সদস্যবৃন্দ ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতিমূলক মহড়ায় দুর্যোগের বিভিন্ন প্রদর্শনী প্রদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আমি বিয়ে করতে চাই না, লেখাপড়া করে শিক্ষিত হতে চাই’

নিজস্ব প্রতিনিধি : আমি বিয়ে করতে চাই না, লেখাপড়া শিখতে চাই। অথচ আমার মা আমাকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার জন্য খুব চাপ প্রয়োগ করছেন। আমার বয়স এখনো ১৮ হয়নি। কিন্তু আমার মা জোর করে একজন ঘের ব্যবসায়ীর সাথে আমার বিয়ে দিতে চাইছেন’- এমন অভিযোগ করে সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী গ্রামের আসাদুজ্জামানের মেয়ে শিউলী পারভীন সুমি আরো বলেন, জন্ম সনদ অনুযায়ী আমার বয়স ১৬ বছর তিন মাস। আমার নানা বাড়ি সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামে। এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করার পর বাবার পরামর্শ অনুযায়ী নানা কাসেদ আলী গাজীর বাড়ীতে থেকে সীমান্ত আদর্শ কলেজে ভর্তি হয়ে এইচএসসি প্রথম বর্ষে লেখাপড়া করছি। আমার বাবা চায় আমি লেখাপড়া করি কিন্তু মা লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়ে আমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। গত ১৭ নভেম্বর আমাকে জোর করে নানার বাড়ি থেকে কালিগঞ্জে নিয়ে এসেছেন। মানষিকভাবে খুব চাপ প্রয়োগ করছেন বিয়ের জন্য। আমি বিয়ে করতে চাই না। লেখাপড়া করে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে চাই। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সুমির মা আফরোজা পারভীন বলেন, ‘আমার মেয়ের বয়স ১৯ বছর হয়েছে। সার্টিফিকেটে দুই বছর কম দেওয়া হয়েছিলো।
জোর পূর্বক অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক মেয়ে বিয়ের আগে এমন করে। তবে তাকে জোর করা হচ্ছে না। তাছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও সুমির বিয়েতে সম্মতি আছে।
বিষয়টি অবহিত করা হলে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম মঈনুদ্দীন হাসান বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় দলিত’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি : বেসরকারি সংস্থা দলিত তালা উপজেলার প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের যুবক ও যুব-নারীদেরকে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান, উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নরত মেয়ে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান ও গ্রাম্য নারীদের জন্য উপার্জনমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান এবং মানবাধিকার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “টেকনিক্যাল এন্ড প্র্যাকটিক্যাল স্কিলস্ ফর ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট” শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্পটির চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার সকালে তালা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি হলরুমে স্টেকহোল্ডারদের সাথে মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। দাতা সংস্থা সানজিনো-ইতালী এর সহযোগিতায়, দলিত’র তালা শাখার আয়োজনে এবং টিপসি প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফাহমিদা খাতুন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম, তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান, তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইখতিয়ার হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সরদার জাকির হোসেন, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান রাজু, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাংবাদিক এস. এম. নজরুল ইসলাম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. হাদীউজ্জামান, তালা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক জয়দেব কুমার ঘোষ, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মো. ওবায়েদুল হক হাওলাদার, মহিলা বিষয়ক অফিসার মিসেস নাসরিন জাহান, তালা থানার এস.আই মো. রফিকুল ইসলাম ও তালা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও তালা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমান। দলিত’র সিডিও গোপীনাথ দাশ’র পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষক জি. এম. মোস্তাফিজুর রহমান তিতু, তালা রিপোর্টার্স কøাবের সদস্য সচিব বি.এম. জুলফিকার রায়হান, তালা উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা তাওহিদুর রহমান, দলিত আন্দোলনের নেতা উদয় দাশ, ইউপি সদস্যা নাসিমা খাতুন ময়না, শিক্ষার্থী পুস্প রানী, দলিত’র উপকারভোগী মিতা রানী, এস.এম. মনিরুল ইসলাম, দলিত কর্মকর্তা মুকুল দাশ ও শাওন শাহা প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এসময় শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, ধর্মীয় নেতা, ব্যবসায়ী নেতা ও কমিউনিটি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সভায়, দলিত’র টিপসি প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বিগত বছরের কার্যক্রমের অর্জন ও সফলতা উপস্থাপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছায় এমপি সুজা’র সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছার চাঁদখালী ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা এমপি ও জাতীয় শ্রমিকলীগের জেলা শাখার সহ-সভাপতি আলম হাওলাদারের সুস্থ্যতা কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে কাটাখালী বাজার চত্ত্বরে ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম হিরার সভাপতিত্বে ও প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা। বক্তব্য রাখেন, আ’লীগনেতা মোঃ শফিকুল ইসলাম, ডাঃ শংকর দেবনাথ, আব্দুল হাকিম গোলদার, জিএম ইকরামুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান মিজান, বিমল পাল, সরদার রমজান আলী, বিধান চন্দ্র মন্ডল, ছাত্রলীগনেতা মফিজুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ দফাদার, শিমুল গাজী, মনজুরুল ইসলাম, মশিউর রহমান রাজু, শাহাজাদা আলম তুরাগ, শরিফুল ইসলাম লিটন, মিন্টু, বাধন, রাম কৃষ্ণ, সালাউদ্দীন, সাইফুল, জলিল, ধর্মেন্দ্র ও শিমুল। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, হাফেজ মাওঃ জামাল উদ্দীন ফারুকী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest