সর্বশেষ সংবাদ-
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণতালার নুরু বিশ^াস ও যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগজেলা পরিষদের প্রশাসক কে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছাসাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিললেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ সাতক্ষীরায় : শোকের ছায়াসাতক্ষীরায় সীমানা পিলার উদ্ধার আটক -৪সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ 

টানা বর্ষণে শ্যামনগরে পাউবো বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে

মনিরুজ্জামান মুকুল : টানা কয়েক দিনের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও নিম্মচাপ সৃষ্টিতে জোয়ারের পানি প্রবল তুফান হওয়ায় খন্ড খন্ড স্থানে ধসে পাউবো বেবিবাঁধ হুমকির মুখে। মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোবাইল ফোনে জানান, তার এলাকার বড় ভেটখালি মোস্তফা সরদারের বাড়ির সামনে, পারশেখালী জুম্মান গাজী জামে মসজিদের সামনে, দক্ষিণ কদমতলা হাফেজ আবু দাউদের বাড়ির সামনে, মথুরাপুর জেলে পাড়ার সামনে, সিংহরতলী প্রথম আলো সাইক্লোন সেন্টার থেকে ভোলা মন্ডলের বাড়ি পর্যন্ত পাউবো ভেড়ি বাধ খন্ড খন্ড স্থানে ভংঙ্গন সৃষ্টি হওয়ায় জনমনে আতংক বিরাজ করছে। চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, ২০ ফুট ভেড়ি বাধ ভাংঙ্গন সৃষ্টি হওয়ায় আছে ৪ থেকে ৫ ফুট। বড় কোন দূর্যোগ হলে এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংঙ্খা। বুড়িগোয়ালিনি ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ মন্ডল মোবাইল ফোনে জানান তার এলাকার পাউবো বেড়িবাধ ব্যাপক হুমকির মুখে। দূর্গাবাটি সাইক্লোন সেন্টারের সামনে, দূর্গাবাটি মুজিবর হাজীর মৎস ঘের থেকে আঃ হাকিমের মৎস ঘের পর্যন্ত, দাতিনাখালী মোড়ল বাড়ির সামনে, আজিজ দফাদারের বাড়ির সামনে, নীলডুমুর ফরেষ্ট অফিসের সামনে, জাপান কাঁকড়া হ্যাচারির সামনে এছাড়া বহু স্থানে পাউবো বেড়িবাঁধ ব্যাপক হুমকির মুখে। গাবুরা ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আঃ রহিম মোবাইল ফোনে জানান, তার এলাকায় পারশেমারি টেকের হাট নামক স্থানে পাউবো বেড়িবাধঁ ভেঙ্গে এলাকায় পানি ডুকে পড়ে পর দিন সকালে পাউবো কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভাঙন স্থান সংস্কার করা হয়। গাবুরা একটি ছোট দীপ চার পাশে কপোতক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর প্রবল ¯্রােত ঢেউয়ের আঘাত ও বৈরি আবওহায়ায় পাউবো বেড়িবাধ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। গাবুরা, মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনি ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমিরসহ ৯ নেতা আটক

জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদসহ দলটির নয়জন নেতাকে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপকমিশনার নাজমুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আটক জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গোপনে বৈঠক করে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগ উঠেছে। কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁদের ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র : প্রথমআলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে ব্লক করা হচ্ছে ‘ব্লু হোয়েল গেম’, সতর্ক নজরদারি

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে ব্লক করা হচ্ছে আলোচিত গেম ব্লু হোয়েলের লিংক। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে গেমটির ব্যাপারে নজরদারি বাড়িয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
সম্প্রতি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ব্লু হোয়েল গেম নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া অভিযোগ এবং বন্ধের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ব্লু হোয়েলের মতো যত ক্ষতিকারক গেম আছে সে সম্পর্কে পারিবারিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে সবাইকে সচেতন করতে হবে।’ এ ব্যাপারে তিনি দেশের সব গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
পলক বলেন, ‘আমরা ব্লু হোয়েল গেমটিকে শতভাগ ফলো করছি। অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। ফেসবুক, মেসেঞ্জারে এসএমএস দিচ্ছে, নক করে গেমটি খেলতে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে- যার সবকিছুই সঠিক নয়। আমরা সব সময় দেখছি, লিংকগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে, রিমুভ করা হচ্ছে। আমরা গোয়েন্দা সংস্থা, বিটিআরসিকে (টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা) বলেছি, সেগুলো ব্লক করতে। পাশাপাশি আমাদের আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) বিভাগের যে বিডি-সার্ট আছে তারাও গেমটির প্রতি নজর রাখছে।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গেমটির ভয়ঙ্কর দিক হলো এর অ্যাপ। বলা হচ্ছে, অ্যাপটি স্মার্টফোনে একবার ইনস্টল হয়ে গেলে তা আর রিমুভ করা যায় না। ফলে নোটিফিকেশন আসতেই থাকে। যা এক পর্যায়ে বিরক্তির চূড়ান্ত পর্বে নিয়ে গেমটি খেলতে বাধ্য করে। এছাড়া, এ সংক্রান্ত বিভিন্ন লিংক বা সাইটে (অচেনা, অজানা) ক্লিক করলেই বিপদ। সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, গুগলের প্লে স্টোর বা অ্যাপলের অ্যাপস্টোরে গেমটি সাধারণভাবে পাওয়া যায় না। ডার্ক ওয়েবে গেমটি পাওয়া যেতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র সচিব সরওয়ার আলম বলেন, ‘আমরা আরও আগে থেকেই কাজ শুরু করেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করছে। তারা যদি আমাদের আগে জানাতে পারেন, তাহলে আমরা তা বন্ধ করে দেবো। এছাড়া, আমাদের (বিটিআরসি) সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারাও ব্লু হোয়েল গেম নিয়ে কাজ করছেন।’
প্রসঙ্গত, বিশ্বজুড়ে ব্লু হোয়েল গেমের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে এটি চ্যালেঞ্জ দেওয়া এবং তা আদায়ের গেম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে সব আলোচনাকে ছাপিয়ে গেছে এই গেমের সঙ্গে আত্মাহুতির বিষয়টি উঠে আসায়। যে কারণে ব্লু হোয়েল গেমকে অনেকে সুইসাইড গেমও বলছেন।
এই গেমের শুরুতে একটি গ্রুপ গঠন করা হয়। যেখানে একজন থাকেন তত্ত্বাবধায়ক এবং কয়েকজন সদস্য থাকেন। ৫০ দিনের এ খেলায় নির্দিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক প্রতিদিন অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে একটি কাজ বা চ্যালেঞ্জ দেন। গেমে টিকে থাকতে হলে অবশ্যই সেই কাজটি করতে হয়।
শুরুর দিকে এসব কাজ নির্দিষ্ট গান শোনা, গভীর রাতে হাঁটাহাঁটি করা, ভয়ঙ্কর সিনেমা দেখা ইত্যাদির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ৫০তম ধাপটি হলো আত্মহত্যার চেষ্টা করা। এই চেষ্টা করেও যিনি বেঁচে যাবেন, তিনি অথবা তারাই হবেন চ্যাম্পিয়ন। গেমের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি কাজের ছবি তুলে তা গ্রুপের সবাইকে দেখাতে হয়।
অবশ্য অংশগ্রহণকারীরা কিভাবে এই গেমটি খেলেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কেউ কেউ বলেন, এই গেম খেলতে হলে স্মার্টফোনে কিছু অ্যাপ ইনস্টল করতে হয়। আবার কারও মতে, ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে দেওয়া হয়ে থাকে। তারপর নিয়মিত সেসব প্ল্যাটফর্মেই চলে গেমের কার্যক্রম।
এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে ব্লু হোয়েল নামে কোনও গেম আছে কিনা তা নিশ্চিত নয়। তারপরও সারাবিশ্বে এটা ছড়িয়ে পড়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। আমেরিকা ও ইউরোপের স্কুল এবং পুলিশ বিভাগ এ গেমের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে কাজ শুরু করেছে। ওই অঞ্চলের পুলিশ সন্তানদের ওপর কড়া নজর রাখতে অভিভাবকদের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, ব্লু হোয়েল গেমের উৎপত্তি রাশিয়ায়। আর এ গেম খেলে এ পর্যন্ত ১৩০ জন মারা গেছেন এবং অন্তত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাদেরের বক্তব্যের সময় ছাত্রলীগের স্লোগান, বিক্ষোভ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগ। নগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সুদীপ্ত বিশ্বাসের খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের মুসলিম হল মিলনায়তনের সামনে এ বিক্ষোভ দেখায় ছাত্রলীগ।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সারের স্মরণে এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়ে গাড়িতে ওঠার পর সন্ধ্যায় এ বিক্ষোভ হয়।

সোমবার চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ যৌথভাবে মুসলিম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সারের স্মরণসভার আয়োজন করে। ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে নগর ছাত্রলীগ মুহুর্মুহু স্লোগান দিয়ে নগর ছাত্রলীগ নেতা সুদীপ্ত বিশ্বাসের খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ নালাপাড়া এলাকার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গুরুতর আহত করা হয় ছাত্রলীগ নেতা সুদীপ্তকে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নগরের সদরঘাট থানায় অজ্ঞাত সাত-আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহত সুদীপ্ত বিশ্বাসের বাবা মেঘনাদ বিশ্বাস।

ছাত্রলীগের বিক্ষোভের মুখে ওবায়দুল কাদের স্মরণসভায় বলেন, চট্টগ্রামের সর্বজন শ্রদ্ধেয় নেতার স্মরণসভা এটা। এখানে একটা আবেগ ও সেন্টিমেন্ট আছে। তোমাদের (ছাত্রলীগ) কোনো কথা থাকলে আমার সঙ্গে পরে বলতে পারো। এই স্মরণসভার গাম্ভীর্য ও মর্যাদা তোমাদের রক্ষা করতে হবে।

প্রসঙ্গ না ঘুরিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আবার বলেন, ‘চট্টগ্রামে মাঝেমধ্যে আমাদের তরুণদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার জন্য রক্তক্ষরণ ঘটে। আমি জানি না, কেন এসব হয়।’ এরপর ছাত্রলীগ আবার মুহুর্মুহু স্লোগান দিয়ে সুদীপ্তর খুনিদের বিচারের দাবি তুললে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের খেই হারিয়ে যায়। আবার ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমার কথা শুনতে হবে, ডিসিপ্লিন (শৃঙ্খলা) মানতে হবে। নইলে আমি কথা বলব না।’

স্লোগান বন্ধ হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কয়েক দিন আগে (শুক্রবার সকালে) যে ঘটনা (সুদীপ্ত হত্যাকাণ্ড) ঘটেছে, আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ সদর দপ্তর ও পুলিশ কমিশনার ও প্রশাসন—সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এসব ঘটনায় ক্ষমা করে দেওয়ার সংস্কৃতি দেখতে চাই না। আমি বলেছি, যারাই হত্যাকারী হোক, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে, শাস্তি দিতে হবে। তাদের বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। এখানে কোনো আপস নেই। এ ধরনের ঘটনার উপযুক্ত বিচার ও শাস্তি হলে ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি কমে যাবে।’
সেতুমন্ত্রী প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করুন। তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। কারণ, সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্তরা দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় মঞ্চে এবং নেপথ্যে যারা জড়িত এবং তারা যতই প্রভাবশালী হোক, কাউকে ক্ষমা করা যাবে না।

ওবায়দুল কাদের বক্তব্য শেষ করে মুসলিম ইনস্টিটিউটের সামনে থাকা গাড়িতে উঠলে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী পথে দাঁড়ান। তাঁরা সুদীপ্ত হত্যার বিচার চেয়ে স্লোগান দিয়ে বলেন, ‘প্রতিবাদের শেষ পথ/ অস্ত্র হাতে রাজপথ’। এ সময় ছাত্রলীগের নগর কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা বিক্ষোভকারীদের গাড়ির সামনে থেকে হঠাতে হিমশিম খান। তবে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়নি। ধীরগতিতে গাড়ি আঙিনা থেকে রাস্তায় আনা হয়। এরপর ওবায়দুল কাদের চলে যান।

সুদীপ্ত খুনের তদন্তে অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে নগরের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, ‘প্রায় সব আসামিকে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। পুলিশের কয়েকটি টিম রাত-দিন মাঠে কাজ করছে। আসামিরা ধরা পড়বেই।’

ছাত্রলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছিলেন, চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকার এক আওয়ামী লীগ নেতার অনুসারীরা সুদীপ্ত হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি মন্তব্যের কারণে ওই আওয়ামী লীগ নেতা সুদীপ্তকে খুন করিয়েছেন।

সূত্র : প্রথমআলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রকেট এজেন্টদের শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেটের উদ্যোগে সাতক্ষীরার সকল উচ্চ লেনদেনধারী এজেন্টদের সাথে ব্যবসাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এন এস এন্টার ন্যাশনাল ও রোমানা ট্রের্ডাসের আয়োজনে রোববার বেলা ১২টায় সাতক্ষীরার একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং এর এরিয়া ম্যানেজার মোঃ আলতাফ হোসেন, এজেন্ট ব্যাংকিং এর এরিয়া ম্যানেজার মোঃ মনির হোসেন, মোঃ মাছুদুর রহমান, মোঃ আরিফুর রহমান আরিফ, রশিদুল ইসলাম, সত্য কিংকর প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ইয়াবা সম্রাট আনারুলসহ ২ জন আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা সম্রাট আনারুলসহ দুই জনকে আটক করেছে সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই সেলিম রেজা নেতৃত্বে একটি টিম। এসময় মোট ৫৫ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে আটককৃতদের কাছ থেকে।

এস আই সেলিম রেজা সাংবাদিকদের জানায়, বিশেষ অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার গভীর রাতে রাজার বাগান সরকারি কলেজ এলাকা থেকে মাদক ব্যাবসায়ী আনারুল ও তার সহযোগী মনিরুজ্জামান বাবুকে আটক করা হয়। আনারুল সদরের মাগুরা এলাকার মুজিবর রহমানের ছেলে ও মনিরুজ্জামান বাবু শহরের কাটিয়া এলাকার রমজান আলীর ছেলে।

একটি সূত্র জানায়, আনারুল সাতক্ষীরা অঞ্চলের ইয়াবা ডিলার নামে খ্যাত টাক বাবুর সহযোগী। টাক বাবু এলাকায় না থাকায় বর্তমানে আনারুল বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবার বিস্তার ঘটিয়ে যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাতক্ষীরা শহরতলির মিলবাজার সংলগ্ন এলাকায় এই চক্রটি মাদকের রাজধানী বানিয়ে রেখেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পাঁচ জুয়াড়ীর জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় পাঁচ জুয়াড়ীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেককে ২’শ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই সেলিম রেজা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার প্রকাশ্যে টাকার বিনিময় (তাস) জুয়া খেলার সময় শহরের চালতেতলা এলাকা থেকে ৫ জন কে আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে শহরের চালতেতলা এলাকার মোহর আলীর ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম, একই এলাকার হাসানুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, মোঃ ওসমান, মনিরুল ইসলাম। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচারক ও সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন আটককৃত পাঁচ জনকে ২’শ টাকা করে জরিমানা করেন।
এদিকে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকায় এক ভূঁইফোড় সংগঠনের নব্য নেতার বাড়িতে ও শহরের মহিলা কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়িতে চলে জমজমাট জুয়ার আসর। প্রতিদিনই এখানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভিআইপি জুয়াড়ীদের ভীড় জমে, যেখানে লাখ-লাখ টাকার জুয়া খেলা চলে। এব্যাপারে পুলিশের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার শান্তিপ্রীয় জনসাধারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক

কলারোয়া ডেস্ক : বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো কলারোয়া প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা মোড়স্থ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় চত্বরে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বৈরি আবহাওয়া আর লঘুচাপের দরুণ হওয়া অব্যাহত বৃষ্টিও দমাতে পারেনি প্রেসক্লাবের এ আয়োজনকে।
অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বিএম নজরুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- ‘আপোষহীন থেকে অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় না দিয়ে কলম সত্যের পক্ষে রাখতে হবে। দীর্ঘ কয়েক মাস কোন সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মকান্ডে না থাকলেও আমি আমার বিবেকের তাড়নায় কলারোয়া প্রেসক্লাবের এ অনুষ্ঠানে এসেছি। নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে সাংবাদিকদের সবসময় বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে হবে।’
কলারোয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সভাপতি গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে অনষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দকে শপথবাক্য পাঠ করান কলারোয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ্ব প্রফেসর আবু নসর।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন- ‘১৯৮০সালে প্রতিষ্ঠিত ৩৭বছর বয়স্ক ঐতিহ্যবাহী এ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের নীতি-নৈতিকতায় অটুট থাকতে হবে। সংবাদ, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ হিসেবে বিবেকবান হতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাকালীন উপদেষ্টাবৃন্দ যথাক্রমে অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ এমএ ফারুক, অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু বক্কর ছিদ্দিকী, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বুলু আহম্মেদ, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান সম মোরশেদ আলী ভিপি, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভূট্টোলাল গাইন ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদা।
কলারোয়া প্রেসক্লাবের নয়া কমিটির সিনিয়র সহ.সভাপতি সহকারী অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমানের পরিচালনায় শপথগ্রহন পূর্বক আলোচনা অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাংগঠনিক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জের প্রতিনিধি এস.আই বিপ্লব কুমার, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক এম মুনছুর আলী, কেরালকাতা ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদর্শক মশিয়ার রহমান, যুবলীগ নেতা মোস্তাক আহম্মেদ, ছাত্রলীগ নেতা শেখ মারুফ আহমেদ জনি, লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, চন্দনপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা নাজমুল হোসাইন সাগর, সাংবাদিক আতিকুর রহমান, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম লিটন, সাংবাদিক ফিরোজ জোয়ার্দার, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক ফিরোজ খাঁন, সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম, সাংবাদিক রাজিবুল ইসলাম রাজিব, সাংবাদিক রুহুল আমীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কলারোয়ার সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষেরা অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নয়া কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এমএ কালাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মোসলেম আহমেদ।
কলারোয়া প্রেসক্লাবের দুই বছর মেয়াদী এই কার্যনির্বাহী কমিটির ১২জন সদস্য শপথবাক্য পাঠ করেন। তাঁরা স্বহস্তে স্বাক্ষর করে শপথনামার মাধ্যমে নুতন দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। শপথনামায় স্বাক্ষর করে আনুষ্ঠানিক শপথবাক্য পাঠ করেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক এমএ কালাম, সিনিয়র সহ.সভাপতি অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমান, সহ.সভাপতি শেখ মো.জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোসলেম আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম মনি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মো. সুজাউল হক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু রায়হান মিকাঈল, কার্যনির্বাহী সদস্য গোলাম রহমান, আব্দুর রহমান (দৈনিক সংবাদ) ও তাওফিকুর রহমান সনজু।
পরে মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নেন সকলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest