সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষা কমিটির স্মারকলিপি

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয়করণের আদেশের আগে সংশ্লিষ্ট কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে বিধি প্রণয়ন, শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়নের পর যে ৪৫ টি কলেজ জাতীয়করণ করা হয়েছে সেসব কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্তকরণের আদেশ বাতিল ও প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের পরও জাতীয়কৃত কলেজ থেকে যে সকল শিক্ষককে বদলী করা হয়েছে তা বাতিল করার দাবিতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষা কমিটি একযোগে সারাদেশের ৬৪ টি জেলার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার সকাল ১০ টায় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা মর্যাদা রক্ষা কমিটি সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের সদস্যরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মহিউদ্দীনের নিকট স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। এসময় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ, তালা সরকারি কলেজ ও কলারোয়া সরকারি কলেজের আজিজুর রহমান. শাহীনুল হক, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, অরুন কুমার বিশ্বাস, মোঃ শরীফুল আলম, মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, মোঃ শহীদুল ইসলামসহ শতাধিক শিক্ষক উপিস্থত ছিলেন। জেলা প্রশাসক দাবিগুলোকে অত্যন্ত যৌক্তিক বলে অভিহিত করেন। এছাড়াও তিনি অতি দ্রুত স্মারকলিপিটি প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠিয়ে দেবেন বলে অবহিত করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপন বিষয় ফাঁস করলেন ‘ভারতের ধর্মগুরু’ রাধে মা

নিজের সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় ফাঁস করেছেন ভারতের অন্যতম আলোচিত ধর্মগুরু রাধে মা ওরফে সুখবিন্দর কউর। জানিয়েছেন, বিদেশে গেলে বা ব্যক্তিগত পরিসরে ছোট পোশাক পরেন।
আর এর মধ্যে কোনও ভুলও দেখেন না। কারণ পোশাক ‘ক্যারি’ করাটাই আসল বিষয়। তিনি ছোটো পোশাক ‘ক্যারি’ করতে পারেন, তাই পরেন।

সন্তানদের নিয়েও মুখ খুলেছেন রাধে মা। তিনি বলেন, আমার সন্তানরা কখনই আমার অযত্ন করেনি। আমি যাতে বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারি, সেদিকে সবসময়ই নজর রেখেছে ওরা।

রাধে মা ওরফে সুখবিন্দর কউর জানান, দুই সন্তান-সহ তাকে ফেলে রেখে তার স্বামী বিদেশে পালিয়ে যান। তারপর থেকে নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়েছেন তিনি। সন্তানদের একা বড় করেছেন।
শ্বশুরবাড়ির সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এই সময়েই তিনি এক গুরুর কাছে যান। তিনিই নাকি তাকে ‘মা চণ্ডীর’ রূপ বলেছিলেন। এরপর থেকেই তিনি ধর্মের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন।

রাধে মায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ের এক ব্যক্তির কাছ থেকে চাপ দিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসবই মিডিয়ার অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি। রাধে মা বলেন, ‘অনেক সময়েই আমাকে নিয়ে অনেক ধরনের খবর প্রচারিত হয়। তাতে আমি ব্যথিত হই। আমার জীবন একটা খোলা বইয়ের মতো। ‘ সূত্র: জি নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজেকে বুদ্ধ দাবি করে শত শত কিশোরীকে ধর্ষণ !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিজেকে পরবর্তী বুদ্ধ দাবি করে শত শত কিশোরীর কুমারিত্ব নষ্ট করেছেন খুন তান। তার কাছে কিশোরীদের কুমারিত্ব সঁপে দিলে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিতেন তিনি। মন রাজ্যের থাটন জেলার এই ভ-ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরিকল্পনা চলছে।
আলানতায়া এলাকার পা-ও সম্প্রদায়ের অভিভাবকরা বিশ্বাস করেন, খুন তানের সঙ্গে তাদের মেয়েদের বিছানায় যাওয়ার বিষয়টি সৌভাগ্যের ব্যাপার। অভিভাবকদের সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে শত শত কিশোরীর কুমারিত্ব নষ্ট করেছেন খুন তান। কুমারিত্ব হারানো কিশোরীদের বেশিরভাগেরই বয়স ১৫ বছরের কম।
মন রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পরিকল্পনা করছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কিশোরী খুন তানের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ কিংবা থানায় মামলা করেনি।
মন রাজ্য পার্লামেন্টের নারী ও শিশু অধিকার কমিটির প্রধান দো খাইং খাইং লে জানান, সরকারিভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তালিকায় খুন তানের নাম নেই। কারণ এখন পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কুমারিত্ব নষ্টের অভিযোগ করেনি।
খুন তানের কাছে নিজের দুই মেয়ের কুমারিত্ব নষ্ট হয়েছে ইউ উইন নায়ান্ট নামের এক ব্যক্তির। তিনি জানান, ‘আমার মেয়েদের অভিভাবক হিসেবে আমি কোনোভাবেই খুন তানের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারি না। কারণ আমার স্ত্রী এবং দুই মেয়ে তাদের কুমারিত্ব, জীবন খুন তানের কাছে সঁপে দিয়েছে। তারা যদি বলে, খুন তান তাদের ছুঁয়েও দেখেনি; সে কারণে মামলা করাটা আমার জন্য কঠিনই।’
খুন তানের সঙ্গে অলিখিতভাবে বিয়ে হয়েছে ইউ উইন নায়ান্টের দুেই মেয়ের। এছাড়া আরও ১০ জন কুমারির অলিখিতভাবে বিয়ে হওয়ার তথ্য জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ‘খুন তান তাদের মেয়েদের বিয়ে না করার কারণে অনেক অভিভাবক মনঃক্ষুন্ন পর্যন্ত হয়েছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সীমান্ত হতে শিশু, নারীসহ ২১ বাংলাদেশী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারত হতে বাংলাদেশে ফেরার পথে ২১ বাংলাদেশীকে আটক করেছে ৩৮ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটককৃতদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৫ শিশু রয়েছে।
বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সদরের তলুইগাছা সীমান্তে বিজিবির টহল দল ৩ ধাপে তাদেরকে আটক করে।
তলুইগাছা বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান জানান, আটককৃতদের বাড়ি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায়। পাসপোর্ট ছাড়াই বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে তারা ভারতে গিয়েছিলেন। গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাদেরকে আটক করা হয়। তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। পাসপোর্ট আইনে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিছুক্ষণের মধ্যে ৩৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক : ৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল আজ বুধবার প্রকাশিত হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় চলতি বছরের ২৩ মে। প্রায় পাঁচ মাস ধরে পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় আছেন পরীক্ষার্থীরা। ৩৭তম বিসিএসের প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫২৩ জন উত্তীর্ণ হন। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। এতে অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী।

প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে ১ হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিসিএস পরীক্ষায় নিতে গত ৩১ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুদকের মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মশিউরের কারাদণ্ড

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ মশিউর রহমানকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার সকালে যশোরের বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এই দণ্ডাদেশ দেন।

আদালত মশিউরের ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত’ ১০ কোটি পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩০ টাকার অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো নয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এ রায়কে অবৈধ দাবি করে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলাব্যাপী আধাবেলা হরতাল ডেকেছে।

মশিউর রহমান ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি। এর আগে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকও ছিলেন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানান, বিএনপি নেতা মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠনের পর যশোর আদালতে ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ রায় দেওয়া হয়।

মশিউর আরো জানান, রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু আসামিপক্ষের নানা অপতৎপরতার কারণে মামলার বিচারকাজ দীর্ঘায়িত হয়েছে।

দুদকের সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জাহিদুর রহমান জানান, তাঁরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। মামলার রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পাঁচ কোটি সাত লাখ ৯৮ হাজার ৯৮৩ টাকার সম্পদের হিসাব গোপন করাসহ পাঁচ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার ৭৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক হুইপ মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন দুদকের সমন্বিত কুষ্টিয়া জেলা অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন মৃধা। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন উপপরিচালক নাসির উদ্দিন।

অভিযোগ গঠনের পর বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মামলাটি পাঠানো হয় যশোরের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেনাবাহিনীর হাতে মুক্তিপণের টাকাসহ ডিবি পুলিশের একটি দল আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যক্তিকে অপহরণের অভিযোগে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাতজনকে নগদ ১৭ লাখ টাকাসহ আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।
আজ বুধবার ভোরে ডিবির ওই সাত সদস্যকে আটক করা হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফের সাবরাং ত্রাণকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা মেজর নাজিম আহমেদ। তাঁর নেতৃত্বে ডিবির ওই দলটিকে আটক করা হয়।

অপহৃত ব্যবসায়ীর নাম আবদুল গফুর। তিনি কম্বলের ব্যবসা করেন।

মেজর নাজিম আহমেদ বলেন, আবদুল গফুরকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে অপহরণ করে ডিবির একটি দল। এরপর মুক্তিপণ হিসেবে পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে তারা। কিন্তু দর-কষাকষির পর ওই ব্যবসায়ীর পরিবার ১৭ লাখ টাকা দিতে রাজি হয়। টাকা পাওয়ার পর তাঁকে ভোররাতে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এরপর ওই ব্যবসায়ীর পরিবার বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ এলাকার লম্বরী সেনাবাহিনীর তল্লাশিচৌকিতে ডিবির গাড়িটি সংকেত দিয়ে থামানো হয়। এ সময় মনিরুজ্জামান নামের একজন উপপরিদর্শক (এসআই) পালিয়ে যান। সাতজনকে আটক করা হয়। গাড়ি থেকে মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করা ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে ভোররাতেই তাঁদের সাবরাং সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়।

মেজর নাজিম আহমেদ বলেন, ‘জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সেনাবাহিনী ক্যাম্পে এসে আলোচনার মাধ্যমে আটক কর্মকর্তাদের নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আমাদের জানান তাঁরা। তবে উদ্ধার করা টাকা আমাদের হাতেই রয়েছে।’

আবদুল গফুরের বড় ভাই টেকনাফ পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান ভোররাতেই এ ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার ভাইকে কক্সবাজার থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল অপহরণ করেছে। তাঁকে আটক করে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে। আমরা টাকা দেওয়ার জন্য রাজিও হই। তবে টাকা দেওয়ার বিষয়টি টেকনাফ সেনাবাহিনীকে অবহিত করেছি। পরে ভোররাত চারটার দিকে সেনাবাহিনীর লম্বরী ক্যাম্পের কিছু দূরে ১৭ লাখ টাকা দেওয়ার পর আমার ভাইকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশের দল। ডিবি পুলিশের দলটি কক্সবাজার ছাড়ার পথে সেনাবাহিনীর ওই ক্যাম্পে তাদের আটক করা হয়। আটক করা সাতজনের মধ্যে একজন হলেন পুলিশ পরিদর্শক ইয়াসির আরাফাত।’

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আটক করা ডিবি সদস্যদের জেলা পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব ফল!

রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়াবেটিস রোগীদের পরিমিত খাবার খেতে হয়। এক্ষেত্রে খাদ্য তালিকায় তারা রাখতে পারেন কিছু ফল। যদিও এমন কিছু ফল আছে যারা রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে রসালো কিছু ফল আছে যারা ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারি। যেসব ফলের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম থাকে সে সব ফল ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারি। আসুন জেনে নেই সেই ফল গুলো সম্পর্কে-

* আপেলঃ
রসালো ও সুস্বাদু ফল আপেলে ভিটামিন সি,অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। এতে পেক্টিন থাকে যা শরীরের টক্সিন বের হয়ে যেতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিকসের ইনসুলিন চাহিদা ৩৫% কমায়। তাই দৈনিক ১টা আপেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

* কমলাঃ
পুষ্টিকর এই ফলটিতে পানি থাকে ৮৭% যার গ্লিসামিক ইন্ডেক্স খুবই কম। এছাড়াও এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, চিনি কম থাকে এবং ভিটামিন সি ও থায়ামিন থাকে যা রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই প্রতিদিন ১টা কমলা খেতে পারেন।

* জাম্বুরাঃ
ডায়াবেটিস এ আক্রান্তদের জন্য জাম্বুরা একটি নিরাপদ ফল। ভিটামিন সি এ সমৃদ্ধ এই ফলে উচ্চ মাত্রার দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যার গ্লিসামিক ইনডেক্স ২৫ এবং পানির পরিমাণ থাকে ৯১%। এছাড়াও জাম্বুরাতে নারিঞ্জেনিন নামক ফ্ল্যাভনয়েড থাকে যা শরীরের সংবেদনশীলতাকে উদ্দীপিত করে ইন্সুলিন বৃদ্ধি করে।

* পেয়ারাঃ
পেয়ারায় উচ্চ মাত্রার ভিটামিন এ, সি এবং তন্তু রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে গ্লাইসেমিক ইনড্রেক্স কমিয়ে আনার জন্যও দায়ী এই ফলটি।

* আনারঃ
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে আনারের লাল লাল দানাগুলো। এটা বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

* পীচফলঃ
সুস্বাদু এই ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এই ফলটিতে গ্লাইসেমিক ইনড্রেক্স কম পরিমাণে থাকায় তা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest