সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

মিরপুরে চলেছে টাইগারদের স্পিন ভেলকি; অস্ট্রেলিয়া ১২৩/৬

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের খেলায় শেষ বিকেলে চমক দেখিয়ে ম্যাচে ফিরেছিল বাংলাদেশ। প্রথম দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে অজি অধিনায়ককে নিয়েই চিন্তার কথা বলেছিলেন সাকিব। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সেই বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান স্মিথকে সাজঘরে ফিরিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি এনে দেন মেহেদী মিরাজ।

তবে স্মিথ ফিরে গেলেও দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন হ্যান্ডসকম্ব ও রেনশো। হ্যান্ডসকম্বকে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে ফিরেয়ে সেই পার্টনারশিপ ভাঙ্গেন তাইজুল ইসলাম। রেনশোকে ফেরান সাকিব। এখন চলছে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সত্যিই কি মোদির হেলিকপ্টারে করে জেলে যান ধর্ষক রাম রহিম?

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি দুটি ভাইরাল। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে হেলিকপ্টারে বসে সদ্য ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত গুরু রাম রহিম সিং।
তার পরনে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি, পায়ে সাদা জুতা। মুখে হাত (নখ কামড়াচ্ছেন?) দিয়ে বসে আছেন। যে হেলিকপ্টারে তিনি বসে আছেন তার গায়ে লেখা AW139 ।

আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে- হেলিকপ্টার থেকে নামছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হেলিকপ্টারের গায়ে লেখা AW139। এই ছবিটি অবশ্য এক বছর পুরনো। ছবি দুটিতে একটাই কমন বিষয়। আর সেটা হল হেলিকপ্টারের গায়ে লেখা সংখ্যাটা। AW139 আসলে অগষ্টা ওয়েস্টল্যান্ডের হেলিকপ্টার। এই কপ্টারের মালিক আবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ উদ্যোগপতি আদানি।

এই হেলিকপ্টারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মাঝে মধ্যেই চড়তে দেখা যায়। সেই হেলিকপ্টারে কিনা ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এক অপরাধীকে উড়িয়ে জেলে নিয়ে যাওয়া হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। ইতিমধ্যে ছবিটি ভাইরাল হয়ে গেছে। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে কাঁচা ছোলা!

উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার কাঁচা ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। কাঁচা ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল-

১। কোলেস্টেরল কমায়ঃ ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।

২। ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ বেশি পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক অ্যাসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে অ্যাজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন।

৩। ডায়াবেটিসে উপকারিঃ ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই ২-টাইপ ডায়াবেটিস এর উপকারে আসে।

৪। রক্ত চলাচল সচল রাখেঃ এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

৫। শরীরের রোগ প্রতিরোধ করেঃ কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সূত্রঃ স্টাইল ক্রেইজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল বাবা রাম রহিমের!

ভারতের হিন্দুত্ববাদী ধর্মীয় সংগঠন ‘ডেরা সচ্চা সৌদা’র প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। প্রভাবশালী অপরাধী বলে কথা।
তাই জেলের মধ্যেও স্বঘোষিত এই গডম্যানের সব রকম সুযোগ সুবিধার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

এদিকে বাবা রাম রহিমের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের দিকে গুরুতর অভি‌যোগ করেছিলেন তার দত্তক কন্যা হানিপ্রীতের স্বামী বিশ্বাস গুপ্তা। তার অভি‌যোগ ছিল, পালক কন্যা হানিপ্রীতের সঙ্গে রাম রহিমের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। তবে নিজের পাপ ঢাকতে হানিপ্রীতকে তিনি দত্তক নিয়েছিলেন।

গুপ্তা বিশ্বাসের দাবি, ২০১১ সালে একবার তিনি আশ্রমে বাবার গুফায় গিয়েছিলেন। ঘরের দরজা খোলা ছিল। উঁকি মেরে দেখতেই স্তম্ভিত হয়েছিলেন। আপত্তিকর অবস্থায় ছিলেন রাম রহিম, তার স্ত্রী ও হানিপ্রীত। বিশ্বাস গুপ্তা জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সালে ফতেহাবাদে তাদের বিয়ে হয়েছিল। রাম রহিম ‌যদি হানিপ্রীতকে দত্তক নিয়ে থাকেন, তাহলে উনি আমাকে সঙ্গে থাকতে দেন না কেন? প্রশ্ন তুলেছিলেন বিশ্বাস। ২০১১ সালে তিনি রাম রহিমের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। তবে পরে আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করে নেন। রাম রহিমের সবকটি ছবিতেই দেখা গেছে হানিপ্রীতকে। তার ফেসবুক প্রোফাইল বলছে, হানিপ্রীত সমাজকর্মী, পরিচালক ও অভিনেত্রী।

জানা যায়, বিহার রাজ্যের ডেরা সাচ্চা সওদার আশ্রমের গোপন ডেরায় ‘রাসলীলা’ চালাতেন এ ধর্মগুরু। অঢেল অর্থ-বিত্ত ও দামি দামি গাড়ি, সিনেমার হিরো, বিদেশ সফর আমোদ-প্রমোদের কোন ঘাটতি ছিল না তার জীবনে। ভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রোহতকের সুনারিয়ার জেলে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত গুরু রাম রহিমকে রাখা হয়েছে। তার কয়েদি নম্বর ১৯৯৭। সেখানেই প্রথম রাতে না ঘুমিয়ে কাটাতে হয়েছে ধর্ষক বাবাকে। শুধু তাই নয়, রাতে মাত্র একটি রুটি এবং দুধ খেয়ে ডিনার সারেন তিনি। তবে জেলখানায় গিয়েও নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন রাম রহিম। কয়েদখানাতেও এক নারী রাম রহিমের সঙ্গে রয়েছেন। যদিও সরকারি সূত্রগুলো এমন দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলছে, সাধারণ কয়েদিদের তুলনায় কোনো বাড়তি সুবিধা দেয়া হচ্ছে না রাম রহিমকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হেলিকপ্টারে আসবেন বিচারক, ২৮ কোম্পানি আধা-সেনা মোতায়েন

হেলিকপ্টারে আসবেন বিচারক। আসবেন দুই সহকারী। থাকবে কড়া নিরাপত্তা। রোহতক থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে, সুনারিয়ার জেলা কারাগারেই আগামীকাল সোমবার বসবে বিশেষ সিবিআই আদলত। আর সেখানেই ঘোষিত হবে শিষ্যাকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ভারতের হিন্দু ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের সাজা।

গত শনিবার হরিয়ানা ও পাঞ্জাব হাইকোর্টের তরফ থেকে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আদালত ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করার পর সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত সেখানে ৩৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক। যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুধু রায় ঘোষণায় এই অবস্থা, সাজা ঘোষণা হলে কী হবে? আগামীকাল সোমবার সাজা ঘোষণা নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না হরিয়ানা প্রশাসন। পঞ্চকুলা, চণ্ডীগড়কে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। দুর্গ বানিয়ে ফেলা হয়েছে রোহতককেও। ২৮ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে গোটা শহর জুড়ে।

সোমবার রোহতকের জেলেই বসবে বিশেষ সিবিআই আদালত। জেলের ভেতরে তৈরি হওয়া অস্থায়ী এজলাসে গিয়েই বিচারক জগদীপ সিংহ গুরমিত রাম রহিম সিংহের সাজা ঘোষণা করবেন।

হরিয়ানা পুলিশের ডিজিপি সাংবাদিকদের গতকাল শনিবার জানিয়েছেন, সাজা ঘোষণার দিন আদালতে আনা হবে না রাম রহিম সিংকে। এক্ষেত্রে দুটি রাস্তা খোলা থাকছে। এক, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রায় ঘোষণার সময় হাজির করা হতে পারে তাকে। দুই, কারাগারে বসতে পারে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। সেই আদালত আয়োজন করতে বিশেষ বিমানে উড়িয়ে আনা হতে পারে বিচারক জগদীপ সিংকে।

শনিবারই শুনানি চলাকালীন হরিয়ানা প্রশাসনকে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন হরিয়ানা ও পাঞ্জাব হাইকোর্ট। সাজা ঘোষণার দিন কারাগারেই বিচারশালা বসাতে বলা হয়েছে। সেই জন্য বিমানে উড়িয়ে আনতে হবে বিচারক জগদীপ সিং ও দুই সহকারীকে। সেখানেই ঘোষিত হবে সাজা। এই নিয়ে রোহতক জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে নির্দেশও পাঠিয়ে দিয়েছে আদালত।

সেই নির্দেশে বলা হয়েছে, সুনারিয়ায় রোহতক জেলা কারাগারে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ পাঠিয়ে কোর্টরুম আয়োজন করতে বলা হয়েছে। সেখানে যাতে আইনজীবীরা সহজে যাতায়াত করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

দার্জিলিংয়ে ঘাঁটি ছিল ধর্ষক গুরুর, নাম স্ল্যাক্স বাবা

গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের ‘পদধূলি’ পড়েছিল দার্জিলিংয়েও। সমতল ছাড়িয়ে পাহাড়ে রীতিমতো জমি কিনে, সেখানে স্থায়ী ডেরা তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন গায়ক, নায়ক, পরিচালক, নির্দেশক, স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম।

শনিবার আদালত গুরমিতকে ধর্ষক হিসাবে দোষী সাব্যস্ত করার পর উত্তাল হয়ে ওঠে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা। টিভিতে সেই ছবি দেখানো হয় ফলাও করে। পর্দায় বারবার ভেসে ওঠে রাম রহিমের মুখ। তা দেখেই চমকে ওঠেন পাহাড়ের বাসিন্দারা। এ মুখ যে তাদের বেশ চেনা। বছর কয়েক এই ধর্মগুরুই তো স্ল্যাক্স পরে পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতেন। তার আজব পোশাকের দৌলতে পাহাড়বাসীর কাছে তিনি ‘স্ল্যাক্সবাবা’ নামে পরিচিত ছিলেন।

ধর্ষণে জড়িয়ে যে ধর্মগুরু আজ খবরের শিরোনামে, তার আচার-আচরণ গোড়া থেকেই মুচমুচে খবর ছিল পাহাড়ে। ২০০৯ সালের মে মাসে রাম রহিম প্রথম ৫০টি গাড়ির কনভয় নিয়ে দার্জিলিংয়ে হাজির হয়েছিলেন। তার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল মূলত মহিলারাই।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তার সঙ্গে ১৫০-২০০ জন রক্ষী ছিল। এছাড়া আরও ৫০ জন লোক থাকত তার আশপাশে। সকলেই ছিল হরিয়ানার বাসিন্দা। দার্জিলিং শহরের সবচেয়ে বিলাসবহুল হোটেলেই উঠেছিলেন স্বঘোষিত এই ধমর্গুরু। তিনি যেখানেই যেতেন, তাকে ঘিরে নিরাপত্তা বলয় থাকত। পাহাড়ে পা রেখেই অখিল ভারতীয় গোর্খালিগের নেতা প্রয়াত মদন তামাংয়ের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সেরে ফেলেন তিনি। মোটা টাকার বিনিময়ে বক্সিঝোরায় দুই একরের বেশি জায়গাও কেনেন। সেখানে আশ্রম গড়ে তোলার কাজও শুরু হয়।

হরিয়ানা থেকে মিস্ত্রি, শ্রমিক এনে রাজকীয় কায়দায় আশ্রম তৈরি হতে থাকে। নির্মাণ কাজ নিজে দেখাশোনার জন্য সেখানেও দিন কয়েক ছিলেন রাম রহিম। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ‘ধষর্ক’ এই ধর্মগুরু রাস্তায় দাঁড়িয়ে অশালীন আচরণ করতেন। তার আচরণ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রবল আপত্তি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মসজিদের ভল্ট খুলে মিলল ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা

কিশোরগঞ্জ শহরের পাগলা মসজিদের ভল্ট খুলে মিলেছে প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রাও মিলেছে। তবে এসবের হিসাব এখনো করা হয়নি।

গতকাল শনিবার তিন মাস পর মসজিদের ভল্ট খোলা হয়। এতে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায় এবার।

কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরে এই মসজিদ অবস্থিত। মসজিদের সঙ্গে একটি মাদ্রাসাও রয়েছে। সাধারণের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষও এখানে মানত করতে আসেন।

মসজিদটি পরিচালনার জন্য একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক (পদাধিকারবলে) মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস আর সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র মাজহারুল ইসলাম ভুঁইয়া কাঞ্চন।

গতকাল ভল্ট খোলার সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে নির্বাহী হাকিম আবু তাহের সাঈদ উপস্থিত ছিলেন। রোববার দুপুরে তিনি বলেন, ‘সাধারণত তিন মাস পর পর মসজিদের ভল্ট খোলা হয়। গতকাল ভল্ট খোলা হয়েছে। এতে নগদ এক কোটি ১৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। সোনা, রুপার পরিমাণ এখনো মাপা হয়নি। এ ছাড়া বেশ কিছু মার্কিন ডলার, সিঙ্গাপুরি ডলার, সৌদি রিয়াল, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত পাওয়া গেছে। সেগুলো এখনো ভাঙানো হয়নি।’

‘এই মসজিদের যখন ভল্ট খোলা হয়, তখন সাধারণত এক কোটি টাকার কাছাকাছি পাওয়া যায়। এবার সর্বোচ্চ টাকা পাওয়া গেছে’, যোগ করেন নির্বাহী হাকিম।

এই টাকা সাধারণত কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারের পরামর্শক্রমে বিভিন্ন মসজিদে দান-খয়রাত, মাদ্রাসার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয় বলে এলাকাবাসী জানান।

মসজিদটি অনেক পুরোনো। এখানে জুমার দিন প্রচুর লোকসমাগম হয়। মসজিদে নারীরা আলাদা নামাজ আদায় করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেনেরিক নয়, ব্র্যান্ড নামই পছন্দ চিকিৎসকদের!

দেশের বেশিরভাগ চিকিৎসকই রোগীদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্রে (প্রেসক্রিপশন) ওষুধের জেনেরিক নাম লিখছেন না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা ওষুধের ব্র্যান্ড নাম ব্যবহার করছেন। তাই নিজের পছন্দ অনুযায়ী ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। অভিযোগ উঠেছে, এতে করে অনেক নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানের ওষুধও নিতে হচ্ছে রোগীদের।

চলতি বছর ৯ জানুয়ারি রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের জেনেরিক নাম লিখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি হয়। এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রুল জারি করেন।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তবে ওই ব্যাপারে শুনানি এখন পর্যন্ত হয়নি।

জেনেরিক নাম
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) দেওয়া ধারণা অনুযায়ী ওষুধের জেনেরিক নাম হচ্ছে কোনো নির্দিষ্ট ওষুধের রাসায়নিক নাম। ওই নাম বললে ওই ওষুধকে বিশ্বের যেকোনো জায়াগায় চেনা যাবে। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসব ওষুধের ব্র্যান্ড নাম দেয়। কিন্তু এর নিচে লেখা থাকে ওষুধটির জেনেরিক নাম।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি ওষুধের জেনেরিক নাম প্যারাসিটামল। এই প্যারাসিটামল তৈরি করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী অনেক প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান নাম দিয়েছে এইস। একই ওষুধ অন্য একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে নাপা নামে। এখানে নাপা ও এইস হচ্ছে ব্র্যান্ড নাম। আর প্যারাসিটামল হলো জেনেরিক নাম।

অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্রে জেনেরিক নাম না লিখে ব্র্যান্ড নামই লিখছেন। আর এতে সরাসরিই চিকিৎসক কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানের ওষুধ লিখে দিচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের (মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ) চাপেই জেনেরিক নাম লিখছেন না চিকিৎসকরা।

এ বিষয়ে কথা হয় একাধিক বিক্রয় প্রতিনিধির। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁদের একজন বলেন, ‘জেনেরিক নামে ওষুধ লিখলে তো ডাক্তারদের আয় কমে যাবে। তখন উনারা আর কোম্পানির লোকদের কাছে পেইড ডাক্তার থাকবেন না।’

‘এটা লেখা নিয়ে কোনো নির্দেশনা নেই’
জেনেরিক নাম লেখা হয় কি না এ ব্যাপারে একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আসলে এটা লেখা নিয়ে আমাদের তেমন কোনো নির্দেশনা নেই। বাংলাদেশে জেনেরিক নাম লিখলেও সমস্যা না লিখলেও সমস্যা। এই অবস্থায় কি করা হবে সেটা পরিচালকরাই ভেবে দেখবেন।’

এ ব্যাপারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. গোলাম কিবরিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই জেনেরিক নামে ওষুধ লেখা উচিত। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা বেশ কঠিন কাজ। জেনেরিক নামে লেখা শুরু হয়ে গেলে অনেকগুলো তুলনা মূলক খারাপ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে কারণ তখন সবাই শুধু ভালো প্রতিষ্ঠানের দিকেই ঝুঁকবে। তবে তখন কিছু অসৎ ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার জন্য যে কোনো তুলনা মূলক খারাপ ওষুধ বিক্রি করবে না এটা ভাবা যাবে না। এ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে আমরা মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলব।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘বাংলাদেশে ওষুধের শুধু জেনেরিক নাম লেখা বেশ কঠিন একটা ব্যাপার। ওষুধের দোকানের লোকজন তো বেশি শিক্ষিত না যে তাদের উপর সব কিছু ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে।’

‘জেনেরিক নামে প্রেসক্রিপশন হলে তো খারাপ না’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আব্দুর রব বলেন, ‘এ বিষয় নিয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবো। আমরা শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতে ভালো ভাবে দেখতে পারব কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে সেভাবে তদারকি করতে পারব না।’

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন বরেন, ‘যেহেতু ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের জেনেরিক নাম লিখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সেহেতু এটা নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী মাল্টি ন্যাশনাল বিজনেস সিস্টেমের কারণে এটা করা বেশ কঠিন কাজ তবে অসম্ভব নয়। জেনেরিক নামে প্রেসক্রিপশন হলে তো খারাপ হয় না। যার যার ইচ্ছে মতো ওষুধ কিনতে পারবে।’

গত ২ জানুয়ারি চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র সম্পর্কে হাইকোর্টে রিট করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে (এইচআরপিবি) আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ জানুয়ারি ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের জেনেরিক নাম লিখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এ ব্যাপারে মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘বিষয়টি এখনো বিচারাধীন। বিচারকার্য শেষ হলেই আশা করছি ওষুধের জেনেরিক নাম লিখতেও হাইকোর্ট নির্দেশনা দেবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশি ঝামেলায় রানি মুখার্জি

অনেকদিন অভিনয়ে নেই। বিয়েশাদী করে ঘর সংসারে মনযোগী হয়েছেন এক সময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। বর আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে সুখের দাম্পত্যে এক কন্যার জননী তিনি। সবকিছু সামলে শোনা যাচ্ছিলো শিগগিরই পর্দা কাঁপাতে কামব্যাক করছেন রানি।

কিন্তু এরইমধ্যে জানা গেল, পুলিশি ঝামেলার মুখে পড়েছেন তিনি। নিজের জুহুর বাংলো ‘কৃষ্ণা রাম’র কাছেই একটা বেআইনি কনস্ট্রাকশনের জন্য রানিকে নোটিশ পাঠিয়েছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন।

 জানা গেল, কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরা সরেজমিন তদন্ত করতে রানির বাড়িতে যায়। কিন্তু তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। রানির প্রতিনিধি অবশ্য এই ঘটনা স্বীকার করেনি। তিনি জানিয়েছেন, নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ২০১৪ সালেই নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। প্রতি বছর সেটাকে ভ্যালিডেটও করানো হয়। আর বিএমসি’র তরফে যে নোটিস পাঠানো হয়েছিল, পরের দিনই তার জবাব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিএমসি’র তরফে নাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে প্রতিনিধিরা আবার যাবেন রানির বাড়িতে। সঙ্গে যাবে পুলিশও। ভালো বিপাকে পড়েছেন এই অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest