সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

বিপ্লবের অগ্নিপুরুষ চে’র ৫০তম মৃত্যুদিবস আজ

ডেস্ক রিপোর্ট : চে গুয়েভারা বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে খ্যাতিমান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের অন্যতম। আজ (৯ অক্টোবর) বিপ্লবের মহানায়ক চে’র ৫০তম মৃত্যুদিবস।
তাঁকে বলা হয়ে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী, বিপ্লবের অগ্নিপুরুষ। এই মহান বিপ্লবীর মৃত্যুর পর তাঁর শৈল্পিক মুখচিত্রটি একটি সর্বজনীন বিপ্লবের মুখচ্ছবি হিসাবে বিশ্বপ্রতীকে পরিণত হয়।

এ মহান বিপ্লবীকে কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘চে গুয়েভারার প্রতি’ কবিতায় সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেছেন এইভাবে- ‘চে তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়/ আমার ঠোঁট শুকনো হয়ে আসে, বুকের ভেতরটা ফাঁকা/ আত্মায় অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপতনের শব্দ/ শৈশব থেকে বিষণ্ন দীর্ঘশ্বাস…/ বলিভিয়ার জঙ্গলে নীল প্যান্টালুন পরা/ তোমার ছিন্নভিন্ন শরীর/ তোমার খোলা বুকের মধ্যখান দিয়ে/ নেমে গেছে/ শুকনো রক্তের রেখা…। ‘

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো সারা বিশ্বের লাখো, কোটি মানুষের স্মরণে এমনি রয়েছেন বিপ্লবী চে। এই মহান বিপ্লবীর জন্ম ১৯২৮ সালের ১৪ জুন। চে গুয়েভারার পুরো নাম আর্নেস্তো গেভারা দে লা সেরনা। জন্মসূত্রে চে গুয়েভারা আর্জেন্টিনার নাগরিক। পেশায় ছিলেন একজন ডাক্তার এবং ফিদেল কাস্ত্রোর দলে চিকিৎসক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি অনুকরণীয় এক বিপ্লবীতে পরিণত হন।

কিউবায় ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে সফল বিপ্লবের পর চে বলিভিয়ায় গিয়েছিলেন আরেকটি বিপ্লবের প্রত্যয় নিয়ে। বলিভিয়াতে থাকার সময় তিনি সিআইএ (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি) মদদপুষ্ট বলিভিয়ান বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর, বলিভিয়ার শহর লা হিগুয়েরাতে বলিভিয়ার সেনাবাহিনী তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। মৃত্যুর পর তিনি সমাজতন্ত্র অনুসারীদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শে পরিণত হন।

চে গুয়েভারা একাধারে ইতিহাসের এক নন্দিত চরিত্র। বিভিন্ন জীবনী, স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ, তথ্যচিত্র, গান ও চলচ্চিত্রে তাঁর চরিত্রের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তার মৃত্যুর ৫০ বছর পরও টাইম পত্রিকার বিংশ শতাব্দীর সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকায় তাঁর নাম প্রকাশিত হয়। আবার গেরিলা যোদ্ধার পোশাকে ১৯৬০ সালের ৫ মার্চ ‘গেরিলেরো হেরোইকো’ নামে আলবের্তো কোর্দার তোলা চে’র বিখ্যাত ফটোগ্রাফটিকে ‘বিশ্বের সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ ফটোগ্রাফ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

খুব শৈশব থেকেই সমাজের বঞ্চিত, অসহায় ও দরিদ্রদের প্রতি ছিল তাঁর গভীর মমত্ববোধ। একটি সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারার পরিবারে বেড়ে উঠবার কারণে খুব অল্প বয়সেই রাজনীতি সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান লাভ করেন চে। সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে ওঠা চে’র পরিবারে ছিল তিন হাজারেরও বেশি বই। যা চে-কে করে তোলে সমাজসচেতন। সে সময় তিনি কার্ল মার্কস, উইলিয়াম ফকনার, এমিলিও সরগারির বইয়ের পাশাপাশি জওহরলাল নেহরু, আলবার্ট ক্যামাস, ভ্লাদিমির লেলিন, রবার্ট ফ্রস্টের বইও পড়েছেন। কোনো ধর্মে বিশ্বাসী না হয়ে এভাবেই নিজেকে একজন সমাজসচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন।

যুবক বয়সে মেডিসিন বিষয়ে পড়ার সময় চে দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করেন। যা তাকে অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট অনুধাবন করার সুযোগ এনে দেয়। চে বুঝতে পারেন ধনী-গরিবের এই ব্যবধান ধ্বংস করে দেবার জন্য বিপ্লব ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তখন থেকেই তিনি মার্কসবাদ নিয়ে পড়ালেখা শুরু করেন এবং সচক্ষে এর বাস্তব প্রয়োগ দেখার জন্য গুয়াতেমালা ভ্রমণ করেন।

এই বিশ্বাসের বশবর্তী হয়ে রাষ্ট্রপতি জাকোবো আরবেনজ গুজমানের নেতৃত্বাধীন গুয়াতেমালার সামাজিক সংস্কার আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৫৪ সালে সিআইএ-এর ষড়যন্ত্রে গুজমানকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলে চে’র বৈপ্লবিক আদর্শ চেতনা বদ্ধমূল হয়। পরবর্তীকালে মেক্সিকো সিটিতে বসবাসের সময় তাঁর সঙ্গে রাউল ও ফিদেল কাস্ত্রোর আলাপ হয়। চে তাঁদের ‘ছাব্বিশে জুলাই’ আন্দোলনে যোগ দেন। মার্কিন মদদপুষ্ট কিউবান একনায়ক ফুলজেনসিও বাতিস্তাকে উৎখাত করার জন্য সমুদ্রপথে কিউবায় প্রবেশ করেন। খুব অল্পদিনেই চে বিপ্লবী সংঘের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড পদে তাঁর পদোন্নতি হয় এবং বাতিস্তা সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে দুই বছর ধরে চলা গেরিলা সংগ্রামের সাফল্যের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কিউবার বিপ্লবের পর চে নতুন সরকারে একাধিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বিপ্লবী আদালতে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্তদের আপিল পুনর্বিবেচনা ও ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড প্রদান, শিল্পোদ্যোগ মন্ত্রী হিসেবে খামার সংস্কার আইন প্রবর্তন, কিউবার জাতীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক বাহিনীর ইনস্ট্রাকশনাল ডিরেক্টরের ভূমিকা পালন, এবং কিউবান সমাজতন্ত্রের প্রচারে বিশ্বপর্যটন করেন। এই পদাধিকারের কল্যাণে তিনি মিলিশিয়া বাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের সুযোগ পান। এর ফলে এই বাহিনী পিগ উপসাগর আক্রমণ করে তা পুনর্দখলে সক্ষম হয়। কিউবায় সোভিয়েত পরমাণু ব্যালিস্টিক মিসাইল আনার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই সময় তিনি বিভিন্ন নিবন্ধ ও বই রচনা করেন। গেরিলা যুদ্ধের ওপর তিনি একটি ম্যানুয়েল রচনা করেন। পরে ১৯৬৫ সালে চে মেক্সিকো ত্যাগ করেন। তার ইচ্ছা ছিল কঙ্গো-কিনশাসা ও বলিভিয়াতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

বলিভিয়াতে থাকার সময় তিনি সিআইএ মদদপুষ্ট বলিভিয়ান বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদদপুষ্ট বলিভিয়ার তৎকালীন সামরিক জান্তা বারিয়েন্তোসের স্বৈরাচারী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে চে সহযোদ্ধাদের নিয়ে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। সামরিক জান্তার সৈন্যদের সঙ্গে যুদ্ধরত অবস্থায় চে গুরুতর আহত হয়ে ধরা পড়েন। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর, বলিভিয়ার শহর লা হিগুয়েরাতে বলিভিয়ার সেনাবাহিনী তার মৃত্যদণ্ড কার্যকর করে। শেষ হয়ে একটি ইতিহাস কিংবা আরেকটি ইতিহাসের জন্ম হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমুহকে ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার রাতে আবহওয়া অধিদপ্তরের এক সতর্কবার্তায় একথা জানানো হয়, লঘু চাপের প্রভাবে, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দর সমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এতে বলা হয়, ‘লঘু চাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দর সমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে’।
সতর্ক বার্তায়- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমুহকে ৩ (তিন) নম্বর পুনঃ তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়াও, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

সূত্র: বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবার রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, ১২ লাশ উদ্ধার

বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সাগর পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় আবার রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত আটজনকে।

গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদের ঘোলার চর পয়েন্টে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা জানান, ৩০ থেকে ৩৫ জনকে নিয়ে নৌকাটি মিয়ানমারের মংডুর নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে বাংলাদেশের শাহপরীর দ্বীপ পয়েন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। এ সময় উত্তাল সাগরে শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদের ঘোলার চর পয়েন্টে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও শাহপরী দ্বীপে দায়িত্বরত স্টেশন কোস্টগার্ড।

টেকনাফ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, নৌকাডুবির খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড ও পুলিশের সদস্যরা ঘোলারচর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালান। এখনো ১২ থেকে ১৫ রোহিঙ্গা নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সে দেশের সেনাদের নির্যাতনের কারণ এবং খাদ্যাভাবে রোহিঙ্গারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো নাফ নদ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০১ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক দৌড় প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ জয়!

‘কে বলে ঠাকুমা তোমার বয়স পেরিয়ে গেছে আশি’ বাংলা গানটা নিশ্চয়ই মনে আছে! তবে এই ঠাকুমার বয়স আশি বছরের নয়, শতায়ু তিনি। ১০১ বছরের ঠাকুমা কিন্তু এখনও জিমে যান, খাবার খান অন্যান্য অ্যাথলেটদের মতো।
জানলে অবাক হবেই চণ্ডীগড়ের এই বৃদ্ধা ওয়ার্ল্ড মাস্টার গেমের বিজেতা। বৃদ্ধার নাম মান কৌর।

সম্প্রতি সংবাদ শিরোনামে এসেছেন ঠাকুমা। একটি প্রতিযোগিতায় যাওয়ার অংশ গ্রহণ করার জন্য তাকে ভিসা দিতে চাইছিল না চীন।

প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে তিনি আনন্দ পাল সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন ১০১ বছরের মান কৌর। ১০১ বছরের মান কৌর। তার ছেলে গুরদেব সিং জানিয়েছে, বর্তমান অ্যাথেলিটদের মতোই খাবার খান তার মা। তার ডায়েট চার্টে থাকে রুটি, সোয়া মিল্ক, ফলের সরবত ও কানাডা থেকে আসা বিশেষ ধরনের দুধ।

মায়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে মন কৌরের ছেলে জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড মাস্টার গেমে নিউজিল্যান্ডে যোগ দিতে গিয়ে তিনি দেখতে পেয়েছিলেন তার মা কতটা বিখ্যাত। প্রতিযোগিতায় সোনার মেডেল জয়ের পরে নিউজিল্যান্ড সরকার তাদের বিশেষ প্রাতঃরাশে ডেকেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে যা ঘটছে, তাতে বুক ভেঙ্গে গেছে: আমির খান

মিয়ানমারে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর বর্বর নির্যাতনের স্বীকার রোহিঙ্গাদের দুর্দশা প্রসঙ্গে বলিউড সুপারস্টার আমির খান বলেছেন, মিয়ানমারে যা ঘটছে তাতে বুক ভেঙে গেছে। বিশ্বের যেকোন জায়গায় মানুষ যখন নির্যাতনের শিকার হন, যেকোন জায়গায় এই ধরনের ট্র্যাজিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যখন মানুষকে যেতে হয়, তা দেখে হৃদয় মুচড়ে ওঠে।

তুর্কি সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে ইস্তাম্বুল এবং আঙ্কারা সফরকালে এক সংবাদ সম্মেলনে আমির খান এ কথা বলেন। এই সফরে তিনি তুর্কী প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ানের সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আমির আরও বলেন, আমি আশা করবো এবং প্রার্থনা করবো মানুষ হিসেবে আমরা যেন এর অবসান দেখতে পাই। তুর্কী সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক ঘোষণায় বলা হয়, এই সফরে সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও আমির খান সে দেশের চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক-প্রযোজক এবং চলচ্চিত্র বিষয়ক শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথিবীর মতোই শক্তিশালী বায়ুমণ্ডল ছিল চাঁদে: নাসা

প্রায় ৪শ কোটি বছর আগে চাঁদে বায়ুমণ্ডল ছিল। আর চাঁদের এ বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মতোই শক্তিশালী ছিল- এমনটাই দাবি করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

চাঁদকে এতোদিন বায়ুমণ্ডলহীন একটি উপগ্রহ হিসেবে জেনে এসেছে মানুষ। সম্প্রতি সে ধারণায় নাটকীয় পরিবর্তন এনেছে নাসার নতুন এ গবেষণায়।

চাঁদের ভূ-পৃষ্ঠ সদা পরিবর্তনশীল। এর পৃষ্ঠের বৃহদাকার গহ্বরগুলোই এর প্রমাণ। কিছু গহ্বর উল্কার আঘাতে তৈরি হয়েছে। আর কিছু গহ্বর তৈরি হয়েছে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে। ৩শ থেকে ৪শ কোটি বছর আগে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে অতিদ্রুত চাঁদের ভূ-পৃষ্ঠে লাভা ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিপুল বাষ্প নির্গত হয়। বেশিরভাগ বাষ্পই মহাশূন্যে হারিয়ে যায়। আর কিছু বাষ্প চাঁদের উপরিভাগে থেকে যায়। এভাবেই চাঁদের বায়ুমণ্ডল সৃষ্টি হয়েছিল। চাঁদের ভূ-পৃষ্ঠ থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করে এতে কার্বন মনোক্সাইডসহ বায়ুমণ্ডলের কিছু পরিবর্তনশীল উপাদানের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। সম্প্রতি ‘আর্থ অ্যান্ড প্ল্যানেটারি সায়েন্স লেটারস’ জার্নালে নাসার গবেষক ডেবরা নিডহামের একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হলে এসব তথ্য জানা যায়।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপ্লবজিৎ কর্মকার’র দুর্নীতির তদন্ত শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপ্লবজিৎ কর্মকার-এর অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, খামারিদের সাথে দুর্ব্যবহার ও প্রকল্পের টাকা লুটপাট প্রভৃতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয় বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে এই তদন্তের ভার দিয়েছে। তিনি অনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরুছেন।
গত ৫ অক্টোবর বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইফুজ্জামান খান জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে দিনভর তদন্ত কাজ পরিচালনা করেন। খামারি, ভূক্তভোগী এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত থেকে বিপ্লবজিৎ কর্মকারের অনৈতিক কর্মকা-ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সমরেশ চন্দ্র দাশ উপস্থিত ছিলেন। খামারি তুজলপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম লিখিত অভিযোগে বলেন, তার তিনটি গরু রোগে আক্রান্ত হয়। অসুস্থ হবার পর তাৎক্ষণিকভাবে ডা. বিপ্লবজিৎ কর্মকারকে মোবাইলে যোগাযোগ করেন। কিন্তু বিপ্লবজিৎ কর্মকার চিকিৎসার জন্য তার বাড়িতে যাননি এবং কোন লোকও পাঠাননি। ফলে পরের দিন গরু তিনটি চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। এতে জাহাঙ্গীরের ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। ডাঃ বিপ্লবজিৎ কর্মকার তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি তার এই ক্ষতির জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। বিভিন্ন অভিযোগ করেন খামারি রাজু। তদন্তানুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা ডা. বিপ্লবজিৎ কর্মকারের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, ডা. বিপ্লবজিৎ কর্মকার প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের টাকা, করেনটাইন স্টেশনের টাকা, ঘাস চাষ প্রকল্পের টাকাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপ্লবজিৎ কর্মকার অর্জিত টাকা দিয়ে শহরতলীর বিনেরপোতা এলাকার গোপিনাথপুর গ্রামে জমি কিনেছেন। হাতুড়ে প্রাণি চিকিৎকদের দিয়ে উপজেলার প্রাণিসম্পদ সেবা চলতে থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
উল্লেখ্য, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগদানের পর থেকে বিপ্লবজিৎ কর্মকার অফিসের টাকা হরিলুট করে যাচ্ছেন। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সমরেশ চন্দ্র দাশ নাকি তার ভয়ে কিছুই বলতে পারেন না। কারণ বিপ্লবজিৎ কর্মকার একজন মন্ত্রীর ভয় দেখান। তিনি মন্ত্রীর নাকি খুব কাছের লোক। মন্ত্রীর বাড়ি ও তার বাড়ি ডুমুরিয়া উপজেলায় এবং একই এলাকায়। এভাবেই তিনি তার অফিসসহ জেলা অফিসে প্রচ্ছন্ন প্রভাব বিস্তার করে রেখেছেন। প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে বিপ্লবজিৎ কর্মকার করেন্টাইন স্টেশন, ঘাস চাষ প্রকল্প, ভেড়া পালন প্রকল্প, ভবন সংস্কার, এনএটিপি’র ভ্রমণ ভাতা, প্রভৃতি টাকার ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করে আসছেন। প্রতিটি ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে নিয়েছেন পারিতোষিক। কখনোই তিন নিজে মাঠ পরিদর্শনে যান না ভ্যাকসিন ও মেডিসিন দেয়া হয় না খামারিদের কাছে। উচ্চ মূল্যে বিক্রি করেন হাতুড়ে ডাক্তারদের কাছে। আবার টেন্ডার ছাড়াই তিনি নিজ হাত করেছেন অফিস ভবন সংস্কার। এভাবেই তিনি আত্মসাৎ করেছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এ সব টাকায় তিনি কিনেছেন গোপিনাথপুর গ্রামে বাড়ি করার জন্য জমি।
জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একজন কর্মচারি জানান, এ সব বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলতে গেলে বিপ্লবজিৎ কর্মকার তাকে ধমকান। কর্মচারীদের সাথে করেন দুর্ব্যহার। ভয় দেখান বদলি করে দেবার। একই কারণে তদবির করে এই অফিসের কম্পাউন্ডার ইসমাইল হোসেনকে বদলি করে দিয়েছেন কালিগঞ্জ প্রাণিসম্পদ অফিসে।
গরু, ছাগল, ভেড়া, কবুতর, কোয়েল পাখি, হাঁস ও মুরগির খামারিদের অনেকেই এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা বিপ্লবজিৎ কর্মকার একদিনও তাদের খামার পরিদর্শন করেননি। তারা তার কাছে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা চাইলেও এতে তিনি কান দেন না। পুরো সদর উপজেলা প্রাণি চিকিৎসা সেবা চলছে ব্র্যাক এবং বিভিন্ন কোম্পানির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে। এ কারণে উপজেলায় ভেঙে পড়েছে প্রণি চিকিৎসা সেবা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলে সারাক্ষণ ‘হানি হানি’ চিৎকার রাম রহিমের!

রাম রহিম যখন জেলে যান, তখন তিনি হানিপ্রীতকে তার সঙ্গে থাকতে দেয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হানি নাকি তার ফিজিওথেরাপিস্ট।
জেলে রাম রহিম কথা বলার জন্য যে দু’টি ফোন নাম্বার ছিল, তার মধ্যে একটি হানিপ্রীতের। গত ৪০ দিন ধরে ওই নাম্বার বন্ধ। পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছিল, হানিপ্রীতের ফোন হারিয়ে গেছে। তাই হানিপ্রীতকে ফোনে না পেয়ে জেলে সারাক্ষণ রাম রহিম ‘হানি হানি’ করে চিৎকার করছেন।

জানা যায়, বাবা’র কোমরে ব্যথা হচ্ছে খুব। হানিপ্রীতের তা একেবারেই সহ্য হচ্ছে না। তাই যে ভাবেই হোক বাবার সঙ্গে তাকে দেখা করতেই হবে। এমনই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন হানিপ্রীত ইনসান। ডেরা প্রধান রান রহিম ইনসানের দত্তক কন্যা হানিপ্রীত আপাতত পুলিশের হেফাজতে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জেলের মধ্যে বাবাকে খুব মিস করছেন হানি। বাবার সঙ্গে দেখা করার জন্য চেষ্টার কোন কসুর করছেন না। তিনি তো এও বলেছেন, বাবার নাকি পিঠে খুব ব্যথা। পিঠে ম্যাসাজ দিতে দেওয়ার জন্য অন্তত তাকে যেতে দেওয়া হোক।

গত ৪দিন ধরে হানিপ্রীতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মহিলা পুলিশ। তাদেরই নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন হানিপ্রীত। এমনকি তাকে পরীক্ষা করতে আসা লেডি ডাক্তারকেও বাদ দেননি। তাঁকেও বলেছেন তিনি বাবার সঙ্গে দেখা করতে চান। থানায় তো একথা এখন সকলেই জানে। চাউর হয়ে গেছে বাবার স্মৃতি ছাড়া একটা মুহূর্তও কাটতে চায় না হানিপ্রীতের। তার উপর তিনি জানিয়েছেন বাবার নাকি কোমরে ব্যাথা। উনি খুব কষ্টে আছেন। তাই বাবার সঙ্গে দেখা করতে চান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest