সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

ব্লু হোয়েল আসক্ত আরও এক শিক্ষার্থী ঢামেকে !

আত্মহত্যার চেষ্টার পর ব্লু হোয়েল গেমের প্রতি আসক্ত আরও এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এসেছে। তার নাম ফয়সাল আহমেদ (২২)।

বুধবার চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেকে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার লাউতলী গ্রামের আবদুল মালেকের সন্তান। ফয়সাল ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু কলেজের বিএ’র ছাত্র।

ফয়সালের খালা নাসিমা আক্তার জানান, চাঁদপুর থেকে গতকাল রাতে ফয়সালকে নিয়ে পরিবার তার মতিঝিলের বাসায় উঠেছে। অনেক কষ্ট করে, অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে ফয়সালকে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসতে পেরেছে।

তিনি আরও জানান, ব্লু হোয়েল গেমসে আসক্ত হয়ে ফয়সাল ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা পর্যন্ত করেছে। তার হাত কেটেছে, ব্লেড দিয়ে কেটে হাতে মাছ এঁকেছে সে।

ফয়সাল জানায়, সে ব্লু হোয়েল গেমস খেলতে খেলতে ১০ ধাপ পর্যন্ত গিয়েছে। এরপরই অ্যাডমিন তাকে খুব বাজে ও কুৎসিত মন্তব্য করে।
অনেক ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখায়। এ বিষয়ে এর বেশি কিছুই বলতে চায়নি সে।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. জুয়েল বাড়ৈ জানান, ফয়সালকে তার স্বজনরা চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। তার দুই হাত ব্লেড দিয়ে কাটা ছিল। সে তার বাম হাত ব্লেড দিয়ে কেটে তাতে তিমি মাছ এঁকেছে।

ডা. জুয়েল বাড়ৈ আরো জানান, ফয়সালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, ‘তুমি হাত কেটেছো কেন?’ তখন সে জানায়, ব্লু হোয়েল গেমসের অ্যাডমিনরাই তাকে হাত কাটতে বলেছে। তাকে ঢামেকের আউটডোরের মানসিক চিকিৎসা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নম্বর বাড়িয়ে ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পাইয়ে দেয়া জালিয়াত চক্র আবারও সক্রিয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্কুলের সুনাম দেখানোর জন্য কিছু শিক্ষক, সামাজিকভাবে সম্মান অর্জনের জন্য কিছু অভিভাবক আর অর্থলোলুপ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী – এই তিনের ষঢ়যন্ত্রে কত গরিব মেধাবী শিক্ষার্থী যে প্রাথমিক সমাপনী বৃত্তি বঞ্চিত হচ্ছে তার কোন ইয়াত্তা নেই। কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নম্বর বাড়িয়ে অযোগ্যদের বৃত্তি পাইয়ে দেয়ার নামে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র বিপুল পরিমাণ অর্থ বাণিজ্য করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে অনেক যোগ্য শিক্ষার্থী হয় ট্যালেন্টপুলের পরিবর্তে সাধারণ গ্রেডে আবার অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী হয়ত কোন বৃত্তিই পাচ্ছে না যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও। সাতক্ষীরায় এই চক্রটি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে দেশ ব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। আর এই (একজন শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার জন্য সাতক্ষীরায় শক্তিশালী একটি জালিয়াত চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এদের নেটওয়ার্ক জেলা ব্যাপী বিস্তৃত।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হয়। এটি কোমমতি একজন শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।
বিগত কয়েক বছর ধরে সাতক্ষীরা জেলা ব্যাপী একটি জালিয়াত চক্র প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কোমলমতি শিশুদের অভিভাবকদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তারা মাথাপ্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার পর যোগসাজশে কৌশলে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নাম্বার বাড়িয়ে দিয়ে তুলনামূলক কম মেধাবী শিক্ষাথীদেরকে বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দিচ্ছে। এমনকি যেসব শিক্ষকের কাছে এসব ছাত্র-ছাত্রীদের খাতা যাচ্ছে তাদের খুঁজে বের করে তাদের সাথেও চক্রটি যোগাযোগ করে নাম্বার বাড়িয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রকৃত মেধাবীরা জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় ধাক্কা খাচ্ছে, হচ্ছে চরম প্রতারণার শিকার। একই সাথে তারা হতাশ হয়ে শিক্ষা জীবনে পিছিয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে মনোবল।
প্রতারক ওই চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসের দুর্নীতিবাজ কতিপয় শিক্ষা কর্মকর্তা ও কতিপয় শিক্ষক জড়িত বলে জানা গেছে।
গত বছর (২০১৬ সালে) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (বর্তমানে খুলনার ডুমুরিয়ায় কর্মরত) শেখ ফারুক হোসেন ও উপজেলা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ভবদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ৯৭ জন শিক্ষার্থীর কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগ ওঠে। কালিগঞ্জের বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাকিম জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পরিবর্তীত টেবুুলেশন শিট পরিবর্তন করে যারা প্রকৃত বৃত্তি ও এ+ পাওয়ার যোগ্য তাদেরকেই দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় প্রতারক ওই জালিয়াত চক্রটি বেশ আগে থেকেই সুকৌশলে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারা প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কৌশলে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির সময় নম্বর বাড়িয়ে বৃত্তি ও এ+ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও করছে তারা।
সরকারি নিয়ত অনুযায়ী এক উপজেলার পলীক্ষার খাতা অন্য উপজেলার শিক্ষকরা দেখবে। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অন্য উপজেলায় খাতা পাঠানোর সময় প্রতিটি পরীক্ষার খাতায় একটি কোর্ড নাম্বার বসবে, যা উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ থাকবে। পরবর্তী নাম্বার আসার পর উপজেলা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কোর্ড নাম্বার অনুযায়ী প্রথমে ডাটা এন্ট্রি করে একটি খসড়া টেবুলেশন শিট তৈরি করবেন। টেবুুলেশন শিট তৈরীর সময় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ছাড়া আর কেউ তা জানতে পারবে না। এটি চেক ক্রস চেক করে তাদের তিন জনের স্বাক্ষরে তা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস উপজেলা শিক্ষা অফিসের ওই টেবুলেশন শিট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। সেখান থেকে প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে ফলাফল (ইউনিয়ন কোটা অনুযায়ী বৃত্তি ও এ+ সহ ) ঘোষনা করা হবে।
প্রতারক চক্রটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যখন টেবুলেশন শিট তৈরী হয় তখন মূলত: সুকৌশলে নাম্বার বাড়ানোর ব্যবস্থা করে থাকে।
চলতি বছরও জালিয়ত চক্রটি প্রতারণার জাল ফেলেছে। ধরা না পড়লেও তাদের নেটওয়ার্ক বেশ শক্তিশালী। বড় বড় রাঘোব বোয়ালরা এই প্রতারণার সাথে জড়িত বলে জানাগেছে।
জি. গাইন ও এম. ইসলাম নামের দুই শিক্ষা কর্মকর্তা , গোপাল ও শফিউল নামের দুই সহকারী শিক্ষক এবং কৃঞ্চ নামের এক ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এই প্রতারক চক্রের মূল হুতা বলে জানাগেছে। জেলাব্যাপী তারা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
আর তাদের এই অবৈধ কাজে ২০১৬ সালে যারা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তাদেরকে এবছর পরীক্ষার আগেই অন্যত্রে বদলির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয় পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
গত বছর ( ২০১৬ সালে ) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের সহকারী ইন্সট্রাক্টর মো: ইয়াছিন আলী চক্রটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তাদের কারণে প্রতারণা করতে বেশ বাধাগ্রস্ত হয় চক্রটি। আর এ কারণে সম্প্রতি ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান ও সহকারী ইন্সট্রাক্টর মো: ইয়াছিন আলীর বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কৌশল অবলম্বর করে নানা ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করে ফেসবুকে তাদের বন্ধু মহলে পোষ্ট ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টি নজরে আসার পর গত ২২ অক্টোবর সহকারি ইন্সট্রাক্টর ইয়াছিন আলী ‘তথ্য প্রযুক্তির অপ-ব্যবহার, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা এবং ব্লাক মেইল করার অভিযোগ এনে কুচক্রী মহলটিকে খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চেয়ে যথাযথ কর্র্তপক্ষের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন।
এদিকে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর গত ২০ সেপ্টেম্বর ডাকা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান প্রতিকার চেয়ে পৃথক একটি আবেদন করেন। যেটি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হয়ে বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো: কামরুজ্জামান গত ২২ অক্টোবর সাতক্ষীরা পি.টি.আই অফিসের সুপাররিনটেনডেন্ট বরাবর আইনগত প্রতিকার পাওয়ার অনুমতি চেয়ে আরও একটি আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পি.টি.আই অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট মহাদেব ব্যানার্জী অভিযোগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আবেদনপত্র পেয়েছি। বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, লিখিত আবেদনের ফলে ওই জালিয়াত চক্রটির দৌড়-ঝাঁপ বেড়ে গেছে। তারা নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। অভিযোগকারীদেরকে আগামী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আগেই সাতক্ষীরা থেকে অন্যত্রে বদলির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরার অভিভাবক মহল এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিনের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন। যাতে এবছর ওই জালিয়াত চক্রটি জাল বিস্তার না করতে পারে সে ব্যাপারে তিনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা অভিভাবকদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রুহুল হক এমপির নেতৃত্বে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন

তোষিকে কাইফু : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। পরমাণু হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অত্যান্ত সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে এই প্রকল্প গ্রহণ করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রশংসা করে বলেন, শুধু উন্নত দেশ নয়, উন্নয়নশীল দেশ ও পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছে। বিদ্যুতের চাহিদা পূরনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।পরমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে আইএইএর যে গাইডলাইন রয়েছে, বাংলাদেশ তার সঠিক পথে আছে। তাদের আন্তরিকতার কারণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বিধি-বিধান মেনে প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা প্ররিদর্শনকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণলয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি এসব কথা বলেন।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ঢাকা হতে হেলিকাপ্টার যোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণলয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র নেতৃত্বে পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে সংসদীয় একটি প্রতিনিধিদল প্রকল্পের হেলিপ্যাড অবতরণ করেন।

এসময় অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইমরান আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ এমপি, অয়েন উদ্দীন এমপি, নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, অতিরিক্ত সচিব ইতি রাণী পোদ্দার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনারের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দীলিপ কুমার শাহ, রূপপুর পরমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শওকাত আকবর, পাবনা জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিসেট্রট আব্দুল করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারসহ প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং প্রকল্পের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

এসময় অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইমরান আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ এমপি, অয়েন উদ্দীন এমপি, নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, অতিরিক্ত সচিব ইতি রাণী পোদ্দার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনারের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দীলিপ কুমার শাহ, রূপপুর পরমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শওকাত আকবর, পাবনা জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিসেট্রট আব্দুল করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারসহ প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং প্রকল্পের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বর্ণমানব বসলেন টয়লেটে, বের করলেন ৭টি বার!

বিমানবন্দরে হাঁটাচলা দেখেই সন্দেহ হয় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের। মোশারফ হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেন শুল্ক কর্মকর্তারা। একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এক্স-রে করানো হয় তাঁর। পরে কর্মকর্তাদের সামনেই টয়লেটে বসে পায়ুপথ দিয়ে বের করেন একে একে সাতটি সোনার বার! এ ছাড়া তাঁর মানিব্যাগে পাওয়া যায় আরেকটি সোনার বার।

আজ বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। ভোরে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বিমানবন্দরে নামেন মোশারফ হোসেন (৪২)।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোশারফ সাতটি সোনার বার শরীরের রেক্টামে বহন করছিলেন। শরীরের বৃহদান্ত্র বা কোলনের নিচের অংশ, যেখানে মল জমা হয় ওই জায়গাকে বলে রেক্টাম। শুল্ক গোয়েন্দারা এভাবে সোনা বহনকারীদের নাম দিয়েছেন ‘স্বর্ণমানব’।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ তাদের ফেসবুক পাতায় জানিয়েছে, মোশারফ হোসেন মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসিন্দা। মোশারফের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আটটি সোনার বারের ওজন প্রতিটি ১০০ গ্রাম করে মোট ৮০০ গ্রাম। এসব সোনার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

জানা যায়, কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে গ্রিন চ্যানেল পেরিয়ে চলে যাওয়ার সময় তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে শুল্ক গোয়েন্দার দল।

মোশারফের চোখে কালো দাগ ও হাঁটাচলায় অস্বাভাবিকতা লক্ষ করলে শুল্ক গোয়েন্দার সন্দেহ আরো ঘণীভূত হয়। তবে মোশারফ কোনোভাবেই তাঁর পেটে সোনা থাকার কথা স্বীকার করছিলেন না।

পরে মোশারফকে শুল্ক গোয়েন্দার অফিস কক্ষে এনে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু তিনি বারবার তাঁর কাছে সোনা থাকার কথা অস্বীকার করতে থাকেন।

মোশারফের শরীরে সোনা থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ায় কর্মকর্তারা অনমনীয় থাকেন। পরে আর্চওয়ে মেশিনে হাঁটিয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়।

নিজে থেকে সোনা বের করে না দেওয়ায় মোশারফকে উত্তরার একটি ক্লিনিকে নিয়ে এক্স-রে করানো হয়। ওই এক্স-রে প্রতিবেদনে তাঁর তলপেটে সোনার অস্তিত্ব সম্পর্কে আরো নিশ্চিত হয় শুল্ক গোয়েন্দার দল। ওই ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসকও তা উল্লেখ করেন।

এরপর মোশারফকে বিমানবন্দর এনে শরীর থেকে সোনা বের করার চেষ্টা চলতে থাকে।

মোশারফকে কলা ও প্যাকেট জুস খেতে দেওয়া হয়। দেওয়া হয় একটি লুঙ্গিও। লুঙ্গি পরে শুল্ক গোয়েন্দাদের উপস্থিতিতে টয়লেটের অভ্যন্তরে বিশেষ কায়দায় পায়ুপথ দিয়ে একে একে সাতটি সোনার বার বের করে আনেন এবং পরে তাঁর মানিব্যাগ থেকে আরো একটিসহ মোট আটটি সোনার বার পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, মোশারফ একটি করে সোনার বার সরাসরি রেক্টামে প্রবেশ করান। সোনাগুলো কোনো ধরনের ‘প্যাকেজিং’ ছাড়াই সরাসরি প্রবেশ করান মোশারফ। এ কারণে এসব বের করতে বেগ পেতে হয় মোশারফকে।

জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, বিমানে থাকা অবস্থাতেই টয়লেটে গিয়ে এসব সোনা রেক্টামে প্রবেশ করান মোশারফ। শুল্ক গোয়েন্দাদের নজরদারির হাত থেকে বাঁচার জন্য এই পদ্ধতি গ্রহণ করেন বলে তিনি জানান।

পাসপোর্ট পরীক্ষায় দেখা যায়, চলতি বছর মোশাররফ ৫০ বার কুয়ালালামপুর ভ্রমণ করেছেন। তবে প্রতিবার সোনা বহন করেছিলেন কি না তা জানার চেষ্টা চলছে।

আটক মোশারফ হোসেনকে চোরাচালানের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক হওয়া সোনা কাস্টমস গুদামে জমা করা হবে। পরে তা বিশেষ পাহারায় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হঠাৎ ডাক্তারের চেম্বারে বিরাট-আনুস্কা!

বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তাঁরা ঠিক করেছেন তাদের বিয়ের ডেট। এরই মাঝে এমন কি হল জে তাদের ছুটতে হল ডাক্তারের চেম্বারে? এমনকি সেখানে গিয়ে তাঁরা ছবিও দিয়েছেন একসঙ্গে।

আর এই ছবি দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে গুঞ্জন। কেন তাঁরা ডাক্তারের চেম্বারে, তাহলে কি কোনও সুখবর শোনাতে চলেছেন বিরাট কোহলি ও আনুষ্কা শর্মা। তবে ডাক্তারের চেম্বারের অন্দর মহলের কাহিনী টা অন্য। তাঁরা গেছিলেন আকুপাংচার স্পেশালিষ্টের কাছে। এই ডাক্তারের কথা তাদের জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ ও জ্যাকুলিন।

তাই হবু বড়কে সঙ্গে নিয়ে স্পেশালিষ্টের সঙ্গে দেখাটা সেরেই ফেললেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফলো আপ : ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণসহ সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৭ পুলিশ বহিষ্কার

কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যবসায়ী জিম্মি করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার ঘটনায় আটক গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ৭ সদস্যকে সামায়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বহিষ্কৃতরা ৭ ডিবি পুলিশ হলেন এসআই আবুল কালাম আজাদ, এসআই মো মনিরুজ্জমান, এএসএই মো. আলাউদ্দিন, এএসআই মো. ফিরোজ, এএসআই মোস্তফা কামাল, কনস্টেবল মোস্তফা আজম ও মো আল আমিন।

এর আগে, আব্দুল গফুর নামের এক ব্যবসায়ীকে গতকাল মঙ্গলবার অপহরণ করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে গভীর রাতে ছেড়ে দেয়। এসময় অপহৃতের পরিবার বিষয়টা সেনাবাহিনীকে জানালে তারা টেকনাফ মেরিনড্রাইভ সড়কে নিজেদের তল্লাশি চৌকিতে অবস্থান নিয়ে তাদের আটক করে। পরে ব্যবসায়ীকে টাকা বুঝিয়ে দিয়ে আটক পুলিশ সদস্যদের জেলা পুলিশ সুপারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

এদিকে, জেলা পুলিশ সুপার ডা. ইকবাল হোসেন জানান, অপহরণ ও মুক্তিপণের ঘটনায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুলকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলাবদ্ধতায় কলারোয়া গাজনা প্রাইমারির ক্লাস চলছে রাস্তায়

আসাদুজ্জামান : জলাবদ্ধতার কারণে গত তিন মাস ধরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ার ৯৩ নং গাজনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আড়াইশতাধিক শিক্ষার্থীর। স্থায়ী জলাবদ্ধতার করনে স্কুলটি কোমর সমান পানিতে ডুবে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। স্কুলের পাশে উচু রস্তার উপর ও পার্শ্ববর্তী মসজিদের বারান্দায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছে।
গাজনা গ্রামের কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিমসহ অনেকেই জানান, আগামি মাসে (নভেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। চূড়ান্ত প্রস্তুতির মুখে শিক্ষার্থীরা এই পানিবদ্ধতায় বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশন করা হলে স্কুল থেকে নেমে যাবে পানি। শিক্ষার্থীরা ফের ফিরতে পারবে তাদের প্রিয় স্কুলে। ফসলী জমিগুলো আবারও চাষাবাদের উপযোগী হবে। তিনি বলেন, ক্ষেত্রপাড়া খালের ব্রীজ সংলগ্ন খালের বাঁধ কেটে দিলে পানি অল্প সময়ের মধ্যে কপোতাক্ষ নদে নেমে যাবে।
এলাকার সাত আটজন ঘের মালিকের অপরিকল্পিতভাবে বেড়িবাধ দিয়ে মৎস্য ঘের করার কারণে গাজনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচ গ্রামের ফসলী জমির পানি কপোতাক্ষে নামছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৭৯ জন। চলতি বছরের ২৩ মে ওই পরীক্ষা শেষ হয়।

পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ইসরাত শারমিন এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, পিএসসির নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যাবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

গত ১ নভেম্বর ৩৭তম বিসিএসের প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। ওই পরীক্ষায় অংশ নেন দুই লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন আট হাজার ৫২৩ জন।

গত বছর ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এক হাজার ২২৬ জন নিয়োগ পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest