কনডম ব্যবসায় রাখি, প্রথম খদ্দের বিরাট-আনুশকা!
 আবারও খবরের উঠে এল রাখি সাওয়ান্তের নাম। বিতর্কে থাকা তার স্বভাব। বিতর্কের মাধ্যমে কী ভাবে খবরে থাকতে, সেই ব্যাপারে বিপুল জ্ঞান রাখির। এবারে নিজের কনডমের ব্র্যান্ড লঞ্চ করলেন তিনি। ব্র্যান্ডটির নাম ‘বি-বয়’ কনডম।

এখানেই শেষ নয়। কনডমের ব্র্যান্ড লঞ্চ করার সঙ্গে সঙ্গে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন রাখি। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাখি চান নবদম্পতি বিরাট কোহলি এবং আনুশকা শর্মাই প্রথম তার লঞ্চ করা কন্ডোম ব্যবহার করুক।

রাখির কথায়, ‘বিরাট কোহলি আর আনুশকা শর্মা সব থেকে সুন্দর যুগল। তারা সদ্য বৈবাহিক জীবনে পা রেখেছেন। আমি চাই, তারা প্রথম এই কনডম ব্যবহার করুন এবং তার ফিডব্যাক জানান। আমি মনে করি, আমার ব্র্যান্ডের কনডম বিশেষ মানের। এই প্রথম এতগুলো ফ্লেভার নিয়ে কোনও কনডম ব্র্যান্ড বাজারে এল।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই সিরিজের জন্য টাইগার স্কোয়াডে বিজয়-আরিফুল

নতুন বছরের শুরুতেই ঘরের মাঠে জমে উঠবে ক্রিকেট লড়াই। পরপর দুটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।

এর একটি জিম্বাবুয়ে এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই দুই সিরিজ উপলক্ষে আজ শনিবার ৩২ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াডে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অনেকটা অনুমিতভাবেই এই স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয় এবং আরিফুল হক। এই দুটি নাম সদ্য সমাপ্ত বিপিএলের পঞ্চম আসরে বহুবার উচ্চারিত হয়েছে। এই দুজনই অসাধারণ পারফর্ম করেছেন বিপিএলে। এছাড়া নাসির হোসেন, মোহাম্মদ মিথুন, সাইফ উদ্দিনরাও আছেন প্রাথমিক স্কোয়াডে।

১৫ জানুয়ারি থেকে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু হবে। এই সিরিজ শেষে ৩১ জানুয়ারি থেকেই মাঠে গড়াবে লঙ্কানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।

এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। শনিবার ঘোষিত স্কোয়াডের সদস্যদের ক্যাম্প আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।

বাংলাদেশের প্রাথমিক স্কোয়াড: তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, লিটন কুমার দাস, এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোমিনুল হক, সাদমান ইসলাম, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ, নাসির হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ মিথুন, সৌম্য সরকার, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শফিউল ইসলাম, আবু হায়দার, আবু জায়েদ, শুভাশীষ রায়, রুবেল হোসেন, আবুল হাসান, কামরুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম, সানজামুল ইসলাম, আরিফুল হক, মেহেদী হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বার্নাব্যুতে বার্সার কাছে বিধ্বস্ত রিয়াল

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে লা লিগার আগের দুই এল ক্লাসিকো জিতেছিল বার্সেলোনা। জিতলো আবারও। ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবার রিয়ালের মাঠে টানা তিনটি লিগ ম্যাচ জিতলো কাতালান জায়ান্টরা। শনিবার এই লা লিগা মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনা ৩-০ গোলে হারালো ১০ জনের রিয়ালকে।

লিগের গত মৌসুমে বার্নাব্যুতে ৩-২ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। তার আগেরবার ঘরের মাঠে রিয়াল হারে ৪-০ গোলে। তবে এরনেস্তো ভালভারদে দায়িত্ব নেওয়ার পর টানা দুটি এল ক্লাসিকো এই মৌসুমে হেরেছিল বার্সা। গত আগস্টে স্প্যানিশ সুপার কাপের দুই লেগে ৩-১ ও ২-০ গোলে তাদের বিপক্ষে জিতে শিরোপা হাতে নেয় রিয়াল। লিওনেল মেসি ও লুই সুয়ারেসের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে শেষ পর্যন্ত প্রথম এল ক্লাসিকো জয়ের স্বাদ পেলেন অ্যাথলেটিক বিলবাওর সাবেক কোচ।

গত সপ্তাহে গ্রেমিওকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রিয়াল। ওই ম্যাচের পরই ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো আবদার করেছিলেন, এল ক্লাসিকো শুরুর আগে যেন বার্সা তাদের ‘গার্ড অব অনার’ দেয়। সেই আবদার পূরণ হচ্ছে না, স্পষ্ট জানিয়ে দেয় বার্সা। প্রত্যাখ্যাত হয়ে বার্সার ‘গায়ে জ্বালা’ ধরাতেই বিশেষ ‘পার্টি’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রিয়াল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি। ২৩৭তম এল ক্লাসিকোতে উল্টো তাদের সামনে জয় উদযাপন করলো বার্সা।

শুরু থেকে বল দখল, বার্সার রক্ষণে আক্রমণ চালানোয় এগিয়ে ছিল রিয়াল। বার্সা প্রথমবার প্রতিপক্ষের ডিবক্সে ঢুকেছিল ১০ মিনিটে। দুই মিনিটে রোনালদোর হেডে বল জড়ায় জালে। কিন্তু তাকে উদযাপন করতে দেননি লাইন্সম্যান, উড়ান অফসাইডের পতাকা। আরও কয়েকবার লক্ষ্যে শট নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে রিয়াল।

তবে বার্সা প্রথমবার প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দেয় ৩০ মিনিটে। মেসির চমৎকার পাস থেকে শট নিয়েছিলেন পাউলিনিয়ো, কিন্তু ব্রাজিলিয়ানের চেষ্টা গোলবারের উপর দিয়ে আলতো করে পাঠিয়ে দেন কেইলর নাভাস। পরের মিনিটে রোনালদোর কোনাকুনি শট পা দিয়ে ঠেকান বার্সা গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন। বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩৯ মিনিটে শেষবার সুযোগ হারায় অতিথিরা। আবারও পাউলিনিয়োর হেড রুখে দেন নাভাস। ৪২ মিনিটে রিয়ালের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট হয় করিম বেনজিমার হেড পোস্টে লেগে।

প্রথমার্ধ যদি রিয়ালের হয়, তবে শেষ ৪৫ মিনিট কেবলই বার্সার। ৫৪ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। মাঝমাঠে স্বাধীনভাবে বল নিয়ে ডিবক্সের দিকে এগিয়ে যান ইভান রাকিতিচ, এরপর বল বাড়িয়ে দেন সের্হিয়ো রবের্তোর দিকে। তার ক্রস থেকে সহজে লক্ষ্যভেদ করেন সুয়ারেস।

দলে একটি দুটি বদল আনার পরিকল্পনা করছিলেন জিনেদিন জিদান। কিন্তু ৬৩ মিনিটে আবার পিছিয়ে পড়ে তার দল। সুয়ারেস দুইবার লক্ষ্যভ্রষ্ট হন, প্রথমবার নাভাস ও পরেরবার পোস্টে লাগে। কিন্তু পাউলিনিয়ো ফিরতি শট নিয়েছিলেন লক্ষ্যে, ঝুঁকিপূর্ণ ওই চেষ্টা হাত দিয়ে আটকে দেন দানি কারভাহাল। বল লক্ষ্যভেদ হলেও রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান এবং কারভাহালকে দেখান লাল কার্ড। স্পট কিকে মেসি শক্তিশালী শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। লা লিগায় রিয়ালের বিপক্ষে এটি ছিল আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের ১৭তম গোল। লিগের ইতিহাসে মাদ্রিদের ক্লাবের বিপক্ষে এত গোল আর কেউ করেনি।

শেষদিকে নেমে মার্কো আসেনসিও ও গ্যারেথ বেল রিয়ালকে ম্যাচে ফেরানোর সব চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু টের স্টেগেন ওয়েলস তারকাকে রুখে দেন। রোনালদোর ক্রস থেকে সের্হিয়ো রামোসও টপকাতে পারেননি বার্সা গোলরক্ষকের বাধা। বরং ইনজুরি সময়ে আবারও তাদের জালে বল পাঠায় লিগের শীর্ষ দল। মেসির পাস থেকে অ্যালেইক্স ভিদাল দলের তৃতীয় গোল করেন।

এই জয়ে ১৭ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলো কাতালান জায়ান্টরা। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে রিয়াল। বার্সার চেয়ে ৯ পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে দুইয়ে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ (৩৬)। অবশ্য শনিবার ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে জিতলে অ্যাতলেতিকোকে টপকে দুই নম্বরে উঠবে ভ্যালেন্সিয়া (৩৪) । অর্থাৎ, অন্তত ৮ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে বছর শেষ করবে শীর্ষে থাকা বার্সা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৗতলা প্রাইমারি স্কুলে বার্ষিক ফলপ্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের ৩৮ নং মৌতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসএমসি সভাপতি শেখ রবিউল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ইখলাছুর রহমান। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার গাইন, নারায়নপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান, ৩৮ নং মৌতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাছলিমা খাতুন, মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের সাবেক সভাপতি মোল্ল্যা আব্দুল কাদের, মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মুন্সী মশিউর রহমান পলাশ, মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সদস্য প্রশান্ত কুমার সাহা প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন এসএমসি সদস্য রেহানা পারভীন, রিক্তা নন্দীসহ বিদ্যলয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে শিশুদের টিকা খাওয়ানো হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ক্যাপসুল খাওয়ানো উদ্বোধন করা হয়। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুকে টিকা খাওয়ানোর মধ্যে দিয়ে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শেখ তৈয়াবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল টেকনোলজি ই পি আই শেখ মহিবুর রহমান, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক (সেনিটারি ইন্সপেক্টর) আব্দুস সোবহান, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য সহকারীবৃন্দ।
এসময় উপজেলা ১২ ইউনিয়নের ২৯১ টি টিকা দান কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪‘শ ৫৯জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়েসী ২৭ হাজার ২০জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সকল টিকা দান কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যান সহকারী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ স্বেচ্ছাসেবকরা এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে সহযোগিতা করেন। সকল কেন্দ্রে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে খাবার পানির পুকুরের ইজারা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জে সুপেয় পানির স্যান্ড ফিল্টারের পুকুরটি লিজ দেওয়ায় এলাকাবাসির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের হাড়দ্দাহ, চাকদাহা, চিংড়া, হোসেনপুর, হোগলদাড়া, পাঁচ বাড়িয়া ও বসন্তপুর গ্রামের ৫০ বছর যাবৎ সুপেয় পানির একমাত্র অবলম্বন হাড়দ্দাহ পুকুরটি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দেওয়ায় সাত গ্রামের জনসাধারণ কলস, বালতিসহ পানি নেওয়ার বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে শানিবার বিকেলে শত শত নারী-পুরুষ মিলে পুকুরের ইজারা বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সরজমিনে দেখা যায়, ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত জেলা পরিষদের এই পুকুরটি ইজারা প্রদান করায় ইজারা গ্রহিতা মাছ চাষের জন্য সার ও কিটনাশক পুকুরের পানিতে ব্যবহার করায় ফলে সেই পানি খেয়ে ইতি মধ্যে গ্রামের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কিন্তু ব্যাক্তি সার্থে জেলা পরিষদ কে ভূল বুঝিয়ে উপজেলা সদরের বাজার গ্রামের সুধীর অধিকারীর ছেলে সঞ্চায় অধিকারী সঞ্চায় অধিকারী লিজ গ্রহণ করে। বিক্ষোভকালে উপস্থিত ছিলেন মথুরেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী অমল কান্তি রায়, প্রধান অফিস সহকারী সামছুর রহমান, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নলকুপ মেকানিক আমিনুর রহমান, ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন সোহেল, পল্লী চিকিৎসক সুকুমার মন্ডল, গ্রামবাসী রবিন্দ্রনাথ লস্কর, নূর মোহাম্মদ গাজী, সহদার মন্ডল, সমির মন্ডল, ফকির আলী, সালেহা খাতুন, গীতা মন্ডল, উসা লস্কর, প্রমিলা মন্ডল, কবিতা রানী মন্ডল, নুরজাহান খাতুন, নিলা মন্ডল, নবিজান বিবিসহ এলাকার শত শত নারী-পুরুষ। জনস্বার্থে এলাকাবাসী সুপেয় পানি পানের লক্ষ্যে ইজারা বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দৃষ্ঠি আকর্ষণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ইয়াবাসহ ২ ব্যক্তি আটক

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে ২০পিচ ইয়াবাসহ ২ জন আটক হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর হাটখোলা গ্রামের মৃত আদর আলী শেখের ছেলে আহছান আলী শেখ (৪৬) ও অপরজন হলো একই উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের ভদু গাজীর ছেলে ইশার আলী গাজী (৪০)। পুলিশ জানায়, দেবহাটা থানার এসআই আল আমিন শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা উপজেলার হাদীপুর হাটখোলা যাত্রী ছাউনী থেকে উল্লেখিত ২ জনকে ২০ পিচ ইয়াবা সহ আটক করেন। তাদের বিরুদ্ধে এসআই আল আমিন বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং- ১২। আটককৃতদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজও অযত্ন আর অমর্যাদায় পাটকেলঘাটার পারকুমিরার বধ্যভূমি

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : যাদের কারণে দেশে বুক ফুলিয়ে বসবাস করছি তাদেরকে কিছুই দিতে পারিনি বরং যারা শহিদ হয়েছে তাদের বধ্যভূমিকে করছি অপমানিত, করছি অবহেলা! ৩০লাখ মানুষের তাজা রক্তে ভেজা বাংলাদেশ, অসংখ্য মা, বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ; যারা এতা বড় ত্যাগ স্বীকার করে বিশ্বের মানচিত্রে লাল-সবুজের পতাকা বালাদেশ নামক একটি ভূখ-কে ঠাঁই করে দিয়েছে আজ তারা প্রতি পদে পদে অবহেলিত। আর হায়েনারা যাদের প্রকাশ্য গুলি ও ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করেছে তাদের স্মৃতিস্তম্ভ (বধ্যভূমি) আজ অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কর্তৃপক্ষের তেমন কোন দৃষ্টি নেই এই বধ্যভূমির দিকে। পাটকেলঘাটা থানার পারকুমিরার একাত্তরের বধ্যভূমি টি অযতœ আর অমর্যাদায় মধ্যে পড়ে রয়েছে। দীর্ঘ ৪০বছর পরও পাকহানাদার বাহিনীর নির্মম অত্যাচারের সাক্ষ্য বহনকারী এই বধ্যভুমিটি সংরক্ষণের কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি এখও পর্যন্ত।

পাটকেলঘাটা থানার পারকুমিরার গণহত্যা একটি সম্মুখ যুদ্ধ। ১৯৭১সালের ২৩এপ্রিল পাটকেলঘাটার সন্নিকটে পারকুমিরা নামক স্থানে ৭৯জন গ্রামবাসীকে পাকসেনারা সেদিন ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে। এর মধ্যে ৪৯জনের লাশ পারকুমিরার বধ্যভূমিতে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়। স্বাধীনতার পর একে একে ৪৬টি বছর অতিবাহিত হলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় সেখানে বিভিন্ন মৌসুমে ফসলের সমারহে ভরে যায়।
সরেজমিনে জানা যায়, স্বাধীনতার ৪৬বছর অতিবাহিত হলেও দীর্ঘদিনে পারকুমিরায় ৭৯জন শহিদের গণকবর আজও সংরক্ষিত হয়নি। কাশীপুর গ্রামের শেখ হায়দার আলীকে পাকসেনারা গায়ে পাট জড়িয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে। সেদিনের সেই হত্যাযজ্ঞের প্রত্যক্ষদর্শী মৃত কার্তিক চন্দ্র দে এর স্ত্রী চপলা রানি দে (৭৫), শেখ নেছার আলীর স্ত্রী কুলসুম বিবি (৬০), কানাই লালের পুত্র বিশ্বনাথ রায় (৫৮) এবং শহিদ পরিবারের সন্তান শেখ নুরুল ইসলাম ও শেখ টিপু সুলতান (৫০) সেদিনের সেই বর্বর হত্যাযজ্ঞের লোমহর্ষক কাহিনি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সেদিন ছিল শুক্রবার। মসজিদে জুম্মার আযান হচ্ছিল এ সময় পাটকেলঘাটা থেকে পাকিস্তানী হায়নারা বীর দর্পে পারকুমিরায় গিয়ে নিরীহ গ্রামবাসীকে আলোচনার কথা বলে একত্রিত করে। লাইনে দাড় করিয়ে দিয়ে সহজ সরল গ্রামবাসীর উপর ব্রাশ ফায়ার করলে ঘটনাস্থলেই ৭৯জন নিহত হয়। এদের মধ্যে যশোর নওয়াপাড়া, চুকনগর, ডুমুরিয়া, পাইকগাছাসহ বিভিন্ন এলাকার আশ্রয় সন্ধানে আশা শরণার্থীদের উপর নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার ৪৬বছর অতিবাহিত হলেও আজও সেই বীর শহিদদের গণকবর রক্ষার্থে সরকারি ভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি এবং বধ্যভূমিতে এক মাত্র কালের সাক্ষী হয়ে রয়ে আছে সে দিনের সেই তালগাছ। প্রতি বছর ২৩এপ্রিল শহীদের স্মৃতি রক্ষার্থে এই বধ্যভূমিতে বিভিন্ন দলীয় ভাবে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। কিন্তু বাকী দিন গুলি এই গণকবরের বুকে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ হয়ে থাকে। বর্তমানে সেখানে সরিষার হলুদ ফুলের সমারহ। শহিদ পরিবার সহ সর্বমহলের সরকারের কাছে একটাই চাওয়া যেহেতু প্রধান মুন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে ছিলেন সেহেতু তার সরকারের আমলেই শহিদদের স্মৃতি রক্ষার্থে এই বধ্যভূমি রক্ষা করার ব্যবস্থা করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest