সর্বশেষ সংবাদ-
আদালতের আদেশ অমান্য করে বাঁশদহে পৈত্রিক জমি জবর দখলের অভিযোগবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার বর্ধিত সভা  চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীজাকজমক পূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ভাই ভাই ট্রেডার্সের হালখাতানিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিমসাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন  সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী সাইকেল র‌্যালিসাতক্ষীরায় ৩ শতাধিক দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিএনপির বিনামূল্যে সবজি বিতরণবল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনশাখরা কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন

দেবহাটায় ডিজিটাল হাজিরায় বিদ্যালয়ে বেড়েছে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : জেলার প্রথম শতভাগ ডিজিটাল হাজিরার আওতায় দেবহাটা উপজেলা। বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে প্রাথমিকস্থর থেকে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যববহারের সাথে সাথে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। আর এতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে আধুনিকায় পদ্ধতির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে। যার ধারাবাহিকতায় শ্রেণি কক্ষে মাল্টিমিডিয়ায় ক্লাস নেওয়ার পাশাাশি নতুন যোগ হচ্ছে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা। যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হাজিরা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি উপস্থিতর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্যে করছে। সেই সাথে ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা কমিয়ে উপস্থিতির সংখ্যা বাড়াচ্ছে। পাঠদান ও সহজ পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে মাল্টিমিডিয়ায় ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রথামিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি এখন মোবাইল ব্যাংক শিওর ক্যাশের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের ভোগান্তি পাশাপাশি বাড়তি সময় কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এমনকি বছরের প্রথম দিন শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে সক্ষম হয়েছে বর্তমান সরকার।
তারই ধারাবাহিকতায় দেবহাটা ঝরে পড়া রোধে গত ২৩ অক্টোবর সোমবার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে দেবহাটায় ডিজিটাল হাজিরা উদ্বোধন করেন। পরে উপজেলা ২৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন এবং ৬০ প্রাথমিক বিদ্যলয়ে ১৯ ইঞ্চি মনিটর, ১৬জিবি পেনড্রাইভ বিতরন করা হয়।
ডিজিটাল হাজিরার বিষয়টি নিয়ে দেবহাটা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী তামান্না ইসলাম, ৪র্থ শ্রেণির লতা বিশ্বাস ও দেবজ্যেতি জানায়, প্রথমে ডিজিটাল হাজিরা দিতে তারা ভয় পেলেও বর্তমানে নিজেরা হাজিরা দিতে পারে। এতে তাদের ভিতর অনেক আনন্দ ও উৎসাহ কাজ করে। এমনকি সকাল হলে ডিজিটাল হাজিরা প্রদানের আনন্দে সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে আসে। তাদের ভিতর নতুন শক্তি ও সাহস সঞ্চয় হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ বলেন, শিক্ষদের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীরা সময়মত বিদ্যালয়ে আসেন। কেননা জিডিটাল হাজিরায় কোন লুকোচুরি করার সুযোগ নেই। এতে করে অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের সময়মত বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তাতে বেড়েছে উপস্থিতির সংখ্যা।
এদিকে পারুলিয়া জেলিয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিত ঘোষ জানান, আমার বিদ্যালয়ে ৪ শতাধীক ছাত্র-ছাত্রীর জন্য একটি হাজিরা মেশিন হওয়ায় শিশুদের মধ্যে প্রতিযোগীতা চলতে থাকে। যাতে হাজিরা প্রদানে সময় বিলম্ব হচ্ছে। আরো একটি মেশিনের ব্যবস্থা করা হলে হাজিরা প্রদানে সময় নষ্ট কমানো সম্ভব হবে বলে দাবি করেন তিনি।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ জানান, ডিজিটাল হাজিরার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রাথমিক স্থর থেকে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করছে। সাথে সাথে সময়ের মূল্য ও নিয়মনীতি সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে। আগামী প্রজন্মকে সু-শিক্ষিত করতে বর্তমান সরকারের এটি একটি মহত উদ্যোগ। তিনি আরো বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিশুদের দৈনিক হাজিরা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জিডিটাল পদ্ধতিতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সময় উপযোগী পদক্ষেপ এই ডিজিটাল হাজিরা। সাতক্ষীরার প্রথম দেবহাটা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সুশৃংঙ্খল ভাবে শতভাগ ডিজিটাল হাজিরার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এমনকি আমার অফিসেও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ডিজিটাল হাজিরার আওতায় নিয়ে এসেছি। আগামীতে উপজেলার প্রত্যেকটি দপ্তর ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এই হাজিরার আওতায় এনে প্রধান মন্ত্রীর স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে করতে নিরালস ভাবে কাজ করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বেতনা নদী বাঁচাও’ দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : ‘মরা নদী বেতনা বাঁচাও’ দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সাতক্ষীরা জেলা সম্মিলিত ঐক্য পরিষদ। নদী তীরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার দাবিও করেছেন তারা।
সোমবার সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে বক্তারা বলেন, বেতনা নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় তীরবর্তী চারটি ইউনিয়নের ৭০ টি গ্রামের মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়েছে। প্রতিবছর তারা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে। সব ফসল তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে। এর প্রভাব পড়েছে মানুষের আর্থ সামাজিক জীবনের ওপর। বেকার হয়ে পড়ছে শত শত মানুষ। এরই মধ্যে বেতনার তীর জুড়ে গড়ে উঠেছে ইট ভাটা। এতে পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিশুরা বৈরী পরিবেশের শিকার হচ্ছে।
অবিলম্বে বেতনা নদী খনন করে পানি প্রবাহ স্বভাবিক করার দাবি জানিয়ে তারা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবদুস সামাদ, আবিদুর রহমান, কওছার আলি, শাহজাহান গাজি, আবদুর রশীদ, মফিজুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৪ ভুয়া চিকিৎসককে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় প্রতারণার মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চক্ষু চিকিৎসা সেবার নাম করে মোটা অংকের অর্থ আদায়ের অভিযোগে চার ভুয়া চিকিৎসককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপার্দ করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ২ টার দিকে সদর উপজেলার ব্রম্মরাজপুর বাজার থেকে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশে সোপার্দ করে।
আটককৃতরা হলেন, ক্যাম্প ডাইরেক্টর এসকে আবু তালাহ সবুর, মো: মিজানুর রহামনা ও মার্কেটিং অফিসার ফয়সাল আহমেদ আহমেদ রনিসহ চার জন।
স্থানীয় ইউপি মেম্বর রেজাউল করিম মিঠু ও সাবেক ইউপি মেম্বর অজিয়ার রহমান জানান, রোববার সারাদিন ধুলিহর ও ব্রম্মরাজপুর বাজার এলাকায় মাইকিং করে বলা হয় ঢাকা নিউ লায়ন্স চক্ষু হসপিটালের ব্যাবস্থাপনায় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। সোমবার ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলে যথারিতি চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। প্রথমে রুগি প্রতি ৩০ টাকা ফিস নিয়ে এই সেবা দেওয়া হবে বলে তারা জানায়। এরপর ঔষধ ও চশমা বাবদ জন প্রতি ৫’শত থেকে ৬’ শ টাকা নেয়া হবে।
মেম্বর রেজাউল করিম মিঠু আরও জানান, ১৫ দিন আগে এই প্রতারক চক্রটি ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদে এসে এশিয়া ডিজিটাল আই হসপিটালেন নাম করে চিকিৎসা দিয়ে যায়। সেখান থেকে তার প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, ধুলিহর গ্রামের মৃত জামালউদ্দিনের ছেলে সুজাউদ্দিনের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় জনতাকে নিয়ে সেখানে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হয় তারা কোন মেডিকেল থেকে পাশ করেছেন এবং সিভিল সার্জনের অনুমতি আছে কিনা। এতে তারা কোন সদুত্তর দিতে না পারায় তাদেরকে সদর থানা পুলিশে সোপার্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, প্রতারক চক্রটি সুজাউদ্দিনকে ঢাকায় পাঠিয়ে লেন্স লাগোনোর নাম করে চিকিৎসা তো দেয়নি বরং তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা প্রতারনা করে নিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। তিনি জানান, জেলায় চারটি প্রতারক চক্র এমন কাজ করছে। যারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেয়ে সাধারন মানুষকে ঠকিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ চারজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ইন্টারনেটে ভিডিও প্রকাশ, লম্পট আটক

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে তা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এক লম্পট যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের নাটুয়ার বেড় নামক গ্রাম থেকে লম্পট নাজমুল হককে (২২) আটক করা হয়। সে ওই গ্রামের হান্নান মল্লিকের ছেলে।
পুলিশ ও ভিকটিমের স্বজনরা জানান, নূরনগর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণির ছাত্রী ও নাটুয়ার বেড় গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ের সাথে একই এলাকার নাজমুল হকের সাথে ৪ মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাজমুল ওই ছাত্রীর সাথে একাধিক বার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং অন্তরঙ্গ মুহুর্তগুলো ভিডিও ধারণ করে। কয়েক দিন আগে তাদের মধ্যে এ নিয়ে মন মালিন্য হলে ওই ধারনকৃত ভিডিও ইন্টানেটে ছেড়ে দেয় বখাটে নাজমুল। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে গত (৫ নভেম্বর) রোববার ধর্ষক নাজমুলের বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নংÑ৩। এর পরদিন সোমবার ভোরে পুলিশ ধর্ষক নাজমুলকে তার বাড়ি থেকে আটক করে।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক জানান, আটক নাজমুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণসহ মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। তিনি আরো জানান, ধর্ষক নাজমুলকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সাথে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে ৮ আট জেলে অপহরণ

আসাদ্জ্জুামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে মুক্তিপণের দাবিতে আট জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জোনাব বাহিনীর সদস্যরা। সোমবার ভোরে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া নদী সংলগ্ন ধানঘরা খালে মাছ ধরার সময় তাদের অপহরণ করা হয়।
অপহৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামে আফসার গাজীর ছেলে ইমরুল গাজী, খালেক গাজীর ছেলে সামাদ গাজী, ফনি গাজীর ছেলে সেলিম গাজী, হালিম গাজীর ছেলে ডালিম গাজী, ধুমঘাট গ্রামের সুরত আলীর ছেলে রহমান, কালিঞ্চী গ্রামে মৃত নুর আলী গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম, সাকাত গাজীর ছেলে মুজিবর গাজী ও বৈশখালী গ্রামে জিন্দার গাজীর ছেলে রহমান গাজী।
অপহৃত জেলেদের বরাত দিয়ে গাবুরা ইউনিয়নের প্রাক্তন ইউপি সদস্য ফিরোজ আহমেদ জানান, সুন্দরবনের কলাগাছিয়া নদী সংলগ্ন ধানঘরা খালে মাছ ধরার সময় বনদস্যু জোনাব বাহিনীর সদস্য উক্ত ৮ জেলেদের অপহরণ করে মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
এ ব্যাপারে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা বেলাল হোসেন জানান, জেলে অপহরনের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে অস্ত্র ও গুলিসহ বনদস্যুকে আটক

আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বড়কেয়াখালী খাল থেকে দুটি অস্ত্র ও গুলিসহ এক বনদস্যুকে আটক করেছে র‌্যাব। সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলাধীন খোলপেটুয়া নদী সংলগ্ন সুন্দবনের বড়কেয়াখালী খাল থেকে র‌্যাব ৮ এর সদস্যরা তাকে আটক করে। আটক বনদস্যুর নাম শরিফুল ইসলাম (২৫)। তিনি শ্যামনগর উপজেলার পার্শ¦খালী গ্রামের মোফাজ্জেল গাজীর ছেলে। এসময় তার কাছ থেকে একটি পাইপ গান, একটি কাটা রাইফেল ও ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাব জানায়, সুন্দবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বড়কেয়াখালী খালে বনদস্যু জোনাব বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের-৮ এর সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে দুটি অস্ত্র ও গুলিসহ বনদস্যু শরিফুল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে, আটক বনদস্যু শরিফুল ইসলামের সঙ্গীরা এ সময় পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করতে পারেননি র‌্যাব সদস্যরা।
র‌্যাব-৮এর উপ-অধিনায়ক মেজর সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে শ্যামনগর থানায় হস্তাস্তর করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিচারক বদলে খালেদা জিয়ার আবেদন আপিল বিভাগে খারিজ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারকের প্রতি অনাস্থা চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়ে গতকাল রোববার শেষ হয়েছিল। বিচারক আজ আদেশের দিন রেখেছিলেন।

পাশাপাশি লিভ টু আপিলের আরেকটি অংশ রাষ্ট্রপক্ষের ১১ সাক্ষীকে জেরার বিষয়ে আজ শুনানি শুরু হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত ২২ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের নয় সাক্ষীকে জেরা ও দুই সাক্ষীকে পুনরায় জেরা-সংক্রান্ত খালেদা জিয়ার করা আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দুই সাক্ষীর পুনরায় জেরার প্রয়োজন নেই বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

দুদকের আইনজীবী জানান, ১১ সাক্ষীর বিষয়ে গত ২৭ জুলাই বিচারিক আদালত খালেদা জিয়ার আবেদন নাকচ করে দেন। পরে দুই সাক্ষীর পুনরায় জেরা এবং নয় সাক্ষীর মূল জেরা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই সাক্ষীর পুনরায় জেরার প্রয়োজন নেই বলে আদেশ দেন। তবে নয়জনের বিষয়ে এ মামলার অপর আসামি বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্ষেত্রে যে জেরা করা হয়েছে, তা খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে (অ্যাডপ্ট) বলেছেন আদালত।
এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলাটি করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলার বিচার এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে গির্জায় বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ২৬

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে গির্জায় এক বন্দুকধারীর গুলিতে ২৬ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উইলসন কাউন্টির সাদারল্যান্ড স্প্রিং শহরের ফার্স্ট ব্যাপ্টিস্ট চার্চে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ২৬ জনের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে বলেছেন, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো প্রায় ২৫ জন। টেক্সাসের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা এটি।

ঘটনার পরপরই হামলাকারীও নিহত হয়েছে। তবে পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে, নাকি সে আত্মঘাতী হয়েছে—তা নিশ্চিত নয়।

লাস ভেগাসে একটি গানের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীর হামলায় ৫৮ জন নিহত হওয়ার এক মাসের মাথায় চার্চে এ হামলার ঘটনা ঘটল।

টেক্সাসের ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটির আঞ্চলিক পরিচালক ফ্রিম্যান মার্টিন জানিয়েছেন, রোববার ছুটির দিন বলে গির্জায় বেশ কিছু লোকজন ছিল। যাঁরা হতাহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী লোকজন রয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ১২ দিনের এশিয়া সফরে রয়েছেন। তিনি জাপান থেকে এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক টুইটে বলেছেন, ‘ঈশ্বর নিশ্চয়ই সাদারল্যান্ড স্প্রিংসের মানুষের সহায়ক হবেন। ঘটনাস্থলে এফবিআই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। আমি জাপান থেকেই পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি।’হামলাকারীর বর্ণনা দিতে গিয়ে ফ্রিম্যান মার্টিন বলেন, সন্দেহভাজন ওই হামলাকারী একজন শ্বেতাঙ্গ তরুণ, তার বয়স হবে ২৫-এর মতো। তার পরনে কালো রঙের পোশাক ছিল। তার নাম ডেভিন প্যাট্রিক ক্যালি।

একটি গাড়িতে করে হামলাকারী চার্চের সামনে নেমেই একটি আধুনিক এসল্ট-স্টাইল রাইফেল থেকে গুলি ছুড়তে শুরু করে। গুলি করতে করতেই সে চার্চের ভেতর ঢুকে পড়ে। হামলায় উপস্থিত লোকজন এলোপাতাড়ি ছোটাছুটি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

হামলাকারী ক্যালি চার্চের ভেতরে গুলি চালিয়ে বাইরে বের হয়ে আবার গুলি চালায় এবং একটি গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন স্থানীয় একজন অধিবাসী ধরে ফেলার চেষ্টা করলে রাইফেল ফেলেই সে গাড়িতে চড়ে বসে। তখন তার পিছু ধাওয়া করেন ওই অধিবাসী, পরে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। চার্চ থেকে কিছুটা দূরে গাড়ির মধ্যে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

হামলাকারী ক্যালি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছে, নাকি নিজেই আত্মহত্যা করেছে—এ ব্যাপারটি এখনো নিশ্চিত নয়।

ফার্স্ট ব্যাপ্টিস্ট চার্চের যাজক ফ্রাঙ্ক পেমোরয় এবিসি নিউজকে জানান, তাঁর ১৪ বছর বয়সের মেয়ে আন্নাবেল্লিও ওই হামলায় নিহত হয়েছে।

শেরিফ জো টেককিট জানান, আহতদের সবার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতদের মধ্যে ২৩ জনের লাশ চার্চের ভেতর, দুজনের বাইরে ও একজন হাসপাতালে মারা গেছেন।

ফার্স্ট ব্যাপ্টিস্ট চার্চের বিপরীতে একটি গ্যাসস্টেশন রয়েছে। সেখানকার ক্যাশিয়ার এনবিসি নিউজকে জানিয়েছেন, তিনি ২০টি গুলির শব্দ শুনেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest