শ্যামনগরে মুক্তিপণ দিয়ে ৩ জেলের মুক্তি

শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার ৭ নং মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মিরগান ও বড়ভেটখালী গ্রামের গফুর শেখের ছেলে নুরুজ্জামান শেখ(৩৮), আকবর গাইনের ছেলে জেরে আলী গাইন(৩০), মৃত মোহাম্মাদ আলী মোড়লের ছেলে আনছার আলী মোড়ল(৬২)। সুন্দরবনে কাঁকড়া পাশ নিয়ে কাঁকড়া সংগ্রহে যায়। উক্ত তিন জেলে মাথাভাঙ্গা দায়ের গাং নামক নদী থেকে গত ৪ দিন আগে ডাকাত নূর হোসেন জিম্মি করে বেধরক মারপিট করে। মুক্তিপণ হিসাবে ১ লক্ষ টাকা দাবী করে। উক্ত তিন জেলের মধ্যে আকবর গাইনের ছেলে জেরে আলী গাইন(৩০) কে টাকা নেওয়ার জন্য বাড়ী পাঠায় দুই দিন পর নগদ ৭৭ হাজার টাকা দিয়ে গতকাল মুক্তি পায়। সুত্রে যানা যায় এলাকার কিছু মানুষ ডাকাতির ইনফর্মার হিসাবে কাজ করছে। উক্ত মুক্তিপনের টাকা এলাকার মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা করে বিকাশের মাধ্যমে প্রেরণ করে অসহায় জেলেরা মুক্তি পায়। গরীব পরিবরের মধ্যে ঋণ দেনা পরিশোধের আর্থিক কোন সংগতি না থাকায় দিশে হারা ভুক্তভোগী পরিবার। অপহরণের ঘটনা মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের কাছে যানতে চাইলে তিনি যানান কয়েকদিন আগে জেলেদেরকে অপহরণ করা হয়েছে বলে আমি যানতে পারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় পিলার প্রতারক চক্রের ৬ জনকে গ্রেফতার

তালা: সাতক্ষীরার তালা থেকে কথিত ম্যাগনেট/পিলার প্রতারক চক্রের মূলহোতা
সহ ৬ জন র‍্যাবের হাতে সোমবার গ্রেফতার হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান
চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।র‍্যাব-৬ এর ক্যাপ্টেন মো: মোজাম্মেল হোসেন খান
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো: লুতফর রহমান গাজী (৪৯), মো: মহসীন গাজী (৪৭),
আবু সাইদ (৩৮), মো: কামরল ইসলাম (৪৭), মো: রুহুল আমিন খান (৪০), ইসলাম
সরদার (৪৯)। তাদের কাছ থেকে ভারী ম্যাগনেট জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক
মূল্য অধকোটি টাকা।

প্রতারক চক্রটি এক-দেড় বছর ধরে পাইকগাছা, তালা, ডুমুরিয়া এলাকায় সক্রিয়
ছিল। এরা সাধারণ মাুনষকে লোভ-লালসা দিয়ে ফাদ পেতে অর্থ লুটে নিত। তাদের
আটকের পর তালা থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখানে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেছে, গোপন সংবাদ পেয়ে ৮ সদস্যের র‍্যাব-৬ একটি দল সোমবার সকালে
ডুমুরিয়া অভিযান চালায়। সেখানে আসামী লুতফর রহমান অতি কমমূল্যে ২ লাখ
টাকা ম্যাগনেট বিক্রির দর কষাকষি করছিল। এসময় তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং
তার দেয়া তথ্য নিয়ে তালায় অভিযান চালিয়ে অন্য আসামীদের গ্রেফতার করা হয়।

তালা থানার অফিসার ইনচার্স মো: হাসান হাফিজুর রহমান (ওসি) এবিষয় নিশ্চিত
করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্তে মেসি-রোনালদো-নেইমার

ফিফার বর্ষসেরার পর ২০১৭ ব্যালন ডি’অরের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন লিওনেল মেসি, নেইমার এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সোমবার ছয় ভাগে ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে ফ্রান্স ফুটবল।

২০১০ সাল থেকে ফিফা বর্ষসেরা পুরস্কার ও ফ্রান্স ফুটবলের ব্যালন ডি’অর একীভূত হয়ে ২০১৫ পর্যন্ত ফিফা ব্যালন ডি’অর নামে চালু ছিল। তবে ২০১৬ সাল থেকে ফিফা ও ব্যালন ডি’অর আলাদাভাবে পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।

গত ৯ বছরে বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার মেসি ও রোনালদো ছাড়া জিততে পারেননি আর কেউ। বছর জুড়ে সাফল্যের নিরিখে ব্যালন ডি’অর জয়ে এবার পর্তুগিজ অধিনায়কের সম্ভাবনা বেশ জোরাল। জিতলে সবচেয়ে বেশি পাঁচবার বর্ষসেরা হওয়ার মেসির রেকর্ড স্পর্শ করবেন রোনালদো।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগা জিতেছেন রোনালদো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে নকআউট পর্বে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার কীর্তিও গড়েন সিআর সেভেন।

শিরোপা জয়ে বার্সেলোনা পিছিয়ে থাকলেও ব্যক্তিগত সাফল্যে বেশ এগিয়ে মেসি। ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারে ৫০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন গত বছরই। কাতালান ক্লাবটির সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন এমএল টেন।

পরিসংখ্যানে পিছিয়ে থাকলেও সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন নেইমার। তবে বার্সেলোনার হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোয় তার পারফরম্যান্স ছিল চমৎকার। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে পিএসজির কাছে ৪-০ গোলে হারের পর ফিরতি পর্বে কাতালান ক্লাবটির ৬-১ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ের আসল নায়ক ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান।

তিন তারকা ছাড়াও সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন জুভেন্টাসের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড পাওলো দিবালা, অভিজ্ঞ গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন, বার্সেলোনার উরুগুয়ে তারকা লুইস সুয়ারেজ, রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক সার্জিও রামোস, ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ ও ইসকো, বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ স্ট্রাইকার রবের্তো লেভানডোভস্কি ও টটেনহ্যাম হটস্পারের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন।

উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে আরও রয়েছেন, মার্সেলো, কৌতিনহো, টনি ক্রুস, সাদিও মানে, রাদামেল ফ্যালকাও, গ্রিজম্যান, এডিন জোকো, ডেভিড ডি গিয়া, ডেরিস মার্টেস, কেভিন ডি ব্রুইন, ইয়ান ও’ব্লাক ও কান্তে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকাশ পেল ‘পদ্মাবতী’র ট্রেলার

সঞ্জয় লীলা বানসালির ছবি মানেই চমক। আর তাই ‘পদ্মাবতী’ ছবির ট্রেলারের অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন ভক্তরা। অবশেষে প্রকাশ পেল বহু প্রতীক্ষিত ‘পদ্মাবতী’র ট্রেলার। সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য আজও সকালেই ঘোষণা দিয়ে দেয়া হয়েছিল যে দুপুরে পদ্মাবতীর ট্রেলার প্রকাশ পাবে। তখন থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনা কল্পনা।

ভারতের সময় দুপুর ১৩.০৩ মিনিট অর্থাৎ ০১.০৩ মিনিটে ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। আর এই বিশেষ সময়ের পেছনেও আছে ইতিহাস। আট মাসের চেষ্টা পর ১৩০৩ সালে দিল্লির সুলতান চিতোরের দুর্গ জয় দখল করেন। আর তাই ১৩০৩ সালের সঙ্গে সময়ের মিল রেখে ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে।

ঐতিহাসিক এই কাহিনীর ওপরই নির্মিত হয়েছে সঞ্জয় লীলা বানসালির ছবি ‘পদ্মাবতী’। চিতোরের রানি পদ্মাবতীর রূপের কথা শুনে তাঁকে দেখতে দিল্লি থেকে মেবারে এসেছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি। সেখানে গিয়ে সুরক্ষিত দুর্গ দেখতে পেয়ে পদ্মাবতীর স্বামী রানা রাওয়াল রতন সিংকে খবর পাঠালেন যে তিনি পদ্মাবতীকে একবার দেখতে চান। আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে বাঁচতে রতন সিং এই আবদারে রাজি হলেন এবং স্ত্রীকে জানালেন। পদ্মাবতী জানালেন তিনি দেখা দিবেন। কিন্তু সরাসরি নয়, তাঁকে দেখতে হবে আয়নার প্রতিবিম্বের মাধ্যমে। রানীর রূপ মাত্র এক ঝলক দেখে প্রেমে পাগল হয়ে যান আলাউদ্দিন খিলজি এবং যে কোনো মূল্যে পদ্মাবতীকে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। পদ্মাবতীর শেষ পরিণতি ঘটে জীবন্ত অগ্নিকুণ্ডে ঝাপ দিয়ে আত্মাহুতির মাধ্যমে।

‘পদ্মাবতী’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা বনসালি। ‘পদ্মাবতী’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকন। ‘পদ্মাবতী’র স্বামী রানা রাওয়াল রতন সিং এর ভূমিকায় আছেন শহীদ কাপুর এবং সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীর সিং কে। ছবিটি ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতির কারণে মানুষ কষ্টে আছে -রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দুর্নীতির কারণে মানুষ কষ্টে আছে। দুর্নীতি দূর করা না গেলে মানুষের দুর্ভোগ কমার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতি দূর করতে হবে।
সোমবার কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বাজিতপুর কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। কারণ, আজকের ছাত্রছাত্রীরাই কিছুদিন পর দেশ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে যাবে।
রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলো, অথচ শিক্ষায় এগোনো গেল না, তাহলে সবকিছু ভেস্তে যাবে। মনে রাখতে হবে, তোমাদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। হতে হবে বিশ্ব নাগরিক। সব সময় জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে নিতে হবে। সেই কাজটি হবে তোমাদের হাত ধরে।
রাষ্ট্রপতি নিজের রাজনীতি সম্পর্কে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেন, ‘ছয় দশক ধরে রাজনীতি করছি। রাজনীতির মধ্যে দিয়েই বড় হয়েছি। তবে এখন আর রাজনীতি করি না। রাজনীতি করার সুযোগও নেই। আমার কাছে সব দলের নেতা-কর্মীরা আসবেÑ এটাই স্বাভাবিক।’
স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি হাওরের মানুষ। এখন বঙ্গভবনে আরাম-আয়েশে আছি। তবে যেভাবে থাকি না কেন, হাওরের বাতাসের স্পর্শ টের পাই। সব সময় হাওরের টান অনুভব করি। হাওর সত্যিই অবহেলিত জনপদ। এখানে কখনো পাকা সড়ক হবে কেউ ভাবতেও পারেনি। তবে এখন হচ্ছে। অষ্টগ্রাম থেকে বাজিতপুরের দীঘিরপাড় পর্যন্ত ডুবো সড়ক হাওরের মানুষের যোগাযোগে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট ক্রিকেট কী, দেখাচ্ছে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক : টেস্ট ক্রিকেট যেন সবটুকু জৌলুশ নিয়ে হাজির হয়েছে দুবাইয়ে। ৩১৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ৫২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলল পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার জয়ের ব্যবধান দুই শ নাকি দেড় শ হয়, সেটা জানার অপেক্ষা চলছিল। কিন্তু এরপরই যেন অহংবোধ জেগে উঠল পাকিস্তানিদের। দুর্দান্ত এক লড়াকু জুটিতে উল্টো জয়ের পথে ‘স্বাগতিক’ পাকিস্তান! চতুর্থ দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান পাকিস্তানের।

দিনের শুরুতে পিছিয়ে ছিল পাকিস্তানই। ৩৪ রানে ৫ উইকেট হারালেও শ্রীলঙ্কা যে প্রথম ইনিংসেই পেয়েছিল ২২০ রানের লিড। নিরোশান ডিকভেলা (২১)ও রঙ্গনা হেরাথের (১৭) দুটো ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে সে লিড তিন শ ছাড়ায়। এক ওভারের স্পেলে হারিস সোহেল ১ রানে তিন উইকেট নিয়ে ৯৬ রানে শেষ করে দেন শ্রীলঙ্কাকে।
জবাবে পাকিস্তানের শুরুটা হয়েছিল পরিচিত ঢঙে। ৫ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলটি দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে ৩১ রান পরে। ৩ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে ৫২/৫ পরিণত হয় পাকিস্তান। ডিনার বিরতিতে (দিবা রাত্রির টেস্ট বলে কথা!) যাওয়ার সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ৬২ রান। তখন ম্যাচের ফলাফলটা নির্দ্বিধায় বলে দেওয়া যাচ্ছিল—‘এ ম্যাচ হারছে পাকিস্তান’।
কিন্তু আসাদ শফিক (৮৬*) ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (৫৭*) ভাবলেন অন্য কিছু। শ্রীলঙ্কান বোলারদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে দুজনে কাটিয়ে দিলেন ৪০ ওভার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এ সময়ে ১৪৬ রান যোগ করেছেন দুজন। প্রায় অবিশ্বাস্য মনে হওয়া জয়কেও নিয়ে এসেছেন মাত্র ১১৯ রান দূরত্বে।
সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাই ৩৪ সন্তানের বাবা তিনি!

সিনেমার ভিকি ডোনারকে মনে আছে?‌ শুক্রাণু দান করার বিষয়টি পরিচিত হয় সেই সিনেমার পর থেকেই। যদিও বেশ কিছু দেশে স্বল্প পরিসরে এই প্রথা চলছে।
আর সে ক্ষেত্রেই রেকর্ড করেছেন এক ব্রিটিশ বাসিন্দা।

হিসাব করে দেখা গেছে, এখনও পর্যন্ত মোট ৩৪টি শিশুর জন্ম হয়েছে তার শুক্রাণুতে। মানে, এখনও পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে তিনি ৩৪ সন্তানের বাবা। শুধু দাবি নয়, এর হিসাব আছে খাতায় কলমে। এই তালিকায় এর থাকা পরের জনের শুক্রাণুতে জন্ম হয়েছ ৩১টি শিশুর। এছাড়াও, সারা ইংল্যান্ডে এমন ৬৬৭ জন দাতা রয়েছেন, যাদের শুক্রাণুতে গড়ে ১০টি করে শিশুর জন্ম হয়েছে।

ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বহু দেশেই অসংখ্য স্পার্ম ব্যাঙ্কও তৈরি হয়েছে এখন। এমনকি ২০০৫ সাল থেকে ব্রিটেনে চালু হয়েছে নতুন আইনও। যেখানে বলা হয়েছ, দান করা শুক্রাণুতে জন্ম নেওয়া সন্তানেরা প্রাপ্তবয়স্ক হলেই তাদের বাবার নাম জানতে পারবেন। আর দাতার রেকর্ড নিয়েও আছে অবাক করে দেওয়া তথ্য। কয়েকদিন আগেই এক ব্রিটিশ দাবি করেছিলেন, ২০০০ সাল থেকে তার দান করা শুক্রাণুতে এখনও পর্যন্ত জন্ম হয়েছে ৮০০ শিশুর। সূত্র: আজকাল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের রাজনীতি; সহসম্পাদক পদে নাম চেয়েছেন কাদের

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলনের এক বছর পূরণ হবে আগামী ২৩ অক্টোবর। কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে দলের উপকমিটির সহসম্পাদকের নাম ঘোষণা করার কথা থাকলেও নানা কারণে তা হয়নি।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার জট খুলছে খুব শিগগিরই। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় উপকমিটির গুরুত্বপূর্ণ ‘সহসম্পাদক’ পদে নাম মনোনীত করা হচ্ছে। এ পদ পূরণে দলের সাংগঠনিক ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যের কাছে সাবেক ছাত্রনেতাদের নাম চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সূত্র জানায়, গত শনিবার বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনির্ধারিত এক বৈঠকে তিনি নাম চেয়েছেন। গত কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে খেয়াল-খুশি মতো ঢালাওভাবে সহসম্পাদক নিয়োগের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাই এবার ব্যাপক যাচাই-বাছাই করেই মনোনীত করা হচ্ছে। শনিবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, এনামুল হক শামীমসহ বেশ কয়েকজন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সহসম্পাদক পদ পূরণের জন্য নামের তালিকা চান। সূত্র জানিয়েছে, ওই তালিকা দ্রুত সময়ের মধ্যেই জমা দিতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রে জমা পড়া নামগুলো এবং যাদের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য করা হবে তাদের কাজ করতে বলা হবে। তিন মাস তারা বিশেষ পর্যবেক্ষণে থাকবেন। তিন মাস তারা সন্তোষজনক কাজ করলে পরবর্তীতে তাদের সহসম্পাদক মনোনীত করে চিঠি ইস্যু করা হবে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫ অনুচ্ছেদের ‘চ’ ধারায় (বিভাগীয় উপকমিটি গঠন) বলা হয়েছে, প্রত্যেক সম্পাদকীয় বিভাগের কার্যক্রম অধিকতর গতিশীল ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি সম্পাদকীয় বিভাগে একটি করে উপকমিটি গঠন করবে এবং তা গঠিত হবে ১ জন চেয়ারম্যান, ১ জন সম্পাদক, অনূর্ধ্ব ৫ জন সহসম্পাদক, প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ সদস্য, সংশ্লিষ্ট সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্যের সমন্বয়ে।

সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্রের আলোকে এবার সর্বোচ্চ ৯৫ জন সহসম্পাদক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সূত্র জানায়, ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে প্রথমবারের মতো দলের গঠনতন্ত্রে সহসম্পাদক পদ সংযোজন করা হয়। পরবর্তীতে ৯৫ জন সহসম্পাদক নিয়োগ করা হয়েছিল। তাদের অনেকেই এখন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এরপর ২০০৯ সালের ২৪ জুলাইয়ের কাউন্সিলে কোনো সহসম্পাদক নিয়োগ করা হয়নি। সর্বশেষ ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর কাউন্সিলের পর কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার সঙ্গে ৬৬ জন সহসম্পাদকের নামও ঘোষণা করা হয়। এসব সহসম্পাদক নিয়োগ দিয়েছিলেন দলের সভাপতি নিজে। পরে তা বেড়ে ৬০০ ছাড়িয়ে যায়। কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদকদের দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে সম্প্রতি এক বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে তিনজন করে সহসম্পাদক সংযুক্ত থাকবেন। এ বিষয়ে আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রচার এবং দফতর এ দুটি বিভাগে ৫ জন করে থাকবেন। তথ্য-গবেষণায় চারজন থাকবেন। এভাবে আমরা চিন্তা-ভাবনা করেছি। ওই আলোকে আমরা পরবর্তী মিটিংয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করব। হয়তো সেক্ষেত্রে আরও একটি মিটিং করে চূড়ান্ত করা হবে। এরপর আমরা আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশ করব। শনিবারের বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আমরা তো পুরনোদের চিনি। এবার নতুনদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছি। এখানে আমাদের একটা ক্যাটাগরি আছে। যারা অন্যান্য শাখা বা কমিটিতে আছেন, তারা কিন্তু উপকমিটিতে সহসম্পাদক পদে থাকতে পারবেন না। তবে সদস্য (কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য) থাকতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, সহসম্পাদক হবেন মোট ৯৫ জনের মতো।

সহসম্পাদক পদপ্রত্যাশীরা প্রতিদিন ধরনা দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির কার্যালয়ে। একেকবার গুজব শোনেন আর আশায় বুক বাঁধেন তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর তালিকা ঘোষণা করা হয় না। এ নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা বলেন, ছাত্রলীগ ছেড়েছি ১০ বছরের বেশি। একটা স্বতন্ত্র পেশায় আছি। এলাকায় সবাই জানে রাজনীতি করি। যখনই এলাকায় যাই, শুভাকাঙ্ক্ষীরা জিজ্ঞেস করে কোন পদে আছি, কিছু বলতে পারি না, বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest