সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

প্রধান বিচারপতির বাসায় যেতে পারেননি বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা

ন্যাশনাল ডেস্ক : পুলিশের বাধার কারণে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা । তাঁরা বলছেন, সমিতির নেতারা সুপ্রিম কোর্ট থেকে গাড়িতে করে প্রধান বিচারপতির হেয়ার রোডের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দিলে মৎস্য ভবনের সামনে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়।
তবে পুলিশ বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের এমন দাবি অস্বীকার করেছেন।
প্রধান বিচারপতির বাসভবন ঘিরে শুক্রবার সারা দিনই ছিল গণমাধ্যমকর্মীদের আনাগোনা। বাসভবনের দুটি গেটের সামনেই ছিলে তাদের অবস্থান। বাসভবনে কে ঢুকলেন, কে বেরোলেন—মূলত তা-ই পর্যবেক্ষণ করেছে তারা। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও একই কাজ করতে দেখা গেছে।
এরই মধ্যে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সম্পাদক মাহবুব উদ্দীন খোকনসহ অন্য নেতারা বিকেল পাঁচটার দিকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন। তাঁদের এ ঘোষণার পর প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় আরও বাড়ে। পৌনে চারটার দিকে সমিতির দুজন নারীনেত্রী সেখানে আসেন।
প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে যখন রীতিমতো ছোটখাটো জটলা বেধে যায়, তখন পাঁচটার দিকে সেখানে আসেন রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাঈনুল ইসলাম। তাঁর নির্দেশে পুলিশের তিনজন কনস্টেবল গেটের সামনে অবস্থান নেন। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের রমনা অঞ্চলের উপকমিশনার মারুফ হাসান সরদারসহ আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হন।
সোয়া পাঁচটার দিকে সমিতির সহসভাপতি উম্মে কুলসুম প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে আসেন। কিছুক্ষণ পর গণমাধ্যমকর্মীদের ডেকে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার তাঁরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে কোনো ধরনের বাধা নেই। সে অনুযায়ী আইনজীবী সমিতির নেতারা প্রধান বিচারপতির বাসভবনের দিকে রওনা দিলে মৎস্য ভবনের সামনে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয় বলে দাবি করেন উম্মে কুলসুম।
সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন মোবাইলে বলেন, তাঁর এবং সম্পাদকের গাড়ি যখন মৎস্য ভবনের মোড়ের সিগন্যালে পৌঁছায়, তখন পোশাক পরা এবং সাদাপোশাকের কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে তাঁর গাড়িটি থামান। গাড়িতে কয়েকজন কনিষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্পাদকের গাড়িতে। পুলিশ সদস্যরা ওই কয়েকজন আইনজীবীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গাড়িতে তিনি আছেন কি না, তা তল্লাশি করেন। এরপর তাঁদেরকে গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পুলিশের এমন আচরণ দেখে অন্য গাড়িতে থাকা তাঁরাও (সভাপতি নিজে) আর সামনে এগিয়ে যাননি। গাড়ি ঘুরিয়ে চলে আসেন।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রমনা অঞ্চলের উপকমিশনার মারুফ হাসান সরদার বলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কে দেখা করবে, সেটি দেখার বিষয় তাঁদের নয়। প্রধান বিচারপতি কাউকে অনুমতি দিলে তাঁরা দেখা করতে পারেন। আইনজীবী সমিতির নেতাদের সঙ্গে তাঁর কোনো কথা হয়েছে কি না, সেটা তাঁর জানা নেই। তবে তাঁরা কাউকে কোনো ধরনের বাধা দেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দুর্বিসহ যন্ত্রণার দিন

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম টেস্টে বড় হারের পর দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াডে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। মিরাজ, শফিউল, তাসকিনদের বসিয়ে রুবেল, শুভাশীষ ও তাইজুলকে ভেড়ানো হয়। তবে ভাগ্য বদলায়নি মুশফিকের। প্রথম দিনেই দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া রানে চাপা পড়েছে টাইগাররা। প্রথম দিন শেষে তিন উইকেটে ৪২৮ রান করেছে প্রোটিয়ারা। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে এক উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বলতেই হচ্ছে, খেলোয়াড় বদলালেও ভাগ্য বদলায়নি সফরকারীদের। দ্বিতীয় দিনেও যে, মুস্তাফিজ-রুবেলদের কঠিন সময় পার করতে হবে সেটা হয়তো না বললেও চলে। ৮৯ রান নিয়ে হাশিম আমলা ও ৬২ রান নিয়ে অধিনায়ক দু প্লেসি রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিংয়ে নামবেন।

প্রথম টেস্টের মতো দ্বিতীয় টেস্টেও আজ বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়েছিল। টস জিতেছিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। আজও উইকেট চিনতে ভুল করেন তিনি। ফলে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম টেস্টেও টস জিতে ফিল্ডিং করেছিল বাংলাদেশ।

ব্যাটিংয়ে নেমেই মুশফিকের সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেন ডিন এলগার ও এইডেন মার্করাম। প্রথম উইকেটের জন্য প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে। দিনের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ডিন এলগারকে ফেরান শুভাশীষ রায়। ৫৪তম ওভারের চতুর্থ ওভারে এলগারকে মুস্তাফিজের তালুবন্দি করেন তিনি। প্রোটিয়াদের রান তখন ২৪৩। এলগার করেন ১১৩ রান ।

এরপর আমলাকে নিয়ে এগুতে থাকেন মার্করাম। তবে জুটিটা বড় হতে দেননি রুবেল হোসেন। দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে মার্করামের স্টাম্প উড়িয়ে দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি মিস করা মার্করাম ১৪৩ রান করে বিদায় নেন।

খানিক বাদে টেম্বা বাভুমাকেও ফেরান শুভাশীষ। উইকেটের পেছনে লিটন দাসকে ক্যাচ দেন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। মাত্র ৭ রান করেন তিনি। দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা স্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৪০ রান তুলে নিয়ে সফরকারীদের আবার খাদের কিনারে ঠেলে দেন হাশিম আমলা ও ফাফ দু প্লেসি।

দ্বিতীয় টেস্টের দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। তাঁর পরিবর্তে দলে জায়গা করে নিয়েছেন সৌম্য সরকার। বোলিং আক্রমণের ক্ষেত্রে এসেছে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন। দল থেকে বাদ পড়েছেন শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দলে এসেছেন তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও শুভাশীষ রায়।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৩৩৩ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ পর্যন্ত অজগরটি খেয়েই ফেললো গ্রামবাসী

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : ইন্দোনেশিয়ায় মানুষ এবং অজগরের লড়াইয়ে অজগরটির পরাজয় হলে স্থানীয় লোকজন সাপটিকে খেয়ে ফেলে। আর এভাবেই দুর্ভাগ্যজনক পরিসমাপ্তি ঘটে দৈত্যাকৃতির এই অজগরের।
শনিবার সুমাত্রার বাতাং গানসাল জেলায় একটি পাম বাগানের রাস্তায় সাপটির মুখোমুখি হন নিরাপত্তা কর্মী রবার্ট নাবাবান।
৮ মিটার(প্রায় ২৬ ফুট) লম্বা সাপটিকে নাবাবান ধরার চেষ্টা করলে সাপটি তাকে আক্রমণ করে। মানুষ আর অজগরের এই লড়াই চলতে থাকে।
এক পর্যায়ে গ্রামবাসীরা অজগরটি মেরে ফেলে। এই লড়াইয়ে মারাত্মক জখম হন নাবানান। নাবানান কেন অজগরটিকে ধরার চেষ্টা করছিলেন সেটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কোন কোন প্রতিবেদন বলছে যে, তিনি গ্রামবাসীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এমনটা করতে গিয়েছিলেন। আবার অন্য প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তিনি রাস্তা পরিষ্কার করতে চেয়েছিলেন।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, নাবাবানের বাম হাতে সাপটি গভীর করে ধারাল দাঁত বসিয়ে দেয় এবং অল্পের জন্য হাতটা রক্ষা পায়। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নাবাবান এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।
মৃত অজগরটি কিন্তু ছেড়ে দেয়নি গ্রামবাসীরা। প্রদর্শনের জন্য গ্রামের রাস্তায় সেটাকে ঝুলিয়ে রাখা হয়, আর তারপর সাপটাকে কেটে টুকরো টুকরো করে, ভেজে খেয়ে ফেলে তারা।
গত মার্চ মাসে এরকম আরেকটি ঘটনা ঘটে। তবে এর ফলাফলটা মোটেও এরকম ছিল না। সেক্ষেত্রে বরং মানুষটিকে অজগরের পেটে পাওয়া গেয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আবারও রোহিঙ্গা ঢলের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের সরকার যে সেদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের কাছে কাউকে যেতে দিচ্ছে না, জাতিসংঘ সেটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছে ।
জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দফতরের প্রধান মার্ক লোকক বলেন, সহিংসতার পরও মিয়ানমারের রাখাইনে হাজার হাজার রোহিঙ্গা এখনো রয়ে গেছে। জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে মি লোকক জানিয়েছেন, মিয়ানমার থেকে আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল নামবে বলে আশংকা করছেন তারা।
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে ইতোমধ্যে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
গত অগাস্ট মাস থেকে রাখাইনে এই সহিংসতা শুরু হয়। গত ছ’সপ্তাহে এটি এক বড় রকমের মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে।
লোকক বলেন, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মিয়ানমারে যেতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।
তবে ওই কর্মকর্তাকে রাখাইনে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে কতোটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে সেটা পরিস্কার নয়।
এর আগে জাতিসংঘের তরফে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিগত নিধন অভিযানের সাথে তুলনা করা হয়।
কিন্তু মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বলছে, তারা সন্ত্রাসীদের দমন করার চেষ্টা করছে। বর্মী নিরাপত্তা বাহিনীর উপর জঙ্গিদের হামলার পরই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এই কঠোর অভিযান শুরু হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, রোহিঙ্গাদের চারশোরও বেশি গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দফতরের প্রধান মার্ক লোকক তার কর্মকর্তাদেরকে রাখাইনে যেতে দেওয়ার জন্যে মিয়ানমারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আসা এখনও বন্ধ হয়নি। এখনও হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারের ভেতরে অবস্থান করছে। আর সেকারণে শরণার্থীদের ঢল যদি আবারও নামে, তার জন্যে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
মিয়ানমারের সরকারি বার্তা সংস্থাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, আরো বহু সংখ্যক রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত।
এজন্যে তারা রোহিঙ্গাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার ভীতির পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য ও খাদ্য সঙ্কটের কথা উল্লেখ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এক পরিবারের উপর ৯ বার হামলা, স্বামী-সন্তান হত্যার বিচার পেতে পথে পথে আমেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাড়ে তিন বছরের ব্যবধানে পৃথক ঘটনায় স্বামী সিরাজুল ও ছেলে রাসেল কবিরকে গুলি করে হত্যার বিচার দাবিতে পথে পথে ঘুরছেন সাতক্ষীরার কুচপুকুরের গৃহবধূ আমেনা খাতুন। এই দুই ঘটনা ছাড়াও তার পরিবারে আরও সাতটি হত্যা চেষ্টা, বোমাবাজি ও অগ্নি সংযোগেরও বিচার দাবি করেছেন তিনি। একমাত্র মেয়ে লাভলীকে সাথে নিয়ে আমেনা খাতুন আইন আদালত করেও তার শেষ নামাতে পারছেন না। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
শুক্রবার আমেনা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ গত ছয় মাসেও তার ছেলে রাসেল কবির হত্যার আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে স্বামী সিরাজুল হত্যার দুই আসামি আনিসুর রহমান ও হবিবর ডাকাত পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
আমেনা খাতুন জানান, ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে তার বাড়িতে ঢুকে একদল সন্ত্রাসী তার স্বামী সিরাজুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তাদের বোন জামাই কওসার ও তার ছেলে শিমুল গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। সন্ত্রাসীরা তার দেবর নজরুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে খুঁজতে থাকে। তিনি জানান নজরুল প্রাণে বাঁচতে সাতক্ষীরা থানায় আশ্রয় নেন। আমেনা খাতুন বলেন এতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা। তারা ২০১৭ এর ১০ এপ্রিল রাতে তার ছেলে রাসেল কবিরকে শহরের রাজারবাগান এলাকার ভাড়া বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় তিনি ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন যে, তার ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রাসেল কবির তার স্বামী সিরাজুল হত্যাসহ সবগুলি মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিল। তাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিল তারা। প্রাণ বাঁচাতে রাসেল গ্রামের বাড়ি ছেড়ে শহরে এসেও রক্ষা পায়নি। তিনি বলেন রাসেলকে হত্যার পর সন্ত্রাসীদের নজর রয়েছে তার ছেলে নাহিদ হাসান অভির ওপর।
আমেনা খাতুন আরও জানান ২০১৩ সালের ৩ মার্চ তাদের বাড়ি ও ধানচালের আড়তে সন্ত্রাসীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। একই সালের ১২ মে নজরুল ও তার ভাই আমজাদকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে। এতে তারা দুজন আহত হন। সে বছরের ২৭ জুন তাদের দোকান লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা পরপর চারটি বোমা ছুড়ে মারে। এতে নজরুলের বোন শাহানা খাতুন ও বোন জামাই জাহান আলি আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে গেছেন। এর কিছুদিনের মাথায় ২০ জুলাই নজরুলের বাড়িতে বোমা নিক্ষেপে আরও একটি শিশু আহত হয়। সে বছরের ১৬ নভেম্বর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তার আত্মীয় ইউসুফ আলিকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। কয়েকদিন পর তাকে মুক্তি দেয় সন্ত্রাসীরা। ২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল আমেনার দেবর নজরুল ইসলামের বাড়িতে ফের সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা করে। এতে তিনি আহত হন। এর পর থেকে নজরুল ও তার ভাতিজা রাসেল কবির সাতক্ষীরা থানায় রাত্রি যাপন করতেন। এক পর্যায়ে শহরে নতুন বাড়িভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকেন রাসেল কবির। এদিকে এসব ঘটনার পর গত ২৪ মার্চ রাতে একদল সন্ত্রাসী আমেনা খাতুনের বাড়িতে বোমা হামলা চালায়। একই সাথে তারা গুলিও করে। এতে বাড়ির দরজা জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি জানান সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য ছিল তার ছেলে যুবলীগ নেতা রাসেল কবিরকে হত্যা করার। রাসেল কবির এ সময় তার ছেলে নাহিদ হাসান অভিকে নিয়ে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন।
আমেনা খাতুন বলেন, সবগুলি ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বারবার অভিযান চালিয়ে খুঁজে না পেলেও বাবা ও ছেলে হত্যার মূল আসামিরা অজ্ঞাত স্থান থেকে তাদের হুমকি দিচ্ছে।
বিষয়গুলি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান সবগুলি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। কয়েকটি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযানও চলছে। রাসেল হত্যায় তিন আসামি শুকুর আলি, আইয়ুব আলি ও ইকবাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া রাসেলের বাবা সিরাজুল হত্যার দুই আসামি হবিবর ডাকাত ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর ও আনিসুর রহমান পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কণ্ঠশিল্পী মিলাকে মারধরের অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

কণ্ঠশিল্পী মিলাকে মারধর ও যৌতুকের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তার স্বামী পারভেজ সানজারিকে গ্রেফতার করেছে উত্তরার পশ্চিম থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার মিলা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর ৪(১০)২০১৭। বৃহস্পতিবার রাতেই তার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এখনও আদালত থেকে পুলিশ ফেরেনি।’

আলী হোসেন খান  বলেন, ‘মিলার স্বামী মারধর করে তার হাত ভেঙে দিয়েছে। তিনি (মিলা) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আমরা তার অভিযোগ গ্রহণ করেছি। আসামিও গ্রেফতার করা হয়েছে।’

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম  বলেন, ‘বৃহস্পতিবার মামলা হওয়ার পর আমরা আসামি পারভেজ সানজারিকে গ্রেফতার করেছি। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।’

মামলায় মিলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা  বলেন, ‘নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। মিলার দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের পর পর্যায়ক্রমে কয়েকবার এধরনের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ৩ অক্টোবর তাকে মারধর করা হয়। মিলার বাবা চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার চিকিৎসা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মিলা মামলায় অভিযোগ করেছেন, এর আগে তার স্বামী পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক নিয়েছেন। আরও দশ লাখ টাকা দাবি করেছেন। টাকা না পেয়ে স্বামী তাকে মারধর করেছেন। মামলায় মিলার  স্বামী একাই আসামি। আর কোনও আসামি নেই। মামলায় মিলার বাবা সাক্ষী হয়েছেন।’

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘বিয়ের পর থেকেই মিলা ও পারভেজের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। বনিবনা না হওয়ায় পারভেজ মাসখানেক আগে মিলার বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। মিলাকে নিজের বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্যও বলেছিলেন। কিন্তু মিলা তার বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকতেন। মাঝেমাঝে স্বামীর বাড়িতে যেতেন। এরমধ্যেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের পাইলট পারভেজ সানজারির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মিলার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ বছরের ১২ মে রাতে মিলার বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হারল যুব দল!

আবার হতাশ করল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ঘরের মাঠে অতিথি আফগানিস্তান যুব দলের কাছে এবার তারা শুধু হারেইনি, সিরিজও হাতছাড়া করেছে স্বাগতিক দলটি। আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ যুব দল হেরেছে ৩৩ রানে। এই হারে তারা সিরিজ হেরেছে ৩-১ ব্যবধানে।

ম্যাচে আফগান যুব দল প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৪০ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয় বাংলাদেশ দলটির সামনে। সফরকারী দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন ইব্রাহিম। রাসুল ৭৫ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন।

বাংলাদেশের পক্ষে নাঈম হাসান ৩৮ রানে ‍দুই উইকেট নেন। আফিফ ও মাহমুদ পান একটি করে উইকেট।

এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ৪৮.২ ওভারে ২০৬ রানে ইনিংস গুটিয়ে নেয়। তৌহিদ হৃদয় ৯৩ রানের দারুণ একটি ইনিংস খেলেও দলের হার এড়াতে পারেনি। আর সাইফ হাসান করেন ২৮ রান।

ওয়াফাদার ৫২ রানে চারটি ও কামাওয়াল ৩৬ রানে তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামান।

অবশ্য সিরিজে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল ভালোই। প্রথম ম্যাচে তারা সহজেই জয় তুলে নিয়েছিল। অবশ্য দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। এরপর টানা তিন ম্যাচ হেরে স্বাগতিকরা সিরিজ হাতছাড়া করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী সম্মেলন; মইনুল সভাপতি, শিমুল সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্রবার বিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাতক্ষীরা পৌর শাখার ৩ নং ওয়ার্ড এর আঞ্চলিক কমিটি গঠন উপলক্ষে সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা মোড়ে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সম্মেনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো: আব্দুল মান্নান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের সভাপতি মো: মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো: রবিউল ইসলাম। বিশেষ হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম রকি। উক্ত কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মইনুল ইসলাম মইনুলকে সভাপতি ও শেখ শিমুলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ৩ নং ওয়ার্ড (মাদ্রাসা পাড়ার) এর আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন দেন নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest