সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’

তীব্র শীতে সুস্থতায় প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা

সাধারণত শীতকাল এলেই সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরভাব ইত্যাদি দেখা দিয়ে থাকে। তাই শীতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতার। অার ত্বকের যত্নে তো মোটেই হেলাফেলা করা যাবে না। চলুন তাহলে জেনে নিই শীতে করণীয় কিছু বিষয়-

১. শীত এলে ঠাণ্ডা লাগার উপসর্গ দেখা দেয়। এর ফলে গলা খুসখুস করে, নাক বন্ধ হয়ে থাকে, ঘুম নষ্ট হয়। এর সাথে জ্বর না হলে ঘরে বসে নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারেন। এ সময় সবচেয়ে উপকারী হলো হালকা গরম পানি পান করা আর বিশ্রাম নেয়া।

২. এসময় ঠাণ্ডা লাগার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়। এমনটা হলে একটা বড় পাত্রে ফুটন্ত পানি ঢেলে, তাতে মেন্থল দিয়ে তারপর মুখ নিচু করে এবং অবশ্যই খোলা রেখে সেই পানির ভাপ নিতে হবে কয়েক মিনিট। পুরো ভাপটি যাতে ঠিকমতো পাওয়া যায়, সেজন্য বড় একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিতে হবে। দিনে কয়েকবার এভাবে ভাপ নিতে হবে।

৩. সর্দি, কাশি বা সামান্য গলাব্যথা এমন কোনো বড় সমস্যা নয়। তবে একবার ঠাণ্ডা লাগলে, তা সারতে অন্তত এক সপ্তাহ লাগবেই। কাশির জন্য সকালে ১ চামচ আদার রসের তুলনা নেই, তবে সামান্য মধু বা চিনি মিশিয়ে নেবেন।

৪. ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু সংক্রমণ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ফল এবং সবজি খাওয়া উচিত। শরীরের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন সি, ই, জিঙ্ক। ফল এবং সবজি তা পূরণ করতে পারে।

৫. ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকতে নিয়মিত লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। বাচ্চাদেরও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এর জন্য আলাদাভাবে নতুন কিছুর প্রয়োজন নেই। বাজারে উন্নতমানের যে লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ রয়েছে তা ব্যবহার করলেই হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের রাজস্থানের আশ্রম থেকে ৭০ জনেরও বেশি যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার এই কথা জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের একাধিক আশ্রমে অভিযান চালিয়ে পুলিশ স্বঘোষিত ধর্মগুরু বীরেন্দ্রর বেশ কয়েকটি আশ্রম থেকে ৪৭ জন নারী ও ৬ জন নাবালিকাকে উদ্ধার করে।

বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও বলপূর্বক নারীদের আটকে রাখার অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই। এরপরই ভারত জুড়ে ওই ধর্মগুরুর ছড়িয়ে থাকা বিশাল নারী পাচার নেটওয়ার্কের শিকড়ের খোঁজে নামে পুলিশ। শনিবার রাজস্থানের সিরোহি জেলার আবু রোডে এরকমই এক আশ্রমে হানা দেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের সদস্যরা। সেখানে হানা দিয়ে পুলিশকর্তাদের চক্ষু চড়কগাছ। আশ্রমের ভিতর অন্তত ৭২ জন যুবতী দিব্যি রয়েছেন। আধ্যাত্মিক কাজকর্মের জন্যই স্বেচ্ছায় আশ্রমে রয়েছেন তারা, দাবি ওই যুবতীদের। কেউই বাড়ি ফিরতে চান না। বরং পুলিশকে চলে যেতে বলেন। আবু রোড পুলিশ স্টেশনের স্টেশন হাউস অফিসার মিঠু লাল পিটিআইকে জানিয়েছেন, তাঁরা কিছুতেই বুঝতে পারছেন না কোন জাদুবলে ওই মহিলারা মুখ খুলছেন না। তাদের কোন মাদক দেওয়া হয় কি না সেটাও পুলিশ দেখছে। আশ্রমের ভারপ্রাপ্তদের কাছে ওই মহিলাদের পরিচয়পত্র চাওয়া হলেও মেলেনি। পুরোটাই পুলিশের কাছে সন্দেহজনক ঠেকছে।

গতবছরের ডিসেম্বর মাসে রাম রহিমের মতোই বীরেন্দ্রর কীর্তি প্রকাশ্যে আসে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। দেখা যায়, দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশে বীরেন্দ্রর বহু আশ্রমেই কিশোরী ও যুবতীদের বলপূর্বক আটকে রেখে যৌনদাসী বানিয়ে রাখা হয়। অন্যের শয্যায় পাঠানো হত। মহিলাদের দেহব্যবসায় নামিয়ে ওই অভিযুক্ত ধর্মগুরু প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছে। শুরুর দিকে তার মতলব কেউ বুঝতে পারত না। নিজেকে ধর্মগুরু বলেই পরিচয় দিত সে। আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে আশ্রম খুলে সাধারণ মানুষকে আশ্রমের দিকে টেনে আনত সে। বহু অভিভাবকই তাঁদের কন্যাদের এই আশ্রমে রেখে আসতেন। ছুটির সময় ধর্মশিক্ষা পাবে মেয়েরা, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল অভিভাবকদের। কিন্তু সেই ফাঁদ পেতেই নাবালিকাদের ভোগ করত ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। অভিযোগ, স্ট্যাম্প পেপারে সে লিখিয়ে নিত যে নাবালিকারা স্বেচ্ছায় আশ্রমে এসেছে। কেউ তাদের কোন রকম জোর করেনি। এরপরই কুকর্মে লাগানো হত তাদের। অনুগামীদের মেয়েদের আশ্রমে যোগ দেওয়ার ব্যাপারেও জোর খাটাত ওই বাবা। তারপর চলত অবাধে যৌনাচার। এক ভক্ত জানাচ্ছেন, নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়ত বাবা। তারপর নাবালিকাদের তার শরীরে তেল মালিশ করার নির্দেশ দেওয়া হত। এখন প্রশ্ন উঠছে, এত অত্যাচার হলেও কেন আশ্রম ছাড়তে চাইছেন না নারীরা? দেশটির পুলিশ ও সিবিআই পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখছে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিএন হাইস্কুলের ৬৮’ ব্যাচের ছাত্রদের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘সকলে আমরা সকলের তরে, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ শ্লোগানে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী প্রাণনাথ হাইস্কুলের ১৯৬৮ ব্যাচের উত্তীর্ণ ছাত্রদের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বিকালে পল্লী মঙ্গল স্কুল এ্যান্ড কলেজ চত্বরে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন।
সাবেক যুগ্ম-প্রধান ও ১৯৬৮- উত্তীর্ণ ব্যাচের ছাত্র মোঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাতক্ষীরা পিএন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মাজেদ, পল্লী মঙ্গল স্কুল এ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম, ডা: সুশান্ত মন্ডল, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সম্পাদক ও প্রকাশক মহসীন হোসেন বাবলু, এড. আবুল কালাম আজাদ।
সাবেক উপ-সচিব আব্দুল হামিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ১৯৬৮ উত্তীর্ণ ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডা: প্রশান্ত কুমার কু-ু, এড. অরুন ব্যানার্জী, জামসেদ উদ্দিন, এড.আখতারুল হক, প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ, শেখ আব্দুস সেলিম, চন্ডিদাস, খলিলুল আল গালিব প্রমুখ। এসময় প্রধান অতিথি ১৯৬৮ ব্যাচের ছাত্রদের এধরনের উদ্যোগেকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যেসময় তাদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ভাবার কথা সেসময় তারা দেশের জন্য ভেবেছেন। এরপর তারা আবার সমাজসেবায় অবদান রাখছেন। এটি অবশ্যই ভালো উদ্যোগে। আমাদের প্রত্যেককেই অসহায়দের জন্য কিছু করা উচিত। প্রচ- শীতে যারা কষ্ট পাচ্ছে তাদের সহযোগিতায় সকলকে এভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন হত্যা চেষ্টার ৫দিন অতিবাহিত হলেও মোটিভ এখনো উদ্ধার হয়নি এখনো। তবে পুলিশ বলছে হত্যা চেষ্টার কিছু নেপথ্য কারণ জানা গেছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত ২ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন মটরসাইকেল যোগে পারুলিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হতে কয়েক গজ দুরে সখিপুর রাজারবাড়ি মোড় এলাকায় পৌঁছালে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে গতিরোধ করে পরপর ৩টি গুলি ছোড়ে। দূর্বিত্তদের গুলিতে দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন (৪৫) গুরুত্বর আহত হন। এতে ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতনের বুকের ডানপাশে পাজড়ের নিচে গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরদিন বুধবার শারিরীক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয় তাকে। উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে সখিপুর কলেজ মাঠের পাশে জামায়াতের কেন্দ্রিয় নেতা মাও. দেলোয়ার হুসাইন সাঈদীর ফাঁসীর রায় ঘোষণার পর জামাত-শিবির কর্তৃক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর হামলা চালিয়ে মারাত্বক ভাবে জখম করে। একপর্যয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। সাম্প্রতিক সে সময়ের হত্যার চেষ্টায় দায়েরকৃত মামলাটির চার্জশিট সম্পন্ন করেছে পুলিশ। ঐ মামলার অনেক আসামী এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে রয়েছে। তবে, ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টা নেপথ্যে খাটাল না মাদক না জমি। এই নিয়ে ধ্রুমজাল থাকলেও চেয়ারম্যান রতনকে হত্যাচেষ্টার নেপথ্যে খাটাল, চিংড়ি ঘের, জমি না মাদক- এ কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে পুলিশের তদন্তে এগিয়ে চলেছে। এই কয়টি বিষয়ের মধ্যে দেবহাটায় একটি গরুর খাটাল (ভারতীয় গরু বাংলাদেশে আনার পর ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অস্থায়ীভাবে রাখার স্থান) স্থাপন নিয়ে রতনের সঙ্গে কিছু লোকের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। অতি সম্প্রতি রতন সমর্থক খাটালটির অনুমোদন পান। এই খাটালের অনুমতি চেয়ে যারা আবেদন ও তদবির করছিলেন তারা হলেন, বারী মোল্লা, আব্দুর রহিম ও লাভলু বিশ্বাস। রতনকে হত্যা চেষ্টার পেছনে খাটালের বিষয়টি বিশেষভাবে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এছাড়া এলাকার চিংড়ি ঘের নিয়ে চেয়ারম্যান রতনের সাথে দ্বন্দ্ব চলছিল কারও কারও। কিন্তু ২ জানুয়ারি ঘটনাস্থল থেকে ৩টি গুলির খোসা উদ্ধারের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধীক কর্মকর্তারা সেটি পার্শ্ববর্তীদেশ ভারত থেকে চোরাই পথে আনা হয়েছে বলে তাৎক্ষণিক ধারণা করেন। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, ভারত থেকে নদীপথে গরুর সাথে দেশে প্রবেশ করছে ফেনসিডিল, ভারতীয় মদ, গাঁজা ও বিড়ি তৈরির পাতা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য, অবৈধ্য অস্ত্র, বিষ্ফোরক সামগ্রি, ভাইরাসযুক্ত মাছের রেনু ও ডিম, অনুন্নত পোল্ট্রি’র বাচ্চা, গার্মেন্ট্স সামগ্রী, মেশিনারিজ পার্টস। একই পথে ভারতে পাচার হচ্ছে কাঁষা-পিতল, বিভিন্ন মূল্যবান ঔষধ, সাবান-ডিটারজেন্ট ও পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ। শুধু তাই নয় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কাজের মিথ্যা প্রলোভনে প্রতিনিয়ত পাঁচার হচ্ছে নারী ও শিশু। এদিকে বর্তমানে উপজেলার চোরাঘাট সমূহ উন্মুক্ত থাকলেও প্রশাসনের চোখে না পড়ায় রাম রাজত্ব কায়েম করতে মাঠে নেমেছে চোরা ঘাটমালিক ও চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের গডফাদাররা, পাশাপাশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রশাসনের নাম করে চাঁদা আদায়কারী দালালচক্র। আর চোরাই পথে দেশে আসা এসব মাদকদ্রব্্য, বিষ্ফোরক, মেশিনারি পার্টস, গার্মেন্টস সামগ্রী ভাইরাসযুক্ত মাছের রেনু, অনুন্নত পোল্ট্রি’র বাচ্চা প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচার হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভারত থেকে গরু আনার জন্য ভারতীয় রাখাল ব্যবহারের কথা থাকলেও গরু আনার জন্য প্রতিদিন শত শত লোককে চোরাঘাট দিয়ে নদী পার করে ভারতে পাঠিয়ে এবং সেখান থেকে ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য দেশে নিয়ে এসে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন অনেকে। এ ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত থেকে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে নেতা পরিচয় দিয়ে চোরাঘাট মালিক ও চোরাকারবারীদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করা হচ্ছে বলেও জানাগেছে। আর এসব মাদকদ্রব্যের করাল গ্রাসে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এলাকার যুব সমাজ। এসব চোরাঘাট উন্মুক্ত থাকায় প্রতিনিয়ত দেশ থেকে পাঁচার হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান সম্পদ আর তার পরিবর্তে ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করছে বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য। উপজেলার সীমান্তবর্তী এসব চোরাঘাট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছে এসব ঘাটমালিক ও ব্যবসায়ীরা। যার কারনে খাটাল নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলছেন, দেবহাটার ওই এলাকায় ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক চোরাচালান, কেনাবেচা ও ব্যবহারের অনেক ঘটনা রয়েছে। চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। তাকে হত্যা চেষ্টার পেছনে মাদকের বিষয়টি রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন পুলিশ। এদিকে, উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদে ৩ জানুয়ারি সখিপুর মোড়ে সমাবেশ করা হয়েছে। অবিলম্বে এই নৃশংস ঘটনার প্রকৃৃত রহস্য উদঘাটন করে আসামিরা সনাক্ত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি।
বিষয়টি নিয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামাল হোসেন জানান, ২ জানুয়ারি রাতে সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন হত্যার চেষ্টার ঘটনার রবিবার ৫দিন অতিবাহিত হলেও তার পরিবার বা দলীয় সংগঠন থেকে কোন অভিযোগ কিংবা এজাহার দায়ের করা হয়নি। তাছাড়া তার উপর হামলার পিছনে অসংখ্য ক্লু-থাকায় তদন্ত একটু বিলম্বিত হচ্ছে। তবে, প্রকৃত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ; যশোরকে হারিয়ে সাতক্ষীরা ফাইনালে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে এবং সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে ইয়ং টাইগার্স অ-১৪ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ’২০১৭-১৮ এর সেমিফাইনাল খেলা সাতক্ষীরা বনাম যশোর ও খুলনা বনাম চুয়াডাঙ্গা জেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে খুলনা ও চুয়াডাঙ্গা জেলার মধ্যে ১ম সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়ে। খেলায় খুলনা জেলা টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৭টি উইকেট হারিয়ে ২২১ রান করে। জবাবে চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যাট করতে নেমে ৩৫.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান করে। ফলে খুলনা জেলা ১৪৬ রানে জয়লাভ করে।
অপরদিকে, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার মধ্যে ২য় সেমিফাইনাল খেলায় যশোর জেলা টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৫.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করে। জবাবে সাতক্ষীরা জেলা ব্যাট করতে নেমে ৪৩.৫ ওভারে ৬টি উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করে জয়ে লক্ষ্যে পৌছে যায়। ফলে সাতক্ষীরা জেলা ৪উইকেটে জয়ী। আগামী ৯ জানুয়ারি সাতক্ষীরা ও খুলনার মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মাছের ঘের দখলের অভিযোগ

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (কালিগঞ্জ) : কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নে এক ব্যক্তির মাছের ঘের দখলের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে আমিয়ান গ্রামে অরবিন্দু ঘোষ (৪২) ও দীনবন্ধু ঘোষ (৫৫) নামে দুই সংখ্যালঘুর ঘের জবরদখল করে নিয়েছে যুবলীগ নেতার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনীরা। এসময় ঘেরের বেড়িবাঁধ কেটে দেয়ায় ভেসে গেছে দেড় লক্ষ টাকার বাগদা চিংড়ি। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে কালিগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অরবিন্দু ঘোষ (৪২)। লিখিত অভিযোগ ও সরেজমিন ঘটনাস্থলে যেয়ে জানাযায়, উপজেলার আমিয়ান গ্রামের মৃত সূর্য্যকান্ত ঘোষের ছেলে অরবিন্দু ঘোষ ও তার সহোদর ভাই দীনবন্ধু ঘোষ আমিয়ান মৌজায় নিজস্ব ও লীজকৃত সাড়ে ৫ একর জমিতে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভাবে মাছের ঘের করছেন। এর ধারাবাহিকতায় ২ মাস পূর্বে তারা পানি উত্তোলন পূর্বক মাছ চাষ শুরু করেন। সম্প্রতি ওই ঘেরের মধ্যখানে কয়েকজন ব্যক্তির নিকট থেকে ১ একর ৪১ শতক জমি উপজেলার কাঁকশিয়ালী গ্রামের মৃত জাকির হোসেন খন্দকারের ছেলে ও তারালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন খন্দকার (৩২) ডিড নিয়ে মাছ চাষকৃত ঘেরের অংশবিশেষ জোরপূর্বক দখল নেয়ার পায়তারা শুরু করে। শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশংকায় বিষয়টি কয়েকদিন পূর্বে থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিত ভাবে অবগত করা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ০২জানুয়ারি’১৮ তারিখে থানায় অনুষ্ঠিত শালিস বৈঠক থেকে শালিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেকেন্ড অফিসার লিয়াকত হোসেন চলতি বছর যেহেতু ২মাস পূর্বে মাছ চাষ শুরু হয়েছে সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবছর উক্ত ১ একর ৪১ শতক জমির হারির টাকা মিলন খন্দকারকে দেয়ার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। এজন্য অরবিন্দু ঘোষকে ৭ দিনের সময় দেয়া হয়। তবে শালিস বৈঠক চলাকালে মিলন খন্দকারের নিকট তার গৃহীত ডিড এর কপি দেখতে চাইলেও তিনি দেখাতে পারেন নি। পরদিন ০৩জানুয়ারি১৮ তারিখে থানার অফিসার ইনচার্জ মহোদয় অরবিন্দু ঘোষকে থানায় ডেকে নিয়ে উক্ত জমির মধ্য থেকে ৬ বিঘা ছেড়ে দিতে বলেন এবং মিলন খন্দকারকে ওই জমি ভেড়ীবাধ দিয়ে দখলে নিতে বলেন। ওসি নিজেই উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার জনৈক ভূমি জরিপকারক (আমিন) কে দায়িত্ব দেন ওই জমি মেপে বের করে দেয়ার জন্য। এরপর ০৬জানুয়ারি১৮ তারিখ শনিবার ভোরে অনিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তারালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন খন্দকার ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পূর্ব নলতা গ্রামের জিএম আনছার আলীর ছেলে জি,এম সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে শতাধিক ভাড়া করা সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অরবিন্দু ঘোষ ও দীনবন্ধু ঘোষের পৈত্রিক, এওয়াজ ও লীজকৃত মোট সাড়ে ৫ একরের মধ্য থেকে আড়াই একর জমি জোরপূর্বক দখলে নেয়। এসময় তারা ঘের তছনছ করে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিসাধন করে। সরেজমিন ঘটনাস্থলে গেলে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে ও তথ্য নিতে বাঁধা প্রদান করে সন্ত্রাসী বাহিনী। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সনৎ কুমার গাইন জানান, শনিবার সকালে অরবিন্দু ঘোষ ও দীনবন্ধু ঘোষ তাদের মাছের ঘের জোরপূর্বক বাঁধ নিয়ে নেয়ার বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি সাথে সাথে বিষয়টি ওসি মহোদয়কে মোবাইলে জানাই। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করলেও শেষ পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মাছের ঘেরে ভেড়ীবাধ দিয়ে জবরদখল করে নিয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।
এব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, জমি নিয়ে থানায় বিচার হয়েছিল। বিচারের পর মিলন ডিডকৃত জমি দখল করে নিয়েছে বলে শুনেছি। আমি এর সাথে সংশ্লিষ্ট নই।
এবিষয়ে সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার কালিগঞ্জ (সার্কেল) মির্জা সালাউদ্দিন বলেন লিখিত অভিযোগ পেয়েছি আইনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের কম্বল প্রদান

শ্যামনগর প্রতিনিধি : রোববার সকাল ১০ টায় নকিপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে শ্যামনগর উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা থেকে ৫০ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যেককে একটি করে কম্বল প্রদান করেন সাতক্ষীরা – ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস, এম জগলুল হায়দার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মান্নান আলী, শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম মোঃ রফিকুজ্জামান শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুমন সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারের সাফল্য ও উন্নয়ন ভবনা নিয়ে ফিংড়ীতে মহিলা সমাবেশ

আক্তারুজ্জামান : সদর উপজেলার ফিংড়ীতে সরকারের সাফল্য ও উন্নয়ন ভবনা বিষয়ে ভিশন ২০২১ শীর্ষক মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১১ টায় ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এই মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা তথ্য অফিসার মোঃ মুজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আছাদুজ্জামান বাবু। এসময় তিনি বলেন আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার, এ সরকারের কোন বিকল্প নেই। বিএনপি সরকারের আমলে মোবাইলে ১মিনিট কথা বলতে গেলে ৯থেকে ১০টাকা বিল দিতে হত এবং একটি সিম কিনতে গেলে ৫থেকে ৬হাজার টাকা দিতে হয়েছিলো কোম্পানিকে। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে মোবাইলে ৩০পয়সায় কথা বলার ব্যবস্থা করে দিয়েছে এবং একেবারে স্বল্প মূল্যেই সিম কিনতে পারেন জনগন। বাংলার অসহায় মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে সরকার ১০টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খুলে দিয়েছেন এবং ১০টাকায় চাউল খাওয়াচ্ছেন সরকার। সার ও ডিজেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বাংলার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। আওয়ামীলীগ সরকার প্রতিটি সরকারী চাকুরীজীবিদের বেতন বৃদ্ধি, সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজ নির্মাণ, ১৪ফুট চওড়া বাইপাস সড়ক, ক্যান্সার, লিভার ও কিডণী রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা সহ সাতক্ষীরা টু নাভারণ রেল লাইনের কাজ অব্যহত রেখেছেন। সরকার প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দিচ্ছেন। সরকার স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দোড় গোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন এবং অতিদ্রুত প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে, সরকার ন্যাশনাল সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে চাকুরীর সুযোগ করে দিয়েছেন, সকল গর্ববতী মায়েদের, হত দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষের সরকারি ভাতা দিচ্ছেন। সরকার প্রতিটি জেলায় ৩০কোটি টাকা ও উপজেলায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মসজিদ নির্মানের কাজ হাতে নিয়েছেন। এসকল উন্নয়ন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই সম্ভব হয়েছে। সরকারের উন্নয়নকে ধরে রাখতে হলে আমাদেরকে আবারও নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। জেলা তথ্য অফিসের ঘোষক মোঃ মনিরুজ্জামান মনি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, পৌর আ’লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুজ্জামান রাশি, ফিংড়ী ইউনিয়ন আ’লীগ সেক্রেটারী ও ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, ব্যাংদহা বাজার কমিটির সেক্রেটারী শেখ মোনায়েম হোসেন, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, আফসার উদ্দীন, আব্দুর রকিব ঢালী, সুকুমার সরকার, আশরাফ উদ্দীন, শেখ জাকিরুল হক, মহাদেব কুমার ঘোষ সহ মহিলা ইউপি সদস্যা নাছিমা খাতুন, রোকেয়া বেগম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest