সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শোসাতক্ষীরায় চার দিন ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীর মেলেনি সন্ধান : দিশেহারা পরিবারসাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ইফতারি বিতরণসাতক্ষীরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ইফতারদেবহাটার দর্জিরা আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেনবেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার

মধ্যপ্রাচ্যের শেখদের বিকৃত যৌন লালচের শিকার কুমারীরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রেহানার বয়স তখন ১৪ বছর। ৪ বোনের মধ্যে সে বড়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ২০০৪ সালে মা-বাবা তাঁর বিয়ে দেন। পাত্র দুবাই থেকে আসা ৫৫ বছর বয়সী এক ধনী শেখ। ভেবেছিলেন, হয়তো ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে। কিন্তু বিধিবাম। বিয়ের এক মাস পরই রেহানাকে রেলস্টেশনে ফেলে যান ওই শেখ। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফিরতে হয় তাঁকে।
ভারতে হায়দরাবাদের নাশিমান নগরের রেহানার মতো সেখানকার অনেক কিশোরীর জীবনেই ঘটছে এমন দুর্বিষহ ঘটনা। বিত্তশালী ও বৃদ্ধ আরব শেখরা কিশোরী বউয়ের খোঁজে হায়দরাবাদকেই বেছে নিয়েছেন। এখানে তাঁরা অর্থের বিনিময়ে চুক্তিতে কিশোরীদের বিয়ে করেন। যৌন চাহিদা শেষ হলেই ফিরিয়ে দেন তাদের।
হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মুখপাত্র সুলতানা বলেন, বিপুল অর্থের বিনিময়ে অটোরিকশার চালক বাবা সিরাজ উদ্দিন ওই শেখের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দুবাই থেকে আসা বৃদ্ধ ওই আরব শেখের সঙ্গে বিয়ের পর রেহানার জীবনে একের পর এক নেমে আসে আরও করুণ পরিণতি। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরার কিছুদিন পরই মা-বাবা কাতারের এক শেখের সঙ্গে আবার তাঁর বিয়ে দেন। এবার এই পাত্রের বয়স ৭০। আবার স্বামীর সঙ্গে সংসার করার স্বপ্নে বিভোর হন রেহানা। তাঁকে নিয়ে কাতারে উড়াল দেন ওই শেখ। কিন্তু এবারও স্বপ্ন ভঙ্গ। কাতারে গিয়ে কয়েক মাসের মাথায় অন্য এক শেখের কাছে রেহানাকে বিক্রি করে দেন তাঁর স্বামী। এরপর গত চার বছরে আরও ১৪ জন শেখের কাছে তাঁকে বিক্রি করা হয়।
এসব ঘটনায় একবার রাগে-অভিমানে মা মইন বেগমের মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন রেহানা। ওই বার্তায় তিনি বলেছিলেন, ‘অভিনন্দন আম্মি, আপনি আপনার মেয়ের জন্য ১৭তম জামাই পেলেন।’
রেহানার এই দুর্বিষহ জীবনের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত চার দশকে শুধু যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য হায়দরাবাদের হাজারো কিশোরী আরব শেখদের চুক্তিভিত্তিক স্ত্রী হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা বিত্তশালী শেখরা অর্থের বিনিময়ে চুক্তিতে তাদের কিনে নেন। শেখদের যৌন চাহিদা মিটে গেলে কিশোরীদের ফেরত দিতেন তাঁরা। কিন্তু সম্প্রতি অনেক মেয়ে শেখদের কাছে প্রতারিত হয়ে ফিরে এসে অভিযোগ দায়ের করায় বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। নড়ে বসেছে প্রশাসনও।
হায়দরাবাদের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শাহীনের মতো আরও কয়েকটি সংস্থা এখন সোচ্চার হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে পুলিশকে সহায়তা করছে সংস্থাগুলো।
শাহীনের চেয়ারপারসন জামিলা নিশাত বলেন, ‘আগে এ ধরনের বাল্যবিবাহের কোনো তথ্য ছিল না। গত ১০ বছরে আমরা এ ধরনের প্রায় ৫০০টি ঘটনার তথ্য পেয়েছি। কিন্তু আমাদের ধারণা, এই সংখ্যা আরও ১০ গুণ বেশি হবে। গত বছরেই ১০০টি ঘটনার অভিযোগ আমরা পেয়েছি।’
হায়দরাবাদ পুলিশের উপকমিশনার (সাউথ জোন) ভি সত্যনারায়ণ বলেন, ‘২০১০ থেকে এ ধরনের মাত্র ৯টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে। উন্নয়ন সংস্থা, মানবাধিকার কর্মী ও পুলিশের উদ্যোগে এখন এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা পুলিশের কাছে অভিযোগ নিয়ে আসা শুরু করেছে।’
গত কয়েক সপ্তাহে পুলিশ এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যারা আরব শেখদের হায়দরাবাদে সহায়তা করছে, দালাল ও যেসব কাজি অর্থের বিনিময়ে কিশোরীদের বিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। গত ২০ সেপ্টেম্বর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কাতারের আটজন শেখ, একজন কাজি ও একটি হোটেলের মালিককে গ্রেপ্তার করে। এর এক সপ্তাহ পর হায়দরাবাদের প্রধান কাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর নির্দেশেই বিয়ে পড়ানো হয় বলে অভিযোগ।
শেখদের বউবাজার : চার দশক ধরে হায়দরাবাদ আরব শেখদের বউবাজারে পরিণত হয়েছে। তাঁরা কুমারী ও কিশোরীদের খোঁজে এখানে আসেন। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কুমারী মেয়ে তাঁদের পছন্দ। দরিদ্র মুসলিম পরিবারের অভিভাবকেরা বিপুল অর্থের লোভে নিজের মেয়েকে কথিত বিয়ে দিয়ে শেখদের যৌন চাহিদা মেটাতে তাঁদের হাতে তুলে দেন।
দেশটির কলাম লেখক ও বুদ্ধিজীবী মীর আইয়ুব আলী খান বলেন, এই পুরোনো শহরটির সঙ্গে আরব শেখদের বহু বছর থেকেই সম্পর্ক রয়েছে। ইয়েমেনের অনেক নাগরিক বারকাস এলাকায় বসবাস করেন। তাঁদের মাধ্যমেই আরব শেখরা হায়দরাবাদের মেয়েদের বিয়ে করতে আসছেন। আর পরিবারের অভাব-অনটনের কারণেই আরব শেখদের হাতে মেয়েকে তুলে দিচ্ছেন মা-বাবা।
জামিলা নিশাত বলেন, ‘শেখরা মূলত দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয় শারীরিক গড়নের কারণেই হায়দরাবাদের মেয়েদের পছন্দ করেন। তাঁরা এসব মেয়ে নিয়ে গৃহস্থালির কাজ করান। অনেক মা-বাবাই অল্প বয়সে শেখের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে চান। কারণ, তাঁদের ধারণা মেয়ের ঋতুচক্র আসার পর বাড়িতে থাকাটা পাপ।’
পুলিশ জানায়, হায়দরাবাদে কিশোরী মেয়ের খোঁজে বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, জর্ডান, কুয়েত, ওমান, সুদান ও সোমালিয়ার শেখরাই আসেন।
পুলিশের উপকমিশনার সত্যনারায়ণ বলেন, শেখরা পর্যটন ভিসা ও কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভিসা নিয়ে হায়দরাবাদে আসেন। যাঁরা আসেন তাঁদের সবাই বিত্তশালী নন। কেউ কেউ নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারেরও আছেন।
আরব শেখরা পছন্দ করা মাত্রই দ্রুত ওই কিশোরীর সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করেন। বিনিময়ে তাঁরা কিশোরীর পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ রুপি পর্যন্ত দেন। এ ছাড়া সুন্দর পোশাক, সোনা ও কখনো বাড়ি পর্যন্ত দিয়ে দেন। এসব অর্থ কিশোরীর পরিবার, দালাল ও কাজি বাঁটোয়ারা করে নেন।
শাহীনের চেয়ারপারসন জামিলা নিশাত বলেন, ‘অনেক সময় কিশোরীর পরিবার যে অর্থ পায় তা অনেক কম। কিন্তু তারপরও তাঁরা খুশি যে, মেয়ের বিয়েতে তাঁদের কোনো খরচ করতে হলো না।’
১২ বছর বয়সে বছর ৭০-এর দুবাই থেকে আসা এক শেখের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ওয়াসিমের। তাঁর বয়স এখন ২৭। তিনি বলেন, ‘বিয়ে ও যৌনতা সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু আমাকে ওই শেখের সঙ্গে তা করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। এরপর মালামাল আনার জন্য দুবাই গেলে তিনি আর ফিরে আসেননি। আমার একটি মেয়ে হয়েছে। এখন আমি সেলাইয়ের কাজ করি।’
একই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলাঘাট এলাকার মুনীরা ফাতেমার (১৮) জীবনে। ২০১১ সালে সৎবাবা তাঁকে ওমানের ৭৫ বছর বয়সী এক বুড়ো শেখের সঙ্গে বিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘ওই ব্যক্তি আমাকে একটি অবকাশকেন্দ্রে নিয়ে দুই মাস ছিলেন। এটি আমার বাড়ি থেকে একটু দূরে। জোর করে প্রতিদিন তিনি আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিয়ের সব কাগজপত্র নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে টেলিফোনে তিনি আমাকে তিন তালাক দেন।’
বর্তমানে উন্নয়ন সংস্থাগুলো মেয়েদের শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছে। পুলিশও দালাল-কাজি ও আরব শেখদের কিশোরী মেয়েদের কেনা-বেচার চক্রটি ধরতে তৎপর হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফোরামের আত্মপ্রকাশ

বিনোদন ডেস্ক : বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিলো শিগগির আসছে চলচ্চিত্রের নতুন সংগঠন। নানা আলোচনা সমালোচনার পর অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করল ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফোরাম’ নামের সংগঠনটি। প্রযোজক নাসির উদ্দিন দিলুর সভাপতিত্বে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়। যেখানে রয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট তারকা অভিনেতা থেকে শুরু করে নির্মাতা ও প্রযোজক।
পূর্ব ঘোষিত সময়েই সোমবার দুপুর ১২টায় ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে বসে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফোরাম-এর সংবাদ সম্মেলন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের আগেই সভাপতি নাসির উদ্দিন দিলু ও সাধারণ সম্পাদক কাজী হায়াতের স্বাক্ষরিত এক প্রেস নোটে সংগঠনটির প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে জানিয়ে বলা হয়, চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সকল শিল্পী, কলাকুশলী, নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক, প্রদর্শকদের স্বার্থ অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফোরাম’ একটি অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আজ থেকে কাজ করবে।
প্রেসনোটে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র দারুনভাবে সংকটকাল অতিক্রম করছে। সমস্ত সংকটকে দুরীভূত করে আমরা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পূর্বের গৌরবান্বিত দিনে ফিরিয়ে আনার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফোরামের নেতৃত্বে যারা থাকছেন সভাপতি: নাসির উদ্দিন দিলু, সহ-সভাপতি:মোহাম্মদ হোসেন(হল মালিক),সহ-সভাপতি: নাদের চৌধুরী, সহ-সভাপতি:ড্যানি সিডাক, সহ-সভাপতি: নাদের খান (হল মালিক), সাধারণ সম্পাদক: কাজী হায়াত, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপু (হল মালিক), সাংগঠনিক সম্পাদক: এম ডি ইকবাল (প্রযোজক), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন(প্রযোজক/অভিনেতা), সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক: ফারহান আমিন নতুন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক: আরিফা পারভীন জামান মৌসুমী, দপ্তর সম্পাদক- জাহিদ হোসেন (পরিচালক/প্রযোজক), কোষাধ্যক্ষ: কামরুজ্জামান কমল, সদস্য-আব্দুল আজিজ, ওমর সানি, অমিত হাসান, কাজী মারুফ, নানা শাহ তারিক, শিবা শান,বিদ্যা সিনহা মিম, ববি, শবনব বুবলি, ডি.জে সোহেল, হাফিজুর রহমান সুরুজ, বড়ুয়া মনোজ ধীমন(বাংলাদেশ দর্শক সমিতি), সিরাজুল ইসলাম (বুকিং এজেন্ট), অজিত নন্দী (বুকিং এজেন্ট), শাকিব খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক ছবিতেই বলিউডের ৭ নায়িকা!

শাহরুখ খান জনপ্রিয় নির্মাতা আনন্দ এল রাইয়ের সঙ্গে নতুন ছবির শ্যুটিং করছেন। এতে তার নায়িকা আনুশকা শর্মা ও ক্যাটরিনা কাইফ।
খবর বেরিয়েছে, নাম ঠিক না হওয়া এ ছবিতে আরও পাঁচ নায়িকাকে নিয়েছেন শাহরুখ। তারা হলেন কাজল, রাণী মুখার্জি, আলিয়া ভাট, কারিশমা কাপুর ও শ্রীদেবী। এদের সবার সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে নায়ক হিসেবে কাজ করেছেন শাহরুখ। এবার কাজ করছেন এক ছবিতেই। বামন চরিত্রে অভিনয় করা শাহরুখের সঙ্গে আনুশকা-ক্যাটরিনা মুখ্য ভূমিকাতেই থাকছেন। বাকি পাঁচ জনকে তাদের দেখা যাবে অতিথি চরিত্রে।

পিঙ্কভিলা জানিয়েছে, নিজেদের অংশের শ্যুটিং শেষ করেছেন কাজল, রাণী মুখার্জি, আলিয়া ভাট, কারিশমা কাপুর ও শ্রীদেবী। তবে এ জন্য কোনো পারশ্রমিক তারা নেননি। এজন্য তাদের সম্মানে নিজ বাড়ি মান্নতে পার্টি দিয়েছিলেন শাহরুখ। তাদের সবাইকে দামি উপহারও দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদ মিনারে কমরেড জসিমের কফিনে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

ডেস্ক রিপোর্ট : বৃটিশবিরোধী আন্দোলন, শ্রমিক আন্দোলনের প্রখ্যাত নেতা ও বিশিষ্ট প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ জসিম উদ্দীন মণ্ডলের কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ নিয়ে আসা হলে সবাই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।
এর আগে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বর্ষীয়ান কমিউনিস্ট নেতা কমরেড জসিম উদ্দিন মণ্ডলের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। শুরুতে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কেন্দ্রীয় কমিটি। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ছাত্র সংগঠন, শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এরপর কমরেডের পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় সেখানে কমরেড জসিম উদ্দিন মণ্ডলের বড় মেয়ে বেগম ছালেহা মনা এবং নাতি আকাশ, অনন্য রায়হানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। বেলা সাড়ে ১২টা পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজার জন্য মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার মরদেহ ঈশ্বরদীতে নিয়ে যাওয়া হবে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন ও জানাজার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, শ্রমিক আন্দোলনের কিংবদন্তি, বর্ষীয়ান কমিউনিস্ট নেতা কমরেড জসিম উদ্দিন মণ্ডল ৯৭ বছর বয়সে সোমবার সকাল ৬টায় মৃত্যুবরণ করেন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনোয়েদ সাকী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিপসের প্যাকেটে থাকা খেলনা গিলে ফেলায় শিশুর মৃত্যু

দূর্গা পূজা দেখে শনিবার রাতে বাড়ি ফিরছিলেন মুম্বাইয়ের উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা কান্দিভালির বাসিন্দা বির্জু। পথেই চার বছরের ছেলে পীযুষ চিপস কিনে দেয়ার বায়না করে।
ছেলের ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে ছেলেকেই হারিয়ে ফেললেন বাবা। চিপসে পাওয়া ফ্রি খেলনা গলায় আটকে চিরজীবনের জন্য পৃথিবী ছেড়েছে পীযুষ। বেঁচে থাকলে আগামী ডিসেম্বরে পাঁচ বছর পূর্ণ হতো তার।

বাবা অনেক চেষ্টা করেছিলেন ছেলের গলায় আটকে থাকা খেলনাটি বের করে নিয়ে আসতে। বির্জু বলেন, ‘১০ মিনিটের জন্য ছেলের কাছে ছিলাম না। এর মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে। চিপস আটকে যাওয়াও ও আর কথাই বলতে পারেনি। ‘

সুবিধা করতে না পারায় নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু দূর্গা পূজা থাকায় পথে জ্যামেও পড়তে হয়েছিল। বির্জু বলেন, নিকটবর্তী হাসপাতাল ছিল ৩ কিলোমিটার দূরে। ওকে নিয়ে দৌড়ে দৌড়ে গেছি। ২০ মিনিটেই পৌঁছেছিলাম। কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। ‘

চিকিৎসকরা জানান, ‘খেলনার গলায় আটক থাকায় ফুসফুসে বাতাস ঢুকতে পারেনি। তাই মারা গেছে ছোট্ট পীযূষ। ঘটনার ৫/১০ মিনিটের মধ্যে নিয়ে আসলে হয়তো বাঁচানে যেত তাকে। ‘ সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতি ক্যানসারসহ নানা রোগে আক্রান্ত, তাই ছুটিতে-সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত। এ কারণে তিনি এক মাসের ছুটিতে গেছেন।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অসুস্থতাজনিত কারণে সোমবার এক মাসের ছুটিতে যান প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর পর রাতে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

আনিসুল হক বলেন, যারা প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গণতন্ত্র ব্যাহত করার ষড়যন্ত্রের জাল বুনছিল, তারাই তাঁর ছুটিতে যাওয়ার বিষয় নিয়ে চিৎকার করছে।

সোমবার দিবাগত রাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। তিনি আজ সকাল থেকে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

দুপুরে আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুল কোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈঠক ডেকেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিদেরকে নিয়ে ফুল কোর্ট সভা আহবান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুর সোয়া দুইটায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইট সূত্রে জানা গেছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিঞার নির্দেশক্রমে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিষ্ট্রার মো. আজিজুল হক।

অসুস্থতার কারণে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার এক মাসের ছুটি নেওয়ার পর আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি আবদুল ওয়াহাব মিঞাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইনমন্ত্রণালয়। তাই বিচারপতি ওয়াহাবকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞার জন্ম ১৯৫১ সালের ১১ নভেম্বর। তিনি ১৯৭৪ সালে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন ১৯৯৯ সালে। ২০১১ সালে তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হন। সর্বশেষ গত ১০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা দেশের বাইরে থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা। দায়িত্ব গ্রহণ করেই দুপুরে সব বিচারপতিকে নিয়ে মিটিং ডেকেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

এরআগে মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞা আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ আমরা আদালতের এজলাসে বসছি না। আপিল বিভাগ এই পর্যন্ত মুলতবি। আইনজীবী ও বিচারপতিদের একটি পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আছে। এজন্য আজকে আমরা মামলা পরিচালনায় বসতে পারবো না।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ বসেন। আবদুল ওয়াহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ একঘন্টার জন্য বসে মোট ৮টি মামলা পরিচালনা করেন।

এদিকে প্রধান বিচারপতির ছুটিতে যাওয়ার বিষয়ে পরবর্তী করনীয় কী হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের নেতৃত্বাধীন একাংশ নিজেদের মধ্যে বিশেষ আলোচনা করছে। প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে মিছিল করেছে বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা। তাদের অভিযোগ প্রধান বিচারপতিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্রধান বিচারপতিকে ছুটিতে যেতে বাধ্য করা হয়েছে’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেছেন, চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতিকে ছুটিতে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এটা বিচার বিভাগের জন্য নজিরবিহীন ঘটনা।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আইনজীবী সমিতি যাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সেভাবে সে ব্যাপারে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আইনজীবী সমিতির ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ১৩ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, গতকাল আমরা প্রধান বিচারপতির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। জানতে চেয়েছিলাম কোন চাপে, কোনো কারণে তিনি ছুটিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন কিনা। কিন্তু তিনি আমাদের সাথে দেখা করেন নাই। তিনি সকালে এসে দুপুর ১টার সময় ছুটির দরখাস্ত দিয়ে কোর্ট প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

অথচ তিনি আমাদের চিঠি দিয়ে বলেছেন, আদালত খোলার দিন তিনি আমাদের সাথে মতবিনিময় করেন। অতীতের রেকর্ড বলে কোনো প্রধান বিচারপতি দাওয়াত দিয়ে এভাবে ছুটি নিয়ে চলে যান নাই। অথচ সাবেক প্রধান বিচারপতি ফজলুল করিম এভাবে দাওয়াত করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে তিনি হুইল চেয়ারে করে এসে আইনজীবীদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।

তিনি বলেন, এই প্রধান বিচারপতি এমন কি করেছেন যে তিনি ছুটি নিয়ে চলে গেছেন। তার উপর প্রচন্ড চাপ তৈরি করা হয়েছে, যাতে তিনি ছুটি নিয়ে চলে যান। দেশ জানে জাতি জানে, সারা পৃথিবী জানে একটি রায়ের পর সরকার তার উপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। যাতে তিনি পদত্যাগ করেন। তিনি ছুটিতে যাননি, ছুটিতে পাঠানো হয়েছে, যেতে তাকে বাধ্য করা হয়েছে।

এজন্য তার সাথে দেখা করে জানার অধিকার রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা কি কি পদক্ষেপ নিতে পারি এজন্য বিকাল ৩টায় সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে বৈঠক করবো। আইনজীবীরা আজ আমাদের কাছে জানতে চায়, তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে যাচ্ছে। প্রধান বিচারপতির সাথে জরুরি ভিত্তিতে সাক্ষাৎ করা প্রয়োজন। আজ যদি মানুষ ছুটির কারণ জানতে না পারে তাহলে জাতির জন্য সেটা দুঃখজনক হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest