সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

সেনাবাহিনীর নির্যাতন আর হত্যার মুখে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসার সময় নাফ নদীতে নৌকা ডুবে নিহত আরো ১৭ রোহিঙ্গার লাশ ভেসে উঠেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা এলাকার নাফ নদী থেকে ১৬ জন এবং শাহপরীর দ্বীপ থেকে আরো একজন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন।

গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা শুরুর পর শত শত রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ পালিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসতে থাকে। এদের অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট নৌকায় করে নদী ও সমুদ্র পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। গত এক সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রায় ১৮ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পড়ে নৌডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৪০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে গত বুধবার টেকনাফ থেকে চারজন, গতকাল বৃহস্পতিবার ১৯ জন এবং আজ সর্বশেষ ১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হলো।

ওসি আরো বলেন, ছোট ছোট একাধিক নৌকায় করে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এ সময় প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কয়টি নৌকা বা কতজন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ২৪টি পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।

এরপর ‘সন্ত্রাসীদের’ সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তাকর্মীদের সংঘর্ষে প্রায় একশজন নিহত হন। এর মধ্যে ১২ নিরাপত্তাকর্মী ও বাকিদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করেছে মিয়ানমারে রাষ্ট্রীয় পরামর্শদাতার কার্যালয়। এর পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ মিয়ানমার থেকে নদী, সমুদ্র ও স্থলপথে বাংলাদেশে আসা শুরু করে। যদিও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে গত বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য মারা যান। অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনা ঘটে।

জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিগতভাবে নির্মূল করতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের গ্রামে আগুন দিয়ে বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়াসহ গণহত্যা ও গণধর্ষণ চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

সহিংসতার শিকার হয়ে গত বছরের অক্টোবর থেকে এক পর্যন্ত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

এর আগে ২০১২ সালের জুনেও মিয়ানমারে সম্প্রদায়িক দাঙ্গায় আক্রান্ত রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। ওই সময় সরকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে শক্ত অবস্থান নেয়। যার ফলে ওই সময়ে সাড়ে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা পুশব্যাক করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নারায়ণগঞ্জের তারাবো পৌরসভার একটি দোতলা বাড়িতে ভোররাতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে বাড়িটির ছাদের কিছু অংশ ও একপাশের দেয়াল উড়ে গেছে। এ ঘট্নায় দগ্ধ দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন আজ শুক্রবার সকালে বলেন, “রাত ৩টার দিকে বরাব এলাকার ‘কুমিল্লা হাউজ’ নামের ওই দোতলা বাড়িটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের কারণ এখনই বলা যাচ্ছে না। সকালে ঘটনাস্থলে বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসে পৌঁছেছে। পুলিশ বাড়িটি ঘিরে রেখেছে। কাজ চলেছ।”

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, ঘটনার পরই গুরুতর দগ্ধ মো. ইব্রাহিম ও মো. আয়নাল নামে দুজনকে ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক আবুল খায়ের ও বাড়ির তত্ত্বাবধায়ককে আটক করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে থাকা রাশিয়ার কনস্যুলেট বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। আর এজন্য মাত্র দুইদিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগামীকাল শনিবারের মধ্যেই কনস্যুলেট গোটাতে হবে রাশিয়াকে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত জুলাই মাসে রাশিয়ার মার্কিন দূতাবাস থেকে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে নিতে বলে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ। আর এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই সান ফ্রান্সিসকোর রাশিয়া কনস্যুলেট বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হলো।

এর আগে গত জানুয়ারি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা নেওয়ার পর বলেছিলেন, ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী তিনি।

২০১৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অনধিকার চর্চার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস মস্কোর ওপরে নতুন করে অর্থনৈতিক অবরোধ দেয়। এর প্রতিশোধ হিসেবে মার্কিন দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দেন পুতিন।

সান ফ্রান্সিসকো কনস্যুলেটের সঙ্গে ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্কের অ্যানেক্স চ্যান্সেরিও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিথার নিউয়ার্ট এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘রাশিয়া সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র তাঁর দূতাবাস থেকে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, রাশিয়ার এই সিদ্ধান্ত আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকারক এবং নিরর্থক।’

মুখপাত্র আরো বলেন, মস্কোর সেই সিদ্ধান্তের কারণেই সান ফ্রান্সিসকোর কনস্যুলেট এবং ওয়াশিংটর ডিসি ও নিউ ইয়র্কের অ্যানেক্স চ্যান্সেরিও ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গুটিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ। তিনি এই পদক্ষেপকে বন্ধুত্ব নষ্ট করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। এমনকি এই ঘটনা রাশিয়ার নাগরিকদের কঠিনভাবে আঘাত করবে বলেও মনে করেন তিনি।

গত বছর এই কনস্যুলেট থেকে ১৬ হাজার মার্কিনি রাশিয়ার ভিসা সংগ্রহ করেছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথমার্ধে সাইডবেঞ্চে বসে উসখুস করছিলেন। বিরতির পরে মাঠে নেমেই ফিলিপে কৌতিনহো ফুটবল বিশ্বকে জানান দিলেন, কেন তিনি বার্সার কাছে এত দামি! তার সঙ্গে পাউলিনহোর গোল, বাছাইপর্বে টানা নবম জয় টিটের দলের।

শুক্রবার ভোরে ইকুয়েডরকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে লাতিন অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শীর্ষস্থানটা আরও সুসংহত করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

ঘরের মাঠ অ্যারেনা ডি গ্রিমিতোতে শুরু থেকেই হাল্কা চালে খেলেছে সেলেসাওরা। প্রথমার্ধ থেকেই দেখা মিলেছে ব্রাজিলিয়ানদের চিরাচরিত মন জুড়ানো ফুটবলশৈলী। নেইমার-উইলিয়ান-জেসাসরা গোল করার চেয়ে যেন বেশি ব্যস্ত ছিলেন ইকুয়েডর রক্ষণের পরীক্ষা নিতে।

এমন পরীক্ষায় প্রথমার্ধে অল্পের জন্য পাস করে গেছে ইকুয়েডর রক্ষণ। ৯ মিনিটে বার্সার নতুন রিক্রুট পাউলিনহোর অসাধারণ এক আক্রমণ প্রতিহত করেছেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক বানগুয়েরা। প্রতিপক্ষের তিন জন খেলোয়াড়কে পরাস্ত করা এই বার্সা মিডফিল্ডার আটকে গেছেন বানগুয়েরা দেয়ালে।

পরের মিনিটে উইলিয়ানের ২০ গজী দূরপাল্লার শট প্রায় কাঁপিয়ে দিয়েছিল অতিথিদের।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসাসও আটকে গেছেন ইকুয়েডর গোলরক্ষকের কাছে। কাসেমিরোর ডিফেন্স চেরা পাস অল্পের জন্য প্রতিপক্ষের জালে জড়াতে পারেননি এই ম্যানসিটি ফরোয়ার্ড। শুরুর অর্ধ তাতে গোলশূন্যই থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিটে রেনাতো অগুস্তোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কৌতিনহো। এর ৯ মিনিট পরেই প্রথম গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। উইলিয়ানের কর্নার কিক জায়গা মত খুঁজে পায় পাউলিনহোকে। ডি-বক্সের বামপ্রান্ত থেকে জায়গা বের করে নিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দেন এই মিডফিল্ডার। এই গোলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পাঁচ গোল হয়ে গেল পাউলিনহোর।

ম্যাচের ৭৬ মিনিটে জেসাসের জোরাল শট প্রতিহত করতে গিয়ে উল্টো কৌতিনহোর পায়ে ঠেলে দেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক। সেই ভুলের সুযোগ বিন্দুমাত্র অপচয় না করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কৌতিনহো।

এই জয়ে ১৫ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট হল শীর্ষে থাকা ব্রাজিলের। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে টানা ১৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকল সেলেসাওরা, সঙ্গে টানা নয় জয়। প্রথম ম্যাচে চিলির কাছ হার দেখার পর হারকে কাঁচকলা দেখিয়ে চলেছে টিটের দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হারলে বিশ্বকাপ ঝুলে যাওয়ার ঝুঁকি ছিল। জিতলে পয়েন্ট টেবিলে বিশাল এক লাফ দেওয়ার সম্ভাবনা। আর্জেন্টিনা হেঁটেছে মধ্যপথে। শুক্রবার ভোরে উরুগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে হোর্হে সাম্পাওলির দল।

এতে রাশিয়া বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কাটল না আলবিসেলেস্তাদের। মেসির দল থাকল টেবিলের পাঁচেই। তবে লাতিন অঞ্চলের বাছাইপর্বের পয়েন্ট টেবিলে আর্জেন্টিনার উপরে থাকা চিলি হেরে বসায় এবং কলম্বিয়া ড্র করায় খেলা জমে উঠেছে।

মন্টেভিডিওর সেন্টেনারিও স্টেডিয়ামে দলকে জেতাতে ফরোয়ার্ড থেকে লিওনেল মেসির মিডফিল্ডার বনে যাওয়া কিংবা চোট নিয়েও লুইস সুয়ারেজের মাঠে নামা, কোন কিছুই ফলাফল এনে দিতে পারেনি আর্জেন্টিনা-উরুগুয়ে ম্যাচে।

অথচ ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দ ও গতিময় একটি ফুটবল ম্যাচ দেখেছে দর্শকরা। সুয়ারেজ-কাভানিরা আক্রমণ শানিয়েছেন আর্জেন্টিনার অর্ধে, তেমনি কাউন্টার অ্যাটাকে মেসি-দিবালারা দিয়েছেন পাল্টা জবাব। কিন্তু প্রথম আধাঘণ্টায় দুদলের আক্রমণ আটকে গেছে একই জায়গায়, প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে।

ম্যাচের ৩০ মিনিটে ভালো একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন মেসি। প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের পাস মারিও ইকার্দি লাইন মিস না করলে গোলটা পেতেই পারতো গত বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।

পরে ৩৮ মিনিটে গোল পেতে পারতো উরুগুয়েও। স্বাগতিকদের একসঙ্গে তিন দফা আক্রমণে বাঁধার দেয়াল হয়ে দাঁড়ান আলবিসেলেস্তা গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো। রদ্রিগেজের জোরাল শট ঠেকানোর পর ফিরতি শট নেয়া কাভানির প্রচেষ্টাতেও দেয়াল হয়ে দাঁড়ান আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক।

পরের মিনিটেই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লুকাস বিগলিয়ার শট অল্পের জন্য বার ছুঁয়ে মাঠের বাইরে চলে গেছে।

ম্যাচের ৪২ মিনিটে মেসির দারুণ একটি আক্রমণ প্রতিহত করে দিয়েছেন উরুগুইয়ান গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। দারুণ গতিতে পাওলো দিবালার সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া মেসির শটটি ঠেকিয়ে দেন স্বাগতিক গোলরক্ষক।

মধ্যবিরতি থেকে ফিরে কয়েকদফা মাঠে উত্তেজনা ছড়ানো ছাড়া তেমন মন ভরানো ফুটবল খেলতে পারেনি কোন দলই। কেবল ৫৯ মিনিটে মেসির একটি ফ্রি-কিক দারুণ নৈপুণ্যে ফিরিয়ে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে গোলবঞ্চিত করেছেন উরুগুইয়ান গোলরক্ষক মুসলেরা।

শেষ ২০ মিনিটে কয়েকদফা ডি-বক্সের বাইরে থেকেই দুদলের আক্রমণ বিফলের পথ যাত্রা করেছে। ফলে, ব্যক্তিগতভাবে দারুণ খেলেও হতাশার ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে।

তবে হতাশার দিনে সামান্য ভালো খবরও আছে মেসিদের জন্য। ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের কাছে ৩-০তে হেরে গেছে সাউথ আমেরিকা অঞ্চলে পয়েন্ট টেবিলের চারে থাকা চিলি। তাদেরও আর্জেন্টিনার সমান ২৩ পয়েন্ট। আপাতত পাঁচে থাকা আর্জেন্টিনার সামনে তাতে তৈরি হয়েছে পয়েন্ট টেবিলের চারে লাফ দেয়ার।

একই রাতে ভেনেজুয়েলার মাঠে হোঁচট খেয়েছে কলম্বিয়া। গোলশূন্য ড্র করে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে দলটি। লাতিন অঞ্চল থেকে প্রথম চারটি দল সরাসরি খেলবে রাশিয়া বিশ্বকাপে। পঞ্চম স্থানে থাকা দলকে বিশ্বকাপের টিকিট পেতে প্লে-অফ খেলতে হবে ওশেনিয়া অঞ্চলের শীর্ষ দলের সঙ্গে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 পোর্তোতে বৃহস্পতিবার রাতে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই বের্নার্দো সিলভার ক্রসে অ্যাক্রোবেটিক ভলিতে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন রোনালদো।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। এই ঈদের বেশ অনেকটা সময় গৃহিণীদের কেটে যায় রান্নাঘরেই। কোরবানির মাংস রান্না এবং আরও আনুষঙ্গিক রান্নার জন্য প্রয়োজন হয় প্রচুর মশলা এবং তৈজসপত্রের। সব কিছুর জন্য আপনার রান্নাঘর প্রস্তুত তো? জেনে নিন ঈদের আগে রান্নাঘর গুছিয়ে নেয়ার কিছু টিপস।

কিছু বাজার করে রাখা
ঈদে নিশ্চয়ই পোলাও রাঁধবেন? আর মাংস তো রান্না হবেই। পোলাওয়ের চাল, মাংসের মশলা, টক দই, ফিরনী কিংবা সেমাই সাজানোর জন্য বাদাম ইত্যাদি কিছু শুকনা বাজার আগেই করে রাখুন। তাহলে শেষ মুহূর্তে আর চাপ পরবে না আপনার ওপর।

মশলা প্রস্তুত করে রাখা
ঈদের আগেই আদা বাটা, রসুন বাটা, পেয়াজ বাটা, গরম মশলা গুড়া করে রাখুন। আদা বাটা, রসুন বাটা, পেয়াজ বাটা ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। চাইলে মাংসের সব মশলা হালকা ভেজে ভালো করে গুড়া করে রাখতে পারেন। এতে রান্নার সময় আলাদা আলাদা মশলা তৈরি না করে আপনার তৈরি মশলা পরিমাণমতো দিয়ে দিলেই হবে। অনেকটা সময় বেঁচে যাবে আপনার।

মাংস গুছিয়ে রাখার ব্যাগ জোগাড় করুন
কোরবানির মাংসের পুরোটুকু তো আর একবারে খাওয়া সম্ভব না। ব্যাগে করে কিছু ফ্রিজে ভরে রাখতে হয় এবং কিছু আত্মীয়দের বাড়িতে এবং গরীবদেরকে বিলিয়ে দেয়া হয়। তাই প্রয়োজন হয় প্রচুর ব্যাগের। কোরবানির আগেই ব্যাগ জোগাড় করে হাতের কাছে রেখে দিন। এতে মাংস গোছানোর ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে আপনার।

ছুরি-বটি ধার করে রাখুন
কসাই মাংস কেটে দিলেও মাংসের থেকে চর্বি ছাড়াতে আপনার ছুরি কিংবা বটির প্রয়োজন হবেই। তাই এগুলো আগেই ধার করিয়ে রাখুন। এতে মাংস ছোট টুকরা করতে কিংবা চর্বি ছাড়াতে কোনো কষ্টই হবে না আপনার।

বড় পাতিল পরিষ্কার করে রাখুন
কোরবানির সময় মাংস রাঁধার জন্য প্রয়োজন হয় বড় পাতিলের। বড় পাতিলগুলো পুরো বছর আর তেমন প্রয়োজন পড়ে না বলে ময়লা হয়ে থাকতে পারে। তাই এগুলো ঈদের আগেই পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখুন। এতে ঈদের দিনের কাজ কমে যাবে আপনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

১ সেপ্টেম্বর ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বিএনপির ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দল প্রতিষ্ঠার আগে ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল জিয়াউর রহমান তার ‘সামরিক শাসন’কে ‘বেসামরিক’ করার উদ্দেশে শুরু করেন ১৯ দফা কর্মসূচি এরপর ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় রমনা রেস্তোরাঁয় এক সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যাত্রা শুরু করে।
সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন। পরে ১৯৭৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ওই ১৮জনসহ ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। যদিও বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮ সালে নতুন দল গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই দলটি বিলুপ্ত ঘোষণা হয়।
দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও প্রেরণার। ১৯৭৮ সালের এই দিনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাকশালী একদলীয় দুঃশাসনের জের ধরে সেই সময়ে দেশে বিরাজমান চরম জাতীয় সংকটের কারণে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা পূরণ করতে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন এবং এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’
খালেদা জিয়া বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি বিগত ৩৯ বছরে বার বার সকলের অংশগ্রহণমূলক জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। দেশ ও জনগণের সমৃদ্ধি ও কল্যাণে কাজ করে গেছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের এই প্রিয় দল অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। এমনকি ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনেও বিএনপি রাজপথে আপসহীন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এবং স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
খালেদা জিয়া আরও বলেন, ‘জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে দেশ ও জনগণের সেবায় বিএনপি আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা। বাংলাদেশের নিজস্ব স্বকীয়তা ও স্বাধীনতা রক্ষায় বিএনপি তার ভূমিকা পালন করে চলেছে।’
তিনি মনে করেন, আজ দেশে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে। ৫ জানুয়ারির তামাশার নির্বাচনের পর গণতন্ত্র এখন মৃতপ্রায়।
বিবৃতিতে খালেদা জিয়া সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। আগামী দিনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এবার আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্য হারানো ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ জনগণের মানবিক মর্যাদা সুরক্ষা করা।’
পৃথক এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি’র ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা বিধানের জন্যই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। পাশাপাশি দেশের যেকোনও ক্রান্তিলগ্নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। আমি দেশবাসীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল-বিএনপি’র পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাই।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা এবং সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest