সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। তিনি একাধারে গিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার এবং প্লেব্যাক শিল্পী। ব্যতিক্রমী গায়কী আর অসাধারণ প্রতিভা দিয়ে তিনি বাংলা ব্যান্ডকে নিয়ে গিয়েছেন অন্য উচ্চতায়।

কিংবদন্তি এই শিল্পী সব সময় চেয়েছেন নতুন প্রজন্ম ব্যান্ড জগতে এসে বাংলা গানকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেবে। এ জন্য তিনি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, তরুণদের মধ্যে গিটার বাজানোর প্রতিযোগিতা আয়োজন করে সেরাদের হাতে তাঁর ব্যবহৃত ব্যয়বহুল গিটার তুলে দেবেন। এই উদ্যোগকে সফল করতে সম্প্রতি তিনি কিছু স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কাছে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। কোনো প্রতিষ্ঠান তাঁর এই উদ্যোগ স্পন্সর করতে রাজি হয়নি। আর সে কারণেই তিনি অনেকটা আক্ষেপ আর হতাশা নিয়ে নিজের ফেসবুকে গতকাল বুধবার একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি অনেকটা অভিমান বুকে জমা নিয়ে নিজের শখের পাঁচটি গিটার বিক্রি করার কথা বলেন।

আইয়ুব বাচ্চু স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমার ভীষণ ইচ্ছে ছিল আমার গিটারগুলো নিয়ে গিটার বাজিয়েদের সঙ্গে নিয়ে দেশব্যাপী একটা গিটার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান করার। যেখানে এই গিটারগুলো বাজিয়ে বিজয়ীরা জিতে নেবে আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয় এক-একটি গিটার…!

‘কিন্তু বেশ কিছুদিন চেষ্টা করার পরও যখন কোনো স্পন্সর পেলামই না, গিটারগুলো তরুণদের হাতে তুলে দিতে চাই তাদের মেধার মূল্যায়নস্বরূপ। তারা প্রাণ উজাড় করে গিটার বাজাবে আর আমরা আনন্দের সাথে শুনব, দেখব এবং উৎসাহ দেব যাতে করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যেন এটা একটা নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। কিন্তু হয়ে ওঠেনি আমার স্বপ্নের বাস্তবায়ন! কারণ হয়তো বা আমার স্বপ্নটা একটু বেশি বড়ই ছিল গিটার নিয়ে! আর তাছাড়া গিটারগুলো রক্ষণাবেক্ষণও বেশ কষ্টকর।

‘তাই আমি ঠিক করেছি -প্রথম এই পাঁচটা গিটার বিক্রি করে দেব তাদের কাছে, যারা গিটার বাজায় কিংবা যারা আমার গিটারগুলো সংরক্ষণে রাখতে চায়। এই অফারটা শুধু আজ (বুধবার) এখন থেকে আগামী ৫ দিনের জন্য থাকবে মাত্র।’

আইয়ূব বাচ্চুর বিক্রির তালিকায় থাকা পাঁচটি গিটার হলো- (১)-Ernie Ball MUSIC MAN #AXIS made in USA (২)-CARVIN #JB made in USA (৩)-CARVIN made in USA (৪)-Ernie Ball MUSIC MAN #JP (৫)-CHARVEL made in USA’

আইয়ুব বাচ্চুর এমন স্ট্যাটাসের পর তাঁর ভক্ত থেকে আরম্ভ করে অনেক সংগীতশিল্পী হতাশ হয়েছেন। সেই সঙ্গে অনেকে তাঁর এই উদ্যোগকে সফল করার জন্য স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ২০১৩ সালে নাশতকায় শিকার অসুস্থ ওমর আলীর পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নের্তৃবৃন্দরা। গতকাল ডেইলি সাতক্ষীরায় নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর আলী টাকার অভাবে চিকিৎসা হতে পারছেন এমন সংবাদ প্রকাশ হয়। তাৎখনিক ওমরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যয়ের নের্তৃবৃন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে উক্ত আওয়ামীলীগ নেতার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যানর সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পদাক বিজয় ঘোষ, ছাত্রলীগের আফজাল হোসেন, আবু রায়হান, মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নের্তৃবৃন্দরা। অসুস্থ ওমর আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পরমর্শ প্রদান করেন নের্তৃবৃন্দরা। তাছাড়া দলের পক্ষ থেকে তাকে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) যে আপত্তি জানিয়েছিল তা তুলে নিয়েছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। রামপালের কারণে সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য হুমকির মধ্যে থাকা তালিকা থেকেও সুন্দরবনকে বাদ দেয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রামপালের বর্তমান অবস্থান সুন্দরবনের জন্য কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে না বলেও জানিয়েছে ইউনেস্কো। পোল্যান্ডের ক্র্যাকোভে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৪১তম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী উপদেষ্টা ডক্টর তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন ওই অধিবেশনে।
১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ বছর এই গৌরব অর্জনের ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। সুন্দরনের কাছে রামপালে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের শুরু থেকেই পরিবেশবাদীরা এর বিরোধীতা করে আন্দোলন করে। ২০১৬ সালের শুরুতে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির দৃষ্টিগোচর হয় রামপাল ইস্যু। সুন্দরবনের তখনকার অবস্থা এবং বনের ওপর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব খতিয়ে দেখতে গত বছরের মার্চে ডব্লিউএইচসি ও আইইউসিএনের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছিলো।
তারা রামপাল প্রকল্প স্থান, সুন্দরবন ঘুরে এবং সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত নিয়ে গত বছরের জুনে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে রামপালকে সুন্দরবনের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে উল্লেখ করা হয় এবং প্রকল্পটি বাতিল করে অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে বলা হয়।
এরপর ইউনেস্কোর ওয়েবসাইটে রিপোর্ট প্রকাশ করে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানায়। এ নিয়ে বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্র ও আইইউসিএন যৌথভাবে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো। সেখানে বলা হয়েছিলো, সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষিত স্থান থেকে মাত্র ৬৫ কিলোমিটার দূরে কয়লাভিত্তিক এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে, যা সুন্দরবনের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
দীর্ঘ আলাপ আলোচনা করে বিশ্ব ঐহিত্য কমিটি এই সিদ্ধান্তে আসে যে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র তার বর্তমান অবস্থানে নির্মিত হলে কোন ক্ষতি হবে না। এর সঙ্গে তারা বেশ কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়ের প্রশমনের পরামর্শ দেয়। ২০১৬ সাল থেকে সুন্দরবনকে রক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন ধরনের ইতিবাচক পদক্ষেপকে তারা স্বাগত জানায়। কমিটির অনুরোধে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে স্ট্রাটেজিক এনভায়রনমেন্টাল এসেসমেন্ট (এসইএ) শুরু করতে সম্মত হয় বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসন্ন জি-২০ সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন না বলে জানিয়েছে চীন।

সিকিম সীমান্তে ভারত তাদের কাজে বাধা দিচ্ছে এমন অভিযোগে চীন এই ঘোষণা দিয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তবে তারা সম্মেলনে যোগ দেয়া অন্য নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

যদিও ভারতের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই দুই নেতার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে তারা এখনও নিশ্চিত নয়। সম্মেলনে যোগ দেয়ার লক্ষ্যে গত রাতেই হামবুর্গ এ গেছেন নরেন্দ্র মোদি।

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সিকিম সীমান্তে চীনের নির্মাণ করা একটি সড়কের কাজ বন্ধের জন্য গত জুনে সেনা মোতায়েন করে ভারত। চীনের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের ডংলাং অঞ্চলে ঢুকে সড়ক নির্মাণ কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা সেনা প্রত্যাহারের জন্য বার বার ভারতকে সতর্কও করেছে।

তারা আরও জানায়, এই অঞ্চলে সেনা মোতায়েন করে ভারত ১৮৯০ সালের সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে। তাই সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাদের সঙ্গে কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে না।

তবে ভুটান বলছে, বিতর্কিত এই জায়গাটি তাদের অধিভূক্ত। হিমালয়ের নিকটবর্তী এই জায়গাটি ত্রি-মোড় যেখানে তিব্বত, ভারত এবং ভুটান মিলিত হয়েছে।

সূত্র বলছে, এই এলাকা নিয়ে ভারত এবং চীন মুখোমুখী অবস্থানে রয়েছে। আর চীনের সর্বশেষ ঘোষণা তাদের কঠোর অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির শোভনালী ইউনিয়নের বাশিরামপুর গ্রাম থেকে ৪শ ১০কেজি গম জব্দ করেছে থানাপুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই আব্দুর রাজ্জাক ওই গ্রামের সুবোল মন্ডলের পুত্র অনাদি মন্ডলের বাড়ী থেকে ১১টি বস্তায় মোট ৪শ ১০কেজি গম জব্দ করে থানা হেফাজতে নেয়। পরিষদ থেকে গম সরানো হয়েছে বলে এলাকায় প্রচার হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এলাকাবাসির মধ্যে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ম. মোনায়েম হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান- ঈদ উপলক্ষ্যে আমার ইউনিয়নে ৬হাজার ৬’শ কার্ডের বিপরীতে ৮৭ হাজার ৫শ৯৫ কেজি গম বরাদ্দ ছিল। জনসংখ্যার হার বিবেচনা করে অন্যান্য ওয়ার্ডের মত ১নং ওয়ার্ডে ৬’শ কার্ডের জন্য ৭ হাজার ৯শ ৬২কেজি গম বরাদ্দ হয়। ৫ও ৬ জুলাই দুদিন সকল মেম্বরের উপস্থিতিতে পরিষদ চত্বরে মাস্টাররোল করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গম বিতরণ করা হয়েছে। গম কিভাবে সেখানে পৌছালো এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- গরীবের প্রাপ্য তাদের হাতে পৌছে দেয়ার পরে তারা সেগুলি কি করল সেটা আমার বিষয় নয়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বর দিলীপ মন্ডল জানান, যে গম কিনেছে সে আমার আত্মীয় বিধায় আমার বিরোধী পক্ষ আমাকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এব্যাপারে অনাদি মন্ডল ফোনে জানান- আমি নিজেও একজন কার্ডধারি ব্যক্তি। গম তুলতে যেয়ে দেখি দুরের লোক অনেকেই পানি-কাদায় গম বহন করে নেয়ার ভয়ে কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছে। আমি তাদের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে গম ১১২৫০টাকা দিয়ে কিনেছি। নিজে খাবার জন্যে ও গলদা চিংড়ির খাবারের জন্য। তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে, জব্দকৃত গম গুলি কম দামে পেয়ে কিনেছে। এব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোঃ বেলাল হোসেন : বাড়ির উপর যেন সাপের রাজত্ব চলছে। ঘটনাটি ঘঠেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের বালুই গাছা গ্রামের মোঃ ছাত্তার খানদারের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার রাত ১২টার দিকে মোঃ ছাত্তার খানদারের মায়ের হাতের উপর একটি পদ্দগোখরা সাপ উঠে এবং সে সাপটিকে মেরে ফেলে। সকালে তার ছেলে মোঃ ইসমাইল (১৬) ঘরের মেঝেতে আরো একটি সাপ দেখতে পায় এবং সেটিও মেরে ফেলে। পরে তার পিতা ঘরের মেঝের মাটি খুড়তে খুড়তে একাধারে ৫৬টি সাপ বেরিয়ে আসে এবং ৫০টি ডিম সেখান থেকে উদ্ধার করে। এঘটনা পর একজন সাপুড়িকে আনা হলেও সেখান থেকে বড় ধরনের কোনো সাপ খুজে পাওয়া যায় নি। বর্তমানে বাড়িটির চারপাশে জাল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। এব্যাপারে ইসমাইল বলেন, এতগুলো সাপ আমাদের বাড়িতে অথচ আমরা জানতাম না। আমাদের পরিবারের কাউকে কোনো ক্ষতি করিনি এ সাপে। বর্তমানে পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কে বিরাজ করছে।

 

মো : বেলাল হোসেন : ডেইলি সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির একজন ইন্টার্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জার্মানির বার্লিনে ‘বেওয়াচ’ ছবির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেখানেই দেখা হয়ে যায় তার নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। মোদির সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার সাক্ষাতের একাধিক ছবি সংবাদমাধ্যমেও আসে। পরে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কারণ মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় প্রিয়াঙ্কার পরনের পোশাক ছিল খুবই ছোট।

এমন ছোট পোশাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ? সমালোচনার তীর স্রোতের বেগে গ্রাস করেছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কিন্তু এ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। বরং একই কায়দায় মা মধু চোপড়ার সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রকাশ করেছেন।

এবার মধু চোপড়া সেই বৈঠকে প্রিয়াঙ্কার খাটো পোশাকের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, আমি আমার মেয়েকে শিখিয়েছি, ভুল না করলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। প্রিয়াঙ্কা সেদিন (মোদির সঙ্গে দেখা হওয়ার সময়) ‘বেওয়াচ’র প্রচারে যাচ্ছিলেন। আচমকাই তার সঙ্গে মোদির দেখা হয়ে যায়। সেইসময় পোশাক বদলে এসে মোদির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া বৈঠকটিও পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না। পুরোটাই আচমকা ঘটে যায়।

জার্মানির বার্লিনে ‘বেওয়াচ’ ছবির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেখানেই দেখা হয়ে যায় তার নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। মোদির সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার সাক্ষাতের একাধিক ছবি সংবাদমাধ্যমেও আসে। পরে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কারণ মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় প্রিয়াঙ্কার পরনের পোশাক ছিল খুবই ছোট। এমন ছোট পোশাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ? সমালোচনার তীর স্রোতের বেগে গ্রাস করেছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কিন্তু এ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। বরং একই কায়দায় মা মধু চোপড়ার সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রকাশ করেছেন। এবার মধু চোপড়া সেই বৈঠকে প্রিয়াঙ্কার খাটো পোশাকের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, আমি আমার মেয়েকে শিখিয়েছি, ভুল না করলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। প্রিয়াঙ্কা সেদিন (মোদির সঙ্গে দেখা হওয়ার সময়) ‘বেওয়াচ’র প্রচারে যাচ্ছিলেন। আচমকাই তার সঙ্গে মোদির দেখা হয়ে যায়। সেইসময় পোশাক বদলে এসে মোদির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া বৈঠকটিও পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না। পুরোটাই আচমকা ঘটে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গোপন স্থানে অনেক নাগরিককে আটকে রেখেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

বৃহস্পতিবার এইচআরডব্লিউর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবৈধভাবে শত শত লোককে আটক করেছে, যাদের মধ্যে বিরোধী দলের বহু নেতাকর্মী রয়েছে। তাদের গোপন স্থানে আটকে রাখা হয়েছে। এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশ সরকারের উচিত গুমের এই ব্যাপকতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের সুরাহা এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জিজ্ঞাসার যথাযথ জবাব দেওয়া। এ ছাড়া মানবাধিকারের এ ধরনের গুরুতর লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।

‘‘‘সে আমাদের কাছে নেই’ : বাংলাদেশে গোপন স্থানে আটক ও গুম’’ শীর্ষক ৮২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু ২০১৬ সালে বাংলাদেশে ৯০ জন লোক গুমের শিকার হয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ বা মাস গোপন স্থানে আটকে রাখার পর তাদের বেশির ভাগকেই আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এইচআরডব্লিউর অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, ওই ৯০ জনের মধ্যে ২১ জনকে আটকের পর হত্যা করা হয়েছে। আর ৯ জনের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

এইচআরডব্লিউর দাবি, গুম হওয়া ৯০ জনের মধ্যে বিরোধীদলীয় আলোচিত তিন রাজনীতিকের সন্তান রয়েছে, যাদের ২০১৬ সালের আগস্টের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তুলে নেওয়া হয়। ছয় মাস গোপন স্থানে আটক রাখার পর তাদের একজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি দুজন এখনো নিখোঁজ। এ ছাড়া ২০১৭ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ৪৮ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের আটকে রাখার গোপন স্থানগুলোতে ব্যাপক নির্যাতন ও বাজে আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব বিষয় নিয়ে এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে নথিবদ্ধ ও প্রকাশিত হওয়ার পরও সরকার আইনের শাসনের কোনো তোয়াক্কা না করে এ ধরনের ঘৃণ্য চর্চা চালু রেখেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest