‘প্রত্যেকদিন হাজার হাজার প্রেমের প্রস্তাব আসে’

শ্রীলেখা মিত্র, টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। আবেদনময়ী এ তারকার কমেডি শো ‘মীরাক্কেল’-এর বিচারক হিসেবে রয়েছে দারুণ জনপ্রিয়তা।
আর ক্যারিয়ারে ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’, ‘এক মুঠো ছবি’, ‘কাঁটাতার’, ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘চৌকাঠ’-এর মতো বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্রও উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয় ও রূপের জাদুতে দুই বাংলায় রয়েছে তার অসংখ্য ভক্ত।

ব্যক্তি জীবনে শ্রীলেখা ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন শিলাদিত্যকে। তাদের ঘরে রয়েছে এক কন্যা সন্তান। তবে দীর্ঘ দিনের সংসার জীবনের ইতি টেনে মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকছেন শ্রীলেখা। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এ আলাপচারিতায় প্রেম-বিয়েসহ নানা বিষয় উঠে এসেছে। এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, এখনো কী তিনি একাই আছেন? বয়ফ্রেন্ড বা নতুন করে বিয়ে করার কথা ভাবছেন কিনা?

জবাবে শ্রীলেখা বলেন, ‘না, বিয়ের কথা ভাবছি না। আমার মনে হয় না বিয়ে করব। বন্ধুবান্ধব অবশ্যই রয়েছে। বয়ফ্রেন্ড ওরকম কেউ নেই। বন্ধু রয়েছে। বান্ধবীরা রয়েছে। আমি নিজেকে একা মনে করতেই পারি না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মেয়ে রয়েছে। আমার একটা কুকুর ছানা রয়েছে। সে আমার ছেলে- চিন্তামণি। সুতরাং আমি একদম একা ফিল করি না। ’

কারো কারো কাছে এখনো তিনি ফ্যান্টাসি। এখন প্রেমের প্রস্তাব এলে কী করবেন? জবাবে শ্রীলেখা বলেন, ‘প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যেকদিন হাজার হাজার আসে। তার মানে আমি গদগদ হয়ে যাই তা নয়। আমারও তো ভালো লাগতে হবে। সবার সঙ্গে তো আমি প্রেম করতে পারব না। যারা এসব করতে চান করুন। আমার অসুবিধে নেই। অভিনেত্রীদের লোকে যদি ফ্যান্টাসাইজ না করে তা হলে সে কীসের অভিনেত্রী। আমার অভিনয় বা আমার শরীর দেখতে যদি কারো ভালো লাগে ক্ষতি কী? আমার এসব নিয়ে মাথাব্যথা নেই। কেউ যদি প্রেম নিবেদন করে তাকে দেখব। আমার ভালো লাগলে প্রেম করব না হলে নয়। প্রচুর লোককে আমি ফোনে ও হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করেছি। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যারিয়ার-সেরা র‍্যাংকিংয়ে সাকিব-তামিম

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে প্রথমবারের মতো জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের অসাধারণ নৈপুণ্যের কারণেই জয় পেয়েছে টাইগাররা। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেটে নিয়েছেন সাকিব, করেছেন ৫৯ রান। আর ব্যাট হাতে দুই ইনিংসেই উজ্জ্বল ছিলেন তামিম। প্রথম ইনিংসে ৭১ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ৭৮ রান। এ দুই ক্রিকেটারের অনবদ্য পারফরম্যান্সে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। পরের দিন ব্যক্তিগত পুরস্কারটাও পেয়েছেন সাকিব-তামিম। আইসিসি ঘোষিত র‍্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার-সেরা অবস্থানে রয়েছেন তাঁরা।

মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে অসাধারণ ব্যাটিং করা তামিম ব্যাটসম্যানদের তালিকায় রয়েছেন ১৪তম অবস্থানে। ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ১০ ধাপ উন্নতি হয়েছে টাইগার ওপেনারের। গত মাসে করা র‍্যাংকিংয়ে ২৪তম স্থানে ছিলেন তিনি। এর আগে ২০১০ সালে ক্যারিয়ার-সেরা ২০তম স্থানে ছিলেন তামিম। বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ এক শতক করায় তিন ধাপ এগিয়ে ডেভিড ওয়ার্নার রয়েছেন ৬ নম্বর স্থানে। দল হারলেও অসি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ রয়েছেন এক নম্বরে। সেরা পাঁচের পরের নামগুলো হলো—জো রুট, কেইন উইলিয়ামসন, চেতেশ্বর পুজারা ও বিরাট কোহলি।

ঢাকা টেস্টে অসাধারণ ব্যাটিং করায় র‍্যাংকিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ১৭তম স্থানে রয়েছেন তিনি। আগের র‍্যাংকিংয়ে ২২তম স্থানে ছিলেন সাকিব। বাকি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ২৩তম স্থানে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম। মমিনুল হক রয়েছেন ৩৭তম স্থানে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৫৪, সৌম্য সরকার ৬০, ইমরুল কায়েস ৬৯ ও নাসির হোসেন রয়েছেন ৭৫তম অবস্থানে।

বোলিং র‍্যাংকিংয়েও দারুণ উন্নতি হয়েছে সাকিব আল হাসানের। চার ধাপ এগিয়ে টেস্ট বোলারদের মধ্যে ১৪তম স্থানে রয়েছেন তিনি। তবে এটা সাকিবের ক্যারিয়ার-সেরা নয়। ২০১১ সালে বোলারদের তালিকায় সপ্তম স্থানে ছিলেন এই স্পিনার। অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর বাংলাদেশের স্পিনারদের দারুণ উন্নতি হয়েছে। তিন ধাপ এগিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ রয়েছেন ৩০তম স্থানে। চার ধাপ এগিয়ে তাইজুল রয়েছে ৩২-এ। বোলারদের মধ্যে সেরা পাঁচে রয়েছেন যথাক্রমে রবীন্দ্র জাদেজা, জেমস অ্যান্ডারসন, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রঙ্গনা হেরাথ ও জস হ্যাজেলউড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় ওসির ১০ বছর কারাদণ্ড

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা ওহিদুজ্জামান শিপলু হত্যা মামলায় তাহিরপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিনকে ১০ বছরের সশ্রম করাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাস এ রায় দেন।

একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলসহ বাকি ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। এ রায় ঘোষণার পর আদালত আঙিনায় থাকা উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুলের কয়েক হাজার সমর্থক উচ্ছাস প্রকাশ করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০২ সালের ২০ মার্চ রাত সাড়ে ৩টায় তাহিরপুর উপজেলার ভাটিতাহিরপুর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলামের বাড়িতে আসামি ধরতে গেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন তাহিরপুর জয়নাল আবেদনী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ওহিদুজ্জামান শিপলু। ঘটনার তিনদিন পর তার মা আমিরুন নেছা বাদী হয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও চার বিনএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জের আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ তাহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

খালাস পাওয়া বাকি আসামিরা হলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুনাব আলী, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুল হাসান উজ্জ্বল, তাহিরপুর থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক রফিক এবং বিএনপি কর্মী শাহীন ও শাহজাহান।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন জানান, মামলার রায়ে তারা সন্তুষ্ট নন। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাধিক নাশকতা মামলায় পাটকেলঘাটায় শিবিরের সভাপতি হাদিউজ্জামান আটক

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে একাধিক নাশকতা মামলার পলাতক আসামী ও পাটকেলঘাটা থানা ছাত্র শিবিরের সভাপতিকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বলফিল্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ছাত্র শিবির সভাপতির নাম হাদিউজ্জামান মোড়ল (২৫)। তিনি খলিশখালী ইউনিয়নের চোমরখালী গ্রামের লিয়াকত আলী মোড়লের ছেলে।
পুলিশ জানায়, একাধিক নাশকতা মামলার পলাতক আসামী হাদিউজ্জামান মোড়ল ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়িতে আসছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাটকেলঘাটা থানার বলফিল্ড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্যা জাকির হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ছাত্র শিবির সভাপতি হাদিউজ্জামানের নামে একাধিক নাশকতার মামলা রয়েছে। তাকে পাটকেলঘাটা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রিশমাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় সাইকেল চালক নিহত

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরার ত্রিশমাইলে পিক-আপের চাকায় পিষ্ট হয়ে কাঁচামাল ব্যবসায়ী এক সাইকেল চালক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তালা উপজেলার ত্রিশমাইল নামক স্থানে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাইকেল চালকের নাম সঞ্জিত রায় (৪০)। তিনি তালা উপজেলার আসাননগর গ্রামের অমল রায়ের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাচাঁমাল ব্যাবসায়ি সঞ্জিত রায় বাইসাইকেল যোগে কাঁচামাল নিয়ে তার বাড়ি আসাননগর থেকে বিনেরপোতা বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ত্রিশমাইল নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে একটি পিক-আপ তাকে চাপা দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্যা জাকির হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন রাতে একজন যুবতীকে বাবা’র কাছে পাঠাতে হত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাবা অবশেষে শ্রীঘরে। বিশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ৪০ টাকা দৈনিক মজুরির কয়েদি। কিন্তু তাঁকে নিয়ে নিরন্তর আলোচনার স্রোত কিন্তু বহমান। প্রতিদিনই বাবা রাম রহিমের কীর্তির নতুন নতুন অধ্যায় সামনে আসছে। এ বার মুখ খুললেন এম নারায়ণন, বাবার ধর্ষণ মামলার মুখ্য তদন্ত আধিকারিক।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, “লোকটা বিকারগ্রস্ত, সত্যিকারের পশু!” রাম রহিমের হাবভাব যে একজন মধ্যযুগীয় রাজার মতো সে কথা উল্লেখ করে নারায়ণন জানান, প্রতিদিন রাত ১০টার সময়ে প্রধান সাধ্বীর কাছে বাবার ফোন আসত। সেই ফোনে তিনি নির্দেশ দিতেন, একজন যুবতীকে তার সঙ্গে শুতে পাঠাতে। পাশাপাশি তিনিও জানান, রাম রহিমের সংগ্রহে ছিল কন্ডোম ও গর্ভ নিরোধক পিলের বিপুল সংগ্রহ।

নারায়ণন জানান তদন্তে নেমে তারা জানতে পেরেছিলেন, ১৯৯৯ থেকে ২০০২ এই সময়কালের মধ্যে ২০০ জন মহিলা ডেরা সচ্চা সৌদা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে। এদের মধ্যে মাত্র ১০ জনের সন্ধান পেয়েছে সিবিআই। যাদের মধ্যে ২ জনের বয়ান অনুসারে শেষমেশ রাম রহিমের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে সিবিআই।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের প্রশংসা করে নারায়ণন জানান, কেমন করে তিনি সিবিআইকে সাহায্য করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার বাবা গুরমিত রাম রহিমকে ২০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে সিবিআই-এর বিশেষ আদালত। ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিতের বিরুদ্ধে তারই আশ্রমের দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন শুক্রবারই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে সরকারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে -৩২ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি

দেশের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার ৩২জন বিশিষ্ট নাগরিক এক বিবৃতির মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রতি তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের মাধ্যমে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে আইনসম্মত, গণতান্ত্রিক সরকারকে প্রচ্ছন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ চারু শিল্পী সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিল্পী মো. মনিরুজ্জামানের পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রদত্ত ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যবেক্ষণে কিছু অপ্রাসঙ্গিক এবং অনাকাক্ষ্মিত বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে। ফলে একটি অনভিপ্রেত বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে আইনসম্মত, গণতান্ত্রিক সরকারকে প্রচ্ছন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে আমরা আরো উদ্বিগ্ন বোধ করছি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রায়ের পরে রায়কে কেন্দ্র করে অত্যন্ত সুকৌশলে নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে একটি অচলাবস্থা তৈরির অপপ্রয়াসও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, কোনো কোনো রাজনৈতিক মহল বিষয়টি নিয়ে অতি উৎসাহী তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এতে মনে হয় পরিকল্পিতভাবে দেশে একটি কৃত্রিম রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টাও হচ্ছে। আরো উদ্বেগের বিষয় কেউ কেউ বিবৃতি দিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির এই অপপ্রয়াসকে প্রকারান্তরে ইন্ধন যোগাচ্ছেন।

বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী নাগরিকবৃন্দ অত্যন্ত বিচলিত এবং উদ্বিগ্ন। আমরা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই ধরণের অগণতান্ত্রিক অপচেষ্টা দেশের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না। আর তাই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে জনগণের কাছে আমাদের আহ্বান, এই অশুভ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সজাগ থাকুন এবং ধৈর্য্য ধারণ করুন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার এই জাতীয় অপতৎপরতা কখনো সফল হতে পারে না।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরদাতারা হলেন- ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ড. অনুপম সেন, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, ড. হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, রামেন্দু মজুমদার, ড. নিম ভৌমিক, ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আবেদ খান, ড. আনোয়ার হোসেন, ড. মিজানুর রহমান, সাংবাদিক রাহাত খান, সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার, মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, শাহরিয়ার কবির, রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, রাষ্ট্রদূত ওলিউর রহমান, ড. দূর্গাদাস ভট্টাচার্য, ড. আতিউর রহমান, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, শিল্পী হাসেম খান, শিল্পী রফিকুন্নবী (রণবী), নায়ক ফারুক, নায়ক এম এ আলমগীর, অধ্যাপক নিসার হোসেন, অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক শফিকুর রহমান, সাংবাদিক ফরিদা ইয়াসমিন, শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপিকা পান্না কায়সার এবং গোলাম কুদ্দুস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেকনাফে ভেসে উঠল ১০ রোহিঙ্গা শিশু ও ৯ নারীর মরদেহ

নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে সেখানকার রাখাইন রাজ্য হতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পথে সাগরে নৌকাডুবিতে মৃত্যু হয়েছে ১৯ রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর। তাদের মধ্যে ১০ জন শিশু এবং ৯ জন নারী।

বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ এলাকার মাজারপাড়া তীরে তাদের মরদেহগুলো ভেসে উঠে।

এ নিয়ে গত দুইদিনে ২৩ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হলো। যারা সবাই নারী ও শিশু। বুধবার ভোরে সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় দুই নারী ও শিশুসহ চার জনের মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সাবরাং ইউপি সদস্য নূরুল আমিন জানান, গত দুইদিনে রোহিঙ্গা বোঝাই তিনটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তীরে ১৯টি মৃতদেহ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে নারী-শিশু রয়েছে। নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় কয়েকটি মরদেহ তীরে পাওয়া গেছে বলে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

এ মৃতদেহগুলো উদ্ধার করতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ৩০টি পুলিশ ফাঁড়ি ও একটি সেনাঘাঁটিতে সমন্বিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে অন্তত শতাধিক ব্যক্তি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং বাকি ৫৯ জন ‘রোহিঙ্গা মুসলিম বিদ্রোহী’ বলে দেশটির সরকার ও সেনাবাহিনী নিশ্চিত করে।

গত বছরের অক্টোবরে সীমান্তরক্ষীদের চৌকিতে হামলার পরেই রাখাইনদের গ্রামে-গ্রামে অভিযান চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। এ সময় নির্বিচারে রোহিঙ্গা হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয় বলে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠে।

সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে গত বছর। অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা।

এছাড়াও গত কয়েক দশকে ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা এদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে দাবি সরকারের। তাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest