সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় সোহাগ পরিবহনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যুসাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধনদেবহাটায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের উৎপাত : উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাভারতের উপকূলে জাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাতক্ষীরার মামুন : উদ্বিগ্ন পরিবারদেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণাদেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরাঅবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মেহেরপুরে বদলিভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার সাজুর দাফন সম্পন্নমৎস্য খাতের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জোর দিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিআমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুল

পুলিশে বাড়ছে ইউনিট কমছে সেবা

অনলাইন ডেস্ক : পুলিশ বাহিনীতে বেড়েই চলছে নতুন ইউনিট। বর্তমানে ৩৬টি স্বতন্ত্র ইউনিট থাকলেও খুব শিগগিরই এই বহরে যুক্ত হচ্ছে গাজীপুর মহানগর, রংপুর মহানগরসহ আরও চারটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
অভিযোগ রয়েছে, যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে এবং অপরাধের বহুমাত্রিকতা মোকাবিলায় নতুন নতুন ইউনিট যাত্রা শুরু করলেও ভোক্তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে সেবার মান বরং কমছে। একই ঘটনা নিয়ে দুটি ইউনিটের মধ্যে টানাহেঁচড়ার ঘটনাও ঘটছে। আবার নতুন ইউনিট গঠন করায় পুরনো ইউনিটের কার্যক্রমই শূন্যের কোটায় চলে গেছে। নতুন বেশ কয়েকটি ইউনিটের কার্যক্রম শুধু কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছে, গত আট বছরে পুলিশ বাহিনীতে নতুন ছয়টি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হয়। কিন্তু বেশিরভাই চলছে খুঁড়িয়ে। অনেক ইউনিটে চাহিদার অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে চলছে তাদের কার্যক্রম। আবার বেশিরভাগ ইউনিটেরই নেই নিজস্ব ভবন।
আবাসিক এলাকার ভাড়া বাড়িতে চলছে তাদের কার্যক্রম। পিআইবি গঠন করায় অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির কাজ নেই বললেই চলে। আসামি গ্রেফতার বা মামলার তদন্ত নিয়ে পুলিশ ও র‌্যাবের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ পায়। অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, সেবা নিশ্চিত করতে মনিটরিং ও জবাবদিহিতার খুব প্রয়োজন। এজন্য সাধারণ মানুষের অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে এর সমাধান বের করতে হবে। একইসঙ্গে বাহিনীর সদস্যদের মটিভেশন এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের খুব প্রয়োজন রয়েছে। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, শুধু ইউনিট বাড়িয়ে লাভ নেই। কোয়ালিটি নিশ্চিত করা দরকার। এজন্য সুপারভিশন এবং জবাবদিহিতা বাড়ানো খুব প্রয়োজন। আবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সেবা বাড়ানোর জন্য বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে টানা আট বছরে পুলিশ বিভাগে ছয়টি বিশেষায়িত নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট এতদিন ঢাকা মহানগর পুলিশের অধীনে কাজ করলেও সম্প্রতি পুলিশ সদর দফতরের স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে এন্টিটেররিজম ইউনিট হিসেবে যাত্রা শুরু করে। হলি আর্টিজান হামলার পর এই ইউনিটটি জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ ভিভিআইপিদের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), তদন্তের গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য পৃথক তদন্ত ইউনিট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), দেশের শিল্প এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠন করা হয়।
পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে রংপুর রেঞ্জ, রংপুর রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) এবং ২৯টি নতুন থানা ও ৪৭টি তদন্ত কেন্দ্র করা হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য এপিবিএনের একটি শাখাও গঠন করা হয় বর্তমান সরকারের আমলে। রংপুর মহানগর পুলিশ গঠন করা হলেও তা যাত্রার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে পুলিশ বাহিনীর পুরাতন রেলওয়ে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। চোরাচালানের একটি বড় অংশ রেলের সেই মান্ধাতা আমলের সরঞ্জাম নিয়ে চলছে তাদের কার্যক্রম। যদিও সম্প্রতি রেলওয়ে রেঞ্জের প্রধান ডিআইজি থেকে একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক করা হয়েছে।

রেল পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি আবুল কাশেম বলেন, আমাদের যা আছে পর্যাপ্ত। এর বাইরে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশিক্ষণ) ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেন, যথার্থ প্রশিক্ষণ হচ্ছে না, এটা ঠিক নয়। প্রতিটি ইউনিটকে মৌলিক এবং বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য গত বছরও ৭৮ থেকে ৮২ হাজার সদস্য প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এটা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকটি নতুন ইউনিটের সদস্যদের বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে যাতে তারা কাঙ্ক্ষিত সেবাটা নিশ্চিত করতে পারে। খুব শিগগিরই সিআরটি (ক্রাইসিস রেসপন্স টিম) প্রশিক্ষণের জন্য ২৪ জনের তিনটি দলকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে। কিছুদিন আগে ট্যুরিস্ট পুলিশের ২০ সদস্যদের একটি দলকে থাইল্যান্ডের ক্যাসোসেট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হয়েছে। নৌ পুলিশকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হয়েছে। খুব শিগগিরই দেশে আরও চারটি পিটিসি (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) যুক্ত হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে।

নৌ পুলিশ প্রধান ডিআইজি শেখ মারুফ হাসান বলেন, মাত্র আমি যোগ দিয়েছি। সব কিছু আমি এখনো বুঝে নিতে পারিনি। তাই কোনো মন্তব্য করতে পারব না। তবে পুলিশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সরকারের আট বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে পুলিশ বাহিনীতে। এসেছে নতুন নতুন অস্ত্র, সরঞ্জাম। বেড়েছে জনবল। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকিভাতা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক ছাড়াও ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি করায় এ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে সন্তুষ্টি। গত সাত বছরে নতুন নতুন থানা ভবন নির্মাণসহ আবাসন সমস্যা সমাধানে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। নতুন নতুন যানবাহনসহ পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে নানামুখী পদক্ষেপও নিয়েছে বর্তমান সরকার।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত আট বছরে পুলিশের বার্ষিক বাজেট বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে পুলিশ বাহিনীর জন্য বার্ষিক বাজেট ছিল ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। চলতি ২০১৭-১৮ বছরে জননিরাপত্তার জন্য ১৯ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর বেশিরভাগই বরাদ্দ রাখা হয়েছে পুলিশ বাহিনীর জন্য। তবে পুলিশ বাহিনীর জন্য অনুন্নয়ন বাজেট ধরা হয়েছে ৩০৩ কোটি টাকা।
পুলিশ সদর দফতর বলেছে, বর্তমান সরকারের সময়ে পুলিশ বিভাগে সবচেয়ে বড় পাওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১১। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর হলেও স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর অবদানের বিষয়টি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে। এ ছাড়াও বর্তমান সরকারের আমলেই পুলিশ মহাপরিদর্শকের পদকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় উন্নীত করা করা হয়েছে। ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত র্যাংক ব্যাজ (থ্রি-স্টার জেনারেল)। পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনো পুলিশ সদস্য নিহত হলে পরিবারকে দেয় অনুদান ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা এবং আহত হলে ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে বর্তমান সরকারের আমলে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত ইন্সপেক্টর পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডারে এবং এসআই ও সার্জেন্ট পদকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে। পুলিশে রেশনের বৈষম্য নিরসনসহ সর্বশেষ ৩০ ভাগ ঝুঁকিভাতা ঘোষণা করায় নতুনভাবে উজ্জীবিত পুরো পুলিশ বাহিনী। পুলিশ সদর দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভাষায়, গত সাত বছরে পুলিশ বাহিনীতে যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে তা স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও হয়নি।
তবে তথ্য বলছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, পিবিআই, এসপিবিএন, নৌপুলিশ গঠন করা হলেও তাদের কার্যক্রম চলছে ভাড়া বাড়িতে। সিএমপি, এসএমপি, আরএমপি, কেএমপি চলছে ভাড়া করা ভবনে। ঢাকায় এপিবিএন-১ এর নিজস্ব জমি থাকলেও ইউনিট-২ চলছে ভাড়া করা ভবনে। আরআরএফের জমি বরাদ্দ পেয়েছে র‌্যাব। এপিবিএন মহিলা ইউনিটেরও নিজস্ব কিছু নেই। এসব বাহিনীতে কর্মরত সদস্যরা বলেছেন, পুলিশের ট্রেনিং নিয়ে চাকরিতে যোগদানের পর অন্য ইউনিটে বদলি করার পর তাদের কাজ করতে অনেক বেগ পেতে হয়। জনবল বাড়ানো হলেও স্থান সংকটে বিশেষায়িত ইউনিটের জন্য কোনো পৃথক ট্রেনিং সেন্টার নেই। ফলে সব ধরনের ট্রেনিং পাচ্ছে না মাঠ পুলিশ। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, নৌ-পুলিশের যানবাহন ও জনবল সংকট রয়েছে। এই দুই সমস্যা মেটাতে পারলে ইউনিটের কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার ঘটবে। আগামী বছরের শুরুতে এই ইউনিটে আরও ১০০ জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নৌ-পুলিশের স্থায়ী দফতরের জন্য কেরানীগঞ্জে জায়গা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৫ একর জমি বরাদ্দ পাওয়া যাবে। ওই জমিতে কোস্টগার্ডের আদলে নৌ-পুলিশ ইউনিটের জন্য অফিস নির্মাণ করা হবে। পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমাদের সবকটি ইউনিটই ভালো কাজ করছে। শিল্প পুলিশ গঠন করার পর বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে। নিজস্ব স্থাপনা এসব চলমান প্রক্রিয়া।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানি শীর্ষেই, ব্রাজিলের চেয়ে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা

রাশিয়া বিশ্বকাপ-২০১৮ এর বাছাইপর্বের ডামাডোল শেষের পর নতুন র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ফিফা। যাতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি সর্ব উপরের স্থানটি ধরে রেখেছে। দুইয়ে আছে সবার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা নেইমারের ব্রাজিল। আর চারে মেসির আর্জেন্টিনা।

ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটির প্রকাশিত সোমবারের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ছয় স্থানে রদবদল আসেনি। জার্মানির পর যথারীতি ব্রাজিল, তিনে আগের মতই পর্তুগাল। বাছাইয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সরাসরি রাশিয়ার টিকিট কেটেছে রোনালদোর দেশ। র‌্যাঙ্কিংয়েও থাকল সেই সাফল্যের ছোঁয়া।

এরপরই মেসির আর্জেন্টিনা। সাউথ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিজেদের বাঁচা-মরার শেষ ম্যাচের চ্যালেঞ্জে মেসির হ্যাটট্রিকে ইকুয়েডরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত করে টেবিলের চারে আলবিসেলেস্তারা।

র‌্যাঙ্কিংয়ের পাঁচে আছে বেলজিয়াম ও ছয়ে পোল্যান্ড। সেখানে এক ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে ফ্রান্স, আর তিন ধাপ লাফিয়ে আটে এসেছে স্পেন। শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে হেরে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে ব্যর্থ চিলি থাকছে টেবিলের নয়ে। লাতিন অঞ্চলের আরেক দল পেরু আছে দশে।

ফুটবলের কলিকাল কাটাতে থাকা বাংলাদেশ সেখানে আছে ১৯৬তম স্থানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের বাবা হচ্ছেন মেসি!

ফের বাবা হচ্ছেন মেসি!

কর্তৃক Daily Satkhira

বিয়ের আগেই দুই সন্তানের বাবা হয়েছিলেন লিওনেল মেসি। এরপর গত জুনে জাঁকজকমভাবে দীর্ঘদিনের বান্ধবী আন্তোনেলা রোকুজ্জোকে বিবাহ করেন আর্জেন্টাইন তারকা
কিন্তু বিয়ের তিন মাস পার হতেই আবারও নতুন সন্তানের অপেক্ষা মেসি।

সুখবরটি জানালেন মেসি-পত্নী আন্তোনেলা রোকুজ্জো। রবিবার ইন্সটাগ্রামে একটি ছবি প্রকাশ করে এ তথ্য জানান।

ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘ফ্যামিলি অফ ফাইভ’, অথচ ছবিতে দৃশ্যমান কেবলই চারজন। মেসি, রোকুজ্জো, তাদের দুই শিশুপুত্র থিয়াগো (৪) এবং মাত্তেও (২)। এর মানে যে পঞ্চম সদস্যটি রোকুজ্জোর গর্ভে- তা বুঝে নিতে কষ্ট হয়নি কারও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাবের পানিরও রয়েছে কয়েকটি ক্ষতিকর দিক

ডাবের পানির উপকারিতার কথা প্রায় সকলেই জানে। পেট গরমের মোক্ষম ওষুধ ডাবের পানি
এটা নিয়মিত খেলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিশেষজ্ঞরা আবার ত্বক ভাল রাখার জন্যেও ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে এসব তো গেল এর ভাল দিকগুলো। কিন্তু যেদিকটার কথা অনেকেরই জানা নেই, তা হল এই ডাবের পানিরও কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, বেশি পরিমাণে ডাবের পানি খেলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। এর মধ্যে প্রচুর সোডিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমনিতেই যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিকের থেকে বেশি, ডাবের পানি থেকে তাদের দূরে থাকাই ভাল।

রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়িয়ে দেয় ডাবের পানি
ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম থাকলেও কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালরি অধিক মাত্রায় থাকার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। তাই ডাবের পানি প্রতিদিন খাওয়া উচিত নয়। বিশেষত ডায়াবেটিস থাকলে ডাবের পানি এড়িয়ে যাওয়াই উচিত।

যারা ওজন কমাতে চান, ডাবের পানি তাদের না খাওয়াই ভাল। কারণ ডাবের পানি শরীরে ক্যালরির মাত্রা বাড়ায়। অন্যান্য স্বাস্থ্যকর পানীয় বা ফলের রসের তুলনায় ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। তবুও ডাবের পানি পান করলে নিমেষে বেড়ে যায় ক্যালরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুষ্টিগুণে কাঁকরোল

ছোট কাঁঠালের মতো দেখতে কাঁটা কাঁটা সবুজ রঙ্গের একটি সবজি কাঁকরোল। এতে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, লুটেইন, জেনান্থিন প্রভৃতি থাকে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁকরোলে টমেটোর চেয়ে ৭০ গুণ বেশি লাইকোপিন থাকে, গাজরের চেয়ে ২০ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন থাকে, কমলার চেয়ে ৪০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে এবং ভুট্টার চেয়ে ৪০ গুণ বেশি জিয়াজেন্থিন থাকে।

তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কাঁকরোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

১. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়
যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি বা যাদের উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলের রয়েছে তাদের নিশ্চিন্তে কাঁকরোল খেতে পারেন। এটি উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

২. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
কাঁকরোলে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ভিটামিন, বিটাক্যারোটিন ও অন্যান্য উপাদান থাকে, যা দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করার পাশাপাশি চোখের ছানি প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

৩. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁকরোলের পুষ্টি উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং ক্যান্সার কোষের সংখ্যা বৃদ্ধিকে ধীর গতির করতে পারে। এতে নির্দিষ্ট একটি প্রোটিন থাকে, যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করতে পারে। এজন্যই কাঁকরোলকে ‘স্বর্গীয় ফল’ আখ্যা দেয়া হয়।

৪. তারুণ্য ধরে রাখে
কোষের কার্যক্রমকে উদ্দীপিত করার মাধ্যমে এবং স্ট্রেস কমানোর মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করতে সাহায্য করে কাঁকরোল

কোলাজেনের গঠনকে পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে বয়সের ছাপ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে এটি।

৫. অ্যানেমিয়া প্রতিহত করে
কাঁকরোলে প্রচুর আয়রন থাকার পাশাপাশি ভিটামিন সি ও ফলিক এসিড ও থাকে। এ কারণে নিয়মিত এটি খেলে অ্যানেমিয়ার প্রতিহত করা সম্ভব হয়।

৬. বিষণ্ণতা প্রতিহত করে
কাঁকরোলে সেলেনিয়াম, মিনারেল এবং ভিটামিন থাকে, যা নার্ভাস সিস্টেমের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। তাই বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে কাঁকরোল।

৭. কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ প্রতিরোধ করে
যেহেতু কাঁকরোলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে তাই এটি কার্ডিওভাস্কুলার রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। সক্রিয় জীবনযাপনের পাশাপাশি কাঁকরোল খাওয়া হৃদস্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পর্তুগাল-স্পেনে দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চল। আর এরই মধ্যে এবার ইউরোপের দেশ স্পেন ও পাশ্ববর্তী পর্তুগালে দাবানলের আঘাতের খবর এলো

গত ২৪ ঘণ্টায় পর্তুগালের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলীয় বনে দাবানলে অন্তত ২৭ জন ও স্পেনে তিনজন নিহত হয়েছেন। উদ্ধারকারীদের বরাত দিয়ে এএফপি এ খবর জানায়।

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টোনিও কোস্তা দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। দাবানল কবলিত ২০টি এলাকায় কমপক্ষে চার হাজার অগ্নিনির্বাপক কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দাবানলে স্পেনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় লোকজনকে এলাকা ছাড়তে বলা হয়েছে। খালি করা হয়েছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়। সিভিল গার্ড ও জাতীয় নিরাপত্তা সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাবানল এলাকার লোকজনকে নিরাপদে সরে যেতে বলছে।

জানা গেছে, গত শনিবার থেকে অন্তত ৮০ জায়গায় দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে অন্তত ১৩টি লেভেল-২ সর্তকতায় রয়েছে, যা জনসাধারণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
দাবানলে এরইমধ্যে লা ভজ দি গালিসিয়ায় ৪ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়েছে।

গালিসিয়ার প্রেসিডেন্ট আলবার্টো নুঁনেজ ফিজ্জো বলেছেন, আমরা খুবই জটিল অবস্থার মধ্যে রয়েছি। লোকজনকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, ঘর রক্ষার চেষ্টায় জীবন হুমকিতে ফেলবেন না।

এদিকে, তীব্র তাপদাহে দাবানলে পুড়ছে পার্শ্ববর্তী পর্তুগাল। তাপদাহ অব্যাহত থাকলে দাবানল ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, বাতাস থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ারকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাদালকে হারিয়ে সাংহাই মাস্টার্সের শিরোপা জিতলেন ফেদেরার

বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় রাফায়েল নাদালকে সরাসরি সেটে পরাজিত করে সাংহাই মাস্টার্সের শিরোপা জিতেছেন রজার ফেদেরার। এই নিয়ে স্প্যানিয়ার্ড তারকা নাদালের বিপক্ষে টানা পঞ্চম জয় তুলে নিলেন সুইস সুপারস্টার ফেদেরার

ফাইনালে ফেদেরার ৬-৪, ৬-৩ গেমে নাদালকে পরাজিত করে চলতি মৌসুমের ষষ্ঠ শিরোপা ঘরে তুলেছেন। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বীকে আরও একবার হারাতে পেরে অনেকটাই চাপমুক্ত ফেদেরার বলেছেন, ‘আমার মনে হয় অতীতের মত আমি আর নাদালের বিপক্ষে কোর্টে নামতে ভীত নই। তার বিপক্ষে খেলতে নেমে যদিও অতটা ভয়ে আমি থাকতাম না, কিন্তু বেশ অনেক ম্যাচেই আমি তার সাথে পরাজিত হয়েছি। বিশেষ করে ক্লে কোর্টে তার সাথে পেরে ওঠাটা অসম্ভব ছিল। আমার মনে সেই ভয়টা আমি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। ’

সাংহাইয়ের আগে ফেদেরার এ বছর নাদালকে হারিয়ে ইন্ডিয়ান ওয়েলস ও মায়ামি মাস্টার্সের শিরোপাও জিতেছেন। যদিও একে অপরের মোকাবেলায় ৩৮টি ম্যাচের মধ্যে নাদালন জিতেছেন ২৩টিতে।

ক্যারিয়ারে রেকর্ড ১৯টি গ্র্যান্ড স্লামের গর্বিত মালিক ফেদেরার এক্ষেত্রে নাদালের থেকে তিনটি শিরোপা এগিয়ে রয়েছেন। দু’জনই ইনজুরির কারণে দীর্ঘ সময় কোর্টের বাইরে থেকে এ বছর দুটি বড় শিরোপা জয় করেছেন
ইনজুরির কারণে ফেদেরার পুরো ক্লে কোর্ট মৌসুমই বিশ্রামে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলি-অানুশকার নতুন সাজ

কোহলি-অানুশকার নতুন সাজ

কর্তৃক Daily Satkhira

ভারতীয ব্যাটিং সেনসেশন ও দলীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মার সম্পর্ক নিয়ে ভক্তরা যতই চর্চা করুন না কেন, দু’জনেই কিন্তু এ বিষয়ে চুপ। কিন্তু, তারা যতই চুপ থাকুন না কেন, বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মার সম্পর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নেই
আর সেই আগ্রহের মাত্রাকে আরো একধাপ এগিয়ে দিল বিরাট, আনুশকার নতুন ছবি।

সম্প্রতি আনুশকার ফ্যান পেজের পক্ষ থেকে একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। যেখানে কোহলিকে পাঞ্জাবি, কুর্তা এবং আনুশকাকে লেহেঙ্গা পরে থাকতে দেখা যায়।

জানা যায়, একটি কম্পানির হয়ে বিজ্ঞাপনেই কোহলি-আনুশকাকে দেখা যায় ওই পোশাকে। তবে, অনুষ্ঠান বা উপলক্ষ্য যা-ই হোক না কেন, ওই ‘লাভবার্ডসকে’ একসঙ্গে ওই রকম পোশাকে দেখে তার ভক্তরা যে বেজায় খুশি হয়েছেন, তা কিন্তু বলার অপেক্ষা রাখে না।

শুধু কি তাই, দিওয়ালির উপহার হিসেবে কোহলি-আনুশকার ওই ছবি তাদের ভক্তদের কাছে বেশ বড় পাওনা বলেই মন্তব্য করছেন অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest