সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শোসাতক্ষীরায় চার দিন ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীর মেলেনি সন্ধান : দিশেহারা পরিবারসাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ইফতারি বিতরণসাতক্ষীরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ইফতারদেবহাটার দর্জিরা আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেনবেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার

ব্রেকফাস্টের যেসব ভুলেই বাড়ছে আপনার ওজন

সকালে খাবার খেলে মেদ বাড়ে। চিকিৎসকেরা বার বার এমন কথাই বলে থাকেন।
ফলে কিছু না খেয়ে হয়তো কখনওই ঘরের বাইরে বের হন না আপনি। কিন্তু সকালের খাবারটা যাতে হালকাই হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখেন অনেকেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওজন তো কমছেই না, বরং উল্টে বেড়ে যাচ্ছে।

তবে সকালে আপনি কম খাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু ব্রেকফাস্টে এমন কিছু থাকছে, যে কারণে আপনার মেদ বেড়ে যাচ্ছে দ্রুতই। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, আপনার ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী ব্রেকফাস্টের যেসব ভুল-

১। সকালে ব্রেকফাস্টের সঙ্গে দই রাখা ভাল। কিন্তু সেই দই যদি ফ্লেভারড হয় তাহলে বিপদ। অর্থাৎ সাধারণ দই’র পরিবর্তে ম্যাঙ্গ ইয়োগার্ট বা অন্য কোনও ইয়োগার্ট যদি প্রতিদিন খেতে শুরু করেন তাহলে আপনার শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। আর তাতেই বেড়ে যেতে পারে আপনার ওজন।

২। প্রতিদিন সকালে অনেকেই ফলের রসের উপর নির্ভর করেন। কিন্তু বাজার চলতি যে প্যাকেটজাত ফ্রুট জুস আপনার পেটে যাচ্ছে, সেখানেও অত্যধিক মাত্রায় সুগার থাকছে যেমন তেমনি অন্য উপাদানও থাকছে। এবং তা থেকেই বেড়ে যেতে পারে আপনার ওজন।

৩। সকালে যদি লুচি, পুরি খান তাহলে বিপদ ঘনিয়ে আসছে কিন্তু। এসবের চেয়ে যদি সকালে খিচুরি কিংবা রুটি খান, তাহলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অনেক সময় সকালে এনার্জি ড্রিংকসের উপর নির্ভর করেন। যা একেবারেই অনুচিত বলেও মনে করেন চিকিৎসকদের একাংশ।

৪। ওজন বেড়ে যাবে, সেই ভয়ে যদি শুধু একটা ডিমসেদ্ধ খেয়ে কিংবা চা, কফি দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে ফেলার চেষ্টা করেন, সেটাও কিন্তু ক্ষতিকর। সকালে যদি পেট ভরে খেয়ে নিতে পারেন, তাহলে দিনভর জাংক ফুড খাওয়ার ইচ্ছেটা চলে যাবে। আর তাতেই আপনার ওজনও নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এভ্রিল ছাড়া বাকি ৯ প্রতিযোগীকে ডাকা হয়েছে আজ

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ থাকছেন না জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। এভ্রিলের বিয়ের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরেই অনুষ্ঠানটির আয়োজক অন্তর শোবিজ ও অমিকন এন্টারটেইনমেন্ট এর একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেলে হোটেল ওয়েস্টিনের বল রুমে বাকি ৯ প্রতিযোগীকে ডাকা হয়েছে। বিচারকদের রায়ে উপস্থিত সেই ৯ জনের মধ্য থেকে শীর্ষ সুন্দরী বাছাই করা হবে। একই দিন তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। সব বিচারক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় ঘোষণা করা হবে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ এর নাম।

উল্লেখ্য, জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের মাথায় মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নের মুকুট ওঠার পর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেননা তার আগে আরেকজনের নাম ঘোষণা করা হয়। যেটাকে আয়োজকরা ‘ভুল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তোপের মুখে ফারিয়া

তোপের মুখে ফারিয়া

কর্তৃক Daily Satkhira

সদ্য গঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফোরাম’ আর ফোরামে পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠানে বেফাঁস মন্তব্য করে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীদের তোপের মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপানার এক পর্যায়ে ফারিয়া বলেন, ‘জাজের ইশারায় চলচ্চিত্র চলে।
জাজ না থাকলে চলচ্চিত্র অচল। ’ আর ফারিয়ার এমন মন্তব্যে শাকিব খান ও শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খানসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমনকি জাজকে চ্যালেঞ্জও জানিয়েছেন সেলিম খান।

সেলিম খান জাজকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি জাজ মাল্টিমিডিয়াকে চ্যালেঞ্জ করছি, ওরা যদি বছরে চারটা ছবি নির্মাণ করে তাহলে আমি আমার শাপলা মিডিয়া থেকে নির্মাণ করবো ৮ টা। আর যদি জাজ ১০ টা নির্মাণ করেন আমি করবো ১৫ টা। সেটাও হবে দেশের ছবি। বিদেশি শিল্পীদেরকে নিয়ে এদেশে চলচ্চিত্রকে উন্নতি করতে চাই না। খাটি বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাণ করবো। ’

ফারিয়ার মন্তব্যে শুধু সেলিম খানই নয়, বিরক্ত হয়ে অনুষ্ঠান শেষ না করেই বেরিয়ে যান মৌসুমী ও নির্মাতা উত্তম আকাশসহ অনেকে।

এদিকে, ওই ঘটনার পর থেকেই ফারিয়ার মন্তব্যের জেরে ফিল্ম পাড়ায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে। এ নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনামূলক স্ট্যাটাসও দিয়েছেন।

কেউ কেউ বলছেন, এটি ছিল চলচ্চিত্র ফোরামের অনুষ্ঠান। কিন্তু ফারিহার বক্তব্য শুনে মনে হলো, ফোরাম নয়, এটি যেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার একক প্রোগ্রাম।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে ফারিহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এখন আমি একটি প্রোগ্রামে ব্যস্ত রয়েছি। ঘন্টাখানেক পরে যোগাযোগ করুণ। ”

এরপর এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেশ কয়েকবার তার মুঠোফোনে কল করা হয়েছে। কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুতা পরিষ্কার করে নারকেল তেল

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চুল ও ত্বকের যতেœর পাশাপাশি আসবাবের যতেœও অতুলনীয় নারকেল তেল। এছাড়া চামড়ার অনুষঙ্গের জৌলুস বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন এটি। মরিচা দূর করতেও কার্যকর নারকেল তেল।
চামড়ার জুতা পরিষ্কার করতে পারেন নারকেল তেল দিয়ে।
জেনে নিন নারকেল তেলের বিভিন্ন গৃহস্থালি ব্যবহার সম্পর্কে-
আসবাবের জৌলুস বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন নারকেল তেল। আধা কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে আধা কাপ লেবুর রস মিশিয়ে নরম কাপড়ের সাহায্যে পরিষ্কার করে নিন কাঠের আসবাব। এটি কাঠের শুষ্কতা দূর করবে ও আসবাবের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করবে।
কার্পেট থেকে কঠিন দাগ দূর করতে সামান্য নারকেল তেল ঘষে নিন। ৫ মিনিট অপেক্ষা করে পরিষ্কার করে ফেলুন কার্পেট।
দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে মরিচা পড়ে যেতে পারে দরজার লকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নারকেল তেল ঘষে নিন লকে। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে মুছে ফেলুন পাতলা কাপড় দিয়ে।
দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার কারণে কাঁচির ধার গায়েব হয়ে গেছে? সামান্য নারকেল তেল ঘষে নিন কাঁচির ব্লেডে। ১ ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আবার আগের মতোই ধারালো হবে কাঁচি।
কাঠের চামচ ও কাটিং বোর্ডের যতেœ ব্যবহার করতে পারেন নারকেল তেল।
চুইংগাম ওঠাতে ব্যবহার করা যায় নারকেল তেল।
নারকেল তেলের সাহায্যে জৌলুস বাড়াতে পারেন চামড়ার জুতা কিংবা
ব্যাগের। প্রথমে পাতলা ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন ব্যাগ অথবা জুতা। প্রাকৃতিকভাবে শুকিয়ে গেলে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল ছিটিয়ে শুকনা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। ঝকঝকে হবে চামড়ার অনুসঙ্গ।
মেঝে পরিষ্কার করতে সামান্য নারকেল তেল কাপড়ের সঙ্গে মিশিয়ে মেঝে ঘষে নিন। তারপর সাবান পানি দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে মুছে ফেলুন।
ব্রোঞ্জ পরিষ্কার করতে পাতলা কাপড়ে নারকেল তেল নিয়ে ঘষে নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারের ‘আশ্বাসে’ রোহিঙ্গাদের অবিশ্বাস

ন্যাশনাল ডেস্ক : সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হত্যা-ধর্ষণের মুখে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার যে আশ্বাস মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে, তাতে খুব বেশি আশার কিছু দেখছে না ‘দেশহীন এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠী’।
২৫ আগস্ট নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ সাত হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এখন পর্যন্ত ৫০০ জন মারা গেছে, যাদের অধিকাংশই ‘বিদ্রোহী’। অন্যদিকে, জাতিসংঘ এ ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
যদিও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে সেখানে ‘জাতিগত নিধনের’ অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা ‘বিদ্রোহীরা’ দেশটির পুলিশ ও সেনাক্যাম্পে হামলা চালানোর পরই আত্মরক্ষার্থে অভিযান চালানো হয়েছে। এ ঘটনার পর যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছে, তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করেই ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমার।
সবশেষ গতকাল সোমবার ঢাকায় এক বৈঠকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও নোবেল জয়ী অং সান সু চির দপ্তরবিষয়কমন্ত্রী উ কিয়া তিন্ত সোয়ে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এ ব্যাপারে একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের ব্যাপারেও একমত হয়েছে দুই দেশ। শিগগির তাতে দুই দেশ নাম দেবে। তারাই নির্ধাণ করবে, কী পন্থায়, কারা, কখন কীভাবে রাখাইনে ফিরবে।
মিয়ানমারের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই রোহিঙ্গারা ফিরতে পারবে।
‘কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের’ প্রতিক্রিয়ায় আবদুল্লাহ নামের একজন রোহিঙ্গা বলেন, ‘সবকিছুই তো পুড়ে গেছে, এমনকি মানুষও পুড়ে গেছে।’
যদিও ১৯৯৩ সাল থেকেই রোহিঙ্গাদের কোনো নাগরিকত্ব নেই, তবু মিয়ানমার বলছে, যারা মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে প্রমাণ দিতে পারবে, শুধু তাদেরকেই ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এর মধ্যেই বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিয়ানমার যে ঘোষণা দিয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।’
২০১৬ সালের অক্টোবরের আগ থেকেই বাংলাদেশে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার বলছে, ২০১৬ সালের অক্টোবরের পর থেকে বাংলাদেশে যে ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা এসেছে তাদেরকে যাচাই-বাছাইয়ের পর ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘আমরা তাদের বলেছি, অনেক রোহিঙ্গার কোনো পরিচয়পত্র নেই। এ ক্ষেত্রে নিয়মের শিথিলতা কাম্য। তারা বলেছে, যৌথ ওয়ার্কিং কমিটিতে যাচাই-বাছাইয়ের কাজের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত থাকবেন, তাঁরাই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। বাংলাদেশ চায়, এখানে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যুক্ত হোক।’
মিয়ারমার সরকারের মুখপাত্র জ্যা হ্যতে বলেন, ১৯৯৩ সালের বিধি অনুযায়ী, মিয়ানমারের নাগরিক প্রমাণের জন্য দেশটির যে কোনো হাসপাতালের একটি সনদ থাকাই যথেষ্ট। কিন্তু সেটি বাংলাদেশের হাসপাতালের হলে হবে না।
‘প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমারের একটি নীতি আছে। আমরা সেই নীতি ধরেই এগিয়ে যাব’, যোগ করেন মুখপাত্র।
রোহিঙ্গাদের কারো কারো কাছে এ ধরনের দলিল-দস্তাবেজ থাকলেও পূর্ণ নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা ব্যতীত মিয়ানমারে ফিরে যেতে তাদের আগ্রহের অভাব রয়েছে।
মিয়ানমার ফিরিয়ে নেবে এ কথা শুনেই অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন ৬০ বছরের বৃদ্ধা আমেনা খাতুন। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা সেখানে ফিরেও যাই, তাহলে আবার ফিরে আসার জন্যই যাব। যদি তারা আমাদের অধিকার দেয়, তাহলে হয়তো আমরা যাব। এর আগেও মানুষ এভাবে গিয়েছে কিন্তু আবার তারা ফিরে এসেছে।’
গত মাসে আনোয়ারা বেগম নামে এক রোহিঙ্গা নারী রয়টার্সকে বলছিলেন, তিনি তিনবার রাখাইন থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে এসেছেন আবার ফিরে গেছেন। ৫৫ বছরের এই নারী প্রথমবার উদ্বাস্তু হয়ে আসেন ১৯৭৮ সালে। কয়েক বছর পর তিনি আবার মাতৃভূমিতে ফিরে যান। সহিংসতার মুখে ১৯৯১ সালের আবার বাড়ি ছাড়তে হয় তাঁকে। ১৯৯৪ সালে তিনি বাংলাদেশে থেকে রাখাইনে ফিরে যান। এবার নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর আবার উদ্বাস্তু হন আনোয়ারা।
‘আমি আর ফিরতে চাই না। আমি ওই (মিয়ানমার) সরকারকে আর বিশ্বাস করি না। আমাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার প্রতিবারই প্রতিশ্রুতি দেয়। আমরা যখন সেখানে ফিরে যাই, তখনই সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে’, যোগ করেন আনোয়ারা।
রাখাইন সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশন বেশকিছু সুপারিশ করেছে। সেখানে ১৯৮২ সালের যে আইনের বলে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উদ্বাস্তু করেছে তা পুনর্বিবেচনার কথা বলা হয়েছে এবং তাদেরকে নাগরিক অধিকার দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে হানিপ্রীত গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হানিপ্রীত ইনসান অবশেষে ৩৮ দিন পর ধরা পড়লেন ধর্ষণের মামলায় সাজা পাওয়া ভারতের হরিয়ানার স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম ইনসানের ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রীত। মঙ্গলবার হরিয়ানা পুলিশ চ-ীগড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
হানিপ্রীতের বিরুদ্ধে পুলিশ দেশ দ্রোহিতার অভিযোগ এনেছে। অভিযোগ, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর রাম রহিমকে নিয়ে দেশ ছাড়ার চক্রান্তও করেছিলেন তিনি। আর অভিযোগ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, এর পেছনেও ছিল হানিপ্রীতের হাত।
হানিপ্রীত ধরা পড়লেন, নাকি ধরা দিলেন, সারা দিন এটাই ছিল আলোচনার বিষয়। জল্পনার কারণ, ধরা পড়ার আগে দিনভর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকার। এই সাক্ষাৎকারগুলোয় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, বাবা ও মেয়ের পবিত্র সম্পর্ককে কেউ কেউ কীভাবে নোংরা চোখে দেখে। তিনি বলেন, তাঁদের সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারপতির রায়ে রাম রহিম যেদিন দোষী সাব্যস্ত হন, সেদিন হানিপ্রীত হরিয়ানার পাঁচকুলা আদালতে ছিলেন। সেদিনই উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সেই তা-বের নির্দেশ নাকি হানিপ্রীতেরই দেওয়া। এ অভিযোগ অস্বীকার করে রাম রহিমের পালিত কন্যা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘যেভাবে আমাকে উপস্থাপিত করা হচ্ছে, তাতে আমি নিজেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। প্রবল মানসিক চাপে রয়েছি।’ তিনি বলেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই তিনি আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন। অনুমতি নিয়েই রাম রহিমের সঙ্গে হেলিকপ্টারে উঠেছিলেন। আদালতের রায় শুনে ভেঙে পড়েছিলেন। হিংসাত্মক ঘটনার নির্দেশ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
৩৬ বছরের হানিপ্রীতের আসল নাম প্রিয়াঙ্কা তানেজা। বিশ্বাস গুপ্ত নামে একজনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। স্বামী ছিলেন রাম রহিমের ভক্ত ও ডেরা সচ সউদার একনিষ্ঠ কর্মী। রাম রহিমের নজরে পড়তে প্রিয়াঙ্কার দেরি হয়নি। এরপর ক্রমে ক্রমে তিনি রাম রহিমের ঘনিষ্ঠতম হয়ে ওঠেন। নতুন নাম হয় হানিপ্রীত। রাম রহিমের তৈরি মোট ছয়টি সিনেমার তিনিই ছিলেন নায়িকা। বিশ্বাস গুপ্তর অভিযোগ, ডেরায় তিনি নিজে রাম রহিমের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কাকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখেছেন। রাম রহিমের চাপেই জোর করে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটানো হয়। এরপর থেকেই হানিপ্রীত স্বঘোষিত ধর্মগুরুর চব্বিশ ঘণ্টার সঙ্গী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কাদাকাটিতে স্কুল মাঠে চলছে প্রকাশ্য জুয়া ও নগ্ন নৃত্য

আশাশুনির কাদাকাটি থেকে ফিরে মো. বশির আহমেদ : আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সার্কাসের নামে চলছে চরম অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও প্রকাশ্য রমরমা জুয়ার আসর। পুলিশের বক্তব্য এরকম কোন সার্কাস বা জুয়ার কথা তারা জানেই না! অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন সার্কাসতো বন্ধ হয়ে গেছে! আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক বশির আহমেদ অবশ্য সেখানে গিয়ে দেখতে পেয়েছেন ভিন্ন চিত্র। সার্কাসের নামে সেখানে অর্ধনগ্ন বিকৃত নৃত্য ও প্রকাশ্য জুয়ার বোর্ড বসেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে চলছে এসব অপকর্ম। আর দেখে না দেখার ভান করছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।
শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে মেলার নামে চলছে এসব রমরমা অবৈধ্য ব্যবসা। সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে উৎসবের আড়ালে জুয়া, অশ্লীল নৃত্য ও লাটারি এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সার্কাস শো এর নাম করে ৭০ থেকে ১০০টাকা টিকিটের বিনিময়ে দর্শকদেরকে ভিতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে। কিন্তু ভিতরে প্রবেশ করে দেখা গেছে স্টেজে চলছে কয়েকজন স্থ’লকায় তরুণীর অশ্লীল পোশাকে নগ্ন নৃত্য। এভাবে প্রতিদিন চলছে তিনটি করে শো। আর স্টেজের পাশেই সাজানো হয়েছে রমরমা জুয়ার পশরা। নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে পাতানো জুয়ার পশরার ফাঁদে পকেট কেটে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম শাহীন এ প্রতিবেদককে বলেন, “আমার জানা মতে এ ধরনের কোন মেলাই চলছে না। তবুও যেহেতু আপনি বলছেন আমি এখনই খবর নিচ্ছি।” তার সাথে কথা বলার প্রায় ৩ ঘণ্টা পরে যখন মঙ্গলবার রাতে এ রিপোর্ট লেখা হচ্ছে তখনও খবর নিয়ে অশ্লীল নৃত্য ও জুয়ার আসর চলছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকার বলেন, “আমি তো জানি ওই সার্কাস বন্ধ হয়ে গেছে। আবার চালু হওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।”
অন্যদিকে, মেলা কমিটির সভাপতি দেবব্রত কুমার সানা (দেবু) এ প্রতিবেদকের নিকট দাবি করেন, তারা স্কুল মাঠে সার্কাস চালাচ্ছেন মাত্র। সেখানে কোন অশ্লীল নৃত্য বা জুয়া চলছে না!
এদিকে স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, জুয়া ও নগ্ন নৃত্যের জমজমাট আসর পরিচালনা করছেন স্থানীয় ইউপি মেম্বর গোপাল চন্দ্র মন্ডল ও স্থানীয় দেবব্রত কুমার সানা ওরফে দেবু। প্যান্ডেলের ভিতরে জুয়ার পশরা মাতিয়ে রেখেছে আশাশুনি সদরের জবেদ আলী আর নগ্ন নৃত্য মাতিয়ে রেখেছেন তারই পুত্র আরিফুল ইসলাম। স্টেজে চলছে নগ্ন নৃত্য আর স্টেজের পিছনে আরও জঘন্য কারবার চলছেÑ এমনটি অবশ্য দাবি মেলা মাঠের অনেকেরই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায় সব দিক ম্যানেজ করেই চলছে এসকল অবৈধ কারবার। এ নগ্ন নৃত্য ও জুয়ার আসরের জন্য স্কুলের মাঠ ব্যবহার করার জন্য প্রতিদিন স্কুল কর্তৃপক্ষকে দিতে হচ্ছে ১০হাজার টাকা।
শুধু উৎসবের আড়ালে নয় উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে প্রতিদিনই গোপনে বসছে জুয়ার আসর। এসকল আসরে সবকিছু হারিয়ে নিঃশ্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ আর লাভবান হচ্ছে বোর্ড মালিক ও আয়োজকরা। উপজেলার সচেতন মহলের দাবি দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন উর্র্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনে যে অস্থিরতা নেমে এসেছে সেখানে পরিবারের খাদ্য যোগাতে উপার্জনের অর্থ শেষ হয়ে যাওয়া দরিদ্র মানুষের সামান্য রোজগারের অর্থও চলে যাচ্ছে জুয়া ও অশ্লীলতায়। বেড়ে যাচ্ছে পারিবারিক অশান্তি। অসহায় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ নানাবিধ অপকর্মের সাথে। অবনতি হচ্ছে উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির।
এই দুষ্ট চক্র যেন এভবে কথিত সার্কাসের নামে নগ্ন নৃত্য ও জুয়ার আসর সাজিয়ে দরিদ্র মানুসের কষ্টে অর্জিত অর্থ পকেট কেটে খালী করতে না পারে সেদিকে জেলা প্রশাসকের সজাগ দৃষ্টি কামনা করেছেন উপজেলার সচেতন সমাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইনস্টাইনকে সত্য প্রমাণ করে তিন বিজ্ঞানীর নোবেল

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করে চলতি বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী। এ তিন বিজ্ঞানী হলেন রেইনার ওয়েইস, ব্যারি ব্যারিশ ও কিপ থ্রোন।

আজ মঙ্গলবার রয়েল সুইডিশ একাডেমি স্টকহোমে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করেন। পুরস্কার ঘোষণাকালে বলা হয়- এই তিন বিজ্ঞানীর আবিষ্কার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করা ছিল ইতিহাসে মাইলফলক।

সুইডেনের নোবেল অ্যাসেম্বলির পুরস্কার প্রদানকারী কারোলিনসকা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, চলতি বছর নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য নয় মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় নয় কোটি টাকা)। পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের অর্ধেক পাবেন রেইনার ওয়েইস। ব্যারি ব্যারিশ ও কিপ থ্রোন ভাগাভাগি করে নেবেন বাকি অর্ধেকটা।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘মেগা প্রকল্প’ মহাকর্ষীয় ত্বরণ শনাক্তকরণ গবেষণাগার (লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্রাভিটেশনাল অবজারভেটরি) বা ‘লিগো প্রজেক্টে’র সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেন এই তিন বিজ্ঞানী।

বিশ্বের পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জোট ১৯৯৭ সাল থেকে এই প্রকল্প নিয়ে গবেষণা করছে। আর এই গবেষণায় ব্যবহার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত লিগোর মহাকর্ষীয় ত্বরণ শনাক্তকরণ গবেষণাগার।

তাদের গবেষণা ‘লিগো পরীক্ষা’ বিভিন্ন মহাকর্ষীয় তরঙ্গের কাঠামো ও গঠন শনাক্তে সক্ষম। এই তরঙ্গ আবিষ্কারে মহাবিশ্বের সৃষ্টি, ধারাবাহিক পরিবর্তন ও কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

এদিকে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, এই তিন বিজ্ঞানীর গবেষণার বিষয়বস্তু মহাকর্ষীয় তরঙ্গের আপেক্ষিক ধারণা আইনস্টাইন শতবর্ষ আগেই দিয়েছিলেন।

১৯১৬ সালে আইনস্টাইন প্রথম আপেক্ষিক তত্ত্বের ঘোষণায় মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ধারণা দেন। আপেক্ষিক তত্ত্বে বলা হয়, মহাবিশ্বের সৃষ্টি ‘বিগ ব্যাং’-এর সময়ে যে ঢেউ তৈরি হয়েছিল তা-ই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ।

কিন্তু ওই তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করে যেতে পারেননি আইনস্টাইন। ‘লিগো প্রজেক্টের’ আবিষ্কারের মাধ্যমে তাঁর ওই তত্ত্বটি প্রমাণিত হয়।

নোবেল পাওয়া তিন বিজ্ঞানীই ‘লিগো প্রজেক্টে’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই লিগো প্রজেক্ট থেকেই ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করেন ‘লিগো প্রজেক্টের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা।

২০১৬ সালে প্রথম মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করা গেছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। তখন জানানো হয়, এই তরঙ্গের ওপর ভর করেই চলছে মহাবিশ্ব। পৃথিবীর ঘূর্ণন, গ্রহ-নক্ষত্রের গতি সব কিছুই ঘটছে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের কারণে। বিজ্ঞানীরা তখন জানিয়েছিলেন, মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার মাধ্যমে আইনস্টাইনের তত্ত্ব নির্ভুল প্রমাণিত হলো।

গত বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল জিতেছিলেন তিন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেভিড জে থউলেস, এফ ডানকান এম হ্যালডেন ও জে মাইকেল কস্টারলিৎজ। পদার্থের বিশেষ ঘনীভূত অবস্থা নিয়ে গবেষণা করে নোবেল পেয়েছিলেন তাঁরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest