সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

সাতক্ষীরায় জিহাদি বইসহ জামায়াত নেতা আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর একাডেমি মসজিদের পাশ থেকে জিহাদি বইসহ এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ।
জামায়াত নেতার নাম কামরুজ্জামান শেখ(৪৫)। সে তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের মঙ্গলানন্দকাঠী গ্রামের আবু বকর শেখের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের মুনজিতপুর এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মারুফ আহম্মেদের নেতৃত্বে পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক মোমরেজ ইসলাম, মোমিনুর রহমান সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে নাশকতার পরিকল্পনাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় কামরুজ্জামান শেখকে আটক করা হয়। তিনি কয়েক বছর যাবৎ গোপনে শহরের মুনজিতপুর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। এ সময় তার ওই ভাড়াবাড়ি তল্লাসী করে বিপুল পরিমান জিহাদী বই, পুস্তিকা এবং যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী ও আবু আলা মাওদাদীসহ বিভিন্ন লেখকের অসংখ্য বই উদ্ধার করা হয়। তাকে জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ (বুধবার) তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হৃদয়বিদারক এক দৃশ্য

মেয়েটির নাম তাহেরা। বয়স মাত্র ১০ বছর। এই বয়সেই রান্নার জ্বালানি সংগ্রহ করতে তাকে প্রায় ১ মাইল পথ পারি দিতে হয়েছে। কারণ তার বাবা-মা ও চার ভাইবোনের সবাই অসুস্থ। তাহেরা ছাড়া এ কাজ করার মতো আর কেউই নেই বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানায় সে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে অসংখ্য রোহিঙ্গা শিশু। তাদের কেউ কেউ আবার হয়ে পড়েছে পরিবার বিচ্ছিন্ন।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশুদের মধ্যে অন্তত ১৪০০ শিশু তাদের পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। যে কারণে শিশু হয়েও তাদের উপর দায়িত্বের বোঝাটা অনেক বড়।

একাধিক শিশু থাকায় অনেক রোহিঙ্গা পরিবারে দেখা গেছে একটি শিশুর কোলে আরেকটি শিশুকে। এই দৃশ্যকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য হিসেবে উল্লেখ করেছে জাতি সংঘ শিশু তহবিল-ইউনিসেফ।

সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে ছোট্ট যে রোহিঙ্গা শিশুটির কথা উল্লেখ করেছে, তার নাম আফিয়া। যার বয়স মাত্র ১০ বছর। সে ইউনিসেফ পরিচালিত পুষ্টি কেন্দ্রে এসেছে তার ১০-মাস বয়সী ছোটবোন রেশমাকে নিয়ে। চরম অপুষ্টি এবং চর্মরোগ-এর চিকিৎসার জন্য।

প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে সাথে সাথে ব্যবহার উপযোগী পুষ্টিবর্ধক খাবার খাওয়ার পর, আস্তে আস্তে ভালো হচ্ছে সে।

সেখানে কাজ করা সেবা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা এই সব দায়িত্ব পালন করতে করতে তারা আরো বেশি অসুস্থতার শিকার হবে, এমনকি জড়িয়ে পড়তে পারে যৌনকর্মেও। অথবা শিকার হবে আবেগিক চাপের।

সেভ দ্য চিলড্রেনের মুখপাত্র রিক গভার্ডি সাংবাদিকদের বলেন, এই পরিস্থিতি শিশুশ্রম আরো বাড়িয়ে তুলবে। বাড়বে বাল্যবিবাহের হার। যা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।

মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশুদের বেশিরভাগই অপুষ্টির শিকার। ইউনিসেফ প্রবলভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে, যেসব রোহিঙ্গা শিশুর শৈশব নষ্ট হয়ে গেছে, কোনোভাবেই যেন তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট না হয় সেই নিশ্চয়তা দিতে।

পরিবারের শিশুদের মধ্যে বড় হওয়ায় বয়সে ছোট শিশুটিকেও নিতে হচ্ছে বেশ কিছু দায়িত্ব। দূর থেকে পানি বয়ে আনা, ত্রাণের জন্য লাইনে দাঁড়ানো অথবা নিজের শরীরের চেয়েও ভারী বস্তা বহন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুদের নিয়মিত চিত্র।

জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে এরই বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে অর্ধেকই শিশু। ভেসে আসা এসব শিশুদের জন্য শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করছে ইউনিসেফ। এমনকি নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানসিক সেবার দিকেও নজর দিচ্ছে ইউনিসেফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট সৌদি আরবে গৃহবন্দী

ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে তার সেনা কর্মকর্তাসহ গৃহবন্দী করেছে সৌদি আরব।

একইসঙ্গে তার কয়েকজন পুত্র এবং দেশটির বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকেও গৃহবন্দী করা হয়েছে। সৌদি আরবের ঘনিষ্ট মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আব্দ রাব্বু মানসুর হাদি’র টানাপড়েন তৈরির পর তাদের ব্যাপারে এ ব্যবস্থা নেয় সৌদি আরব।

ইয়েমেনে সৌদি জোটের সামরিক অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে আব্দ রাব্বু মানসুর হাদি’র সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য ২০১৫ সালের মার্চে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি জোট।

আব্দ রাব্বু মানসুর হাদি’র পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য সৌদি জোট ইয়েমেনে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এবার সৌদি আরবে আশ্রয় নেয়া ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টকে গৃহবন্দী করলো সৌদি সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলেটের টানা তৃতীয় জয়

এবারের বিপিএলটা দারুণ কাটছে সিলেট সিক্সার্সের। ম্যাচের পর ম্যাচ ভক্ত-সমর্থকদের বিস্মিত করে চলেছে আসরের নবাগত দলটি। আগের দুটি ম্যাচে হট ফেভারিট ঢাকা ডায়নামাইটস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারানোর পর তৃতীয় ম্যাচে রাজশাহী কিংসকেও হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। প্রথমে ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ২০৫ রানের পাহাড় দাঁড় করায় নাসির হোসেনের দল। জবাবে ৮ উইকেটে ১৭২ রানে শেষ হয় রাজশাহী কিংসের ইনিংস। ৩৩ রানের এই জয়ে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট পেয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানটা আরো মজবুত করল সিলেট সিক্সার্স।

সিলেটের দেওয়া ২০৬ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম ৫ ওভারেই ৫০ রান তুলে লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছিল রাজশাহী। ষষ্ঠ ওভারে ১৬ বলে ২৪ রান করা মুমিনুল হক বিদায় নিতেই চাপে পড়ে যায় কিংসরা। এরপর রনি তালুকদার, মুশফিকুর রহিম ও সামি প্যাটেল ফিরে গেলে হারটা প্রায় আসন্ন হয়ে যায় রাজশাহীর। অন্যপ্রান্তে লুক রাইট লড়াইটা চালিয়ে যান। জেমস ফ্রাঙ্কলিনকে সঙ্গে নিয়ে ৫৫৪ রান যোগ করেন রাইট। ১৫তম ওভারে লুক রাইটকে ফেরান কামরুল ইসলাম রাব্বি। ৩৯ বলে ৫৬ রান করেন এই ইংলিশ ওপেনার।

লুক রাইট আউট হলে পুরোপুরি ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে রাজশাহী কিংস। পরে ফ্রাঙ্কলিন, ড্যারেন স্যামি, ফরহাদ রেজারা কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছেন। ৩৫ রান করেছেন ফ্রাঙ্কলিন। সিলেটের আবুল হাসান রাজু ও লিয়াম প্লাঙ্কেট নেন তিনটি করে উইকেট।

এই হারে বেশ চাপে পড়ে গেল রাজশাহী। প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে হেরেছিল মুশফিক-স্যামিরা। দুটি ম্যাচে রাজশাহী তাদের খাতায় একটিও পয়েন্ট যোগ করতে পারেনি।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ২০৫ রানের বিশাল স্কোর সংগ্রহ করেছে সিলেট সিক্সার্স। ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো সময়টা অব্যাহত রেখেছেন সিলেটের ব্যাটসম্যানরা। আগের দুটি ম্যাচে অসাধারণ ব্যাটিং করা উপুল থারাঙ্গা ও আন্দ্রে ফ্লেচার এই ম্যাচেও ব্যাটসম্যানদের ওপর আধিপত্য ধরে রাখেন। মাত্র ১০ ওভারে শতরানের জুটি বাঁধেন তাঁরা। দলীয় ১০১ রানে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরে যান আন্দ্রে ফ্লেচার। ৩০ বলে পাঁচটি চার ও তিনটি ছয়ে ৪৮ রান করেন তিনি। খানিকবাদে থারাঙ্গাও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। ৩৭ বলে ৫০ রান করেন এই লঙ্কান ব্যাটসম্যান।

ওপেনাররা ফিরলেও দানুশকা গুনাথিলাকার ২১ বলে ৪২ রানের ঝড়ে রানের বড় স্কোর গড়ে সিলেট। রস হুইটলি মাত্র ১২ বলে করেন ২৫ রান। এছাড়া সাব্বির রহমান ১৬ রান করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদির বিমান হামলায় ৩০ ইয়েমেনি নিহত

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দেশটির হাজ্জাহ প্রদেশের হিরান এলাকায় এ হামলা চালানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে আলজাজিরার খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর থেকে হিরান এলাকায় কমপক্ষে ১৬টি বিমান হামলা চালানো হয়। হামলা চলে ভোর ৫টা পর্যন্ত। ওই এলাকায় হুতি বিদ্রোহীদের সমর্থক শেখ হামদি ও তাঁর পরিবারকে হত্যা করতেই ওই হামলা চালানো হয়।

এ বিষয়ে হুসাইন আল-বুখাইতি নামের একজন হুতি বিদ্রোহী জানান, মঙ্গলবার রাতে চালানো হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে এক পরিবারের ১০ সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসকও নিহত হয়েছেন।

আল-মাসিরাহ নামের হুতি নিয়ন্ত্রিত একটি টেলিভিশন চ্যানেল তাদের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে হামলা-পরবর্তী কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে। সেখানে বোমায় ধ্বংস হওয়া গাড়ি ও নিহত শিশুদের পড়ে থাকতে দেখা যায়।

২০১৪ সাল থেকে চলমান যুদ্ধে ভেঙে পড়েছে ইয়েমেনের অবকাঠামো। লড়াইয়ে একদিকে রয়েছে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহের অনুগত হুতি বিদ্রোহীরা। অন্যদিকে রয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সেনাবাহিনী। এখন পর্যন্ত এই দুপক্ষের লড়াইয়ে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ হাজার ইয়েমেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় পুলিশের সহযোগিতায় পাচার হওয়া শিশু ৫দিন পর উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতে পাচার হওয়া শিশু অবশেষে ৫দিন পরে কলারোয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার হলো। ফিরে পেল তার মা।
মঙ্গলবার সকালে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ সাংবাদিকদের জানান- কলারোয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে “মা ফিরে পেল পাচার হয়ে যাওয়া তিন বছরের শিশু বাচ্চা মুস্তাকিম হাসান আপনকে।
সে কলারোয়া উপজেলার উত্তর ভাদিয়াল গ্রামের আলমগীর হোসেন ও মোছাঃ নাসরিন সুলতানের পুত্র।
৪নভেম্বর বেলা ১২টার দিকে কলারোয়া থানায় শিশু পাচার সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়।
পরে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের তৎপরতায় পুলিশ অভিযান শুরু করে।
পুলিশের অভিযানের কথা জানতে পেরে শিশু পাচারকারী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আত্মগোপন করে। পরে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করে তাহাদের নির্দেশ মোতাবেক ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭ ধারা মোতাবেক কলারোয়া থানার মামলা নং-০৩, তাং-০৪/১১/১৭ খ্রিঃ রুজু করে পাচার হয়ে যাওয়া শিশু বাচ্চা মুস্তাকিম’কে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ এর সাথে জরুরী ভাবে পতাকা বৈঠক করেন এবং ভিকটিমকে উদ্ধারের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
উক্ত নির্দেশনা মোতাবেক ৬ নভেম্বর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ৭৬ বিএন বিএসএফ বিওপি বিথারিদের মাধ্যমে ভারতের হামিকপুর বাসস্ট্যান্ড হইতে পাচার হয়ে যাওয়া শিশু মুস্তাকিমকে উদ্ধার পূর্বক বাংলাদেশ ভারতের সীমান্ত এলাকা কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ভাদিয়ালী ১নং পোস্ট নামক স্থানে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৩৮/ই কোম্পানী মাদরা বিওপি এর বিজিবি সদ্যদের মাধ্যমে রাত ৯টার দিকে কলারোয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।
পরে ভিকটিম মুস্তাকিম হাসানকে তাহা মা মোছা. নাসরিন সুলতানার কোলে তুলে দেয়া হয়।
বর্তমানে মামলাটির সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে এজাহার নামীয় আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য থানা পুলিশের অভিযান অব্যহত রেখেছে বলে জানা ওসি বিপ্লব দেব নাথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বিতর্কিত ‘জীবন স্যার’ এখন ১৫ বছরের শিশু জেডিসি পরীক্ষার্থী!

মো: বশির আহমেদ : ‘জীবন স্যার’ এর নাম শুনেছেন? সাতক্ষীরার বহুলালোচিত জীবন মাস্টার! কখনও পীর সাহেব, কখনও হাকিম, কখনও পাশের গ্যারান্টিসহ ইংরেজি প্রাইভেট পড়ানো বিচিত্র এক চরিত্র এই জীবন স্যার! সেই জীবন স্যার এখনও বয়স কমে ৮ম শ্রেণির মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ১৫ বছরের শিশু!
আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি খায়রীয় আজিজীয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের জেডিসি পরীক্ষার্থী আবু আইয়ুব আনছারীকে নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দরগাহপুর সিদ্দিকীয়া আলিম মাদ্রাসার ছাত্র, রোল নং ২৭২৭০০, রেজি: নং ১৭১৮৭৯৫৫৫৩, জন্ম তারিখ: ১৫-১০-২০০২ ইং ১৫ বছর বয়সী কে এই আবু আইয়ুব আনছারী? কি তার আসল পরিচয়? প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে তার জীবনের কিছু গোপন রাখা তথ্য। ৫০ উর্ধ্ব বয়সের আবু আইয়ুব আনছারী ওরফে ‘জীবন স্যার’ বহু শিক্ষকেরও শিক্ষক। সাতক্ষীরা শহরের সর্বত্র আলোচিত এই জীবন স্যার। তাকে নিয়ে আলোচনা শেষ নেই। কখনও প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে তার বাড়িতে পুলিশ যায় প্রাইভেট শিক্ষক জীবনের ভিজিডিং কার্ডে লেখা আছে- তিনি একাধারে আল কুরআনের গবেষক, ইংরেজি শিক্ষা প্রশিক্ষক, অভিজ্ঞ ইংলিশ শিক্ষক, পীরে কামেল, মুফতী, কারী, হোমিও-হারবাল চিকিৎসক এবং ধর্মীয় আলোচক।
তিনি আবার ইংরেজি প্রাইভেট পড়ান। কালিগঞ্জ উপজেলার ছেলে জীবন বহু দিন থেকে সাতক্ষীরাতে অবস্থান করে প্রাইভেট বাণিজ্য করে আসছেন।
৮ম শ্রেণিতে পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে জীবন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছি তো কি হয়েছে। শিক্ষার শেষ নেই। মানুষকে উপকার করতে শেখেন।”
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে এইস এস সি পরীক্ষার আগের দিন রাতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করার অপরাধে সন্দেহভাজনের তালিকায় থাকার কারণে পুলিশের তাড়া খেয়ে কিছুদিন আতœগোপনে ছিলেন তিনি। এলাকার সচেতন মহলের ধারণা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ইংরেজিতে দুর্বল হওয়ার কারণে কেন্দ্রের ২৯০ জন শিক্ষার্থীকে অনৈতিক সাহায্য করার জন্য তাকে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানো হচ্ছে।
দরগাহপুর সিদ্দিকীয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জানান, বিষয়টি আগে এভাবে ভাবিনি। একটা ঘটনা তো ঘটেই গেছে। এখন কি করা যায় তাই ভাবছি।
গুনাহকরকাটি খায়রীয়া আজিজীয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও: নুর ইসলাম জানান, জীবন স্যারের শুধুমাত্র জন্ম সালটা ভুল হয়ে গেছে। বোর্ডে কথা হয়েছে সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
কেন্দ্র সচিব নৈকাটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ শেখ ইমদাদুল হক জানান, জেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসারকে জন্ম তারিখ এবং বয়সের পার্থক্যের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। ওনারা বলেছেন কাগজপত্র ঠিক থাকলে তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হোক!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আতিয়ার রহমান ছিলেন মুজিব আদর্শের সৈনিক -নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা পৌর শাখার ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সফল সংগ্রামী সভাপতি মরহুম আতিয়ার রহমানের ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে শহরের কে-লাইন পরিবহন কাউন্টারের সামনে ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের আয়োজনে ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এস.এম ইউসুফ সুলতান মিলনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘মরহুম আতিয়ার রহমান ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মুজিব আদশ্যের সৈনিক। সে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।’ প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহিদ উদ্দীন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রশিদ, ৮নং ওযার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুল, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এপিপি এড. মুস্তাফিজুর রহমান শাহনওয়াজ, কৃষকলীগ নেতা এড. আল মাহমুদ পলাশ ও ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিজুর রহমান মিঠু প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest