সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কঠিন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার আকুতি কুল্যার সুন্দরী দাসীর

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কঠিন ব্যধিতে আক্রান্ত অসহায় সুন্দরী দাসী অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষের কাছে। ছোট ছোট তিনটি সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বাঁচার আঁকুতি নিয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ফিরছেন বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে।
কচুয়া দাশপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র নিমাই দাশের স্ত্রী সুন্দরী দাসি। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে কার্জ করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। একসময় সুন্দরী তার কাধে (গলার বাম পাশে) চামড়ার উপরে মাংসে চর্ম রোগের মত অনুভব করেন। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করালেও উপকার হয়নি। দিন যায় আক্রান্ত স্থানের ক্ষত আরও বাড়তে থাকে। আক্রান্ত স্থানে প্রচ- ব্যথা-যন্ত্রণা অনুভব হতে থাকে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসায় উপকার না হওয়ায় সাতক্ষীরা, খুলনায় বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করান হলেও কোন উপকার পায়নি তারা। সহায়-সম্বল বিক্রয় করে চিকিৎসা খরচ দিতে দিতে তারা সর্বস্ব হারা হয়ে পড়েন। এরপর মানুষের দ্বারে ঘুরে ঘুরে কিছু টাকা একত্রিত করে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে থাকেন। কিন্তু না তাতেও কোন উপকার হয়নি। চিকিৎসকরা বলেছেন তার রোগের নাম “নিউরোফ্রায়হোমা”। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন জনের পরামর্শ পেয়ে তারা অর্থ-যোগাড় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে হয় সুন্দরীকে। তখন তার কোন হিতাহিত জ্ঞান থাকেনা। অসহনীয় যন্ত্রনার হাত থেকে রক্ষা পেতে তারা দ্বারে দ্বারে ঘুরে সামান্য কিছু টাকা যোগাড় করতে পেরেছেন। এখনো বহু টাকার প্রয়োজন। তাই সরকার, জন প্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাদের মোবাইল নং ০১৭৭৬-৭৭৯৯১৩ এ যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিজ্ঞানী পি সি রায় একজন প্রকৃত দার্শনিক ছিলেন – উপাচার্য ফায়েক উজ্জামান

কৃষ্ণ রায়, পাইকগাছা : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেছেন, বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র পি.সি. রায় আজীবন মানব কল্যাণে কাজ করে গেছেন। একাধারে তিনি শিক্ষক, গবেষক, ব্যবসায়ী, সমাজ সংস্কারক ও সমবায় আন্দোলনের পূরোধা ছিলেন। রবীন্দ্র-পি সি রায়ের একই সনে জন্ম উল্লেখ করে খুবি ভিসি জানান, এ ধরণের বরণ্য ব্যক্তি যুগে যুগে পৃথিবীতে আসেন এবং তাদের কর্মময় জীবন আলোকিত করে নিজেকে মানব কল্যাণে উৎস্বর্গ করে যান। বিজ্ঞানী পি সি রায় এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি জীবনে কখনো ব্যক্তি স্বার্থ কিংবা ব্যবসায়ীক মনোভাব নিয়ে কোন কাজ করেননি। তিনি লেখাপড়া শেষে বিদেশে ভাল কোন চাকুরি করতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি না করে দেশে এসে প্রধান পেশা হিসাবে শিক্ষকতাকে শুরু করেন। তার শিক্ষকতার ব্রত আর বর্তমান শিক্ষকদের শিক্ষকতার মধ্যে অনেক তফাত রয়েছে উল্লেখ করে ভিসি ফায়েক উজ্জামান বলেন, বর্তমান শিক্ষকদের মধ্যে প্রাইভেট পড়ানো এবং কিভাবে বেশী বেশী টাকা রোজগার করা যায় তার প্রতিযোগিতা চলছে। এ ধরণের প্রতিযোগিতা পরিহার করে বিজ্ঞানী পিসি রায়ের শিক্ষকতার আদর্শকে অনুসরণ করার জন্য বর্তমান সময়ের শিক্ষকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। বিজ্ঞানী পি সি রায় যে, একজন প্রকৃত দার্শনিক ছিলেন তা তার চেহারা ও কর্মকান্ড প্রমাণ করে। বিজ্ঞানীর জনহিতকর এ কর্মকান্ড আমাদেরকে এখনো অনুপ্রাণিত করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিসি রায়ের জীবন আদর্শ বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নিতে হবে। ইতোমধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী পিসি রায়ের নামে নামকরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিসি রায় তার অর্জিত সকল সম্পত্তি মানব কল্যাণে দান করে মানবতায় যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বুধবার সকালে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়–লী কাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত বিজ্ঞানীর ৭৩তম মহাপ্রয়াণ দিবস উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজিত সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও সহঃ অধ্যাপক রণজিৎ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ। বিশেষ আলোচক ছিলেন, বিএল কলেজের বিভাগীয় প্রধান (বাংলা) প্রফেসর মোঃ আব্দুল মান্নান, মেথোজিস্ট থিয়োলজিক্যাল সেমিনারী ঢাকার ভাইস প্রিন্সিপাল ড. রেভা সাইমন আর বিশ্বাস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন রাজিব। অসিম চক্রবর্তীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, এসএম লিয়াকত হোসেন, লেখক ও সাংবাদিক বদরু মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, কবি ও গবেষক খসরু পারভেজ, কবি মকবুল মাহফুজ, প্রধান শিক্ষক পরেশ কুমার ঘোষ, মুক্তিযোদ্ধা সরদার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন ও শিক্ষার্থী রিংকু মন্ডল। উল্লেখ্য, বিজ্ঞানী পিসি রায় ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট পাইকগাছার রাড়–লীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন চিরকুমার বরেণ্য এ বিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও সেমিতে আটকে গেল ব্রাজিল

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই বিবেকানন্দ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মাঠে রিয়ান ব্রেস্টারের পেছনে ছুটলো ইংল্যান্ডের গোটা দল। মুহুর্তের মধ্যেই সতীর্থ খেলোয়াড়দের মাঝে হারিয়ে গেলেন লিভারপুলের এ ফরোয়ার্ড। ব্রেস্টারের কাছেই যে ৩-১ গোলে হেরে গেলো ব্রাজিল! তার হ্যাটট্রিকে অধরা যুব বিশ্বকাপের ট্রফি জায়ের শেষ মঞ্চে উঠলো ইংল্যান্ড।

মাঠের আরেক পাশে তখন ভিন্ন চিত্র। যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সবুজ ঘাসে হাত-পা টান করে শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ব্রাজিলের কয়েকজন ফুটবলার। কোচ কার্লোস আমাদেউ মাঠে ঢুকে সবাইকে সান্তনা দিলেন। কয়েকবার তাকালেন সল্ট লেগের প্রায় পূর্ণ গ্যালারিরের দিকে। ২৮ অক্টোবর এ মাঠেই যে আবার নামবেন তারা। তবে ফাইনাল নয়, তৃতীয় স্থানের জন্য।

যুব ভারতীর চিত্রটা অনেকাংশেই মিলে গেলো ২০১৪ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে সেমিফাইনালে ব্রাজিলের হারের পর বেলো হরিজন্তের সঙ্গে। বুধবার কলকাতার যুব ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলো নেইমারের দেশ। ইংল্যান্ড গতিময় ফুটবল খেলেই ব্রাজিলবধ করে প্রথমবারের মতো উঠলো ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে।

কলকাতাবাসীর জন্য এ ম্যাচটি ছিল বোনাস। এ শহরের মানুষও তাদের দিয়েছে বুকভরা ভালোবাসা। গ্যালারির ৮০ ভাগই ছিল হলুদ জার্সিধারীদের সমর্থক। যখনই ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা বল নিয়ে ইংল্যান্ডের রক্ষণে ঢুকেছেন তখনই ব্রাজিল ব্রাজিল স্লোাগানে মুখরিত হয়েছে স্টেডিয়াম। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল সমর্থকদের হতাশ করে ফাইনালের টিকিট নিয়ে নিলো ইংল্যান্ড।

এই সল্ট লেকেই বড়দের হয়ে জার্মানির বিপক্ষে মধুর এক প্রতিশোধ নিয়েছিল ব্রাজিলের ছোটরা। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা পিছিয়ে পড়েও হোটেলে ফিরেছিল দুর্দান্ত এক জয় নিয়ে। মাত্র চারদিনের ব্যবধানেই সেই সল্ট লেকেই অনুজ্জ্বল নেইমাদেরর উত্তরসূরিরা। যেভাবে শুরু করেছিলেন পলিনহো, লিনকন ও অ্যালানরা তাতে মনে হয়েছিল সল্ট লেকে আরেকটি ব্রাজিলীয় কাব্যই রচিত হচ্ছে।

ব্রাজিলকে বেশি সময় দেয়নি ইংল্যান্ড। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটা একবার নিয়ে আর ছড়েইনি। গতি আর ডিফেন্সচেরা পাসে তছনছ করে দিয়েছে ব্রাজিলের রক্ষণ। আর পরিকল্পিত সে আক্রমণগুলো কাজে লাগিয়ে হ্যাটট্রিক করলেন রিয়ান ব্রেস্টার। কোয়ার্টার ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের পর সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ৭ গোল নিয়ে এখন সবার উপর এ ইংলিশ যুবক।

১০ মিনিটে ব্রাজিলের গোলরক্ষক গ্যাবরিয়েলের ভুলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। বাম দিক দিয়ে হাডসনের ক্রস থেকে ব্রেস্টারের নেয়া শট হাতে পড়লেও আটকাতে পারেননি ব্রাজিল গোলরক্ষক। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় বল জালে পাঠিয়ে ব্রেস্টার স্তব্ধ করে দেন গ্যালারি। ১১ মিনিটের মধ্যে ব্রাজিল ফিরলো ব্রাজিলের মতো করেই।

কিছু সময়ের জন্য ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ নাচলো ব্রাজিলীয় ফুটবল ছন্দে। বল দেয়া-নেয়া করে একেবার বক্সে ঢুকে পড়লেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডরা। তবে গোলটি পেলেন না ফরোয়ার্ডদের কেউ। দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে সমতা আনলেন ব্রাজিলের রাইটব্যাক ওয়েসলে। মুহুর্তেই জেগে উঠলে ঝিমিয়ে পড়া যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের গ্যালারি।

শুরুর পর কয়েক মিনিট আর সমতায় ফেরার আগের কয়েক মিনিট ছাড়া মাঠে আর ব্রাজিলকে পাওয়া গেলো না ব্রাজিলের মতো করে। ইংল্যান্ড মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে আক্রমণগুলো তৈরি করেছে। তাদের প্রতিটি আক্রমণই ছিল ক্ষুরধার। জ্যামিতিক ছকে ফুটবল খেলেছে বেকহ্যামদের উত্তরসূরিরা। তাদের পরিকল্পিত ও গতিময় ফুটবলের সামনে রীতিমতো অনুজ্জ্বল হয়ে থাকলো ব্রাজিল। ল্যাটিন আমেরিকার দলটির রক্ষণের দূর্বলতটাই তাদের ডোবালো সেমিফাইনালে।

পলিনহো ও লিনকন এ ম্যাচে ছিলেন নিজেদের ছায়া। জার্মানীর বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল করে ব্রাজিলকে সেমিফাইনালে তোলা পলিনহোকে বোতলবন্দী করে রেখেছিলেন ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ। তার ওপর প্রথমার্ধের শেষ দিকে আঘাত পান ভাস্কো দ্য গামার ফরোয়ার্ড। লিনকনও আতঙ্ক ছড়াতে পারেননি গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে।

তারপরও যে সুযোগগুলো পেয়েছিল ব্রাজিল তা বিফলে গেছে ব্রেস্টারের মতো একজন ফিনিশারের অভাবে। ম্যাচ ২-২ করার সুযোগও পেয়েছিল ব্রাজিল। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল বাইরে পাঠিয়ে সুযোগ নষ্ট করেন ব্রেনার। উল্টো ৭৭ মিনিটে ব্রেস্টারের হ্যাটট্রিক পূরণ করা গোলে হারের ব্যবধান ১-৩ হয় ব্রাজিলের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৫৯ ভ‌রি স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

অনলাইন ডেস্ক : দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্তে ৫৯ ভ‌রি স্বর্ণসহ শ‌রিফুল ঢালী নামে ভারতীয় এক নাগ‌রিককে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাত ৮টার দিকে তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বি‌জি‌বি) সদস্যরা।

আটক শ‌রিফুল ভারতের উত্তর চ‌ব্বিশ পরগণার হ‌রিহরনগর সোলাদানা গ্রামের মৃত ক‌রিম ঢালীর ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোমরপুর বিওপির সুবেদার আক্তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বিয়ে নয়, প্রজ্ঞাপন জারি

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে না জড়ানোর জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে তারা। আজ বুধবার এ প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের একাধিক এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা ৭-এর সিনিয়র সহকারী সচিব জি এম নাজমুছ শাহাদাৎ স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশি ছেলেদের সঙ্গে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মেয়েদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কতিপয় নিকাহ রেজিস্ট্রার এই অপতৎপরতায় লিপ্ত। এ কারণে বিশেষ এলাকা- কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলায় বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বর-কনে উভয়ে বাংলাদেশি নাগরিক কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। বর-কনের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, এ বিষয়ে গাফিলতি দেখা গেলে দায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার রেজিস্ট্রারদের বিষয়টি তদারকির জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্লু হোয়েল আসক্ত আরও এক শিক্ষার্থী ঢামেকে !

আত্মহত্যার চেষ্টার পর ব্লু হোয়েল গেমের প্রতি আসক্ত আরও এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এসেছে। তার নাম ফয়সাল আহমেদ (২২)।

বুধবার চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেকে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার লাউতলী গ্রামের আবদুল মালেকের সন্তান। ফয়সাল ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু কলেজের বিএ’র ছাত্র।

ফয়সালের খালা নাসিমা আক্তার জানান, চাঁদপুর থেকে গতকাল রাতে ফয়সালকে নিয়ে পরিবার তার মতিঝিলের বাসায় উঠেছে। অনেক কষ্ট করে, অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে ফয়সালকে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসতে পেরেছে।

তিনি আরও জানান, ব্লু হোয়েল গেমসে আসক্ত হয়ে ফয়সাল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা পর্যন্ত করেছে। তার হাত কেটেছে, ব্লেড দিয়ে কেটে হাতে মাছ এঁকেছে সে।

ফয়সাল জানায়, সে ব্লু হোয়েল গেমস খেলতে খেলতে ১০ ধাপ পর্যন্ত গিয়েছে। এরপরই অ্যাডমিন তাকে খুব বাজে ও কুৎসিত মন্তব্য করে।
অনেক ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখায়। এ বিষয়ে এর বেশি কিছুই বলতে চায়নি সে।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. জুয়েল বাড়ৈ জানান, ফয়সালকে তার স্বজনরা চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। তার দুই হাত ব্লেড দিয়ে কাটা ছিল। সে তার বাম হাত ব্লেড দিয়ে কেটে তাতে তিমি মাছ এঁকেছে।

ডা. জুয়েল বাড়ৈ আরো জানান, ফয়সালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, ‘তুমি হাত কেটেছো কেন?’ তখন সে জানায়, ব্লু হোয়েল গেমসের অ্যাডমিনরাই তাকে হাত কাটতে বলেছে। তাকে ঢামেকের আউটডোরের মানসিক চিকিৎসা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নম্বর বাড়িয়ে ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পাইয়ে দেয়া জালিয়াত চক্র আবারও সক্রিয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্কুলের সুনাম দেখানোর জন্য কিছু শিক্ষক, সামাজিকভাবে সম্মান অর্জনের জন্য কিছু অভিভাবক আর অর্থলোলুপ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী – এই তিনের ষঢ়যন্ত্রে কত গরিব মেধাবী শিক্ষার্থী যে প্রাথমিক সমাপনী বৃত্তি বঞ্চিত হচ্ছে তার কোন ইয়াত্তা নেই। কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নম্বর বাড়িয়ে অযোগ্যদের বৃত্তি পাইয়ে দেয়ার নামে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র বিপুল পরিমাণ অর্থ বাণিজ্য করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে অনেক যোগ্য শিক্ষার্থী হয় ট্যালেন্টপুলের পরিবর্তে সাধারণ গ্রেডে আবার অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী হয়ত কোন বৃত্তিই পাচ্ছে না যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও। সাতক্ষীরায় এই চক্রটি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে দেশ ব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। আর এই (একজন শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার জন্য সাতক্ষীরায় শক্তিশালী একটি জালিয়াত চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এদের নেটওয়ার্ক জেলা ব্যাপী বিস্তৃত।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হয়। এটি কোমমতি একজন শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।
বিগত কয়েক বছর ধরে সাতক্ষীরা জেলা ব্যাপী একটি জালিয়াত চক্র প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কোমলমতি শিশুদের অভিভাবকদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তারা মাথাপ্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার পর যোগসাজশে কৌশলে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নাম্বার বাড়িয়ে দিয়ে তুলনামূলক কম মেধাবী শিক্ষাথীদেরকে বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দিচ্ছে। এমনকি যেসব শিক্ষকের কাছে এসব ছাত্র-ছাত্রীদের খাতা যাচ্ছে তাদের খুঁজে বের করে তাদের সাথেও চক্রটি যোগাযোগ করে নাম্বার বাড়িয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রকৃত মেধাবীরা জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় ধাক্কা খাচ্ছে, হচ্ছে চরম প্রতারণার শিকার। একই সাথে তারা হতাশ হয়ে শিক্ষা জীবনে পিছিয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে মনোবল।
প্রতারক ওই চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসের দুর্নীতিবাজ কতিপয় শিক্ষা কর্মকর্তা ও কতিপয় শিক্ষক জড়িত বলে জানা গেছে।
গত বছর (২০১৬ সালে) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (বর্তমানে খুলনার ডুমুরিয়ায় কর্মরত) শেখ ফারুক হোসেন ও উপজেলা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ভবদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ৯৭ জন শিক্ষার্থীর কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগ ওঠে। কালিগঞ্জের বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাকিম জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পরিবর্তীত টেবুুলেশন শিট পরিবর্তন করে যারা প্রকৃত বৃত্তি ও এ+ পাওয়ার যোগ্য তাদেরকেই দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় প্রতারক ওই জালিয়াত চক্রটি বেশ আগে থেকেই সুকৌশলে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারা প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কৌশলে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নম্বর বাড়িয়ে বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও করছে তারা।
সরকারি নিয়ত অনুযায়ী এক উপজেলার পলীক্ষার খাতা অন্য উপজেলার শিক্ষকরা দেখবে। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অন্য উপজেলায় খাতা পাঠানোর সময় প্রতিটি পরীক্ষার খাতায় একটি কোর্ড নাম্বার বসবে, যা উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ থাকবে। পরবর্তী নাম্বার আসার পর উপজেলা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কোর্ড নাম্বার অনুযায়ী প্রথমে ডাটা এন্ট্রি করে একটি খসড়া টেবুলেশন শিট তৈরি করবেন। টেবুুলেশন শিট তৈরীর সময় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ছাড়া আর কেউ তা জানতে পারবে না। এটি চেক ক্রস চেক করে তাদের তিন জনের স্বাক্ষরে তা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস উপজেলা শিক্ষা অফিসের ওই টেবুলেশন শিট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। সেখান থেকে প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে ফলাফল (ইউনিয়ন কোটা অনুযায়ী বৃত্তি ও এ+ সহ ) ঘোষনা করা হবে।
প্রতারক চক্রটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যখন টেবুলেশন শিট তৈরী হয় তখন মূলত: সুকৌশলে নাম্বার বাড়ানোর ব্যবস্থা করে থাকে।
চলতি বছরও জালিয়ত চক্রটি প্রতারণার জাল ফেলেছে। ধরা না পড়লেও তাদের নেটওয়ার্ক বেশ শক্তিশালী। বড় বড় রাঘোব বোয়ালরা এই প্রতারণার সাথে জড়িত বলে জানাগেছে।
জি. গাইন ও এম. ইসলাম নামের দুই শিক্ষা কর্মকর্তা , গোপাল ও শফিউল নামের দুই সহকারী শিক্ষক এবং কৃঞ্চ নামের এক ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এই প্রতারক চক্রের মূল হুতা বলে জানাগেছে। জেলাব্যাপী তারা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
আর তাদের এই অবৈধ কাজে ২০১৬ সালে যারা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তাদেরকে এবছর পরীক্ষার আগেই অন্যত্রে বদলির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয় পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
গত বছর ( ২০১৬ সালে ) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের সহকারী ইন্সট্রাক্টর মো: ইয়াছিন আলী চক্রটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তাদের কারণে প্রতারণা করতে বেশ বাধাগ্রস্ত হয় চক্রটি। আর এ কারণে সম্প্রতি ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান ও সহকারী ইন্সট্রাক্টর মো: ইয়াছিন আলীর বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কৌশল অবলম্বর করে নানা ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করে ফেসবুকে তাদের বন্ধু মহলে পোষ্ট ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টি নজরে আসার পর গত ২২ অক্টোবর সহকারি ইন্সট্রাক্টর ইয়াছিন আলী ‘তথ্য প্রযুক্তির অপ-ব্যবহার, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা এবং ব্লাক মেইল করার অভিযোগ এনে কুচক্রী মহলটিকে খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চেয়ে যথাযথ কর্র্তপক্ষের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন।
এদিকে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর গত ২০ সেপ্টেম্বর ডাকা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান প্রতিকার চেয়ে পৃথক একটি আবেদন করেন। যেটি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হয়ে বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান গত ২২ অক্টোবর সাতক্ষীরা পি.টি.আই অফিসের সুপাররিনটেনডেন্ট বরাবর আইনগত প্রতিকার পাওয়ার অনুমতি চেয়ে আরও একটি আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পি.টি.আই অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট মহাদেব ব্যানার্জী অভিযোগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আবেদনপত্র পেয়েছি। বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, লিখিত আবেদনের ফলে ওই জালিয়াত চক্রটির দৌড়-ঝাঁপ বেড়ে গেছে। তারা নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। অভিযোগকারীদেরকে আগামী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আগেই সাতক্ষীরা থেকে অন্যত্রে বদলির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরার অভিভাবক মহল এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিনের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন। যাতে এবছর ওই জালিয়াত চক্রটি জাল বিস্তার না করতে পারে সে ব্যাপারে তিনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা অভিভাবকদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রুহুল হক এমপির নেতৃত্বে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন

তোষিকে কাইফু : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। পরমাণু হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অত্যান্ত সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে এই প্রকল্প গ্রহণ করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রশংসা করে বলেন, শুধু উন্নত দেশ নয়, উন্নয়নশীল দেশ ও পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছে। বিদ্যুতের চাহিদা পূরনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।পরমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে আইএইএর যে গাইডলাইন রয়েছে, বাংলাদেশ তার সঠিক পথে আছে। তাদের আন্তরিকতার কারণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বিধি-বিধান মেনে প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা প্ররিদর্শনকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণলয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি এসব কথা বলেন।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ঢাকা হতে হেলিকাপ্টার যোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণলয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র নেতৃত্বে পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে সংসদীয় একটি প্রতিনিধিদল প্রকল্পের হেলিপ্যাড অবতরণ করেন।

এসময় অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইমরান আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ এমপি, অয়েন উদ্দীন এমপি, নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, অতিরিক্ত সচিব ইতি রাণী পোদ্দার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনারের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দীলিপ কুমার শাহ, রূপপুর পরমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শওকাত আকবর, পাবনা জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিসেট্রট আব্দুল করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারসহ প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং প্রকল্পের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

এসময় অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইমরান আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ এমপি, অয়েন উদ্দীন এমপি, নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, অতিরিক্ত সচিব ইতি রাণী পোদ্দার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনারের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দীলিপ কুমার শাহ, রূপপুর পরমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শওকাত আকবর, পাবনা জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিসেট্রট আব্দুল করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারসহ প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং প্রকল্পের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest