রাজিবুল ইসলাম : সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘গাছ মানুষের চির সাথি। ছোট একটি চারা গাছ আগামি দিনের সম্পদ। জীবন ও জীবিকার তাগিদে গাছের কোন বিকল্প নেই।’ মঙ্গলবার সকালে কলারোয়ায় ফলদ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই, দেশি ফলের গাছ লাগাই’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে র্যালি ও সেমিনারের আয়োজন করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কলারোয়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা। আলোচনা অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ ফারুক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা.এএসএম আতিকুজ্জামান, কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মহাসীন আলী। অনুষ্ঠানে কয়েকজন কৃষক-কৃষাণীসহ সুধিজনদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে অতিথিরা ফলদ বৃক্ষ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন।

শুক্রবার রাতে ছোঁয়া পরিবহনের যে বাস বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ গিয়েছিল, সেই একই বাস সোমবার মধুপুর অতিক্রম করার সময় পুলিশ আটকায়। এরপর ওই বাসের চালক হাবিব (৪৫), সুপারভাইজার সফেদ আলি (৫৫) এবং বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসের তিন সহকারী রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে, ওই দিন বাসে রূপাসহ ছয় থেকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। অন্য যাত্রীরা সিরাজগঞ্জ মোড় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় রূপা একাই বাসে ছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাছাকাছি এলে বাসের সহকারী শামীম জোর করে রূপাকে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যায়। এ সময় রূপা তাঁর কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা ও মুঠোফোন শামীমকে দিয়ে দেন এবং ক্ষতি না করতে অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাঁকে ধর্ষণ করে। রূপা চিৎকার শুরু করলে ধর্ষকেরা তাঁর মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে ঘাড় মটকে রূপাকে হত্যা করা হয়। পরে মধুপুর উপজেলা সদর পেরিয়ে বন এলাকা শুরু হলে পঁচিশ মাইল এলাকার রাস্তার পাশে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়।
