সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

দুর্নীতি মামলা; রানা প্লাজার মালিকের ৩ বছরের কারাদণ্ড

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং একই সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার ৬ নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস দুপুর ২টায় এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ২২ আগস্ট রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত। এটা রানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রথম রায় হবে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২২ মে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, তার স্ত্রী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির দায়দেনা ও আয়ের যাবতীয় সম্পদের বিবরণীয় দাখিলের নোটিশ জারি করে দুদক। নোটিশ জারির আগে থেকে রানা কাশিমপুর কারাগারে থাকায় তার নামীয় নোটিশ জারি হয়নি। পরে দুদক কারাগারে নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত হয়।

২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সোহেল রানা সম্পদের হিসাব বিবরণী ফরমে কোনো তথ্য না দিয়ে তা খালি পাঠান। এ ঘটনায় ২০ মে দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম রমনা থানায় রানাকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১ জুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাপানের উপর দিয়ে শক্তিশালী মিসাইল ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া

তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ লাগিয়েই কি তবে শান্ত হবেন উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। জাপানের উপর দিয়ে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আবার তুলে দিল সেই প্রশ্ন।

দক্ষিণ কোরিয়ার মিলিটারি সূত্রের খবর, স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৫৭ মিনিট নাগাদ জাপানের উপর দিয়ে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। যা জাপান অতিক্রম করে চলে গেছে।

দক্ষিণ কোরিয় প্রশাসনের J-Alert warning system ধরা পড়েছে উত্তর কোরিয়ার মিসাইলটি। যদিও জাপানের কোন ক্ষতি হয়নি। জাপানের সময় সকাল ৬টা ০৬ টা নাগাদ এটি জাপান অতিক্রম করে বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর।

দেখতে গেলে পুরো বছর ধরে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে গিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন। জাতিসংঘ, আমেরিকাসহ বিশ্বের একাধিক দেশের বিরোধিতা সত্ত্বেও কোন গ্রাহ্য করেনি তারা। এমনকি আমেরিকাতে পারমাণবিক হামলারও হুমকি শোনা গিয়েছে কিমের মুখে।

একদিকে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

সমগ্র বিশ্বে তৈরি হয়েছে এক অস্বস্তির পরিবেশ। উত্তেজনার পারদ চড়ছে সব দেশের মধ্যে। এমত অবস্থায় সকলকে অগ্রাহ্য করে উত্তর কোরিয়ার আবারও এক ক্ষেপণাস্ত্র মিসাইল প্রয়োগ যে ভালো ভাবে নেবে না জাপান ও আমেরিকা তা কিন্তু বলাই যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাম রহিমের ‘আশ্রম’ বন্ধ, কর্মহীন দুই হাজার শ্রমিক

ডেরা বন্ধ হওয়ায় কাজ হারালেন বিহারের প্রায় দু’হাজার মানুষ। ডেরা সচ্চা সৌদার সিরসা ও হিসার-সহ বেশ কয়েকটি আশ্রম বন্ধ।
প্রশাসন ডেরার বাসিন্দাদের বের করে দিচ্ছেন আশ্রম থেকে। এর ফলে ভারতের ভাগলপুরের নাথনগর থানা এলাকার গোঁসাইদাসপুর ও সংলগ্ন গ্রামগুলির বাসিন্দা, ওই সব কর্মীরা এখন ঘরে ফিরে আসছেন। বাড়ির পথে কেউ রয়েছেন ট্রেনে, কেউ দিল্লি স্টেশনে, কেউ বা এখনও আশায় আশায় রয়ে গিয়েছেন সিরসাতেই। সকলের পরিবারই চিন্তিত। তাঁরা নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ করছেন কর্মহারা স্বজনদের সঙ্গে।

ভারতের গোঁসাইদাসপুরের বাসিন্দা মলয় পাশোয়ান কাজের খোঁজে প্রায় ১৮ বছর আগে দিল্লি যান। সেখানে তেমন কোন কাজ না পেয়ে এক সঙ্গীর সঙ্গে হরিয়ানার সিরসায় পৌঁছন। সেখানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতে করতেই ডেরার সদস্যদের সংস্পর্শে আসেন। কাজ জুটিয়ে নেন সিরসার আশ্রমে। থাকা ও খাওয়ার পাশপাশি মাসিক ৮ হাজার টাকা বেতন। ছ’মাসে এক বার গ্রামেও আসতেন মলয়। এর পরে কার্যত মলয়ের হাত ধরেই হরিয়ানার সিরসা এবং হিসারের আশ্রমে গোঁসাইদাসপুরের লোকেরা পৌঁছতে শুরু করেন কাজের খোঁজে। বিশাল আশ্রমে কাজও জুটে যায়। চাষ-আবাদ, গো-পালন ইত্যাদি নানা কাজের দায়িত্বে গত বেশ কয়েক বছর ধরে বহাল তাঁরা। প্রায় দশ হাজার জনবসতির গোঁসাইদাসপুর ও আশপাশের হাজার দু’য়েক লোক কাজ করেন ডেরার বিভিন্ন আশ্রমে। সূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার ছারিয়া খাতুনের মৃত্যু

কাজী জামালউদ্দীন মামুন : সাতক্ষীরার সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার মিসেস ছারিয়া খানম(৭০) আজ দুপুর ১:৩০টায় ঢাকাস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে……..রাজেউন)। তার লাশ আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে নিজ জেলা সাতক্ষীরায় আনা হবে।

বিস্তারিত আসছে………

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জ্বর থাকায় মুক্তামণির আংশিক অস্ত্রোপচার

মুক্তামণির হাতে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে তার অস্ত্রোপচার হয়। তবে মুক্তামণির গায়ে জ্বর থাকায় আজ আংশিক অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

পরে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন বলেন, অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়ার পর মুক্তামণির গায়ে জ্বর দেখা যায়। তাই আজ আংশিক অপারেশন হয়েছে। ঈদের পর আবার অপারেশনের তারিখ ফেলা হবে।

অপারেশনের পর মুক্তামণি ভালো আছে। তার জ্ঞান ফিরেছে। সে এখন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছে। খুব দ্রুত তাকে কেবিনে নেওয়া হবে বলেও জানান সামন্ত লাল সেন।

মুক্তামণি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি। রক্তনালির টিউমারে আক্রান্ত মুক্তামণির হাতে প্রথম দফায় অস্ত্রোপচার হয় ১২ আগস্ট। ওই সময় মুক্তামণির ডান হাত থেকে প্রায় তিন কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ করেন চিকিৎসকেরা। আরও কয়েকটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে বলে জানান তাঁরা।

সাতক্ষীরায় জন্মের দেড় বছর বয়স থেকে মুক্তামণির ডান হাতের সমস্যার শুরু। প্রথমে হাতে টিউমারের মতো হয়। ছয় বছর বয়স পর্যন্ত টিউমারটি তেমন বড় হয়নি। কিন্তু পরে তার ডান হাত ফুলে অনেকটা কোলবালিশের মতো হয়ে যায়। সে বিছানাবন্দী হয়ে পড়ে। মুক্তামণির রোগ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। গত ১১ জুলাই মুক্তামণিকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তামণির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতির বিচার ও পদত্যাগের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষনার রায় এবং সংরক্ষিত নারী সাংসদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রধান বিচারপতি এস.কে সিনহার বিচার ও পদত্যাগের দাবীতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালিত হয়। জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. ফরিদা আক্তার বানুর সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের নির্বাহি সদস্য, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদিকা ও মহিলা কাউন্সিলর জোছনা আরা, সহ-সভাপতি মমতাজুর রহমান ঝরনা, হালিমা খাতুন, যুগ্ন সম্পাদিকা লায়লা পারভিন সেজুতি, রোকসানা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদিকা রওশন আরা রুবি, শাকিলা ইসলাম জুই, সোনিয়া পরভীন, প্রচার সম্পাদিকা সালেহা আক্তার, দপ্তর সম্পাদিকা তাহমিনা খাতুন প্রমুখ।
বক্তারা এ সময়, ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষনার রায় এবং সংরক্ষিত নারী সাংসদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রধান বিচারপতি এস.কে সিনহার বিচার ও পদত্যাগের দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় শিশু হাসমি হত্যা মামলায় মাসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

খুলনায় চাঞ্চল্যকর শিশু হাসমি মিয়া (৯) হত্যা মামলায় শিশুটির মাসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার বেলা ১১টার দিকে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোসাম্মাৎ দিলরুবা সুলতানা এ রায় দেন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শিশু হাসমির মা সোনিয়া আক্তার, মো. নুরুন্নবী, মো. রসুল এবং মো. হাফিজুর রহমান। এই মামলার অপর আসামি রাব্বি সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মায়ের সঙ্গে অন্যকে অনৈতিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় দেখে ফেলায় আড়ংঘাটা থানা এলাকার সরদারডাঙ্গা শহিদ হাতেম আহম্মেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হাসমি মিয়াকে (৯) খুন করা হয়। মা সোনিয়া বেগমের সামনেই শিশুটিকে নৃশংসভাবে খুন করে তিন ঘাতক।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালে মানিকতলার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খানের মেয়ে সোনিয়ার সঙ্গে মো. হাফিজুর রহমানের বিয়ে হয়। এর ৬ মাস পর হাফিজুর রহমান বিদেশে চলে যান। স্বামীর অনুপস্থিতিতে সোনিয়ার চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল হতে থাকে। তিনি একাধিক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। দেশে আসার পর বিষয়টি জানতে পারেন স্বামী হাফিজুর রহমান। এরপর তিনি স্ত্রীকে শোধরানোর চেষ্টা করেন কিন্তু ব্যর্থ হয়ে তালাক দেন স্ত্রীকে। হাসমি থেকে যায় বাবা সঙ্গে। হাসমিকে তার বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে আনার জন্য নুরুন্নবী ও রসুলের সাথে ৫০০ টাকা ও অনৈতিক কাজের চুক্তি হয় সোনিয়ার।

২০১৬ সালের ৬ জুন রাত পৌনে ৯টার দিকে শিশু হাসমিকে অপহরণ নিয়ে করে তার মায়ের কাছে নিয়ে আসা হয়। এরপর চুক্তি অনুযায়ী সরদার ডাঙ্গা বাগানের (বাঁশ ঝাড়) মধ্যে পালাক্রমে অপহরণকারীরা সোনিয়ার সঙ্গে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়। এ সময় শিশু হাসমি ঘটনা দেখে তার মাকে বলে ‘মা’ তুমি কি করতেছো আমি বাবাকে বলে দেব। এ ঘটনা বাইরে ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে পাষন্ডরা মা সোনিয়ার সামনেই শিশু হাসমিকে মুখ চেপে ধরে গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ গুমের জন্য ওই রাতেই সিমেন্টের বস্তায় ভরে খুলনা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সরদার ডাঙ্গা বিলের মধ্যে ফেলে দেয়া হয়। এরপর ৯ জুন সকালে খুলনা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সরদারডাঙ্গা বিলের মধ্যে থেকে সিমেন্টের বস্তাবন্দি অবস্থায় হাসমির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সেদিনই হাসমির বাবা মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মো. নুরুন্নবী, হাফিজুর রহমান, মো. রসুলের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনের বিরুদ্ধে অপহরণের পর হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা আড়ংঘাটা থানা পুলিশের এসআই মো. মিজানুর রহমান একই বছরের ৩০ জুন এজাহারভুক্ত হাফিজুর রহমান ও আসাদ ফকিরকে বাদ দিয়ে সোনিয়া আক্তার, মো. নুরুন্নবী ও মো. রসুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই চার্জশিটের বিরুদ্ধে বাদীর নারাজি আবেদনের পর পুনরায় তদন্ত শেষে সিআইডির পরিদর্শক মিঠু রানী দাসি একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চার্জশিট গৃহীত হওয়ার পর মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করা হয়। ২ এপ্রিল অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে এ মামলার চার্জশিটভুক্ত দুইজন আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। অভিযোগ গঠন হওয়া পাঁচজন আসামি হলেন- সোনিয়া আক্তার, মো. নুরুন্নবী, মো. রসুল, মো. হাফিজুর রহমান, ও রাব্বি সরদার। এছাড়া অব্যাহতি পাওয়া দুজন হলেন মো. জসিম খান ও মো. আসাদ ফকির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতির বিচার ও পদত্যাগের দাবিতে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক : ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায় এবং সংরক্ষিত সংসাদের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিচার ও পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধব অনুষ্ঠিত হয়। জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভানেত্রী এড. ফরিদা আক্তার বিউটির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জোসনা আরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের লায়লা পারভীন সেজুতি, মমতাজুন নাহার ঝরণা, তহমিনা ইসলাম মনি, সালেহা আক্তার, শাকিলা ইসলাম জুই, রওশন আরা রুবিসহ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের নের্তৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করে তারা পাকিস্তানের গুপ্তচর। যারা বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে অবমাননা করে তাদের এ দেশে থাকার অধিকার নেই। যারা নারীদের অবজ্ঞা করে তারা আর যাই হোক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে না। এসময় অবিলম্বে বিচারপ্রতি সুরেন্দ্র সিনহার পদত্যগ ও বিচার দাবি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest