সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়া

জেলে সারাক্ষণ ‘হানি হানি’ চিৎকার রাম রহিমের!

রাম রহিম যখন জেলে যান, তখন তিনি হানিপ্রীতকে তার সঙ্গে থাকতে দেয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হানি নাকি তার ফিজিওথেরাপিস্ট।
জেলে রাম রহিম কথা বলার জন্য যে দু’টি ফোন নাম্বার ছিল, তার মধ্যে একটি হানিপ্রীতের। গত ৪০ দিন ধরে ওই নাম্বার বন্ধ। পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছিল, হানিপ্রীতের ফোন হারিয়ে গেছে। তাই হানিপ্রীতকে ফোনে না পেয়ে জেলে সারাক্ষণ রাম রহিম ‘হানি হানি’ করে চিৎকার করছেন।

জানা যায়, বাবা’র কোমরে ব্যথা হচ্ছে খুব। হানিপ্রীতের তা একেবারেই সহ্য হচ্ছে না। তাই যে ভাবেই হোক বাবার সঙ্গে তাকে দেখা করতেই হবে। এমনই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন হানিপ্রীত ইনসান। ডেরা প্রধান রান রহিম ইনসানের দত্তক কন্যা হানিপ্রীত আপাতত পুলিশের হেফাজতে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জেলের মধ্যে বাবাকে খুব মিস করছেন হানি। বাবার সঙ্গে দেখা করার জন্য চেষ্টার কোন কসুর করছেন না। তিনি তো এও বলেছেন, বাবার নাকি পিঠে খুব ব্যথা। পিঠে ম্যাসাজ দিতে দেওয়ার জন্য অন্তত তাকে যেতে দেওয়া হোক।

গত ৪দিন ধরে হানিপ্রীতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মহিলা পুলিশ। তাদেরই নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন হানিপ্রীত। এমনকি তাকে পরীক্ষা করতে আসা লেডি ডাক্তারকেও বাদ দেননি। তাঁকেও বলেছেন তিনি বাবার সঙ্গে দেখা করতে চান। থানায় তো একথা এখন সকলেই জানে। চাউর হয়ে গেছে বাবার স্মৃতি ছাড়া একটা মুহূর্তও কাটতে চায় না হানিপ্রীতের। তার উপর তিনি জানিয়েছেন বাবার নাকি কোমরে ব্যাথা। উনি খুব কষ্টে আছেন। তাই বাবার সঙ্গে দেখা করতে চান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় প্রধান শিক্ষককে জখমের ঘটনায় মামলা

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের পাইথালী বাজারে ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন সানা কতৃক পাইথালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামকে মারপিট ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উপজেলার শিক্ষক সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। থানায় দায়েরকৃত এজাহারে সূত্রে জানাগেছে, বুধহাটা ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন সানা প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামের কাছে স্কুলের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ করতে গেলে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিল। গত ৭ অক্টোবর নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে স্কুলে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হয়। ঐ দিন দুপুরে তিনি স্কুলে গিয়ে চাঁদার টাকা দাবী করলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে টাকা দিব কি করে বললে, তিনি হুমকী দিয়ে চলে যান। এদিন সন্ধ্যায় প্রধান শিক্ষক বাজারে গেলে মেম্বার প্রধান শিক্ষককে পথ আটকে টাকা দাবী করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে শিক্ষককে বেদম মারপিট করা হয়। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে রাতেই আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত শিক্ষক বাদী হয়ে থানায় এজাহার (নং ৪ তাং ৭/১০/১৭) রুজু করেন। শিক্ষককে প্রকাশ্য বাজারে নির্মম ও চরম অমর্যাদাকর অবস্থায় মারপিটের ঘটনায় শিক্ষক সমাজ ও এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রশাসনের নিকট আসামীকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও সচেতন মহাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশের পিটুনিতে আসামির চাচা নিহত, পুলিশ অবরুদ্ধ

এক আসামিকে ধরতে গিয়ে কালাই থানা পুলিশের অমানবিক পিটুনিতে আসামির চাচা সাইদুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘিরে রেখেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী রুমা খাতুন জানান, জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামে সোমবার ভোরে কালাই থানা পুলিশের এসআই আসাদ ও রফিকুলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হারুঞ্জা গ্রামের শাহপাড়ায় নারী নির্যাতন মামলার আসামি শাপলাকে ধরতে যায়। এসময় পুলিশ বাড়ি ঘেরাও করে খোঁজাখুজি করতে থাকে। এ নিয়ে পুলিশের সাথে বাড়ির লোকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে প্রতিবেশী ও তার চাচা সাইদুর রহমান এগিয়ে এসে পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

এর জেরে সাইদুরকে পুলিশ বেদম প্রহার করে। এতে ঘটনাস্থলে সাইদুরের মৃত্যু হয়। সাথে সাথে পুলিশ সাইদুরকে চিকিৎসার কথা বলে হাসপাতালে আনে। এ সকাল সাড়ে ৮টায় রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হাসপাতালের মধ্যে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

কালাই থানার অফিচার্জ ইনচার্জ নূরুজ্জামান চৌধুরী মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান (৪৭) নামের এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। সে সাতক্ষীরা সদর থানার পুরাতন সাতক্ষীরা বদ্দিপুর কলোনীর আব্বাস আলী সরদারের ছেলে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণনগর বাজারের সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, গাঁজা বিক্রি হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৯‘শ গ্রাম গাঁজাসহ মোস্তাফিজকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশ। এসময় তার কাছে থাকা শপিং ব্যাগের মধ্যে মবিলের পটের ভেতর হলুদ রংয়ের টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৯‘শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মাদকদ্রব্য আইনে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল। অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক বলেন, মাদকের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা দেশ ও জাতির শত্রু। মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি মাদকদ্রব্য নির্মূলে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে যশোরে বাড়ি ঘেরাও

যশোরের ঘোপ নোয়াপাড়া রোড জামে মসজিদের পেছনে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি দোতলা বাড়ি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রবিবার রাত ২টা থেকে বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে রেখেছে বলে জানা গেছে।
বাড়িটির মালিক যশোর জেলা স্কুলের শিক্ষক হায়দার আলি। যশোর কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাড়ির মালিক হায়দার আলি জানান, তার বাড়িতে দু’টি পরিবার ভাড়া থাকে। তিনি পাশের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। রবিবার দিবাগত রাত ৪ টার দিকে তিনি তার আত্বীয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন যে, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে তার বাড়িটি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের সাথে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি তাতে করে তার বাড়ির পশ্চিম পাশের ভাড়াটিয়া মশিউর রহমান ও তার পরিবারকে সন্দেহ করছে পুলিশ। মশিউর রহমান তার স্ত্রী ও ৩ সন্তান নিয়ে সেখানে ভাড়া থাকতেন। তিনি একটি হার্বাল কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমুর রহমান (ক সার্কেল) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সোমবার ভোর ৫টার দিকে এএসপি মাহবুবের নেতৃত্বে সোয়াটের একটি টিম যশোরে এসে পৌঁছেছে। টিমটি ইতোমধ্যে ওই এলাকা পরিদর্শনও করেছে। যেকোনো সময় অভিযান শুরু হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রতনপুর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদ বিক্ষোভ

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে রতনপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে রতনপুর পূজা মন্ডপের সভাপতি মৃত হরিপদ ঘোষের ছেলে পল্লী চিকিৎসক পিনাক কুমার ঘোষ, রতনপুর বাজারের ব্যবসায়ি ও পুজা কমিটির উপদেষ্টা মৃত গৌরপদ বিশ্বাসের ছেলে দিলিপ বিশ্বাস, মৃত পুলিন বিষ্ট ঘোষের ছেলে পল্লী চিকিৎসক তপন ঘোষ, রতনপুর পুজা মন্ডপ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার সরকার, দেবব্রত মল্লিক, কিশোরী মোহন মন্ডলসহ একাধিক বক্তা বলেন, “আমাদের চেয়ারম্যান একজন ভাল মানুষ। ঐদিনে ঘটনায় চেয়ারম্যানের কোন দোষ আমরা খুজে পাইনি। আমাদের গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা বিধবা মহিলা ইতিপূর্বে একইভাবে আরো দুই ব্যক্তির নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। এই মহিলা মিথ্যা মামলা দিয়ে অনেক মানুষকে হয়রানি করেছে ও করছে। যে মহিলাকে দিয়ে চেয়ারম্যানের নামে এই ধরণের মামলা করা হয়েছে এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। ওই দিন চেয়ারম্যান ছিলেন বাড়ির পাশে স্কুলের একটি মিটিংয়ে। চন্ডিতলা গ্রামের একটি ছেলে এসেছিল চেয়ারম্যানের কাছে নালিশ জানাতে। ছেলেটিকে পল্লী চিকিৎসক তারাপদ মন্ডলের ছেলে সুদেব মন্ডল ও তার জামাতা বিশ্বনাথ মন্ডলের ছেলে তপন মন্ডল দুজনে মিলে চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে রাস্তার উপর মেরে রক্তাক্ত করেছিল। এ খবর চেয়ারম্যানের কাছে পৌছানোর পর তিনি গ্রাম পুলিশকে বলেন তাদের আটকে রাখতে। কিছুক্ষণ পর চেয়ারম্যান বাড়িতে ফিরে তুচ্ছ ঘটনার বিষয়টি উভয় পক্ষকে নিয়ে মীমাংসা শেষে বাড়িতে পাঠানো হয়। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে চেয়ারম্যানের আশরাফুল হোসেন খোকনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একই ইউনিয়নের কাশিশ্বরপুর গ্রামের বিশ্বনাথ মন্ডলের কন্যা স্বামী পরিত্যক্তা কল্পনা মন্ডলকে বাদি করে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী-২ আদালতে চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের নামে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মুলক মামলা দায়ের করে। এদিকে বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নিদ্দের্শ দেয়। বক্তারা আরো বলেন, আমাদের সামনেই ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে। গত নির্বাচনে সকলের ভোটে সে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। তার চরিত্র, সততা ও দক্ষতাই আজ তাকে এই জায়গায় পৌছে দিয়েছে। আমরা ইউনিয়ন বাসি প্রশাসনের কাছে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে আমরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবো।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যৌনতার জন্যই ট্রাম্পের সঙ্গে বিয়ে ভাঙে প্রথম স্ত্রী‌ ইভানার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিয়ের পরেও প্রকাশ্যেই অন্য নারীর সঙ্গে যৌন আনন্দের কথা বলেছিলেন। কিন্ত সেটা মেনে নিতে পারেননি ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানা।
পরিণামে ভেঙে যায় বিয়ে। ১৯৭৭ সালে ইভানার সঙ্গে বিয়ে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ১৯৯২ পর্যন্ত টিঁকে ছিল সেই বিয়ে।

ট্রাম্পের বিচিত্র যৌনতা নিয়ে কম চর্চা হয়নি। সম্ভবত আরও একটু যৌনতার খোরাক যোগাবে ইভানার লেখা বই ‘‌রেইজিং ট্রাম্প’‌। খুব শীঘ্রই বাজারে আসছে। তারই অংশবিশেষ প্রকাশিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। ১৯৮৯ সালের কথা। মার্লা ম্যাপেল নামে এক নারী ইভানার কাছে এসে বলেন, ‘‌আমি তোমার স্বামীকে ভালবাসি। তুমিও কি ভালবাসো?‌’‌

মার্লা ম্যাপেলের এমন কথায় অবাক হয়ে যান তিনি। সাদা চুলের সেই নারীকে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হয়নি। সে সময় নিউ ইয়র্কের ট্যাবলয়েডগুলো ট্রাম্পের বক্তব্যে হেডলাইন করে ‘‌শ্রেষ্ঠ যৌন আনন্দ আমি উপভোগ করেছি’‌ নামে। ইভানার সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে ম্যাপেলকে বিয়ে করেন ট্রাম্প।

ইভানা নাকি দাবি করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে তাকে চেক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ‘‌ভাল আছি’‌ জানিয়ে সে প্রস্তাব ফেরান ইভানা। তবে এই নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস।

উল্লেখ্য, ইভানা ও ট্রাম্পের তিন সন্তান হলো ডোনাল্ড জুনিয়র, ইভাঙ্কা এবং এরিক। বিচ্ছেদের পরে জুনিয়র নাকি ট্রাম্পের সঙ্গে এক বছর কথা বলেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ওই ওড়নাতেই চলে গেল স্বর্ণা’

ছোট একটা ঘর। বিছানার ওপর ঝুলছে কাপড়ে বানানো একটা টিয়াপাখি। সাদা দেয়ালে রূপকথার রাজকুমারীর ছবি আঁকা। বুদ্ধিমান কার্টুন চরিত্র ডোরেমনও আছে। ফ্যানটা কিছুটা কালচে হয়ে গেছে। বোঝাই যায়, বেশ কয়েকদিন মোছা হয়নি। ওই ফ্যানেই ঝুলে ছিল কিশোরী স্বর্ণার নিথর দেহ!

স্বর্ণার গলায় প্যাঁচানো ছিল ওড়না। স্বর্ণার বাবা সুব্রত বর্মণ বলেন, ‘ওর আবদার ছিল এ রকম ওড়নার। আমি সিঙ্গাপুর থেকে এনেছিলাম। ওই ওড়না পেঁচিয়েই ও চলে গেল।’

স্বর্ণার আসল নাম অপূর্বা বর্ধন স্বর্ণা। গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডের নিজেদের বাসা থেকে স্বর্ণার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। মেধাবী ছাত্রী স্বর্ণা পড়ত হলিক্রস স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে।

স্বর্ণার বাবা সুব্রত বর্ধন একজন আইনজীবী। তিনি জানান, মেয়ের লাশ উদ্ধারের দিনই শুনতে পান ‘ব্লু হোয়েল’ নামের একটি সোশাল মিডিয়া নির্ভর গেমসের কথা। তিনি দাবি করছেন, ওই গেমসে অংশ নিয়েই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে তাঁর মেয়ে।

অভিযোগ উঠেছে ব্লু হোয়েল গেমসটি এতে অংশগ্রহণকারীদের আত্মহত্যা প্রবণ করে তোলে। বিশ্বের একাধিক দেশে এ গেমসে অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগও আছে।
স্বর্ণার লেখা ‘সুইসাইড নোটে’ ওই গেমসের একটি চিহ্ন আঁকা ছিল। এ ছাড়া ওর পায়েও এ ধরনের চিহ্ন আঁকা ছিল।
স্বর্ণার ঘরে বসেই মেয়ে সম্পর্কে বলছিলেন সুব্রত। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের মুখে কোনোদিন আমি এই গেমটির নাম শুনি নাই। কিন্তু মারা যাওয়ার দিন আমি এ সম্পর্কে শুনি। বাসায় ভিড়ের মধ্যে থেকে কেউ একজন বলে মনে হয় স্বর্ণা ব্লু হোয়েল গেমসে আসক্ত ছিল। আমার তো কোনো কিছুর অভাব নেই, যখন যেটা চাচ্ছে তখন সেটাই পাচ্ছিল। আমি তাঁর মধ্যে কোনো পরিবর্তন দেখি নাই। কেবল লক্ষ করতাম যে, রাত জেগে সে ফোন ব্যবহার করত। আর কিছু দিন থেকে ও শুধু ছাদে যেতে চাইত।’
সুব্রত বলেন, ‘ছাদে ও একা একা ঘুরত। এমনকি হঠাৎ হঠাৎ করে ওর ছাদে যাওয়ার নেশা উঠত, বলত পাপা কি সুন্দর আকাশে চাঁদ উঠছে চল ছাদে যাই। রাত ১১টার পরে অনেক বার আমি নিজেই তাঁকে ছাদে নিয়ে গেছি। পূর্ণিমার চাঁদ তাঁর খুব পছন্দ ছিল।’
বৃহস্পতিবারের ঘটনা নিয়ে কথা বলেন সুব্রত। তিনি বলেন, ‘স্বর্ণার ঘরের লক লাগানো থাকত না। ওই দিন ভোর ৬টার দিকে ওর মা ঘুম থেকে ওঠার পরে তাঁর রুমের লক লাগানো দেখতে পায়। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে সে চাবি দিয়ে দরজা খোলে। এরপর দরজা একটু খানি খুলেই মেয়েকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় নাইলনের ওড়নায় পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে ওর মা। আমি গিয়ে দেখি, খাটের উপর বসানো একটি চেয়ার পড়ে আছে। চেয়ারটি খাটের পশ্চিম পাশে নিচে পড়লেই কাজের মেয়েটি জেগে উঠত। তা যাতে না হয় এবং কোনো শব্দ যাতে না হয় সে জন্য বিছানার ওপর ফেলা হয়েছে চেয়ারটি।’

সুব্রত বলেন, ‘আমি দ্রুত ওড়না কেটে মেয়েকে নিচে নামিয়ে খাটের উপরে শুয়ে দেই। ওর জিহ্বা বের করা ছিল, আর চোখগুলো কেমন ভাবে যেন তাকানো অবস্থায় ছিল। আর এই ওড়না আমি সিঙ্গাপুর থেকে কিনে এনেছিলাম।’

সুব্রত কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমার মেয়ে সাজতে অনেক পছন্দ করত। ও একটি ওড়না চেয়েছিল, যা ও সব ড্রেসের সঙ্গে পরতে পারবে। আমি সিঙ্গাপুর থেকে ওই ওড়না এনে দেই। ওই ওড়নাতেই সে চিরতরে চলে যাবে এমন জানলে কখনোই আনতাম না ওই ওড়না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest