কক্সবাজারের ইনানীতে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকা ডুবে ১৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে নয়জন শিশু ও পাঁচজন নারী।

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে ইনানী সমুদ্রসৈকত এলাকা পর্যন্ত পৌঁছালে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢেউয়ের তোড়ে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে অন্তত অর্ধশত রোহিঙ্গা ছিল বলে জানা গেছে।

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্টালিন বড়ুয়া জানান, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকাটি বঙ্গোপসাগরের ইনানী সৈকত পয়েন্ট পর্যন্ত পৌঁছালে ঢেউয়ের আঘাতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু ১৪ জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নয়জন শিশু ও পাঁচজন নারী রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, নজিরবিহীনভাবে সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত ষঢ়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এবং এই পত্রিকাগুলো সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির হওয়ায় একটি স্বার্থানেষ্বী মহল ‌’শকুনি’ মামার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সংবাদপত্রগুলোর কণ্ঠরোধ করে সাময়িকভাবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ টাইব্যুনালে বিচারাধীন সাতক্ষীরার শীর্ষ ৪ মানবতাবিরোধী ও তাদের দোসরদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। এই বিচার চলাকালীন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিঘ্ন সৃষ্টি করাই এই চক্রটির মূল লক্ষ্য। একই সাথে সাতক্ষীরার মানুষের বিপুল পরিমাণ অর্থ নানাভাবে লুণ্ঠন করা, প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানে ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে যেন কেউ মুখ খুলতে না পারে এবং তাদের অপকর্মকে পাঠকের সামনে তুলে ধরতে না পারে সেজন্য এই চক্রটি গভীর ষঢ়যন্ত্রে লিপ্ত।

সাতক্ষীরা জেলার প্রায় সকল সম্মানিত সংসদ সদস্য ও জেলায় স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ পদে আসীন জনপ্রতিনিধি কারও প্রতি নূন্যতম শ্রদ্ধা না দেখানো এই চক্রটির বিরুদ্ধে মফস্বলের সকল সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সর্বস্তরের রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও কুশপুত্তলিকা দাহের মত কর্মসূচি দেয়ার সময় সম্ভবত সমাগত।

সাতক্ষীরা জেলার ২২ লক্ষ মানুষকে যখন-তখন অপমানজনক কথা বলা, সাংবাদিক ও সংবাদপত্র সম্পর্কে নিয়মিত বিষোদগার করা- এই অপশক্তিকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে না পারলে এই জেলার সমস্ত অগ্রগতি ব্যাহত হবে। এই অপশক্তির কারণে সাতক্ষীরা জেলায় বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। স্বাধীনতাবিরোধী এই চক্রটি বর্তমান সরকারকে অজনপ্রিয় করার ষঢ়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। সময় এসেছে এদের বিষদাঁত ভেঙে দেয়ার।
সকলে প্রস্তুত থাকুন, রাজপথে এদের বিচার হবে। ২০১৩ সালের স্মৃতি অনেকে ভুলে গেলেও আমরা ভূলিনি। এই সাতক্ষীরার রাজপথে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে সেদিনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। সেদিনের সেই অপশক্তি যেমন আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছিল আজকের এই নয়া রাজাকার চক্রও পরাজিত হবেই। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।
জয় বাংলা।

হাফিজুর রহমান মাসুম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ম্যাচ শুরুতে মার্করামের দারুণ প্রশংসা করেছিলেন ডিন এলগার। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে দারুণ খেলছিলেন দুজন, শতকের খুবই কাছে ছিলেন তাঁরা। তবে ডিন এলগার তিন অঙ্কে পৌঁছালেও হতাশ করেছেন মার্করাম। এলগারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে ৯৭ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন এই ব্যাটসম্যান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৫৫ ওভারে ১৪২/১। এলগার ১০১ রানে অপরাজিত রয়েছেন। মার্করাম আউট হওয়ার পর উইকেটে এসেছেন হাশিম আমলা।

দুই সেশন মিলিয়ে বাংলাদেশের বোলাররা কেবল একটি মাত্র উইকেট নিতে পেরেছেন। বলাই বাহুল্য, পেসবান্ধব উইকেটে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের ওপর এখন পর্যন্ত কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি মুস্তাফিজ-শফিউল-মিরাজরা।

আজ ম্যাচের শুরুতেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাটিংয়ের শুরুটা করেন এইডেন মার্করাম ও ডিন এলগার। শুরুটা সাবধানের সঙ্গেই করে স্বাগতিকরা। প্রথম সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি দলটি। বিনা উইকেটে ৯৯ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিরতির পর থেকে ফিরেও বাংলাদেশের বোলারদের ওপর আধিপত্য ধরে রাখেন প্রোটিয়া ওপেনাররা।

চা বিরতির ঠিক কিছুক্ষণ আগে দিনের প্রথম সফলতা পায় বাংলাদেশ। মার্করামকে রান আউট করে ফেরত পাঠান মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৫২ বলে ৯৭ রান করেন অভিষিক্ত এই ব্যাটসম্যান।

এর আগে তিনজন পেসার নিয়ে দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ। মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদের সঙ্গে আছেন অভিজ্ঞ পেসার শফিউল ইসলাম।

ব্যাটিং অর্ডারেও এসেছে বেশ কিছু পরিবর্তন। বাদ পড়েছেন ওপেনার সৌম্য সরকার। তামিম ইকবালের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের সূচনা করতে দেখা যাবে ইমরুল কায়েসকে। দলে ফিরেছেন মুমিনুল হক ও মাহমুদউল্লাহ। স্পেশালিস্ট উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে লিটন দাসকে।

চার পেসার নিয়ে নেমেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মরনে মরকেল ও কাগিসো রাবাদার সঙ্গে ডুয়েন অলিভারকে পেস বোলিং বিভাগের দায়িত্ব সামলাতে হবে। চতুর্থ পেসার হিসেবে অভিষেক হয় অ্যানদিলে ফেলুকায়োর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : তিনি ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। প্রাণিবিদ্যা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। চলতি বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখনো তিনি থাকছেন ফজলুল হক হলে!
তাঁর নাম মাসুদ রানা। তিনি বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক! ওই হলের একাধিক শিক্ষার্থী ও দায়িত্বরত একাধিক কর্মচারী নিশ্চিত করেছেন যে মাসুদ রানা এখনো ওই হলেই থাকেন।
চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন মাসুদ রানা। যোগদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারে না থেকে তিনি থাকেন ঢাবির এই আবাসিক হলে।
হলের প্রধান ভবনের ৩৩৩ নম্বর রুমের শয্যা দখলে আছে মাসুদের। সেখানে টেবিলের উপরে মাসুদের নাম ও শিক্ষাবর্ষের সাল উল্লেখ করা আছে। বেডের মাথার কাছে আছে তাঁর স্বাক্ষর ও তারিখ। সেখানে চলতি বছরের মার্চ মাসের ১৪ তারিখ উল্লেখ আছে। এ ছাড়া ওই রুমের এক আলমারির মধ্যে তাঁর কিছু জামা কাপড়ও আছে।
মাসুদ রানাকে গত সোমবারও হলে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন ফজলুল হক মুসলিম হলের একাধিক আবাসিক শিক্ষার্থী। তিনি নিয়মিত থাকেন কি না, জানতে চাইলে কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘তাঁকে মাঝেমধ্যে হলে দেখা যায়। তবে তাঁর দখলে হলের একটা রুম আছে। তিনি এই হলে ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ছিলেন।’

বনফুলের অভিযোগ
সম্প্রতি মিষ্টির দোকান বনফুলের চাঁনখারপুল শাখা ফজলুল হক হল প্রশাসনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করে। বনফুলের অভিযোগ, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক হলের ছাত্রলীগের বড় নেতা পরিচয়ে তিনজন যুবক এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং দোকানের ম্যানেজারকে মারধর করেন।
বনফুল তিনজনের নাম দেয়। এর মধ্যে একটি নাম মাসুদ। ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে তিনিই মাসুদ রানা।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর হল প্রভোস্ট ড. মিজানুর রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন বনফুল অ্যান্ড কোং চানখাঁরপুল শাখার ব্যবস্থাপক মো. আল আমিন। ওই অভিযোগপত্রে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই তিনজনের নাম হচ্ছে, জিসান, রাকিব ও মাসুদ।
ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জিসান হচ্ছেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপসম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম জিসান; রাকিব হচ্ছেন, হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম এবং মাসুদ হচ্ছেন সাবেক হল ছাত্রলীগ সদস্য মাসুদ রানা। মাসুদ রানা বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
গত শনিবার বিকেলে একদল ছেলে ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে এসে ছাত্রলীগের বড় নেতা দাবি করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়াতে ম্যানেজারসহ দুজনকে মারধর শুরু করেন এবং একজনকে ছুরিকাঘাত করেন। তারপর আমাকে ও আমার সহকর্মী গিয়াস উদ্দিনকে ফজলুল হক মুসলিম হলের গেস্টরুমে নিয়ে যান এবং অমানবিকভাবে মারধর করেন। পরে চাপাতি ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ সময় সাংবাদিক সমিতিতে খবর যাওয়ায় আমাদের ছেড়ে দেন। অপরাধীদের মধ্যে তিনজনের নাম ছিল- জিসান, রাকিব, মাসুদ।
বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে হল প্রশাসন। হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক ড. মমিনুল ইসলামকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হল প্রশাসন।

‘আমাকে ফাঁসানো হয়েছে’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিউল ইসলাম বলেন, ‘মাসুদ এক বছর হয়েছে জবিতে যোগ দিয়েছে। তবে সে কোথায় থাকে জানি না।’ চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানান তিনি।
এদিকে হলে থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘আমি এখন জবির শিক্ষক। এখন আর হলে থাকি না।’ হলে তাঁর দখলে একটা সিট আছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সেটিও অস্বীকার করেন।
চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে মাসুদ বলেন, ‘আমি তাঁদের কাছে চাঁদা চাইনি।’ বনফুলের অভিযোগনামায় তাঁর নাম উল্লেখ আছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাসুদ বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক ড. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রত্যেক হলেই এমন অবস্থা দেখা যায়। তবে যেসব আবাসিক শিক্ষকদের দায়িত্ব থাকে তাঁদের এটা দেখা উচিত। এখন তথ্য পাওয়া গেছে আমরা হল প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা নেব।’
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ বলেন, ‘এটা হলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ ভালো বলতে পারবেন।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘জবির শিক্ষক হওয়ার পরও তিনি হলে থাকেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এটি হল প্রশাসন দেখবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডোকালাম ইস্যুতে ভারত-চীনের মধ্যে একটা দফারফা হলেও ভারত মহাসাগরে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় মরিয়া দু’দেশ।

এবার ভারত মহাসাগরে ঘাঁটি সাজাচ্ছে চীনা নৌসেনা।
আর তাদের কার্যকলাপ ভারতের নজরে এসেছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চীনা যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা তা ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করছি। তবে আমরাও যুদ্ধবিমান, ডুবোজাহাজ, নৌসেনাকে তৈরি রেখেছি। আমরা দেখতে চাই চীনা অগ্রাসন আমাদের কীভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। আমরা সবসময় তৈরি।

যদিও ইতোমধ্যে ভারত মহাসাগরে রণসজ্জা সাজাচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী। সাগরে যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে সাবমেরিন মোতায়েন করা রয়েছে। যা কিনা যথেষ্ট উদ্বেগের চীনের কাছে। আর সেজন্যেই পালটা ভার‍ত মহসাগরে বাহিনী সাজাচ্ছে বেইজিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৭১তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তালা ডাকবাংলো চত্বরে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে উপ-শহরে আনন্দ মিছিল বের হয়।

আলোচনা সভায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম। মাগুরা ইউনিয়নের যুবলীগের আহবায়ক আতাউর রহমানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক  প্রণব ঘোষ বাবলু, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লে¬াল। এসময় বক্তব্য রাখেন সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমান,সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম মানিক প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন ও তার সুস্থ্যতা কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ যোহর সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ পৌর জামে মসজিদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে এ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলার সকল মসজিদ, মন্দির ও গীর্জায় এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর আহমেদ সুজন, সাধারণ সম্পাদক এহছান হাবীব অয়ন, সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান বাহার বুলবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সুমন, ইয়াছিন আরাফাত, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিমু, সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওন, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি রমজান আলী রাতুল, সাধারণ সম্পাদক আছাফুর রহমান, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহছান, সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ছাত্রনেতা মহিদুল ইসলাম, আলিম খান, ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান নিশানসহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন ও তার সুস্থ্যতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পৌর জামে মসজিদের ইমাম মো. আব্দুল আলিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটায় বাংলাদেশ সরকারের প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা যুবলীগের আয়োজনে সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সভাকক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুরের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক বাবু বিজয় কুমারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি সাবেক সফল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণলয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলহাজ্ব আ ফ ম রুহুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে দিশাহারা ও বহুধাবিভক্ত দলের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। শুরু হয় রাজনৈতিক প্রতিকূল ¯্রােতে তাঁর নৌকা বাওয়া। বহু ঝড়ঝাপটা সামলে নৌকাকে সফলতার সঙ্গে তীরে ভিড়িয়েছেন এই কা-ারি। এভাবেই তিনি হয়ে উঠেছেন দলে পরম নির্ভরতার প্রতীক। শুধু দল নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায়ও দেখিয়েছেন বহু সাফল্য। অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বহু পুরস্কার ও সম্মাননা। নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। বাংলার মাটির নিবিড় সংস্পর্শে বেড়ে ওঠার কারণেই পরবর্তী সময়ে এ দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগসূত্র গড়ে ওঠে। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃৃত। ইতোমধ্যে তিনি শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে-দেশে জাতিতে জাতিতে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক ও পুরস্কারে। অতি সম্প্রতি মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রায় দিয়ে নাড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্ব বিবেককে। আজ সারাবিশ্বেই তার নাম আলোচিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মানবতার বিবেক’ হিসেবে।একবিংশ শতাব্দীর অভিযাত্রায় দিন বদলের মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার সুনিপুণ কারিগর শেখ হাসিনা। তিনিই বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক আকবর আলী মেম্বার, শ্রমিকলীগের আহবায় আবু তাহের, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, কুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন, সখিপুর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সুমন প্রমূখ। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মোনজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মেহেদী হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest