সর্বশেষ সংবাদ-
তালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in Belgiëসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহসাতক্ষীরায় ৪ সংসদীয় আসনের ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতল ভারত

দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে-রোহিত। শেষ করলেন হার্দিক পান্ডিয়া।
১৩ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে তৃতীয় ওয়ান ডে জিতে সিরিজ পকেটে ভারতের। হাতে রয়েছে আরও দুটো ম্যাচ।

বড় রানের লক্ষ্যে নেমেছিল ভারত। পরে ব্যাট করে ভারতকে করতে হত ২৯৪ রান। প্রথম দুই ওয়ান ডেতে আগে ব্যাট করে জয় এসেছে। এবার রান লক্ষ্য করে জয় ছিনিয়ে নিতেও প্রস্তুত ছিলেন বিরাট কোহলিরা।

যেমন ভাবা তেমনই কাজ। লক্ষ্যে পৌঁছাতে বেশি খাটতে হল না। রাস্তাটা মসৃণ করে দিয়েছিলেন দুই ওপেনারই। শেষটা করলেন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা হার্দিক। তাঁতে যোগ্য সঙ্গত মণীশের।

এই পিচে প্রথম ইনিংসে যেভাবে রান উঠেছে সেই গতিতে যে দ্বিতীয় ইনিংসে উঠবে না সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভারতের আত্মবিশ্বাসের জায়গা তাঁদের ব্যাটিং। যাঁরা যে কোনও সময় বদলে দিতে পারে ম্যাচের রঙ।

শুরুটা দারুণভাবেই করেছিল ভারতের দুই ওপেনার অজিঙ্ক রাহানে ও রোহিত শর্মা। দু’জনের ব্যাট থেকেই এল হাফ-সেঞ্চুরি। ৭৬ বলে রাহানের ৭০ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ৯টি বাউন্ডারিতে।

অন্যদিকে রোহিত ৬২ বলে খেললেন ৭১ রানের ইনিংস। তাঁর ব্যাট থেকে এল ৬টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারিও। দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক কোহালি ও হার্দিক। মাত্র ২৮ রানেই প্যাভেলিয়নে ফিরে যান বিরাট কোহলি।

তাঁর জায়গায় নেমে কেদার যাদব মাত্র ২ রান করে আউট হন। পুরো চাপ এসে পরে হার্দিকের উপর। চাপ সামলাতে সফল তিনি। এর পর মণীশ পাণ্ড্যকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের পথে দলকে নিয়ে যান হার্দিকই।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে টস জয়ের পাশাপাশি ম্যাচও জিতে নিয়েছিল ভারত। তৃতীয় ম্যাচে তাই টস জয়কে সামনে রেখেই ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন নিয়েই ব্যাট করতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। ভারতীয় দলে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার পক্ষে নন বিরাট কোহলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১২ বলে ৫০ রান তুলে শতক মঈনের!

ক্যারিবীয় দ্বীপে এবার উঠলো মঈন আলী ঝড়। ৫৩ বলে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন এ ইংলিশ অলরাউন্ডার।
কিন্তু প্রথম অর্ধশতক খেলতে ৪১ বল খেললেও। পরের অর্ধশতক করতে খেলেছেন মাত্র ১২টি বল। শুরুর দিকে হলে তো একটা বিশ্ব রেকর্ড হয়ে যেত। তবে রেকর্ড একটা হয়েছে ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান তিনি।

মঈন-ঝড়ের ইঙ্গিত মিলেছিল বেশ আগেই। ইনিংসের শুরু থেকেই বাউন্ডারি মারাতেই নজর ছিল তাঁর। তবে পাঁচটি চারের পরও প্রথম ৩৯ বলে ৩৯ রান করেছেন মঈন। আসল ঝড় শুরু হলো ৪৫তম ওভারে। মিগুয়েল কামিন্সকে টানা দুই ছক্কা মেরে পৌঁছালেন ফিফটিতে। পরের তিন বলে ২, ৪, ৬।

আসল ঝড়টা গেল উইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের ওপর দিয়ে। পরের ওভারের দ্বিতীয় বলে স্ট্রাইক পেলেন মঈন। এবার ছক্কার হ্যাটট্রিক! পরের ওভারেই কামিন্সকে ফিরে পেতেই আবার দুই ছয়। তাতেই পেয়ে গেলেন সেঞ্চুরি, মাত্র ৫৩ বলে।

ঝড়ের শুরুটা আর এক-দুই ওভার আগে হলেই, ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জশ বাটলারের ৪৬ বলের রেকর্ডটি আজ ভেঙে যেতে পারত।

মঈন-ঝড়েই মাত্র ২১৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়েও ৩৬৯ রানের পাহাড় গড়তে পারল ইংল্যান্ড। ৫৭ বলে ৭ চার ও ৮ ছক্কা মেরে ১০২ রানে আউট হয়েছেন এই অলরাউন্ডার। কিন্তু এর আগেই দল সাড়ে তিন শ পেরিয়ে গেছে। এর আগে ৭৯ বলে ৮৪ রান করেছেন জো রুট, ৬৩ বলে ৭৩ রান বেন স্টোকসের।

শেষ ১০ ওভারে ১২৩ রান করেছে ইংল্যান্ড। মানে প্রথম ৪০ ওভারে যে রান করেছিল, এর অর্ধেক রান শেষ ১০ ওভারেই তুলে নিয়েছে দলটি!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কুলের ঘন্টা বাজালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট রোহানি!

ইরানের স্কুলে নিজ হাতে ঘন্টা বাজিয়ে ক্লাশের বর্ষশুরু ঘোষণা করলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ তারিখখে ওই স্কুলের ফার্সি ক্লাসের বছর শুরু হয়ে থাকে। এ উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ছাত্রদের প্রতি বেশ কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং তার কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর পাঠাতে বলেন। এধরনের প্রশ্ন ইরানি সপ্তম মাস মেহর’এর নামে ‘মেহর কোশ্চেন’ হিসেবে পরিচিত।

ছাত্রদের প্রতি প্রেসিডেন্ট রুহানির এমন একটি প্রশ্ন ছিল, ‘কিভাবে আমরা স্কুলকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারি যাতে আমরা একে অপরকে ও পারস্পরিক মতামতকে শ্রদ্ধা এবং ধৈর্যের সঙ্গে বিনিময় করতে পারি। কিভাবে আমরা নৈতিকতা, সৌজন্যতা এবং ধৈর্য ধরে অনুশীলন করতে পারি?

রুহানি বলেন, যদি আমরা কারো মতামতকে হেসে উড়িয়ে দেই বা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করি, তাহলে আমরা পরস্পরকে কখনো সহানুভূতির সঙ্গে সহ্য করতে শিখব না। তিনি ছাত্রদের অন্যের কথা বা অভিমতকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার তাগিদ দেন। সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে ঘনিষ্ট হবার পরামর্শ দিয়ে ছাত্রদের প্রতি রুহানি বলেন, এতে তারা বড় হয়ে সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে শিখবে।

রুহানি বলেন, ছাত্রদের প্রশ্ন করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর ধৈর্যের সঙ্গে দেওয়ার জন্যে শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, স্কুলের পরিবেশ সৃষ্টিশীল ও দক্ষতায় পরিপূর্ণ করে তুলতে পারলে ছাত্ররা চিন্তাশীল ও জ্ঞানের ধ্যানধারণা লাভ করবে। তিনি বলেন, একজন ছাত্র স্কুলে ১২ বছরের শিক্ষার পর তার অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর মত সঠিক কাজ যাতে পায় তাও জরুরি। দেশটির গণমাধ্যম তেহরান টাইমস খুব গুরুত্বের সাথে এ খবর প্রকাশ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের গণধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারীদের গণধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছেন চিকিৎসা সেবা দেয়া জাতিসংঘের স্বাস্থ্যকর্মীরা। স্বাস্থ্য কর্মীরা বলছেন, কয়েক ডজন নারী মারাত্মক যৌন হামলার শিকার হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের বর্ণনা ছাড়াও কিছু মেডিকেল নোট দেখেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে করে ধর্ষণের অভিযোগগুলো আরো বিশ্বাসযোগ্যতা পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রহীন সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নারীরা যৌন হয়রানি থেকে শুরু করে গণধর্ষণের অভিযোগ করেছে বার বার। মিয়ানমারের কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। দাবি করেছে, এগুলো তাদের সামরিক বাহিনীকে হেয় করার জন্য অপপ্রচার। জাতিসংঘ আখ্যায়িত জাতিগত নিধনযজ্ঞকে তারা বিদ্রোহ নির্মুলের বৈধ অভিযান বলেও দাবি করেছে।

এদিকে, মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সুচি’র মুখপাত্র জ হতে বলেছেন, তাদের কাছে উপস্থাপন করা যে কোন অভিযোগ তদন্ত করবে কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার নারীদের আমাদের কাছে আসা উচিত। আমরা তাদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেবো। আমরা তদন্ত করবো এবং পদক্ষেপ নেবো। সুচি নিজে এখনও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অসংখ্য অভিযোগ নিয়ে কোন মন্তব্য করেন নি। রাখাইনে নতুন করে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পর ২৫শে আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত আনুমানিক ৪ লাখ ২৯ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে আশ্রয় নিয়েছে।

কক্সবাজার জেলায় আট জন সাস্থ্য ও সুরক্ষা কর্মীর সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। তারা জানিয়েছেন, আগস্টের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত তারা ২৫ জনেরও বেশি ধর্ষণের শিকার নারীকে চিকিৎসা দিয়েছেন। তারা বলেছেন, তাদের রোগীদের সঙ্গে কি ঘটেছে তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা তাদের লক্ষ্য নয় তবে, তারা কয়েক ডজন নারীর শরীরে এমন সব লক্ষণ দেখেছেন যা নির্যাতনের বিভিন্ন বর্ননার সঙ্গে স্পষ্ট সঙ্গতিপূর্ণ। রয়টার্সের খবরে আরো বলা হয়, জাতিসংঘের ডাক্তারদের তরফে কোন রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আসাটা বিরল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চতুর্থবারের মতো চ্যান্সেলর হচ্ছেন মেরকেল

রোববার অনুষ্ঠিত হলো জার্মানির ফেডারেল নির্বাচন। অ্যাঞ্জেলা মেরকেল কি চতুর্থবারের মতো জার্মানির চ্যান্সেলর হচ্ছেন কি-না এটাই এখন প্রশ্ন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্বি মার্টিন স্যূলৎজ এবার তার সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছেন। তবে সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে মেরকেলের খ্রিস্টীয় গণতান্ত্রিক দল সিডিইউ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন ৩৭ শতাংশ, সেখানে স্যূলৎজের সামাজিক গণতান্ত্রিক দল এসডিপি আছে মাত্র ২৩. ২ শতাংশে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত কিছুই জানা যাচ্ছে না। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধরে নিচ্ছেন মেরকেলই চতুর্থবারের মতো জার্মান চ্যান্সেলর হতে যাচ্ছেন।

এবার জার্মান নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ১৫ লাখ। তবে তাদের কতো ভাগ ভোট দিতে যাচ্ছে এটাই দেখার বিষয়। কারণ, গত কয়েকবারের নির্বাচনে দেখা গেছে জার্মানিতে ভোট দিতে আসা মানুষের সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। ২০০৫ সালে নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল ৭৭. ৭ শতাংশ, ২০০৯ সালে ছিল ৭০. ৮ শতাংশ। ২০১৩ সালে অবশ্য কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭১. ৫ শতাংশে।

এবারের জার্মান নির্বাচন নানা দিক থেকেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু জার্মানদের জন্য নয়, সমগ্র ইউরোপ এবং সমগ্র পৃথিবীর জন্যই। সমগ্র পৃথিবীই তাকিয়ে আছে জার্মান নির্বাচনের ফলাফলের দিকে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। ইউইউ’র এক চেটিয়া দায়িত্ব চলে এসেছে জার্মানির হাতে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্ণবাদী আচরণও জার্মানির প্রভাব বাড়াচ্ছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও রাজনীতিতে। কারণ, জলবায়ু চুক্তি থেকে ট্রাম্পের সরে পড়া, ইউইউ নিয়ে তার বিরোপ মন্তব্য সবকিছুই দায়িত্ব বাড়িছে জার্মানির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উল্টো পথে মন্ত্রী, সচিব, বিচারকদের গাড়ি, রাস্তায় নেমে আটকালেন দুদক চেয়ারম্যান

ন্যাশনাল ডেস্ক : রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধার সামনে রোববার বিকেল চারটার দিকে হঠাৎ করেই দাঁড়ালেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তাঁর উদ্যোগে পুলিশ সেখানে উল্টো পথে চলা গাড়ি ও মোটরসাইকেল আটকানো শুরু করল। দুই ঘণ্টা ধরে চলা এ অভিযানে মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে ৫০টি যানবাহনকে। এর মধ্যে ৪০টিই সরকারি গাড়ি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে যেসব গাড়ির জরিমানা ও মামলা করা হয়েছে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের গাড়ি থেকে শুরু করে সচিব, বিচারক, সরকারি দলের নেতা, পুলিশ ও সাংবাদিকদের গাড়িও রয়েছে।
পুলিশের ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিকের রমনা অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মো. আলাউদ্দিন জানান, বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলা অভিযানে ৫০টির মতো গাড়ির জরিমানা করা হয়েছে ও মামলা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪০টিই সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গাড়ি।
অভিযান চলাকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মোসলেহউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে বন্ধ হলো কলারোয়ার লটারি ও মেলা; জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার জনপ্রিয় ও আপোষহীন অনলাইন নিউজপোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরা ও দৈনিক আজকের সাতক্ষীরায় ধারবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে গেল কলারোয়ার চন্দনপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত ঈদ আনন্দ মেলা। শনিবার হতে এ মেলা বন্ধ ঘোষণা করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।
উল্লেখ্য, কিছু নীতিমালার আওতায় গত ২৭ জুন তারিখে কলারোয়ার চন্দনপুর বহুমুখী বিদ্যালয়ের মাঠটি ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার চুক্তিতে ২৬ জুলাই হতে ১ মাসের জন্য ভাড়া নেয় মেলা আয়োজক কমিটি। আয়োজক কমিটিতে ছিলেন কলারোয়া পৌর আ’লীগের সভাপতি আলিমুলসহ কয়েকজন ব্যক্তি। কিন্তু যে উদ্দেশ্যের কথা বলে মেলার আয়োজন করা হয়েছিল সে ধরনের কোন কার্যক্রম সেখানে না করে সার্কাসের নামে নগ্ন নৃত্য, চরকা ও র‌্যাফেল ড্র নামক জুয়ার আসর বসিয়ে সাধারণ জনগণকে প্রলুব্ধ করা হচ্ছিল। আর এ বিষয়টি নিয়ে যেন কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশিত না হয় সেজন্য বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে বেআইনি লটারি নামক লুণ্ঠনের মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা বিষয়টি নিয়ে সর্বপ্রথম ডেইলি সাতক্ষীরা ও দৈনিক আজকের সাতক্ষীরায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দীন মেলাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। আর তার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সাতক্ষীরার সচেতন নাগরিক সমাজ। একই সাথে জলাবাসীর দাবি অর কান দুষ্টচক্র যন এভাবে কথিত মলার নামে লটারি নামক জুয়া চালিয়ে সাতক্ষীরার মানুষের পকেট কাটতে না পারে সেদিকেও যেন জেলা প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখে।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন জানান, ঈদ আনন্দ মেলার নামে প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে মেলাটির আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে লটারি, জুয়া শুরু করায় মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদ্যুতের জন্য সাতক্ষীরাবাসীর হাহাকার! যথারীতি নেতারা নীর্বিকার!

আসাদুজ্জামান/বশির আহমেদ : দুর্বিসহ লোডশেডিং-এ অতিষ্ঠ সাতক্ষীরাবাসীর জীবন। বিদ্যুতের জন্য যখন জেলাবাসী করছে হাহাকার, তখনও জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা নির্বিকার! এসব নেতারা কমবেশি সবাই বিভিন্নভাবে সুবিধা পেয়ে থাকেন বলে কেউ কিছই বলছেন না। কারও বাড়িতে আছে এসি, কারও বাড়িতে আছে দ্বৈত সংযোগ!
এদিকে, আবারও বিদ্যুতের ভয়াবহ লোড শেডিং ও ঘন ঘন ফিউজ কাটা, ট্রান্সমিটারের ক্রুটি ইত্যাদিতে নাকাল হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরা জেলাবাসী। সকাল হতে না হতেই সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সময় গড়িয়ে দুপুর আসতে না আসতেই সেই তাপদাহ রীতিমত অসহনীয় হয়ে উঠছে। তীব্র তাপদাহে পথচারী থেকে শ্রমজীবী সকল মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার সাথে সাথে বিদ্যুৎ এর অব্যাহত লোড শেডিং এর কারণে সাতক্ষীরার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবৈধ সুযোগ সুবিধা নেয়ার কারণে লোডশেডিং আরো বেশী হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অপরদিকে, গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিং হওয়ার কারণে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। অব্যাহত লোডশেডিং-এর কারণে তাদের পড়াশুনায় চরম ভাবে বিঘœ ঘটছে। একইসাথে পল্লী বিদ্যুতের টানা লোডশেডিংয়ে নাকাল হয়ে পড়ছে জেলার ৭টি উপজেলার মানুষ। লোড শেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদ্যুৎ নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা আরো করুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান সুযোগ সুবিধা ছাড়া কোন ফাইল সহি করেন না। তিনি অবৈধ সুযোগ নিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও এসি ব্যবহার করতে দেয়ার কারণে বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। আর এ জন্যই ঘনঘন লোডশেডিং হচ্ছে।
একটি বিশস্ত সুত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরে বিদ্যুতের মোট ৮ টি ফিডার আছে। এর মধ্যে টাউন ফিডার, কাটিয়া ফিডার ও পুরাতন সাতক্ষীরা ফিডার মোট বিদ্যুতের সিংহ ভাগ এই ৩ ফিডারে ব্যবহার হয়। এখানে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা বেশি এবং অবৈধ সংযোগ ও বেশি। প্রতি ফিডারে যে ট্রান্সফরমার আছে ক্ষমতার চেয়ে বেশি সংযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিমাসে ১৫-২০ টা ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যায় এবং সময় মত সংরক্ষণ করা হয় না। প্রতিটি ট্রান্সফরমার এর মূল্য প্রায় ৩-৪ লক্ষ টাকা। যে এলাকায় ট্রন্সফরমার নষ্ট হয় সে এলাকায় ৩-৪ দিন বিদ্যুৎ থাকে না। এখানে গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। প্রতি ফিডারে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলীদর ২-৩ বছর থাকার কথা থাকলেও কি এক অজ্ঞাত কারণে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মতিয়ার রহমান টাউন ফিডার-এ ১৬ বছর ধরে দায়িত্বরত আছেন তা বোধগম্য নয়। এই দীর্ঘ সময় একই দায়িত্বে থাকার কারণে তিনি টাউন ফিডারের অধীন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী পরিবারগুলোর সাথে একথরনের অনৈতিক আর্থিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তিনি এসব জায়গা থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে তাদেরকে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা দেন। ফলে এই ফিডারে বড় ধরনের সিস্টেম লস হয় এবং সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাতক্ষীরার আবাসিক নির্বাহি প্রকৌশলী মোঃ রোকনুজ্জামান জানান, সাতক্ষীরায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ মেগাওয়াট। সেখানে আমরা পাচ্ছি মাত্র ১১ মেগাওয়াট। তিনি এজন্য জাতীয় গ্রিডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের দায়ী করে তিনি বলেন, তারা আমাদের বিদ্যুৎ কম সরবরাহ করছে। আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকার কারণে ঘন ঘন লোডশিডিং হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest