ভারতের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে সোমবার হরিয়ানা রাজ্যের বিশেষ আদালত মোট ২০ বছরের জেলের সাজা শুনিয়েই ক্ষান্ত থাকেন নি। এমন সব মন্তব্য করেছেন বিচারক, যা একরকম কাঁপিয়ে দিয়েছে এই একদা প্রবল পরাক্রান্ত ধর্মগুরুকে।
১৫ বছর আগে নিজের আশ্রমেরই দুই সাধিকাকে ধর্ষণের মামলায় পৃথকভাবে ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের সাজা শোনানোর আগে গুরমিত রাম রহিমকে বিচারক জগদীপ সিং বলেছেন:
• দোষী ব্যক্তি (গুরমিত রাম রহিম) একটা জঙ্গলি জানোয়ারের মতো কাজ করেছে। সে তার দুই পবিত্র সাধিকাকেও ছাড়ে নি।
• ওই দুই নির্যাতিতা গুরমিত রাম রহিমকে ঈশ্বরের সম্মান দিতেন, কিন্তু গুরমিত তাদের সঙ্গে সব চেয়ে গুরুতর অপরাধ করেছে।
• যে ব্যক্তির মানবিকতা বলে কিছু নেই, যার স্বভাবে দয়া-মায়া বলে কিছু নেই, তার প্রতি উদারতা দেখানো যায় না।
• একটা ধর্মীয় সংগঠনের প্রধান হিসাবে যে নিজেকে দাবী করে, তার এই অপরাধমূলক কাজ আসলে দেশের অন্যান্য পবিত্র, আধ্যাত্মিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক আর ধর্মীয় সংগঠনগুলোকেও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তাকে ১৫ লাখ রুপি করে ৩০ লাখ রুপি জরিমানাও করা হয়েছে।
গুরমিত রাম রহিম আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে যখন সবাই তাকে ধিক্কার দিচ্ছে, তার মধ্যেও তার ভক্তদের অনেকেই এখনও ওই ‘গুরু’র প্রতি রয়েছে শ্রদ্ধা, আস্থা।
এরকমই এক পরিবারের খোঁজ পেয়েছে বিবিসি, হরিয়ানার সিরসায় – ডেরা সাচ্চা সওদার মূল আশ্রমের কাছেই।
যুবক সোনু যাদব ডেরার স্কুলেই পড়াশোনা করেছেন। ইংরেজিতেই কথা বলতে বেশী স্বচ্ছন্দ তিনি।
“বাবাজী প্রথম থেকেই ভাল শিক্ষা দিয়েছেন, সমাজের প্রতি নীতি-নৈতিকতা শিখিয়েছেন, মানুষের কোন পথে চিন্তাভাবনা করা উচিত, সেসব বলেছেন আমাদের। আমরা তাই উনাকে গুরু বলেই মানি,” বলছিলেন মি. যাদব।
শুধু সোনু নয়, তার পরিবারের তিনপুরুষই গুরমিত রাম রহিমের ভক্ত।
বিবিসি-র সঙ্গে কথার মাঝেই সোনুকে থামিয়ে দিয়ে তার মা সরোজ বলছিলেন, “গুরুজী আমাদের বাপ-মায়ের মতো। আমি উনার কাছে গত ২৬ বছর ধরে যাই। আমার বাচ্চাদের তিনি পড়িয়েছেন, যে কোনও রকম দু:খ-কষ্টে তিনি সহায় হতেন। নিজের বাবা মায়ের থেকেও উনাকে বড় বলে মানি আমরা।”
‘বাবার ডেরা’ই তাদের কাছে সব কিছু – সেটাই তাদের দুনিয়া।
সোনু কথায় কথায় বলছিলেন, “বাবাজী আমাকে তিনটে মন্ত্র শিখিয়েছেন, নেশা করবে না, মেয়েদের সম্মান করবে আর বড়দের শ্রদ্ধা করবে।”
ঘটনাচক্রে যে মেয়েদের সম্মান করতে সোনুকে শিখিয়েছেন গুরমিত রাম রহিম সিং, অন্যদিকে দুই নারী সাধিকাকেই ধর্ষণ করেছেন বলে আদালতে প্রমাণ হয়েছে।
সোনু আর তার পরিবার অবশ্য এখনও বিশ্বাস করেন না যে তাদের ‘গুরুজী’ ওই কাজ করে থাকতে পারেন।
“আমাদের গুরুজীর ওপরে পুরো বিশ্বাস আছে। তিনি চক্রান্তের শিকার হয়েছে। সব সংবাদ চ্যানেলে যা যা দেখানো হচ্ছে – সব মিথ্যা। আমরা ছয় কোটি মানুষ তার শিষ্য – আমরা সবাই ভুল?”
তাদের বিশ্বাস কিছুদিনের মধ্যেই নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বাইরে আসবেন তাদের ‘বাবা’ আর রাজনৈতিক দলগুলোর চক্রান্ত গোটা পৃথিবীর মানুষের সামনে তুলে ধরবেন।
তবে তার আগে অবধি আদালতের নির্দেশে সোনু যাদবের পরিবারের ‘গুরুজী’কে রোহটাকের জেলে অন্য কয়েদিদের মতো জেলের পোশাক পরে কম্বলে শুয়ে দিন কাটাতে হবে।
১৫৬ রান করা বেশি কঠিন, না ৮ উইকেট নেওয়া? রীতিমতো কোটি টাকার প্রশ্ন। গত তিন দিনের উত্থান-পতন, নাটকীয়তা—সবই এখন অতীত। সেই অতীতের ওপর দাঁড়ানো যে বর্তমান, সেটিই আজ ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনটিকে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে ধাঁধার মতো ওই প্রশ্নের সামনে। কোনটি বেশি কঠিন—১৫৬ রান, না ৮ উইকেট?
যেটির উত্তর খোঁজার সময় মাঠের মাঝখানের ওই ২২ গজি জমিনটা অবশ্যই বিবেচনায় আসবে, তা প্রথম তিন দিন ব্যাটসম্যানদের ‘ঘূর্ণি-নাচন’ নাচানো মিরপুরের উইকেট এখন কী বলছে?
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধি হয়ে এলেন প্যাট কামিন্স ও তামিম ইকবাল। যাঁদের কথা শুনে মনে হলো, এখানেও একটা ‘খেলা’ চলছে। সেই খেলার একটা নামও আছে-‘মাইন্ড গেম’! প্যাট কামিন্স দাবি করলেন, উইকেট আগের চেয়ে অনেক ভদ্রস্থ আচরণ করছে। প্রথম দিনের তুলনায় তো অনেক ভালো। কী বার্তা দিতে চাইলেন, তা অনুমান করা একদমই কঠিন নয়। ভাইসব, ২৬৫ রানের লক্ষ্য আপনারা যতটা কঠিন ভাবছেন, অতটা কঠিন নয়। এটা হয়ে যাবে।
তামিম ইকবাল মোটেই একমত নন। যতবার উইকেটের প্রসঙ্গ উঠল, প্রশ্ন হলো ম্যাচের ভবিষ্যৎ নিয়ে, প্রতিবারই মনে করিয়ে দিলেন, এটা অননুমেয় এক উইকেট। কখন কী হবে, কিচ্ছু বলা যায় না। এখানে একটা উইকেট পড়া মানেই আরও ২-৩টি পড়ার পথ খুলে যাওয়া।
কামিন্সের কথা বিশ্বাস করবেন, নাকি তামিমের? সাধারণ ক্রিকেটীয় জ্ঞান বলে, যত সময় যাবে, স্পিনিং উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ততই কঠিন হবে।
আবার কাল শেষ বিকেলে ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটিংটা মনে করুন। কামিন্সের কথাটাকে কি এখন আর শুধুই একটা ‘চাল’ বলে মনে হচ্ছে?
টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান থেকে ডেভিড ওয়ার্নারের টেস্ট ব্যাটসম্যানে উত্তরণ সাম্প্রতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে চমকপ্রদ গল্পগুলোর একটি। ব্যাটিংয়ের স্টাইল অবশ্য বদলাননি। টেস্টের প্রথম দিনেই লাঞ্চের আগে সেঞ্চুরি পর্যন্ত আছে। তবে তাঁর ১৮টি টেস্ট সেঞ্চুরির একটিও উপমহাদেশে নয়। স্পিন বোলিংটা পছন্দ করেন, এমন কথাও কখনো শোনা যায়নি। বছরের শুরুতে ভারত সফরে অশ্বিন আর জাদেজার স্পিন-বিষে নীল হয়ে গেছেন। সেই ওয়ার্নারই উপমহাদেশে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলে ফেললেন কাল। সেটি ওয়ার্নারের ঢঙেই। ইংল্যান্ড সিরিজের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বোলিং ওপেন করলেন মিরাজ। প্রথম ওভারেই দুই চারে তাঁকে স্বাগত জানালেন ওয়ার্নার। অপরাজিত ৭৫ রান মাত্র ৯৬ বলে, যাতে ১১টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা।
সাকিবের প্রথম ওভারেই স্লিপে সৌম্য ক্যাচটা নিতে পারলে অবশ্য উপমহাদেশে ওয়ার্নারের আরেকটি ব্যর্থতার গল্পই লেখা হতো। তাঁর রান তখন মাত্র ১৪। ক্রিকেটে ‘যদি’র কোনো জায়গা নেই। কিন্তু সব সময় কি তা মানা যায়! এখানেই যেমন ওয়ার্নারের দ্বিতীয় ‘জীবন’ পাওয়ার মতো স্টিভ স্মিথের স্টাম্পিং হতে হতে বেঁচে যাওয়াটাও আসবে। প্রথম ইনিংসে মুশফিকের পরামর্শমতো রাউন্ড দ্য উইকেট বোলিং করে স্মিথকে ফাঁদে ফেলেছিলেন মিরাজ। কাল তো এই রণকৌশল প্রথম বলেই স্মিথকে ফিরিয়ে দিয়েছিল প্রায়। মাঠের আম্পায়ার স্টাম্পিংয়ের সিদ্ধান্ত দিতে টিভি আম্পায়ারের শরণাপন্ন আর ব্যাটসম্যান ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটতে শুরু করেছেন-এই দৃশ্য একটু বিরলই বলতে হবে। ড্রেসিংরুম থেকে ইঙ্গিত পেয়ে থামলেন স্মিথ। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেল, চুল পরিমাণ ভেতরে আছে তাঁর পা।
বাংলাদেশের এই দুই আক্ষেপ মিলিয়ে যা হলো-উইকেটে এখনো অস্ট্রেলিয়ার সেরা দুই ব্যাটসম্যান। আজ প্রথম ঘণ্টায় যাঁদের অন্তত একজনকে ফিরিয়ে দিতে না পারলে টেস্ট নিশ্চিতভাবেই হেলে পড়বে অস্ট্রেলিয়ার দিকে। এমনিতে ইতিহাস বলে, অস্ট্রেলিয়ার কাজটা খুব কঠিন। এই টেস্টের প্রথম তিন ইনিংসের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসটাই সবচেয়ে কম রানের। জিততে হলে চতুর্থ ইনিংসে করতে হবে ম্যাচের সর্বোচ্চ রান। টেস্ট ক্রিকেটে এমন কিছু এর আগে কখনো ঘটেনি।
উপমহাদেশে দুই শর বেশি রান তাড়া করেও এর আগে একবারই জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। সেটি এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই ১১ বছর আগের সেই ফতুল্লা টেস্টে। রিকি পন্টিংয়ের ক্যাপ্টেনস নকে ৩০৭ রানও যেখানে ব্যাপার হয়নি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের মাঝামাঝি মনে হচ্ছিল, এখানেও জিততে হলে অস্ট্রেলিয়াকে তিন শর বেশিই করতে হবে। মাত্র ৩৫ রানে শেষ ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ায় যে আশার জলাঞ্জলি।
আফসোস এখানেও আছে। মুশফিক আর সাব্বিরের মাত্রই জমে ওঠা জুটিটা ভেঙে দিল ক্রিকেটের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আউট। লায়নের বলে দুর্দান্ত এক স্ট্রেট ড্রাইভ করেছিলেন সাব্বির। রবি শাস্ত্রী ধারাভাষ্যে থাকলে নির্ঘাত বলতেন, ‘লাইক আ ট্রেসার বুলেট।’ কিন্তু স্ট্রেট ড্রাইভটা বড় বেশি ‘স্ট্রেট’ হয়ে গেল! লায়নের হাতের ছোঁয়া নিয়ে বল নন-স্ট্রাইকার প্রান্তের উইকেট ভেঙে দিল, মুশফিক তখন ক্রিজের একটু বাইরে দাঁড়িয়ে। নড়ারও সময় পাননি।
মুশফিকের দুর্ভাগ্যের জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী সাব্বিরও নিজেকে দুর্ভাগা ভাবতে পারেন। প্রথম ইনিংসে তাঁর ‘ভুল’ রিভিউ নেওয়া নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপও হয়েছে। তাই হয়তো এবার আর আম্পায়ারের তর্জনীকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাননি। অথচ শর্ট লেগের হাতে যাওয়ার আগে বল না তাঁর ব্যাটে লেগেছে, না তাঁর গ্লাভসে।
উইকেট নিয়ে কামিন্স আর তামিমের দুই রকম কথা দিয়ে লেখাটা শুরু হয়েছিল। শেষে এসে মনে হচ্ছে, এই উইকেট নিয়ে তামিমের কথারই তো বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত। তাঁর চেয়ে বেশি সময় তো আর কেউ কাটাননি ওখানে। উইকেটের খামখেয়ালিপনার পরিচয়ও দুই ইনিংসেই পেয়েছেন। গুড লেংথ থেকে হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা কামিন্সের যে বলটিতে কাল আউট হলেন, সেটিতে কী-ইবা করার ছিল তামিমের। প্রথম ইনিংসে ৭১ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৮। দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি হারানোর যন্ত্রণায় প্রলেপ পড়ার পথ এখন একটাই। জয়!
তৃতীয় দিন শেষে
বাংলাদেশ: ২৬০ ও ২২১
অস্ট্রেলিয়া: ২১৭ ও ১০৯/২
সূত্র : প্রথম আলো(উৎপল শুভ্র)
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি মানবিক আচরণ দেখাতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় গণভবনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও রিয়াল অ্যাডমিরাল খোরশেদ আলমের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সূত্রগুলো জানায়, মিয়ানমার সরকারের অত্যাচার-নির্যাতনে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবেতর জীবনের নানান তথ্য ও ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে, যা মানবতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে শুরু করেছে। বিষয়টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে এবং এ নিয়ে মুলমানদের ভেতরে সেন্টিমেন্ট গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সরকারের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক শেখ হাসিনা। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে বিএনপিও রাজনীতি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। তাই কাউকে এসব সুযোগ দিতে চান না প্রধানমন্ত্রী। ইস্যুটি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার করতে সীমান্ত এলাকার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরার ব্যাপারে উদ্যোগী হতেও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সূত্রগুলো আরও জানায়, এসব বিষয় মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সহানুভূতিশীল হতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নির্দেশ দিতে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেছেন। আপাতত অনুপ্রবেশের পরবর্তী পরিস্থিতি কী হতে পারে, তা নিয়ে সরকার ভাবছে না বলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলো দাবি করে।
অন্য এক সূত্র জানায়, সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের দেশে প্রবেশেও বিধি-নিষেধ শিথিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সতর্ক থাকারও কথা বলা হয়েছে বিজিবিকে। বিশেষ করে, টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়িতে রোহিঙ্গাদের আপাতত জায়গা করে দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
এ সূত্র আরও জানায়, একইসঙ্গে ওইসব এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটু সতর্ক অবস্থানে থাকার ব্যাপারেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আশ্রয় নিয়ে তারা যাতে কোনও অপকর্মের সঙ্গে জড়াতে না পারে, সেদিকটা বিশেষ নজরে রাখতে হবে।
সূত্র জানায়, গণভবনের ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের ব্যাপারেও জোর দেওয়া হয়েছে। দেশটির সঙ্গে কোঅপারটিভ ওয়ে-তে আলোচনা চালাতে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে এ ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে থমকে গেছে দলটির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। শুধু বক্তৃতা-বিবৃতিতেই চলছে দলটি।
দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলছে ধীরগতিতে। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে বেগম জিয়া লন্ডন যাওয়ার পর নতুন করে কোনো জেলায় কমিটি দিতে পারেনি দলটি। একইভাবে সদস্য সংগ্রহ বৃদ্ধি ও নবায়ন কার্যক্রমেও গতি নেই। নেতাদের বড় একটি অংশই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ এলাকা ঘিরে সবারই তৎপরতা বাড়ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরতে পারেন। লন্ডনে চিকিৎসার পাশাপাশি পরিবারকে সময় দিচ্ছেন তিনি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সন্ধ্যায় জানান, ‘সাংগঠনিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া থেমে আছে কথাটা পুরোপুরি ঠিক নয়। এখন দেশে বন্যা চলছে। নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের নজর সেদিকেই। সদস্য সংগ্রহ অভিযানও চলছে। এটা আমরা আরও এক মাস বৃদ্ধি করেছি। সেপ্টেম্বরজুড়েই এ অভিযান চলবে। এ পর্যন্ত ৫০ লাখেরও বেশি সদস্য ফরম কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। ’ বিএনপি-প্রধানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা শেষে যথা শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন। ১৫ সেপ্টেম্বর সেই সম্ভাবনা রয়েছে। ’ তবে দলের একটি সূত্র এও বলেছে, চিকিৎসার কারণে আরও কিছু সময় লন্ডনে থাকতে পারেন বিএনপি-প্রধান। সে ক্ষেত্রে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। এদিকে জিয়া অরফানেজ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৪ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ আদালতে হাজিরা দেওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। এ যাত্রাও তিনি আদালতে হাজির নাও হতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া জানান, চিকিৎসার কারণে তিনি (খালেদা জিয়া) দেশে না ফিরলে আবেদন করার সুযোগ আছে। লন্ডন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেগম খালেদা জিয়ার ডান চোখের ব্যান্ডেজ খোলা হয়েছে। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তার বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসার কাছাকাছি একটি হাসপাতালে গিয়ে এ ব্যান্ডেজ খোলা হয়। চোখের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে। এখন পায়ের চিকিৎসা চলবে। এ ছাড়া শারীরিক চেকআপও করাবেন বিএনপি-প্রধান। ১০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্তভাবে দুই চোখের চিকিৎসা সম্পন্ন হবে। চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পেলেই তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরতে পারেন। নইলে সেপ্টেম্বর মাস পুরোটাই লন্ডনে থাকতে পারেন তিনি। ঈদের পর সেখানে নেতা-কর্মীসহ প্রবাসীদের সঙ্গে বিএনপি-প্রধানের একটি মতবিনিময় সভারও আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সার্বিক বিষয় তারেক রহমান নিজেই তদারকি করছেন। তবে এ ব্যাপারে অনেকটা গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। দলীয় সূত্র জানায়, গত আড়াই বছরে ৪৯টি সাংগঠনিক জেলা কমিটি পুনর্গঠন হয়েছে। এর মধ্যে বড় অংশই আংশিক। কয়েকটি জেলা চলছে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে। আরও অন্তত ৩২টি জেলা এখনো পুনর্গঠনের বাকি রয়েছে। এর মধ্যে ১০টির কমিটি প্রস্তুত করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন দেশে ফিরলেই এসব কমিটি অনুমোদন দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে বিএনপি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান জানান, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার পর কিছুটা ধীরগতিতে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলছে। তবে কমিটি নিয়ে কাজ চলছে। ম্যাডাম দেশে ফিরলেই অন্তত ১০টি কমিটি দেওয়া সম্ভব হবে। ’
বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, বেগম জিয়া দেশে ফিরলেই সহায়ক সরকারের রূপরেখাও দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা এর একটি খসড়াও তৈরি করে রেখেছেন। বেগম জিয়া দেশে ফিরলেই তাকে দেখানো হবে। পরে দলের স্থায়ী কমিটিসহ সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, সদস্য সংগ্রহ অভিযানেও কিছুটা গতি কমে এসেছে। এ পর্যন্ত ৫০ লাখ সদস্য সংগ্রহ ফরম কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী এ তথ্য জানান। সর্বশেষ গতকাল দফতর শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫০ লাখের কিছু বেশি ফরম বিক্রি হয়েছে। বন্যাকবলিত জেলাগুলোয় এ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তা ছাড়া ঈদুল আজহা নিয়ে সবাই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ কারণে গতি কিছুটা কমে এসেছে বলে দাবি দফতর শাখার কর্মকর্তাদের। বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, দেশের অধিকাংশ এলাকা এখন বন্যাকবলিত। তাই বিএনপি এখনো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে। এজন্য সিনিয়র নেতাদের নেতৃত্বে টিম করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোয় ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। এ ছাড়া ঈদুল আজহাও সমাগত। নেতাদের নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায়ও যেতে হচ্ছে। কর্মী-সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়েই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে আপাতত গতি কিছুটা কমে এসেছে। ঈদের পরপরই আবারও সদস্য সংগ্রহ অভিযান পুরোদমে চালু হবে। একইভাবে শুরু হবে দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াও। ১৫ জুলাই চোখ ও পায়ের চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বিএনপি চেয়ারপারসন। লন্ডন পৌঁছার পর থেকে বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় অবস্থান করছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।
চলচ্চিত্র পরিবার ও শাকিব খানের মধ্যকার চলমান সমস্ত দ্বন্দ্বের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আর এই দ্বন্দ্বের অবসানের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার রাতে চিত্রনায়ক ফারুকের উত্তরার বাসায় চলচ্চিত্র পরিবারের নেতাদের উপস্থিতিতে এক ঘরোয়া বৈঠকে সমস্ত দ্বন্দ্বের অবসান ও সমঝোতা হয়। এই সমঝোতার মাধ্যমে সকল ধরণের নিষিদ্ধ খেলারও ইতি ঘটলো।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিবারের আহবায়ক চিত্রনায়ক ফারুক, প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক আমজাদ হোসেন, চিত্রনায়ক শাকিব খান, বাপ্পারাজ, প্রযোজক আরশাদ আদনান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, এডিটরস গিল্ডের সভাপতি আবু মুসা দেবু, নৃত্য পরিচালক সমিতির সভাপতি মাসুম বাবুল, শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক নায়ক জায়েদ খান ও সাংবাদিক এফ আই দীপু।
সমঝোতা সভায় নিজেদের মধ্যে ঝামেলা মিটিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে সমঝোতা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করে নায়ক ফারুক ও শাকিব খান কোলাকুলি করেন। একই সঙ্গে সব ধরনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার ব্যাপারেও উভয় পক্ষ সম্মতি প্রকাশ করেছেন।
আজ ৭ জিলহজ। এদিন সৌদি আরবের মক্কা নগরী থেকে ৮ কিলোমিটার দূরের তাবুর শহর মিনার উদ্দেশ্যে রওনা করার মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠিকতা পালন করতে শুরু করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ২০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান।
হজপালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। মিনায় হাজিরা ৯ জিলহজ ফজর পর্যন্ত মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। এবং সেদিন ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয়ের পর মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা করবেন এবং সেখানে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান করবেন।
প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মিনা শহরে প্রায় এক লাখ তাবু খাটানো হয়েছে। তাবুগুলোতে হাজিদের যাত্রিযাপন এবং চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি সরকার। মিনার পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে মুহাসসার উপত্যকা ও জামারা আকাবা ও মধ্যবর্তী স্থান। আর উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে দু’পাশের সুউচ্চ দুটি পাহাড়।
৩০ আগস্ট সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক (হাজির হে আল্লাহ আমি হাজির) ধ্বনিতে প্রকম্পিত হবে আরাফাতের ময়দান। এদিন বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে খুৎবা পাঠ করা হবে।
৩১ আগস্ট আরাফাতের ময়দানে অবস্থান শেষে সন্ধ্যায় মুজদালিফায় যেয়ে রাত্রিযাপন করবেন। এবং জামারায় পাথর নিক্ষেপের জন্য ছোট ছোট কংকর সংগ্রহ করবেন।
মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন শেষে ১ সেপ্টেম্বর সেখান থেকে ছোট ছোট কংকর নিয়ে পুনরায় মিনায় গিয়ে জামারায় অবস্থিত প্রথম স্তম্ভে কংকর নিক্ষেপ করে কোরবানি শেষে মাথা মুণ্ডিয়ে হালাল (ইহরাম খুলবেন) হবেন।
এরপর মক্কায় এসে তাওয়াফে জিয়ারত (তাওয়াফ ও সায়ি) শেষে আবার মিনায় যেয়ে জামারার(ছোট, মধ্যম ও বড়) স্তম্ভে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে হাজিদের। এটা হজের ওয়াজিব আমল।
মিনা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ইউসুফ জায়েদ বলেন, মিনায় আগত প্রত্যেক হাজির সার্বিক সেবা দিতে আমরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। আমরা আশা করছি মিনা হবে হাজিদের জন্য একটি নিরাপদ এবং শান্তির জায়গা। এখানে যাতে কেউ হাজিদের ইবাদত বন্দেগীতে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে।
মিনায় অবস্থান, কোরবানি, জামারার স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য মিনায় এই কয়দিন খুব ভিড় থাকে। মিনায় বাদশাহর বাড়ি, রয়েল গেস্ট হাউজ, মসজিদ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন অফিস রযেছে। এছাড়া মিনায় রেলস্টেশন আছে ৩টি।
এবছর বাংলাদেশ থেকে ১২৭,২২৯ জন বাংলাদেশি হজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩৬ জন।
সেভেন সামিট জয়ী বাংলাদেশের একমাত্র পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন এবার মেক্সিকোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ও উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি পিকো দে ওরিজাবা জয় করেছেন।
বন্ধু হুয়ান মেন্ডোজাকে সাথে নিয়ে উত্তরের পথ দিয়ে গত বৃহস্পতিবার পিকো ডে ওরিজাবার চূড়ায় পৌঁছান ওয়াসফিয়া।
২০১৬ থেকে গ্রামীণফোনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে কাজ করছেন ওয়াসফিয়া।
মাউন্ট ডেনালি (প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এর চূড়ায়ও উঠেছেন ওয়াসফিয়া) ও মাউন্ট লোগানের পরে উত্তর আমেরিকার তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ পিকো দে ওরিজাবা।
এছাড়াও এ আগ্নেয়গিরিটি অ্যাজটেকদের নাহুয়াটাল ভাষায় সিটলালটেপেটল নামে পরিচিত। যার অর্থ ‘তারকা পর্বত’। এটি ট্রান্স-মেক্সিকান আগ্নেয় বেল্টের পূর্বে সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৬৩৬ মিটার (১৮ হাজার ৪৯১ ফুট) উঁচু। আগ্নেয়গিরিটি বর্তমানে সুপ্ত অবস্থায় আছে।
মেক্সিকোর যে তিনটি আগ্নেয়গিরিতে এখনো হিমবাহ আছে তাদের মধ্যে পিকো দে ওরিজাবা একটি। আর মেক্সিকোর সর্ববৃহৎ হিমবাহ গ্রান গ্রেসিয়ার নর্তে এখানেই অবস্থিত। প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ওয়াসফিয়া নাজরীনই প্রথম এই সুউচ্চ আগ্নেয়গিরি জয় করলেন।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…