সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

স্বর্ণমানব বসলেন টয়লেটে, বের করলেন ৭টি বার!

বিমানবন্দরে হাঁটাচলা দেখেই সন্দেহ হয় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের। মোশারফ হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেন শুল্ক কর্মকর্তারা। একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এক্স-রে করানো হয় তাঁর। পরে কর্মকর্তাদের সামনেই টয়লেটে বসে পায়ুপথ দিয়ে বের করেন একে একে সাতটি সোনার বার! এ ছাড়া তাঁর মানিব্যাগে পাওয়া যায় আরেকটি সোনার বার।

আজ বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। ভোরে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বিমানবন্দরে নামেন মোশারফ হোসেন (৪২)।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোশারফ সাতটি সোনার বার শরীরের রেক্টামে বহন করছিলেন। শরীরের বৃহদান্ত্র বা কোলনের নিচের অংশ, যেখানে মল জমা হয় ওই জায়গাকে বলে রেক্টাম। শুল্ক গোয়েন্দারা এভাবে সোনা বহনকারীদের নাম দিয়েছেন ‘স্বর্ণমানব’।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ তাদের ফেসবুক পাতায় জানিয়েছে, মোশারফ হোসেন মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসিন্দা। মোশারফের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আটটি সোনার বারের ওজন প্রতিটি ১০০ গ্রাম করে মোট ৮০০ গ্রাম। এসব সোনার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

জানা যায়, কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে গ্রিন চ্যানেল পেরিয়ে চলে যাওয়ার সময় তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে শুল্ক গোয়েন্দার দল।

মোশারফের চোখে কালো দাগ ও হাঁটাচলায় অস্বাভাবিকতা লক্ষ করলে শুল্ক গোয়েন্দার সন্দেহ আরো ঘণীভূত হয়। তবে মোশারফ কোনোভাবেই তাঁর পেটে সোনা থাকার কথা স্বীকার করছিলেন না।

পরে মোশারফকে শুল্ক গোয়েন্দার অফিস কক্ষে এনে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু তিনি বারবার তাঁর কাছে সোনা থাকার কথা অস্বীকার করতে থাকেন।

মোশারফের শরীরে সোনা থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ায় কর্মকর্তারা অনমনীয় থাকেন। পরে আর্চওয়ে মেশিনে হাঁটিয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়।

নিজে থেকে সোনা বের করে না দেওয়ায় মোশারফকে উত্তরার একটি ক্লিনিকে নিয়ে এক্স-রে করানো হয়। ওই এক্স-রে প্রতিবেদনে তাঁর তলপেটে সোনার অস্তিত্ব সম্পর্কে আরো নিশ্চিত হয় শুল্ক গোয়েন্দার দল। ওই ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসকও তা উল্লেখ করেন।

এরপর মোশারফকে বিমানবন্দর এনে শরীর থেকে সোনা বের করার চেষ্টা চলতে থাকে।

মোশারফকে কলা ও প্যাকেট জুস খেতে দেওয়া হয়। দেওয়া হয় একটি লুঙ্গিও। লুঙ্গি পরে শুল্ক গোয়েন্দাদের উপস্থিতিতে টয়লেটের অভ্যন্তরে বিশেষ কায়দায় পায়ুপথ দিয়ে একে একে সাতটি সোনার বার বের করে আনেন এবং পরে তাঁর মানিব্যাগ থেকে আরো একটিসহ মোট আটটি সোনার বার পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, মোশারফ একটি করে সোনার বার সরাসরি রেক্টামে প্রবেশ করান। সোনাগুলো কোনো ধরনের ‘প্যাকেজিং’ ছাড়াই সরাসরি প্রবেশ করান মোশারফ। এ কারণে এসব বের করতে বেগ পেতে হয় মোশারফকে।

জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, বিমানে থাকা অবস্থাতেই টয়লেটে গিয়ে এসব সোনা রেক্টামে প্রবেশ করান মোশারফ। শুল্ক গোয়েন্দাদের নজরদারির হাত থেকে বাঁচার জন্য এই পদ্ধতি গ্রহণ করেন বলে তিনি জানান।

পাসপোর্ট পরীক্ষায় দেখা যায়, চলতি বছর মোশাররফ ৫০ বার কুয়ালালামপুর ভ্রমণ করেছেন। তবে প্রতিবার সোনা বহন করেছিলেন কি না তা জানার চেষ্টা চলছে।

আটক মোশারফ হোসেনকে চোরাচালানের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক হওয়া সোনা কাস্টমস গুদামে জমা করা হবে। পরে তা বিশেষ পাহারায় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হঠাৎ ডাক্তারের চেম্বারে বিরাট-আনুস্কা!

বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তাঁরা ঠিক করেছেন তাদের বিয়ের ডেট। এরই মাঝে এমন কি হল জে তাদের ছুটতে হল ডাক্তারের চেম্বারে? এমনকি সেখানে গিয়ে তাঁরা ছবিও দিয়েছেন একসঙ্গে।

আর এই ছবি দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে গুঞ্জন। কেন তাঁরা ডাক্তারের চেম্বারে, তাহলে কি কোনও সুখবর শোনাতে চলেছেন বিরাট কোহলি ও আনুষ্কা শর্মা। তবে ডাক্তারের চেম্বারের অন্দর মহলের কাহিনী টা অন্য। তাঁরা গেছিলেন আকুপাংচার স্পেশালিষ্টের কাছে। এই ডাক্তারের কথা তাদের জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ ও জ্যাকুলিন।

তাই হবু বড়কে সঙ্গে নিয়ে স্পেশালিষ্টের সঙ্গে দেখাটা সেরেই ফেললেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফলো আপ : ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণসহ সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৭ পুলিশ বহিষ্কার

কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যবসায়ী জিম্মি করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার ঘটনায় আটক গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ৭ সদস্যকে সামায়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বহিষ্কৃতরা ৭ ডিবি পুলিশ হলেন এসআই আবুল কালাম আজাদ, এসআই মো মনিরুজ্জমান, এএসএই মো. আলাউদ্দিন, এএসআই মো. ফিরোজ, এএসআই মোস্তফা কামাল, কনস্টেবল মোস্তফা আজম ও মো আল আমিন।

এর আগে, আব্দুল গফুর নামের এক ব্যবসায়ীকে গতকাল মঙ্গলবার অপহরণ করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে গভীর রাতে ছেড়ে দেয়। এসময় অপহৃতের পরিবার বিষয়টা সেনাবাহিনীকে জানালে তারা টেকনাফ মেরিনড্রাইভ সড়কে নিজেদের তল্লাশি চৌকিতে অবস্থান নিয়ে তাদের আটক করে। পরে ব্যবসায়ীকে টাকা বুঝিয়ে দিয়ে আটক পুলিশ সদস্যদের জেলা পুলিশ সুপারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

এদিকে, জেলা পুলিশ সুপার ডা. ইকবাল হোসেন জানান, অপহরণ ও মুক্তিপণের ঘটনায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুলকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলাবদ্ধতায় কলারোয়া গাজনা প্রাইমারির ক্লাস চলছে রাস্তায়

আসাদুজ্জামান : জলাবদ্ধতার কারণে গত তিন মাস ধরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ার ৯৩ নং গাজনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আড়াইশতাধিক শিক্ষার্থীর। স্থায়ী জলাবদ্ধতার করনে স্কুলটি কোমর সমান পানিতে ডুবে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। স্কুলের পাশে উচু রস্তার উপর ও পার্শ্ববর্তী মসজিদের বারান্দায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছে।
গাজনা গ্রামের কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিমসহ অনেকেই জানান, আগামি মাসে (নভেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। চূড়ান্ত প্রস্তুতির মুখে শিক্ষার্থীরা এই পানিবদ্ধতায় বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশন করা হলে স্কুল থেকে নেমে যাবে পানি। শিক্ষার্থীরা ফের ফিরতে পারবে তাদের প্রিয় স্কুলে। ফসলী জমিগুলো আবারও চাষাবাদের উপযোগী হবে। তিনি বলেন, ক্ষেত্রপাড়া খালের ব্রীজ সংলগ্ন খালের বাঁধ কেটে দিলে পানি অল্প সময়ের মধ্যে কপোতাক্ষ নদে নেমে যাবে।
এলাকার সাত আটজন ঘের মালিকের অপরিকল্পিতভাবে বেড়িবাধ দিয়ে মৎস্য ঘের করার কারণে গাজনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচ গ্রামের ফসলী জমির পানি কপোতাক্ষে নামছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৭৯ জন। চলতি বছরের ২৩ মে ওই পরীক্ষা শেষ হয়।

পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ইসরাত শারমিন এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, পিএসসির নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যাবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

গত ১ নভেম্বর ৩৭তম বিসিএসের প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। ওই পরীক্ষায় অংশ নেন দুই লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন আট হাজার ৫২৩ জন।

গত বছর ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এক হাজার ২২৬ জন নিয়োগ পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষা কমিটির স্মারকলিপি

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয়করণের আদেশের আগে সংশ্লিষ্ট কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে বিধি প্রণয়ন, শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়নের পর যে ৪৫ টি কলেজ জাতীয়করণ করা হয়েছে সেসব কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্তকরণের আদেশ বাতিল ও প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের পরও জাতীয়কৃত কলেজ থেকে যে সকল শিক্ষককে বদলী করা হয়েছে তা বাতিল করার দাবিতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষা কমিটি একযোগে সারাদেশের ৬৪ টি জেলার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার সকাল ১০ টায় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা মর্যাদা রক্ষা কমিটি সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের সদস্যরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মহিউদ্দীনের নিকট স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। এসময় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ, তালা সরকারি কলেজ ও কলারোয়া সরকারি কলেজের আজিজুর রহমান. শাহীনুল হক, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, অরুন কুমার বিশ্বাস, মোঃ শরীফুল আলম, মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, মোঃ শহীদুল ইসলামসহ শতাধিক শিক্ষক উপিস্থত ছিলেন। জেলা প্রশাসক দাবিগুলোকে অত্যন্ত যৌক্তিক বলে অভিহিত করেন। এছাড়াও তিনি অতি দ্রুত স্মারকলিপিটি প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠিয়ে দেবেন বলে অবহিত করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপন বিষয় ফাঁস করলেন ‘ভারতের ধর্মগুরু’ রাধে মা

নিজের সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় ফাঁস করেছেন ভারতের অন্যতম আলোচিত ধর্মগুরু রাধে মা ওরফে সুখবিন্দর কউর। জানিয়েছেন, বিদেশে গেলে বা ব্যক্তিগত পরিসরে ছোট পোশাক পরেন।
আর এর মধ্যে কোনও ভুলও দেখেন না। কারণ পোশাক ‘ক্যারি’ করাটাই আসল বিষয়। তিনি ছোটো পোশাক ‘ক্যারি’ করতে পারেন, তাই পরেন।

সন্তানদের নিয়েও মুখ খুলেছেন রাধে মা। তিনি বলেন, আমার সন্তানরা কখনই আমার অযত্ন করেনি। আমি যাতে বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারি, সেদিকে সবসময়ই নজর রেখেছে ওরা।

রাধে মা ওরফে সুখবিন্দর কউর জানান, দুই সন্তান-সহ তাকে ফেলে রেখে তার স্বামী বিদেশে পালিয়ে যান। তারপর থেকে নানা ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়েছেন তিনি। সন্তানদের একা বড় করেছেন।
শ্বশুরবাড়ির সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এই সময়েই তিনি এক গুরুর কাছে যান। তিনিই নাকি তাকে ‘মা চণ্ডীর’ রূপ বলেছিলেন। এরপর থেকেই তিনি ধর্মের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন।

রাধে মায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ের এক ব্যক্তির কাছ থেকে চাপ দিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসবই মিডিয়ার অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি। রাধে মা বলেন, ‘অনেক সময়েই আমাকে নিয়ে অনেক ধরনের খবর প্রচারিত হয়। তাতে আমি ব্যথিত হই। আমার জীবন একটা খোলা বইয়ের মতো। ‘ সূত্র: জি নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজেকে বুদ্ধ দাবি করে শত শত কিশোরীকে ধর্ষণ !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিজেকে পরবর্তী বুদ্ধ দাবি করে শত শত কিশোরীর কুমারিত্ব নষ্ট করেছেন খুন তান। তার কাছে কিশোরীদের কুমারিত্ব সঁপে দিলে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিতেন তিনি। মন রাজ্যের থাটন জেলার এই ভ-ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরিকল্পনা চলছে।
আলানতায়া এলাকার পা-ও সম্প্রদায়ের অভিভাবকরা বিশ্বাস করেন, খুন তানের সঙ্গে তাদের মেয়েদের বিছানায় যাওয়ার বিষয়টি সৌভাগ্যের ব্যাপার। অভিভাবকদের সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে শত শত কিশোরীর কুমারিত্ব নষ্ট করেছেন খুন তান। কুমারিত্ব হারানো কিশোরীদের বেশিরভাগেরই বয়স ১৫ বছরের কম।
মন রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পরিকল্পনা করছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কিশোরী খুন তানের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ কিংবা থানায় মামলা করেনি।
মন রাজ্য পার্লামেন্টের নারী ও শিশু অধিকার কমিটির প্রধান দো খাইং খাইং লে জানান, সরকারিভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তালিকায় খুন তানের নাম নেই। কারণ এখন পর্যন্ত কেউ তার বিরুদ্ধে কুমারিত্ব নষ্টের অভিযোগ করেনি।
খুন তানের কাছে নিজের দুই মেয়ের কুমারিত্ব নষ্ট হয়েছে ইউ উইন নায়ান্ট নামের এক ব্যক্তির। তিনি জানান, ‘আমার মেয়েদের অভিভাবক হিসেবে আমি কোনোভাবেই খুন তানের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারি না। কারণ আমার স্ত্রী এবং দুই মেয়ে তাদের কুমারিত্ব, জীবন খুন তানের কাছে সঁপে দিয়েছে। তারা যদি বলে, খুন তান তাদের ছুঁয়েও দেখেনি; সে কারণে মামলা করাটা আমার জন্য কঠিনই।’
খুন তানের সঙ্গে অলিখিতভাবে বিয়ে হয়েছে ইউ উইন নায়ান্টের দুেই মেয়ের। এছাড়া আরও ১০ জন কুমারির অলিখিতভাবে বিয়ে হওয়ার তথ্য জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ‘খুন তান তাদের মেয়েদের বিয়ে না করার কারণে অনেক অভিভাবক মনঃক্ষুন্ন পর্যন্ত হয়েছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest