জনপ্রিয়তায় স্বামীকে ছাড়ানো বলিউড অভিনেত্রীরা

অভিনয় ও গ্লামার দিয়ে বলিউডের সিনে জগতে নিজেদের পাকাপোক্ত স্থানে নিয়ে গেছেন তারা। জায়গা পেয়েছেন ভক্ত ও দর্শকদের হৃদয়ে। আর তাদের জনপ্রিয়তা এতটাই গগনচুম্বী যে, স্বামী বলিউড অভিনেতা হওয়া স্বত্তেও তাদের ছাড়িয়ে গেছেন এসব লাস্যময়ী অভিনেত্রীরা। আবার বলতে পারেন স্ত্রী’র সুবাদে অনেক স্বামীই পরিচিতি পেয়েছেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তারা বেশ ভাগ্যবানও বটে! নিজস্ব পরিচয়, নিজস্ব পরিচিতি থাকলেও, স্ত্রীদের জনপ্রিয়তার জেরেই তাঁদের চেনা। আসলে, এঁরা প্রত্যেকেই বলিউড সুন্দরীদের স্বামী।

১. এই তালিকায় প্রথমেই বলতে হবে ঐশ্বরিয়া রাই ও অভিষেক বচ্চনের নাম। অভিষেক নিজেও অভিনেতা। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে। তবে জনপ্রিয়তায় অভিষেকের থেকে অনেক বেশি এগিয়ে ঐশ্বরিয়া।

২. বিপাশা বসু ও করন সিংহ গ্রোভারের ক্ষেত্রেও একই কথা। দু’জনেই অভিনেতা। তবে করন থেকে অনেক বেশি জনপ্রিয় বিপাশা।

৩. ১৯৯৯ সালে বিয়ে করেছিলেন মাধুরী দীক্ষিত এবং পেশায় চিকিৎসক রাম মাধব নেনে। মাধুরীর জনপ্রিয়তা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই।

৪. ১৯৯৫ সালে বিয়ে করেছিলেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া এবং বলিউড ডিভা জুহি চাওলা। জুহির স্বামী জয় মেহতা এক জন ব্যবসায়ী।

৫. ব্যবসায়ী অনিল ঠাডানির সঙ্গে ২০০৪ সালে বিয়ে হয়েছিল রাভিনা ট্যান্ডনের। অনিল এক জন ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটরও বটে। তবে জনপ্রিয়তায় কে বেশি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬. বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। ২০১১ সালে বিয়ে করেছিলেন দুবাইয়ের বাসিন্দা হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগকে। সেলিনার জনপ্রিয়তা পিটারের থেকে অনেক বেশি।

৭. প্রীতি জিনতা ২০১৬ সালে বিয়ে করেছেন আর্থিক বিশ্লেষক জেনে গুডএনাফকে। বহুদিন অভিনয় না করলেও, প্রীতির জনপ্রিয়তা আজও কমেনি। জেনেকে প্রীতির জন্যই চেনেন বেশির ভাগ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা যা হয়

সস্থায় সুস্থ থাকতে ডিমের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। কিন্তু একথাও ঠিক যে প্রতিদিন ডিম খেলে মস্তিষ্কের ভেতরে নানা পরিবর্তন হতে শুরু করে। আর এই পরিবর্তন আদৌ স্বাস্থ্যকর কিনা সে বিষয়ে জানা আছে কি?

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেছে। স্টিডিটি চসাকালীন দেখা গেছে প্রতিদিনের ডায়েটে ডিমকে রাখলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু উপাকারি উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে যে তার প্রভাবে ব্রেন সেল শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি বুদ্ধির ধারও বাড়তে শুরু করে। তাই মস্তষ্কের ভেতরের এই পরিবর্তন যে আদৌ নেতিবাচক নয়, সে বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ থাকে না।

প্রসঙ্গত, আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশানে প্রকাশিত এই গবেষণা পত্রটি অনুসারে ডিমের ভেতরে উপস্থিত কোলিন এবং ডোকোসেহেক্সেনিক অ্যাসিড নামক দুটি উপাদানের মাত্রা শরীরে যত বাড়তে থাকে, তত ব্রেন পাওয়ারে উন্নতি ঘটে। সেই কারণেই তো গবেষকরা ৬ বছরের পর থেকেই বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ এই সময় বাচ্চাদের শারীরিক বিকাশ সবথেকে দ্রুত গতিতে হতে থাকে। তাই তো ছয় বচরের পর থেকে প্রতিটি বাচ্চারই ডিম কাওয়া মাস্ট! প্রসঙ্গত, ডিমে কোলিন ছাড়াও বেশ কিছু উপকারি ফ্য়াটি অ্যাসডি, ভিটামিন এ, বি১২, সেলেনিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান মজুত থাকে, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের আরও নানা উপাকারে লাগে। যেমন ধরুন…

১. প্রোটিনের ঘাটতি দূর করে:
একটা ডিমে কম বেশি প্রায় ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আর দিনের চাহিদা হল ৫০ গ্রাম প্রোটিন। তাই দিনে কম করে তিনটি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এমনটা করলে প্রায় ১৯.৫ গ্রাম প্রোটিনের ঘাটতি মেটে। বাকিটা মাছ, মাংস অথবা ডায়াটারি প্রোডাক্টের মাধ্যমে পূরণ করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এবার থেকে তাই দিনে ৩ টে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
প্রতিদিন নিয়ম করে ডিম খেলে শরীরে উপকারি কোলস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা যত কমবে, তত হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়বে। তাই পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস থাকলে ডিম খেতে ভুলবেন না যেন!

৩. ওজন কমায়:
অতিরিক্ত ওজনের কারণে কি চিন্তায় আছেন? তাহলে প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে একটা করে ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ওজন কমবে চোখে পরার মতো। আসলে ডিমের ভেতরে থাকা একাদিক উপকারি উপাদান অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ কম হওয়ায় ওজন কমতে সময় লাগে না।

৪. ভিটামিনের ঘাটতি দূর করে:
শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিন বি২, বি১২, এ এবং ই ভিটামিনের প্রয়োজন পরে, যার জোগান দিতে ডিমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, ভিটামিন বি২ এনার্জির ঘাটতি পূরণ করে, যেখানে বি১২ লহিত রক্ত কণিকার ঘটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর “এ” এবং “ই” ভিটামিন কী কাজে লাগে? ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়। আর ই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিযে রোগমুক্ত জীবনের পথ প্রশস্ত করে।

৫. খনিজের ঘাটতি দূর করে:
ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, জিঙ্ক এবং ফসফরাস। এই খনিজগুলি রক্তাল্পতা দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে এবং হাড়ের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, ডিমে সেলেনিয়াম বলে একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. ব্রেস্ট ক্যান্সারকে দূরে রাখে:
হাবার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে কম করে ৬ টা ডিম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৪ শতাংশ কমে যায়। আসলে ডিমে উপস্থিত কোলিন নামক একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. হাড়কে শক্তপোক্ত করে তোলে:
বুড়ো বয়সে আর্থ্রাইটিস বা ঐ জাতীয় কোনও বোন ডিজিজে আক্রান্ত হতে না চাইলে এখন থেকেই প্রতিদিন ১-২ টো করে ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপাকার মিলবে। আসলে ডিমে উপস্থিত ভিটামিন ডি৩ হাড়কে সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে তাকে। তাই তো এই উপাদানটির ঘাটতি দূর হলে স্বাভাবিকভাবেই হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়।

৮. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে:
পুরো শীতকালটা যদি শরীরকে সংক্রমণ এবং নানাবিধ রোগের খপ্পর থেকে দূরে রাখতে চান, তাহলে ডিম কেতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে শরীরে ভিটামিন ই এবং ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। এই দুটি উপাদান ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরানে মদের আসর থেকে ২৩ জন গ্রেপ্তার

ইরানে তেহরানের দুটি পার্টিতে মদ্যপান ও নাচ-গানের আসর থেকে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সেদেশের ধর্মীয় পুলিশ।

উইন্টার সলস্টিস, অর্থাৎ শীতকালের সবচেয়ে ছোট দিনটিতে এই পার্টির আয়োজন করা হয়।
ইরানে এই উৎসব ‘ইয়াল্ডা’ নামে পরিচিত।

তেহরানের ‘নৈতিক পুলিশ বাহিনীর’ প্রধান কর্ণেল জুলফিকার বার্ফার জানান, এই পার্টিতে যাওয়া লোকজন মদ খেয়ে ফুর্তি করছিল।

ইরানে মদ পানের জন্য শাস্তি হিসেবে ৮০ ঘা পর্যন্ত দোররা মারার বিধান রয়েছে। তবে ইদানিং দোররা মারার পরিবর্তে জরিমানাই বেশি করা হয়।

ইরানে নৈতিক পুলিশের ফার্সি নাম হচ্ছে এরশাদ, অর্থাৎ পথনির্দেশ। নারীরা পর্দা মেনে চলছে কিনা সেটা দেখাও এই পুলিশের কাজ।

যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে দুইজন সংগীত শিল্পীও। সেখান থেকে কিছু মদের বোতল ও মাদকও আটক করা হয়েছে।

কর্ণেল বার্ফার জানান, এই পার্টির অনেক ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিলিপাইনে ঝড়, বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ১৮০

ফিলিপাইনে ক্রান্তীয় ঝড় ‘তেমবিনে’ ১৮০ হন নিহত হয়েছেন। ঝড়ের আঘাতে দক্ষিণ ফিলিপাইনে এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে নিহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম অঞ্চল মিন্দানাও দ্বীপে গতকাল গতকাল তেমবিন আছড়ে পড়ে। ঝড়ের সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে অনেক স্থানেই ভূমি ধসের ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষত তুলনামূলকভাবে উঁচু এলাকাগুলি থেকে বন্যার জল গিয়ে জমছে নিচু এলাকাগুলিতে। এসব এলাকাতেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।

আবহাওয়া কার্যালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত আনে। দ্বীপের টিউবোড এবং পিয়াগাপো শহর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কয়েকদিন আগেই ‘কাই-তাক’ নামে একটি ঝড় ফিলিপাইনে আঘাত এনেছিল। তাতে প্রায় ৩৩ জনের প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন বছর উপলক্ষ্যে ববি-রণবীরের পার্টি সং (ভিডিও)

আলোচিত সিনেমা ‘বিজলী’র গান ‘পার্টি পার্টি পার্টির’ প্রোমো ছাড়া হয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেজে। আজ পুরো গানটি প্রকাশ করা হবে।

‘বিজলী’ প্রযোজনা করছে ছবির নায়িকা ইয়ামিন হক ববির ববস্টার ফিল্মস। ছবিতে তার নায়ক হিসেবে আছেন কলকাতার মডেল-অভিনেতা রণবীর। বলা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম সুপার হিরো সিনেমা ‘বিজলি’। পরিচালনা করেছেন ইফতেখার চৌধুরী।

বিগ বাজেটের সিনেমা ‘বিজলি’র শুটিং হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও আইসল্যান্ডে। এর ভিএফএক্স হয়েছে হলিউডে। ‘বিজলি’ ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ববি। যার শরীরে বৈদ্যুৎতিক ক্ষমতা চলে আসে। এই ক্ষমতা সে ব্যবহার করে দুষ্টের বিরুদ্ধে।

Party Party Party Full Video Song | Bobby | Raanveer | Akassh | Nandini | Iftakar Chowdhury

Presenting “Party Party Party" dancing track promo from upcoming first ever super power based film of Dhallywood name "BIZLI" Directed By Iftakar Chowdhury.Song: Party Party PartyMovie: BizliArtists: Bobby, RaanveerDirector: Iftakar ChowdhuryProduced by: Eamin Haque BobbyComposed by: AkasshSinger: Akassh, NandiniLyrics: Priyo ChattopadhyayDop: Shailesh AwasthiDance: Adil ShaikhEditor: Nitin FCPDistribute By : Jaaz Multimedia

Posted by Jaaz Multimedia on Saturday, 23 December 2017

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের মোবাইল কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগের পাহাড়

অনলাইন ডেস্ক: মোবাইল ফোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগের পাহাড় জমেছে। ভোক্তাদের অভিযোগ নির্দিষ্ট প্যাকেজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন তারা। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ইন্টারনেট সেবার বিভিন্ন অফার নিয়ে। বেসরকারি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ছাড়াও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ নির্দিষ্ট প্যাকেজ কিনলেও বাড়তি অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিয়েও সেবা পাননি অনেকেই। ফলে অফারের নামে প্রতারণা করছেন মোবাইল অপারেটররা।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত জুন থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ৫৯১টি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন গ্রাহকরা। এরমধ্যে গ্রামীণ ফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে ১৬৬টি, রবি অজিয়াটার বিরুদ্ধে ১৫১টি, বাংলালিংক এর বিরুদ্ধে ১১৫টি, এয়ারটেলের বিরুদ্ধে ১২৮টি এবং টেলিটকের বিরুদ্ধে জমা পরেছে ৩১টি অভিযোগ।

একজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন, ২৮ দিন মেয়াদে ৯৮ টাকায় ১.৫ জিবি ইন্টারনেট ডাটা অফার দেখে তিনি সেবাটি ক্রয় করেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি মাত্র এক জিবি ডাটা পেয়েছেন। এরপর তাকে বাড়তি অর্থ গুণতে হয়েছে। অপর একজন অভিযোগ করেছেন, ২৮ টাকায় ৫০ এমবি ইন্টারনেট ডাটায় অফার দেওয়া হয়েছে যে একটি লিংকে গেলে সারা দিন বাংলা নাটক দেখা যাবে। কিন্তু তিনি ওই লিংকে গিয়ে কোনো নাটক দেখতে পাননি। প্রতিদিন ২ টাকার বিনিময়ে হেলথ টিপস পাওয়া যাবে এমন অফার গ্রহণ করেন অপর একজন গ্রাহক। সার্ভিসটি বন্ধ করতে গেলে নির্ধারিত শর্টকোট দিলেও তা বন্ধ হয়নি এবং চালু থাকার কারণে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরকম শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর বলেন, একটি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতে রিট করার কারণে গত মে মাসের পর থেকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারেনি। ভোক্তারা এখনও লিখিত অভিযোগ জানাচ্ছেন। তবে মোবাইল সেবা ছাড়া অন্যান্য ভোক্তা পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে অধিদপ্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের বিপরীতে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। যার ২৫ ভাগ অর্থ সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারী পেয়েছেন। মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি অজিয়াটা লিমিটেড গত মে মাসে এ ধরনের জরিমানার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করে, যেটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ওই রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে নতুন কোন অভিযোগের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারছে না। ফলে শত শত গ্রাহক অভিযোগ জানালেও তার সুরাহা হচ্ছে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়ের কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোক্তাদের সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর প্রেসিডেন্ট ও দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, এ ধরনের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। কেননা, মোবাইল সেবার সাথে সাধারণ ভোক্তারা জড়িত। অনেক সময় নানা প্যাকেজ দিয়েও তারা প্রকৃত সেবা দেয় না। ফলে লাখ লাখ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভোক্তারা অধিদপ্তরে এর সামান্যই অভিযোগ জানিয়ে থাকেন। কেউ মূল্য পরিশোধের পর সেবা না পেলে তার প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন। এমন উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যতে আর নুতন করে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতে না পারেন। তিনি আরো বলেন, সাধারণ গ্রাহক সংশ্লিষ্ট হওয়ার কারণে উচ্চ আদালতে রিটের বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

সূত্র: ইত্তেফাক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজ এলাকায় তোপের মুখে অনেক এমপি

কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, কেউ নামমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন। বিগত জাতীয় নির্বাচনে এমন সহজ জয়ের পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের অনেকে নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেন।
কেউ কেউ এলাকার নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছেন—এমন অভিযোগও আছে। এভাবে গত চার বছরে অনেক এমপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব এমন স্থানে এসেছে, যা ঘোচানো সম্ভব নয়। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে অভিযুক্ত সংসদ সদস্যরা এলাকামুখী হতে গিয়ে স্থানীয়ভাবে বিরোধিতার মুখে পড়ছেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনেক এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা চার বছরের অবহেলা আর উপেক্ষার জবাব দিচ্ছে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে। কোথাও এমপিদের এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে বা বিকল্প প্রার্থিতার কথা বলা হচ্ছে, কোথাও আবার সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও অভিযোগ পাঠানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় খোঁজ নিয়ে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

 

কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্য : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহম্মদ ফারুক খান বলেন, ‘বেশ কিছু আসনে সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের অভিযোগ আমাদের নজরে এসেছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বিষয়গুলো সমাধানের চেষ্টা করছেন। ’ তিনি এও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি বড় দল, এখানে প্রতিযোগিতা আছে, থাকবে। ’ আগামী নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলের মনোনয়ন বোর্ডের কাছে বিভিন্ন তথ্য আছে। আমরা সব আসনে জরিপও চালাচ্ছি। সব বিবেচনায় নিয়েই মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। ’

খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনা অনুযায়ী শত ফুল ফুটতে দেওয়া উচিত। সেখান থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি সঠিক ফুলটিকে মনোনয়ন দিয়ে জনগণের মুখোমুখি করবেন। ’ তিনি বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য তাঁর এলাকার তালুকদার বা জমিদার নন। এটি কোনো স্থায়ী পদও নয়। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য যদি পরেরবার আরো অধিক ভোটে জয়লাভ করতে না পারেন, তবে সেটি হবে তাঁর ব্যর্থতা, জনগণের নয়। ’

সূত্র: কালের কণ্ঠ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাতৃভূমি সাতক্ষীরায় প্রাণ খুলে গাইলেন দেশবরেণ্য শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : “আমার মাতৃভূমি সাতক্ষীরা। নিজের পিতা-মাতার ভিটেতে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। সাতক্ষীরায় এসে এত ভালো লাগবে জানলে আমি আরও আগে আসতাম। আমি আবারও খুব শীঘ্রই সাতক্ষীরায় আসব। নাড়ির টান কি ভোলা যায়। সাতক্ষীরার মেয়ে হিসেবে আমি গর্বিত।”- বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংগীত শিল্পী সাতক্ষীরা গৌরবময় সন্তান সাবিনা ইয়াসমিন এভাবেই তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন বল্লী হাইস্কুলের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে গান গাইতে এসে।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন শনিবার সন্ধ্যায় বল্লী হাইস্কুল প্রাঙ্গণে হাজার হাজার মুগ্ধ শ্রোতার সামনে নিজের গাওয়া ১৬ হাজার গানের মধ্যে থেকে একের পর গান পরিবেশন করেন তার গাওয়া কালজয়ী গান- ‘সবকটা জানালা খুলে দাও না’, ‘অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান’, ‘এ মন তোমাকে দিলাম’, আমি রজনীগন্ধ্যা ফুলের মত গন্ধ বিলিয়ে যাব’, শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ইশারায় শিস দিয়ে আমাকে ডেকো না’, ‘তুমি কেনো কোমরের বিছা হইলা না’ প্রভৃতি।
সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সদরের বল্লী ইউনিয়নের অবস্থিত স্কুলটি প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তিতে প্রাক্তন কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ, সহযোগিতায় ও বিদ্যালয়ের প্রচেষ্টায় বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ণাঢ্য সুবর্ণ জয়ন্তীতে সাবেক ও নতুন-পুরাতন ছাত্র-ছাত্রীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। মেহগনি ও কৃষ্ণচূড়ার মনোরম পরিবেশে ঘেরা এতিহ্যবাহী বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এস. এম জগলুল হায়দার, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল আলিম, জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ খান, জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম ছায়েদুর রহমান, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পুর্তি সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। মুল অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে সকালে পুরাতন ও নতুন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে এলাকায় আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট সময়ে সম্মানিত অতিথিবৃন্দের আগমনে পবিত্র মহাধর্মগ্রন্থ কোরআন তেলাওয়াত গীতা থেকে পাঠের পর অতিথিরকে ফুল দিয়ে বরণের মাধ্যমে মুল অনুষ্ঠান শুরু হয়।
প্রথমে বিদ্যালয়টির সাফল্য ও অতিথিদেরকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক মো. আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি বলেন, ‘দেশ ও জাতি গড়তে শিক্ষার বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষা অর্জন করে অনেকেই দেশের ভালো ভালো অবস্থানে আছেন। পাশিপাশি তারা দেশ ও জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে বিদ্যালয়টি ভূমিকা পালন করে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ, বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ডা. শীতল প্রসাদ রায়ের পুত্র রমা প্রসাদ রায়, ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুর রহিম, প্রাক্তন ছাত্র ইউপি চেয়ারম্যান মো. বজলুর রহমান, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, জেলা পরিষদের সদস্য সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম রেজা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা মো. শাহিদুল ইসলামসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, নতুন ও প্রাক্তন কৃতি ছাত্র-ছাত্রীরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবলীগ নেতা আবতাবুজ্জামান লাল্টু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest