সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোটারেক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান এনছান বাহার বুলবুল সকল সদস্যদের প্রত্যয় পাঠ করান। তিনি ২০১৭-১৮ রোটাবর্ষের নব নির্বাচিত কমিটিতে জি.এম আবুল হোসাইনকে সভাপতি ও শেখ কাইয়ুম রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র সহযোগীতায় ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যদের ক্লাবের পিন পরানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রোটারিয়ান পিপি সৈয়দ হাসান মাহমুদ, রোটারিয়ান মনিরুজ্জামান টিটু, রোটা. মো. ইজাজ আহমেদ, মো. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। নব নির্বাচিত কমিটির সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া-তালা) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহকে কলারোয়ায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুরের দিকে কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহি কাজীরহাট ডিগ্রি কলেজে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
কলেজ চত্ত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি কেন্দ্রীয় ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ, ৮নং কেরালকেতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার ও কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা।
অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ এসএম সহিদুল আলম, কাজীরহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, কলেজ শিক্ষকদের পক্ষে প্রভাষক সুরাইয়া ইয়াসমিন রতœা, শিক্ষার্থীদের পক্ষে আলমগীর হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের দাতা সদস্য আব্দুল হামিদ, হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রধান শিক্ষক শামসুল হকসহ সুধীবৃন্দ, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলোওয়াত করেন কলেজের ছাত্র আব্দুল মতিন ও গীতা পাঠ করেন নয়ন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক ইদ্রিস আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না শ্রীলঙ্কার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ শুরু হওয়ার আগে কোনও কারণে ফ্লাডলাইট ব্যবহার করা যাবে না সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাই মেঘাচ্ছন্ন বিকেলে যখন ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৩১ ওভারে জিম্বাবুয়ানদের টার্গেট দাঁড়াল ২১৯, তখন কোনোভাবে সেটা প্রতিহত করতে পারেনি রেকর্ড জুটিতে ৩০০ রান করা শ্রীলঙ্কা।

চার ম্যাচ শেষে ৪ উইকেটে জিতে জিম্বাবুয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ২-২ ব্যবধানে। আগামী ১০ জুলাই সোমবার হাম্বানতোতার এ মাঠে হবে শেষ ম্যাচ, যেখানে নির্ধারণ হবে কার হাতে উঠছে সিরিজের শ্রেষ্ঠত্ব?

শনিবার মাহিন্দা রাজাপক্ষ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। শুরুটা ছিল অসাধারণ। নিরোশান ডিকবিলা ও দানুশকা গুনাথিলাকার উদ্বোধনী জুটি গড়েন ৩৫.২ ওভারে ২০৯ রান। টানা দুই ম্যাচে কোনও জুটির ‘ডাবল সেঞ্চুরি’র কীর্তি ওয়ানডেতে এটাই প্রথম।

ডিকবিলা সেঞ্চুরি করলেও গুনাথিলাকা তিন অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। ১০১ বলে ৮৭ রানে ম্যালকম ওয়েলারের শিকার তিনি। এ জিম্বাবুয়ান অফ স্পিনার পরের ওভারে ফেরান ডিকবিলাকে। ১১৮ বলে ১১৬ রানের সেরা ইনিংস খেলেন লঙ্কান ওপেনার। শেষদিকে ম্যাথুজের ৪০ বলে ৪২ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। ৫০ ওভারে স্বাগতিকরা করে ৬ উইকেটে ৩০০ রান।

ক্রিস এমপোফু ও ওয়েলার জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে ২টি করে উইকেট নেন।

জিম্বাবুয়ে জবাব দিতে নামলে ইনিংসের মাঝপথে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। প্রায় ঘণ্টাখানেক বৃষ্টিতে মাঠ ছিল ঢাকা। তখন ২১ ওভারে জিম্বাবুয়ানদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৯ রান। যখন আবার খেলা শুরু হয় তখন ডাকওয়ার্থ লুইসের হিসাব নিকাশ চলে যায় সফরকারীদের অনুকূলে। শেষ ৬০ বলে তাদের দরকার ছিল ৮০ রান, যেটা আরও ৩ উইকেট হারিয়ে অর্জন করেছে জিম্বাবুয়ে। ক্রেইগ আরভিন ৫৫ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে অপরাজিত ছিলেন ৬৯ রানে।

শুরু থেকে জিম্বাবুয়ে ছোটখাটো ঝড় তুলেছে তাদের টপ অর্ডারদের ব্যাটে। সলোমন মির ৩০ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৪৩ রান করেন। ২৩ বলে ৫ চারে ৩০ রান করে তারিসাই মুসাকান্দা। শেষদিকে ওয়েলার ১৩ বলে ২০ রান করে জয়টাকে আরও দ্রুত করেন। ২৯.২ ওভারে ৬ উইকেটে তারা করে ২১৯ রান।

শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘মৌসুমী একজন বয়স্ক অভিনেত্রী’, কথাটি বলেন দেশের প্রধান জনপ্রিয় খল অভিনেতা ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি মিশা সওদাগর।

শনিবার (৮ জুলাই) বিকালে বিএফডিসিতে নায়ক ফেরদৌসের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে উপস্থিত একদল সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে কথায় কথায় এমনটাই বললেন মিশা। তবে মৌসুমী সম্পর্কে বলতে গিয়ে ‘বয়স্ক’ শব্দটি ব্যবহারের কারণ জানতে চাইলে বেশ ডিপ্লোমেটিক উত্তর দেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।
তিনি বলেন, ‘‘তার প্রতি ‘সম্মান’ জানানোর জন্যই ‘বয়স্ক’ কথাটি বলেছি। অন্যকিছু নয়। মানে তিনি অনেক ‘সিনিয়র’ অভিনেত্রী। সেই ১৯৯২ সালে ‌‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে শুরু করেছেন। অনেকদিন ধরেই ইন্ডাষ্ট্রিতে কাজ করছেন। ফলে উনি সব বিষয়েই জানেন, বোঝেন।’’

সাংবাদিকদের সঙ্গে মিশা সওদাগরের এই কথোপকথনের কারণ ছিল সমিতির নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মৌসুমীর শপথ গ্রহণ না করা এবং পদত্যাগ প্রসঙ্গে। কেন মৌসুমী শপথ নেননি? কিংবা তার পদ কি খালিই থেকে যাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিশা সওদাগর বলেন, ‘দেখুন উনি কলেজ পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা (নির্বাচন) দিয়েছেন। পাশও করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আনফরচুনেটলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হননি। তার মানে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের (শিল্পী সমিতি) ছাত্রীই নন। কারণ তিনি শপথ গ্রহণ করেননি। যিনি আমাদের ছাত্রী নন তাকে নিয়ে তো আগ বাড়িয়ে ভাবনার কিছু নেই। হুম এটা ঠিক উনি বয়স্ক একজন অভিনেত্রী। উনাকে আমরা সম্মান করি।’

এদিকে মৌসুমী সম্পর্কে এমন কথোপকথনের পর পরই ৮ জুলাই সন্ধ্যায় বিএফডিসিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন নায়ক ফেরদৌস। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান সভাপতি মিশা সওদাগর।
এদিকে সম্প্রতি একই পদে নির্বাচিত হয়েও শপথ না নিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
অন্যদিকে নির্বাচনের পর যৌথ প্রযোজনার ছবির অনিয়ম নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন শিল্পী সমিতিসহ ১৮টি সংগঠন। কিন্তু ফেরদৌস নিয়মিত যৌথ প্রযোজনার ছবিতে কাজ করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি নতুন শিল্পী সমিতিতে যোগদান বিষয়ে এতদিন কিছু বলেননি। সব মিলিয়ে অনেকে ধারণা করেছিলেন, ফেরদৌস বোধহয় মৌসুমীর মতোই কমিটিতে আসছেন না। তবে আজ, ৮ জুলাই হঠাৎ শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সেই শঙ্কা কেটে গেল।
এদিকে শপথ গ্রহণ শেষে ফেরদৌস বললেন, ‘আমরা কেউ যৌথ প্রযোজনার চচলচ্চিত্রের বিপক্ষে নই। আমরা নিয়ম মেনে কাজ করার পক্ষে। আর বিদেশে থাকার কারণে এতদিন আমার শপথ নেওয়ার সুযোগ হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তিন বছরের শিশু অহনা আফজাল। কাঁদছিল অনবরত। তবে কান্নার সঙ্গে তাঁর চোখ দিয়ে পানি নয়, বেরিয়ে আসছিল টাটকা রক্ত। আর সেই রক্তে ভেসে যাচ্ছিল অহনার সারা মুখ।

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদ শহরের বাসিন্দা অহনার এই ‘রক্তকান্না’ দেখে ভয় পেয়েছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসকরাও। তাঁরা জানান, ছোট্ট অহনা ‘হেমাটিড্রোসিস’ নামে এক বিরল রোগে আক্রান্ত। রোগটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা নেই বললেই চলে।

অহনার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ১৯ মাস আগে অহনা জ্বরে আক্রান্ত হয়। সেই প্রথম অহনার নাক থেকে রক্ত বের হতে শুরু করে। তার বাবা-মা বিষয়টি স্থানীয় চিকিৎসককে জানালেও তিনি রোগ ধরতে পারেননি। অহনার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে রোগের প্রকোপও। পরে নাক, মুখ, চোখ এমনকি গোপনাঙ্গ দিয়েও রক্তপাত শুরু হয়।

এরপর বিভিন্ন হাসপাতালের খ্যাতনামা চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় অহনাকে। সেখানেই ধরা পড়ে তার রোগ।

অহনার বাবা মহম্মদ আফজল ও মা নাজিমা বেগম জানান, ছোটবেলায় নিউমোনিয়া হয়েছিল অহনার। তার পর থেকেই তার এই সমস্যা। সন্তানের এই রোগের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে গিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু উপকার পাননি।

এদিকে তেলেঙ্গানার হাসপাতালের চিকিৎসক সিরিশ কুন্তল জানিয়েছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে শরীর থেকে ঘামের মতোই রক্ত ঝরে। তবে চিকিৎসার ফলে অহনার শরীর থেকে রক্তপাতের পরিমাণ আনুপাতিক হারে অনেকটাই কমে গেছে।

চিকিৎসক আরো জানান, ‘হেমাটিড্রোসিসে’ আক্রান্ত হলে শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে আঘাত ছাড়াই রক্ত বের হতে থাকে। সাধারণত চোখ, মুখ ও নাক দিয়েই রক্ত বের হয়। বিরল হলেও সাধারণত প্রাণঘাতী নয় রোগটি। তবে খুব বেশি মানসিক চাপ হলে নাক, মুখ বা চোখ দিয়ে বের হতে থাকে টাটকা রক্ত। ফলে রোগীর শরীরে রক্তের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। প্রয়োজনে বাইরে থেকে শরীরে রক্তও দিতে হয়। আর এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

এখন ভারতের তেলেঙ্গানা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ছোট্ট অহনার। কিন্তু তার বাবার সামান্য আয়ে দুষ্কর হয়ে পড়েছে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া। ফলে বাধ্য হয়ে মুহম্মদ আফজাল মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়ে চিঠি লিখেছেন তেলেঙ্গানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে সি রাও ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : বিরল এক ব্যধির কবলে পড়েছে সাতক্ষীরার ১২ বছরের শিশু মুক্তামনি। সে সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানী ইব্রাহীম হোসেনের মেয়ে। ইব্রাহীম হোসেন দাম্পত্য জীবনে দুই যমজ কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তার দুই যমজ সন্তানের মধ্যে হীরামনি বড় ও মুক্তামনি ছোট। আর ছোট ছেলে আল-আমিনের বয়স এক বছর তিন মাস।
মুক্তামনির বাবা ইব্রাহীম হোসেন জানান, জন্মের প্রথম দেড় বছর যাবত ভালোই ছিল হীরা মনি ও মুক্তা মনি। কিছুদিন পর মুক্তা মনির ডানহাতে একটি ছোট মার্বেলের মতো গোটা দেখা দেয়। এরপর থেকে তা বাড়তে থাকে। সাথে চলে স্থানীয় চিকিৎসাও। দেখলে মনে হবে গাছের বাকলের (ছালের) মত ছেয়ে গেছে পুরো হাতটি। আক্রান্ত ডান হাত তার দেহের সব অঙ্গের চেয়েও ভারি হয়ে উঠেছে। ভেতরে পোকা জন্মেছে। বিকট যন্ত্রণায় মুক্তামনি সব সময় অস্থির। ডাক্তার বলছেন এ ব্যাধি তার দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি জানান, মুক্তার সারা দেহে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। তার শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে। শুধু হাতের ভার বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দেখানো হয়েছে মুক্তামনিকে। কেউ কোনো সঠিক চিকিৎসা দিতে পারেন নি। রোগের মাত্রা শুধু বেড়েই চলেছে। হতাশ বাবা ইব্রাহীম গত ছয় মাস যাবত চিকিৎসাবিহীন অবস্থায় মুক্তাকে বাড়িতে রেখে কেবল ড্রেসিং করছেন।
তিনি আরো জানান, মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেক হাসপাতালে গিয়েছি। এখন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। সঠিক চিকিৎসা পাইনি। তবে ডাক্তার বলছেন রোগটি বিরল হলেও বাংলাদেশে এর চিকিৎসা রয়েছে। বাংলাদেশে বৃক্ষ মানবের সফল চিকিৎসা হয়েছে বলেও জানান ডাক্তার। তাই তিনি আবেগজড়িত কন্ঠে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমার মেয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো।
যন্ত্রণায় কাতর মুক্তামনি জানায়, শুধু চুলকায়। আর যন্ত্রণা করে। গরমে ঠা-ায় বাড়ে। সে আক্ষেপ করে আরো বলে, বাইরের দুনিয়া আমি দেখতে পারি না। স্কুলে যেতে পারিনা। খেলতে পারিনা। আমার জীবনে কোনো আনন্দ নেই।
মুক্তামনির বড় বোন হীরামনি জানায়, বোনের জন্য কষ্ট হয়। ভাল থাকলে এক সাথে খেলতে পড়তে পারতাম। মুক্তার যমজ বোন হীরামনি আরো বলে, এবার ঈদে নতুন জামা নেয়নি। কারণ মুক্তা জামা পরতে পারবে না তাই।
মুক্তামনির দাদা এজাহার আলী গাজী কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, বছর চারেক আগে থেকে মুক্তামনির ব্যাধির মাত্রা বেড়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় তার চলাফেরা, স্কুলে যাওয়া, খেলাধুলা। মুক্তামনি এখন বসতে পারে না। দাঁড়াতে পারে না। হাঁটতেও পারে না সে। দিনরাত কেবল শুয়ে কাটাতে হয় তাকে।
এরই মধ্যে আক্রান্ত হাত ক্রমেই ভারি হয়ে উঠছে। এতে পোকা ধরেছে। মশা ও মাছির উৎপাত বাড়ছে। বাড়িময় বিকট গন্ধ ছুটছে। এ কারণে তাদের বাড়িতে আত্মীয় স্বজনরা আসতে চায় না। গ্রামের লোকজনও শুধু দুর থেকে নজরে দেখে চলে যায়।
মুক্তামনির মা আয়েশা খাতুন জানান, আমার মেয়ের কষ্ট দেখতে পারিনা। সারা দেহে পোকার কামড়ের যন্ত্রণা। ঈদে নতুন জামা পরাতে পারিনি তাকে। মেধাবী মেয়ে। সুরেলা গলায় গজল গায়। গান গায়। মুক্তামনির হাতে পঁচন ধরায় দুর্গন্ধের কারণে গ্রামের লোকজন এমনকি আত্মীয় স্বজনরাও আমাদের বাড়িতে আসে না।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. নাসিরউদ্দিন জানান, মুক্তামনির এ রোগটি বিরল। প্রাথমিকভাবে বলা যায় এর নাম হাইপারকেরাটসিস। এটি স্কীন ক্যান্সারও হতে পারে। বাংলাদেশে এর চিকিৎসা আছে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অথবা ঢাকা মেডিকেলে এর চিকিৎসা সম্ভব।
তাই, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি এগিয়ে এলে মুক্তামনি ও তার পরিবারে হাসি ফুটবে বলে জানালেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘পুলিশ জনতা ভাই ভাই, অপরাধের ঠাই নাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সদর থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা সদর থানার আয়োজনে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ আহমেদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা ও পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এপিপি এড. আব্দুল লতিফ, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বৈকারী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান অছলে, সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাশেম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘সাতক্ষীরা জেলা একটি শান্তিপ্রিয় জনপদ। ২০১৩ সালে এই জনপদকে অশান্ত করে তুলেছিল একটি গোষ্ঠি। আমাদের এই শান্তিপ্রিয় জেলাকে সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গীবাদ ও ইভটিজিং মুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সদর থানার প্রতিটি এলাকাভিত্তিক বিট পুলিশিং ব্যবস্থা চালু রাখার দাবী জানান বক্তারা।’
উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন, জাতীয় পার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি ও ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসরাইল গাজী, পৌরসভার ০৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগর, মহিলা কাউন্সিলর ফারহা দিবা খান সাথি, পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহিনুর রহমান শাহিন, ০৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম, আগরদাঁড়ি ইউনিয়র আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান, যুবলীগ নেতা শেখ শফি উদ্দিন সফি, ইনতাজ আলী মোড়ল, বিশ্বনাথ মন্ডল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে ফাতিমা খাতুন (সাথী) নামে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী আতœহত্যার করেছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের কুঁন্দুড়িয়া গ্রামে হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটে।
ফাতিমা খাতুন কুঁন্দুড়িয়া গ্রামের রিক্সা চালক শওকত গাজীর কন্যা ও কুঁন্দুড়িয়া পি এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবার সূত্রে জানাগেছে, অভাবের সংসারে মেয়ের স্কুলের খরজসহ অন্যান্য খরজের টাকা ঠিক মত দিতে না পারায় মায়ের সাথে অভিমান চলছিল। সর্বশেষ ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তার মা প্রতিবেসির নিকট থেকে টাকা ধার নিতে গিয়েছিল। টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখে তার আদরের মেয়েকে তার পড়ার ঘরের আড়ায় বাধা রশ্মি থেকে নামাচ্ছে। রশ্মি থেকে নামানোর পরেও ফাতিমা জীবিত ছিল কিন্তু ডাঃ আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। ফতিমার বাবা ঢাকায় রিক্সা চালায়। ঘটনার সময় তার অসুস্থ দাদী ঘরের বারান্ডায় শুয়ে ছিল। দাদি প্রথমে দেখতে পেয়ে পাশের এক মহিলাকে ডেকে তাকে রশ্মি থেকে নামায়। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহিন ঘটনার সত্যতা নির্শ্চিত করেছেন। আশাশুনি থানার এস আই শাহ মোঃ আব্দুল আজিজ সঙ্গিয় ফোর্স ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ পোস্ট মর্ডেমে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest