সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডিপজলের ‘দুলাভাই জিন্দাবাদে’ বৃষ্টির উৎপাত

শুত্রবার দেশের ১২৮টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে ডিপজল অভিনীত চলচ্চিত্র ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মনতাজুর রহমান আকবর। ছবিতে আরো আছেন মৌসুমী, বাপ্পী ও মিম। শুরু থেকেই বৃষ্টির জন্য দর্শক হলে আসতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ সিনেমা হল মালিক সমিতির সভাপতি ও মধুমিতা সিনেমা হলের মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ বলেন, ‘আমরা অনেক আশা করেছিলাম ছবিটি নিয়ে। কিন্তু ছবিটি মুক্তি পেয়েছে, এমন সময় বৃষ্টি শুরু হলো। গত শুত্রবার থেকেই সারা দেশে দিনভর বৃষ্টি শুরু হয় যা শনিবার, রোববারও ছিল। যে কারণে এই ছবিটি ভালো ব্যবসা করতে পারেনি। আসলে এই সময়টা মানুষ সিনেমা দেখবে কি, বাসা থেকেই তো বের হতে পারছিল না। আর আমাদের সিনেমা হলে ব্যবসা হয় সাধারণত শুক্র, শনি, রবি এই তিনদিন। তারপর দর্শক তুলনামূলকভাবে কম হয়।’

ছবিটি ভালো হয়েছে জানিয়ে নওশাদ বলেন, ‘আমি নিজে ছবিটি দেখেছি। ডিপজল সাহেব অনেক ভালো অভিনয় করেছেন, ছবির গল্পটা সুন্দর। সাথে মৌসুমী, বাপ্পী, মিমের মতো শিল্পী আছে। সবকিছু মিলে ছবিটি ভালো ব্যবসা করতে পারত। এটা আসলে ছবিটার ভাগ্য খারাপ মনে হচ্ছে।’

বাংলাদেশ প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিয়া আলাউদ্দিন বলেন, ‘মনোয়ার হোসেন ডিপজল সাহেব অনেক গুণী অভিনেতা, পাশাপাশি তিনি জনপ্রিয়। এই ছবিতে তিনি অনেক ভালো অভিনয় করেছেন। তা ছাড়া এই ছবিটি তারকাবহুল। আমরা আশা করেছিলাম ভালো ব্যবসা হবে। কিন্তু বৃষ্টিতে লোকজন হলে আসেনি। গত সোমবার থেকে কিছু দর্শক হলে আসছে।’

রাজেস ফিল্ম প্রযোজিত এই ছবিতে মনোয়ার হোসেন ডিপজল, মৌসুমী, বাপ্পী, মিম ছাড়াও অভিনয় করেছেন আহমেদ শরিফ, অমিত হাসান, দিলারা, অরুণা বিশ্বাস, নাদির খান, শবনম পারভিন, ইলিয়াস কোবরা, সুব্রত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগ্রা-লক্ষ্ণৌ এক্সপ্রেসওয়েতে ভারতীয় যুদ্ধবিমানের মহড়া

যুদ্ধের সময় আপতকালীন ভিত্তিতে যাতে যুদ্ধবিমানগুলো বড় এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠানামা করতে পারে, সেজন্য ভারতের আগ্রা-লক্ষ্ণৌ এক্সপ্রেসওয়ের ওপরেই ভারতীয় যুদ্ধবিমানের মহড়া চলল। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লক্ষ্ণৌ আগ্রা এক্সপ্রেসওয়ে বন্ধ রেখে বিমানবাহিনীর এই মহড়া চলে।

এদিন এক্সপ্রেসওয়েতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকটি বিমান অবতরণ করে এবং আকাশে ওড়ে। প্রায় ২০টির মতো যুদ্ধবিমান এদিন নামে আগ্রা-লক্ষ্ণৌ যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে। এত সংখ্যক যুদ্ধবিমান এর আগে কোনো এক্সপ্রেসওয়েতে অবতরণ করেনি।

এক্সপ্রেসওয়েতে প্রথমে কসরত দেখায় বিশ্বের বৃহত্তম পণ্যবাহী বিমান সি-১৩০ সুপার হারকিউলিস। যে কোনো ক্ষেপণাস্ত্রকে চিহ্নিত করতে সক্ষম এই বিমান। এরপর নামে মিরাজ ২০০০ বিমান। এই বিমানের গতিবেগ ঘণ্টায় দুই হাজার ৪৯৫ কিলোমিটার। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী এই বিমান আকাশেই শত্রুপক্ষের বিমান ধ্বংস করতে সক্ষম। মিরাজের পর চার হাজার ৭৫০ কিলো ওজন নিয়ে অবতরণ করে জাগুয়ার। দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট এই বিমানের গতিবেগ ঘণ্টায় এক হাজার ৩৫০ কিলোমিটার। এ দিনের মহড়ায় অংশ নেয় সুখোই ৩০ এমকেআই বিমানও। সুখোইয়ের গতিবেগ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ২০০ কিলোমিটার। রেডারই এই বিমানের সবচেয়ে বড় শক্তি। ভারতীয় বিমানবাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান এটি। দূর থেকেই শত্রুপক্ষের বিমানের অবস্থান জানতে পারে এই বিমান। তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম সুখোই। আট হাজার কিলো গোলাবারুদও রাখা যায় এই বিমানে।
মূলত, যুদ্ধের সময় জরুরি অবতরণের জন্য এক্সপ্রেসওয়েতে যুদ্ধবিমানগুলোর অবতরণের অনুশীলন করানো হয় এদিন। এই নিয়ে তৃতীয়বার ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান কোনো এক্সপ্রেসওয়েতে এই ধরনের মহড়া চালাল। যুদ্ধের সময় যুদ্ধবিমানের অবতরণের ক্ষেত্রে হাইওয়ে বা এক্সপ্রেসওয়েগুলো যাতে ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সেজন্যই ভারতীয় বিমানবাহিনী এদিন খোলা এক্সপ্রেসওয়ের ওপর এই মহড়ার আয়োজন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষতা ‘কমছে’ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের

অনলাইন ডেস্ক : বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগ থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ সার-সংক্ষেপ পাঠানো হচ্ছে। এমনকি মন্ত্রিসভা বৈঠক ও মন্ত্রিসভা কমিটির সভার জন্য পাঠানো প্রস্তাবও নিয়মনীতি অনুসরণ করে পাঠাতে পারছেন না অনেক কর্মকর্তা। বিষয়টি তুলে ধরে সঠিকভাবে সার-সংক্ষেপ ও প্রস্তাব পাঠানোর জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে বারবার তাগাদা দিয়ে চিঠিও পাঠানো হচ্ছে।

বারবার তাগাদার পরও সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এভাবে নিয়ম না মেনে ত্রুটিপূর্ণ প্রস্তাব পাঠানোর কারণে কর্মকর্তাদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দক্ষতার ঘাটতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, কাজ করতে গেলে ছোটখাটো ভুলত্রুটি হতেই পারে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দক্ষতা কমেনি বরং আগের চেয়ে বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। তবে কেউ নাম প্রকাশ করতে চাননি। অনেকেই বলেছেন, প্রশাসনে এখন দলীয়করণের প্রভাব অনেক বেশি। তাই পদোন্নতি, ভালো পদায়নের ক্ষেত্রে এখন যোগ্যতার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এ কারণে কর্মকর্তাদের দক্ষতা কমছে- এটাই স্বাভাবিক।

কার্যবিধিমালা (রুলস অব বিজনেস) ও সরকারি কাজসংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান সম্পর্কে অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই বলেও মনে করেন অনেকে।

কেউ কেউ বলছেন, অনেক অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম-সচিব আছেন যারা ইংরেজি বলতে পারেন না। বিদেশি ডেলিগেটদের মুখোমুখি হয়ে ইংরেজি বলার ভয়ে কর্মকর্তার ছুটি নেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

 ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে কীভাবে সামারি পাঠাতে হবে সেটা রুলস অব বিজনেস ও বিভিন্ন বিধি-বিধানে বলা আছে। কেউ সেটা না মেনে সামারি পাঠালে দক্ষতার প্রশ্ন তো আসবেই।’

সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল হাফিজ উদ্দিন আরও বলেন, ‘নানা কারণে বর্তমানে প্রশাসনের দক্ষতা নিয়ে এমনিতেই প্রশ্ন আছে। বারবার তাগাদা দেয়ার পরও কোনো কর্মকর্তা ভুল বা অদক্ষতার পরিচয় দিলে তাকে শোকজ করা বা ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করি।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, ‘ভালো বা উৎকর্ষতার কোনো শেষ নেই। এভাবে চিঠি না পাঠালেও হয়, মিটিংয়ে বললেও হতো। চিঠি পাঠালে আমাদের টনক নড়ে। ছোটখাটো ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। পারফরমেন্স কমার কোনো কারণ নেই। আরও ভালো করার জন্য এ ধরনের তাগিদ দিয়ে চিঠি দেয়া হয়, যাতে কোনো শৈথিল্য না আসে, কেউ হেয়ালিভাবে কোনো কাজ করতে না পারে।’

সিনিয়র সচিব আরও বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন কর্মকর্তারা। এখন সরকারে যারা আছেন মাননীয় মন্ত্রীরা তারাও খুব সূক্ষ্মভাবে কাগজপত্র বোঝার চেষ্টা করেন। আমলারা যতটুকু সূক্ষ্ম রাখা যায় সে চেষ্টা করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফাইলের লাইন বাই লাইন পড়েন। তার চোখে ধরা পড়লে আমাদের জন্য বিব্রতকর অবস্থা হয়। সেটা মনে করে অনেকেই সাবধানে কাজ করেন।’

‘আমি মনে করি আগের চেয়ে আমাদের দক্ষতা অনেক বেড়েছে’ দাবি করেন মোজাম্মেল হক খান।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ সার-সংক্ষেপ

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের (সিনিয়র সচিব/ভারপ্রাপ্ত সচিব) কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগ সার-সংক্ষেপ (সামারি) প্রস্তুতের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি-বিধান (যেমন-কার্যবিধিমালা-১৯৯৬, সচিবালয় নির্দেশমালা-২০১৪, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন সময়ে জারি করা এ সংক্রান্ত নির্দেশনা) যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ সার-সংক্ষেপ পাঠানো হচ্ছে। এমন সার-সংক্ষেপ নিষ্পত্তিতে অনাকাঙিক্ষত বিলম্ব ঘটছে, যা কাম্য নয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্তের জন্য প্রেরিত সার-সংক্ষেপ প্রস্তুতের সময় বিধিবিধান ও নির্দেশনাবলি আবশ্যিকভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হয়। একই সঙ্গে কিছু বিষয় তুলে ধরে সে বিষয়ে যত্নশীল হওয়ার জন্যও বলা হয় ওই চিঠিতে।

‘সার-সংক্ষেপের বিষয় সূত্রে খ্রিস্টিয় তারিখের পাশাপাশি অবশ্যই বঙ্গাব্দ উল্লেখ করতে হবে। দীর্ঘ বাক্য ও পুনরুক্তি পরিহার করে সংক্ষিপ্ত অথচ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সুস্পষ্ট ও যুক্তিপূর্ণ ভাষায় সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন করতে হবে।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘সংযোজিত সংলাপগুলো সুবিন্যস্ত ও সঠিক হওয়ার পাশাপাশি ছায়ালিপি/প্রতিলিপিগুলো স্পষ্ট পঠনযোগ্য হওয়া আবশ্যক। বিষয় ও বরাত সূত্রের সঙ্গে সংলাপের প্রাসঙ্গিক অংশ মার্কার দিয়ে দৃশ্যমান করা সমীচীন। পত্রাংশ যথানিয়মে পৃষ্ঠা নম্বর সম্বলিত হওয়া অপরিহার্য।’

‘স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থানে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ সিদ্ধান্ত/মন্তব্য/পর্যবেক্ষণ/আদেশাবলি লিপিবদ্ধ করার জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় পরিসর রাখতে হবে।’

চিঠিতে বলা হয়, ‘বাংলা বানানের শুদ্ধতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বাংলা একাডেমি প্রণীত বানানরীতি অনুসরণ করতে হবে।’

সার-সংক্ষেপ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর জারি করা নির্দেশনা অনুসরণেরও অনুরোধ করা হয় ওই চিঠিতে।

ভুল সার-সংক্ষেপ পাঠানো হচ্ছে মন্ত্রিসভায়

চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল ‘মন্ত্রিসভার জন্য সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন, প্রেরণ, মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশগ্রহণ এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিধি-বিধান, রীতি ও পদ্ধতি’ শিরোনামে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের (সিনিয়র সচিব/সচিব/ভারপ্রাপ্ত সচিব) কাছে একটি নির্দেশনা পাঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, মন্ত্রিসভার জন্য সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন ও প্রেরণ, মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশগ্রহণ এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে বিধি-বিধান, রীতি ও পদ্ধতি প্রচলিত আছে, যা যথাযথভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়ে ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পত্র দেয়া হলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে এগুলোর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর করণীয় বিষয় সম্বলিত একটি তালিকা এবং মন্ত্রিসভার জন্য সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন ও পাঠানোর সময় একটি চেকলিস্টও ফের চিঠির সঙ্গে দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নিয়ম না মেনে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে মন্ত্রিসভা কমিটিতে

সর্বশেষ গত ৭ আগস্ট ‘মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন, প্রেরণ, মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অংশগ্রহণ এবং মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিধি-বিধান, রীতি ও পদ্ধতি’ শিরোনামে আরেকটি চিঠি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের কাছে পাঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন ও প্রেরণ, মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অংশগ্রহণ এবং মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে বিধি-বিধান, রীতি ও পদ্ধতি প্রচলিত আছে। এসব বিধি-বিধান, রীতি ও পদ্ধতি যথাযথভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানিয়ে ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পত্র দেয়া হলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে এগুলোর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর করণীয় বিষয়ের একটি তালিকা এবং মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য সার-সংক্ষেপ প্রণয়ন ও পাঠানোর সময় একটি চেকলিস্ট ফের চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাহবাগের ৪১ ওষুধের দোকানে অভিযান, ৪১ লাখ টাকা জরিমানা

রাজধানীর শাহবাগের ওষুধের দোকানগুলোতে অভিযান চালিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শাহবাগের মোট ৪১টি ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে প্রত্যেক দোকানকেই জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় মোট ৪১ লাখ টাকা জরিমানা করেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। এ ছাড়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে র‍্যাবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আটজন ড্রাগ সুপার।

যেসব অভিযোগে জরিমানা করা হয় সেগুলো হলো অনুমোদনহীন বা অবৈধ ওষুধ বিক্রি, ওষুধের পাতায় ডিআর নম্বর না থাকা এবং মানহীন ওষুধ রাখা।

এ বিষয়ে সারোয়ার আলম বলেন, দেশের রোগীদের জন্য মোট সাতটি দেশ থেকে ক্যানসার প্রতিরোধের ওষুধ বা অ্যান্টি ক্যানসার মেডিসিন আমদানি করার নিয়ম রয়েছে। তবে অনেক দোকানে বিশ্বের অন্য দেশ থেকেও আমদানি করা ওষুধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের জরিমানা করা হয়।

সারোয়ার আলম আরো জানান, তাঁদের অভিযান অব্যাহত আছে। ভবিষ্যতেও এই অভিযান চলবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে আরো অনেক তথ্য আছে। সেগুলোর ভিত্তিতে অভিযান চালানো হবে। অপরাধীদের যথাযথ সাজা দেওয়া হবে।’

অভিযানে প্রায় এক ট্রাক ওষুধ জব্দ করা হয়। এগুলো সিটি করপোরেশনে ডাম্পিং জোনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই এগুলো ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাবের অভিযানে মেসার্স মেডিকোর্স ফার্মেসির এক মালিক আজিজুর রহমান মঞ্জুকে দুই বছর এবং মোর্শেদুল করিম মানিককে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভিআইপি ড্রাগের মালিক মশিউর রহমানকেও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টিপু সুলতান ছিলেন মুক্তির নায়ক : ভারতের রাষ্ট্রপতি

আঠারো শতকে ভারতের মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে দেশটির রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বলেছেন, ব্রিটিশবিরোধী লড়াইয়ে টিপু সুলতান ঐতিহাসিক মৃত্যুবরণ করেছেন। কর্ণাটকের বিধানসভা ভবনের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে গতকাল বুধবারের অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সদস্যরা ডেস্ক চাপড়ে তাঁর প্রতি সমর্থন জানান। তবে নীরব ছিল বিরোধীরা।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ এমন এক সময় টিপু সুলতানের প্রশংসা করলেন, যখন বিজেপি তাঁকে ‘হিন্দুদের ওপর নিপীড়নকারী’ আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ করছে। দলটি তাঁর বিরুদ্ধে ‘কর্ণাটকবিরোধী’ এবং ‘গণহত্যার’ও অভিযোগ তুলেছে।

কর্ণাটক বিধানসভায় রামনাথ তাঁর বক্তব্যে টিপু সুলতানকে ‘মুক্তির নায়ক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘তিনি (টিপু সুলতান) ছিলেন উন্নয়নের পথে অগ্রগামী এবং যুদ্ধে মহীশূর রকেটের ব্যবহার করেছিলেন। এই প্রযুক্তি পরে ইউরোপীয়রা ব্যবহার করেছে।’

বিজেপি অভিযোগ করেছে, টিপু সুলতানকে প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতির দেওয়া ওই বক্তব্য কংগ্রেসের তৈরি করা। এ দলই ২০১৫ সাল থেকে কর্ণাটকে টিপু সুলতানের জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন শুরু করেছে।

কর্ণাটক বিধানসভায় বিজেপি সদস্য অরবিন্দ লিম্বাভালি বলেন, ‘তারা (কংগ্রেস) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের অপব্যবহার করেছে। তারাই তাঁকে (রাষ্ট্রপতি) আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং তাঁর বক্তব্য প্রস্তুত করে দিয়েছে। এই বছরটা নির্বাচনী বছর। এই ইস্যুটা তারা বড় করতে চায় এবং রাষ্ট্রপতির সফরকে তারা বড় সুযোগ হিসেবে নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তাঁর (টিপু সুলতান) স্বাধীনতা অর্জনের লড়াইয়ের ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন নেই…তবে হিন্দুদের ব্যাপারে তাঁর মানসিকতার বিষয়ে আমার প্রশ্ন রয়েছে।’

কংগ্রেস নেতা দিনেশ গুন্ডু রাও বলেন, বাসবেশ্বরা, কৃষ্ণা দেবারাইয়া, রানি চেন্নাম্মার কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি। এই প্রাসঙ্গিকতায় তিনি টিপু সুলতানেরও উল্লেখ করেছেন। টিপু সুলতান শুধু ঐতিহাসিক চরিত্রই নন, তিনি একজন কিংবদন্তিও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সমতা ফেরাল ভারত
তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সমতা ফেরাল ভারত।
২৩১ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে ভারতের হয়ে দুরন্ত ব্যাটিং করেন শিখর ধাওয়ান এবং হার্দিক পান্ডে। পরে ভারতের ব্যাটিংয়ে নেতৃত্ব দেন দিনেশ কার্তিক। ২৪ বল বাকি থাকতেই চার উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।
বোলারদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর ব্যাট হাতে ভাল পারফরম্যান্স করেন ওপেনার শিখর ধাওয়ান। তিনি ৮৪ বলে ৬৮ রান করে আউট হন। অধিনায়ক বিরাট কোহলি করেন ২৯ রান। দীনেশ কার্তিক ৬৪ রান করে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৩০ রান করে নিউজিল্যান্ড। তিন উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। জোড়া উইকেট নেন যুজবেন্দ্র চাহল ও জসপ্রীত বুমরাহ। একটি করে উইকেট নেন হার্দিক পান্ডে ও অক্ষর পটেল। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন হেনরি নিকোলস।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় পুলিশের নামে চাঁদাবাজিকালে গাঁজাসহ নাবালক ছাত্রলীগ নেতা আটক!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেবহাটায় পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিকালে গাঁজাসহ এক নাবালক ছাত্রলীগ নেতা আটক হয়েছে। সে উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা ওহিদুল ইসলামের পুত্র পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭ম শ্রেণির ছাত্র এবং ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আহম্মেদ। বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে পারুলিয়া মহাশ্মশান এলাকায় পুলিশের নামে চাঁদা আদায়কালে পুলিশ তাকে আটক করে। দেবহাটা থানার এএসআই কায়সার, আল-আমিন, আমজাদ, শামিম হোসেন তাকে আটক করে।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কাজী কামাল হোসেন জানান, পারুলিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিল। বুধবার রাতে পারুলিয়া মহাশ্মাশান এলাকায় চাঁদাবাজির খবর পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে। এসময় তার কাছে ৩৫ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আটক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থার প্রক্রিয়া অব্যহত ছিল।
উল্লেখ্য যে, আটক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়ায় ইতোপূর্বে স্থানীয়রা এবং থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হলেও পুনরায় আগের পন্থায় চালাতে থাকে। এমন কি সে একজন মাদকসেবী বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছে। তাছাড়া পরিবারে পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত শাসন না থাকায় অপ্রাপ্তবয়সে তার এধরনের কর্মকা-ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে -জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পর্যায়ে জেলা ব্যান্ডিং কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং কিশোর বাতায়ণ পরিচিতি করণের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত আসফিয়া সিরাত, জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গাজী মোমিন উদ্দিন প্রমুখ। এসময় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন,‘ জেলা ব্যান্ডিং এর কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদেরকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে পরিচিতি করিয়ে দেওয়া। আজকের এই শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের কর্ণধর। তাদেরকে ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেশকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে।’ জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest