সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চলের প্রায় পাঁচশো কিলোমিটার গভীর মরুভূমিতে বেশ কয়েক বছর আগে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল একটি প্রাচীন গ্রন্থ, যাকে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন মনে করে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।

কিন্তু একজন অস্ট্রেলিয়ান-বাংলাদেশি গবেষক সেখানে গিয়ে দেখতে পেলেন এটি আসলে বাংলা ভাষায় লেখা শত বছরেরও আগের একটি পুঁথি।

গবেষক ড: সামিয়া খাতুন এই গবেষণার সূত্র ধরে বিশ শতকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় তৎকালীন বাংলা এবং ভারতবর্ষ থেকে মানুষের অভিবাসনের চমকপ্রদ এক ইতিহাসের সন্ধান পেয়েছেন, যা নিয়ে তার একটি বই শীঘ্রই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে লন্ডন থেকে।

ড: সামিয়া খাতুন বলছিলেন ইতিহাসের বই-এ যখন তিনি ওই কোরআনের কথা পড়েন তখন তিনি তা দেখতে পাড়ি জমিয়েছিলেন সেখানে।

“পাঁচশ কিলোমিটার পথ গিয়ে বইটি খুঁজে বের করার পর খুলে দেখি সেটি কোরআন নয়, বাংলা কবিতা,” বলেছেন ড: সামিয়া খাতুন।

ড: খাতুন তার গবেষণায় দেখেছেন বহু জাহাজী সেসময় ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। উটের ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিল বহু বাঙালি। অনেক বাঙালি সেসময় আয়ার কাজ করতে সেখানে গিয়েছিলেন বলে তিনি তার গবেষণায় জেনেছেন।

তিনি বলছেন এরা সেসময় অস্ট্রেলিয়ার গভীরে দুর্গম মরু অঞ্চলে কাজ করতে গিয়েছিলেন।

“প্রথমে লেখাটি ছাপা হয়েছিল ১৮৬১ সালে, পরে এটি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে কয়েকবার পুর্নমুদ্রিত হয়ে যে কপিটি আমার হাতে আসে সেটি ১৮৯৫ সালে ছাপা।”

ড: খাতুন এসব মানুষের কাজ ও বসতির সূত্র ধরে অস্ট্রেলিয়ার ব্রোকেনহিল শহরে তাদের প্রথম অভিবাসী হয়ে আসার আগ্রহব্যঞ্জক তথ্য পেয়েছেন।

“এদের অনেকে উট নিয়ে কাজ করতে করতে সেখানে চলে গিয়েছিলেন। তবে সবচেয়ে বেশি লোক জাহাজে কাজ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিলেন, এরপর যে কোন একটা কাজ জুটিয়ে নিয়ে মরুভূমি এলাকায় বা অস্ট্রেলিয়ার গহীন অঞ্চলে পৌঁছে যান।”

ড: খাতুন বলছেন সেখানে যে মসজিদগুলো ছিল এই লোকেরা সেই মসজিদগুলোতে ঈদের সময় জড়ো হতেন। এভাবেই ব্রোকেনহিলসহ আশপাশের দুর্গম এলাকাগুলোয় তখন বাঙালিদের একটা বসতি গড়ে ওঠে ।

আঠারো এবং উনিশ শতকে বিশ্ব জুড়ে একটা ব্যাপক অভিবাসনের ইতিহাস রয়েছে। পৃথিবীর নানা প্রান্তের লোক সেসময় নানা জায়গায় গিয়ে বসতি গড়ে তুলেছেন।

ড: খাতুন বলছেন ওই একই সময়ে অস্ট্রেলিয়াতেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

তিনি বলছেন এই বাঙালি অভিবাসীরা তখন অস্ট্রেলিয়ার গহীন এলাকায় পুঁথিপাঠ করতেন।

“এই বইয়ে যে বাংলা কবিতাগুলো রয়েছে সেগুলো গান করে অন্যদের পড়ে শোনানো হত- যেমনটা প্রাচীনকালে পুঁথিপাঠের ধারা ছিল।”

তিনি বলছেন এর থেকে বোঝা যায় ওই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বাঙালিদের মধ্যে পুঁথিপাঠের একটা সংস্কৃতি চালু ছিল।

তার গবেষণায় ড: খাতুন দেখেছেন সেখানে ওই সময় একটা বড়সড় বাঙালি জনগোষ্ঠি ছিল বলেই এই পুঁথিপাঠের চর্চা গড়ে উঠেছিল। এছাড়া অন্য দেশ থেকে সেখানে যাওয়া অনেক মানুষ সেই পুঁথিপাঠ শুনতে আসতেন যারা বাঙালি ছিলেন না। তাদের জন্য অনুবাদ করে এইসব কবিতা শোনানো হতো।

ড: খাতুন বলছেন সেইসময় যেসব বাঙালি ওই দুর্গম অঞ্চলে বসতি করেছিলেন তাদের বংশধররা এখনও আছেন।

তিনি বলছেন সেসময় স্থানীয় আদিবাসীদের সঙ্গে এরকম অনেক বাঙালির বিয়ে হয়েছিল। তারা অবশ্যই তখন ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে যাওয়া বাঙালি ছিলেন।

“ফলে তাদের বংশধরদের এখন পাওয়া যায় আদিবাসী অ্যাবোরোজিন সম্প্রদায়ের মধ্যে যেহেতু ওই বাঙালিদের মধ্যে অনেক মিশ্র বিয়ের ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায়।”

ড: সামিয়া খাতুন বলছেন সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এই মিশ্র বিয়ের কারণে ওই প্রত্যন্ত অঞ্চলের অ্যাবোরোজিন সম্প্রদায়ের ভাষায় ঢুকে গেছে বহু বাংলা শব্দ।

“যেমন চাপাটি শব্দকে ওরা বলে জাপাটি, ট্যাংক হয়ে গেছে টাংকি- এরকম বহু শব্দ রয়েছে। তারপর উট নিয়ে যেহেতু তারা কাজ করতেন, তাই উটকে তারা উট বলে।”

তিনি বলছেন সেসময় যে মসজিদগুলো সেখানে ছিল, সেগুলোর কয়েকটা ধ্বংস হয়ে গেলেও কয়েকটা এখনও টিঁকে আছে এবং ওই মরু এলাকা খুবই শুষ্ক হওয়ার কারণে যেগুলো টিঁকে আছে সেগুলোর ভেতরে “সবকিছু এখনও খুব ভালভাবেই টিঁকে আছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী সংসদ নির্বাচনে আ. লীগের মনোনয়ন যেভাবে মিলবে

অনলাইন ডেস্ক : পেশিশক্তি ও অর্থবিত্তের অধিকারীরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন না। ক্ষমতাসীন দল থেকে মনোনয়ন পেতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই জন-সম্পৃক্ত হতে হবে। একইসঙ্গে মনোনয়ন-প্রত্যাশীকে হতে হবে শিক্ষিত-মার্জিত। থাকতে হবে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও। এসব গুণের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ত্যাগী-অভিজ্ঞ নেতারাই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য হবেন। দলের বিভিন্ন ফোরামে নেতাদের উদ্দেশে এমন কথা জানিয়েছেন খোদ শেখ হাসিনাই। তিনি মনে করেন, আগামী নির্বাচন ভীষণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। এ কারণে উল্লিখিত গুণাবলি না থাকলে দলের পক্ষে বিজয়ী হয়ে আসা কঠিন হবে। শেখ হাসিনার একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ক্ষমতাসীন একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, প্রচুর অর্থবিত্ত আছে, কিন্তু এলাকায় পরিচিতি নেই, জনসম্পৃক্ততা শূন্যের কোটায়, কর্মী-সমর্থকদের খোঁজ-খবর রাখেন না, এমন নেতাদের নৌকার মনোনয়ন দেবেন না আওয়ামী লীগ সভাপতি। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সর্বশেষ সভায়ও শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি কাউকে জিতিয়ে আনতে পারব না। এবার যার যার যোগ্যতায় জিতে আসতে হবে।’ ওই সভায় বর্তমান এমপি ও মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের উদ্দেশে দলীয় তিনি আরও বলেছেন, ‘প্রত্যেককে স্ব-স্ব নির্বাচনি এলাকার পুরো ভোটার তালিকা হাতে নিয়ে প্রত্যেক ভোটারের কাছে যেতে হবে। তাদের কাছে ভোট চাইতে হবে। ভোটারদের দরজায় যেতে চিন্তা করা যাবে না, কে কোন দলের।’

কার্যনির্বাহী সংসদের ওই সভায় দলীয় সভাপতি বলেছেন, ‘শুধু উন্নয়নের কথা বলে ভোট আদায় করা যাবে না। ভোট আদায় করতে ভোটারদের সংস্পর্শে যেতে হবে।’ পাশাপাশি প্রত্যেক মনোনয়ন-প্রত্যাশী নেতার কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, ‘একাধিক গুণসমৃদ্ধ প্রার্থীরা এবার মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন। এরমধ্যে যে নেতা বেশি জনসম্পৃক্ত ও কর্মীবান্ধব, তাকেই বেছে নেওয়া হবে।’

জানতে চাইলে ক্ষমতাসীন দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘এবার দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দু’টি বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। একটি হলো, মনোনয়ন-প্রত্যাশী নেতা কতটা জনসম্পৃক্ত। দ্বিতীয়টি হলো, মনোনয়ন-প্রত্যাশী নেতা কতটা স্থানীয় নেতাকর্মী-সমর্থকবান্ধব।’ তিনি বলেন, ‘প্রকৃত অর্থে জনপ্রিয় নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অন্যতম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায়, এসব বিষয়কে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ প্রায় নিশ্চিত বলেই ধরে নিয়েছেন শেখ হাসিনা। তাই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে উল্লিখিত গুণাবলি এক রকম বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।
সূত্র জানায়, এসব গুণ না থাকলে, যত প্রভাবশালী নেতাই হোন, তাকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে না। কারণ হিসেবে সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দল এড়াতে চায় আওয়ামী লীগ।
দলটির নীতি-নির্ধারকরা জানান, বিগত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব যোগ্যতা তেমন আমলে নেওয়া হয়নি। ফলে গত নয় বছরে প্রায় প্রত্যেকটি আসনেই দ্বন্দ্ব-কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক নির্বাচনি আসনে নেতাকর্মীরা এমপির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এবার এ বিতর্কিত এমপিদের বাদ দেওয়া হবে। কোনোভাবেই নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিক্ততা সৃষ্টিকারী বর্তমান এমপিরা মনোনয়ন পাবেন না। এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা গভীরভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করবেন। এরই অংশ হিসাবে তিনি এমপিদের হুঁশিয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনাদের জনসম্পৃক্ত হতে হবে, কর্মীবান্ধব হতে হবে। এলাকায় বেশি বেশি যেতে হবে।’

সর্বশেষ কার্যনির্বাহী সংসদের সভায়ও শেখ হাসিনা বর্তমান এমপি ও মনোনয়ন-প্রত্যাশী নেতাদের এমন বার্তা দিয়েছেন। ওই সভায় তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি এখন রেস্টে আছি। ফলে এগুলো নিয়ে কাজ করার সময় পাচ্ছি প্রচুর। আমার কাছে সব এলাকার খবর আছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, ‘মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বিবেচনাবোধ কাজ করবে। এবার আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে চায়। তাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়ে আসার সম্ভাবনা যাদের বেশি, তারাই মনোনয়ন-দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন।’ তিনি বলেন, ‘ম্যানুপুলেশন করে তৃণমূল থেকে প্রার্থী তালিকায় নাম আনা হল কিনা, তারও খোঁজ নেবেন দলীয় সভাপতি। কারণ অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, তৃণমূল নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কেন্দ্রে পাঠানো প্রার্থী তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টানা ৪ ম্যাচ জিতল পাকিস্তান, হারল শ্রীলঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক : কদিন আগে টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করেছে শ্রীলঙ্কা। টেস্টে দুর্দান্ত খেলা শ্রীলঙ্কা ওয়ানডেতে এসে বড় বিবর্ণ। শারজায় আজ পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চতুর্থটিতে তারা হেরেছে ৭ উইকেটে। এই ম্যাচ জিতে পাকিস্তান সিরিজে এগিয়ে গেল ৪-০ ব্যবধানে। এবার তাদের সামনে শ্রীলঙ্কাকে ধবলধোলাইয়ের সুযোগ।

১৭৪ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৫৮ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার বোলারদের সাফল্য বলতে এতটুকুই। বাবর আজম-শোয়েব মালিকের অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটি ১১৯ রান যোগ করে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের প্রান্তে। ওয়ানডেতে যে দুর্দান্ত খেলেন, বাবরের ব্যাটিংয়ে সেটি নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। এই সিরিজে ১০৩, ১০১ , ৩০-এর পর পাকিস্তানের এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান আজ করলেন অপরাজিত ৬৯ রান। মালিকও অপরাজিত ঠিক ৬৯ রানেই।
সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে ২০৯, ১৮৭ ও ২০৮ রান করা লঙ্কানরা আজ ৪৩.৪ ওভারে অলআউট ১৭৩ রানে। শ্রীলঙ্কার হয়ে যা একটু প্রতিরোধ গড়েছেন লাহিরু থিরিমান্নে। চারে নেমে ৯৪ বলে ৬২ রান করেছেন থিরিমান্নে। আউট হয়েছেন নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে দলীয় ১৬৪ রানে। আগের ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়া পেসার হাসান আলী (৩/৩৭) এদিনও পাকিস্তানের সেরা বোলার।
ধবলধোলাই ঠেকাতে ২৩ অক্টোবর সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জয়ের বিকল্প নেই শ্রীলঙ্কার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাবুলে মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৩০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩০ নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ইমাম জামান মসজিদে এ হামলা চালানো হয়।

বিবিসি জানায়, নামাজ পড়া অবস্থায় মুসল্লিদের ওপর হামলাকারী গুলিবর্ষণ করে। এরপর বোমার বিস্ফোরণ ঘটনায়।

এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে আফগানিস্তানের শিয়া মসজিদগুলো জঙ্গি সংগঠন আইএসের হামলার লক্ষ্যবস্তু বলে জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ঘটনাস্থলে তদন্তদল গেছে।

এ হামলার কয়েকদিন আগে ট্রাকবোমা নিয়ে আত্মঘাতী হামলাকারী সন্দেহে একজনকে আটক করে পুলিশ।

গত ২০ আগস্ট কাবুলে মুসল্লিদের ওপর বোমা হামলায় ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। এ ছাড়া মে মাসে ট্রাকবোমা হামলায় ১৫০ জনের বেশি নিহত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাকিবকে সরিয়ে শীর্ষ অলরাউন্ডার হাফিজ

ওয়ানডেতে অলরাউন্ডারের শীর্ষ আসনটা এতদিন নিজের করে রেখেছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই সাকিবকে টপকে শীর্ষ আসন দখল করেছেন এবার মোহাম্মদ হাফিজ। নবমবারের মতো এই আসনটা দখল করলেন পাকিস্তানি এই অলরাউন্ডার। সাকিব অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমেছেন ৩৪৫ পয়েন্ট নিয়ে। শীর্ষে থাকা হাফিজের সংগ্রহ ৩৬০ পয়েন্ট।

অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে পেছালেও বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে সাকিব এগিয়েছেন একধাপ। ১৯ নম্বরে রয়েছেন। পেসার রুবেল হোসেনও এগিয়েছেন। ৭ ধাপ এগিয়ে রয়েছেন ৬১ নম্বরে।

এদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৭৬ রানের ঝড় তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। যেখানে ১০৪ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি ছয় ও ১৫টি চার। এমন ইনিংস খেলে ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানটা দখল করেছেন তিনি। অপরদিকে মুশফিকুর রহিমও এগিয়েছেন র‌্যাংকিংয়ে। ৫ ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ১৮ নম্বরে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিং পেয়েছেন ব্যাটসম্যান বাবর আজম। ২ ধাপ এগিয়ে রয়েছেন চতুর্থ নম্বরে। বাংলাদেশের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে রেকর্ড গড়া দুই ওপেনার হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি ককও প্রাপ্তি যোগ করেছেন। ব্যাটসম্যানদের র‌্যাংকিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে রয়েছেন পঞ্চম স্থানে। আর হাশিম আমলা দুই ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন নবম স্থানে।

বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে বড় ঝাঁপ দিয়েছেন পেসার হাসান আলী। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ৯ উইকেট নেওয়া এই পেসার ৬ ধাপ এগিয়ে দখল করেছেন শীর্ষ স্থান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতিবাজ এমপিরা মনোনয়ন পাবেন না : কাদের

অজনপ্রিয় ও দুর্নীতিবাজ সংসদ সদস্যরা (এমপি) আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাবেন না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে দলের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরো বলেছেন, আগামী নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ও বর্তমান সংসদ সদস্য সবার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তথ্য আছে। জনপ্রিয় ও জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন প্রার্থীরাই মনোনয়ন পাবেন বলে জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের কেউ কেউ পারসোনাল কমেন্ট করেন। সেটা তাঁদের নিজেদের ব্যাপার। কিন্তু আমাদের দলের বক্তব্য হচ্ছে যেই জনপ্রতিনিধি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন সেই জনপ্রতিনিধি নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগের মনোনয়নের অযোগ্য হবেন।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজেই আদালতকে হেনস্তা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওবায়দুল কাদের। জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিয়ে খালেদা জিয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া নিজেই আদালতকে হেনস্তা করছেন।

বিএনপির উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘কোন নিয়মের বদৌলতে মামলার বিচারিক কার্যক্রমকে আট মাসের বেশি সময় বিলম্বিত করেছে। তিনি বলেছেন, আদালত তাঁকে হেনস্তা করেছে। আমি বলব, সবাই বলবে তিনি আদালতকে হেনস্তা করছেন।’

বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা হাতাহাতি করে প্রমাণ করেছেন তাঁরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না, তাঁরা আইন মানেন না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ষোড়শ সংশোধনী রিভিউ আবেদন প্রস্তুতিতে ১১ সদস্যের কমিটি

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে দেওয়া রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন প্রস্তুত করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি কমিটি কাজ করছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুক্রবার জানান, ওই রায়ের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ হিসেবে রিভিউ প্রস্তুতির জন্য এ কমিটি কাজ করছে। কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও আট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রয়েছেন।

গত ১১ অক্টোবর রায়ের সার্টিফায়েড কপি (সত্যায়িত অনুলিপি) তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রায় প্রদানকারী বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর গত ১ আগস্ট ৭৯৯ পৃষ্ঠার ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণার আপিলের রায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ৩ জুলাই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সংক্ষিপ্ত রায় দেন।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে অর্পণসংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের ১৬৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় গত বছর ১১ আগস্ট প্রকাশ করা হয়। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চ গত বছরের ৫ মে বিষয়টির ওপর সংক্ষিপ্ত রায় দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল। রায়টি লিখেছেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। রায়ের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বেঞ্চের অপর বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক। তবে বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল রায়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আরেকটি রায় দিয়েছেন। উচ্চ আদালতের রুলস অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে যে রায় দেওয়া হয়, সেটাই চূড়ান্ত হবে।

এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে কেন ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এ মর্মে রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন হাইকোর্ট।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর আলোকে বিচারপতি অপসারণের জন্য একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করা হয়েছে। অসদাচরণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্ত ও তাকে অপসারণের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বিচারক (তদন্ত) আইন’-এর খসড়া গত বছর ২৫ এপ্রিল মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দেয়। সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। বিলটি পাসের পর ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিতও হয়। পরে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইন, ২০১৪-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার তামিমের সাউথ আফ্রিকা সফর শেষ

মোস্তাফিজুর রহমানের পর তামিম ইকবালের সাউথ আফ্রিকা সফর শেষ হয়ে গেল। পুরনো জায়গায় নতুন করে আঘাত পাওয়ায় সফরের বাকি ম্যাচগুলোতে মাঠে নামতে পারবেন না তিনি। বিপিএল খেলা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে!

শুক্রবার ইস্ট লন্ডনে করানো আল্ট্রাসনো রিপোর্টে দেখা গেছে, বাঁ ঊরুর চোটটা আরও বেড়েছে।

‘মোস্তাফিজ ২৩ অক্টোবর দেশে ফিরে আসবেন। তামিম আসছেন একদিন আগে, ২২ তারিখ,’ জানিয়ে মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, ‘গত ম্যাচের পর আবার ও ব্যথা অনুভব করছে। ওই পুরানো চোটের জন্যই তাকে ফিরে যেতে হচ্ছে।’

প্রস্তুতি ম্যাচে খেলার সময় বাঁ ঊরুর পেশিতে চোট পান তামিম। পরে প্রথম টেস্টে খেলার সময় আবার একই জায়গায় চোট পান। খেলতে পারেননি দ্বিতীয় টেস্ট ও প্রথম ওয়ানডে। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমে ২৫ বলে ২৩ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest