সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরাসাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুWie man bei Cipherwins Casino sicher ein- und auszahltনির্বাচনীয় জনসভায় বক্তব্য চলাকালিন সময় হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি প্রকল্প পরিদর্শণে জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বাস শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারে নগদ অর্থ সহায়তা

জীবন ও জীবিকার তাগিদে গাছের বিকল্প নেই – মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি

রাজিবুল ইসলাম : সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘গাছ মানুষের চির সাথি। ছোট একটি চারা গাছ আগামি দিনের সম্পদ। জীবন ও জীবিকার তাগিদে গাছের কোন বিকল্প নেই।’ মঙ্গলবার সকালে কলারোয়ায় ফলদ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে র‌্যালি ও সেমিনারের আয়োজন করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কলারোয়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা। আলোচনা অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ ফারুক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা.এএসএম আতিকুজ্জামান, কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মহাসীন আলী। অনুষ্ঠানে কয়েকজন কৃষক-কৃষাণীসহ সুধিজনদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে অতিথিরা ফলদ বৃক্ষ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা টেক্সি, অটোরিক্সা, অটোটেম্পু, মিশুক, বেবীটেক্সি, টেক্সিকার মালিক সমিতির সেমাই-চিনি বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা টেক্সি, অটোরিক্সা, অটোটেম্পু, মিশুক, বেবীটেক্সি, টেক্সিকার মালিক সমিতির উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সেমাই, চিনি ও লাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে খুলনা রোড মোড় সংলগ্ন সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে জেলা টেক্সি, অটোরিক্সা, অটোটেম্পু, মিশুক, বেবীটেক্সি, টেক্সিকার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. গাউস আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এম.এ খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ সরদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন সানাউল্লাহ বাবু, শহিদুল ইসলাম, মো. সেলিম গাজী, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, রকিব মোল্যা, মনিরুজ্জামান বাসারসহ সমিতির সদস্যরা। আলোচনা সভা শেষে সংগঠনের ৩০০জন সদস্যদের হাতে এ ঈদ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যমুনানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা ঈদের আগেই দিতে হবে : ডিআরইউ

ঢাকা : সাংবাদিকদের বেতন ভাতাদি পরিশোধ না করে পবিত্র ঈদুল আযহার পূর্ব মুহূর্তে চতুরতার আশ্রয় নিয়ে গত ১৩ আগস্ট, ২০১৭ যমুনা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।

ডিআরইউ মনে করে, ঈদের আগে সাংবাদিকদের পাওনাদি পরিশোধ না করার হীন মানসিকতা থেকেই প্রতিষ্ঠানটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে করে ডিআরইউ’র কার্যনির্বাহী কমিটির একজন কর্মকর্তাসহ একাধিক সদস্যকে মানবেতর জীবন যাপনের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। বিনা নোটিশে যমুনা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম বন্ধ করে দেওয়ার কর্তৃপক্ষয়ে এমন সিদ্ধান্ত শুধু গণমাধ্যম বিরোধী পদক্ষেপই নয়, এটি শ্রমিক আইন পরিপন্থীও বটে।

ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে যমুনানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের হঠকারি পদক্ষেপ থেকে সরে আসার আহবান জানান। সেই সাথে বন্ধ প্রতিষ্ঠানটি খুলে দিয়ে অর্ধ শতাধিক সাংবাদিক কর্মচারিকে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া এবং পবিত্র ঈদুল আযহার পূর্বেই তাদের বকেয়া বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করার দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, অন্যথায় উদ্ভুত পরিস্থিতির সকল দায়ভার যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা

ন্যাশনাল ডেস্ক : টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় গত শুক্রবার এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এবার তাঁর পরিচয় মিলেছে। নাম, রূপা (২৫)। পুলিশ বলছে, তাঁকে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যা করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার বাসের তিন শ্রমিক মঙ্গলবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রূপার বাড়ি সিরাজগঞ্জের তারাশ উপজেলার আসানবাড়ি গ্রামে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান্নেস্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকা আইডিয়াল ল’ কলেজে এলএলবি শেষ পর্বে পড়াশোনা করছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তিনি। তাঁর কর্মস্থল ছিল শেরপুর জেলা। পুলিশ ও ওই তরুণীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রুপা বগুড়ায় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য সন্ধ্যা সাতটার দিকে ছোঁয়া পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। রাত ১০টা পর্যন্ত রূপার সঙ্গে তাঁর বড় ভাই হাফিজুর রহমান প্রামাণিকের মুঠোফোনে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু এর পর থেকে রূপার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানান হাফিজুর। পরের দিন শনিবার কোনো খোঁজ না পেয়ে হাফিজুর ময়মনসিংহ যান এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
অন্যদিকে শুক্রবার রাতে পুলিশ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চল থেকে এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার করে। শনিবার টাঙ্গাইলে ময়নাতদন্ত শেষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয় লাশ হিসেবে তা দাফন করা হয়। ওই দিনই পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাফিজুর সোমবার রাতে মধুপুর থানায় যান। সেখানে লাশের ছবি দেখে তা বোন রূপার বলে শনাক্ত করেন তিনি।
শুক্রবার রাতে ছোঁয়া পরিবহনের যে বাস বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ গিয়েছিল, সেই একই বাস সোমবার মধুপুর অতিক্রম করার সময় পুলিশ আটকায়। এরপর ওই বাসের চালক হাবিব (৪৫), সুপারভাইজার সফেদ আলি (৫৫) এবং বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসের তিন সহকারী রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে, ওই দিন বাসে রূপাসহ ছয় থেকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। অন্য যাত্রীরা সিরাজগঞ্জ মোড় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় রূপা একাই বাসে ছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাছাকাছি এলে বাসের সহকারী শামীম জোর করে রূপাকে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যায়। এ সময় রূপা তাঁর কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা ও মুঠোফোন শামীমকে দিয়ে দেন এবং ক্ষতি না করতে অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাঁকে ধর্ষণ করে। রূপা চিৎকার শুরু করলে ধর্ষকেরা তাঁর মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে ঘাড় মটকে রূপাকে হত্যা করা হয়। পরে মধুপুর উপজেলা সদর পেরিয়ে বন এলাকা শুরু হলে পঁচিশ মাইল এলাকার রাস্তার পাশে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া বাসের তিন সহকারী শামীম, আকরাম, ও জাহাঙ্গীরকে আজ মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে নেওয়া হয়। আকরাম ও জাহাঙ্গীরের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে। শামীমের বাড়ি মুক্তাগাছার নন্দীবাড়ি। এই তিনজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। টাঙ্গাইলের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম গোলাম কিবরিয়া জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক হাবিব ও সুপারভাইজার সফেদ আলি ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন। তাদের দাবি, তারা শুধু লাশ ফেলতে সহায়তা করেছে। তাদের আজ বুধবার আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রক্তস্বল্পতা দূর করে কচুশাক

কচুশাক আমাদের সবার কাছেই একটি অতি পরিচিত সবজি। কচুশাক কম পরিশ্রমে ও সহজে চাষ করা যায়। কচুগাছের পাতা, ডাটা, মুখী ও লতি সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। কচু শুধু পুষ্টিকর নয়, এর অনেক ঔষধী গুণও আছে। কচুশাকে ভিটামিন এ, ডি এবং প্রচুর পরিমাণে লৌহ আছে। যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী।
আসুন জেনে নেই কচুর গুনাগুন সম্পর্কে–

– রক্তস্বল্পতা দূর করেঃ
রক্তস্বল্পতা দূর করতে পারে কচুরশাক ও সবুজ শাকসবজি। দেহে ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রনের ঘাটতি দূর করে রক্তস্বল্পতা থেকে পরিত্রাণ দেয় কচু শাক। বিশেষ করে কচুশাকএক্ষেত্রে খুবই কার্যকর।

– আয়রনের চাহিদা পূরণ করেঃ
কচুশাকে আছে নানা রকমের ভিটামিন যা গর্ভবর্তী মা ও শিশুর জন্ম ধারণের জন্য উপকারী। কচু দামেও বেশ সস্তা, তাই দরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী মহিলারা ভিটামিন ও আয়রনের চাহিদা পূরণের জন্য কচুশাক খেতে পারেন।

– রাতকানা প্রতিরোধ করেঃ
কচুর শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ,বি,সি,ক্যালসিয়াম ও লৌহ। ভিটামিন এ জাতীয় খাদ্য রাতকানা প্রতিরোধ করে আর ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ছোট বেলা থেকেই কচুর শাক খাওয়ানো উচিত।

– হজম শক্তির উন্নতি করেঃ
কচুতে আছে প্রচুর ফাইবার, ফোলেট ও থায়ামিন যা মানব শরীরের জন্য অনেক দরকারি উপাদান। কচুর শাকে পর্যাপ্ত পরিমানে আঁশ থাকে যা হজমে সহায়তা করে। নিয়মিত কচুশাক খেলেও কোলন ক্যান্সার ও ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

– হাড় ও দাঁত গঠনেঃ
কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। দাঁত ও হাড় গঠনে ও ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে এসব উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেঙ্গু নিরাময়ে পেঁপে পাতা!

ডেঙ্গু জ্বর হল ভাইরাসজনিত এক ধরনের তীব্র জ্বর। এ জ্বরের বাহক এডিস মশা। এডিস মশা ডেঙ্গুর জীবাণু বহন করে থাকে। জীবাণু বহনকারী এডিস মশা কাউকে কামড়ালেই ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। এ জ্বর হলে প্রাথমিক পরিচর্চা হিসেবে দ্রুত জ্বর কমানো জরুরি।

তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পেঁপে পাতার রস কার্যকরী ভূমিকা পালন করে বলে জানা যায়। স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে পেঁপের পরিচিতি বেশ আগে থেকেই, এবার সেই তালিকায় পেঁপের পাতাও যুক্ত হল। ফ্লোরিডার গবেষক ডা. ডেঙ এবং শ্রীলংকার গবেষক ডা. সানাথ হেট্টিগ এবং এমআই কাঠিবেসান তাদের গবেষণায় দেখিয়েছেন, পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গু জ্বরে অনেকটা উপকারী ভূমিকা পালন করে।

ডেঙ্গুর ভাইরাস শরীরে যতদিন কার্যকর থাকে ততদিন পর্যন্ত শরীরে নতুন প্লেটলেট উৎপাদনের ক্ষমতা নষ্ট করে দিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণত একজন সুস্থ মানুষের রক্তের স্বাভাবিক প্লেটলেটের পরিমাণ হলো প্রতি মাইক্রো লিটারে ১৫০,০০০ থেকে ২৫০,০০০ পর্যন্ত। ডেঙ্গু হলে এই প্লেটলেটের সংখ্যা খুব দ্রুত কমে যেতে থাকে।

তার মতে, ১০০,০০০ এর নিচে প্লেটলেট লেভেল চলে আসলে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারেন। প্লেটলেট লেভেল যদি ৫০০০০ এ নেমে আসে তাহলে থ্রমবোসাইটোপেনিয়া হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় রোগীর মৃত্যু হতে পারে। তাই ডেঙ্গু হলে প্লেটলেট পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্লেটলেট খুব কমে গেলে জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত। প্লেটলেটের পরিমাণ যখন অস্বাভাবিক কমে যায় তখন রক্ত জমাট বাধতে শুরু করে এবং হ্যামোরেজিং হতে পারে। এর ফলে শরীরের অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ হয় এবং রোগীর মৃত্যু ঘটে।

পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গুর প্রতিষেধক এটা নিয়ে অনেক মানুষ দ্বিমত পোষন করেছে। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অফ ফ্লোরিডা রিসার্চ সেন্টারের গবেষক নাম ড্যাং এর মতে পেঁপে পাতার রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং তা ডেঙ্গু জ্বর খুব দ্রুত সারিয়ে তোলে। এমনকি পেঁপে পাতার রস ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। শ্রীলঙ্কার ফিজিশিয়ান ডাক্তার সানাথ হেট্টিগ এর মতে পেপে গাছের কচি পাতার রস ডেঙ্গুর ওষুধ হিসেবে খুবই উপকারী। তার এই গবেষণাটি ২০০৮ সালে শ্রীলংকান জার্নাল অফ ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানস এ প্রকাশিত হয়েছিলো।

পেঁপে পাতার রস তৈরির নিয়ম:
প্রথমে পেঁপে গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে বেটে বা ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে হবে। ছেঁকে নেয়ার পর এ রস একজন প্রাপ্তবয়স্ক রোগীকে ১০ মিলি লিটার করে ০৮ ঘণ্টা পরপর দিনে দু’বার করে খেতে দিতে হবে। ৫-১২ বছর বয়সী শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে ০৫ মিলি লিটার করে ০৮ ঘণ্টা পরপর দিনে দু’বার করে খেতে দিতে হবে।

পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের জন্য ২.৫ মিলি লিটার করে ০৮ ঘণ্টা পরপর দিনে দু’বার করে খেতে দিতে হবে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, তৈরি করা পেঁপে পাতার রসের সঙ্গে কোনো প্রকার লবণ বা চিনি মেশানো যাবে না।-সূত্রঃ টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওজন কমায় লাউয়ের জুস!

ওজন নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন। ভেবে পাচ্ছেন না কী করবেন? এখানে এমন একটি ঘরোয়া ওষুধ নিয়ে আলোচনা করা হল যা দ্রুত ওজন কমাতে আপানকে সাহায্য করতে পারে। ওজন কমানো হল সব থেকে কঠিন কাজ।

যারা বেশি করে খেতে ভালোবাসেন তাদের ক্ষেত্রে তো কাজটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ওজন কমানোটা খুবই জরুরি। না হলে যে শরীরে একের পর এক মরন ব্যাধি রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাই এখনই সাবধান হতে হবে। না হলে কিন্তু বিপদ।

প্রথমে আপনাকে খাওয়া-দাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। রোজকার ডায়েট থেকে বাদ দিতে হবে ভাজাপোড়া এবং তৈলাক্ত খাবার। সেই সঙ্গে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোনো রোগের কারণে ওজন বাড়ছে কিনা। আর যদি কোনও রোগ নয়, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য মেদবহুল হয়ে পড়ছেন, তাহলে এই ঘরোয়া ওষুধটি আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ফল পাবেন একেবারে হাতে-নাতে।

জুস বানাতে প্রয়োজন পড়বেঃ
১. লাউয়ের রস- হাফ কাপ।
২. গোলমরিচ- ১ চামচ।

কীভাবে বানাবেনঃ
১. একটা কাপে পরিমাণ মতো লাউয়ের রস এবং গোলমরিচ নিন।
২. এখন ভাল করে উপকরণ দুটি মিশিয়ে নিন।
৩. এখন আপনার ঔষধটি খাওয়ার উপযোগী।
৪. প্রতিদিন সকালের নাশতার পর এই ওষুধটি ২৫/৩০ দিন খেলেই শরীরের ওজন কমতে শুরু করবে।

এই ঘরোয়া ওষুধটি নিমেষে ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। লাউয়ের রসে ভিটামিন-সি এবং ফাইবার রয়েছে, যা হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এক কাপ লাউয়ের জুস হতে ২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি ও ১ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম জিংক পাওয়া যায়। ফলে গৃহীত খাবার চর্বিতে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগই পায় না।
অপরদিকে গোলমরিচে কেপসাইসলিন নামক একটি উপাদান রয়েছে, যা চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে খাবারগুলো আপনার চুপচাপ ক্ষতি করছে!

মাঝেমাঝে এমন কিছু খাবার আমরা খেয়ে থাকি, যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি খারাপ বার্তা নিয়ে আসে। এই ধরেন যে, দুইএকটি বিস্কুট বা একটু চিপস খেলে ক্ষুধা কমে যায়, তাহলে এসব খেলে সমস্যা কি? এই কথা ভেবে আমরা প্রায়ি এসকল অস্বাস্থ্যকর খাবার খাই। যা আমাদের স্বাস্থ্য খারাপ করে তোলে। আসুন এরকম কিছু খাবারের তালিকা নিয়ে আলোচনা করা যাক-

১. আলুর চিপস:
আলুর চিপস এ প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকে, কারণ চর্বির তেল দিয়ে এসকল চিফস ভাঁজা হয়। আবার এতে সোডিয়ামের পরিমানও অনেক বেশি পরিমানে থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপের কারণ এবং শরীরে পানির অভাবের তৈরি করে। ১০০ গ্রাম ওজনের একটি চিপসের প্যাকেটে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি থাকে। আবার, একই তেলে বারবার চিপস তৈরি করা হয় বলে, এসব খাবার অনেক অস্বাস্থ্যকর ও হয়।

২. প্যাকেটের জুস:
কোন ধরণের জুসে ফল ব্যবহার করা হয় না। কোম্পানি যতই প্রচার করুক না কেন, তারা এতে প্রচুর পরিমানে চিনি ব্যবহার করেন এবং আম, কমলা ইত্যাদি ফলের রস বলে এখানে মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করে। তাই ফলের জুস ক্রয় না করে ফল খান। এটি আপনার স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি করবে না।

৩. সফট ড্রিংকস:
এতে স্বাস্থ্যের জন্য ভাল কিছু নেই। প্রচুর পরিমানে চিনি ব্যবহার করার ফলে, আমাদের শরীরে এর খারাপ প্রভাব খুব বেশি সময় ধরে থাকে।

৪. বিস্কুট:
ছোট্ট একটি বিস্কুটের প্যাকেট আর কতই বা ক্ষতি করবে? এই চিন্তা করে আমরা অনেকে এক বেলার নাস্তায় বিস্কুটের হিসাব ঠিকই মিলিয়ে রাখি। কিন্তু বিস্কুট তৈরিতে ভাল ময়দা তৈরি করা হয় না। আবার এতেও অস্বাস্থ্যকর তেল এবং প্রচুর চিনি ব্যবহার করা হয়। তাই প্যাকেটের বিস্কুট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৫. চানাচুর, ঝালমুড়ি:
রাস্তার আসেপাসে এসব খাবারে প্রচুর পরিমানে ঝালযুক্ত করা হয়, আবার এতে তেল ও সোডিয়ামের পরিমান থাকে অনেক বেশি, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।-সূত্রঃ টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest