সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’

কলারোয়ার মানিকনগরে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া উপজেলার জয়নগরে ১২৫টি পরিবার বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার মানিকনগর গ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পল্লী বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি সাইফুল্লাহ আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্র নাথ দাস, পল্লী বিদ্যুতের এলাকা পরিচালক আলহাজ্ব মিনাজ উদ্দীন, জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দাস, ইউপি সদস আমিরুল ইসলাম, কলারোয়া পৌর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জুলফিকার আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আ.লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের দিনভর টানটান উত্তেজনার মধ্যে চন্দনপুর হাইস্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীনের হস্তক্ষেপে ভোট সম্পন্ন হলে দু’গ্রুপের টানটান উত্তেজনা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরে আসে।
উপজেলা নির্বাহী অফিস সুত্রে জানা যায়- উপজেলার চন্দনপুর হাইস্কুলের সভাপতি হিসাবে ইতিপূর্বে মফিজুল ইসলাম নির্বাচিত হন। মফিজুল ইসলাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিআরডিবির অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
সরকারি বিধি মোতাবেক কোন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভাপতি হতে পারেন না। কিন্তু মফিজুল ইসলাম যশোর শিক্ষা বোর্ডে তথ্য গোপন করে সভাপতি মনোনীত হন। বিষয়টি যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ সত্যতার প্রমাণ পেয়ে গত ১০ অক্টোবর মফিজুল ইসলামের সভাপতির পদ বাতিল করেন এবং প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রধান শিক্ষক আনছার আলীকে নির্দেশ দেন।
এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার অভিভাবক সদস্যরা সভাপতির নির্বাচনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন গ্রুপের অভিভাবক সদস্য আব্দুল হামিদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট নির্বাচনে পরিবেশ নাই উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন করেন। এ ঘটনায় উপজেলার আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর গ্রুপের ৭ জন সদস্য নির্বাচনে পরিবেশ আছে উল্লেখ পাল্টা একটি লিখিত আবেদন করেন।
বিষটি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ভোট বন্ধ করেন। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের সমর্থকরা উপজেলার চত্বরে অবস্থান নিয়ে মহড়া দিতে শুরু করে। এরপর পরিস্থিতি ঘোলাটে মনে করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন সমাধানের লক্ষ্যে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার সন্দীপ কুমার মন্ডলকে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিনে তদন্ত করে বিকাল ৫ টার দিকে সন্দিপ কুমার নির্বাচনের পরিবেশ আছে উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হলে ৮ জন অভিভাবক সদস্যের মধ্যে ৭জন উপস্থিত হয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে ভোট দিয়ে চন্দনপুর হাইস্কুলে পরিচালনার পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত করেন।
এরপর উভয় গ্রুপ স্ব-স্ব স্থানে চলে যান এবং পরিস্থিতি শান্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া সরকারি কলেজে নতুন ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া সরকারি কলেজের ঝঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মানের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কলেজের সামনে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন করা হয়। প্রায় এক ঘন্টাব্যাপী কলেজের পাঁচ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহনে এ মানববন্ধনে সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করে বক্তব্য রাখেন কলেজের ছাত্র রুবেল মল্লিক, ফিরোজ হোসেন, স¤্রাট, ফায়িম, হৃদয়, উজ্ঝল,তন্ময়, ইমরান হোসেন, রায়হান, রাসেল, ছাত্রী খাদিজা খাতুন রোকাইয়া খাতুন, সুরাইয়া ইয়াসমিন ফারজানা চাঁদনী প্রমুখ।
কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু বলেন- তার কলেজের মেইন ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ওই ভবনে ক্লাস নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জাননো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিংড়ীতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

আশাশুনি ব্যুরো : সদরের ফিংড়ী ইউনিয়নের হাবাসপুর গ্রামে জমি দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে। জানাগেছে, হাবাসপুর গ্রামের মৃত: সোয়েদালী সরদারের পুত্র নুর ইসলাম সরদারের সাথে একই গ্রামের মৃত: খন্দকার সরদারের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন গংদের ৮শতক জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষটি নিয়ে কোটে মামলাও হয়েছে। সর্বশেষ ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে কোটের মামলার তদন্ত আসে। এব্যারে আগামি বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদে বসাবসির দিন ধার্য্য করা হয়। বৃহস্পতিবার বসাবসিতে উক্ত সম্পতি কারো দখরে নয় এটি প্রমান করার উদ্যেশে প্রতিপক্ষ বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে এমনটি দাবি নুর ইসলামের। নুর ইসলাম আরও জানায় ঘরে আগুন দেয়ায় নগত টাকাসহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধন হয়েছে তার। এ ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন সদর থানা পুলিশ। নুর ইসলাম জানায় মঙ্গলবার সদর থানায় ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ক্ষতি সাধন করার মামলা করেছেন তিনি। ঘটনা স্থানের বয়েক মিটার দুরের বাড়িতে অবস্থান করা প্রত্যখদর্শী আলামিনের স্ত্রী মোসলেমা খাতুন জানান, ফিরোজা খাতুন, তার বোন ছোখিনা খাতুন ও সুফিয়া খাতুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লম্বা দা নিয়ে এসে ঘরে কেরোসিন দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ঐ সময়ে বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় সে তার শ্বাশুড়িকে নিয়ে আগুন নিভাতে গেলে দা দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আগুন লাগার ঘটনা জানাজানি হলে আশ পাশের লোকজন এসে ফিরোজার হাতে থাকা লম্বা দা কেড়ে নেয়। যে দাটি থানায় জমাদেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য ফিরোজা খাতুনের বাড়িতে গেলে সেখানে তাকেসহ তার দুই বোনকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে ফিরোজা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি আমার অসুস্থ্য মাকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি আপনার সাথে পরে কথা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ছকিনা ব্রিকস নামের ইট ভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা লংঘন করে ও প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই দেবহাটার দক্ষিন কুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে চার ফসলি জমিতে প্রস্তাবিত ছকিনা ব্রিকস নামের ইট ভাটা নির্মাণ কাজ আবারও অব্যহত রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসির অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুসাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি সেখানে হাজির হননি। হাজির না হয়ে তিনি আবারও ভাটার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২২.০২.০০৪০.০৩৬.৬১.০০৫.১৬.১০৬৫ স্মারকে তাকে পূনরায় ভাটার যাবতীয় কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ আনুসারে কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না মর্মে লিখিতভাবে আবারও নোটিশ জারী করা হয়েছে। এদিকে, ছকিনা ব্রিকস নামের ইট ভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টের আইনজীবি আমিনুল ইসলাম ভাটা মালিক মুসাকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে। যার অনুলিপি বিভিন্ন দপ্তওে প্রদান করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মধ্যম একসরা গ্রামের দ্বীন আলী গাজির ছেলে শহরের ইটাগাছা কামার পাড়া (বউ বাজার) এলাকায় বসবাসকারি নব্য কোটিপতি মোশারফ হোসেন ওরফে মুসা দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ কুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে চার ফসলি জমিতে প্রস্তাবিত ছকিনা ব্রিকস নামে একটি ইট ভাটা নির্মাণ কাজ শুরু করেন। উচ্চমূল্যে হারির টাকা দিয়ে জমির মালিকদের প্রলুব্ধ করে তিনি ডিড নেয়ার চেষ্টা করেন। মুছার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তারা ডিডে স্বাক্ষর করার জন্য জমির মালিকদের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন। একই সাথে তারা বর্গাচাষিদের জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য হমকি দিচ্ছে। জমির ডিড না দিলে পুলিশ দিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনগণ আপত্তি করা শর্তেও পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা অমান্য করে ও প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই ইতিমধ্যে তিনি সেখানে ভাটার চিমনি ও মটর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছেন। ভাটার বাকি কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

এলাকাবাসি জানান, সেকেন্দ্রা মাঠে ইটভাটা নির্মাণ করা হলে এই এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যায় দেখা দেবে। এই এলাকায় আনসার আলি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, কুলিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিন কুলিয়া এবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং কুলিয়া এলাহী বক্স দাখিল মাদ্রসা, কুলিয়া জামে মসজিদসহ কয়েকটি প্রতিষ্টান রয়েছে। এখানে ভাটা হলে কালো ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। একই সাথে নষ্ট হবে এই এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল। এখানকার প্রতিটি জমিতে বছরে কমপক্ষে চারটি করে ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। এই ফসলি জমিতে ইটভাটা হলে তার ক্ষতিকর প্রভাবে সর্বশান্ত হবে এখানকার দীনমজুর, দরিদ্র কৃষক ও বর্গাচাষিরা। বসতবাড়ি ছেড়ে এলাকা ত্যাগ করতে হবে শতাধিক পরিবারের। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হবে এলাকার প্রাণবৈচিত্র। বিপন্ন হবে মানুষের স্বাস্থ্য।
ইট ভাটার বিরোধীতাকারি গ্রামবাসীদেরকে সন্ত্রাসীদের দিয়ে নানা ভাবে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

এদিকে, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পক্ষে দেবহাটার দক্ষিন কুলিয়া গ্রামের মৃত হেবাজউদ্দিন গাজীর ছেলে মোঃ আজহারুল ইসলাম পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের ইট ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুসাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি সেখানে হাজির না হয়ে আবারও ভাটার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে তাকে পূনরায় ভাটার যাবতীয় কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ আনুসারে কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না মর্মে লিখিতভাবে নোটিশ জারী করেছেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সহকারী পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তরকে এই নোটিশের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। এরপরও তিনি ভাটার কার্যক্রম বন্ধ না রেখে দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর আমাকে ভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলে আমি বন্ধ করে দেবো। আর তারা বন্ধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শিক্ষার আলো জ¦ালবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ব’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টূর্ণামেন্টের জেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে সাতক্ষীরা পিএন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। লেখাপড়া শিক্ষার্থীদের সামগ্রীক উন্নয়নে কাজ করে এবং খেলাধুলা নৈতিক চরিত্র গঠনে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের শরীর ও মনকে বিকশিত করে। সুস্থ সমাজ গঠনে খেলা ধুলার বিকল্প নেই। সুন্দর ভবিষ্যত গঠন এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এর জেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় গাংনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম শ্যামনগর নওয়াবেকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়। এতে শ্যামনগর নওয়াবেকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়কে পরাজিত করে ৪/০ গোলে পরাজিত করে গাংনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টূর্ণামেন্ট এর ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় তালা চরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম কালিগজ্ঞ চম্পাফুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতে টাইব্রেকারে তালা চরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ২-১ গোলে পরাজিত করে কালিগজ্ঞ চম্পাফুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলায় রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন আবুল আলাম ফরহাদ, তাপস কুমার। সহযোগি রেফারীর দায়িত্বে ছিলেন সঞ্জীব ব্যানার্জী, কার্তিক চন্দ্র, আব্দুল হামিদ, আব্দুস সাত্তার। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন, সিলভার জুবলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জী, জেলা যুবলীগ নেতা শেখ শফি উদ্দিন সফি, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ সাবনাজ সোমা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

২ একর ৩৮ শতাংশ জমি অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও জমি ক্রেতা জাহানারা রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। ক্ষমতার অপব্যাবহার ও সরকারী অর্থ ক্ষতি করার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় বগুড়ার সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম আদমদীঘি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

জানা যায়, বগুড়ার আদমদীঘিতে বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশনের সুরুজমল আগরওয়ালার (পাট ক্রয়ের স্থানের নাম) জায়গা জাহানারা রশিদ নামের এক নারী গত ২০১০ সালের ১৩ মে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে তিন বছরের জন্য প্রতি বছর এক লাখ ২০ হাজার টাকায় লিজ নেয়। কিন্ত তাকে এক বছর ভাড়া প্রদানের নির্দেশ দিলেও ভাড়া প্রদান না করে জমিটি ক্রয়ের জন্য পাট ও বস্ত্র মন্ত্রনালয়ে ২০১১ সালে ২৩ নভেম্বর আবেদন করে। উক্ত সম্পত্তি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য উম্মুক্ত দরপত্র আহবান করার নিয়ম থাকলেও মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী তার পরিচিতজন হওয়ায় মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার সাতশ’ ৯৫ টাকার সম্পত্তি মাত্র ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৭৪ টাকায় বিক্রি করায় সরকারের ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়। সাবেক পাটমন্ত্রী এবং জাহনারা রশিদ যোগসাজশে ব্যাক্তিস্বার্থে আর্থিক লাভবান হওয়ার জন্য ক্ষমতার অপব্যাবহার করেছে। জাহানা রশিদের স্বামীর মূল বাড়ি টাঙ্গাইলে হওয়ার কারণে পূর্ব পরিচিত ছিলেন মন্ত্রীর।

বগুড়ার সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, ২ একর ৩৮ শতাংশ জমি অবৈধভাবে বিক্রির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ সরকারের আর্থিক ক্ষতি হওয়ায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ও বগুড়া শহরের কালিতলার মৃত হারুনুর রশিদের স্ত্রী জাহানারা রশিদের বিরুদ্ধে আদমদিঘী থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

বগুড়ার আদমদিঘি থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়াহেদুজ্জামান জানান, থানায় মামলা হয়েছে। মামলা রেকর্ড হয়েছে। মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও জমি ক্রেতা জাহানারা রশিদকে আসামি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হুদার বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে মামলা

আসাদুজ্জামান : ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্টে শেয়ার করায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদার বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং-৫২। তারিখ-১৭.১০.১৭।
সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বাদি হয়ে গত ১৪ আক্টোবর শনিবার রাতে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রোববার সকালে অভিযোগটি পুলিশ হেড কোয়ার্টারে পাঠানোর পর সেখান থেকে যাচাই বাছাই শেষে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নির্দেশ পাওয়ার পর সদর থানার ওসি মামলাটি রেকর্ড করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা হুদা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে বেশ কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে আপত্তিকর পেষ্টে শেয়ার করেছেন নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে। শুধু প্রধানমন্ত্রী নন তার ফেইসবুক আইডিতে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিয়েও গালিগালাজের কমতি করেননি। প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি আপলোড করা পোস্টেও তিনি শেয়ার করেছেন। তিনি আল জাহিদ নামের একটি ফেইসবুক আইডি থেকে আপলোড করা পোস্টে শেয়ার করে এই অপকর্মগুলি অনায়াসে চালিয়ে গেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আপত্তিকর কথা লিখে শেয়ারও করেছেন।

Modasserul Haque Huda নামের আইডি থেকে বিএনপি অনলাইন উইং, বিএনপি সমর্থকগোষ্ঠী, ইরা চৌধুরী আইডি থেকে সরকার বিরোধী ও দেশ বিরোধী আপলোড করা ছবিসহ বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করে আসছেন। সমাজের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসাবে তিনি কেন এ সব অশ্লীলতা চালিয়েছেন তা কারও বোধগম্য নয়। অনেকে বলছেন, হুদার বেহুদা কারবারের সমুচিত জবাব দেওয়া উচিত। এ নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ইতিমধ্যে হুদার এ বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে তিনি প্রশাসন থেকে সরকার দলীয় বিভিন্ন নেতাকার্মীদের কাছে নিজেকে বাঁচাতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেন।
এ বিষয়ে কলেজ শিক্ষক অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদা জানান, আমি অনেক সময় কলেজে ক্লাস নেয়ার সময় মোবাইল ফোনটি অফিস রুমে রেখে যায়। এ সময় কেউ আমার মোবাইল ফোন থেকে শেয়ার করেছে কিনা তা আমি বলতে পারব না।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ মামলা রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিএনপি নেতা হুদাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest