সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

যে খাবারগুলো আপনার চুপচাপ ক্ষতি করছে!

মাঝেমাঝে এমন কিছু খাবার আমরা খেয়ে থাকি, যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি খারাপ বার্তা নিয়ে আসে। এই ধরেন যে, দুইএকটি বিস্কুট বা একটু চিপস খেলে ক্ষুধা কমে যায়, তাহলে এসব খেলে সমস্যা কি? এই কথা ভেবে আমরা প্রায়ি এসকল অস্বাস্থ্যকর খাবার খাই। যা আমাদের স্বাস্থ্য খারাপ করে তোলে। আসুন এরকম কিছু খাবারের তালিকা নিয়ে আলোচনা করা যাক-

১. আলুর চিপস:
আলুর চিপস এ প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকে, কারণ চর্বির তেল দিয়ে এসকল চিফস ভাঁজা হয়। আবার এতে সোডিয়ামের পরিমানও অনেক বেশি পরিমানে থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপের কারণ এবং শরীরে পানির অভাবের তৈরি করে। ১০০ গ্রাম ওজনের একটি চিপসের প্যাকেটে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি থাকে। আবার, একই তেলে বারবার চিপস তৈরি করা হয় বলে, এসব খাবার অনেক অস্বাস্থ্যকর ও হয়।

২. প্যাকেটের জুস:
কোন ধরণের জুসে ফল ব্যবহার করা হয় না। কোম্পানি যতই প্রচার করুক না কেন, তারা এতে প্রচুর পরিমানে চিনি ব্যবহার করেন এবং আম, কমলা ইত্যাদি ফলের রস বলে এখানে মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করে। তাই ফলের জুস ক্রয় না করে ফল খান। এটি আপনার স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি করবে না।

৩. সফট ড্রিংকস:
এতে স্বাস্থ্যের জন্য ভাল কিছু নেই। প্রচুর পরিমানে চিনি ব্যবহার করার ফলে, আমাদের শরীরে এর খারাপ প্রভাব খুব বেশি সময় ধরে থাকে।

৪. বিস্কুট:
ছোট্ট একটি বিস্কুটের প্যাকেট আর কতই বা ক্ষতি করবে? এই চিন্তা করে আমরা অনেকে এক বেলার নাস্তায় বিস্কুটের হিসাব ঠিকই মিলিয়ে রাখি। কিন্তু বিস্কুট তৈরিতে ভাল ময়দা তৈরি করা হয় না। আবার এতেও অস্বাস্থ্যকর তেল এবং প্রচুর চিনি ব্যবহার করা হয়। তাই প্যাকেটের বিস্কুট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৫. চানাচুর, ঝালমুড়ি:
রাস্তার আসেপাসে এসব খাবারে প্রচুর পরিমানে ঝালযুক্ত করা হয়, আবার এতে তেল ও সোডিয়ামের পরিমান থাকে অনেক বেশি, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।-সূত্রঃ টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ বছর ধরে নতুন জামা পরতে পারেনি মুক্তামনি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় নতুন জামা পরতে পারবেন না মুক্তামনি। শুধু এই ঈদে নয়,গত ছয় বছর ধরে আমার মেয়ে (মুক্তা মনি) কোন অনুষ্ঠানেও নতুন জামা পরতে পারেনি। কান্না জড়িত কন্ঠে এই প্রতিবেদককে কথাগুলো বলছিলেন মুক্তামনির মা।

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু মুক্তামনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় গত মাসের নয় তারিখে। মুক্তামনির শরীরের অবস্থা আগের থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে বলে জানান মুক্তার বাবা ইব্রাহীম হোসেন।

ঈদের দিন মুক্তামনি কি করে জানতে চাইলে, মুক্তামনি বলে, ঈদে আমার আনন্দ হচ্ছে, আম্মু ভালো খাবার রান্না করে আমাকে খাইয়ে দেয়। এই ঈদেও আব্বু বলসে ভালো খাবার কিনে নিয়ে আসবে। মুক্তা বলে আমাদের গ্রামে যদি ভালো ডাক্তার থাকতো, তাহলে প্রতি ঈদে আমি নতুন জামা পরতে পারতাম।

মুক্তার বোন হিরা মনি বলেন, আমাকে আব্বু নতুন জামা কিনে দেয়, কিন্তু আমি মুক্তার জন্য পরি না। মুক্তার যে মন খারাপ হবে তাই, কিন্তু সামনের ঈদ থেকে পরতে পারবো। মুক্তা আমি দুজনে এক সাথে নতুন জামা পরবো।

সম্প্রতি মুক্তামনির এই বিরল রোগ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার উদ্যোগ নেয়া হয়। পরে মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মুক্তামনি আগের থেকে অনেক ভালো আছে বলে জানান মুক্তার বাবা। তিনি বলেন, আমার কাছে ঈদ হচ্ছে আমার মেয়েটার সুস্থতা।
শিশু মুক্তামনির বাবা সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানি ইব্রাহীম হোসেন। তার দেশবাসীর কাছে একমাত্র চাওয়া সবাই যেন আমার অসুস্থ মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে নামাজান্তে আমার এই ছোট্ট মেয়েটার জন্য দোয়া করে। আমি যেন আমার মেয়েটাকে আবারও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ফিরে পাই প্রতিটা ঈদে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়েছে দুর্বৃত্তরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঈদ-উল-আয্হাকে সামনে রেখে সরকারের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডের চিত্র এবং শুভেচ্ছা জানাতে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে টানানো বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির পোস্টার ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি জানান, যারা সরকারের উন্নয়ন চায়না, যারা ২০১৩-১৪ সালে দেশটাকে জঙ্গী-সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল তারা আবার মাথা তোলার চেষ্টা করছে। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে যারা নৃশংসভাবে-জঘন্যভাবে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল,২১ আগস্টে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যারা হত্য করার চেষ্টা করতে গিয়ে ২৪ জন আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করেছিল, ২০১৪ সালে সংসদ নির্বাচনের সময়ে যারা দেশে তান্ডব চালিয়েছিল, চলন্ত বাসের ভিতরে আগুন দিয়ে যারা শিশুকে পুড়িয়ে মেরেছিল এবং আশাশুনি, দেবহাটার কয়েকজন আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীকে যারা হত্য করেছিল তারাই এখন আবার নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে। তারা দেশকে ধ্বংস করার অস্থিতিশীল প্রক্রিয়ায় নেমেছে। তিনি সকলের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে তাদেরকে প্রতিহত করতে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যাতে করে নেতৃত্ব থেকে না সরাতে পারে সেদিকে খেয়াল রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এবং তিনি আরও বলেন, আমি এ সকল দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট সোমবার রাতে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে কয়েকটি এলাকার পোস্টার ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এবিষয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, এখনো লিখিত কোন অভিযোগ আসেনি। তবে আমরা নিজেদের উদ্যোগে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে নাচনেওয়ালিসহ পশুর হাট!

আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই ঈদুল আজহা।
আর কোরবানির ঈদ মানে জমজমাট পশুর হাট। ব্যতিক্রম নয় পাকিস্তানও। আমাদের দেশের মতো ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সেখানেও পশুকে সাজিয়ে হাটে আনার নজির রয়েছে। এর পাশাপাশি অভিনব এক পন্থাও অবলম্বন করতে দেখা গেল এবার লাহোরের পশু ব্যবসায়ীদের।

সম্প্রতি ইন্টারনেটে পাকিস্তানের পশুর হাটের বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে লাহোরের একটি পশুর হাটে দেখা গেল ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে প্রতি গরুর সাথে একজন মেয়েকে হাঁটে নিয়ে আসা হয়। এই মেয়েটি নেচে এবং বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। ফলে ক্রেতা জমতে শুরু করে। কারো পছন্দ হলে সে পশু কিনে নিয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ২২ পিচ ইয়াবাসহ আটক ২

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পুরাতন সাতক্ষীরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই সেলিম রেজা’র নেতৃত্বে ২২ পিচ ইয়াবাসহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন পুরাতন সাতক্ষীরা পেট্রল পাম্প এলাকার নূর মোহাম্মাদ এর পুত্র মো: আলাউদ্দিন(২৭) এবং একই এলাকার রেজাউল হোসেন বাবু’র পুত্র রাকিবুল হাসান(২২)।
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুরাতন সাতক্ষীরা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এস.আই সেলিম রেজা ও এ.এস.আই শুকুর আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স আনুমানিক বিকাল ৫.৪৫টার দিকে ২২ পিচ ইয়াবাসহ ২ জনকে হাতেনাতে আটক করে ।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আটককৃতদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়াকে ২৬৫ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে হঠাৎ বিপাকে বাংলাদেশ। ১৮৬/৫ থেকে মুহূর্তেই ১৮৬/৮ হয়ে গেল বাংলাদেশ। তাতেই ম্যাচে ফিরে এল অস্ট্রেলিয়া। তবে মেহেদী হাসান মিরাজ চা-বিরতির আগে দলকে আর কোনো ধাক্কা খেতে দেননি। শফিউলকে নিয়ে বাকি সময়টা কাটিয়ে দিয়েছেন, দলকে এনে দিয়েছেন মহাগুরুত্বপূর্ণ আরও ২৮টি রান। ৭ রানের ব্যবধানে দুজনই আউট হওয়ায় ২২১ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। ২৬৪ রানের লিড বাংলাদেশের।

হুটহাট ৩ উইকেট পড়ার পর উইকেটে ছিলেন মিরাজ আর শফিউল। অ্যাশটন অ্যাগারের ওভারে পরপর দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন মিরাজ। লক্ষ্যটা অনুমিতই। অলআউট হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার জন্য টার্গেটটা ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাওয়া।

এর আগে অদ্ভুতুড়ে আউট হয়েছেন দুর্দান্ত খেলতে থাকা অধিনায়ক। ৪১ রান করেছেন। কিন্তু ননস্ট্রাইক প্রান্তে ক্রিজে না থাকার মাশুল দিয়েছেন মুশফিক। লায়নের হাত ছুঁয়ে বল স্টাম্পে যাওয়ায় রানআউট হয়ে ফিরেছেন। এরপর চার বল খেলে কোনো রান না করেই ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন নাসির হোসেন। সাব্বির খেলছিলেন নিজের মারমুখী ভঙ্গিতেই। কিন্তু আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে তাঁকেও ফিরতে হয়েছে। প্রথম ইনিংসের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করতেই হয়তো আর রিভিউ নিলেন না। এরপর মিরাজ আর শফিউল বিপদ হতে দেননি। ২৪৮ রানের লিড আর হাতে ২ উইকেট নিয়ে চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

প্রথম সেশনেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম আর ইমরুল কায়েস ফিরে গেলেও আক্রমণটা সচল রেখেছিলেন তামিম ইকবাল ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসের মতো এই ইনিংসেও দারুণ ধারালো তামিমের ব্যাট। মুশফিকও যেন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন প্রথম ইনিংসের বড় রান না করার দুঃখটা ঘোচাতে। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির পরই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। তামিমের পর খুব দ্রুত আউট হয়েছেন সাকিব আল হাসানও। তামিম আউট হয়েছেন ৭৮ রানে। ১৫৫ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার। প্রথম সেশনের দুই ঘণ্টায় ৮৭ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।

সকালে তাইজুলের ফেরাটা খুব অপ্রত্যাশিত ছিল না। ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে ভালোই খেলে গেছেন তিনি। ২২ বল খেলে ৪ রান করেছেন। কিন্তু সত্যিকারের ধাক্কা হয়ে আসে ইমরুলের উইকেটটি। নাথান লায়নের বলে বারবার পরাস্ত হচ্ছিলেন। অফস্টাম্পের ওপর দুর্বলতাটা বোঝা যাচ্ছিল। ইমরুলের সেই দুর্বল জায়গায় একের পর এক বল করে ফল পেলেন অস্ট্রেলীয় অফস্পিনার। ১৮ বল খেলে ২ রান করে ফিরেছেন ইমরুল। স্লিপে তাঁর ক্যাচটি নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার।
দিনের প্রথম বলেই ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে প্যাট কামিন্সকে সীমানাছাড়া করেছিলেন তামিম ইকবাল। চতুর্থ বলে আবার স্লিপ ও গালির ফাঁক গলে বাউন্ডারি। দিনের শুরুটা একেবারে মনের মতোই হয়েছিল বাংলাদেশের।
কামিন্সের বলে তামিমের বিরুদ্ধে একটি এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন হয়েছিল। মাঠের আম্পায়ার আলিম দার তাতে ‘না’ বলে দেওয়ায় অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ রিভিউও নিয়েছিলেন, কিন্তু টিভি আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড নিশ্চিত করেছেন, আলিম দারের সিদ্ধান্ত ঠিকই ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রহস্যময় ‘ভুতুড়ে কণার’ কীর্তি আবিষ্কার!

সম্প্রতি মিলে গেল ৪৩ বছর আগের এক বিজ্ঞানীর পূর্বাভাস। এই ব্রহ্মাণ্ডের একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা।
যার নাম- নিউট্রিনো। যার আরও একটি নাম রয়েছে। ভুতুড়ে কণা। নিউট্রিনো বা ভুতুড়ে কণাদের বিচিত্র কেরামতি দেখে তো বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরা! টগবগ করে ফুটতে শুরু করে দিয়েছেন উৎসাহে। তাঁদের আশা, মশার হাতি নাড়ানোর পথ ধরে এক দিন পৌঁছে যাওয়া যাবে বিগ ব্যাং বা সেই মহা বিস্ফোরণের ঠিক পরের সময়ে। সেই বিস্ফোরণের ঠিক পরের ৪ লক্ষ বছরে কী কী ঘটেছিল, তা তো এখনও রয়েছে পুরোপুরি অন্ধকারে।

সেই অজানা কাহিনী কেন জানতে পারিনি?
অতীত বা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমরা যা কিছু জানতে পারি, জানতে পেরেছি এত দিন, সে সবই ওই আলোর সূত্র ধরে। আলোর কণা ‘ফোটন’-এর হাত ধরে, তারই দেখানো পথে। ফোটনই তো এই ব্রহ্মাণ্ডকে চেনা, জানার এক ও একমাত্র ‘হাতিয়ার’ হয়েছে এত দিন। হয়ে চলেছে। ব্রহ্মাণ্ডের ‘ওয়ান অ্যান্ড ওনলি টর্চ বেয়ারার’। বিগ ব্যাং-এর পরপরই জন্ম হয়েছিল আলোর কণা ফোটনের। কিন্তু সেই ফোটনগুলি তখন নিজেদের মধ্যে ঘুষোঘুষি, খুনসুটি (স্ক্যাটারিং) করতেই ব্যস্ত ছিল। বিগ ব্যাং-এর পরের ৪ লক্ষ বছর পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে সেই ঘুষোঘুষি, খুনসুটিতে মেতে থাকার ফলে ফোটনগুলি বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেনি। ছড়িয়ে, ছিটিয়ে পড়তে পারেনি। ফলে, সেই ফোটনগুলি আমাদের সামনে টর্চের আলো ফেলতে পারেনি। তাই বিগ ব্যাং-এর পরের ৪ লক্ষ বছরে ঠিক কী কী ঘটনা ঘটেছিল, তা আমরা আজও জানতে পারিনি।

আর যারা সেই অজানা ঘটনাবলী জানাতে পারতো, তারা এই ভুতুড়ে কণা বা নি‌উট্রিনো। কারণ, তারাও ফোটনের সঙ্গেই জন্মেছিল বিগ ব্যাং বা সেই মহা বিস্ফোরণের পরপরই। ফোটনরা বেরিয়ে আসতে না পারলেও, বোধহয় প্রায় ‘অশরীরী’ বলেই ভুতুড়ে কণারা কিন্তু বেরিয়ে আসতে পেরেছিল বিগ ব্যাং-এর পরেই। হু হু করে চার পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়তে শুরু করেছিল। ছুটতে শুরু করেছিল উদ্দাম গতিতে। প্রায় আলোর কণা ফোটনের গতিবেগেই। এই ব্রহ্মাণ্ডে চলার পথে কোনও কণা, কোনও মহাজাগতিক বস্তুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি নিউট্রিনোদের।
তবে তারা যে আবার প্রায় ‘অশরীরী’! তাই ভুতুড়ে কণাদের ওপরেও এত দিন সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গের গোপন রহস্যের জাল কাটার ব্যাপারে ততটা ভরসা করা যাচ্ছিল না।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, এ বার ভুতুড়ে কণাদের এই বিচিত্র কেরামতি সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গের গোপন রহস্যের জাল কেটে দিতে পারে এক দিন। জানা যেতে পারে সেই মহা বিস্ফোরণের পর কী কী ঘটনা ঘটেছিল। কারা কারা জন্মেছিল। জন্মানোর পর তারা কী করছিল। জানা যেতে পারে সেই মহা বিস্ফোরণের পিছনে কার হাত ছিল। কার ‘ইচ্ছা’য় ঘটেছিল ওই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। সেই বিস্ফোরণ ঠিক কী ভাবে বীজ পুঁতেছিল এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টির উন্মাদনার।

তাই একটা হালকা, পলকা ভুতুড়ে কণা (খুব বেশি হলে, ইলেকট্রনের ভরের ৫ লক্ষ ভাগের মাত্র ১ ভাগ) শেষমেশ আস্ত একটা হাতিকে নাড়িয়ে দেওয়ার এই যে কেরামতি দেখাল, তা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে হয়ে গেল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। গত সাড়ে ৪ দশক ধরে যে ঘটনা চাক্ষুষ করার জন্য হাপিত্যেশ অপেক্ষায় ছিলেন বিশ্বের তাবৎ বিজ্ঞানীরা।
কোনও গল্পকথা নয়। নয় কোনও কল্পকাহিনীও। প্রায় অশরীরী ভুতুড়ে কণার এই কেরামতির কথা হালে প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘সায়েন্স’-এ। গত ৩ অগস্ট সংখ্যায়। একটি আন্তর্জাতিক গবেষকদলের ওই গবেষণাপত্রটির শিরোনাম- ‘অবজারভেশন অফ কোহেরেন্ট ইল্যাস্টিক নিউট্রিনো-নিউক্লিয়াস স্ক্যাটারিং’। মূল গবেষক মস্কোর ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টারের ইনস্টিটিউট ফর থিয়োরেটিক্যাল অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্সের অধ্যাপক দিমিত্রি আকিমভ। গবেষকদের অন্যতম বিশিষ্ট কণাপদার্থবিজ্ঞানী জে আই কোলার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনরিকো ফের্মি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক।
ভুতুড়ে কণাদের এই বিচিত্র কেরামতি চাক্ষুষ করতে গবেষকরা বানিয়ে ফেলেছেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম নিউট্রিনো সন্ধানী যন্ত্র বা নিউট্রিনো ডিটেক্টর। যার ওজন সাকুল্যে সাড়ে ১৪ কিলোগ্রাম বা ৩২ পাউন্ড। যা লম্বায় ৪ ইঞ্চি। চওড়ায় ১৩ ইঞ্চি।
ভুতুড়ে কণাদের চলার পথে কেউ বাধা হতে পারে না কেন?
ভারতে নিউট্রিনো গবেষণার পথিকৃৎ বিজ্ঞানী, কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের (এসআইএনপি) রাজা রামান্না ডিসটিঙ্গুইজ্‌ড ফেলো অধ্যাপক নবকুমার মণ্ডলের কথায়, ‘‘সে কাউকেই পরোয়া করে না বলে। কারও সঙ্গে মেলামেশা করতে চায় না বলে। কথা বলতে চায় না বলে। মোদ্দা কথায়, এই ব্রহ্মাণ্ডে যেন কারও সঙ্গেই ইন্টারঅ্যাকশনের বিন্দুমাত্র ইচ্ছা নেই ভুতুড়ে কণাদের।

স্ট্রং ফোর্স বা শক্তিশালী বল তো দূরের কথা, তড়িৎ-চৌম্বকীয় বল বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক ফোর্সের সঙ্গেও কখনও কোনও বনিবনা হয় না এই ভুতুড়ে কণাদের। তাদের বনিবনা হয় শুধুই খুব দুর্বল মহাকর্ষীয় হল বা গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স আর অত্যন্ত অল্প পাল্লার উইক ফোর্স (যে বলে বাঁধা থাকে বলেই তেজস্ক্রিয় পদার্থের পরমাণু ভেঙে যায়) বা দুর্বল বলের সঙ্গে।
মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের (টিআইএফআর) অধ্যাপক অমল দিঘের কথায়, ‘‘কোনও কণা বা মহাজাগতিক বস্তুর সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশন করাটা তাদের স্বভাবে নেই বলে এই ভুতুড়ে কণারা সব কিছুর মধ্যে দিয়েই অনায়াসে গলে যায়। তাদের ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। তাই এদের হদিশ পেতে বহু ঘাম ঝরাতে হয়েছে বিজ্ঞানীদের। ’’
ভুতুড়ে কণারা আমাদের শরীর ফুঁড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কেউই টের পাচ্ছি না! কেন?
নবকুমারবাবুর বক্তব্য, এরা এতটাই ভুতুড়ে যে, প্রতি মুহূর্তে আমাদের শরীরের ১ বর্গ সেন্টিমিটারে এসে ঢুকছে ১ লক্ষ কোটি নিউট্রিনো। শরীর ফুঁড়ে সেগুলি বেরিয়েও যাচ্ছে। আমরা টেরও পাচ্ছি না। এই ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্রই প্রতি ১ ঘন সেন্টিমিটারে থাকে ৪৩০টি ফোটন। আর নিউট্রিনো কণা থাকে ৩১০টি। নিউট্রিনোরা আদতে ইলেকট্রনের মতোই মৌল কণা। তাদের আর ভাঙা যায় না। তবে ইলেকট্রনের যেমন আধান (চার্জ) রয়েছে, এদের তা নেই। নিউট্রিনোরা একেবারে শ্রীনিরপেক্ষ! ’৬০-এর দশকের শেষাশেষি প্রথম জানা যায়, এরা তিন ধরনের হয়। মানে, তাদের তিন ধরনের ‘ফ্লেভার’ থাকে। ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউওন নিউট্রিনো আর টাওন নিউট্রিনো। এও জানা গিয়েছে, ব্রহ্মাণ্ডে নিজেদের যাত্রাপথে এরা ‘বহুরূপী’ হয়। এক রূপ থেকে ঘন ঘন বদলে যায় অন্য রূপে। ইলেকট্রন নিউট্রিনো বদলে যায় মিউওন নিউট্রিনো বা টাওন নিউট্রিনোয়। আর ’৯৮ সালে প্রথম জানা যায়, এদের ভরও রয়েছে খুব সামান্যই। তবে তা কত, এখনও ঠিকঠাক ভাবে তা জানা সম্ভব হয়নি। সুজয় চক্রবর্তী, আনন্দবাজার পত্রিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সীমান্তে ৩টি পিস্তলসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কুশখালি সীমান্ত থেকে তিনটি পিস্তলসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি।
আজ মঙ্গলবার সকালে সীমান্তের ছয়ঘরিয়া এলাকায় বিজিবির কুশখালি বিওপির টহল দল তাকে আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে তিনটি ভারতীয় পিস্তল জব্দ করা হয়। আটক ভারতীয় নাগরিকের নাম গোপাল বিশ্বাস (৩৫)। তিনি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরুপনগর থানার খলসি গ্রামের কৃষ্ণ বিশ্বাসের ছেলে।
বিজিবির কুশখালি বিওপির সুবেদার নাসির জানান, মেইন পিলার ১০ এর সাব পিলার ২ এর কাছে সীমান্তের ছয়ঘরিয়া এলাকা থেকে তার নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহল দল তাকে আটক করেন। আটক ভারতীয় নাগরিক সোনাই নদী সংলগ্ন একটি বাওড়ের মধ্য ধেকে সাঁতার দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে তার দেহ তল্লাশী করে এ সময় তিনটি পিস্তল ও পাঁচ বোতল মদ উদ্ধার করা হয় বলে তিনি আরো জানান।
বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়ন এর উপ-অধিনায়ক মেজর আমিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত কওে জানান, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, তার কাছে তিনটি পিস্তল পাওয়া গেলেও সাথে কোনো গুলি ছিল না বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest