সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ রুটে নৌ-ফেরি চলাচল বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক : বৈরি আবহাওয়ার কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া, মাওয়া-কাওরাকান্দিসহ দেশের অভ্যন্তরীণ সব নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
শনিবার (২১ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টা থেকে এ ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায় , নদীতে তীব্র স্রোত, ঝড়ো বাতাস ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি-লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে মুশলধারে বৃষ্টির পাশাপাশি ঝড়ো হাওয়া বইছে। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। তবে এ পর্যন্ত কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারে আজও ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত—এই ২৪ ঘণ্টায় কেবল বৃষ্টি হয়েছে ১৪৯ মিলিমিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে গোপালগঞ্জে ২৭১ মিলিমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘রোহিঙ্গা’ ছবিতে অধরা সাংবাদিক

আবার নতুন ছবি শুরু করেছেন পরিচালক অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড। ছবির নাম হবে ‘রোহিঙ্গা’। রোহিঙ্গা সংকটকে কাহিনীচিত্রে ধরে রাখতেই তিনি এই ছবির কাজে হাত দিয়েছেন। এরই মধ্যে টেকনাফের নাফ নদী, শাহপরীর দ্বীপ ও উখিয়ায় ঘুরে এসেছেন তিনি। একজন সাহসী সাংবাদিকের চোখ দিয়ে পরিচালক রোহিঙ্গাদের জীবন তুলে ধরবেন। সাংবাদিকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন নবাগত নায়িকা অধরা খান।

অধরা বলেন, “আমি ছবিতে সাংবাদিকের ভূমিকায় অভিনয় করছি। তবে কবে থেকে আমার শুটিং শুরু হবে তা এখনো বলতে পারছি না। কারণ আমার ছবির পরিচালক শুটিংয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে চান। যদি সবাই জানে আমরা শুটিং করছি, তা হলে সেখানে ভিড় বাড়বে, এতে শুটিং করতে সমস্যা হবে।’

নিজের চরিত্র নিয়ে তৃপ্তি প্রকাশ করে অধরা বলেন, “আমি এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার মনে হচ্ছে এই ছবির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সংকটকে ভালো করে তুলে ধরা যাবে। তা ছাড়া এখন যেভাবে আমাদের দেশে এসে তারা আশ্রয় নিয়েছে, সেভাবে ৭১ সালে আমাদের দেশের মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। এখনকার প্রজন্ম সেটা জানে কিন্তু দেখতে পারেনি, আমি মনে করি রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেশে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়, আমাদের দেশের মানুষ একাত্তর সালে কত কষ্ট করেছে।’

ছবিতে কোনো নায়ক নেই জানিয়ে অধরা বলেন, ‘আমার বিপরীতে কোনো নায়ক নেই, গল্পটাই ছবির নায়ক। এখানে রোহিঙ্গাদের জীবন কাহিনীকেই প্রাধান্য দিয়ে ছবিটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ছবির কিছু শুটিং হয়েছে। আমরা পরবর্তী শুটিং ডেটের জন্য এখন অপেক্ষা করছি।’

‘নাচোলের রানী’, ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘অন্তর্ধান’ এই তিনটি ছবি নির্মাণ করেছেন অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড। ‘রোহিঙ্গা’ তাঁর চতুর্থ ছবি। অধরা খান পরিচালক শাহিন সুমনের হাত ধরে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। এরই মধ্যে তাঁর ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ ছবিটি সেন্সর বোর্ডে জমা পড়েছে। ‘মাতাল’ শিরোনামে আরেকটি ছবির ৪০ শতাংশ শুটিং শেষ হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা শিশুদের অবস্থা ‘ভয়াবহ’

প্রাণভয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় আছে শিশুরা। সুইটজার‍ল্যান্ডের জেনেভায় রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এ কথা উল্লেখ করেছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। এই প্রতিবেদনে এসব শিশুদের আঁকা কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়।

যে চোখে অপার বিস্ময়ে পৃথিবীর রূপ-রস অবলোকন করার কথা, সে চোখ সময়ের অনেক আগে দেখে ফেলেছে পৃথিবীর নিষ্ঠুরতার চরমতম নির্দশন। রং তুলি পেয়ে এই অভিজ্ঞতা কাগজে ফুটিয়ে তুলেছে ১১ বছরের মুনজুর আলী। সে একাই নয়, কক্সবাজারের বালুখালি ক্যাম্পে বসে ইউনিসেফ সদস্যদের কাছে এরকম অনেক ছবিই এঁকে দেখিয়েছে মিয়ানমার থেকে আসা অসংখ্য শিশু। মুনজুর আলী জানায়, পালিয়ে এসে বেঁচে গেছে সে, নয়তো নিশ্চিতভাবেই প্রাণটা খোয়াতে হত। বাকিরাও জানিয়েছে নৃশংসতার নানা বর্ণনা।

এসব ছবি উঠে এসেছে রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে প্রকাশিত জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে। এতে উদ্বাস্তু শিবিরে শিশুদের বর্তমান অবস্থাকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে, পৃথিবীর নরক হিসেবে। জরিপে বের হয়ে এসেছে, প্রতি ৫টি রোহিঙ্গা শিশুর মধ্যে ১জন চরম অপুষ্টির শিকার।

প্রতিবেদনটির লেখক ও ইউনিসেফের যোগাযোগ উপদেষ্টা সিমন ইঙ্গগ্রাম বলেন, ‘প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা এই শিশুদের স্বাস্থ্যের অবস্থা ছিলো আশঙ্কাজনক। ক্ষুধার্ত, দূর্বল এবং রুগ্ন অবস্থায় এসে পৌঁছায় তাদের অধিকাংশই। এদের অনেকেই আগে থেকেই ছিল পুষ্টিহীনতার শিকার।’

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে ৫৮ শতাংশই শিশু। এক বৈঠকে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি এই শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রানের আহ্বানও জানান ইউনিসেফ কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত ত্রাণ ছাড়া এ অবস্থার উন্নতি সম্ভব নয় বলেও জানান তাঁরা। এছাড়া, তাঁরা আরো জানান এ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাত্র সাত শতাংশ তাঁরা পেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি নির্বাচনে গেলে আ.লীগ ২৫ আসনও পাবে না-মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাঁর দল নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের ভাগ্যে ২৫টি আসনও জুটবে না।

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাঘটিয়াচালায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য আ স ম হান্নান শাহর স্মরণসভায় ফখরুল এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, বিএনপি যাতে আগামী নির্বাচনে আসতে না পারে সে জন্য আওয়ামী লীগ নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার কূটনৈতিক ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে জাতীয় কনভেনশন আহ্বানের দাবি জানান ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে যেতে চাই, সে জন্য সকল দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন প্রয়াত আ স ম হান্নান শাহর ছোট ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে দুই মসজিদে হামলা : নিহত বেড়ে ৭২

আফগানিস্তানের দুটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এসব হামলা হয়।

দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, প্রথম আত্মঘাতী হামলাটি হয় রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিমদের একটি মসজিদে।

ওই মসজিদের মুসল্লি মাহমুদ শাহ হুসাইনি জানান, রাতে নামাজের সময় এক আত্মঘাতী হামলাকারী মসজিদে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব দানিশ জানান, কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলীয় দাশত-ই-বারচি জেলায় ইমাম জামান মসজিদে ওই হামলায় কমপক্ষে ৩৯ জন নিহত হয়। এই হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি বেশ কিছু হামলার শিকার হয়েছে শিয়া মুসলিমরা। বেশির ভাগ হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট তথা আইএস।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, দেশটির ঘোর প্রদেশের প্রাণকেন্দ্রে একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জন নিহত হয়।

বালখ প্রদেশের গভর্নর আতা মোহাম্মদ নূরের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় জমিয়ত পার্টির নেতাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

এই হামলাটিরও দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯ মাসের শিশুর ওজন ৩০ কেজি!

বয়স মাত্র ৯ মাস। আর ওজন ৩০ কেজি।
অবিশ্বাস্য শোনালেও এটাই বাস্তব মেক্সিকোর লুইস ম্যানুয়েলের জীবনে। এখনও ঠিক করে কথাও বলে উঠতে পারে না ছোট্ট শিশুটি। কিন্তু ক্রমাগত বেড়ে চলেছে তার ওজন। আর সেই সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে খিদে। সাধারণ শিশুদের থেকে প্রায় ছয় গুণ বেশি খাবার খায় লুইস। আর তাকেই পৃথিবীর সবচেয়ে ভারি শিশু বলে মনে করা হচ্ছে।

জানা গেছে, জন্ম থেকেই বিরল প্র্যাডার উইলি সিনড্রোমে আক্রান্ত লুইস। এমন শিশুদের ওজন জন্ম থেকেই বেশি হয়। সাধারণ শিশুর থেকে অনেক বেশি খিদে পায় এদের।
ফলে ওজনও সমানতালে বাড়তে থাকে। জন্মের কয়েকদিন পরই লুইসকে দুই বছরের শিশুর পোশাক পরাতে হয়েছে। এখন তার জন্য ৯ বছরের শিশুর পোশাক কিনতে হয় বলে জানিয়েছেন তার বাবা-মা। লুইসের খাবারের জন্যও প্রচুর অর্থ খরচ করতে হয় তাদের। এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়। অগত্যা পাড়া-প্রতিবেশীর সাহায্যের ভরসায় থাকতে হয়।

গবেষকদের মতে, জিনবাহিত রোগ প্র্যাডার উইলি সিনড্রোম। এর কোনও নিরাময় নেই। এই ধরনের শিশুদের আয়ু খুবই কম হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ওজনের ভার সইতে পারে না এদের শরীর। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। শতকরা প্রায় ৯০ শতাংশ। কিছুদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে স্থূলকায় মহিলা ইমান আহমেদ।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয় ইজিপ্টের আলেকজান্দ্রিয়ার বাসিন্দার। বহু চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা। লুইসের ক্ষেত্রেও তেমনটাই আশঙ্কা করছেন মেক্সিকোর চিকিৎসকরা। কিন্তু এখনও ছেলের বাঁচার আশা রাখছেন লুইসের বাবা-মা। ছেলেকে আরও ভালো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বে দূষণজনিত মৃত্যু সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে

বিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেট বলছে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী ৯০ লাখ মানুষ দূষণের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় বেশিরভাগ মৃত্যু ঘটেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে, যেখানে এক চতুর্থাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ ছিল দূষণজনিত।

দূষণ থেকে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে বাংলাদেশে। তালিকায় এরপর আছে আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া।

দূষণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ধরনের প্রভাব ফেলেছে বায়ু-দূষণ। দূষণজনিত মৃত্যুর দুই তৃতীয়াংশের পেছনে রয়েছে বায়ু-দূষণ।

দূষণজনিত মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম ব্রুনেই আর সুইডেনে।

দূষণজনিত মৃত্যুর বেশিরভাগ হয়েছে দূষণের কারণে সংক্রামক নয় এমন রোগে, যার মধ্যে রয়েছে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ফুসফুসের ক্যান্সার।

”দূষণের চ্যালেঞ্জ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের থেকেও বেশি। দূষণ জনস্বাস্থ্যের নানা দিকের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে,” বলছেন এই গবেষণায় জড়িত একজন বিজ্ঞানী, প্রফেসর ফিলিপ ল্যান্ড্রিগান, যিনি নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই-এ ইকান স্কুল অফ মেডিসিনে কাজ করেন।

বায়ু-দূষণ যা সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তাতে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে ৬৫ লাখ মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে বাইরে থেকে আসা দূষণ যেমন গ্যাস, বাতাসে দূষণ-কণা এবং ঘরের ভেতর কাঠ ও কাঠকয়লা জ্বালানোর ধোঁয়া।

এরপর যেটি সবেচেয়ে বেশি ঝুঁকি সৃষ্টি করছে সেটি হল পানি দূষণ, যার থেকে মৃত্যু হয়েছে ১৮ লাখ মানুষের। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রে দূষণ থেকে মারা গেছে ৮ লাখ মানুষ।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোতে। আর এর মধ্যে দূষণের একটা ব্যাপক প্রভাব পড়েছে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে যেসব দেশে যেমন ভারতে যে দেশ তালিকায় রয়েছে পঞ্চম স্থানে। চীনও রয়েছে এই তালিকায় ১৬তম স্থানে।

১৮৮টি দেশে দূষণের এই জরিপ ও গবেষণা চালানো হয়েছে।

গবেষণা যারা চালিয়েছেন তার বলছেন উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের স্থান তালিকায় ৫৫ নম্বরে এবং সেখানে ডিজেল থেকে দূষণের শিকার হচ্ছে বহু মানুষ।

তারা আরও বলেছেন অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোতে দূষণে মৃত্যুর হার বেশি এবং ধনী দেশগুলোর দরিদ্র জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

দুবছর ধরে চলা এই গবেষণায় বলা হয়েছে দূষণের সঙ্গে দারিদ্র, অস্বাস্থ্য এবং সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলোও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাবরি মসজিদের মতো গুঁড়িয়ে দেয়া হবে তাজমহল!

বাবরি মসজিদের মতোই ধ্বংস করা হতে পারে তাজমহলকেও। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান। বিজেপি এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী জানিয়েছিলেন, চুরি করা জমির উপর তাজমহল তৈরি হয়েছে। তারপরই এমন আশঙ্কা প্রকাশ করলেন উত্তরপ্রদেশের নেতা।

তাজমহল নিয়ে গত কয়েক দিনে অনেক বিতর্ক হয়েছে। বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোমের তাজমহলকে বিশ্বাসঘাতকদের তৈরি ও ভারতের ইতিহাসে কলঙ্ক হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তারপর থেকেই চরমে ওঠে বিতর্ক। প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঢেউ বয় গোটা দেশে। আজম খানই জানিয়েছিলেন, সঙ্গীত সোমের মন্তব্য মেনে নিতে হলে রাষ্ট্রপতি ভবনকেও ভেঙে ফেলতে হয়। কেননা সেটিও ইংরেজ শাসকদের তৈরি ও দাসত্বের প্রতীক।

একাধিক নেতা মুখ খোলার পরই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি জানান, তাজমহল ভারতের সন্তানদের ঘাম ও রক্তে তৈরি। কে তা নির্মাণ করেছিলেন সেটা বড় কথা নয়। কী উদ্দেশ্যে তা তৈরি হয়েছিল তাও বিচার্য নয়। এর পর বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালেন বিজেপি এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তিনি জানান, যে জমিতে তাজমহল তৈরি হয়েছে, তা আসলে সম্রাট শাহজাহান জয়পুরের রাজার কাছ থেকে হস্তগত করেছিলেন। সেই নথিও তার হাতে আছে বলে জানান তিনি। এরপরই আজম খানের আশঙ্কা, বাবরির পরিণতি হতে পারে এই সৌধের।

তার দাবি, রামমন্দিরের দাবিতে যদি বাবরি ভেঙে ফেলা হতে পারে, তাহলে তাজমহলের নিয়তিও একই হলে তিনি আশ্চর্য হবেন না। কিন্তু দেশে আইন-আদালত আছে। তারপরও ইউনেসকোর স্বীকৃতি পাওয়া এ সৌধকে কি মুছে ফেলা সম্ভব? আজমের যুক্তি, বাবরি কাণ্ডের সময়ও দেশে হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট ছিল। তারপরও তা ভেঙেই ফেলা হয়েছিল। সুতরাং তাজমহলের ক্ষেত্রেও সেই একই জিনিস হতে পারে বলে আশঙ্কা তার।

যদিও ইতিমধ্যেই বিজেপি জানিয়েছে দলীয় বিধায়ক সঙ্গীত সোমের মন্তব্যের সঙ্গে দল সহমত নয়। তাঁর কাছে এহেন মন্তব্যের কৈফিয়তও তলব করা হয়েছে। বার্তা দিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে কখনোই এগনো সম্ভব নয়। এরপরই তাজমহল, আগ্রা ফোর্ট-সহ বেশ কয়েকটি দ্রষ্টব্য স্থান ভ্রমণের কথাও ঘোষণা করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ একটি রামমন্দিরের ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল- এই যুক্তিতে উগ্রপন্থীরা সেটিকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest