সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

ঈদ জামাতে বন্যার্ত ও রোহিঙ্গাদের জন্য দোয়া কামনা

পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের দোয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা কবলিত মানুষকে বিপদ থেকে উদ্ধারে আল্লাহর করুণা প্রার্থনা করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত শেষে মোনাজাতে এই দোয়া চাওয়া হয়।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতি মো. মিজানুর রহমান।

নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও দশের শান্তি সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা হয়। এ সময় দেশের বন্যা কবলিত মানুষের জন্য এবং মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের হেফাজত করতে মহান আল্লাহর অনুগ্রহ কামনা করা হয়।

এ সময় রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের হায়াত বৃদ্ধি চেয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন মাওলানা মুফতি মো. মিজানুর রহমান। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ ছাড়া শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং মেয়র সাঈদ খোকনের বাবা ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের জন্য দোয়া চাওয়া হয়।

আজ যারা পশু কোরবানি দেবেন তাঁদের কোরবানি গ্রহণ করতে এবং সকলের পাপ মোচনের জন্যও নামজ শেষে দোয়া চাওয়া হয়। বর্তমানে দেশের উন্নয়ন তরান্বিত হচ্ছে উল্লেখ করে এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানানো হয় প্রধান জামাত থেকে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশবাসীকে হেফাজত করতে সৃষ্টিকর্তার কাছে সাহায্য চাওয়া হয়।

প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এর আগে সকাল থেকেই ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসতে শুরু করেন নানা বয়সী মানুষ। এজন্য তাঁদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হতে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা হত্যা থেকে মিয়ানমারকে সরে আসার আহ্বান জাতিসংঘের

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায় ৪০০ শতাধিক রোহিঙ্গা হত্যার মতো মানবিক বিপর্যয়কর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘের মহাসচিব সেই অবস্থান থেকে সরে আসার জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

অ্যান্তোনিও গুতেরেজ এই ঘটনাকে এ বছরের সহিংসতার সবচেয়ে খারাপ নজির বলেও উল্লেখ করে ‘প্রবল চাহিদার মুখে’ রাখাইন থেকে সীমান্ত পেরিয়ে জীবন নিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যও বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেছেন।

গতকাল শুক্রবার জাতিসংঘের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে মহাসচিব নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিযান থেকে বিরত থাকার এবং এর ফলে যে মানবিক বিপর্যয় তৈরি হয়েছে তা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। এর আগে বুধবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা মিয়ানমার পরিস্থিতি, সহিংসতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনবিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। যদিও এরপর আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি। এর দুদিনের মাথায় মহাসচিবের এই বিবৃতি আসল।

অ্যান্তোনিও গুতেরেজ বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারের দায়িত্ব দেশের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেসব এলাকায় সাহায্য প্রয়োজন সেখানে সাহায্য প্রদানকারী সংস্থাকে যেতে দেওয়া।’
মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ২৪টি পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে।

জাতিসংঘের গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে সহিংসতা শুরুর পর গত এক সপ্তাহে ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৭০ জন ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’, ১৩ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, দুজন সরকারি কর্মকর্তা এবং ১৪ জন সাধারণ নাগরিক।

জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিগতভাবে নির্মূল করতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের গ্রামে আগুন দিয়ে বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়াসহ গণহত্যা ও গণধর্ষণ চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

সহিংসতার শিকার হয়ে গত বছরের অক্টোবর থেকে এক পর্যন্ত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

পালিয়ে আসাদের মধ্যে কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট নৌকায় করে নদী ও সমুদ্রপথে বাংলাদেশে প্রবেশে চেষ্টা করছেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। এ পর্যন্ত নাফ নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ৪০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে ২০১২ সালের জুনেও রাখাইন রাজ্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় আক্রান্ত হয়েছিল। তখন প্রায় ২০০ রোহিঙ্গা নিহত হন। ওই সময় দাঙ্গার কবলে পড়ে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাফ নদী থেকে এ পর্যন্ত ৪৬ রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার

রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় বুধবার প্রথম ৪ নারী-শিশুর লাশ পাওয়া যায় সীমান্তবর্তী ওই নদীতে। এরপর বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয় ১৯ জনের লাশ।
শুক্রবার পাওয়া গেল আরও ২৩ লাশ। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত লাশের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৬ জনে।

নাফ নদীতে ভাসতে থাকা অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যরা এসব লাশ উদ্ধার করে।

মিয়ানমার সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়ে আসার সময় বুধবার ও বৃহস্পতিবার টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের কাছে ডুবে যায় পৃথক কয়েকটি নৌকা। এতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৩ জনের লাশ পাওয়া যায়। আর শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নারী শিশুসহ আরও ২৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন খান জানান, এসব মৃতদেহ পঁচা এবং আগে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাছাড়া শাহপরীর দ্বীপ এলাকা থেকে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধার মৃতদেহগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : “স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক” -এই স্লোগানকে সামনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১ টায় শহরের কাটিয়ায় জেলা বি এনপির সভাপতির বাসভবনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় রহমাতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, এড. তোজাম্মেল হোসেন তুজাম, মো. রফিকুল আলম বাবু, মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহীন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শের আলী, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফরিদা আক্তার, ছাত্রদলের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আরজেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক কামরুজ্জামান ভুট্টো, জিয়া পরিষদের সভাপতি নুর মোহাম্মাদ পাড় প্রমুখ। জেলা বি এনপির সাধারণ সম্পাদক মো. তারিকুল হাসানের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, জেলা তাঁতি দলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সদর থানা কৃষক দলের সভাপতি গোলাম সরোয়ার, শহর যুব দলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ, এড. এবিএম সেলিম, সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন,আলিম আসাদুজ্জামান, মেহেদী হাসানসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মহান ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : মহান ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার সকালে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের আমেজে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কুরবানির মধ্য দিয়ে পালন করেছে ধর্মীয় দ্বিতীয় বৃহত্তম এ উৎসব। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে মুসলিমরা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উদযাপন করে। ঘরে ঘরে ত্যাগের আনন্দে মহিমান্বিত হয়েছে মন। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শ্যের প্রতিকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কোরবানির এই প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানী করতে উদ্যত হয়েছিলেন। ওই অনন্য ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির এ রেওয়াজ চালু হয়। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, তার সন্তুষ্টি অর্জন এবং তারই রাস্তায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানী ও ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদ-উল আজহার ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাত পরিচালনা করেন কালেক্টর জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা জালাল উদ্দীন। কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জামাতে অংশ নেন, সাতক্ষীরা ০১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল হান্নান,  জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ নিজাম উদ্দীনসহ রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সরকারি ঊচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষ।

নামাজের আগে কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমরা আজকে ত্যাগের মহিমা নিয়ে এখানে একত্রিত হয়েছি। এ দিনটি ত্যাগের দিন। ত্যাগের যে মহিমা আমাদের স্পর্শ করে আমরা যেন সারা জীবন সেটি ধারণ করতে পারি। এসময় তিনি আরো বলেন, কোরবানির পর যে বজ্য থাকে সেটি সেখানে সেখানে না ফেলার জন্য অনুরোধ জানান।’ জামাত শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক সকল পর্যায়ের মানুষের মানুষের সাথে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন। এছাড়া সাতক্ষীরা কালেক্টরেট জামে মসজিদ সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটে, সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনস জামে মসজিদ ৭ টা ৩০ মিনিটে, সাতক্ষীরা ষ্টেডিয়ামের ঈদ জামাত পলাশপোল তেঁতুলতলা জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, পলাশপোল চৌধুরী পাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদ সকাল ৭টা, পলাশপোল মধু মাল্লার ডাঙ্গী মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে, সুলতানপুর জামে মসজিদ সকাল ৮টায়, রসূলপুর সরকারী গোরস্থান বাইতুলফালাহ জামে মসজিদ সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে, কাটিয়া নারকেল তলা বীজবভন ঈদগাহ চত্বরে সকাল ৭ টা ৪৫ মিনিটে, রসূলপুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে, মাদরাসাতুছ ছহাবাহ (রাযি.) এতিমখানা উত্তর কাটিয়া ঈদ জামাত সকাল ৬ টা ৪৫ মিনিটে, ইটাগাছা আয়েন উদ্দিন মহিলা মাদ্রাসা ঈদগাহ ময়দান সকাল ৮টায়, (আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে সংলগ্ন বায়তুল মাহমুদ জামে মসজিদ), নলকুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে টায়, লাবসা ফুটবল মাঠে সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে, সাতক্ষীরা পৌর এলাকা জমঈয়তে আহলে হাদীস এর ঈদ জামাত পি,এন স্কুল এন্ড কলেজ চত্বরে সকাল ৭টায় ও আহলে হাদীছের ঈদের জামাত শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ৭ টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেহেদি কিনে না দেওয়ায় শিশুর আত্মহত্যা!

মেহেদি কিনে না দেওয়ায় মায়ের ওপর অভিমান করে এক শিশু গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। তার নাম সুমাইয়া আক্তার (৯)। সে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে খুলনার দৌলতপুর থানাধীন সেনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বিষয়টি জানিয়েছেন।

বাবা-মায়ের বরাত দিয়ে ওসি জানান, সুমাইয়া আক্তার তার মায়ের কাছে মেহেদি কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করেছিল। মা না বলায় সুমাইয়া অভিমানে ঘরের জানালা-দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে। মা জানালার ফাঁক দিয়ে ঘটনা দেখে দরজা ভেঙে দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দেবাশীষ তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নিহত সুমাইয়া দৌলতপুর সেনপাড়া গণবিদ্যাপিঠের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঈদের আগে এ ঘটনায় এলাকায় ঈদ আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাস্থ্যকর গরুর মাংস রান্নায় চার পরামর্শ

গরুর মাংসে নানা পুষ্টিগুণ রয়েছে। উচ্চ প্রোটিনের পাশাপাশি গরুর মাংসে রয়েছে চর্বি, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ নানা ভিটামিন। তবে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকায় গরুর মাংস বেশি খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। গরুর মাংসের পুষ্টি শরীরের নানা রকম উপকারে তখনই আসে, যখন সঠিক পরিমাণ ও সঠিক উপায়ে রান্না করে খাওয়া হয়।

রান্নার আগে সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিন

গরুর মাংস রান্নার আগে কাটা মাংস সিদ্ধ করে পানি ফেলে ধুয়ে রান্না করলে তাতে চর্বির পরিমাণ অনেক কমে যায়। যদিও এভাবে রান্না করলে একটু স্বাদ কমে যাবে। তারপরও এই পদ্ধতি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

মাংস রান্নার জন্য ছোট করে কাটুন

ছোট ছোট করে চর্বি ছাড়িয়ে গরুর মাংস কাটা, কিমা করা, পাতলা করে গরুর মাংস কাটা ইত্যাদি উপায়ে গরুর মাংসের চর্বি অনেক কমে যায় এবং পরিমাণেও অনেক কম খাওয়া হয়। তাই বড় টুকরা নয়, ছোট করে কাটা মাংসই শরীরের জন্য উপকারী।

সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন অন্যান্য খাদ্য উপাদান

গরু রান্নায় অন্যান্য খাদ্য উপাদান সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন। যেমন : সয়াসস, লবণ, বিট লবণ কমার্শিয়াল ইত্যাদি। এগুলোতে অনেক লবণ ও সোডিয়াম থাকে। তাই এগুলো ব্যবহার করলে গরুর মাংসে লবণের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনির জন্য খারাপ। বরং গরুর মাংসে সিরকা, গোল মরিচ, কাঁচা পেপে কাটা, লেবুর রস, টমেটো পিউরি টকদই ইত্যাদি দিয়ে রান্না করলে মাংস অনেকটাই স্বাস্থ্যকর হয়।

ভিন্নধর্মী রান্না

অতিরিক্ত তেল মসলা ঘি দিয়ে গরুর রেজালা, কারি ইত্যাদির চেয়ে উদ্ভিত তেল ও সবজি হালকা মশলা তৈরির মেন্যু অনেক স্বাস্থকর। যেমন : গরুর মাংসের স্টু, স্টেক, বাঁধাকপির মাংস, গরুর কিমার তৈরি কোনো মেন্যু। গরুর কাবার, গ্রিল বিফ ইত্যাদি মেন্যু অনেক স্বাস্থ্যকর। কারণ, এই ধরনের মেন্যুতে তেল অনেক কম লাগে এবং রান্নার কারণে মাংসের চর্বি অনেক কমে যায়।

রান্নার মধ্যে সতর্কতার পাশাপাশি মাংস সংরক্ষণ ও খাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক থাকত হবে। অতিরিক্ত পরিমাণ খেলে স্বাস্থ্যকর রান্না মাংসও অনেক ঝুঁকি নিয়ে আসতে পারে।

লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হ‌ুমায়ূন থেকে নুহাশ, আছেন আসাদুজ্জানান নূর

নন্দিত কথাশিল্পী হ‌ুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম টিভি নাটক ‘প্রথম প্রহরে’র মাত্র দেড় মিনিটের একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আজকের সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

পরে এই জাঁদরেল অভিনেতা অভিনয় করেন ‘এইসব দিনরাত্রি’ ধারাবাহিকের ‘রফিক’ চরিত্রে।,‘কোথাও কেউ নেই’-এর ‘বাকের’, ‘অয়োময়’-এর ‘মীর্জা সাহেব’, ‘আগুনের পরশমণি’র মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।
এখনও তিনি প্রজন্মের ধরে আছেন। এবারের ঈদের সবচেয়ে আলোচিত নাটকে থাকছেন আসাদুজ্জামান নূর। মূলত নির্মাতা হিসেবে টেলিভিশনে আসছেন হুমায়ূনের উত্তরসূরি নুহাশ। আর তাতে অভিনয় করে বাড়তি মাত্রা দিয়েছেন নূর। নাটকটির নাম ‘হোটেল অ্যালবেট্রস’।
নুহাশ বলেন, ‘নূর চাচার সঙ্গে কাজ করা আসলে ভালো লাগার মতো। তিনি আমার গল্প পছন্দ করেছেন। তাই একসঙ্গে কাজ করাটা খুবই এক্সাইটিং ছিল আমার জন্য।’
অমিতাভ রেজা ও মেজবাউর রহমান সুমনের পরিকল্পনায় ‘অস্থির সময় স্বস্থির গল্প’র সাতজন নবীনের সাতটি নাটকের মধ্যে একটি নুহাশের নাটক।
ঈদের দিন (আজ) রাত ৯টা ৩০ মিনিটে নাটকটি জিটিভিতে প্রচার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest