সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ভোমরা স্থলবন্দরে আমাদানীকৃত পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুণ, বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষ

আসাদুজ্জামান : ভারত রপ্তানী মূল্য বাড়িয়ে দেয়ায় পেয়াজের আমদানী অর্ধেকে নেমে এসেছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ভোমরা স্থল বন্দরে আমাদানীকৃত পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুন ছাড়িয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলসি সংশোধন করে নতুন দামে পেয়াঁজ আনলে তারা লোকসানে পড়বেন। অন্যদিকে, পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে বেশী বিপাড়ে পড়েছেন ভিন্ন আয়ের মানুষেরা।
জানা গেছে, ভারতে পেঁয়াজের রপ্তানী মূল্য টন প্রতি সাড়ে ৪’শ মার্কিন ডলার থেকে হঠাৎ সাড়ে ৮’শ ডলার নির্ধারন করায় বিপাকে পড়েছে ব্যাবসায়ি ও সাধারণ মানুষ। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ভোমরা স্থল বন্দরে আমাদানীকৃত পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুন হয়েছে। ক্ষতির আশংকায় ভোমরা বন্দর ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমাদানী কমিয়ে দিয়েছেন। যার ফলে বেকার হয়ে পড়েছে ড্রাইভার ও বন্দর সংশ্লিষ্ঠ শ্রমিক কর্মচারীরা।
ভোমরা স্থলবন্দর সুত্রে জানা যায়, ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে গত এক সপ্তাহ আগে গড়ে প্রতিদিন ১’শ থেকে দেড়’শ ভারতীয় পেঁয়াজবাহী ট্রাক প্রবেশ করতো। কিন্তু বর্তমানে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫টিতে।
ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার পরিতোষ মন্ডল জানান, সে দেশের খুচরা বাজারে এখন পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশেও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাতক্ষীরা বড় বাজার ব্যাবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক রওশন আলি জানান, বর্তমানে সাতক্ষীরার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৯৫ থেকে ১০০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে। গত দুই সপ্তাহ আগে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ছিল কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এদিকে, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষতির আশংকায় ব্যবসায়ীরা আমদানী কমিয়ে দিয়েছেন।
ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দেলোয়ার রাজু জানান, হঠাৎ করে ডলারের মুল্যে বৃদ্ধি পাওয়ায় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভোমরা বন্দরে পেঁয়াজের আমদানি কমে গেছে। পেঁয়াজের মুল্যে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বন্দরে ব্যাবসায়িদের পাশাপাশি শ্রমিক ও ড্রাইভাররা ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন বলে তিনি আরো জানান।
ভোমরা স্থল বন্দর শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, গত অক্টোবর মাসে এ বন্দর দিয়ে ২৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। সেখানে নভেম্বর মাসে প্রায় ২৭ হাজার ৫’শ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানী হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে, তুলনা মূলক ভাবে আগের থেকে বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানী কিছুটা কমে গেছে বলে তিনি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই ব্যক্তি আহত

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়ায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ দুই ব্যক্তি জখম হয়েছে। এ ঘটনায় কলারোয়ায় থানায় ৩জনের বিরুদ্ধে হত্যার প্রচেষ্টার একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের ইলিশপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: রবিউল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গত ৩০ নভেম্বর রাত সাড়ে ৭টার দিকে কোটার মোড়ের নজরুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে মাদক ব্যবসায়ী আ: খালেক, আসাদুজ্জামান, এখলাছুর রহমান ওরফে দ্বীন আলীকে দেখে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আবু হাসান বলেন এই এলাকায় মাদক ব্যবসা করা যাবে না। একথা বলাতে তারা দলবদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধার ছেলের উপর হামলা করে। আবু হাসানের ডাকচিৎকারে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম ঘটনা স্থানে এগিয়ে আসেন। এসময় মাদক ব্যবসায়ীরা দলবদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধার উপর ঝাপিয়ে পড়ে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে জখম করে। মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় একটি মটরসাইকেল ভাংচুরসহ নগদ ২হাজার ৫শ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে আহত ব্যক্তিদের এলাকাবাসী উদ্ধার করে কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এঘটনায় কলারোয়ায় থানায় মুক্তিযোদ্ধা রবিউল হোসেন বাদী হয়ে ৩জনকে আসামী করে একটি মামলা নং-১(১২)১৭ দায়ের করেন। এদিকে এই মামলা দায়ের হওয়ায় আসামীরা মামলা তুলে নিতে মামলার বাদীকে হুমকি দিচ্ছে বলে মুক্তিযোদ্ধা রবিউল হোসেন সাংবাদিকদের জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমিল্লাকে হারিয়ে দুইয়ে খুলনা

পয়েন্ট তালিকার এক নাম্বার দলের সঙ্গে লড়াই। খুলনা টাইটান্সের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল। কঠিন চ্যালেঞ্জটা দারুণভাবে জিতে নিলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে সেরা দুইয়ে ঢুকে গেলো তারা।

দিনটা খুলনারই ছিল। শুরুতে টস ভাগ্যও সহায় হয় তাদের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ব্যাটিং বেছে নিতে ভুল করেননি। বোলারদের জন্য পিচে তেমন কিছু ছিল না। খুলনা টাইটান্সকে ভরসা দিলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরাই। শুরুতে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং শেষের দিকে আরিফুল হকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে ১৭৪ রানের বড় পুঁজি পেয়ে যায় খুলনা।

২১ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন শান্ত। ২১ বলে ৪ চার আর ১ ছক্কায় ৩৫ করেন আরিফুল। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ ২৩ বলে ২৩ রান করেন। বিদেশিদের মধ্যে মাইকেল ক্লিঙ্গার ২৮ বলে ২৯ আর শেষদিকে কার্লোস ব্রেথওয়েট ১২ বলে ২২ রান করে দলের পুঁজিতে অবদান রাখেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পক্ষে ৩টি উইকেট নেন আল আমিন হোসেন। একটি করে উইকেট পান শোয়েব মালিক আর সলোমন মিরে।

১৭৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঘুর্ণিতে সলোমন মিরে ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই। ইমরুল কায়েস আর তামিম ইকবাল মিলে অবশ্য শুরুর ধাক্কা সামলে উঠেছিলেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা তুলেন ৬৩ রান।

১৯ বলে ২০ রান করে ইমরুল ফিরলে ভাঙে এই জুটিটি। এরপর তামিমও ৩৩ বলে ৩৬ করে ব্রেথওয়েটের শিকার হলে আবারও বিপদে পড়ে যায় কুমিল্লা। ১৬টি বল খেলে ১১ রান করে জস বাটলার। কুমিল্লার চাপ তাতে আরও বেড়ে যায়।

এরপর শোয়েব মালিক হাত খুলে খেলেছেন। মারলন স্যামুয়েলসও চেষ্টা করেছেন। তবে বলের ঘাটতিটা আর পূরণ করে নিতে পারেননি তারা। ২৩ বলে ৩৬ রান করে মালিক। এই ইনিংসে একটি চারের পাশে ৩টি ছক্কা হাঁকান পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। শেষপর্যন্ত ১৬ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন স্যামুয়েলস।

খুলনা টাইটান্সের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহি আর বেনি হাওয়েল। একটি করে উইকেট মাহমুদউল্লাহ, কার্লোস ব্রেথওয়েট আর মোহাম্মদ ইরফানের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার ফেরার পথে বিক্ষোভ-আগুনে উত্তাল বঙ্গবাজার এলাকা

রাজধানীর হাইকোর্ট ক্রসিংয়ের সামনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুর্নীতির দুই মামলায় আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে বাধা দেয় পুলিশ, এরপরই শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

পুলিশের ওপর ইট-পাটকেলও নিক্ষেপ করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বঙ্গবাজারের সামনে ভাঙচুর ও যানবাহনে (মোটরসাইকেল) আগুন দেন বিএনপি সমর্থকরা। ঘটনাস্থল থেকে ৭ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটকও করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, খালেদা জিয়ার আদালত থেকে ফেরার সময় সচল রাস্তা অচল করে অবস্থান নেয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। রাস্তা থেকে অবস্থান সরিয়ে নেয়ার কথা বললে তারা পুলিশের উপর ইটপাটকেল মারতে শুরু করে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ছোড়া হয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তারা বঙ্গবাজারের দিকে চলে যায়।

শাগবাগ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস জানান, পুলিশের ওপর হামলা, ভাংচুর ও রাস্তা অবরোধ করে যানচলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির অপরাধে ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।

সড়কে যানবাহনে ভাংচুর ও বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেখানে তারা একটি মোটরসাইকেল আগুন দেন। পরে খবর পেয়ে সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সেখানেও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিবারের আপত্তিতে বিয়ে, ‘ফুলশয্যা’ হল থানায়!

প্রেম-ভালবাসা এমন একটি বিষয় যা উচু-নিচু, ধনী-দরিদ্রের পার্থক্য বুঝতে চায় না। মানতে চায় না কোনও বিধি-নিষেধ। সম্প্রতি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থানা এলাকায় এমনই এক প্রেমের ঘটনা ঘটলো। যেখানে পরিবারের আপত্তি না মেনে বিয়ে করেছে এক প্রেমিক যুগল। অতঃপর স্থানীয় থানায় কেটেছে তাদের ফুলশয্যার রাত।

গত পাঁচ বছর ধরে পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছিল এক কিশোরী। আর বয়স ১৮ না হতেই পালিয়ে যান ভালবাসার মানুষের সঙ্গে। দু’জনে বিয়ে করেন। তবে সে বিয়ে পূর্ণতা পায়নি। কারণ বিয়ের পর থেকেই ওই নববধূকে হুমকি দিতে শুরু করেন পরিবারের লোকেরা।

অভিযোগ, তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্বামীকে মেরে ফেলার ভয়ও দেখানো হয়।
আর তাই আতঙ্কে ফুলশয্যার দিনটি বাড়ির বদলে থানাতেই কাটালেন ওই নবদম্পতি। নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের দ্বারস্থ হন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দু’জনের পরিবার মধ্যে অর্থনৈতিক কাঠামোতে অনেক পার্থক্য। দেবাদৃতার স্বামী বুবাই একটি ব্যাগের কারখানায় কাজ করেন। অন্যদিকে দেবাদৃতার বাবার লিফটের ব্যবসা রয়েছে। আর এই কারণেই তাদের সম্পর্কে রাজি ছিলেনে না দেবাদৃতার বাবা চিন্ময় শীল।

দেবাদৃতার অভিযোগ, পাঁচ বছরে ধরে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বাবা-মা তার উপর অনেক নির্যাতন চালাতো। দেবাদৃতা জানান, ‘প্রতি রাতেই বাবা মদ্যপ অবস্থায় ফিরে আমাকে মারধর করত। ১৮ বছর বয়স না হওয়ার কারণে বাড়ি ছেড়ে যেতে পারছিলাম না। গত দুই মাস আগে তার ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২৯ তারিখ রাতে আমাকে মারধর করে বাড়ির বাইরে বের করে দেয় বাবা-মা। তার পরই বুবাইকে বিষয়টি জানাই। পরের দিন দু’জনে পালিয়ে বিয়ে করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবকে বিয়ে করলেন পাওলি দাম

ব্যবসায়ী অর্জুন দেবকে বিয়ে করলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার তাজ বেঙ্গল হোটেলে পাওলি দামের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

বিয়ের অনুষ্ঠানে পাওলি দামের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও তাঁর অনেক সহশিল্পী উপস্থিত ছিলেন। বিয়েতে পাওলি দাম পরেছেন লাল বেনারসি শাড়ি ও মায়ের ঐতিহ্যবাহী সোনার গয়না।

পাওলি দামকে সাজিয়েছেন ডিজাইনার অনিরুদ্ধ চাকলাদা। বিয়ে উপলক্ষে কেনাকাটা করেছেন পাওলি দাম নিজেই।

পাওলি দামের শ্বশুরবাড়ি গুয়াহাটিতে। আগামীকাল বুধবার পরিবারকে নিয়ে গুয়াহাটি যাবেন পাওলি ও অর্জুন। ৮ তারিখে অর্জুন দেবের বাড়িতে ঘরোয়া অনুষ্ঠান হবে। ১০ তারিখে হবে পাওলি-অর্জুনের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমগুলোতে এমন খবরই প্রকাশ হয়েছে।
বাংলাদেশের পরিচালক হাসিবুর রেজা কল্লোল পাওলি দামের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর পরিচালনায় বাংলাদেশের পাওলি দাম ‘সত্তা’ ছবিটিতে অভিনয় করেন।

কলকাতা থেকে মুঠোফোনে কল্লোল বলেন, ‘বিয়েতে দিদি আমাকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে ভালো লেগেছে। দিদির নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা।’

দুই বছর আগে ইতালিতে অর্জুন দেবের সঙ্গে পাওলি দামের পরিচয় হয়। সেখানে এক পার্টিতে তাঁদের প্রথম দেখা ও আলাপ হয়। এরপর শুরু হয় তাঁদের বন্ধুত্ব। এরপর প্রেম ও পরিণয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় এল সৗদি নাগরিকত্ব পাওয়া ‘রোবট সোফিয়া’

অনলাইন ডেস্ক : বাক্সবন্দী হয়ে ঢাকায় এল ‘রোবট সোফিয়া’। সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া রোবট ‘সোফিয়া’ থাই এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকায় পৌঁছেছে।
বুধবার থেকে শুরু হওয়া রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’। যা ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
এবারের এ তথ্যপ্রযুক্তির মহাযজ্ঞে অংশগ্রহণ করবে সৌদি আরবের নাগরিক রোবট সোফিয়া। এর সঙ্গে একদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন এর নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন।
মানুষের মতো দেখতে রোবট সোফিয়াকে তৈরি করেছে হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স। রোবটটিকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে সে মানুষের ব্যবহারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ও শিখতে পারে এবং মানুষের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই সিভিল সার্জন কারামুক্ত হলেন

লক্ষীপুরে ভ্রাম্যামাণ আদালতে ৩ মাসের সাজা আদেশের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন শরীফ।
মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় লক্ষীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক মীর শওকত হোসেন ৫ হাজার টাকা বন্ডে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে কারাগার থেকে স্থানীয় চিকিৎসকরা তাকে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে আসেন ।
এসময় সাবেক সিভিল সার্জন তার প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় এবং সিনিয়র চিকিৎসক যেন অসম্মানিত ও অপমানিত না হন এ জন্য জোর দাবী জানাই। একই সঙ্গে মোবাইল কোর্টের নামে যে তৎপরতা চালানো হচ্ছে অবশ্যই এটি বন্ধ করা সহ যারা এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান তিনি।
সালাউদ্দিনের আইনজীবি রাসেল মাহমুদ মান্না জানান. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ডা. সালাউদ্দিন শরীফের জামিন আবেদন করলে আদালত ৫ হাজার টাকার মুচলেকা দিয়ে জামিন মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত শহরের কাকলি স্কুলের প্রবেশ পথে আগে পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফের বড় ছেলে মিনহাজের সঙ্গে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় ডা. সালাহ উদ্দিন এগিয়ে এসে পরিচয় জানতে চান। কিন্তু এডিসি পরিচয় না দিয়ে তার সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন।
এক পর্যায়ে এডিসিকে থাপ্পড় মারেন ডাক্তার।
বাবা ছেলে ও এডিসি’র মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ ডেকে ডাক্তারকে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষনের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় ডাক্তারকে। খবর পেয়ে জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছুটে যান। বিক্ষুব্ধ অবস্থায় চিকিৎসকরা প্রশাসনের সকল সেবা কার্যক্রম ও সকল হাসপাতাল ক্লিনিক বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে নিঃশর্তভাবে ওই চিকিৎসকের মুক্তি দাবি করেন।
জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগমের সঙ্গে প্রায় আধা ঘন্টার মতো রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন তারা। তবে বৈঠকে চিকিৎসকরা তড়ি ঘড়ি করে সাজা দেয়ার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসককের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এসময় জেলা প্রশাসক আপিল করলে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন বলে জানান চিকিৎসকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest