সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে ফের ভূমিকম্প

উত্তর কোরিয়ার পুনগিয়ি-রি পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে ২ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ভূমিকম্পটি রিখটার স্কেলে ধরা পড়ে।

গত মাসের ২৩ তারিখে ওই অঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় উত্তর কোরিয়া। এর পর পরই সেখানে ৩ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বোমা বিস্ফোরণের ফলেই সৃষ্টি হয় ওই ভূমিকম্প।

তবে এবারের ভূমিকম্পটি প্রাকৃতিক না মানবসৃষ্ট, তা এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়া ভূমিকম্পটি স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিতভাবে কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ বিভাগও।

সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়, ভূপৃষ্ঠের তিন কিলোমিটার অভ্যন্তরে ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল। স্থানটি পুনগিয়ি-রি পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের উত্তরে অবস্থিত।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়া-চীন সীমান্তের কাছে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বিস্ফোরণের ফলেই ওই ভূমিকম্পটি সৃষ্টি হয়েছে দাবি করে উত্তর কোরিয়ার ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

বিভিন্ন সময়েই উত্তর কোরিয়ার পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের ফলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছে। ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় কোরিয়া। সে সময় ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বিগতগুলোর চেয়ে এবারের ভূমিকম্পটির মাত্রা তুলনামূলক কম ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ঐক্যের ডাক দিলেন সু চি

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় পরামর্শক অং সান সু চি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে সু চি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় নিয়ে কাজ করবে।

সু চি বলেন, তাঁর সরকার ‘বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের’ ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করেছে। তবে এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। কিন্তু সরকারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যারা ফিরবে, তাদের স্থায়ী প্রমাণ দিয়েই ফিরতে হবে। যদিও এ ধরনের প্রমাণপত্র খুব কম জনেরই আছে।

কয়েক দশক ধরে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে নতুন করে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ শুরু হলে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সীমান্ত পার হয়ে এখনো প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসছে।

জাতিসংঘ এই হত্যাযজ্ঞকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারের অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে কলেরার প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া কর্মসূচির প্রথম দিনেই ৮৮ হাজার রোহিঙ্গাকে টিকা দেওয়া হয়। আগামী সাড়ে তিন সপ্তাহে সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গাকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকাদানের দ্বিতীয় ধাপ আগামী নভেম্বরে শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে এক থেকে পাঁচ বছরের প্রায় আড়াই লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ এবং বেশ কয়েকটি এনজিওর সহযোগিতায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

মিয়ানমারের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন, রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মিয়ানমারে গিয়ে অবস্থান করছে। যদিও অনেক পরিবার জন্ম থেকেই মিয়ানমারের অবস্থান করছে। সু চি তাঁর বক্তব্যে দেশটির অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করলেও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি তিনি উচ্চারণ করেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরে নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনা’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা এর উদ্যোগে জয়তি ফাউন্ডেশেন এর অডিটেডিয়ামে সকালে যশোরের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকদের নিয়ে এক মতবিনিময় এর আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড.এম.এম.এ. হাসেম এ্যাডভাইজর কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সে সময় তিনি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়টি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে মানসম্মত উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ও দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে যশোর জেলার বিভিন্ন কলেজ ও পলিটেকনিক্যাল এর শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন, তারা এ বিশ্ববিদ্যালয় যেন উচ্চমানের শিক্ষা দিতে পারে সে বিষয়ে নানা পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড. নুরুন্নবী মোল্ল্যা, এ্যাডভাইজার ইলেকট্রনিকস এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম উপদেষ্টা অর্থনীতি বিভাগ, মাসুম মুরতাজা, সহকারী অধ্যাপক ব্যাবসা প্রশাসন বিভাগ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সি.এস.ই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো: রবিউল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা সিড্স প্রকল্প ও মিশন মহিলা সংস্থার সহযোগিতায় নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এমএ নাহারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু‘র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশন নবযাত্রা প্রকল্পের উপজেলা কো-অডিনেটর আশীষ কুমার হালদার, বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা সার্স এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ওবায়দুল হক, সুশীলনের উপজেলা কো-অডিনেটর হাবিবুর রহমান, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইসমাইল হোসেন, পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী জামিলা খাতুন, কিশোরী ক্লাবের সদস্য পান্না নাহার প্রমুখ। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, নারীদের সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সর্ব প্রথম বেগম রোকেয়া কাজ শুরু করেছিলেন। শুধু স্বাধীনতা অর্জন করলে হবে না সেটাকে ধরে রাখতে হবে। কালিগঞ্জ উপজেলাকে ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ বাল্য বিয়ে মুক্ত ঘোষনা করা হয়। বাল্য বিয়ে দেওয়ার কারণে কিছু কিছু যায়গায় বিয়ের আসরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা হানা দিয়েছে। কারো কারো জেল জরিমানা করা হয়েছে। দেশে প্রথম বারের মত ১২ অক্টোবর বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে। এফিডেভিটের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে ছেলে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার আইনগত কোন বৈধ্যতা নেই। এ বিষয়ে অভিভাবকসহ সকল মহলকে সচেতন হতে হবে। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাছখোলা ব্রিজের দু’ধারে গাছের চারা রোপণে অনিয়মের অভিযোগ !

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাছখোলা ব্রিজের দু’ধারে গাছের চারা রোপণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী জানান, সদ্য সমাপ্ত মাছখোলা ব্রিজে দু’ধার সংরক্ষণের জন্য টেন্ডার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সে অনুযায়ী টেন্ডার মাধ্যমে উক্ত চারা রোপণের কাজটি পান মাছখোলা এলাকার নূরুল ইসলাম ও আব্দুল হামিদ। কিন্তু চারা রোপনে নূরুল হামিদ কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করছেন না। সিডউল অনুযায়ী ব্রিজের দু’ধারের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪’শ চারা রোপনে কথা রয়েছে। কিন্তু দু’ধারে চারা রোপন করা হয়েছে ৪ থেকে ৫শ টি। চারা ক্রয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে চারা প্রতি ৪৬০ টাকা। কিন্তু যে সব গাছের চারা সেখানে রোপন করা হয়েছে তার মূল্য ১৫ থেকে ২০ টাকা। মাঝে মাঝে গাছের ডালপুতেও চারা হিসাবে চালিয়ে দিয়েছেন তারা। এছাড়া গাছের জন্য বাঁশের চাটাই দিয়ে যে খাচা তৈরি করার কথা ছিলো তাও দেওয়া হয়েছে কম মূল্যের। যে কারণে ব্রিজের ধারে রোপন করা চারাগুলোর একটি বেঁচে নেই। তারা বন বিভাগের কর্মকর্তা ও থানা ইঞ্জিনিয়ারকে ম্যানেজ করে এধরনের কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঠিকাদার নুরুল ইসলামের কাছে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি (সিও) বনবিভাগের কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন। তিনি বিস্তারিত জানেন।
উল্লেখ্য, উক্ত ঠিকাদার ব্রিজের দু’ধারে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে। স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করলে ইট উত্তোলন করে পুনরায় সংস্কার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মরা ছাগলের মাংস বিক্রয়ের অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মরা ছাগলের মাংস বিক্রয়ের অপরাধে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা গেছে- বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল রোডের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন তার দোকানে দু’টি মরা ছাগল নিয়ে রাখে। পরে ওই ছাগলের মধ্যে একটি ছাগল কেটে তা বাজারে বিক্রয় করার সময় স্থানীয় জনতা আটক করে পৌরসভায় খবর দেয়।
পরে পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর সুরেন্দ্র শেখর সাহা কাজল ওই মাংস জব্দ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন তাৎক্ষনিক ওই স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযুক্ত ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
অভিযুক্ত মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন পৌরসদরের তুলশীডাঙ্গা গ্রামের মৃত আ. মান্নান সরদারের ছেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাশকতার পরিকল্পনাকালে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষকসহ ৭ জামায়ত নেতা-কর্মী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনাকালে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক ও জামাত নেতা প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম বাপ্পীসহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের চৌরঙ্গী মোড় এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর আলম খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার কালনা গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে। তিনি বর্তমানে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল চৌরঙ্গী এলাকায় বসাবাস করেন। তিনি সাতক্ষীরা সিটি কলেজের দর্শণ বিভাগের প্রভাষক।
গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের আব্বাসউদ্দিনের ছেলে আকরামুজ্জামান (৫৫), একই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মাসুম বিল্লাহ (২৪), একই উপজেলার আমতলা বল্লী গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে মিজানুর রহমান পিকলু (৪৫), বালিয়াডাঙা গ্রামের পরান সরদারের ছেলে আবু তালেব সরদার (৫৩), ওয়ারিয়া গ্রামের বাবর আলী শেখের ছেলে আলতাফ হোসেন (৪০) ও শহরের রসুলপুরের আইয়ুব আলী গাজীর ছেলে সোহরাব হোসেন (৪০)।
এদিকে পুলিশ জাহাঙ্গীর আলম বাপ্পিকে গ্রেফতারের পর তার ঘনিষ্ঠ কলেজ প্রশাসন ও সরকারদলীয় নেতাদের একটি চক্র কলেজের জামায়াতপন্থী কয়েকজন শিক্ষককে দিনভর দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, জামায়াত বৃহষ্পতিবার দেশব্যাপী হরতাল ডাকে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের পলাশপোল চৌরঙ্গী এলাকায় বিশেষ টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় ওই এলাকায় হরতাল উপলক্ষ্যে নাশকতা সৃষ্টির পকিল্পনা করছিল জামায়াত শিবিরের লোকজন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় সিটি কলেজের প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম বাপ্পিসহ(৪০) সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে স্থানীয় একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর আলম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় ছাত্র শিবিরের নেতৃত্ব দিতেন। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে জামায়াত শিবিরের নাশকতার সময় আইএফআই ব্যাংকে তার নিজ হিসাব নম্বর দলীয় টাকা জমা ও খরচ করার জন্য ব্যবহার করা হতো। যুদ্ধাপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় কারাগারে আটক জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেকের সুপারিশে তিনি সিটি কলেজের প্রভাষক পদে নিয়োগ পান। এরপর থেকে তিনি নিজেকে কৌশলে আড়ালে রেখে জামায়াতের কর্মকা-কে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় উপপরিদর্শক হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে বৃহষ্পতিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বিধবাকে ধর্ষণ ও মারপিটে মৃত্যুর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামে চাচিকে ভাতিজা মারধর ও ধর্ষণ করায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় আনোয়ারা বেগম (৪৫) নামের এক বিধবার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে তার পরিবারের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার আনোয়ারা মৃত্যুর আগে ২৪শে সেপ্টেম্বর নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ দিয়ে ভাতিজা আব্দুর রহমানসহ ৫ জনরে বিরুদ্ধে র‌্যাব-৬ খুলনাতে একটি অভিযোগ করেন বলে জানা যায়। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ইশ্বরীপুর ইউনিয়নের আবাদ চন্ডিপুর গ্রামের মৃত মোহম্মাদ আলী গাজীর মেয়ে ও কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের কাছারিপাড়া গ্রামের মৃত হাফিজুর মুন্সীর স্ত্রী। র‌্যাবের কাছে দেয়া অভিযোগের কপি ও বিধবার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৌতলা গ্রামের হাফিজুর মুন্সীর সাথে আনায়ারা বেগমের ২য় বিয়ে হয়। ৫ বছর আগে আনোয়ারাকে নিঃসন্তান রেখে তার স্বামী মারা যায়। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ঢাকায় বসবাসরত তার ছোট দেবরের মৌতলায় অবস্থিত বাড়িতে বসবাস করত সে। কয়েক মাস আগে তার ছোট দেবরের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৫) ব্যবসার কাজে মৌতলয় তাদের বাড়িতে অবস্থান করছিল। এসময় তার অসহায় চাচি আনোয়ারাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিত সে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় তাকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করত সে। ২৪ শে সেক্টেম্বর বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে রহমান চাচিকে একা পেয়ে রুমের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায় সে চিৎকার করলে বেধরক মারপিট করে এসময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে আনোয়ারা। এসময় রহমান ও তার খালাত ভাই ফারুক হোসেন তাকে ধর্ষণ করে। এরপর সকালে জ্ঞান ফিরলে আশে পাশের মানুষের কাছে এবং তার পরিবারে মানুষের সাথে তার দেবরের ছেলে রহমান ও ফারুক রাতে তাকে ধর্ষণ ও অমানবিক শারিরীক নির্যাতনের বিবরণ দেয় ।তার মাথায় ফোলা সহ শরিলের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহৃ দেখায় এলাকার মহিলাদের। এসময় মারাত্বক অসুস্থ অবস্থায় তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এলাকা বাসী। সে খানে যেয়ে তার পরিবারের মানুষের সহযোগিতায় অভিযোগ করেন র‌্যাব ৬ এর অধিনায়ক বরাবর মৌতলা গ্রামের দেবর আছানউল্লা মুন্সির ছেলে আব্দুর রহমান(৩৫), লালু শেখের ছেলে ফারুক (৩৫) উপর ধর্ষনের অভিযোগ এবং মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে বাবু মুন্সি (৭০) তার স্ত্রী লূতফার নেছা (৬৫), ও মিলন মুন্সির স্ত্রী সাহানা বেগমের (২৭) উপর শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগে এনে র‌্যাবের দপ্পরে বিচার প্রর্থনা করে। এরপর তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শ্যামনগর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার শারিরীক অবস্থার অবনতির কারনে তাকে রবিবার তার বাবার বাড়ি নিয়ে আসে স্বজনরা। নির্যাতনের শিকার আনোয়ারা বেগম নির্যাতনকারী এবং ধর্ষনকারীদের বিচার না দেখেই অবশেষে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় সময় মৃত্যুর কাছে পরাজিত হয়। এবিষয়ে আনোয়ারার ছোট ভাবি ও স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন তার ননদকে রহমান ও ফারুক ধর্ষণ করে ছিল এবং অন্যরা তাকে বেধরক মারপিট করায় অসুস্থ অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। রহমান ও ফারুকের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে থানায় অভিযোগ ছাড়া বাবার বাড়িতে বুধবার দুপুরে আনোয়ারার দাফন সম্পন্ন করেছে তার স্বজনরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্ষক রহমান বলেন আমি মারধর করেছি কিন্তু ধর্ষণ করিনি আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এদিকে চাচিকে মারধর ও ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ময়নাতদন্ত করালে মৃত্যুর আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করছে এলাকার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest