সর্বশেষ সংবাদ-
ভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলন

আগরদাঁড়িতে এমপি রবির উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের কোমরপাড়া এলাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- ও সাফল্য তুলে ধরে মহিলাদের সাথে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে জঙ্গি দমন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। না হলে দেশে আবারো জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। আবারো সারা দেশে বোমাবাজি হবে। তাই জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি জনগণের সাথে থাকবে, না জঙ্গিবাদের সাথে থাকবে।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী সদস্য এড. আব্দুল লতিফ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলেখা দাস প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা গোপাল চন্দ্র ঘোষাল, মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. শওকত আলী, বাঁশদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মফিজুর রহমান ও নারী নেত্রী মনোয়ারা খাতুনসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুচি’র সম্মতিতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন -জাতিসংঘের অভিযোগ

মিয়ানমারে মুসলমান সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের অনুমোদন সেদেশের নেত্রী অং সান সুচির অনুমোদনেই হয়েছে বলে ধারণা করছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার যেইদ রাদ আল হুসেইন।

এজন্য মিয়ানমারের নেতাদের একসময় বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি বলছেন। বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষার বিষয়গুলো দেখভাল করে জাতিসংঘের এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধান হুসেইন।

তিনি বলেছেন, ”যে মাত্রায় এবং যেভাবে সেখানে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে, তা অবশ্যই দেশের উঁচু পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ওই অভিযানে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছে এবং লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।’ এজন্য মিয়ানমারের নেতাদের একসময়ে গণহত্যার অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে।”

যদিও এসব অভিযোগের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি অং সান সুচি, যিনি একসময় শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।

বিবিসির সংবাদদাতা জাস্টিন রোল্যাট বলছেন, ”মিয়ানমারের নেতাদের ভবিষ্যতে বিচারের মুখোমুখি দাড়াতে হতে পারে, জাতিসংঘের এই নজরদারি প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের এই বক্তব্য খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।”

এ মাসের শুরুর দিকেই জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া বক্তব্যে হুসেইন বলেছিলেন, মিয়ানমারে যে ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন চালানো হয়েছে, তাতে গণহত্যার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাবে না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হলোকাস্টের পর জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো একটি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছেন, যেখানে কোন গোত্রকে নিশ্চিহ্নকে করার চেষ্টাকে গণহত্যাকে বলে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু তার এই বক্তব্যের পর কি অং সান সুচির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা পারে?

তিনি বলছেন, মিয়ানমারে গণহত্যা হয়েছে কিনা, সেটি প্রমাণের দায়িত্ব যেইদ রাদ আল হুসেইনের নয়। কিন্তু তিনি হয়তো আন্তর্জাতিক একটি তদন্ত চাইতে পারেন। যদিও হাই কমিশনার বলছেন, সেটিও কঠিন একটি কাজ।

তিনি আরও বলছেন, ”কেউ যদি গণহত্যা চালানোর পরিকল্পনা করে, সেটি তো তারা কাগজ কলমে করবে না। হয়তো আপনি কোন নির্দেশনার প্রমাণও পাবেন না। তবে এখন আমরা যা দেখছি, তার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কোন আদালত যদি এরকম কোন তদন্তের আদেশ দেয়, তাতে আমি অবাক হবো না।”

অগাস্টে এই অভিযান শুরুর পর সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। শত শত গ্রাম পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। সেখানে ব্যাপক হত্যা আর গণধর্ষণের বর্ণনা দিয়েছেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা।

স্যাটেলাইটে তোলা ছবি বিশ্লেষণের পর যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, বার্মার (মিয়ানমার) রাখাইন রাজ্যে গত দুইমাসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে আরো ৪০টি গ্রামের ভবনসহ বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে বলে সংস্থাটি দেখতে পেয়েছে। ২৫ অগাস্টের পর রাখাইনে এ নিয়ে ৩৫৪টি গ্রাম আংশিক বা পুরোপুরি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ২০১৬ সালের প্রশ্নপত্রে নেয়া হলো ২০১৭ সালের পরীক্ষা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত সালের হুবহু প্রশ্ন পত্রে এবারও ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হলো। এবিষয়ে অবশ্য উপজেলা পরীক্ষা পরিচালনা ও সমন্বয় কমিটির দায়িত্বে অবহেলা ও অস্বচ্ছতাকেই দোষারোপ করছেন সচেতন মহল।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে সদর উপজেলার ২য় শ্রেণির পরীক্ষার গণিত প্রশ্ন কোন রকম না পাল্টে হুবহু ওই প্রশ্ন পত্রে ২০১৭ সালের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। সেখানে পাল্টানো হয়েছে শুধু মাত্র গত বছরের প্রশ্নে ছিলো প্রশ্নেই উত্তর লিখতে হবে। আর এবছর উত্তর লিখতে হবে আলাদা উত্তরপত্রে।
এদিকে নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি ৭টি ক্লাস্টার থেকে ৭টি প্রশ্ন নিয়ে মডারেশন করে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে। কিন্তু সদর উপজেলা উপজেলা পরীক্ষা পরিচালনা ও সমন্বয় কমিটি সে নিয়ম না মেনে গত বছরের প্রশ্নপত্রের শুধু মাত্র সাল পরিবর্তন করে গত বছরের প্রশ্নেই ১৭ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেওয়া হয়। বিষয়টি সচেতন অভিভাবকদের নজরে আসলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেকেই ইতোমধ্যে উক্ত কমিটির সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও দায়ের করেছেন।
এবিষয়ে জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ও পরীক্ষা পরিচালন কমিটির সিনিয়র সদস্য সন্দীপ কুমার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ভুল হয়েছে এটা সঠিক। তবে এতে শিক্ষার্থীদের কোন ক্ষতি হয়নি। কারন গত বছর যে শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলো এবছর সে দেয়নি। কেন এমন ভুল হল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্ন মডারেট করেন শিক্ষকরা। তারা কিভাবে এভুল করলো আমরা তদন্ত করে বিষয়টি দেখবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি-সাতক্ষীরার সংযোগ সড়কগুলোতে খানাখন্দ; পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি উপজেলাবাসীর সাতক্ষীরা জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ রক্ষার মূল সড়ক সাতক্ষীরা টু আশাশুনিসহ সংযোগ সড়ক আশাশুনি টু ঘোলা এবং বুধহাটা টু দরগাহপুর খানা খন্দের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দিন সংস্কারের অভাবে এসকল সড়কগুলি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আশাশুনি উপজেলা বাসির সাতক্ষীরা জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল সড়ক সাতক্ষীরা টু আশাশুনি। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাস, মাছবাহী ট্রাক, মোটর সাইকেলসহ অসংখ্য ছোট বড় যানবাহন চলাচল করে থাকে। অধিক গুরুত্বের সড়কটি দিয়ে আশাশুনি উপজেলায় কর্মরত অধিকাংশ কর্মকর্তাবৃন্দ অফিসিয়াল কাজে উপজেলা থেকে জেলা শহরে যাতায়াত করে থাকেন। সড়কুটির দুলিহর বাজার এলাকার অবস্থা এতই খারাপ যে একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের কিছু কিছু যায়গায় হাঁটু পানি জমে যায়। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির অধিকাংশে অসংখ্য বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। আর এসব দুর্ঘটনায় জীবনহানীর পাশাপাশি অনেককেই মেনে নিতে হচ্ছে পঙ্গুত্ব জীবন। এছাড়া সড়কটি দিয়ে চলাচলরত যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে থাকাসহ সড়কটি চলাচলে একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আর এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সড়কে চলাচলরত সাধারণ মানুষের।
এদিকে আশাশুনি টু ঘোলা সড়কটি সংস্কারের অভাবে যানবাহন চলাচলে একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংকারের অভাবে দীর্ঘ দিন জরাজীর্ণ সড়কটির বেহাল দশায় বেশিরভাগ অংশই এখন মরণ ফাঁদ। সড়কটিতে যাত্রীবাহী বাস, মিনিবাস, ট্রাক, নছিমন, করিমন, ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলসহ ছোট বড় বিভিন্ন যানবাহন যাতায়ত করে থাকে। উপজেলার শ্রীউলা ও প্রতাপনগর এ দুটি ইউনিয়নের জনগনের উপজেলার সাথে যোগাযোগের একমাত্র সহজ এবং সটকার্ট সড়ক এটি। সড়কটি ব্যবহার করেই ব্যবসায়ীরা দক্ষিণাঞ্চলের সাদা-সোনা খ্যাত চিংড়ী মাছ সহ বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করে থাকে। যার মাধ্যমে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব অর্জন করে। কিন্তু উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির বিভিন্ন জায়গা দীর্ঘদিন থেকে খানা-খন্দকে পরিনত হয়ে আছে। ১৮ কিঃ মিঃ এ সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তে পরিনত হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী। অপরদিকে বুধহাটা টু দরগাহপুর (বাঁকা) সড়কের করুণ অবস্থায় জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন দুর্ঘটনা কবলিত হচ্ছে।
বুধহাটা টু দরগাহপুর সড়কটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত ট্রাক, মিনিবাস, মাইক্রো, প্রাইভেট, পিকআপ, ইজিবাইক, মহেন্দ্র, নছিমন-করিমন, ব্যাটারি চালিত ভ্যান, ইঞ্জিন ভ্যান, মটর সাইকেল যাতয়াত করে থাকে। পাইকগাছা, কয়রা, তালা, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাতয়াতের জন্য সংক্ষিপ্ত ও সহজ পথ হিসাবে এই সড়কের ব্যবহার হচ্ছে। উপজেলার দরগাহপুর, কাদাকাটি ও কুল্য তিনটি ইউনিয়নের জনসাধারণ সড়কটি ব্যবহার করে জেলা ও উপজেলার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। খুবই ব্যস্ততম সড়ক হলেও সড়কটি এখনো অপ্রশস্ত রয়েগেছে। ফলে যানবাহনের ক্রসিং ও ওভার টেকিং রীতিমত ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া সড়কের বৃহৎ অংশ অত্যান্ত শোচনাীয় হয়ে পড়েছে। সড়কের বেশ কিছু অংশে বড় বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির বাহাদুরপুর অংশে প্রায় অধ্য কিলোমিটার মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে একেবারে চলাচলের অনপুযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটির ফুটপাতও গাড়ির চাকার চাপে মাটি বসে গিয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গুনাকরকাটিসহ কয়েকটি স্থানে খাদ এতটা বড় হয়ে গেছে যে, মাঝে মধ্যে যানবাহন আটকে গিয়ে দীর্ঘ সময় সড়ক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সড়কটি পুনঃসংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।
এদিকে হলদেপোতা থেকে গোয়ালডাংগা হয়ে আনুলিয়া সড়কটির অবস্থা মোটামুটি ভাল হলেও হলদেপোতা থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত সড়কের কয়েকটি জায়গায় বিস্তর এলাকা জুড়ে রাস্তা দেবে যাওয়ায় যানবাহনের জন্য ঝুঁকিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ চায় ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা ০৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহর হক এমপি এ প্রতিবেদককে জানান, আশাশুনি টু ঘোলা সড়কের আশাশুনি থেকে শ্রীউলা পর্যন্ত সাড়ে চৌদ্দ কিলোমিটার, শোভনালী বিজ্রের দুই পাশের সংযোগ সড়কসহ বেশ কিছু রাস্তা সংস্কারের বরাদ্দ ইতমধ্যেই হয়ে গেছে। খুব শ্রীঘ্রই কাজ শুরু হবে। এ সড়কের যে অংশের বরাদ্দ হয়েছে ওটুকুর অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়ে গিয়েছিল বাকি অংশের কাজও পর্যায়ক্রমে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় মহান বিজয় দিবস-২০১৭ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে মহিলাদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের (৬৪) জেলা অফিসে জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজুন নাহার ঝর্ণার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিন। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা কর্মকর্তা মো. আনছার আলী। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন শাহানা মহিদ বুলু ও এড. ফরিদা আক্তার বানু। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় জাতীয় মহিলা সংস্থার কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংগীতে রবীন্দ্রভারতীতে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে সাতক্ষীরার আসিফ

এম বেলাল হোসাইন : নজরুল সংগীতে পিএইচডি করে মানুষের মনে খোরাক মেটাবে। জয় করবে মানুষের হৃদয়। ঘরে ঘরে পৌছে যাবে সুরের মোহনা। এমনি স্বপ্ন তাড়া করে বেড়ায় আসিফ নেওয়াজকে। এই আকাঙ্খা নিয়ে বিভিন্ন স্থানে গান শুরু করে আসিফ। তার সুরের আকতি ধীরে ধীরে মানুষের হৃদয়ে কাড়তে শুরু করলো। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দাওয়াত পেতে লাগলো সে। একপর্যায়ে ২০১০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনেও পরিবেশিত হয়ে তার সংগীত। এছাড়াও চ্যানেল অন এ সংগীত প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগ থেকে আধুনিক গানে সুরের প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করে আসিফ। কিন্তু বড় হওয়ার আকাঙ্খা যাকে সব সময় তাড়িয়ে বেড়াই সে কি আর এত অল্পতেই সন্তুষ্ঠ হতে পারেন। প্রবল ইচ্ছা সংগীতের উপর লেখা পড়া করবে। পিএইচডি লাভ করবে সে। আসিফ নেওয়াজ সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার মো. আকবর আলী, মাতা সালমা বেগমের সন্তান। তার পিতা আকবর আলী পেশায় একজন কৃষক। কৃষক পরিবারের সন্তানের পক্ষে কিভাবে এভাবনাই হতাশ হয় আসিফ।
তাতে কি? বিধাতা যার সহায় তাকে কে আটকাতে পারে। দেবদূতের মত সামনে আসলো তালা-কলারোয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও তার সহধর্মিনী প্রধান শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী নাসরিন খান লিপি। আসিফকে ভর্তি করে দিলেন তার স্বপ্নের কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। যেখানে আফিস সংগীত নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে নিজের সুর বিলাতে পারে মানুষের মাঝে। সেখানেও পড়তে গিয়ে থেমে নেই আসিফ ভারতীয় কয়েকটি টিভি চ্যানেলে ইতোমধ্যে পরিবেশিত হয়েছে তার সুুমধুর কণ্ঠের সংগীত।
এদিকে তার সুরের আকুতিতে মেতে ঢাকার বিশিষ্ট কার্ডিওলোজি চিকিৎসক ডা: মোমিনুজ্জামান। আসিফ দেশে ফিরেছে জেনে তিনি চলে আসলেন সাতক্ষীরায়। তার এ সূরের শিখা ছড়িয়ে দিতে তিনিও ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহযোগিতা করেছেন আফিস নেওয়াজকে।
আসিফ সাতক্ষীরাবাসীর আশীর্বাদ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করে তার ভবিষ্যত সংগীতজ্ঞ হয়ে ওঠার পথে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সুলতানপুরে মাইক্রোবাস ভর্তি ভারতীয় শাড়ি ও থ্রিপিচ জব্দ

আসাদুজ্জামান : ভারত থেকে অবৈধ পথে আনার সময় মাইক্রোবাস ভর্তি ১৮ গাইড থ্রি-পিচ ও থান কাপড় জব্দ করেছে বিজিবি। সোমবার ভোরে শহরের সুলতানপুর এলাকা থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার শাখরা কোমপুর সীমান্ত দিয়ে একটি চোরাচালানী চক্র অবৈধভাবে সাদা রং এর একটি মাইক্রোবাস যোগে (ঢাকা মেট্রো- চ-৫৩-০৮৭১) বিপুল পরিমান ভারতীয় ত্রি-পিচ ও থান কাপড় ঢাকায় পাচার করছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাইক্রোবাসটি ভোর সাড়ে চারটার দিকে কুলিয়া পার হওয়ার পর বাঁকাল চেকপোষ্টের হাবিলদার আইয়ুব আলীর নেতৃত্বে টহলরত বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে। ভোর ছয়টার দিকে গাড়িটি শহরের সুলতানপুর ক্লাবের পাশে এসে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় চালক ও হেলপার গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়। এর পরপরই বিজিবি সদস্যরা ওই গাড়ি থেকে ১৮ গাইড থ্রি-পিচ ও থান কাপড় জব্দ করে।
বিজিবি’র সাতক্ষীরা ৩৮ ব্যাটালিয়নের গণসংযোগ কর্মকর্তা সুবেদার সামছুল আলম জানান, জব্দকৃত মাইক্রোবাসসহ ১৮ গাইড কাপড় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে নিয়ে আনা হয়েছে। তিনি আরো জানান জব্দকৃত মালামালের মূল্য আনুমানিক ২১ লাখ টাকা। তবে এসব মালামালের মালিক কে তা তারা জানাতে পারেননি।
তবে, শহরে গুঞ্জন রয়েছে এ মালামাল জেলার একজন শীর্ষ চোরাকারবারীর যিনি সম্প্রতি আবার জনপ্রতিনিধিও হয়েছেন। জেলার সমস্ত চোরাইঘাট বন্ধ থাকলেও তার চোরাই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মাদকসহ বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জামায়াত-শিবিরসহ আটক ৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতা-কর্মীসহ ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৬ জন, কলারোয়ায় ৬ জন, তালায় ৬ জন, কালিগঞ্জে ২ জন, শ্যামনগরে ৪ জন, আশাশুনিতে ৫ জন, দেবহাটায় ৫ জন ও পাটকেলঘাটায় ২ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest