ঢাকা : সাংবাদিকদের বেতন ভাতাদি পরিশোধ না করে পবিত্র ঈদুল আযহার পূর্ব মুহূর্তে চতুরতার আশ্রয় নিয়ে গত ১৩ আগস্ট, ২০১৭ যমুনা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
ডিআরইউ মনে করে, ঈদের আগে সাংবাদিকদের পাওনাদি পরিশোধ না করার হীন মানসিকতা থেকেই প্রতিষ্ঠানটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে করে ডিআরইউ’র কার্যনির্বাহী কমিটির একজন কর্মকর্তাসহ একাধিক সদস্যকে মানবেতর জীবন যাপনের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। বিনা নোটিশে যমুনা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম বন্ধ করে দেওয়ার কর্তৃপক্ষয়ে এমন সিদ্ধান্ত শুধু গণমাধ্যম বিরোধী পদক্ষেপই নয়, এটি শ্রমিক আইন পরিপন্থীও বটে।
ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে যমুনানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের হঠকারি পদক্ষেপ থেকে সরে আসার আহবান জানান। সেই সাথে বন্ধ প্রতিষ্ঠানটি খুলে দিয়ে অর্ধ শতাধিক সাংবাদিক কর্মচারিকে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া এবং পবিত্র ঈদুল আযহার পূর্বেই তাদের বকেয়া বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করার দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, অন্যথায় উদ্ভুত পরিস্থিতির সকল দায়ভার যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।

শুক্রবার রাতে ছোঁয়া পরিবহনের যে বাস বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ গিয়েছিল, সেই একই বাস সোমবার মধুপুর অতিক্রম করার সময় পুলিশ আটকায়। এরপর ওই বাসের চালক হাবিব (৪৫), সুপারভাইজার সফেদ আলি (৫৫) এবং বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসের তিন সহকারী রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে, ওই দিন বাসে রূপাসহ ছয় থেকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। অন্য যাত্রীরা সিরাজগঞ্জ মোড় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় রূপা একাই বাসে ছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাছাকাছি এলে বাসের সহকারী শামীম জোর করে রূপাকে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যায়। এ সময় রূপা তাঁর কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা ও মুঠোফোন শামীমকে দিয়ে দেন এবং ক্ষতি না করতে অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাঁকে ধর্ষণ করে। রূপা চিৎকার শুরু করলে ধর্ষকেরা তাঁর মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে ঘাড় মটকে রূপাকে হত্যা করা হয়। পরে মধুপুর উপজেলা সদর পেরিয়ে বন এলাকা শুরু হলে পঁচিশ মাইল এলাকার রাস্তার পাশে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়।
