ত্রিশমাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় সাইকেল চালক নিহত

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরার ত্রিশমাইলে পিক-আপের চাকায় পিষ্ট হয়ে কাঁচামাল ব্যবসায়ী এক সাইকেল চালক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তালা উপজেলার ত্রিশমাইল নামক স্থানে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাইকেল চালকের নাম সঞ্জিত রায় (৪০)। তিনি তালা উপজেলার আসাননগর গ্রামের অমল রায়ের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাচাঁমাল ব্যাবসায়ি সঞ্জিত রায় বাইসাইকেল যোগে কাঁচামাল নিয়ে তার বাড়ি আসাননগর থেকে বিনেরপোতা বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ত্রিশমাইল নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে একটি পিক-আপ তাকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্যা জাকির হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন রাতে একজন যুবতীকে বাবা’র কাছে পাঠাতে হত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাবা অবশেষে শ্রীঘরে। বিশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ৪০ টাকা দৈনিক মজুরির কয়েদি। কিন্তু তাঁকে নিয়ে নিরন্তর আলোচনার স্রোত কিন্তু বহমান। প্রতিদিনই বাবা রাম রহিমের কীর্তির নতুন নতুন অধ্যায় সামনে আসছে। এ বার মুখ খুললেন এম নারায়ণন, বাবার ধর্ষণ মামলার মুখ্য তদন্ত আধিকারিক।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, “লোকটা বিকারগ্রস্ত, সত্যিকারের পশু!” রাম রহিমের হাবভাব যে একজন মধ্যযুগীয় রাজার মতো সে কথা উল্লেখ করে নারায়ণন জানান, প্রতিদিন রাত ১০টার সময়ে প্রধান সাধ্বীর কাছে বাবার ফোন আসত। সেই ফোনে তিনি নির্দেশ দিতেন, একজন যুবতীকে তার সঙ্গে শুতে পাঠাতে। পাশাপাশি তিনিও জানান, রাম রহিমের সংগ্রহে ছিল কন্ডোম ও গর্ভ নিরোধক পিলের বিপুল সংগ্রহ।

নারায়ণন জানান তদন্তে নেমে তারা জানতে পেরেছিলেন, ১৯৯৯ থেকে ২০০২ এই সময়কালের মধ্যে ২০০ জন মহিলা ডেরা সচ্চা সৌদা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে। এদের মধ্যে মাত্র ১০ জনের সন্ধান পেয়েছে সিবিআই। যাদের মধ্যে ২ জনের বয়ান অনুসারে শেষমেশ রাম রহিমের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে সিবিআই।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের প্রশংসা করে নারায়ণন জানান, কেমন করে তিনি সিবিআইকে সাহায্য করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার বাবা গুরমিত রাম রহিমকে ২০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে সিবিআই-এর বিশেষ আদালত। ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিতের বিরুদ্ধে তারই আশ্রমের দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন শুক্রবারই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে সরকারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে -৩২ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি

দেশের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার ৩২জন বিশিষ্ট নাগরিক এক বিবৃতির মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রতি তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের মাধ্যমে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে আইনসম্মত, গণতান্ত্রিক সরকারকে প্রচ্ছন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ চারু শিল্পী সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিল্পী মো. মনিরুজ্জামানের পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রদত্ত ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যবেক্ষণে কিছু অপ্রাসঙ্গিক এবং অনাকাক্ষ্মিত বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে। ফলে একটি অনভিপ্রেত বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে আইনসম্মত, গণতান্ত্রিক সরকারকে প্রচ্ছন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে আমরা আরো উদ্বিগ্ন বোধ করছি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রায়ের পরে রায়কে কেন্দ্র করে অত্যন্ত সুকৌশলে নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে একটি অচলাবস্থা তৈরির অপপ্রয়াসও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, কোনো কোনো রাজনৈতিক মহল বিষয়টি নিয়ে অতি উৎসাহী তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এতে মনে হয় পরিকল্পিতভাবে দেশে একটি কৃত্রিম রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টাও হচ্ছে। আরো উদ্বেগের বিষয় কেউ কেউ বিবৃতি দিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির এই অপপ্রয়াসকে প্রকারান্তরে ইন্ধন যোগাচ্ছেন।

বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী নাগরিকবৃন্দ অত্যন্ত বিচলিত এবং উদ্বিগ্ন। আমরা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই ধরণের অগণতান্ত্রিক অপচেষ্টা দেশের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না। আর তাই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে জনগণের কাছে আমাদের আহ্বান, এই অশুভ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সজাগ থাকুন এবং ধৈর্য্য ধারণ করুন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার এই জাতীয় অপতৎপরতা কখনো সফল হতে পারে না।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরদাতারা হলেন- ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ড. অনুপম সেন, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, ড. হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, রামেন্দু মজুমদার, ড. নিম ভৌমিক, ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আবেদ খান, ড. আনোয়ার হোসেন, ড. মিজানুর রহমান, সাংবাদিক রাহাত খান, সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার, মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, শাহরিয়ার কবির, রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, রাষ্ট্রদূত ওলিউর রহমান, ড. দূর্গাদাস ভট্টাচার্য, ড. আতিউর রহমান, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, শিল্পী হাসেম খান, শিল্পী রফিকুন্নবী (রণবী), নায়ক ফারুক, নায়ক এম এ আলমগীর, অধ্যাপক নিসার হোসেন, অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক শফিকুর রহমান, সাংবাদিক ফরিদা ইয়াসমিন, শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপিকা পান্না কায়সার এবং গোলাম কুদ্দুস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেকনাফে ভেসে উঠল ১০ রোহিঙ্গা শিশু ও ৯ নারীর মরদেহ

নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে সেখানকার রাখাইন রাজ্য হতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পথে সাগরে নৌকাডুবিতে মৃত্যু হয়েছে ১৯ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর। তাদের মধ্যে ১০ জন শিশু এবং ৯ জন নারী।

বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ এলাকার মাজারপাড়া তীরে তাদের মরদেহগুলো ভেসে উঠে।

এ নিয়ে গত দুইদিনে ২৩ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হলো। যারা সবাই নারী ও শিশু। বুধবার ভোরে সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় দুই নারী ও শিশুসহ চার জনের মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সাবরাং ইউপি সদস্য নূরুল আমিন জানান, গত দুইদিনে রোহিঙ্গা বোঝাই তিনটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তীরে ১৯টি মৃতদেহ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে নারী-শিশু রয়েছে। নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় কয়েকটি মরদেহ তীরে পাওয়া গেছে বলে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

এ মৃতদেহগুলো উদ্ধার করতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ৩০টি পুলিশ ফাঁড়ি ও একটি সেনাঘাঁটিতে সমন্বিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে অন্তত শতাধিক ব্যক্তি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং বাকি ৫৯ জন ‘রোহিঙ্গা মুসলিম বিদ্রোহী’ বলে দেশটির সরকার ও সেনাবাহিনী নিশ্চিত করে।

গত বছরের অক্টোবরে সীমান্তরক্ষীদের চৌকিতে হামলার পরেই রাখাইনদের গ্রামে-গ্রামে অভিযান চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। এ সময় নির্বিচারে রোহিঙ্গা হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয় বলে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠে।

সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে গত বছর। অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা।

এছাড়াও গত কয়েক দশকে ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা এদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে দাবি সরকারের। তাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বিতীয় টেস্টে অপরিবর্তিত বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের স্কোয়াডে পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। মিরপুরের দলটাই থাকছে চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত বাঁ-চোখের কর্নিয়ায় ভাইরাল ইনফেকশন থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় দ্বিতীয় টেস্টেও রাখা হয়নি তাকে।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হবে ম্যাচটি। মিরপুরে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে সিরিজের ১-০তে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।

চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া দল থেকে ছিটকে গেছেন পেসার হ্যাজেলউড। স্পিন শক্তি বাড়াতে তার জায়গায় বাংলাদেশে আসছেন বাঁহাতি স্পিনার ও’কিফ।

দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ দল :
মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল (সহ-অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসির হোসেন, শফিউল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মুমিনুল হক, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ পবিত্র হজ; আরাফাত ময়দানে মুসল্লিরা

আজ পবিত্র হজ। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের ২০ লাখ মুসল্লিরা হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে পবিত্র আরাফাত ময়দানের দিকে রওনা হয়েছেন।

সেখানে সারাদিন খুতবা শুনে আসরের নামাজের আগে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করবেন হাজিরা।

মিনায় প্রথম দিন অবস্থানের পর হাজিদের গন্তব্য এখন আরাফাতের দিকে। ফজরের নামাজের পর থেকেই মুসল্লিরা হজের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য পবিত্র আরাফাত ময়দানে জমায়েত হচ্ছেন।

মিনা থেকে আরাফাত ১৪ কিলোমিটার পথ এখন লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক ধ্বনিতে মুখরিত। পবিত্র আরাফাত ময়দানেই সারাদিন চলবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

পবিত্র আরাফাত ময়দানে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম। দুপুরে আরাফাত ময়দানের মসজিদে নামিরার মিম্বারে দাঁড়িয়ে সারা দুনিয়ার মুসলমানদের জন্য খুতবা দেবেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি।

খুতবা শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হবে। অন্য হাজিদের মতো ১ লাখ ২৭ হাজার জন বাংলাদেশিও মিনা থেকে আরাফাত ময়দানে জমায়েত হচ্ছেন।

পবিত্র হজকে ঘিরে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ময়দান, মুজদালিফা এবং এর আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি সরকার। তবে প্রচণ্ড গরম অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের নির্বাসনে নওয়াজ শরিফ?

সম্প্রতি নওয়াজ শরিফের লন্ডন যাত্রা ঘিরে নির্বাসনের বিষয়টি দানা পাকছে। পাকিস্তানের রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, সফরের মোড়কে দেশত্যাগী হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ।
এর পিছনে পাক সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদত আছে। বহু কোটি টাকার পানামা পেপারস তথ্য ফাঁস হওয়ার পর পারিবারিক দুর্নীতির বোঝা মাথায় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন শরিফ।

পাক সংবাদ মাধ্যমের খবর, নওয়াজ শরিফ লন্ডন থেকে সহসা দেশে ফিরছেন না। তবে শরিফের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দেশের মানুষের ভালোবাসা থেকে তিনি দূরে থাকতে পারবেন না। এদিকে পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) জানিয়েছে, ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রী কুলসুম নওয়াজকে দেখতেই লন্ডন গেছেন নওয়াজ শরিফ। সেখানে তিনি দশ দিন থাকবেন। স্ত্রীর অসুস্থতার কথা বিবেচনা করেই নওয়াজ শরিফের লন্ডন থাকার সময় সীমা নির্ভর করবে। যদিও বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ (পিটিআই) জানিয়েছে, ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টোবিলিটি ব্যুরোর বিভিন্ন মামলায় জড়িত শরিফ এখনই দেশে ফিরছেন না।

এর আগেও পাকিস্তান ত্যাগ করেছিলেন নওয়াজ শরিফ। ২০০৭ সালে নওয়াজকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসেন পারভেজ মোশাররফ। তারপরেই সপরিবারে দেশ ছেড়েছিলেন নওয়াজ শরিফ। কখনও সৌদি আরব, কখনও ইংল্যান্ডেই থাকতেন। দেশ ফিরতে চেয়ে চেষ্টা করলেও তাঁকে আটকে দিয়েছিল তৎকালীন সেনা সরকার।

পানামা পেপারস কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষিত হয়েছেন নওয়াজ শরিফ। এরপর পদত্যাগ করেন। পাক জাতীয় সংসদে তাঁর আসনটি শূন্য হয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সেই শূন্য আসনে নির্বাচনের কথা। ওই আসনে পিএমএল(এন)-এর হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুলসুম নওয়াজ। অন্যদিকে পাকিস্তানের পরবর্তী পূর্ণ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে আসছেন নওয়াজ ভ্রাতা শাহবাজ শরিফ৷ বর্তমানে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আসিফ খাকান আব্বাসী। খবর কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ শারজিল

স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন পাকিস্তানি ওপেনার শারজিল খান। পাকিস্তান সুপার লীগে (পিএসএল) স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে করা মামলায় দেশটির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনাল বুধবার তাকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেন।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দুর্নীতি বিরোধী নিয়ম ভঙ্গ করায় গত ফেব্রুয়ারিতে আরেক ওপেনার খালিদ লতিফসহ ২৮ বছর বয়সী শারজিলকে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয়।

তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের প্রধান আসগত হায়দার বলেন, ‘শারজিলকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যার মধ্যে আড়াই বছর সাময়িক নিষিদ্ধ থাকবে।

‘তার বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ আমরা তদন্ত করেছি এবং সত্যতা পেয়েছি। ’

পিসিবির খেলোয়াড় বিধি অনুযায়ী কোনো শাস্তির বিরুদ্ধে ১৪ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ পাবে খেলোয়াড়রা।

শারজিল ছাড়াও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে স্পট ফিক্সিংসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে মোহাম্মদ ইরফান জুয়ারিদের কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলে তাকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ ও এক লাখ রুপি জরিমানা করা হয়।

আরেক ওপেনার খালিদ লতিফের মামলার রায় আগামী মাসে ঘোষণা করা হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest