সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

কোর্মা বিরিয়ানি

কোর্মা বিরিয়ানি

কর্তৃক Daily Satkhira

উপকরণ

খাসির মাংস ছোট করে কাটা ১ কেজি, বাসমতি চাল আধা কেজি, টক দই আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, ছোট এলাচ ৪ টি, কিশমিশ সিকি কাপ, আলুবোখারা ৭/৮ টি, পুদিনা পাতা ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৫/৬ টি, শাহি জিরা আধা চা-চামচ, জর্দার রং সামান্য, সিরকা ১ টেবিল চামচ, ঘি-তেল দেড় কাপ, কেওড়া জল ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো। কোর্মার মসলা (ছোট এলাচ ৬ টি, বড় এলাচ ৩ টির বিচি, লবঙ্গ ৪ টি, সাদা গোলমরিচ ৬টি ও দারুচিনি ৪/৫টা। এই মসলাগুলো চুলার পাশে রেখে মচমচে করে গুঁড়া করে
নিতে হবে)।

প্রণালি

দই, আদা-রসুন বাটা, ধনে গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ভাজা, জিরা, লবণ, সিকি কাপ তেল, ২ টেবিল চামচ ঘি,১ টেবিল চামচ কেওড়াজল ও কোর্মার মসলা অর্ধেক দিয়ে মাংস মেখে রাখুন। পাত্রের ১ কাপ তেল ও ঘি দিয়ে বেরেস্তা করে অর্ধেক তুলে নিন। বাকি অর্ধেক বেরেস্তার মধ্যে মাংস দিয়ে কোর্মার মতো রান্না করুন। নামানোর আগে বাকি অর্ধেক মসলা দিয়ে দিন। চাল ২০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ছেঁকে নিন। অন্য পাত্রে চালের ৪ গুণ গরম পানি করে তাতে কাঁচামরিচ ৫/৬ টি, এলাচ ৪/৫ টি, পুদিনাপাতা ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, দারুচিনি ২/৩ টুকরা ও শাহি জিরা আধা চা-চামচ দিন। পানি ফুটে গেল ভেজানো চাল দিন। চাল আধা সেদ্ধ হলে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার বিরিয়ানি রান্নার পাত্রে ১ টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন। এবার কিছুটা আধা সেদ্ধ চাল ছড়িয়ে অর্ধেক পরিমাণ মাংস ঢেলে দিন। এর ওপর বেরেস্তা ও কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। মাংসের ওপর আবার একইভাবে রান্না করা ভাত ও মাংসের স্তর সাজান। ওপরে আবার চাল দিন। এখানে ভাতের স্তর হবে তিনটি এবং মাংসের স্তর হবে দুটি। সবার ওপরে বাকি ঘি এবং দুধে ভেজানো কেওড়া ছড়িয়ে দিয়ে আলু বোখারা গুজে দিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ২০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবজি-মাংসের বাহারি পোলাও

উপকরণ

গরুর মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি- এলাচ ৩-৪ টুকরা, গোলমরিচ ৩ চা চামচ, বেরেস্তা ২ কাপ, তেজপাতা ২টি, ঘি আধা কাপ, তেল ১ কাপ, কাঁচামরিচ ১২-১৪টি, ফুলকপি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, শসা আধা কাপ, আলু আধা কাপ, পটোল আধা কাপ, চাল পৌনে ১ কেজি।

প্রস্তুত প্রণালি

মাংস ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে মাংস রান্না করতে হবে। সব সবজি আলাদা আলাদা তেলে ভেজে তুলতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, আদা, রসুন বাটা দিয়ে চাল কষাতে হবে। পরিমাণ মতো পানি দিতে হবে। যখন ফুটে আসবে তখন সব সবজি ও মাংস মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর গোলমরিচ ছিটিয়ে দিয়ে দমে দিতে হবে। রান্না শেষ হলে ঘি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাংস খাবেন জেনে-বুঝে

ডেস্ক: মাংস পছন্দ না এমন লোক খুঁজে পাওয়া দায়। তবে পছন্দের এই খাবারটি সবসময় খাওয়া যায় না।

বয়স একটু বাড়লে, হৃদরোগের লক্ষণ থাকলে এই কাবারটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন সকলে। তবে জেনে-বুঝে মাংস খাবেন।

১. একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন গড়ে ১০০ গ্রাম লাল মাংস খেতে পারেন। কিন্তু যাদের পাকস্থলীতে আলসার রয়েছে তারা লাল মাংস খেলে তাদের রোগ বাড়িয়ে দেয়। তাদের উচিত হবে প্রোটিনের বিকল্প উৎসের দিকেই অধিক মনোযোগী হওয়া।

২. কিডনি ফেইলিউরের রোগীরা প্রতিদিন ৩০ গ্রাম প্রোটিন খেতে পারবেন। আর যারা ডায়ালাইসিস করেন তারা  পারবেন ৭০ গ্রাম মাংস খেতে।  সাধারণত কিডনি রোগীরা লাল মাংস খাবেন কি না, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

৩. যাদের অপারেশন হয়েছে বা শরীরের কোনো গভীর ক্ষত আছে, তারা ১০০ গ্রামের বেশি লাল মাংস খেতে পারেন।  তবে গাউট বা গেটে বাতের রোগীরা লাল মাংস খাবেন না। লাল মাংস রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে।

৪. যারা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন বা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছেন তাদের লাল মাংস এড়িয়ে যাওয়া ভালো। তারা প্রোটিনের জন্য মাছ-মুরগির মাংস খেতে পারেন। আর   লিভারের রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লাল মাংস খাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের দিন স্পেশাল খাসির রেজালা

ডেস্ক: ঈদের দিনে খাবার টেবিলে স্পেশাল খাবার হিসেবে রাখতে পারেন খাসির মাংসের রেজালা। এসব খাবারের ঘ্রাণ শুনলেই জিভে পানি চলে আসে।

উপকরণ

খাসির মাংস এক কেজি, আদা বাটা এক টেবিল চামচ, রসুন বাটা এক চা চামচ, জিরা বাটা এক চা চামচ, পোস্তদানা বাটা এক চা চামচ, বাদাম বাটা এক চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা এক কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ১০টা, টক দই আধা কাপ, তেল আধা কাপ, ঘি দুই টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, দুধ এক কাপ, চিনি এক চা চামচ, এলাচ ও দারুচিনি চার টুকরা করে, কেওড়ার পানি এক টেবিল চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী-এলাচ-দারুচিনি একসঙ্গে গুঁড়া এক চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. মসলা গুঁড়া করে নিন। মাংসে সব বাটা মসলা, দই, লবণ, শুকনা মরিচ দিয়ে আধা ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন।

২. তেল ও ঘিয়ে ভেজে পেঁয়াজ বেরেস্তা তুলে ওই তেলে মাখানো মাংস দিয়ে ঢেকে রান্না করুন।

৩. পানি শুকিয়ে মাংস সিদ্ধ হলে বেরেস্তা ভেঙে দিন।

৪. এরপর চিনি, দুধ, কাঁচা মরিচ ও গুঁড়া মসলা দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করুন।

৫. মাংস নরম হয়ে যখন তেলের ওপর উঠবে, তখন নামিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্রেস কমাবে আদা, লেবু ও মধুর মিশ্রণ

স্ট্রেস হলো সাধারণ ভাবে মানসিকে চাপের ফলে আমাদের শরীরের তৈরি হওয়া একটি প্রতিক্রিয়া যেটা হতে পারে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক। মানসিক চাপ বাড়লে আমাদের শরীর সেটাকে যুদ্ধাবস্থা ধরে নিয়ে এক গাদা হরমোন আর রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ ঘটায়, যার ফলে শরীরে হঠাৎ অনেক উত্তেজনার তৈরি হয়, যা আমাদের পরিস্থিতির মোকাবেলায় সাহায্য করে। এসময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, নিঃশ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় আর আমরা কোনো কিছুতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারি না।

রোজকার যান্ত্রিক জীবনে স্ট্রেস এড়ানোর কোনো সুযোগই যেন নেই। দিনশেষে বাসায় ফেরার পর ক্লান্তিতে হাত, পায়ে ব্যথা নিয়ে আর কোনো কাজ করতেই ইচ্ছা করে না। এর জন্য দায়ী স্ট্রেস। যা আমরা বুঝে ওঠার আগেই পরিণত হয় অবসাদে। অনেক ক্ষেত্রে তা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়।

ওষুধের উপর নির্ভরতা বাড়ে। আর ওষুধ থেকে দেখা দেয় একাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিন্তু অাপনি চাইলে খাদ্য দিয়ে ওষুধ থেকে দূর থাকতে পারবেন, স্ট্রেসও দূরে থাকবে।

রোজকার খাদ্যতালিকায় একটি বিশেষ মিশ্রণ রাখুন। কয়েকদিন খেলেই ফল পাবেন। দুই চা চামচ লেবুর রস, আদা থেঁতো করে দুই চা চামচ আর এক চা চামচ কাঁচা মধু মিশিয়ে রাখুন। দিনে তিনবার খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোরবানির আগে ও পরে করণীয়

আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে প্রতিটি মুসলমান কোরবানি দিয়ে থাকেন। কমবেশি সবারই জানা পশু কোরবানি করার পর মোট মাংসের তিনটি ভাগ করে এক ভাগ গরিব-দুঃখীকে, এক ভাগ আত্মীয়স্বজনকে এবং এক ভাগ নিজে খাওয়ার জন্য রাখতে হয়।

কোরবানির আগে ও পরে কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। কারণ কোরবানি যেমন নিয়ম মাফিক করতে হয় আবার কোরবানির পরে কোরবানির স্থান পরিস্কার করাও জরুরি। আসুন জেনে নেয়া যাক কোরবানির আগে ও পরে করণীয়-

কোরবানির আগে করণীয়

খাবার
কোরবানির  পশুকে আগের রাতে ১০টার পর থেকে কোনো প্রকার খাদ্য খাওয়ানো যাবে না। শুধুমাত্র পানি দেয়া যেতে পারে। তবে শীতকাল হলে পানি হালকা গরম করে নিতে হবে।

গোসল ও জবারেয় প্রস্তুতি
কোরবানি কারার আগে পশুকে উত্তমরূপে সাবান দিয়ে গোসল করাতে হবে। কোরবানি করার মুহূর্তে তাকে শোয়ানোর জন্য পাটের তৈরি ২০ হাত রশি দিয়ে বেঁধে শোয়াতে হবে। জবেহ করার স্থানটিতে ঠিক গলার নিচে দেড় ফুট গভীর ও দেড় ফুট আড়ে ও লম্বায় একটি গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে পশুর রক্ত ঝরাতে হবে।এমনভাবে পশুকে রাখতে হবে, যাতে গর্তে সম্পূর্ণরূপে রক্ত ঝরে পড়ে।

জবায়ের পর
জবেহ করার পর পশুকে টানাহেঁচড়া না করে উঁচু করে সরিয়ে জবেহ করার স্থান থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে চামড়া ছড়াতে হবে। চামড়া ছড়ানোর পদ্ধতি এবং যেসব অস্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে, তা অন্তত তিন দিন আগে প্রস্তুত করে রাখতে হবে।

কোরবানির পরে করণীয়
কোরবানির পরে যে বিষয়টির দিকে সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখতে হবে সেটি হলো বর্জ্য পরিষ্কার করা। গরু জবায়ের পর বর্জ্য পরিষ্কার করা না হলে বিকট দুর্গন্ধ হয় যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে।

কোরবানির পরে অবশ্যই করণীয় বিষয়গুলো জেনে নেই-

১.কোরবানির ক্ষেত্রে পশু জবেহ শেষে তার রক্ত ও শরীরের যাবতীয় উচ্ছিষ্ট যথাযথভাবে অপসারণ করা জরুরি। গরু জবাইয়ের গর্তটি মাটি দিয়ে ঢেকে দিন। গর্তের মধ্যে কিছু চুন বা ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক পদার্থ দেয়া যেতে পারে। আর আশেপাশে যদি কোনো বর্জ্য থাকে তাহলে তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া রক্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২. পশুর দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট (অর্ধহজমযুক্ত খাদ্য/গোঘাষি) বের করে যত্রতত্র ফেলে দিলে তা পচে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়াবে।এবং পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগ ছড়াবে। তাই যথাযথ স্থানে ফেলতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়া অভিষেকের প্রথম নয়, দ্বিতীয় স্ত্রী!

সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনেই বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ করে ঘরে তোলেন অভিষেক বচ্চন। এ কথা সকলেরই জানা। কিন্তু নতুন খবর হল ঐশ্বরিয়া অভিষেকের প্রথম স্ত্রী নন। এর আগেও নাকি অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছিলেন বচ্চনপুত্র। এমনটাই দাবি করেছিলেন জাহ্নবী নামের এক নারী।

সময়টা ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের বিয়ের সময়কার। নিজের হাত কেটে অভিষেকের নাম লিখে সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হন ওই নারী। তিনি দাবি করেন, অভিষেকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। অভিষেক লুকিয়ে তাকে বিয়ে করেছে। যা নিয়ে তোলপাড় শুরু করেন ওই নারী।

শুধু তাই নয়, ঐশ্বরিয়া তার থেকে স্বামী অভিষেককে কেড়ে নিচ্ছেন বলেও সংবাদমাধ্যমের সামনে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন জাহ্নবী।

ভাবছেন সেই সময়কার পুরোনো কথা আবার নতুন করে কেন? কারণ অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ের সময়কার এমন চমকপ্রদ তথ্য প্রায় সবারই অজানা। তাছাড়া এবারের ‘বিগ বসে’র শো-তে অতিথি হয়ে আসছেন সেই আলোচিত জাহ্নবীই।

বলিউড লাইফের খবর থেকে অন্তত এমনটাই জানা গেছে। জনপ্রিয় এই শো-তে নতুন করে তিনি কি বোমা ফাটান সেটা দেখার জন্যই এখন অপেক্ষা।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে রাজ কানওয়াড় পরিচালিত ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ ছবির কাজ করতে গিয়ে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় অভিষেক বচ্চনের। ধীরে ধীরে বন্ধুত্বের দিকে মোড় নেয় তাদের সম্পর্ক। এর পর ‘কুছ না কাহো’ ছবিতে আবার জুটি বেধে কাজ করেন দুজন। ২০০৫ সালের ১২ জানুয়ারি নিউইয়র্কে ‘গুরু’ ছবির মুক্তির দিন ঐশ্বরিয়াকে প্রেমের প্রস্তাব দেন অমিতাভপুত্র। রাজি হয়ে যান ঐশ্বরিয়া। ১৪ জানুয়ারি দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এরপর ২০ এপ্রিল বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের বাড়ি ‘প্রতিক্ষা’য় গিয়ে ওঠেন পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে বাড়িতে অতিথিদের পরিবেশন করা হল সোনার ভাত!

নিজের বিয়েকে অভিনব করে তোলার চেষ্টা সবারই থাকে। তার জন্য হয় কেউ নতুন ডিজাইনের গয়না বানান তো কেউ বা পোশাকে নতুনত্ব আনেন। তাই বলে শেষ পর্যন্ত ‘সোনার ভাত’ দিয়ে অতিথি আপ্যায়নের কথা শুনেছেন কখনও।

ঠিক এমনটাই হয়েছে ভারতের হায়দরাবাদের এক বিয়েবাড়িতে। তবে ঠিক সোনার ভাত নয়, ভাতের উপর সোনার গুঁড়ো ছড়িয়ে অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা কছে সেখানকার একটি ক্যাটারিন সংস্থা।ওই সংস্থার মালিক ভি সাই রাধা কৃষ্ণা জানিয়েছেন, বিয়েবাড়িতে নতুন কোনও চমক দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। সোনা বা রুপার রাঙতায় মুড়িয়ে পান বা মিষ্টি দেওয়ার চল তো রয়েছেই। সেখান থেকেই এই আইডিয়া তার মাথায় আসে।

কলাপাতায় গরম ভাতের উপর সোনার পাতা ফেলে দেন তার কর্মীরা। ২৪ ক্যারেট সোনার নির্যাস দিয়ে পাতাগুলি তৈরি। গরম ভাতের সংস্পর্শে এসে সোনা গলে গিয়ে ভাতের সঙ্গে মিশতে যায়। ফলে ভাতের রংও বদলে হয়ে যায় সোনালি। দেখে মনে হবে অতিথিদের পরিবেশন করা হয়েছে সোনার ভাত।

কর্ণাটকে বিজেপির এক বড় নেতা গালি জনার্দন রেড্ডির মেয়ের বিয়ের দায়িত্বে ছিল রাধা কৃষ্ণার ওই সংস্থা। ওই বিয়েতে খরচ হয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। রাধা কৃষ্ণা জানিয়েছেন, এমন গ্রাহক পেলে ফের কোনও নতুন চমক আনতে তিনি প্রস্তুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest