চেষ্টা করেও বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায়নি -প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভাষণ প্রচারে যত বাধা এসেছে, তত তা জাগ্রত হয়েছে। মানুষ ভাষণ প্রচারের জন্য জীবন পর্যন্ত দিয়েছে। তিনি বলেন, ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না, কেউ মুছতে পারেনি। ইতিহাস বিকৃত করতে চাইলে ইতিহাস প্রতিশোধ নেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা জাতির পিতার নাম মুছতে চেষ্টা করেছে, জানি না তাদের লজ্জা হয় কি না। ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাদের কি এখন লজ্জা হয় না, দ্বিধা হয় না? জানি না এদের লজ্জা-শরম আছে কি না। অবশ্য এরা বাংলাদেশে বাস করলেও এরা পাকিস্তানেরই প্রেতাত্মা। তাই তারা ইতিহাস বিকৃতি করতে চেয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার একটাই অনুরোধ থাকবে আর যেন কখনোই ওই পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পদলেহনকারী, চাটুকারের দল এই বাংলার মাটিতে আর কখনো ইতিহাস বিকৃতি করার সুযোগ আর না পায়। তার জন্য বাংলাদেশের সকল মানুষকে জাগ্রত হতে হবে।’

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ইউনেসকোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে নাগরিক কমিটি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বেলা তিনটার দিকে সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছান। ৪টা ২০ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন তিনি। শেষ করেন ৪টা ৫০ মিনিটে। প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। স্মরণ করেন ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং জেলহত্যার শিকার চার জাতীয় নেতাকে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তাঁর বক্তব্যে ইউনেসকো ও যে দেশগুলো ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাদের ধন্যবাদ দেন। তিনি বলেন, বিশ্বে স্বীকৃতি পাওয়া ভাষণগুলো ছিল লিখিত। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণ লিখিত ছিল না। এই ভাষণের জন্য কোনো ‘নোটস’ ও বঙ্গবন্ধুর হাতে ছিল না। ৭ মার্চে ভাষণ দেওয়ার আগে সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুকে আলাদা ডেকে নিয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মা, বাবাকে ডেকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘‘অনেকে অনেক কিছু বলছে। কিন্তু তুমি তাই বলবে যা তুমি ভালো মনে করো।’’ প্রধানমন্ত্রী বাবাকে দেওয়া মায়ের এই পরামর্শকে শ্রেষ্ঠ পরামর্শ বলে উল্লেখ করেন।’
স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি যেন আর মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ না পায়, সে জন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

দুপুর থেকেই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশে মানুষের ঢল নামে। আজ সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ, এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যানার নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে এ বিশাল উদ্যান। এখানেই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শুনিয়েছিলেন স্বাধীনতার অমর সেই বাণী, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।’
সমাবেশস্থল সাজানো হয় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের মতো করে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কৃত্রিম লেকে শোভা পায় পাটবোঝাই পালতোলা নৌকা। আর নৌকার পালে আছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের বিভিন্ন অংশ। এসবের মধ্যে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,’ ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা আল্লাহ’, ‘তোমাদের হাতে যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে’ লেখা ব্যানার।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সমাবেশ। তারপর বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, অধ্যাপক রফিকুল হক, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
কবি নির্মলেন্দু গুণ তাঁর রচিত কবিতা এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর কবিতা আবৃত্তি করেন।

সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে পরিবেশিত হয় গান ও কবিতা। পরিবেশিত হয় রবীন্দ্র, নজরুল আর মরমি কবি লালন শাহের গান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে আলোর দিশারীতে পরিণত হয়েছে-জেলা প্রশাসক

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্য’ ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রার” এ অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে” বিশ^ প্রামাণ্য ঐতিহ্যের’ র” স্বীকৃতি লাভ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা, আনন্দ উৎসব ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিশ^। আজ ৪৫ বছর পরেও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আবেদন বাঙালির কাছে অটুট আছে। লেখক ও ইতিহাসবিদ জেকব এফ ফিল্ড’-এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা গ্রন্থে এই ভাষণ স্থান পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ববাসীর কাছে বিশেষ করে বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে আলোর দিশারীতে পরিণত হয়েছে। তিনি এ ভাষণ দিয়েছিলেন ঔপনিবেশিক পাকিস্থানী দুঃশাসন থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। ১৯৪৮ সালে ভাষার দাবিতে আন্দোলন শুরু করার সময়ই বঙ্গবন্ধু বুঝে গিয়েছিলেন স্বাধীনতা ব্যতীত এই জাতির চূড়ান্ত মুক্তি মিলবে না।
তিনি আরো বলেন, রেসকোর্সের জনসমুদ্রে দেওয়া জাতির পিতার এই কালজয়ী ভাষণে ধ্বনিত হয়েছিল বাংলার গণমানুষের প্রাণের দাবি। এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ করেন। আবার সশ¯্র সংগ্রামের দিক-নিদের্শনাও দিয়ে যান।’
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল হান্নান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, জেলা ডেপুটি কমান্ডার মো. আবু বক্কর সিদ্দীক, সদর উপজেলা কমান্ডার মো. হাসানুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোমেন, মুক্তিযোদ্ধা এড. অরুণ ব্যণার্জী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেজুতি প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য মো. আব্দুর রহিম, সদর উপজেলার আহবায়ক মো. সাইফুল ইসলাম, সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন, বৈকারী ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলসহ জেলার মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের জনতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘নির্বাচন হতে হলে সংসদকে ভেঙে দিতে হবে’

নির্বাচন হতে হলে সংসদকে ভেঙে দিতে হবে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী নির্বাচনে দেশের মানুষ সত্যিকার অর্থেই সুন্দর পরিবেশ-পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নির্বাচনে যেতে চায়, মানুষ সমস্ত দলগুলোকে নির্বাচনে দেখতে চায়, নিজেরা নিজের ভোট দিয়ে সরকার পরিবর্তন করতে চায়, সরকার গঠন করতে চায়। আর নির্বাচন হতে হলে অবশ্যই লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে এবং এই সংসদকে ভেঙে দিতে হবে।

আজ দুপুরে রাজধানীতে সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ভাসানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪১তম মৃত্যুদিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল আরাে বলেন, মানুষ সত্যিকার অর্থে পরিবর্তন চায়, জনগনের সরকার চায়। সেই পরিবর্তন সম্ভব যদি একটা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়।
ভাসানী স্মৃতি সংসদের সভাপতি জিয়াউল হক মিলু‘র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সাবেক মন্ত্রীজাকারিয়া খান চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, সাবেক মন্ত্রী নুর মোহাম্মদ খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু, স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুল হুদা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারিকে ফুলের শুভেচ্ছা

নাজমুল আরেফিন, কুশখালী : সদর উপজেলার কুশখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল জব্বার সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য বুধবারে জেলা স্কাউট মিলনায়তনে সকল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মনোনয়নে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম (শ্যামল), ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎশাহী সদস্য মো. নুরোল আমিন, দাতা সদস্য মো. আহম্মাদ আলী গাজী, অভিভাবক সদস্য মো. জিয়াউর রহমান, মো. আনারুল ইসলাম, সহ-প্রধান শিক্ষক এ.এস.এম আব্দুল করিম, শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র সরকার, হরিপদ দাস, মো. হায়দার আলী, মো. জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ অথৈ

নাচ এবং অভিনয় বরাবরই ধ্যান-জ্ঞান ছিল তার। তাইতো নাট্যকলায় অনার্স কমপ্লিট করে অভিনয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করছেন এই লাস্যময়ী।

স্বপ্ন দেখছেন অভিনয়ের প্লাটফর্মে নিজের ডানা মেলতে। বলছিলাম ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’ তাহমিনা অথৈ’র কথা।

কম্বোডিয়াতে আগামী ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি ২০১৭। গত ২৮ বছর ধরে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় এই সুন্দরী প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। মূলত, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই আয়োজন। বিভিন্ন দেশ থেকে নির্বাচিত ১০০ মিস ইউনিভার্সিটি ১৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত লড়াইয়ে অংশ নিবেন। আর বাংলাদেশ থেকে এবার অংশ নিবেন অথৈ। জাতিসংঘ তাদের পিস কিপিং প্রজেক্টে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।  

শুক্রবার এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অথৈ নির্বাচিত হন ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’।

বেশ কয়েকটি ধাপে নির্বাচন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে। কয়েক হাজার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সুন্দরীর আবেদন জমা পড়েছিল এই বাছাই প্রক্রিয়ায়। সবাইকে ছাপিয়ে ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটির মুকুটটি পড়েন অথৈ। এবারের প্রতিযোগিতার আয়োজক ছিল অপূর্ব ডটকম। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার অপূর্ব বলেন, ‘এবার তৃতীয়বারের মত আয়োজনটি করলাম। আর প্রথম করেছিলাম ২০১১ সালে। ‘

এই অর্জন তার ক্যারিয়ারকে ত্বরানিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন অথৈ।

তিনি বলেন, ‘এই ধরনের একটি প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়ার পর দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। এখন দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে হবে, বিষয়টি সত্যিই আনন্দের এবং গৌরবের। ‘

এর আগে এই ধরনের কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে অথৈ বলেন, ‘না এই রকম কোন রিয়্যালিটি শোতে অংশ নেইনি। তবে ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি পুরোপুরি ভিন্ন একটি প্লাটফর্ম। এই প্রতিযোগিতায় শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের পড়ুয়া সুন্দরীরা অংশ নিতে পারে। এটাই এই আয়োজনের একটু ভিন্নতা স্বকীয়তা। ‘

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অথৈ বলেন, ‘মিডিয়া নিয়েই আমার সব পরিকল্পনা কেন্দ্রীভূত। মাস্টার্স শেষ হলে হয়তো পুরোপুরি কোমর বেঁধে নামবো এই জগতে। বর্তমানে একটি বেসরকারি চ্যানেলের প্রোগ্রাম উপস্থাপনায় রয়েছি। পাশাপাশি একটি ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছি। ‘

এই চলার পথে সবচাইতে বেশি ভূমিকা রেখেছে তার মা, এমনটাই জানালেন অথৈ। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মায়ের উৎসাহে নাচ শিখেছি, এমনকি স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে যখনই পারফর্ম হতো তখনই মা গিয়ে উপস্থিত হতেন দর্শক সারিতে। ‘

ছোট পর্দা না বড় পর্দা কোনটাকে প্রাধান্য… এবার অথৈ বলেন, ‘সৃষ্টিশীল কাজ যে কোনো প্লাটফর্মেই আনন্দের। চেষ্টা করবো যেখানেই কাজ করি দক্ষতা ও দায়িত্ব নিয়েই করবো। তবে ছোট পর্দা আমার প্রথম পছন্দ। বাকিটা হয়েতো সময় হলেই বোঝা যাবে। ‘

আগামী ২৫ নভেম্বর কোরিয়াতে ১০০ দেশের এই বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দরীদের নিয়ে শুরু হবে গ্রুমিং।
আর কম্বোডিয়াতে আগামী ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত কার্যক্রম। ভিসা কার্যক্রম শেষ হলে দুই এক দিনের মধ্যে কোরিয়া পাড়ি জমাবেন অথৈ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাদ পড়লেন জেসিয়া, ফিরছেন কাল

মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭ প্রতিযোগিতার ৬৭তম আসরে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেয়া ‌‌’মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জেসিয়া ইসলাম সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েছেন। এদিকে, ৬৮ জন প্রতিযোগীকে হারিয়ে ২০১৭ সালের মিস ইন্টারন্যাশনাল নির্বাচিত হয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার সুন্দরী কেভিন লিলিয়ানা।
মঙ্গলবার টোকিওতে প্রতিযোগিতার চূড়ান্তে পর্বে তার (কেভিন লিলিয়ানা) মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন ২০১৬ সালের মিস ইন্টারন্যাশনাল ফিলিপাইনের কাইলি ভারসোজা।

জানা যায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ২০ সেমি-ফাইনালিস্টকে নিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। এতে জেসিয়া ইসলাম উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাল রবিবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এর আগে মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭ প্রতিযোগিতার আসরে ১২০ প্রতিযোগীর মধ্যে ‘হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ’-এ আটটি গ্রুপ থেকে বিজয়ীরা সরাসরি পৌঁছে গেছেন সেরা ৪০-এ। সেই ‘ফাইনাল ফোর্টি’-তে জায়গা করে নিয়েছেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ জেসিয়া ইসলামও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজশাহীকে উড়িয়ে ঢাকার দুর্দান্ত জয়

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১৯তম ম্যাচে রাজশাহী কিংসকে ৬৮ রানে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। এই জয়ে শীর্ষে থাকা সাকিবের ঢাকা পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের স্থান আরও মজবুত করলো।
৬ ম্যাচ খেলে তাদের সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৯। অপরদিকে রাজশাহী সমান ম্যাচ খেলে জিতেছে দুটিতে, পয়েন্ট ৪।

ঢাকা ডায়নামাইটসের দেয়া ২০২ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই খেই হারায় রাজশাহী কিংস। ইনিংসের শুরুর দিকেই ফিরে যান রনি তালুকদার। পেসার আবু হায়দার রনির বলে এলবিডব্লিউ ফাঁদে পড়েন তিনি। রনির দ্বিতীয় শিকার সামিত প্যাটেল। ফিরে যাবার আগে ছয় রান করেন তিনি। শহীদ আফ্রিদির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এ ইংলিশ ব্যাটসম্যান।

এবার ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যান মুমিনুল হককে রনির তালুবন্দি করেন আফ্রিদি।
রাজশাহীর দলীয় ৭১ রানে ফিরেন গেলো ম্যাচের প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ জাকির হাসান। ২৩ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। এ উইকেটটিও তুলে নেন আফ্রিদি।

৪ বলে ২ রান করে দ্রুত ফিরে যান দলের আইকন মুশফিক। অন্যদিকে ১৪ বলে নয় রান করে আউট হন কিউই অলরাউন্ডার জেমস ফ্রাঙ্কলিন।

শেষ দিকে অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ঢাকার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের বলে আউট হলে আশা শেষ হয় রাজশাহীর। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ ১০ ও ফরহাদ রেজা ৬ রান করে মাঠ ছাড়েন ও হোসেন আলী ১ রান করে আউট হন।

ঢাকার হয়ে আফ্রিদি নেন চারটি উইকেট। রনি তিনটি, সাকিব দুটি ও মোহাম্মদ সাদ্দাম নেন একটি উইকেট।

এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজশাহীর অধিনায়ক স্যামি। ব্যাটিংয়ে নেমে ঢাকার হয়ে ৬৫ রান করে এভিন লুইস। রাজশাহীর তরুণ পেসার হোসেন আলীর বলে আউট হবার আগে ১০টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি।
শেষ দিকে কুমার সাঙ্গাকারা ২২ বলে ২৮ রান করে ফিরে যান। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং দানব কাইরন পোলার্ড ঝড় তুলেন। ২৫ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তিনটি ছয় ও পাঁচটি চারে ইনিংসটি সাজান পোলার্ড।

হোসেন আলী তিনটি ও মিরাজ দুটি উইকেট শিকার করেন। সামিত প্যাটেল ও হাবিবুর রহমান একটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ঢাকা ডায়নামাইটস: ২০১/৭ (২০)
রাজশাহী কিংস: ১৩৩/ (১৮.২)
ফলাফল: ঢাকা ৬৮ রানে জয়ী
প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: এভিন লুইস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লঙ্কান বোলাদের সামনে অসহায় ভারত গুটিয়ে গেল ১৭২ রানে

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে ঘরের মাটিতে ১৭২ রানে গুটিয়ে গেছে টিম ইন্ডিয়া। কলকাতায় বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে চেতেশ্বর পূজারা ছাড়া ভারতের প্রথম সারির কোনো ব্যাটসম্যানই দুই অংকের ঘরে পৌঁছতে পারেনি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা বিনা উইকেটে ১৯ রান সংগ্রহ করেছে।

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০০৫ সালে চেন্নাইয়ে ১৬৭ রানে অলআউট হয়েছিলো স্বাগতিক দেশটি।

যদিও ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হতে অবশ্য তৃতীয় দিন লেগে যায়। বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে প্রথম দু’দিন মাত্র ৩২ ওভারের মতো খেলা হয়েছিলো। তাতেও বর্তমান আইসিসির টেস্টর তালিকায় শীর্ষ দেশ ভারত হার এড়াতে পারবে কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে।

লঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পেয়েছে সুরাঙ্গা লাকমাল। এছাড়া লাহিরু গামাগে ও দাসুন সানাকা দুটি করে উইকেট পান। তবে দুই ওভার বল করে কোনো উইকেটের দেখা পাননি লঙ্কানদের সেরা বোলার রঙ্গনা হেরাথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest