সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

হারিয়ে যাওয়া ৭০০ রোহিঙ্গা শিশুর মা-বাবাকে খুঁজে দিল কামাল

গত ২৫শে আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শুরু হয় সেনাবাহিনীর সহিংসতা। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ছয়লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
পালিয়ে আসতে গিয়ে অনেকেই তাদের পরিবার, মা-বাবা ও প্রিয়জনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

তেমন মানুষদের স্ব-উদ্যোগে সহায়তা করছেন কামাল হোসেন নামের আরেকজন রোহিঙ্গা শরণার্থী। প্রায় বিশ বছর ধরে তিনি নিজেই উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের বাসিন্দা।

আগস্টের ২৭ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাতশো পরিবারকে তাদের ছেলেমেয়েদের সাথে পুনরায় মিলিত হতে সহায়তা করেছেন তিনি।

কামাল হোসেন জানান, তিনি যখন বাংলাদেশে এসেছিলেন তখন তার বয়স ছিল নয়। ১৯৯৮ সালে তিনি মিয়ানমার থেকে শরণার্থী হয়ে চলে এসেছিলেন বাংলাদেশে। তিনি এসেছিলেন একাই, বাবামাকে না জানিয়ে এবং ক্যাম্পে থাকার জন্য নথিবদ্ধ হয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক একটি ত্রাণ সংস্থায় গার্ডের কাজ করেন কামাল হোসেন। বলছিলেন এত লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রথমবারের মত বাংলাদেশে এসে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।
‘এরা আসতেছে- কিন্তু গ্রাম চিনে না – পথঘাট চিনে না। তারা কখনও বাংলাদেশে আসে নাই। এদিক ওদিক যেতে গিয়ে অনেক শিশুর থেকে মা হারিয়ে যাচ্ছে, কারও আত্মীয় স্বজন হারিয়ে যাচ্ছে। খুঁজে পাইতেসে না। ‘

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য বড় সমস্যা পরিবার থেকে শিশুরা যেন বিচ্ছিন্ন না হয়ে পড়ে। কামাল হোসেন বলছিলেন সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল বাংলাদেশে ঢোকার পর একদিন তিনি দেখেন তার অফিস গেটের সামনে দাঁড়িয়ে এক নারী কাঁদছেন। ‘একটা মহিলা আমার গেটের সামনে আসি কান্নাকাটি করতেসে। আমি জিজ্ঞাসা করার পর উনি বলতেসে আমার একটা ছেলে আজকে দুদিন ধরে হারিয়ে গেছে, আমি খুঁজে পাইতেসি না। ‘

‘সারাদিন ডিউটি করার সময় চিন্তা করি করি আমার মনে হল অনেক মানুষ রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিতেছে, টাকাপয়সা, জিনিসপত্র দিতেছে, আমার তো ওইধরনের কোন সম্পদ নাই। আমি তো কিছু করতে পারতেসি না। তালে আমি যদি মাইকিং করে যাদের বাচ্চাগুলো হারিয়ে যায়,তাদের মা-বাপেরে যদি খুঁজে দিতে পারি, তাহলে যারা ত্রাণ দিতেসে, ওদের মত ওইধরনের সোয়াবগুলো আমি পাব। ”

২৭শে সেপ্টেম্বর কামাল হারিয়ে যাওয়া পরিবারগুলোকে আবার মিলিয়ে দেবার কাজ প্রথম শুরু করেন।
তিনি বলছিলেন তার নিজের পকেট থেকে তার বেতনের ৩০০০ টাকা দিয়ে তিনি চার দিনের জন্য একটা মাইক ভাড়া করেছিলেন মাইকিং করার জন্যে।

“চারদিন পর যখন সময় চলে গেছে, আমি মাইক ফেরত দেবার জন্য যাচ্ছি, তখন ইউএনএইচসিআর আমার সঙ্গে কথা বলল- বলল আপনি তো নিজের টাকা খরচ করি মাইকিংটা করতেছেন। এখন আপনার তো সময় চলে গেছে- আপনি তো মাইকগুলো ব্যাক দিতে চান। তালে আমরা মাইকগুলার ভাড়া দেব, কিন্তু আপনি একটু হেল্প করতে পাবেন কীনা?”

এরপর রাজি হয়ে তিনি সেখানে একটা বোর্ড তৈরি করে টাঙালেন হারানো পরিবারদের মিলিয়ে দেবার জন্য। সেখান থেকেই তিনি শুরু করলেন মাইকিং করতে।

তিনি বলছিলেন কোনো ছেলে হারিয়ে গেলে তিনি তাকে তার গ্রামের নাম জিজ্ঞেস করেন, তার নাম, তার আব্বা-আম্মার নাম,তার বয়স এসব নানা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তারপর মাইকিং করতে থাকেন। ২৭শে সেপ্টেম্বর থেকে মাইকিং করে এ পর্যন্ত ৭৩৭জন হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাকে তিনি বাবা-মার হাতে তুলে দিয়েছেন।

কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের পর তবেই তিনি বাচ্চাদের ফিরিয়ে দেন সঠিক বাবা-মায়ের কাছে। “যখন একটা ছেলে হারিয়ে যায়, তখন মাইকিং করার পরে আব্বা আম্মা যখন ফিরে আসে আমার কাছে, তখন তাদের কত আনন্দ হয়, ওই সময় আমারও আনন্দ লাগে। ”

কামাল হোসেন জানান, হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাটাকে সঠিক বাবা-মায়ের কাছে তিনি যে ফিরিয়ে দিতে পারছেন এটা তার জন্য একটা বিরাট আনন্দের অনুভূতি। তিনি যখন খুবই ছোট তখন নাসাকা বাহিনী তাকে দিয়ে কুলির কাজ করানোর চেষ্টা করলে তিনি পালিয়ে চলে এসেছিলেন বাংলাদেশে- জানান কামাল।

এর কয়েক বছর পর তার বাবা-মা বাংলাদেশে পালিয়ে এলেও বহুদিন বাবা-মায়ের থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন তিনি। তিনি মানুষ হয়েছিলেন আরেকজনের আশ্রয়ে। পরে বাবা-মাকে খুঁজে পান কামাল। তাই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কষ্ট তিনি জানেন আর ব্যক্তিগত সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এখন হারিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেওয়ার কাজ কাঁধে তুলে নিয়েছেন বলে জানান কামাল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আসছেন ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরা সফরে আসছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেয়ার পর এটিই হবে সাতক্ষীরায় তার প্রথম সফর।

আগামী ২৪ নভেম্বর শুক্রবার সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তিনি। শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় একটি সূত্র ডেইলি সাতক্ষীরাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে টানা বৃষ্টিতে বিপন্ন বেড়িবাঁধ: আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা

মোস্তাফিজুর রহমান : নি¤œ চাপের প্রভাবে কয়েক দিনের অবিরম বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আশাশুনি উপজেলার জনজীবন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পানি নিষ্কাষণ ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় আমন ফসলের ব্যপক ক্ষতির আশংক্ষা করছে চাষীরা। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত অবিরাম বর্ষণে উপজেলার সাধারন মানুষ পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। নিন্মাঞ্চলের আমন ধানের ক্ষেত পানিতে ডুবে ব্যাপক ক্ষতির আশংক্ষা করা হচ্ছে। উপজেলার অধিকাংশ মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বেশ কিছু কৃষকের পাকা ধানও পানির নিচে তলিয়ে যেতে দেখাগেছে। বিভিন্ন এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের বসত বাড়ির আঙিনায় জমেছে হাঁটু পানি। কিছু কিছু এলাকায় বিষাক্ত পোকা মাকড়ের উপদ্রবও বেড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘর থেকে বের হতে না পেরে দিন আনা দিন খাওয়া দিনমুজর পড়েছে চরম বিপাকে। অবিরাম বৃষ্টি ও হালকা ঝড়ো হাওয়ায় স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও পড়েছে বিপাকে। আমন চাষিরা ফসল নিয়ে রয়েছে দারুণ উদ্বেগ উৎকণ্ঠায়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমন চাষিদের বক্তব্য পানি নিষ্কাষণ ব্যবস্থা ভালো থাকলে এমন বৃষ্টিতে হয়তো ক্ষয়ক্ষতির পরিমান অনেক কম হত। বড়দল থেকে বি এম আলাউদ্দীন জানান, প্রভাবশালী মহল কতৃক নেট পাটা বসিয়ে পানি নিষ্কাষন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত করায় কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বড়দল, খাজরা ও আনুলিয়া ইউনিয়নে আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বহু মহস্য ঘের তলিয়ে মৎস্য চাষীরা মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের প্রতাপনগর প্রতিনিধি জানান, অবিরাম বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে প্রতাপনগরের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়নের হিজলীয় ও কোলা পূর্বের বেড়িবাঁধ ভাঙন কবলিত স্থানের সন্নিকটের বেঁড়িবাধ আবারও হুমকির মুখে। এভাবে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া চলতে থাকলে যে কোন মূুহুর্তে বাঁধ ভেঙে বিস্তর এলাকা প্লাবিত হতে পারে। আরও জানান, শ্রীউলা ইউনিয়নের বালিয়াখালী ও কলিমা খালীর বহু মৎস্য ঘের ইতমধ্যেই পানিতে একাকার হয়ে গেছে। দরগাহপুর প্রতিনিধি জানান, বৃষ্টিতে দরগাহপুর ইউনিয়নের শ্রীধরপুর. খাঁশবাগান, সোনাই ও রামনগরের প্রায় ১হাজার বিঘা মৎস্য ঘের পানির নিচে তলিয়ে মৎস্য চাষীদের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া দরগাহপুর এস কে আর এইস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পানি উঠে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হচ্ছে। পাশ্ববর্তী কাদাকাটি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে মৎস্য ঘের ও ফসলের ব্যপক ক্ষতির আসংখ্যা করা হচ্ছে। বুধহাটা প্রতিনিধি জানান, ইউনিয়নের চাপড়া, সূর্যখালী ও নৈকাটিসহ কয়েকটি এলাকার বৃষ্টি ও বাতাসে পানির ঢেউয়ে ঘের রক্ষা বেঁড়ীবাধ গুলি ভেঙে একাকার হয়ে যাচ্ছে। এতে মৎস্য চাষীরা ব্যপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাছাড়া ইউনিয়নের নিন্মঞ্চালের অধিকাংশ ফসলী জমি পানির নেিচ নিন্মজিত হয়ে গেছে। এছাড়া আশাশুনি সদর, কুল্যা ও শোভনালী ইউনিয়নে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে মৎস্য ঘের ও ফসলের ক্ষয় ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক জানান, অবিরাম বৃষ্টিতে ইউনিয়নের কমবেশি সমস্যার কথা আমার কানে এসে পৌচেছে। পানি নিষ্কাষনের ব্যাপারে আমার সজাগ দৃষ্টি আছে। কারো দ্বারা কোথাও পানি নিষ্কাষনে বাধাগ্রস্থ হলে আমি নিজেই সেখানে চলে যাব। উপজেলা কৃষি অফিসার শামিউর রহমান জানান, নি¤œ চাপের প্রভাবে কয়েক দিনের অবিরম বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলের কম বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে যে টুকু বৃষ্টি হয়েছে এ মুহুর্তে আর যদি না হয় তবে ক্ষতির পরিমান কম হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলাবদ্ধতায় বিপাকে যোগরাজপুর ক্লাস্টারের পরীক্ষার্থীরা

জি. এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের যোগরাজপুর ক্লাস্টারের অধীনে মোট ৪টি কেন্দ্রে চলছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার চুড়ান্ত মডেল টেস্ট। এর মধ্যে কয়েকটি উপ-কেন্দ্রে টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার ফলে বিপাকে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। এর মধ্যে অন্যতম উপ-কেন্দ্র বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উপ-কেন্দ্রে শনিবার সকালে সেখানকার চিত্র দেখলে মনে হয়, এটি কোন স্কুলের মাঠ নয়, বরং মাছ চাষের আবাদ। এই কেন্দ” ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১শত ৩৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। টানা বর্ষণের কারণে স্কুলের মাঠটি এখন পানিতে টইটম্বুর। ফলে স্কুলের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘিœত হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে হাঁটু পানি পার হয়ে পরীক্ষার্থীদের পরিক্ষার হলে প্রবেশ করতে হচ্ছে। অল্পের জন্য পরিক্ষার হলে পানি প্রবেশ করেনি। তবে স্কুলের বারান্দা অবধি পানিতে ভরপুর।
৫ম শ্রেণির পরীক্ষার্থী ফেরদৌস, হালিমা, ইতি, ইউসুফ সহ আরো অনেকে জানান, জলাবদ্ধতার কারণে আমাদের পরিক্ষার হলে পৌঁছাতে অসুবিধা হচ্ছে। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে গিয়ে জামাকাপড় ও প্রবেশপত্র ভিজে যায়।
ছয়ঘরিয়া বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফয়জুর করিম বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে পা পিছলে পড়ে প্রবেশপত্র সহ অন্যান্য উপকরণ নষ্ট হচ্ছে। যা খুবই দুঃখজনক।
মাধবকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও হল সুপার মো. আছাদুল হক বলেন, একে তো জলাবদ্ধতার সমস্যা, তার উপর পরীক্ষার্থীদের তুলনায় পর্যাপ্ত হল রুমের ঘাটতি।
বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. আবুল কালাম আসাদ বলেন, পানি নিস্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে স্কুল মাঠটি পানিতে তলিয়ে থাকে। স্কুলের মাঠ ১ থেকে দেড় ২ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। ফলে পানি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত মাঠটি ব্যবহার করা যায়না। এজন্য শুকনো মৌসুমে স্কুল মাঠে মাটি ভরাট ও পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা না হলে আগামীতে এখানে পরিক্ষা কেন্দ্র করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবুল খায়ের বিশ্বাস বলেন, স্কুলে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক অসুবিধা হয়। এ ব্যাপারে আমি ইউপি মেম্বর ও চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। কিন্তু কোন লাভ হয় নি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
এ ব্যাপারে যোগরাজপুর ক্লাস্টারের উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বাসুদেব সানার ব্যবহৃত ০১৭০৮-৩৯৯০১৮ নম্বরে একাধিকবার যোাগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় অভিভাবকসহ সচেতন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তামনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত, আশঙ্কা চিকিৎসকের

রক্তনালির টিউমার নিয়ে চিকিৎসাধীন শিশু মুক্তামনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

আজ শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এ আশঙ্কার কথা জানান।

ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘অনেক কারণে মুক্তামনি নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। তার কফসহ কয়েকটি পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন আসলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে সে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কি না।’ মুক্তামনির অবস্থা ভালো ও খারাপ দুইটা মিলেই আছে বলে তিনি জানান।

ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, গত বৃহস্পতিবার তার হাতে নতুন চামড়া লাগানোর পর প্রথম ড্রেসিং করা হয়। এরপর তাকে তার কেবিনে রাখা হয়। বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে মুক্তামনির অস্ত্রোপচার করেন বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা। তার পা থেকে চামড়া নিয়ে হাতে প্রতিস্থাপন করা হয়। প্রথম ধাপে প্রায় ৫০ শতাংশ চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর চতুর্থ দফার অস্ত্রোপচারে মুক্তামনির হাতটি নতুন চামড়া লাগানোর উপযোগী করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারীসহ ধরা পড়া সাতক্ষীরার সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার !

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৮নং ধুলিহর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বায়দুল্লাহ সরদারকে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিমু ও সাধারণ-সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওন স্বাক্ষরিত একপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক নারীসহ জনতার হাতে ধরা পড়ে ধুলিহর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও এনজিও কর্মী বায়দুল্লাহ।পর পুলিশের হস্তক্ষেপ ও উভয়কে বিয়ে দেয়ার মাধ্যমে ঘটনার সমাপ্তি ঘটে। বিষয়টি গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বর্ণকন্যা সাদিয়া অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে

তাঁর হাতধরে অনেক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশের শুটিং। সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমস ও কমনওয়েলথ শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন সাদিয়া সুলতানা। এরপর ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমসের পর শুটিং থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান তিনি। পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রামে বসবাস করছিলেন। খেলা নিয়ে কোনো আলোচনায় না থাকলেও হঠাৎ খবরে এলেন তিনি, এক দুর্ঘটনায়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি।

গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে গ্যাসের চুলা থেকে তাঁর শরীরে আগুন ধরে যায়। চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তখন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে ঢাকায়। তাঁর শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। রান্না করতে গিয়েই তাঁর শরীরে আগুন লেগে যায়।

২০১০ সালে এসএ গেমসের শুটিংয়ে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের দলগত ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন সাদিয়া। একই বছর দিল্লিতে কমনওয়েলথ শুটিংয়েও স্বর্ণপদক পান তিনি। সেই স্বর্ণকন্যা এখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ কৃষকদল নেতাসহ ৪ ব্যক্তি আটক

এম. বেলাল হোসাইন : ওয়ান শুটারগানসহ তিনজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার রাত পৌনে সাতটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কাথন্ডা বাজারের কবীরের কাঠগোলার সামনে থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর গ্রামের আহসান সরদারের ছেলে ও ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার (৪০), একই উপজেলার শিকড়ি গ্রামের অজিয়ার রহমানের ছেলে আবুল হোসেন(৪৫) ও শহরের ইটাগাছার সামছুদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৫০)।
এ ব্যাপারে গোলাম সরোয়ার বলেন, তিনি দোষী নন রবিউল ইসলাম ফাঁসিয়ে দিয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কামাল হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে কাথন্ডা বাজারের কবীরের কাঠগোলার সামনে থেকে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তারা কি উদ্দেশ্য অস্ত্র নিয়ে বাজারে ঘোরাফেরা করছিল। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়াও একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাতানী মোড় থেকে ১৫০ পিচ ইয়াবাসহ এক ব্যবসায়ী আটক করে ডিবি পুলিশ। আটককৃত ব্যবসায়ী ভবানীপুর গ্রামের মৃত হোসেনুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest