সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

আশাশুনিতে প্রাইমারি স্কুলে দপ্তরী নিয়োগে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে নিয়োগের বিপরীতে প্রার্থীদের কাছ থেকে মাথা প্রতি ছয় লাখ টাকা থেকে আট লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। এই হিসাবে কম বেশি আড়াই কোটি টাকার বাণিজ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বুধবার উপজেলার ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট ২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হবে। এরই মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়োগের কথা বলে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে আগাম টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একজন প্রার্থী হাবিবুল্লাহ গাজি জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেছেন। এতে তিনি নিয়োগে চরম দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ সত্য হলে নিয়োগও বাতিল করা হবে।
এদিকে ভুক্তভোগী প্রার্থীরা জানান, নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসাদুল ইসলাম, পাইথলি সরকারি প্রাথমিকে গোপাল চন্দ্র গুহ, উত্তর চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাইফুল্লাহ গাজি, মধ্যম চাপড়ায় আবদুর রাজ্জাক, হাজিপুর সরকারি প্রাথমিকে সেলিম বৈদ্যকে নিয়োগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা জানান, এসব প্রার্থীর কাছ থেকে আগাম টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারী অন্য পরীক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে ফিরে এসেছেন।
হাজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরির জন্য আবেদনকারী হাজিপুর গ্রামের তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তিনিসহ পাঁচজন প্রার্থী পরীক্ষায় হাজির হন। অথচ তারা নিশ্চিত হন যে, আগেই অন্য প্রার্থী সেলিম বৈদ্যের কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নিয়ে তার নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় রাউতাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শীতলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাইথলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ে মাত্র একজন করে প্রার্থী হাজির হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব প্রার্থী আগাম টাকা দিয়ে আগে থেকেই নিশ্চিত হন যে চাকরি তারই হবে। ফলে পরীক্ষায় অন্য প্রার্থীরা হাজির হননি। তবে এই পরীক্ষা বাতিল করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
জানা গেছ নিয়োগ বোর্ডের প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা। এই বোর্ডের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছা. শামসুন্নাহার খাতুন। এ ছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. আফম রুহুল হক এর প্রতিনিধি শম্ভুজিত মন্ডল ও আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিমের প্রতিনিধি বুদ্ধদেব সরকার এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিয়োগ কমিটির সদস্য।
নিয়োগে দুর্নীতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কমিটি প্রধান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা বলেন, কোন কোন বিদ্যালয়ে একজন করে প্রার্থী হাজির হয়েছেন তা এই মুহুর্তে বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়ম নীতির মধ্যে থেকেই নিয়োগ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। কোনো ধরনের দুর্নীতির সুযোগ নেই।
জানতে চাইলে নিয়োগ বোর্ডর সদস্য সচিব উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোছা. শামসুন্নাহার বলেন, শীতলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাউতাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উত্তর চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে প্রার্থী হাজির হন। এই পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবেন কমিটি প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
তিনি জানান, চাকুরি দিতে আগাম কেউ কারও কাছ থেকে কোনো টাকা গ্রহণ করেছেন কিনা তা তার জানা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় সাতক্ষীরার বর্ষীয়ান আ ‘লীগ নেতা রুহুল আমিন কন্ট্রাক্টরের দাফন সম্পন্ন

শেখ তহিদুর রহমান : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের এমপিসংসদ সদস্য সাতক্ষীরা মহিলা আ ‘লীগের সভানেত্রী মিসেস রিফাত আমিনের স্বামী রুহুল আমিন কন্ট্রাক্টার ইন্তেকাল করেছেন( ইন্নানিল্লাহে … রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। মরহুম রুহুল আমিন স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন। বেশ কিছুদিন যাবত তিনি অসুস্থ ছিলেন। তার এক ছেলে কানাডা ও এক মেয়ে আমেরিকাতে থাকেন।
বুধবার সকাল ১০ টার দিকে ঢাকার ন্যাম ভবনের (এমপি হোস্টেল ) বাসায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকায় ন্যাম ভবনে স্ত্রী রিফাত আমিন এমপির সাথেই তিনি থাকতেন। সেখানেই বুধবার সকালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ন্যাম ভবনের সামনে বুধবার বেলা ৩ টায় জানাযার নামাজ শেষে তাকে ঢাকার বছিলা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার যথেষ্ট অবদান ছিল। ষাটের দশক থেকে টানা আশির দশক পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যতো কেন্দ্রীয় নেতা সাতক্ষীরাতে সফর করেছেন তাদের যাবতীয় আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করতেন রুহুল আমিন। সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংগগ্ন বিশাল বাড়িতে এক সময় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মিলন মেলা বসত। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তার বাড়িটি রাজাকাররা জবরদখল করে নিয়েছিল।

মরহুম রুহুল আমিন একাধিকবার সাতক্ষীরার আশাশুনি(তৎকালীন) আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে লড়েছিলেন। কিন্তু জয়লাভ করতে পারেননি। আশাশুনির কাটাখালি গ্রামে তার জম্ম। তিনি সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক বার সহ-সভাপতি ছিলেন এব একজন প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদারও ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের ছুটিতে সাতক্ষীরার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল

আসাদুজ্জামান : ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে কে না ভাল বাসেন। আর তাই ঈদের ছুটিতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নেমে আসে। ঈদ উপলক্ষে সাজানো হয় বিনোদন কেন্দ্র গুলো অপরুপ সৌন্দর্যে। সাতক্ষীরার মানুষের আনন্দ বিনোদনের অন্যতম জায়গা শহরের খড়িবিলা এলাকার মোজাফ্ফর গার্ডেনে। সেখানে তরুণ তরুনী থেকে সব মানুষেরা আসছেন একটু বিনোদন নিতে। অনেকে তুলছেন ছবি প্রিয়জনের সাথে কেউবা সেলফি নিতে ব্যস্ত। পাশাপাশি শহরের দুইটি সিনেমা হলেও নতুন ছবি দেখতে আসছেন কিছু দর্শক।
সাতক্ষীরায় মোজাফ্ফর গার্ডেন ছাড়াও ডিসি ইকো পার্ক, শ্যমনগরের আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম, দেবহাটা উপজেলার মিনি সুন্দরবনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘুরছেন সব বয়সের মানুষেরা। শিশুরা তাদের বাবা মায়ের সাথে, কেউবা ভাই-বোন, আতœীয় স্বজনের সাথে নিয়ে ঘুরছেন। অনেকে আবার পরিবার-পরিজন বন্ধু স্বজনদের সাথে নিয়ে বাস, মাইক্রোবাস, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মনের আনন্দে। তবে, জেলা শহরের অদূরে মোজাফফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্টটি অবস্থিত হলেও এটি মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি নামেই সর্বাধিক পরিচিত। এই প্রায় ১০০ একর জমির উপর স্থাপিত। মোজাফফর গার্ডেনটি বেশ খোলামেলা এবং বহু জাতের গাছপালায় পরিপূর্ণ হওয়ায় এখানে আগত অতিথিরা একদিকে যেমন প্রকৃতির সবুজের কাছাকাছি আসতে পারছেন আবার অন্যদিকে বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ারও সুযোগ পান। অতিথিদের থাকার জন্য এখানে চারটি ভবন রয়েছে যেগুলোর একটি লেকের উপরে অবস্থিত। এছাড়া এখানকার লেকে প্যাডেল বোটে রয়েছে, এখানে আগত অল্প বয়সী অতিথিদের জন্য এখানে রয়েছে খেলার মাঠ, ত্রিমাত্রিক চিড়িয়াখানা এবং বিভিন্ন আকর্ষণীয় ভাস্কর্য। এছাড়া রিসোর্টের অতিথিদের জন্য ব্যাডমিণ্টন এবং টেবিল টেনিস খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। মহিলা ও পুরুষদের জন্য পৃথক মসজিদও রয়েছে এই রিসোর্টে। রিসোর্টে অবস্থিত চিড়িয়াখানাটিকে বলা যায় এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। দেশের সর্ববৃহৎ এই বেসরকারি চিড়িয়াখানায় রয়েছে নানা প্রজাতির প্রাণী ও পাখি যেগুলো দেখতে পারাটা এখানে আগতদের জন্য একটি অন্যতম বিনোদনের মাধ্যম। তাই ঈদের ছুটতে এখানে মানুষের ঢল নামে।
তবে, ভ্রমন পিপাসুদের অভিযোগ, জেলার মেইন সড়কসহ মোজাফ্ফর গার্ডেনে যাবার একমাত্র সড়কটি প্রচন্ড খারাপ থাকার কারনে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারপরও মানুষের ঢল নামছে সেখানে।
সাতক্ষীরা মোজাফ্ফর গার্ডেনের ব্যবস্থাপক আতিকুল আলম জানান, দক্ষিণ বঙ্গেও সবচেয়ে বড় বিনোদন কেন্দ্র মোজাফফর গার্ডেন। এখানে বাচ্চাদেও বিভিন্ন খেলার সমগ্রী ও চিড়িয়াখানা রযেছে। এখানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। পর্যটকদের থাকার জন্য এখানে শীতাতাপ নিযন্ত্রিত অনেক কক্ষও আছে। সবমিলিয়ে এখানে একটি মনোরম পরিবেশ গড়ে উঠেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহম্মেদ জানান, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে যাতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বর্ষীয়ান আ ‘লীগ নেতা রুহুল আমিন কন্ট্রাক্টর আর নেই

সাতক্ষীরার বর্ষীয়ান আ ‘লীগ নেতা ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য মিসেস রিফাত আমিনের স্বামী মো: রহুল আমিন কন্ট্রাক্টর আর নেই(ইন্না……………রাজেউন)।

বিস্তারিত আসছে………

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবির ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। বুধবার বেলা সাড়ে নয়টায় ভিসি অফিসে যোগদানপত্রে সই করে নতুন দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। এরপর নতুন ভিসিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সহকর্মীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ প্রমুখ।

তবে পূর্বের ভিসির কাছ থেকে নতুন ভিসির দায়িত্ব বুঝে নেয়ার যে ঐতিহ্য সেটি মানা হয়নি এবার।  অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকও উপস্থিত ছিলেন না। এ বিষয়ে নতুন ভিসি বলেছেন, সময়ের সমন্বয় হয়নি বলে এবার তা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ সাময়িক দায়িত্ব। যেকোন সময় আমার অন্য চেয়ারে যেতে হতে পারে। আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমান আচরণ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ভালো কাজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য সমুন্নত রাখা আমার দায়িত্ব।

দায়িত্ব বুঝে নেয়ার অাগে মঙ্গলবার গণমাধ্যেমের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানিয়েছেন, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ নেই, তিনি শুধু ভালো কাজগুলোকে এগিয়ে নিতে চান।

অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এবং সাবেক চেয়ারম্যান। এছাড়া উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি কলা অনুষদের ডিন, কবি জসীম উদদীন হলের প্রাধ্যক্ষ  এবং শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট মেম্বার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

গত ২৩ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং সিনেট মনোনীত উপাচার্য প্যানেল আদালতে স্থগিত হওয়ায় আখতারুজ্জামানকে সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারের সরকারি ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি হ্যাকারদের আক্রমণ

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ করে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে ‘সাইবার ৭১’ নামের বাংলাদেশি ইথিকাল হ্যাকার গ্রুপ।

ইন্দোনেশিয়ার হ্যাকারদের সঙ্গে মিলে মঙ্গলবার এই হ্যাকিং গ্রুপটি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট (http://www.president-office.gov.mm), তথ্য মন্ত্রণালয় (http://www.moi.gov.mm), কেন্দ্রীয় ব্যাংক (http://www.cbm.gov.mm) এবং প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান এম কে গ্রুপের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (http://www.mkgroup.com.mm) আক্রমণ চালিয়ে সাইটগুলো বন্ধ করে দিয়েছে।

হ্যাক করা অন্য ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ থাকলেও মঙ্গলবার রাতে এম কে গ্রুপের ওয়েবসাইট হ্যাক করার পর সাইবার-৭১ সেটি চালু রাখে। সাইটটিতে গেলেই এক রোহিঙ্গা নারীর ছবিসহ কিছু লেখা দেখা যাচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছে:

‘সাইবার-৭১ হ্যাক করেছে। প্রতিদিন মিয়ানমারের মুসলিমরা মিয়ানমারের সরকারের হাতে মারা যাচ্ছে। একইসঙ্গে তাদেরকে সবার থেকে আলাদা করে ফেলা হচ্ছে, তাদের ঘরবাড়ি, স্থাপনা ও মসজিদ ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। সরকার শুধু দর্শকের মতো এসব দেখে যাচ্ছে। দেশটির সংখ্যালঘু মুসলিমদের বাড়তে থাকা এই ঘৃণিত হত্যাকাণ্ড শুধু দেখছে তারা…। আর এটি (হ্যাকিং) মিয়ানমার সরকারের কাছে আমাদের স্পষ্ট বার্তা।

মুসলিম হত্যা বন্ধ করো, নইলে আমরা প্রতিদিনই তোমাদের ওয়েবসাইট হ্যাক করব!
মুসলিম হত্যা বন্ধ করো, নইলে আমরা প্রতিদিনই তোমাদের ওয়েবসাইট হ্যাক করব!
মুসলিম হত্যা বন্ধ করো, নইলে আমরা প্রতিদিনই তোমাদের ওয়েবসাইট হ্যাক করব!’

বক্তব্যের শেষে #OpMyanmar হ্যাশট্যাগ দিয়ে সাইবার-৭১ এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের অ্যাড্রেস দেয়া হয়েছে।

হ্যাক করার পর ফেসবুক পেজে সাইবার-৭১ লিখেছে, ‘মিয়ানমারের হেলিকপ্টারের অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য ক্ষমা না চাওয়া এবং রোহিঙ্গা হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা তাদের সাইবার স্পেসে আক্রমণ পরিচালনা করব। তারা আমাদের আকাশ সীমানায় অনুপ্রবেশ করেছে, আমরা তাদের সাইবার স্পেসে অনুপ্রবেশ করেছি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।’

বিশেষ বার্তাসহ এম কে গ্রুপের ওয়েবসাইট চালু ও অন্য ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ রয়েছে। তবে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটটি আবার সক্রিয় হয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর বহুদিন ধরে চলমান সংঘর্ষ-সহিংসতা সঙ্কট সমাধানে ২০১৬ সালের আগস্টে গঠিত হয় অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেট। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে ওই কমিশন এক বছরের তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান অং সান সু চির কাছে জমা দেয় চলতি বছরের ২৪ আগস্ট।

৬৩ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে ত্রিশটি পুলিশ ও সেনাচৌকিতে রহস্যজনক হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য। তারপরই হামলার জন্য রোহিঙ্গা ‘জঙ্গি’দের দায়ী করে জবাব হিসেবে সেনাবাহিনী পুরো অঞ্চলে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।

সেনাবাহিনীর ওই হামলায় এখনও পর্যন্ত ৪শ’র বেশি মানুষ মারা গেছে, আর প্রাণভয়ে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে বাংলাদেশে। নৌপথে পালিয়ে আসার পথে নৌকাডুবিতে মারা গেছে আরও অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন না করার উদ্দেশ্যেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এই হত্যাকাণ্ড শুরু করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় আইনজীবীদের মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : মিয়ানমার সরকার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত হামলা, নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে বুধবার সকাল ১০ টায় জজ কোর্ট শহিদ মিনার চত্বরে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. শাহ আলমের সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পিপি এড. ওসমান গনি, সাবেক পিপি এড. সৈয়দ ইফতেখার আলি, সাবেক সভাপতি এড, আব্দুল মজিদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক এড, তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, এড. ইউনুচ আলি, এড. মিজানুর রহামান. এড. ফাহিমুল হক কিসলু, এড. এ.বি.এম সেলিম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মিয়ানমান সরকার ও তার পেটুয়া বাহিনী একের পর এক নিরীহ রোহিঙ্গাদের উপর যেভাবে হত্যা নির্যাতন চালাচ্ছে তা ইতিহাসকে হার মানায়। অং সান সুচি গণতন্ত্রের কথা বলে মানুষ হত্যায় নেমেছে। তারা শুধু নিরীহ মানুষকে হত্যা করছেনা তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা নারী ও শিশুরাও। বক্তারা এ সময়, অবিলম্বে এসব গণহত্যা বন্ধ না করা হলে মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সব সম্পর্ক ছিন্ন করার আহবান জানান সরকারের প্রতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোর্স নজরুল খুন: ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৪ জনকে আসামি করে মামলা

দেবহাটা ব্যুরো : পুলিশ, বিজিবির সোর্স পরিচয়দানকারী চোরাচালান চক্রের সদস্য উপজেলার দক্ষিণ কুলিয়ার মোক্তার মোড়লের পুত্র নজরুল ইসলামের খুনের রহস্য খুঁজছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে খুন হয় সোর্স নজরুল। খুনিরা সুপরিকল্পিত ভাবে নজরুল কে খুন করে সখিপুর হাসপাতালে ফেলেরেখে পালিয়ে যায়। সে কারনে আসামীদের শানাক্ত ও হত্যান স্থান এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে বিভিন্ন সূত্র ধরে এগিয়ে চলেছে পুলিশ। এদিকে হত্যাকান্ডের পর সাদা প্রাইভেটকারটি ব্যবহারকারী বিশিষ্ট চোরাকারবারী ও প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি হিসাবে সন্ধের চোখে এসেছে। আবার সোর্স নজরুলের বন্ধু দেবহাটা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তার লাশটি অজ্ঞাত বলে ফেসবুকে প্রচার করা এবং ৩০ আগস্ট রাত ৮টার দিকে নজরুল তার ভাই রবিউল ইসলামের কাছে ফোনে জানান ‘আমি দেবহাটার ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকনের বাসায় আছি’। এরপর রাত ৯টার দিকে একটি মরদেহ সখিপুর হাসপাতালে রেখে যাওয়ারকে দায়ী করে সোমবার নিহত নজরুলের বাবা মোক্তার মোড়ল বাদি হয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা আমলি আদালতে দন্ড বিধির ৩০২/৩৪ ধারায় ৪জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামীরা হলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইচ চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম খোকন, পারুলিয়ার রবিউল ইসলাম রবি, হাফিজুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও অজ্ঞাত ৪/৫ জন। আদালত মামলাটি এফ আই আর ভূক্ত করে তদন্ত শেষে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার নজরুলের পুত্রকে অপহরণের অভিযোগ এনে থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। ওসির দায়িত্বে থাকা(তদন্ত) ওসি শরিফুল ইসলাম তাদেরকে লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিলেও এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest