সর্বশেষ সংবাদ-

জেলা তাঁতীলীগের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্রষ্টার এবাদত সৃষ্টির সেবা ও কর্মসেবা প্রগতিকে বুকে ধারণ করে সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগ আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয়ের লক্ষে ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী করতে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজাহার আলী শাহিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তাঁতীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য শ্রীমতি শিখা রাণী দাস। জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা সহ-সভাপতি শাওকিত হাসান রনি, নাসির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ আজিম হোসেন জেলা তাঁতীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান তুহিন, অর্থ সম্পাদক আব্দুল মালেক, কালিগঞ্জ উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি আমির আলী, দেবহাটা উপজেলার আহবায়ক নাসির উদ্দিন, আশাশুনি উপজেলার আহবায়ক সেলিম রেজা, কলারোয়া উপজেলার আহবায়ক অধ্যক্ষ বেলাল হোসেন আবির, পৌর তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি নুর জাহান সাদিয়া, সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ আলীসহ জেলার ৬টি উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ পৌর ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় মোট ২৪ হাজার তাঁতী পরিবার আছে। এ জেলার এ সকল অবহেলিত তাঁতীদের উন্নত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে এই শিল্পকে আরো উন্নত করতে হবে। আর এ কাজটি একমাত্র শেখ হাসিনার মত মেধা সম্পন্ন রাষ্ট্র প্রধান দ্বারা সম্ভব। এজন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক কে আবারও বিজয়ী করে এ শিল্পকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের মাধ্যমে আরো উৎজীবীত করে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে হবে। আর এ শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ যাতে রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে সে লক্ষে তাঁতীলীগকে বেশি বেশি করে কাজ করতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করায় তাঁতীলীগের মূল লক্ষ্য। সকল ভেদাভেদ ভুলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক কে বিজয়ী করে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। তাহলে বাংলাদেশ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত, রাজাকার ও জঙ্গীমুক্ত সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে রোহিঙ্গা ঢলে দিল্লির উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতির কারণে সেখান থেকে এই অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক শরণার্থীর ঢলে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত। রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর ভারত জোর দিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয় শনিবার মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের চলমান সহিংসতা নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানায়। রাতে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমারের টুইটে এই বিবৃতি প্রচার করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলী শনিবার ভারতের পররাষ্ট্রসচিব এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেছেন। রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের অন্তহীন স্রোত বাংলাদেশকে কী দুঃসহ পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়েছে, হাইকমিশনার তা জয়শঙ্করকে জানান। বাংলাদেশ চায়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত তাদের পাশে থাকুক।
উদ্বেগ জানিয়ে ভারতের বিবৃতি:
ভারতের পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতির কারণে সেখান থেকে এই অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক শরণার্থীর ঢলে ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা এর আগে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছিলাম। দুই দেশ এরই মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমনে তাদের কঠোর অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে এবং কোনো যুক্তিতেই সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেবে না।’
সম্প্রতি মিয়ানমার সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও নিরপরাধ লোকজনের মৃত্যুতে উদ্বেগ জানিয়েছেন। শান্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তিনি সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে রাখাইন রাজ্যের উন্নয়ন কর্মসূচিতে সহায়তা দেবে ভারত।
রবীশ কুমার বলেন, ‘আমরা সংযতভাবে এবং পরিপক্বতার সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি বেসামরিক লোকজনের কল্যাণের বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে রাখাইনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আহ্বান জানাই। রাজ্যটিতে সহিংসতা বন্ধ করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি।’
ভারতকে পাশে চায় বাংলাদেশ :
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলী আজ দেখা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের অন্তহীন স্রোত বাংলাদেশকে কী দুঃসহ পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়েছে, হাইকমিশনার তা জয়শঙ্করকে জানান। বাংলাদেশ চায়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত তাদের পাশে থাকুক।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মুয়াজ্জেম আলীকে জয়শঙ্কর বলেছেন, সাম্প্রতিক এই গোলমালের পর কয়েক হাজার রোহিঙ্গা ভারতেও চলে এসেছে।
রোহিঙ্গাদের যেভাবে রাখাইন রাজ্য থেকে মিয়ানমার পুলিশ ও সামরিক বাহিনী উৎখাত করছে, সে বিষয়ে ভারত এখনো নীরব। সম্প্রতি সেই দেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয়ে একটি কথাও বলেননি। উল্টো রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে যে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ চালানো হয়েছিল, ভারত তার নিন্দা করে মিয়ানমার সরকারের পাশে দাঁড়ায়। বালি ঘোষণাপত্রেও রোহিঙ্গা সমস্যার উল্লেখ থাকায় ভারত তাতে সই করেনি।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা সমস্যা কী বিপুল প্রভাব ফেলেছে, জয়শঙ্করকে মুয়াজ্জেম আলী তা বোঝান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যার সমাধান হওয়া একান্তই জরুরি। আঞ্চলিক স্বার্থেই একটা গ্রহণযোগ্য সমাধান প্রয়োজন।
ভারতে ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত, এদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো হবে। সরকারের এই উদ্যোগ রুখতে রোহিঙ্গাদের পক্ষে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থে মামলা করা হয়েছে। পাল্টা মামলা করেছেন বিজেপির সাবেক শীর্ষ কর্তা কে এনগোবিন্দ চারিয়া।
রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের বিরুদ্ধে বাংলাদেশও। সে কথা জয়শঙ্করকেও বলা হয়েছে। পাশাপাশি সমস্যার মানবিক দিকটাও তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ চায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত সক্রিয়ভাবে তাদের পাশে থাকুক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অর্ধকোটি টাকা লুট

এম. বেলাল হোসাইন : পত্রিকায় আকর্ষণীয় বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভূয়া নিয়োগপত্র প্রদান করে একটি চক্র হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে র‌্যাব ও গোয়েন্দা বিভাগের সহযোগিতা কামনা করেছেন। বেকার এসব নারী পুরুষরা জানান, সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকায় গত ১০ আগস্ট তারিখে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার অনুমোদিত আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে উপজেলা মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা, যশোর, বাগেরহাট, নড়াইল ও খুলনা জেলার প্রতিটি থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে পুষ্টি, মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কৃষি, নার্সারী ও বনায়ন, পরিবার পরিকল্পনা ডেনমার্কের আর্থিক ও কারিগরী সহযোগিতায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা মা ও শিশু স্বাস্থ্য কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশী পুরুষ ও মহিলাদের নিকট দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে থানা ব্যবস্থাপক পদে ১৯ জন (বেতন ১৯ হাজার টাকা মাসে)
অফিস সহকারী পদে ৫২জন (বেতন মাসে ১২ হাজার টাকা), ইউনিয়ন পরিদর্শক পদে ৭৮জন (বেতন ১৪হাজার টাকা), প্রোগ্রাম অফিসার পদে ৩৯জন (বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা) এবং স্বাস্থ্যকর্মী পদে ১২০ জন (বেতন প্রতিমাসে ১০হাজার ৫০০টাকা) নিয়োগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০আগস্টের মধ্যে ১৬৬, মজিদপুর, সাভার, ঢাকা-১৩৪০ এই ঠিকানায় বিধি মোতাবেক ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ফটোকপি ও নাগরিক সনদ/ জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি সহ আবেদন করতে বলা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে একটি ফোন নং ও দেওয়া হয়। নাম্বার হলো ০১৮২৯৮৮৬৭৭৯।
আবেদনের সময় উত্তীর্ণ হবার পর ঢাকার সাভারের ওই অফিস থেকে নিজকে রিয়া পরিচয় দিয়ে ০১৭৯০৭৩৩২৪১ নং মোবাইল ফোন থেকে প্রত্যেক আবেদনকারীর কাছে কথা বলে তাদের চাকরি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন। তিনি আবেদনকারীদের বলেন দু’এক দিনের মধ্যে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নিয়োগপত্র পাবেন। নিয়োগপত্র পাবার আগে অফিস খরচ বাবদ ০১৭১৫৯৯০৬০৯ নং মোবাইল ফোনে বিকাশে ৬৫০ টাকা পাঠাতে বলা হয়। চাকরি প্রার্থী প্রত্যেকেই ওই নাম্বারে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পাঠিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস থেকে নিয়োগপত্র উত্তোলন করেন। নিয়োগ পত্রে ১০সেপ্টেম্বর যোগদানের কথা উল্লেখ থাকলেও কোথায় কোন অফিসে যোগদান করতে হবে তার কোনো উল্লেখ নেই। ৯ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র নিয়ে প্রার্থীরা মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ঠিকানা জানার জন্য সাংবাদিকদের কাছে ফোন করেন। তারা সরকারি মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েও ঠিকানা ম্যানেজ করতে না পেরে ঢাকার সাভারের ওই অফিসের নাম্বারে ফোন করলে বিকাশ নাম্বারটি ছাড়া অন্য দুটি নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার ৮টি থানা ও ৭৮টি ইউনিয়ন, যশোর জেলার ৮টি উপজেলা ও ৯২টি ইউনিয়ন, বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলা ও ৭৭টি ইউনিয়ন, নড়াইলের ৩টি উপজেলা ও ৩৭টি ইউনিয়ন এবং খুলনার ৯টি উপজেলা, ৫টি মেট্রোপলিটন থানা, ৩১টি সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড ও ৭৪টি ইউনিয়ন থেকে ৫টি পদে কয়েক হাজার বেকার ব্যক্তি আবেদন করেন। প্রত্যেক আবেদনকারির নিকট থেকে বিকাশের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে ৬৫০টাকা করে। সূত্র জানায়, ৩৫৮টি ইউনিয়ন, ৩৬টি উপজেলা ও ৫টি মেট্রোপলিটন থানা থেকে কমপক্ষে ৪হাজার বেকার যুবক আবেদন করে। প্রত্যেকের নিকট নিয়োগপত্র পাঠিয়ে চক্রটি হাতিয়েছে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। এদিকে ঢাকার সাভারের সেই অফিসে হিসাব বিভাগের ০১৭১৫৯৯০৬০৯নং মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কেউ ফোন রিসিভ করেননি। কথিত রিয়া ম্যাডামের ০১৭৯০৭৩৩২৪১ এবং অফিসের ০১৮২৯৮৮৬৭৭৯ নাম্বারের ফোন দুটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে রিয়া ম্যাডামের মোবাইল ফোন শুক্রবার রাত থেকে বন্ধ রয়েছে। এর আগে তার নাম্বারটি খোলা ছিলো বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো নিয়োগ সম্পর্কে তার জানা নেই। সাতক্ষীরায় ওই ধরনের কোনো অফিস আছে কি না সেটিও তার জানার বাইরে।
বেসরকারি সংস্থা আরা’র নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম বলেন, পত্রিকায় লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে একটি চক্র এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি এব্যাপারে আইন প্রয়োগ সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় মাদক সম্রাট ফেন্সি মজিদসহ গ্রেফতার ৪

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটার মাদক সম্রাট ফেন্সি মজিদসহ তার প্রধান সহযোগী সুশান্তকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদী সাজা ও আরো দু’অপরাধীকে অর্থদ- প্রদান করেছে।
সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবা ও গাঁজা (মাদক) বিক্রিকালে শুক্রবার রাতে নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার হওয়া যুগীপুকুরিয়া গ্রামের আকরম আলী মোড়লের পুত্র আব্দুল মজিদ (৫০) সহযোগী একই গ্রামের ভবেন্দ্রনাথ সরকারের পুত্র সুশান্ত সরকার (৩৮) এছাড়া ধানদিয়া কৃষ্ণনগর গ্রামের সবুর খার পুত্র জসিম খাঁ (২২), মৃত জয়নাল সরদারের পুত্র কালাম সরদার (২০) কে আটক করে পুলিশ।
পরে তাদেরকে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেনের আদালতে হাজির করলে বিচারক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৯৯০ এর ১৯ টেবিলের ৭(ক) ধারায় মজিদকে ১ বছর ৩ মাস ও সুশান্তকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২৬ ধারায় জমিস খা ও কালাম সরদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগে বুলিসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে পুলিশের হাত থেকে একাধিক মামলার আসামী ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বুলিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তাকে প্রধান আসামী করে ৫৪ জনের নামে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নয়ন চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।
তবে স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে রফিকুল ইসলাম বুলির নেতৃত্বে প্রতাপনগর ইউনিয়নের হরিসখালি এলাকায় পাউবো’র ভাঙ্গন কবলিত বেড়িবাঁধ মেরমাতের কাজ করা সময় আশাশুনি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ জনগণ কাজ বন্ধ করে দেয়। গ্রেফতারের কারন জানতে চাইলে অভিযোগ আছে বলে জানান এস আই নয়ন চৌধুরী। এসময় শত শত নারী পুরুষ তাকে গ্রেফতারে বাধা দেয়। এক পর্যায় জনরোসের মুখে পড়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে আসলেও জনগণ বাঁধ মেরমাতের কাজ বন্ধ করে দেয়। এদিকে বাঁধ মেরামতের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ জনগণ ফেরার পথে হরিসখালি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে তালতলা বাজার এলাকায় এসআই নয়ন চৌধুরীসহ তার সঙ্গীয় ফোর্সদের ঘিরে ধরে বাঁধ মেরামতরে ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান। এসময় জনরোষের মুখে এসআই তার হাতে থাকা রিভলবর উচিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় হুড়োহুড়ি মধ্যেপড়ে এসআই নয়ন চৌধুরী হাতে সামান্য ব্যাথা পান। এক পর্যায় দারোগা সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন।
তবে উপপরিদর্শক (এসআই) নয়ন চৌধুরী জানান, একাধিক মামলার আসামি রফিকুল ইসলাম বুলিকে গ্রেফতারের জন্য তারা তালতলা বাজারে আসেন। গ্রেফতারের আগেই তাদের ওপর হামলা করে বুলির লোকজন। এতে তিনি নিজে, এএসআই তুহিন, কনস্টেবল জাহাঙ্গির ও কনস্টেবল মুস্তাফিজ আহত হন। এঘটনায় এসআই বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আশাশুনি থানার ওসি শাহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, সরকারি কাজে বাধা প্রদানের অপরাধে আসামী রফিকুল ইসলাম বুলিকে ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করে দুইশ থেকে আড়াইশ জনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা ইসলামকাটিতে সরকারি খাস খালে পানি নিষ্কাশনের পথে বাঁধ ও নেট-পাটা দিয়ে মৎস্য চাষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার চল্লিশা বিলের সরকারি খাস খালে বাঁধ ও নেট-পাটা দিয়ে মৎস্য চাষ করা হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে চরম ভাবে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও তা কোন কাজে আসেনি। পরে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসি খালের বাধ কেটে ও নেটপাটা তুলে দেয়।
স্থানীয় এলাকাবাসির অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে বাঁধ ও নেট-পাটা দেওয়ায় সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উচ্ছেদ করে দেয়। পরে ঘের মালিক ভাড়াটিয়া লোকজন এনে তাদের জিম্মি করে আবারও নেট-পাটা দিয়ে মৎস্য চাষ শুরু করেছে। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
তালা উপজেলার পার্শ্ববর্তী কেশবপুর এলাকার মধু ও মোস্তাক নামে দুই ঘের ব্যবসায়ী এ খালটি গত ছয় মাস ধরে দখল করে নেট-পাটা দিয়েছে। এতে এলাকার পানি নিষ্কাশন বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তালা উপজেলার ইসলামকাটি গ্রামে উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় তিন কিলোমিটার এ খালটি। খালটি চল্লিশা বিল থেকে সরাসরি কপোতাক্ষ নদে গিয়ে মিশেছে। বর্ষা মৌসুমে ইসলামকাটি, তালা সদর, কুমিরা ও তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলের পানি এ খাল দিয়ে নিষ্কাশন হয়।
মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী মধু জানান, পানি নিষ্কাশনের খাল বন্ধ করা হয়েছে। পানি যে পানি সরানোর সে পানি সরিয়ে বাঁধ ও নেট-পাটা দেওয়া হয়েছে। তবে এলাকার পানি নিষ্কাশনে কোনো ক্ষতি হবে না।
ইসলামকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেন জানান, কেশবপুর এলাকার মধু ও মোস্তাক নামে দুই মৎস্য ব্যবসায়ী মানুষের কাছে থেকে জমি লিজ নিয়ে ঘের করছে। তবে পানি নিষ্কাশনের পথে বাঁধ ও নেট-পাটা দেওয়া আমি দেখেছি। এলাকাবাসি ওই বাঁধ ও নেট-পাটা উচ্ছেদ করে দেয়। পরে তারা আবার ওই বাঁধ ও নেট-পাটা দিয়েছে কিনা তার তার জানা নেই। তবে পানি নিষ্কাশনের পথে কোনো বাঁধা থাকতে দিবো না।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন জানান, তার দপ্তরে কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে পানি নিষ্কাশনের পথে কোনো বাঁধা থাকতে দেওয়া হবে না। চলতি বছর বর্ষা মৌসুমে কোনো স্থানে জলাবদ্ধতা নেই। শেষের দিকে এসে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে ব্যক্তি স্বার্থে কোনো মৎস্য ঘের করতে দেওয়া হবে না।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মুস্তফা লূৎফুল্লাহ বলেন, ব্যক্তি স্বার্থে কেউ পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন প্রকার জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করতে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের কন্যার বিয়ে সম্পন্ন(ভিডিও)

বিয়ের পিড়িতে বসেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের কন্যা সুপ্রভা তাসনিম। শুক্রবার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলার গলফ গার্ডেনে আসাদুজ্জামান নূর ও শাহীন আখতার দম্পত্তির একমাত্র কন্যা তাসনিম ব্রিটিশ নাগরিক টিমথি স্টিফেন গ্রীনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

তাসনিম এর বিয়েতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সচিব, বিচারপতি, আইনজীবী, চিকিৎসক, লেখক, কবি, সাংবাদিকসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকারা।

বিয়েতে আরও উপস্থিত ছিলেন বর ও কনে পক্ষের আত্নীয় স্বজনরাও। বিয়েতে উপস্থিত সবাই নব দম্পত্তির জন্য দোয়া করেন। বিয়ের অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল ব্যাপক আয়োজন। সেই অনুষ্ঠানে নেচেছেন, বড়-কনেসহ আমন্ত্রিত অনেক অতিথিরাও। সংস্কৃতি মন্ত্রীর মেয়ের বিয়ের জমজমাট সেই অনুষ্ঠানের চুম্বক অংশের ভিডিও দেখার জন্য নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি দেখতে এথানে ক্লিক করুন-

https://www.youtube.com/watch?v=AEIgA0H_mZg

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগে আশাশুনির ৩৬ প্রাইমারিতে দপ্তরী নিয়োগ স্থগিত

আসাদুজ্জামান : পাহাড়সম দুর্নীতির মাধ্যমে আশাশুনিতে একটি চক্র ৩৬টি প্রাইমারিতে দপ্তরী নিয়োগের চেষ্টা করছে। আর এ দুর্নীতি করার জন্য দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষও একজোট হয়েছে অপেক্ষাকৃত সৎ এবং পরীক্ষিতদের দূরে ঠেলে দিয়ে। কিন্তু বিধি বাম! প্রাথমিকভাবে এ নিয়োগ চেষ্টা স্থগিত করেছেন জেলা প্রশাসক।

মজার ব্যাপার হলো, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় বিভিন্ন প্রাইমারি স্কুলে একই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুদিন আগে একই অভিযোগ উঠেছিল এবং অসংখ্য পত্র-পত্রিকার ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এমনকি শহরের একটি স্কুলের সভাপতি নিজেই জানিয়েছিলেন, তার স্কুলে যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশই নেয়নি! কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনেও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, জন প্রতি ছয় লাখ থেকে আট লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগে সাতক্ষীরার আশাশুনির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে দফতরি কাম নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব স্কুলের জন্য নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে সেসব ফলাফলও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন এক নির্দেশে এ পরীক্ষার ফলাফল বাতিল এবং যেসব বিদ্যালয়ে পরীক্ষা হয়নি সেগুলি স্থগিত করেন।
জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন জানান, বিষয়টি নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে নিয়োগ বোর্ডের কেউ কেউ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় খবরও প্রকাশিত হয়েছে। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বিধি মোতাবেক পরীক্ষা গ্রহন করে এসব নিয়োগ বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়োগ কমিটির প্রধান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা জানান, এই নিয়োগ সংক্রান্ত পুরো কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় আশাশুনির ৩৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি নিয়োগ নিয়ে “আড়াই কোটি টাকার দুর্নীতি” শীর্ষক একটি খবর প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত খবরে বলা হয় নিয়োগ সংক্রান্ত ছয় সদস্যের কমিটির কোনো কোনো সদস্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ছয় লাখ থেকে আট লাখ টাকা নিয়ে তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করেছেন। এই হিসাবে তারা দুর্নীতির মাধ্যমে কমবেশি আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এখবর পেয়ে অনেক প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষায় হাজির না হয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসেন।
একজন প্রার্থী বিভিন্ন জায়গায় ঘুষের টাকা নিয়ে ঘোরাঘুরি করে ব্যর্থ হয়ে নিয়োগের দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest