সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

ঈদের দিন স্পেশাল খাসির রেজালা

ডেস্ক: ঈদের দিনে খাবার টেবিলে স্পেশাল খাবার হিসেবে রাখতে পারেন খাসির মাংসের রেজালা। এসব খাবারের ঘ্রাণ শুনলেই জিভে পানি চলে আসে।

উপকরণ

খাসির মাংস এক কেজি, আদা বাটা এক টেবিল চামচ, রসুন বাটা এক চা চামচ, জিরা বাটা এক চা চামচ, পোস্তদানা বাটা এক চা চামচ, বাদাম বাটা এক চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা এক কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ১০টা, টক দই আধা কাপ, তেল আধা কাপ, ঘি দুই টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, দুধ এক কাপ, চিনি এক চা চামচ, এলাচ ও দারুচিনি চার টুকরা করে, কেওড়ার পানি এক টেবিল চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী-এলাচ-দারুচিনি একসঙ্গে গুঁড়া এক চা চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. মসলা গুঁড়া করে নিন। মাংসে সব বাটা মসলা, দই, লবণ, শুকনা মরিচ দিয়ে আধা ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন।

২. তেল ও ঘিয়ে ভেজে পেঁয়াজ বেরেস্তা তুলে ওই তেলে মাখানো মাংস দিয়ে ঢেকে রান্না করুন।

৩. পানি শুকিয়ে মাংস সিদ্ধ হলে বেরেস্তা ভেঙে দিন।

৪. এরপর চিনি, দুধ, কাঁচা মরিচ ও গুঁড়া মসলা দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করুন।

৫. মাংস নরম হয়ে যখন তেলের ওপর উঠবে, তখন নামিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্রেস কমাবে আদা, লেবু ও মধুর মিশ্রণ

স্ট্রেস হলো সাধারণ ভাবে মানসিকে চাপের ফলে আমাদের শরীরের তৈরি হওয়া একটি প্রতিক্রিয়া যেটা হতে পারে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক। মানসিক চাপ বাড়লে আমাদের শরীর সেটাকে যুদ্ধাবস্থা ধরে নিয়ে এক গাদা হরমোন আর রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ ঘটায়, যার ফলে শরীরে হঠাৎ অনেক উত্তেজনার তৈরি হয়, যা আমাদের পরিস্থিতির মোকাবেলায় সাহায্য করে। এসময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, নিঃশ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় আর আমরা কোনো কিছুতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারি না।

রোজকার যান্ত্রিক জীবনে স্ট্রেস এড়ানোর কোনো সুযোগই যেন নেই। দিনশেষে বাসায় ফেরার পর ক্লান্তিতে হাত, পায়ে ব্যথা নিয়ে আর কোনো কাজ করতেই ইচ্ছা করে না। এর জন্য দায়ী স্ট্রেস। যা আমরা বুঝে ওঠার আগেই পরিণত হয় অবসাদে। অনেক ক্ষেত্রে তা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়।

ওষুধের উপর নির্ভরতা বাড়ে। আর ওষুধ থেকে দেখা দেয় একাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিন্তু অাপনি চাইলে খাদ্য দিয়ে ওষুধ থেকে দূর থাকতে পারবেন, স্ট্রেসও দূরে থাকবে।

রোজকার খাদ্যতালিকায় একটি বিশেষ মিশ্রণ রাখুন। কয়েকদিন খেলেই ফল পাবেন। দুই চা চামচ লেবুর রস, আদা থেঁতো করে দুই চা চামচ আর এক চা চামচ কাঁচা মধু মিশিয়ে রাখুন। দিনে তিনবার খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোরবানির আগে ও পরে করণীয়

আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে প্রতিটি মুসলমান কোরবানি দিয়ে থাকেন। কমবেশি সবারই জানা পশু কোরবানি করার পর মোট মাংসের তিনটি ভাগ করে এক ভাগ গরিব-দুঃখীকে, এক ভাগ আত্মীয়স্বজনকে এবং এক ভাগ নিজে খাওয়ার জন্য রাখতে হয়।

কোরবানির আগে ও পরে কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। কারণ কোরবানি যেমন নিয়ম মাফিক করতে হয় আবার কোরবানির পরে কোরবানির স্থান পরিস্কার করাও জরুরি। আসুন জেনে নেয়া যাক কোরবানির আগে ও পরে করণীয়-

কোরবানির আগে করণীয়

খাবার
কোরবানির  পশুকে আগের রাতে ১০টার পর থেকে কোনো প্রকার খাদ্য খাওয়ানো যাবে না। শুধুমাত্র পানি দেয়া যেতে পারে। তবে শীতকাল হলে পানি হালকা গরম করে নিতে হবে।

গোসল ও জবারেয় প্রস্তুতি
কোরবানি কারার আগে পশুকে উত্তমরূপে সাবান দিয়ে গোসল করাতে হবে। কোরবানি করার মুহূর্তে তাকে শোয়ানোর জন্য পাটের তৈরি ২০ হাত রশি দিয়ে বেঁধে শোয়াতে হবে। জবেহ করার স্থানটিতে ঠিক গলার নিচে দেড় ফুট গভীর ও দেড় ফুট আড়ে ও লম্বায় একটি গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে পশুর রক্ত ঝরাতে হবে।এমনভাবে পশুকে রাখতে হবে, যাতে গর্তে সম্পূর্ণরূপে রক্ত ঝরে পড়ে।

জবায়ের পর
জবেহ করার পর পশুকে টানাহেঁচড়া না করে উঁচু করে সরিয়ে জবেহ করার স্থান থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে চামড়া ছড়াতে হবে। চামড়া ছড়ানোর পদ্ধতি এবং যেসব অস্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে, তা অন্তত তিন দিন আগে প্রস্তুত করে রাখতে হবে।

কোরবানির পরে করণীয়
কোরবানির পরে যে বিষয়টির দিকে সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখতে হবে সেটি হলো বর্জ্য পরিষ্কার করা। গরু জবায়ের পর বর্জ্য পরিষ্কার করা না হলে বিকট দুর্গন্ধ হয় যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে।

কোরবানির পরে অবশ্যই করণীয় বিষয়গুলো জেনে নেই-

১.কোরবানির ক্ষেত্রে পশু জবেহ শেষে তার রক্ত ও শরীরের যাবতীয় উচ্ছিষ্ট যথাযথভাবে অপসারণ করা জরুরি। গরু জবাইয়ের গর্তটি মাটি দিয়ে ঢেকে দিন। গর্তের মধ্যে কিছু চুন বা ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক পদার্থ দেয়া যেতে পারে। আর আশেপাশে যদি কোনো বর্জ্য থাকে তাহলে তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া রক্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২. পশুর দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট (অর্ধহজমযুক্ত খাদ্য/গোঘাষি) বের করে যত্রতত্র ফেলে দিলে তা পচে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়াবে।এবং পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগ ছড়াবে। তাই যথাযথ স্থানে ফেলতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়া অভিষেকের প্রথম নয়, দ্বিতীয় স্ত্রী!

সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনেই বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ করে ঘরে তোলেন অভিষেক বচ্চন। এ কথা সকলেরই জানা। কিন্তু নতুন খবর হল ঐশ্বরিয়া অভিষেকের প্রথম স্ত্রী নন। এর আগেও নাকি অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছিলেন বচ্চনপুত্র। এমনটাই দাবি করেছিলেন জাহ্নবী নামের এক নারী।

সময়টা ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের বিয়ের সময়কার। নিজের হাত কেটে অভিষেকের নাম লিখে সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হন ওই নারী। তিনি দাবি করেন, অভিষেকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। অভিষেক লুকিয়ে তাকে বিয়ে করেছে। যা নিয়ে তোলপাড় শুরু করেন ওই নারী।

শুধু তাই নয়, ঐশ্বরিয়া তার থেকে স্বামী অভিষেককে কেড়ে নিচ্ছেন বলেও সংবাদমাধ্যমের সামনে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন জাহ্নবী।

ভাবছেন সেই সময়কার পুরোনো কথা আবার নতুন করে কেন? কারণ অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ের সময়কার এমন চমকপ্রদ তথ্য প্রায় সবারই অজানা। তাছাড়া এবারের ‘বিগ বসে’র শো-তে অতিথি হয়ে আসছেন সেই আলোচিত জাহ্নবীই।

বলিউড লাইফের খবর থেকে অন্তত এমনটাই জানা গেছে। জনপ্রিয় এই শো-তে নতুন করে তিনি কি বোমা ফাটান সেটা দেখার জন্যই এখন অপেক্ষা।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে রাজ কানওয়াড় পরিচালিত ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ ছবির কাজ করতে গিয়ে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় অভিষেক বচ্চনের। ধীরে ধীরে বন্ধুত্বের দিকে মোড় নেয় তাদের সম্পর্ক। এর পর ‘কুছ না কাহো’ ছবিতে আবার জুটি বেধে কাজ করেন দুজন। ২০০৫ সালের ১২ জানুয়ারি নিউইয়র্কে ‘গুরু’ ছবির মুক্তির দিন ঐশ্বরিয়াকে প্রেমের প্রস্তাব দেন অমিতাভপুত্র। রাজি হয়ে যান ঐশ্বরিয়া। ১৪ জানুয়ারি দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এরপর ২০ এপ্রিল বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের বাড়ি ‘প্রতিক্ষা’য় গিয়ে ওঠেন পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে বাড়িতে অতিথিদের পরিবেশন করা হল সোনার ভাত!

নিজের বিয়েকে অভিনব করে তোলার চেষ্টা সবারই থাকে। তার জন্য হয় কেউ নতুন ডিজাইনের গয়না বানান তো কেউ বা পোশাকে নতুনত্ব আনেন। তাই বলে শেষ পর্যন্ত ‘সোনার ভাত’ দিয়ে অতিথি আপ্যায়নের কথা শুনেছেন কখনও।

ঠিক এমনটাই হয়েছে ভারতের হায়দরাবাদের এক বিয়েবাড়িতে। তবে ঠিক সোনার ভাত নয়, ভাতের উপর সোনার গুঁড়ো ছড়িয়ে অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা কছে সেখানকার একটি ক্যাটারিন সংস্থা।ওই সংস্থার মালিক ভি সাই রাধা কৃষ্ণা জানিয়েছেন, বিয়েবাড়িতে নতুন কোনও চমক দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। সোনা বা রুপার রাঙতায় মুড়িয়ে পান বা মিষ্টি দেওয়ার চল তো রয়েছেই। সেখান থেকেই এই আইডিয়া তার মাথায় আসে।

কলাপাতায় গরম ভাতের উপর সোনার পাতা ফেলে দেন তার কর্মীরা। ২৪ ক্যারেট সোনার নির্যাস দিয়ে পাতাগুলি তৈরি। গরম ভাতের সংস্পর্শে এসে সোনা গলে গিয়ে ভাতের সঙ্গে মিশতে যায়। ফলে ভাতের রংও বদলে হয়ে যায় সোনালি। দেখে মনে হবে অতিথিদের পরিবেশন করা হয়েছে সোনার ভাত।

কর্ণাটকে বিজেপির এক বড় নেতা গালি জনার্দন রেড্ডির মেয়ের বিয়ের দায়িত্বে ছিল রাধা কৃষ্ণার ওই সংস্থা। ওই বিয়েতে খরচ হয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। রাধা কৃষ্ণা জানিয়েছেন, এমন গ্রাহক পেলে ফের কোনও নতুন চমক আনতে তিনি প্রস্তুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাখাইনে সহিংসতায় নিহত ৪০০: মিয়ানমার সেনাবাহিনী
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের উপর নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতায় কমপক্ষে ৪০০ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী । জাতিসংঘ সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাখাইনে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের চেকপোস্টে হামলা পরবর্তী সামরিক প্রতি আক্রমণ শুরু হওয়ার পরে ৩৮ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
রয়টার্সকে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা জানান, আগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত ৩৮ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দাবি, তারা উগ্রবাদী জঙ্গি নির্মূলে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ পরিচালনা করছে এবং সেনাবাহিনীকে বলা হয়েছে বেসামরিক জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিম্চিত করতে। কিন্তু বাংলাদেশে পলায়নরত রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার পায়তারা করছে।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সর্বশেষ শুরু হওয়া সংঘর্ষে এক সপ্তাহে ৩৭০ রোহিঙ্গা জঙ্গি, ১৩ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, দুই জন সরকারি কর্মকর্তা ও ১৪ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এর আগে ২০১২ সালে রাখাইন প্রদেশের রাজধানী সিতওয়েতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ২০০ জন নিহত হয়েছে, প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে টেলিফোনে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের আলাপ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে টেলিফোন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বৃহস্পতিবার রাতে টেলিফোনে তিনি তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুপ্রতীম সম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা করেন। টেলিফোনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য তুরস্কের জনগণের আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বর্তমান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিরাজমান পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চলমান নিপীড়ন ও মাত্রাতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এরদোয়ান এ যাবতকালে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সহায়তায় এবং চলমান সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের প্রতি তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুরস্ক কর্তৃক এতদ্বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সম্পর্কে অবহিত করেন। রোহিঙ্গাবিষয়ক সমস্যাটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামের আলোচনায় উপস্থাপনে তুরস্কের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এবং জনগণকে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে টেলিফোন আলাপ ও বাংলাদেশের প্রতি তার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি অত্যাচার ও দমন-পীড়নের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাশে কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সম্পর্কে অবহিত করেন এবং বলেন, সীমিত সম্পদ ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি-নীতি অনুযায়ী মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা মুসলিমদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছে। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অবস্থানের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিবেশগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ তাদের প্রতি খাদ্য, বাসস্থান, ওষুধ, শিক্ষা ও অন্যান্য সব সুবিধাদি প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

তিনি অবিলম্বে সহিংসতা থেকে রক্ষার উদ্দেশে মিয়ানমারের সাধারণ নাগরিকদের জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশসমূহ অবিলম্বে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ বিষয়ে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে তুরস্কের অব্যাহত সহায়তা কামনা করেন এবং তুরস্কের ভবিষ্যত সহায়তার অভিপ্রায়কে স্বাগত জানান।

আলোচনা শেষে তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে তিনি ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং রোহিঙ্গা সমস্যায় তুরস্কের সমর্থন ও তার টেলিফোন কলের জন্য পুনর্বার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলখানায় বসেও ছলচাতুরী করছেন বাবা গুরমিত রাম!

ভারতের ধর্ষক ধর্মগুরু রাম রহিম সিং জেলে গিয়েও নানা কাণ্ড ঘটাচ্ছেন। আদালতের নিয়ম অনুযায়ী তাকে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাই জেলখানায় বাধ্যতামূলকভাবে কাজ করতে হবে তাকে।সেই মতো হরিয়ানার সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষক বাবাকে ‘পাপোশ’ তৈরির কাজ দিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।বুধবার থেকেই তাকে সেই কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু পাপোশ তৈরির কাজে ফাঁকি দেয়ার জন্য অসুস্থতার ভান করছেন তিনি।

কাজ না করার জন্য মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে অজ্ঞান হওয়ার নাটক করছেন। ক্ষেপে গিয়ে মাঝে মাঝেই উচ্চপদস্থ কারা কর্মকর্তাদের অভিশাপও দিচ্ছেন ডেরা সাচ্চা সৌদার প্রধান।এক কারা কর্মকর্তা ডিউটি থেকে ফিরে তার ঘনিষ্ঠদের বলেন, ‘বাবাজিকে নিয়ে আর পারা যাচ্ছে না। তাকে পাপোশ তৈরি করতে বললেই অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ভান করছেন। কারা কর্মকর্তারা কাজ করার জন্য জোর করলে তাদের অভিশাপ দিচ্ছেন।–কালেরকন্ঠ।

উল্লেখ্য, ধর্মগুরু রাম রহিম ডেরা সাচা সাওদার প্রধান। তার অধীনে ৩৮টির মতো আশ্রম রয়েছে। মূল আশ্রমটি হরিয়ানার সিরসায়। গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জনপ্রিয়তা কুড়ালেও তার জীবন-যাপন নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। আশ্রমের নারী সেবিকাদের ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। খুনের অভিযোগও আছে। তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বললে নানাভাবে তাদের হয়রানি করা হতো। তার অর্থের উৎস নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।আশ্রমের দুই নারীকে ধর্ষণের দায়ে পৃথক দুই মামলায় ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে তার। এখন তিনি রোতাকের কারাগারে সাধারণ আসামির মতো সাজা খাটছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest