সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে অবাঞ্চিত ঘোষনাসাতক্ষীরায় জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল:  ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট নিরসনে করনীয় শীর্ষক গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় প্রাথমিক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: জনরোষে অভিযুক্ত নারীর মৃত্যুআশাশুনিতে গাঁজাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতারদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাতক্ষীরার সন্তান সাইদুর রহমানসাতক্ষীরা কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় মৎস্যঘের থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার: পরিবারের দাবি হত্যাসাতক্ষীরায় ফাইনাল খেলা দেখে ফেরার পর আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যুসাতক্ষীরায় বেসরকারি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: তিন প্রতিষ্ঠানে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা

হামলায় বিএনপির ক্ষতি হয়নি, সরকার আরো বেশি ধিকৃত ও জনবিচ্ছিন্ন হলো : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাঁর দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে যে হামলা চালানো হয়েছে তাতে বিএনপির কোনো ক্ষতি হয়নি। বরং এতে আওয়ামী লীগ সরকার আরো বেশি ধিকৃত ও জনবিচ্ছিন্ন হলো।

শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

ফখরুল দাবি করেন, দেশব্যাপী বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা, মানুষের ভালোবাসা ও ঢল দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার নিজদলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা চালিয়েছে। আওয়ামী লীগ তাদের ভয়াবহ দুঃশাসনের কারণে এখন জনবিচ্ছিন্ন। এ কারণে তারা এখন পুরোপুরি সন্ত্রাসনির্ভর হয়ে পড়েছে।

বিএনপি নেতা বলেন, তাঁর দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক মারপিট করে আহত করাসহ গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের গাড়িতে হামলা চালিয়ে গাড়ি ও ক্যামেরা ভাঙচুর এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা কাপুরুষোচিত, এ ধরনের নজির পৃথিবীতে বিরল। তিনি অবিলম্বে এ ন্যক্কারজনক হামলাকারী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। এ ছাড়া সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

শনিবার সকালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের জন্য ঢাকা থেকে গাড়িবহর নিয়ে রওনা দেন খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর শহরের কাছে মোহাম্মদ আল বাজার পার হওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত গাড়িবহরে হামলা চালায়। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর আবার আক্রান্ত হয়। এতে এনটিভির সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হন।

এরই মধ্যে খালেদা জিয়া চট্টগ্রামে পৌঁছে গেছেন। সেখানেই রাতযাপন করবেন। আগামীকাল রোববার রওনা দেবেন কক্সবাজারের উদ্দেশে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ করবেন খালেদা জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলার রায় আজ

রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে পৈতৃক বাড়িতে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে।

গত ১৬ অক্টোবর ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ দিন ধার্য করেন।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের জানান, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন। পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসে একই বিচারক মো. জাহিদুল কবির একই ঘটনায় দায়ের করা দণ্ডবিধির আরেকটি মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ধার্য করেছেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

এ ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১১ জনকে অভিযুক্ত করে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন—গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহমেদ ও এইচ কবির।

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষের তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরে ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন ইমন (২৯) দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

গতকাল শনিবার রাতে জেলা শহরের বেজপাড়ার গুড়গোল্লার মোড়ে ইমন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মনোয়ার হোসেন ইমন গুড়গোল্লার মোড়ের আজিমাবাদ কলোনী এলাকার বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে নিহতের বাবা আনোয়ার হোসেন জানান, গতকাল গুড়গোল্লার মোড়ের সালাম ফার্নিচারের সামনে বসে বন্ধুদের সঙ্গে লুডু খেলা দেখছিলেন ইমন। রাত ১১টার পরপরই দুই-তিনজন যুবক এসে ইমনের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করেন। এ সময় তিনটি গুলির শব্দ পাওয়া যায়। হাসপাতালে আনা হলে রাত ১১টা ১৩ মিনিটে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজল মল্লিক জানান, বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইমন নিহত হয়েছেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি একটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছেন। তবে কী কারণে ইমনকে কারা হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

যশোর জেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল জানান, ইমন তাঁর কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। তাঁর লাশ মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীর্ঘ ৪৮ বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি সদরের বলাডাঙ্গা-ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসা

জি.এম আবুল হোসাইন : সীমান্তবর্তী উপজেলার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর অন্যতম। এলাকাবাসির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ও সমাজে শিক্ষার আলো ছড়ানোর লক্ষ্যে বলাডাঙ্গা-ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি সদর উপজেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ১৯৭০ সালের ১লা জানুয়ারিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দীর্ঘ ৪৭টি বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এ অঞ্চলে শিক্ষার আলো জ্বালাতে আজো বিনা বেতনে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। বর্তমানে নানাবিধ সমস্যার মধ্য দিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১৯৭০ সালে ছয়ঘরিয়া গ্রামের দুই ভাই মরহুম আনছার আলী ও মরহুম নিছার আলী তাদের ১একর ৬ শতক (এর মধ্যে অখন্ড ৭৬ শতাংশ) জমি নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তখন থেকে প্রতিষ্ঠানটির অস্থায়ীভাবে পাঠদান শুরু করা হয়। ১৯৭০ সালে স্থায়ীভাবে ৬টি কক্ষ বিশিষ্ট একটি টিন শেট ও মাটির ভবনে পাঠদান শুরু করা হয়। ১৯৮৯ সালে প্রথম মাদ্রাসার নামে রেজিস্ট্রেশন করে পরীক্ষা দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ১লা জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৯৬ সালে ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্ট, খুলনা জোনের উদ্যোগে ৩ কক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন নির্মিত হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বিভিন্ন দিবস পালনসহ পাঠদানের পাশাপাশি মাদ্রাসার মাঠে খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে মাদ্রাসা থেকে ইবতেদায়ী সমাপনী, জেডিসি ও দাখিল পরীক্ষায় সাফল্যতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ণরত ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত আছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১২ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ৩জন কর্মচারী ছাত্রছাত্রীদের লেখা-পড়ায় গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এসব শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে। মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আব্বাস আলী বলেন, এলাকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এমপিওভূক্ত হওয়ার আগেই আমাকে অবসরে যেতে হবে কি না সে ব্যাপারে আমি সন্ধিহান। মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. শরিফুজ্জামান ময়না বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিনা বেতনে পাঠদান করলেও তারা খুবই আন্তরিক। যে কারণে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল করছে। তবে দীর্ঘদিন যাবত এমপিওভুক্ত না হওয়ার ফলে শিক্ষক-শিক্ষিকা কষ্টের মধ্য দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তিনি আরো বলেন, বিষটি নিয়ে আমরা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এমপিওভুক্ত করার আবেদন করেছি। তাই এমপিওভুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। ২০১২ সালে বিনা বেতনে অবসরে যাওয়া শিক্ষক মো. ইসহাক আলী আক্ষেপ করে বলেন, নিজের জন্য না হলেও আগামী প্রজন্মের মঙ্গলের জন্য আমরা আমাদের এপ্রতিষ্ঠানটি আগলে রাখব। বর্তমান সরকারের সদ্বিচ্ছায় অচিরেই এটি এমপিওভূক্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

উপজেলার প্রাচীনতম এপ্রতিষ্ঠানে বর্তমান ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩শত ৭জন। মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পড়ালেখার মান ভাল এবং রেজাল্টও আশানুরুপ। ২০১৭ সালের দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯০ শতাংশ। ২০০৩ সালে মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট হিসেবে যোগদানের পর থেকে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন মাওলানা মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি শিক্ষকমন্ডলী, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সকল সদস্য ও অভিভাবকদের সহযোগিতা নিয়ে  প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরলস কাজ করে চলেছেন। শিশু বান্ধব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় রয়েছে ফলজ বৃক্ষসহ মূল্যবান বৃক্ষরাজি। দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ মাদ্রাসাটিকে অসাধারণ ও মনোরম করে তুলেছে। তিনি আরো বলেন, প্রাক – প্রাথমিক থেকে দাখিল ১০ম শ্রেণি নিয়ে ক্লাশ পরিচালনা করা শিক্ষক স্বল্পতার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন নিয়মিত ক্লাশ পরিচালনা এবং ছুটির পর ৫ম ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অতিরিক্ত ক্লাশ পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ফলে শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠান চলাকালে বিশ্রামের সুযোগ থাকেনা। তার পরে রয়েছে কক্ষ সংকট। অফিস সহ ১০টি কক্ষ রয়েছে। ছেলে মেয়েদের জন্য কক্ষ সংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। শ্রেণি কক্ষ সম্প্রসারণের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানকে সমহিমায় এগিয়ে নিতে এবং লেখাপড়ার মান আরও উন্নত করতে এমপিওভূক্ত, ক্লাশ রুম সম্প্রসারণ, প্রয়োজনীয় শিক্ষক ব্যবস্থা, ও সংস্কার কাজ করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য সহ জেলা শিক্ষা বিভাগের পাশাপাশি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে যাওয়ার পথে ফেনীতে হামলার কবলে পড়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহর।

আজ শনিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ফেনী শহরের কাছে মোহাম্মদ আল বাজার পার হওয়ার সময় একদল মানুষ গাড়িবহরের ওপর হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

এ সময় ওই ব্যক্তিরা খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই, ডিবিসি, একাত্তর ও বৈশাখী টেলিভিশনের গাড়িসহ বেশকিছু যানবাহনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। একই সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসনের বহরে থাকা বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও বিএনপির নেতাকর্মীকেও পেটায় তারা।

তবে এই হামলার পরও বিকেল ৫টা নাগাদ নিরাপদে ফেনী সার্কিট হাউসে পৌঁছান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।

এর আগে চারদিনের কক্সবাজার সফরের উদ্দেশে আজ সকালে ঢাকা থেকে রওনা হন খালেদা জিয়া। পথে আজ রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাত্রাবিরতি করবেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হজ্ব ও ওমরাহ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় হজ্ব ও ওমরাহ শীর্ষক সম্মেলন-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের ইটাগাছা এলাকার সংগ্রাম কমিউনিটি সেন্টারে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। আবাবিল হজ্ব গ্রুপের পরিচালক আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় উক্ত হজ্ব ও ওমরাহ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন, আবাবিল হজ্ব গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আবু ইউসুফ। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বাবু, ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন, পাওয়ারহাউজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, বড়বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল খালেক প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় পবিত্র হজ্ব ও ওমরাহ পালনের বিভিন্ন নিয়ম কানুনসহ হজ্ব ও ওমরাহ পালনের বিভিন্ন ফজিলত তুলে ধরেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় সাংবাদিক সাগরের ইন্তেকাল, শোক প্রকাশ

তালা ডেস্ক : সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক তালা উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক আবুল কাশেম সাগর (৫৫) শুক্রবার দিবাগত রাত ১ টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)।
দীর্ঘদিন তিনি হার্টের রোগে শয্যাশায়ী হলে চিকিৎসার জন্য গত মঙ্গলবার তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার দিবাগত রাতে হঠাৎ স্ট্রোক করলে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তালা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক সমাজ তার বাড়িতে ছুটে যান ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
শনিবার বেলা ১১ টায় মরহুমের প্রথম নামাযের জানাযা পাটকেলঘাটা সিদ্দিকীয়া মাদরাসায় অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা নামাযে ইমামতি করেন মাদরাসার মুহতামিম মাওঃ মুনিরুল ইসলাম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিটিভির প্রতিনিধি চেয়ারম্যান মোজাফফর রহমান, সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল হক রাজু প্রমুখ। মরহুমের দ্বিতীয় নামাযের জানাযা থানার তৈলকুপি গ্রামে অনুষ্ঠান শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। সাংবাদিক আবুল কাশেম সাগরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তার বিদেহী আতœার মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ জহুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম মফিদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহি কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান, মফিদুল ইসলাম, ইয়াসিন আলী সরদার, খান নাজমুল হক সহ পাটকেলঘাটা রিপোটার্স ক্লাব, নিউজ ক্লাব, তালা প্রেক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকবৃন্দ।
বিএনপি নেতা আবুল কাশেম সাগর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভুমিকা রাখেন এবং কারাবরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে উদযাপিত

আসাদুজ্জামান : কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় এ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন স্কুল থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুলিশ লাইন স্কুল মাঠে যেয়ে এ আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, পুলিশের খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: একরামুল হাবিব। এছাড়া অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি বেগম রিফাত আমিন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরিামের সভাপতি ডাক্তার আবুল কালাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
আলোচানা সভায় বক্তরা, মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়েতোলার জন্য দল মত নির্বিশেষে সাতক্ষীরাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। আলোচনা সভা শেষে সেখানে এক মনোঙ্গ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশি ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest