সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ইউটিউবে ইতিহাস গড়লো টেলিছবি ‘বড় ছেলে’

বিনোদন ডেস্ক : ঈদুল আজহায় চ্যানেল নাইনে প্রচারের পরই আলোচনায় চলে আসে টেলিছবি ‘বড় ছেলে’। এরপর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও এর প্রশংসা করেছেন তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শকরা। টিভিতে মিস করার পর এবং চারপাশে আলোচনা শোনার ফলে ইউটিউবে ‘বড় ছেলে’কে দেখা হয়েছে দেদার।
মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত টেলিছবিটি মাত্র ৯ দিনে ছুঁয়েছে ৫০ লাখের মাইলফলক। বাংলাদেশের আর কোনও নাটক বা টেলিছবির এমন নজির নেই। সিডি চয়েসের ইউটিউব চ্যানেলে এর বর্তমান ভিউ ৫৩ লাখ।
মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প নিয়ে সাজানো ‘বড় ছেলে’র প্রধান দুই চরিত্র অপূর্ব ও মেহজাবিন। এতে মধ্যবিত্ত অপূর্ব ও উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে মেহজাবিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শকরা।
টেলিছবিটির নেপথ্যের প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে পরিচালক আরিয়ান বলেন, ‘আমার দাদা ও বাবার মতো আমিও পরিবারের বড় ছেলে। তবে এটি আমার জীবনের গল্প নয়। কিন্তু এমন একটা ঘটনা সামনে থেকে দেখেছি। কাজ করতে গেলে নির্মাণের ক্ষেত্রে ছোটবেলার অনেক স্মৃতিই উঠে আসে। যেমন প্রাইভেট শিক্ষকদের ঘটনা। সেগুলোই এ টেলিছবিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর থানায় ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর থানার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শনিবার দুপুরে সদর থানা চত্বরে এ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
সদর থানা পুলিশের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)’র সভাপতি পুলিশ সুপার পত্মী মেহের নিগার আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কলাম আজাদ, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা আ ‘লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ নুরুল হক, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদ, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, ভোমরা সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম, সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) আব্দুল হাশেমসহ জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। এসময় সকল থানার ওসি ও পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় কিশোরী ধর্ষণ, ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার দুপুরে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানায় ওই কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে ধর্ষক শাহীনের নামে এ মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে ওই কিশোরী তার দাদীর সাথে বিলে ছাগল আনতে যায়। এ সময় তার দাদী তাকে ছাগলগুলো খুঁেজ আনতে বলে তিনি চলে আসে। এই সুযোগে পাটকেলঘাটার পুটিয়াখালী গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে শেখ শাহীন (২২) ওই কিশোরীর গলায় গামছা পেচিয়ে পার্শ্ববর্তী কলা বাগানে নিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসে।
পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে কামরুল শেখ ও সামাদ শেখ নির্যাতিত কিশোরীর বাবাকে মীমাংসার প্রস্তাব দিয়ে থানা-পুলিশ করতে নিষেধ করেন এবং ধর্ষকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দেবেন বলে চাপ দেন। এ নিয়ে স্থানীয় বাদল, আনছার, শহীদুল, কাদেরসহ অন্যান্যদের নিয়ে শালিসও বসে। কিন্তু ধর্ষক শাহীনকে হাজির করতে না পারায় শালিসদাররা দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
কোন উপায় না পেয়ে নির্যাতিত কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে পাটকেলঘাটা থানায় শনিবার দুপুরে এ মামলাটি দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্যা জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে পাটকেলঘাটা থানা অভিযোগ দায়ের করেছেন। ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কারও চেয়ে আমার রূপ-যৌবন কম ছিল না’

বিেনোদন ডেস্ক : নাজনীন আক্তার হ্যাপী। জাতীয় দলের এক তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে তিনি সমালোচিত হন। এরপর মিডিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। লেখক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। ‘হ্যাপী থেকে আমানুতুল্লাহ’ তার প্রথম গ্রন্থ।

১৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন হ্যাপী।

হ্যাপী লিখেছেন: ‘বেশিরভাগ নায়িকা, গায়িকাদের শেষ বয়সের পরিণতি ‘অর্থাভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না’ টাইপ শিরোনামে নিউজ! এছাড়া নায়িকা-গায়িকারা অর্থের অভাব থাকুক বা না থাকুক তাদের জন্য পারিশ্রমিক হিসাবে জাহান্নাম তো থাকছেই (তওবা না করলে)! এরা এতো বোকা কেন হয়! এরা কি বোঝে না তাদের রূপ যৌবনকে পুঁজি করে ব্যবসা চলে, রমরমা ব্যবসা! কাজ শেষ তো, থুথুর মত ফেলে দেয়! অথচ আজকের নায়িকা-গায়িকারা গর্ব করে দুনিয়া কাঁপাচ্ছে। কাল কি হবে, কোনো হুশ আছে?

সিনেমাপাড়ায়, মিডিয়াপাড়ায় ক্যামেরার সামনে-পেছনে কত রকম নোংরামি চলে তা তো সবার কম বেশি জানা। আজকের এই রূপ কয়দিন? এই রূপ দিয়ে কোটি কোটি পুরুষের রাতের ঘুম হারাম করাই শুধু সম্ভব, একজন জান্নাতি জন্ম দেওয়া সম্ভব নয়! আমিও ছিলাম তোমাদের কাতারে! রূপ-যৌবন তোমাদের চেয়ে কম ছিল না। জান্নাত পাবো কিনা জানি না। তবে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়ার এই জঘন্য অন্ধকার পথ থেকে আল্লাহ আমাকে ফিরিয়ে এনেছেন আলহামদুলিল্লাহ! এখন তাই আশা করার সাহস করি, হয়ত আল্লাহ জাহান্নাম থেকে হেফাযত করবেন!

যারা তোমরা মিডিয়া-ফিল্ম নিয়ে পড়ে আছো, তোমরা স্বীকার করো বা না করো, এটা যে কত নোংরা জগত তা তোমরা ভালো মতই জানো। এখনো সময় আছে, ফিরে আসো! অবশ্যই আল্লাহতায়ালা তোমাদের পুরস্কৃত করবেন ইনশাআল্লাহ!’

হ্যাপী অভিনীত সর্বশেষ ‘ধূমকেতু’ সিনেমাটি চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। শফিক হাসান পরিচালিত এ সিনেমায় হ্যাপী আইটেম গানে পারফর্ম করেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতি ৫ ঘন্টায় একজন নারী চাই রাম রহিমের! ধর্ষণ করেছে ২ হাজার!

বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং তাঁর ডেরায় থাকা কমপক্ষে দুই হাজার নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে জানিয়েছেন এক সাধ্বী। প্রতিদিন পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পরপরই একজন নতুন মেয়েকে রাম রহিম তাঁর ডেরায় ডেকে পাঠাতেন। এ ছাড়া এই ‘ভণ্ড বাবা’ ডেরায় থাকা কমপক্ষে দুই হাজার নারীকে ধর্ষণ করেছেন। ইন্ডিয়া টিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে হরিয়ানায় সিরসার ডেরার ওই সাধ্বী এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন। ওই সাধ্বী রাম রহিমের ডেরায় প্রায় ৩০ বছর ছিলেন।

ওই সাধ্বীর দাবি, রাম রহিমের এই অপকর্মের কথা অনেক মেয়েই তাঁদের মা-বাবাকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু রাম রহিমের ওপর অগাধ বিশ্বাসের কারণে নিজের মেয়েদের কথা বিশ্বাস করতেন না মা-বাবারা। সাক্ষাৎকারে রাম রহিমের পালিত কন্যা হানিপ্রীত সম্পর্কে ওই সাধ্বী বলেছেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হানিপ্রীতের বিয়ে দিয়েছিলেন রাম রহিম। এরপরে নকশা অনুযায়ী স্বামীর সঙ্গে হানির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান তিনি। মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই পরে তিনি হানিপ্রীতকে পালিত কন্যা হিসেবে পরিচয় দেন। হানি পালিত কন্যা নয়, তিনি আসলে রাম রহিমের প্রেমিকা। ডেরায় বাস করা প্রায় সবাই এসব অপকর্ম সম্পর্কে জানতেন, কিন্তু তাঁরা সবাই এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত ছিলেন।

সাধ্বীর দাবি, রাম রহিমের বিলাসবহুল ডেরার ভেতর গোপন গুহা বা যৌন গুহা ছিল। সেই গুহার খোলা জানালা দিয়ে ডেরার মেয়েদের দেখে দেখে পছন্দ করতেন তিনি। তারপর পছন্দের মেয়েকে নিয়ে ধর্ষণ করতেন তিনি। ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হলে মেয়েদের জোর করে গর্ভপাত করাতেন তিনি। ডেরার এ রকম হাজারো মেয়ের গর্ভপাত করানো হয়েছে। প্রথম দিকে পাঞ্জাবের বাথিন্ডার বিভিন্ন এলাকায় গর্ভপাত করানো হতো। পরে রাম রহিম নিজেই তাঁর ডেরার ভেতর হাসপাতাল চালু করে গর্ভপাত করাতেন।

গত ২৫ আগস্ট দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের অভিযোগে করা দুটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয় রাম রহিমকে। এরপর নেওয়া হয় রোহতক শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের সানোরিয়া কারাগারে। এতে রাম রহিমের সমর্থকেরা পঞ্চকুলা এলাকায় তাণ্ডব শুরু করেন। পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে ৩১ জন নিহত ও ২৫০ জন আহত হন। পরে গত ২৮ আগস্ট রাম রহিমকে দুটি মামলায় ১০ বছর করে ২০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন সিবিআই আদালত।

এদিকে শনিবার রাম রহিমের বিরুদ্ধে সাংবাদিক রামচন্দ্র ছত্রপতি ও সাবেক ডেরা ব্যবস্থাপক রণজিৎ সিং হত্যা মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে। রোহতাকের সানোরিয়া কারাগার থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেবেন তিনি। এ কারণে হরিয়ানার পঞ্চকুলায় আবারও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোস্তাফিজকে এবার পেল রাজশাহী

স্পোর্টস ডেস্ক : গত মৌসুমে তাঁকে দেখা যায়নি মাঠে। এর আগের মৌসুমে কাটার আর ইয়র্কারগুলো দেখা গিয়েছিল ঢাকা ডায়নামাইটসের জার্সিতে। এবার অবশ্য উত্তরে যাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্লেয়ার ড্রাফটে প্রথমে ডাকার সুযোগ হাতছাড়া করেনি রাজশাহী কিংস। প্রথমেই আইকনদের বাইরে থাকা সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়টিকে নিয়ে নিয়েছে রাজশাহী। ‘এ প্লাস’ শ্রেণিতে থাকা বাঁহাতি পেসারকে রাজশাহী পেয়েছে ৪৫ লাখ টাকায়।

রাজশাহী এবার নতুন করে দল সাজাচ্ছে। আইকন মুশফিকুর রহিমকে অধিনায়ক করা হয়েছে আগেই। মোস্তাফিজও যুক্ত হলেন এবার। সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের উইকেটরক্ষক জাকির হোসেনকেও নিয়েছে দলটি। তবে মোস্তাফিজের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির ব্যাপার, মেহেদী হাসান মিরাজকে ধরে রেখেছে রাজশাহী। অনূর্ধ্ব-১৯ ও জাতীয় দলের পর এবার বিপিএলেও পেস ও স্পিন আক্রমণের নেতৃত্বভার দুই বন্ধুর কাঁধে।

সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাশরাফি, মাহমুদউল্লাহ, সৌম্য, সাব্বির—এই সাত আইকন খেলোয়াড়কে আগেই বেছে নিয়েছে সাত দল। আইকন হিসেবে বরিশাল বুলস দলে টেনেছিল মোস্তাফিজকেও। তবে আর্থিক অব্যবস্থাপনার দায়ে বরিশালের ফ্র্যাঞ্চাইজিকে শেষ মুহূর্তে নিষিদ্ধ হতে হয়েছে। আইকন মর্যাদা হারিয়ে এখন তাই একমাত্র ‘এ‍ প্লাস’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হয়ে ড্রাফটে উঠেছেন মোস্তাফিজ।
ড্রাফটের প্রথম রাউন্ডে স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে আবু হায়দার ও জহিরুল ইসলামকে নিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। খুলনা টাইটানস নিয়েছে নাজমুল হোসেন ও আবু জায়েদকে। চিটাগং ভাইকিংস নিয়েছে সানজামুল ইসলাম ও আল আমিন জুনিয়রকে। শাহরিয়ার নাফীস ও নাজমুল অপু খেলবেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে। সিলেটে আবুল হাসান ও শুভাগত হোম। কুমিল্লা নিয়েছে আরাফাত সানি ও পেসার আল আমিনকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

কলারোয়া ডেস্ক : আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজা শান্তিপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন। উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
সভায় শান্তিপূর্ণভাবে দূর্গোৎসব পালনে উপজেলার পূজা মন্ডপগুলোতে আইনশৃংখলা সমুন্নত রাখাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ¬ব দেব নাথ, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মনোরঞ্জন সাহা, সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্দ্বিপ রায়, পৌর কাউন্সিলর সন্ধ্যা রানী বর্মন, উপজেলা আ.লীগের সাবেক আহবায়ক সাজেদুর রহমান খাঁন চৌধুরী মজনু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খাঁন চৌধুরী পলাশ, আ.লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান, ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মফে, ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আ.লীগের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার ৫নং কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক আফজাল হোসেন হাবিল এবং ১২নং যুগিখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অবশ্য সভায় উপজেলা আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তার পক্ষীয় নেতারা অনুপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
সভায় উপজেলা আ.লীগের সাবেক আহবায়ক সাজেদুর রহমান খাঁন চৌধুরী মজনু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খাঁন চৌধুরী পলাশ, আ.লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান, ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মফে, ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলামসহ আ.লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাটি পরিচালনা করেন উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মলি¬ক রবি।
সভায় দুই ইউপি চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest