সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

দেবহাটায় পুলিশের নামে চাঁদাবাজিকালে গাঁজাসহ নাবালক ছাত্রলীগ নেতা আটক!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেবহাটায় পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিকালে গাঁজাসহ এক নাবালক ছাত্রলীগ নেতা আটক হয়েছে। সে উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা ওহিদুল ইসলামের পুত্র পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭ম শ্রেণির ছাত্র এবং ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আহম্মেদ। বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে পারুলিয়া মহাশ্মশান এলাকায় পুলিশের নামে চাঁদা আদায়কালে পুলিশ তাকে আটক করে। দেবহাটা থানার এএসআই কায়সার, আল-আমিন, আমজাদ, শামিম হোসেন তাকে আটক করে।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কাজী কামাল হোসেন জানান, পারুলিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিল। বুধবার রাতে পারুলিয়া মহাশ্মাশান এলাকায় চাঁদাবাজির খবর পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে। এসময় তার কাছে ৩৫ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আটক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থার প্রক্রিয়া অব্যহত ছিল।
উল্লেখ্য যে, আটক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়ায় ইতোপূর্বে স্থানীয়রা এবং থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হলেও পুনরায় আগের পন্থায় চালাতে থাকে। এমন কি সে একজন মাদকসেবী বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছে। তাছাড়া পরিবারে পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত শাসন না থাকায় অপ্রাপ্তবয়সে তার এধরনের কর্মকা-ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে -জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পর্যায়ে জেলা ব্যান্ডিং কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং কিশোর বাতায়ণ পরিচিতি করণের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত আসফিয়া সিরাত, জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গাজী মোমিন উদ্দিন প্রমুখ। এসময় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন,‘ জেলা ব্যান্ডিং এর কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদেরকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে পরিচিতি করিয়ে দেওয়া। আজকের এই শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের কর্ণধর। তাদেরকে ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেশকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে।’ জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া আ ’লীগের গ্রুপিংয়ে উত্তেজনা চরমে; এবার পাল্টা লাল্টুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ডেস্ক রিপোর্ট : কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের দ্বন্দ্ব চরমে রূপ নিয়েছে। উপজেলা আ ’লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর মধ্যকার গ্রƒপিংয়ের জের ধরে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিল-মিটিং ও সমাবেশের মত ঘটনা ঘটছে। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষেরও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। মঙ্গলবার উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপনের বিরুদ্ধে লাল্টুর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের প্রতিক্রিয়ায় বুধবার লাল্টুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বক্তব্য দেন স্বপনের অনুসারীরা।
সমাবেশে “কলারোয়ায় ফেল করা দলের শীর্ষ নেতা লাল্টু উপজেলা আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে” Ñ বলে মন্তব্য করেছে স্বপনপন্থী আ ’লীগ নেতারা।
তাদের বলেন, “দলের সাইনবোর্ড লাগিয়ে মীর জাফরের কায়দায় দলকে ও সরকারের উন্নয়নের ধারাকে বাঁধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র কোনভাবেই আপনাদের সভল হবে না। আপনারা যারা দলের নিবেদিত প্রাণ আছেন তাদের সাথে নিয়ে ফেল করা দলের নেতা লাল্টুর সকল ষড়যন্ত্র কঠোর ভাবে দমন করা হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের কলারোয়া মাটি থেকে চিরতরে বিদায় করে দিয়ে কলারোয়াকে কলঙ্কমুক্ত করতে চাই। তাই আপনারা জানেন কিভাবে লাল্টু অতীতে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিল।”
বুধবার বিকালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর মঙ্গলবারের সমাবেশে দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে মিছিল ও প্রতিবাদ করেছে।
বুধবার বিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সাতক্ষীরায় আগমন উপলক্ষে এ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে পৌর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদর্ক্ষিণ শেষে থানা মোড়ে রুপালী ব্যাংকের সামনে এক প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা শফিউল আলম শফির পরিচালানায় জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে¡ শুভেচ্ছা মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য দেন ইউপি চেয়ারম্যানগন মাস্টার নুরুল ইসলাম, আসলামুল আলম আসলাম, এসএম মনিরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন হাবিল, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহমান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান তুহিন, সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সভপতি আমজাদ হোসেন শাহিন, সহ-সভাপতি শহিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাবলু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শেখ আশিকুর রহমান মুন্না, যুগ্ন-আহবায়ক রেজানুজ্জামান লিটু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফরিদ খানসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত দলিয় নেতাকর্মীরা প্রমুখ। উল্লেখ্য, আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাতক্ষীরায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগদানের কথা রয়েছে বলে জানান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কঠিন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার আকুতি কুল্যার সুন্দরী দাসীর

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কঠিন ব্যধিতে আক্রান্ত অসহায় সুন্দরী দাসী অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষের কাছে। ছোট ছোট তিনটি সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বাঁচার আঁকুতি নিয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ফিরছেন বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে।
কচুয়া দাশপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র নিমাই দাশের স্ত্রী সুন্দরী দাসি। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে কার্জ করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। একসময় সুন্দরী তার কাধে (গলার বাম পাশে) চামড়ার উপরে মাংসে চর্ম রোগের মত অনুভব করেন। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করালেও উপকার হয়নি। দিন যায় আক্রান্ত স্থানের ক্ষত আরও বাড়তে থাকে। আক্রান্ত স্থানে প্রচ- ব্যথা-যন্ত্রণা অনুভব হতে থাকে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসায় উপকার না হওয়ায় সাতক্ষীরা, খুলনায় বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করান হলেও কোন উপকার পায়নি তারা। সহায়-সম্বল বিক্রয় করে চিকিৎসা খরচ দিতে দিতে তারা সর্বস্ব হারা হয়ে পড়েন। এরপর মানুষের দ্বারে ঘুরে ঘুরে কিছু টাকা একত্রিত করে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে থাকেন। কিন্তু না তাতেও কোন উপকার হয়নি। চিকিৎসকরা বলেছেন তার রোগের নাম “নিউরোফ্রায়হোমা”। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন জনের পরামর্শ পেয়ে তারা অর্থ-যোগাড় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে হয় সুন্দরীকে। তখন তার কোন হিতাহিত জ্ঞান থাকেনা। অসহনীয় যন্ত্রনার হাত থেকে রক্ষা পেতে তারা দ্বারে দ্বারে ঘুরে সামান্য কিছু টাকা যোগাড় করতে পেরেছেন। এখনো বহু টাকার প্রয়োজন। তাই সরকার, জন প্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাদের মোবাইল নং ০১৭৭৬-৭৭৯৯১৩ এ যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিজ্ঞানী পি সি রায় একজন প্রকৃত দার্শনিক ছিলেন – উপাচার্য ফায়েক উজ্জামান

কৃষ্ণ রায়, পাইকগাছা : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেছেন, বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র পি.সি. রায় আজীবন মানব কল্যাণে কাজ করে গেছেন। একাধারে তিনি শিক্ষক, গবেষক, ব্যবসায়ী, সমাজ সংস্কারক ও সমবায় আন্দোলনের পূরোধা ছিলেন। রবীন্দ্র-পি সি রায়ের একই সনে জন্ম উল্লেখ করে খুবি ভিসি জানান, এ ধরণের বরণ্য ব্যক্তি যুগে যুগে পৃথিবীতে আসেন এবং তাদের কর্মময় জীবন আলোকিত করে নিজেকে মানব কল্যাণে উৎস্বর্গ করে যান। বিজ্ঞানী পি সি রায় এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি জীবনে কখনো ব্যক্তি স্বার্থ কিংবা ব্যবসায়ীক মনোভাব নিয়ে কোন কাজ করেননি। তিনি লেখাপড়া শেষে বিদেশে ভাল কোন চাকুরি করতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি না করে দেশে এসে প্রধান পেশা হিসাবে শিক্ষকতাকে শুরু করেন। তার শিক্ষকতার ব্রত আর বর্তমান শিক্ষকদের শিক্ষকতার মধ্যে অনেক তফাত রয়েছে উল্লেখ করে ভিসি ফায়েক উজ্জামান বলেন, বর্তমান শিক্ষকদের মধ্যে প্রাইভেট পড়ানো এবং কিভাবে বেশী বেশী টাকা রোজগার করা যায় তার প্রতিযোগিতা চলছে। এ ধরণের প্রতিযোগিতা পরিহার করে বিজ্ঞানী পিসি রায়ের শিক্ষকতার আদর্শকে অনুসরণ করার জন্য বর্তমান সময়ের শিক্ষকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। বিজ্ঞানী পি সি রায় যে, একজন প্রকৃত দার্শনিক ছিলেন তা তার চেহারা ও কর্মকান্ড প্রমাণ করে। বিজ্ঞানীর জনহিতকর এ কর্মকান্ড আমাদেরকে এখনো অনুপ্রাণিত করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিসি রায়ের জীবন আদর্শ বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নিতে হবে। ইতোমধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী পিসি রায়ের নামে নামকরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিসি রায় তার অর্জিত সকল সম্পত্তি মানব কল্যাণে দান করে মানবতায় যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বুধবার সকালে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়–লী কাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত বিজ্ঞানীর ৭৩তম মহাপ্রয়াণ দিবস উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজিত সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও সহঃ অধ্যাপক রণজিৎ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ। বিশেষ আলোচক ছিলেন, বিএল কলেজের বিভাগীয় প্রধান (বাংলা) প্রফেসর মোঃ আব্দুল মান্নান, মেথোজিস্ট থিয়োলজিক্যাল সেমিনারী ঢাকার ভাইস প্রিন্সিপাল ড. রেভা সাইমন আর বিশ্বাস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন রাজিব। অসিম চক্রবর্তীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, এসএম লিয়াকত হোসেন, লেখক ও সাংবাদিক বদরু মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, কবি ও গবেষক খসরু পারভেজ, কবি মকবুল মাহফুজ, প্রধান শিক্ষক পরেশ কুমার ঘোষ, মুক্তিযোদ্ধা সরদার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন ও শিক্ষার্থী রিংকু মন্ডল। উল্লেখ্য, বিজ্ঞানী পিসি রায় ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট পাইকগাছার রাড়–লীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন চিরকুমার বরেণ্য এ বিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও সেমিতে আটকে গেল ব্রাজিল

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই বিবেকানন্দ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মাঠে রিয়ান ব্রেস্টারের পেছনে ছুটলো ইংল্যান্ডের গোটা দল। মুহুর্তের মধ্যেই সতীর্থ খেলোয়াড়দের মাঝে হারিয়ে গেলেন লিভারপুলের এ ফরোয়ার্ড। ব্রেস্টারের কাছেই যে ৩-১ গোলে হেরে গেলো ব্রাজিল! তার হ্যাটট্রিকে অধরা যুব বিশ্বকাপের ট্রফি জায়ের শেষ মঞ্চে উঠলো ইংল্যান্ড।

মাঠের আরেক পাশে তখন ভিন্ন চিত্র। যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সবুজ ঘাসে হাত-পা টান করে শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ব্রাজিলের কয়েকজন ফুটবলার। কোচ কার্লোস আমাদেউ মাঠে ঢুকে সবাইকে সান্তনা দিলেন। কয়েকবার তাকালেন সল্ট লেগের প্রায় পূর্ণ গ্যালারিরের দিকে। ২৮ অক্টোবর এ মাঠেই যে আবার নামবেন তারা। তবে ফাইনাল নয়, তৃতীয় স্থানের জন্য।

যুব ভারতীর চিত্রটা অনেকাংশেই মিলে গেলো ২০১৪ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে সেমিফাইনালে ব্রাজিলের হারের পর বেলো হরিজন্তের সঙ্গে। বুধবার কলকাতার যুব ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলো নেইমারের দেশ। ইংল্যান্ড গতিময় ফুটবল খেলেই ব্রাজিলবধ করে প্রথমবারের মতো উঠলো ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে।

কলকাতাবাসীর জন্য এ ম্যাচটি ছিল বোনাস। এ শহরের মানুষও তাদের দিয়েছে বুকভরা ভালোবাসা। গ্যালারির ৮০ ভাগই ছিল হলুদ জার্সিধারীদের সমর্থক। যখনই ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা বল নিয়ে ইংল্যান্ডের রক্ষণে ঢুকেছেন তখনই ব্রাজিল ব্রাজিল স্লোাগানে মুখরিত হয়েছে স্টেডিয়াম। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল সমর্থকদের হতাশ করে ফাইনালের টিকিট নিয়ে নিলো ইংল্যান্ড।

এই সল্ট লেকেই বড়দের হয়ে জার্মানির বিপক্ষে মধুর এক প্রতিশোধ নিয়েছিল ব্রাজিলের ছোটরা। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা পিছিয়ে পড়েও হোটেলে ফিরেছিল দুর্দান্ত এক জয় নিয়ে। মাত্র চারদিনের ব্যবধানেই সেই সল্ট লেকেই অনুজ্জ্বল নেইমাদেরর উত্তরসূরিরা। যেভাবে শুরু করেছিলেন পলিনহো, লিনকন ও অ্যালানরা তাতে মনে হয়েছিল সল্ট লেকে আরেকটি ব্রাজিলীয় কাব্যই রচিত হচ্ছে।

ব্রাজিলকে বেশি সময় দেয়নি ইংল্যান্ড। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটা একবার নিয়ে আর ছড়েইনি। গতি আর ডিফেন্সচেরা পাসে তছনছ করে দিয়েছে ব্রাজিলের রক্ষণ। আর পরিকল্পিত সে আক্রমণগুলো কাজে লাগিয়ে হ্যাটট্রিক করলেন রিয়ান ব্রেস্টার। কোয়ার্টার ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের পর সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ৭ গোল নিয়ে এখন সবার উপর এ ইংলিশ যুবক।

১০ মিনিটে ব্রাজিলের গোলরক্ষক গ্যাবরিয়েলের ভুলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। বাম দিক দিয়ে হাডসনের ক্রস থেকে ব্রেস্টারের নেয়া শট হাতে পড়লেও আটকাতে পারেননি ব্রাজিল গোলরক্ষক। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় বল জালে পাঠিয়ে ব্রেস্টার স্তব্ধ করে দেন গ্যালারি। ১১ মিনিটের মধ্যে ব্রাজিল ফিরলো ব্রাজিলের মতো করেই।

কিছু সময়ের জন্য ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ নাচলো ব্রাজিলীয় ফুটবল ছন্দে। বল দেয়া-নেয়া করে একেবার বক্সে ঢুকে পড়লেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডরা। তবে গোলটি পেলেন না ফরোয়ার্ডদের কেউ। দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে সমতা আনলেন ব্রাজিলের রাইটব্যাক ওয়েসলে। মুহুর্তেই জেগে উঠলে ঝিমিয়ে পড়া যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের গ্যালারি।

শুরুর পর কয়েক মিনিট আর সমতায় ফেরার আগের কয়েক মিনিট ছাড়া মাঠে আর ব্রাজিলকে পাওয়া গেলো না ব্রাজিলের মতো করে। ইংল্যান্ড মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে আক্রমণগুলো তৈরি করেছে। তাদের প্রতিটি আক্রমণই ছিল ক্ষুরধার। জ্যামিতিক ছকে ফুটবল খেলেছে বেকহ্যামদের উত্তরসূরিরা। তাদের পরিকল্পিত ও গতিময় ফুটবলের সামনে রীতিমতো অনুজ্জ্বল হয়ে থাকলো ব্রাজিল। ল্যাটিন আমেরিকার দলটির রক্ষণের দূর্বলতটাই তাদের ডোবালো সেমিফাইনালে।

পলিনহো ও লিনকন এ ম্যাচে ছিলেন নিজেদের ছায়া। জার্মানীর বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল করে ব্রাজিলকে সেমিফাইনালে তোলা পলিনহোকে বোতলবন্দী করে রেখেছিলেন ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ। তার ওপর প্রথমার্ধের শেষ দিকে আঘাত পান ভাস্কো দ্য গামার ফরোয়ার্ড। লিনকনও আতঙ্ক ছড়াতে পারেননি গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে।

তারপরও যে সুযোগগুলো পেয়েছিল ব্রাজিল তা বিফলে গেছে ব্রেস্টারের মতো একজন ফিনিশারের অভাবে। ম্যাচ ২-২ করার সুযোগও পেয়েছিল ব্রাজিল। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল বাইরে পাঠিয়ে সুযোগ নষ্ট করেন ব্রেনার। উল্টো ৭৭ মিনিটে ব্রেস্টারের হ্যাটট্রিক পূরণ করা গোলে হারের ব্যবধান ১-৩ হয় ব্রাজিলের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৫৯ ভ‌রি স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

অনলাইন ডেস্ক : দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্তে ৫৯ ভ‌রি স্বর্ণসহ শ‌রিফুল ঢালী নামে ভারতীয় এক নাগ‌রিককে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাত ৮টার দিকে তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বি‌জি‌বি) সদস্যরা।

আটক শ‌রিফুল ভারতের উত্তর চ‌ব্বিশ পরগণার হ‌রিহরনগর সোলাদানা গ্রামের মৃত ক‌রিম ঢালীর ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোমরপুর বিওপির সুবেদার আক্তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বিয়ে নয়, প্রজ্ঞাপন জারি

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে না জড়ানোর জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে তারা। আজ বুধবার এ প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের একাধিক এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা ৭-এর সিনিয়র সহকারী সচিব জি এম নাজমুছ শাহাদাৎ স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশি ছেলেদের সঙ্গে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মেয়েদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কতিপয় নিকাহ রেজিস্ট্রার এই অপতৎপরতায় লিপ্ত। এ কারণে বিশেষ এলাকা- কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলায় বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বর-কনে উভয়ে বাংলাদেশি নাগরিক কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। বর-কনের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, এ বিষয়ে গাফিলতি দেখা গেলে দায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার রেজিস্ট্রারদের বিষয়টি তদারকির জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest