সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার বিদায় অনুষ্ঠান আজ। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বিচারপতি নাজমুন আরা ছিলেন দেশের প্রথম নারী মুন্সেফ (সহকারী জজ), প্রথম নারী জেলা জজ, প্রথম হাইকোর্টে বিভাগেরও নারী বিচারপতি। এরপর তিনি আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে অবসরে যাচ্ছেন।

বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা অবসরে যাচ্ছেন শুক্রবার (৭ জুলাই)। কিন্তু শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট ছুটি থাকায় তাকে বিদায় দেওয়ার জন্য আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জানা গেছে, ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর বিচার বিভাগে যোগদান করা এই বিচারপতির শেষ কর্মদিবস আজ (৬ জুলাই) বৃহস্পতিবার।

যদিও সুপ্রিম কোর্টের পঞ্জিকা অনুযায়ী তার অবসরের মেয়াদ ৭ জুলাই। ওই দিন শুক্রবার হওয়ায় আগের দিন বৃহস্পতিবারই তার শেষ কর্মদিবস। প্রথা অনুসারে ওই দিন তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে। তাদের সংবর্ধনার জবাবে তিনিও বক্তব্য রাখতে পারেন আগতদের উদ্দেশ্য।

তিনি প্রথমবারের মতো নারী বিচারপতি হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চেরও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

১৯৫০ সালের ৮ জুলাই মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। তবে তার শৈশব কেটেছে ময়মনসিসংহ জেলার গফরগাঁওয়ে।

বাবা আবুল কাশেম মঈনুদ্দীন ও বেগম রশীদা সুলতানা দীনের এই সন্তান ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে তিনি এসএসসি পাস করেন। ১৯৬৭ সালে ময়মনসিংহের মুমিনুন্নেসা উইমেন্স কলেজ থেকে এইচএসসি এবং আনন্দমোহন কলেজ থেকে ১৯৬৯ সালে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

পরবর্তীতে বিচারপতি সুলতানা ১৯৭২ সালে এলএলবি পাস করেন। একই বছর তিনি ময়মনসিংহ জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

কিন্তু সেখানে থেমে থাকেননি বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর মুন্সেফ (সহকারী জজ) হন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি অন্তর্ভুক্ত হয়ে যান ইতিহাসের অংশ হিসেবে। দেশ ও বিচার বিভাগের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী বিচারক।

পরবর্তীতে যোগ্যতাই তাকে ১৯৯১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা জজের আসনে উন্নীত করে। আর এটাও প্রথম কোনো নারীর জেলা জজ হওয়ার ঘটনা।

তবে নিম্ন আদালতেই থেমে থাকেননি বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার কর্মজীবন। ২০০০ সালের ২৮ মে তিনি হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর হাইকোর্টে স্থায়ী হন তিনি। হাইকোর্টেও তিনি প্রথম। সবশেষ ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। এর মধ্যে ২০১৩ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চের নেতৃত্বে বসান বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানাকে।

বিচারিক কাজের পাশাপাশি বিচারপতি নাজমুন আরা সুলাতানা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশ ওমেন জাজেস অ্যাসোসিয়েশনের। দুইবার সেক্রেটারি ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ওমেন জাজেসের। বিশ্বের ৮২টি দেশে যে সংগঠনের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫ হাজারের মতো। তার বিদায় অনুষ্ঠান আজ সুপ্রিম কোর্টে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বলিউডের খানদানে দোস্তানার নজির কম নেই। কিন্তু তাঁরা যেন সবথেকে আলাদা। যখন একসঙ্গে ছিলেন তখনও, আবার যখন আলাদা ছিলেন তখনও। অবশ্য বিচ্ছেদের খবর এখন অতীত। এখন বি-টাউনের করণ-অর্জুন ফের একসঙ্গে। শাহরুখ-সালমানের নাম এখন আর একসঙ্গে উচ্চারণ করতে কোনও আপত্তি নেই। বরং ইদানীং বেশিরভাগ সময়ই তা একসঙ্গেই উচ্চারিত হয়ে থাকে খবরের শিরোনামে। কখনও নিজের বিয়িং হিউম্যান বাইকে চড়ে মন্নতের বাইরে গিয়ে হাঁকডাক করতে দেখা যায় সালমানকে। আবার কখনও সালমানের অনুরোধে ‘টিউবলাইট’-এ ক্যামিও করতে রাজি হয়ে যান কিং খান।

এই বন্ধু বাৎসল্যের নয়া নজির মিলল সম্প্রতি। শোনা গিয়েছে, নিজের বেস্ট ফ্রেন্ডকে একটি দামী ব্র্যান্ডের গাড়ি উপহার দিয়েছেন শাহরুখ। এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শাহরুখের অনুরোধে আনন্দ এল রাইয়ের ছবিতে বিশেষ চরিত্র অভিনয় করছেন সাল্লু। নিজের ব্যস্ত শিডিউল থেকে বন্ধুর ছবির জন্য সময় বের করেছেন তিনি। বন্ধুর এই উপকারে অভিভূত শাহরুখ তাঁকে ছবির সেটেই দিয়েছেন সারপ্রাইজ। সলমন শুটের জন্য পৌঁছতেই নাকি তাঁর হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন শাহরুখ। বন্ধুর এই সৌজন্যে প্রথমে অবাক হয়ে যান ভাইজান। কিন্তু পরে নাকি গাড়িটি তাঁর বেশ পছন্দ হয়েছে। কারণ নামী ব্র্যান্ডের গাড়িটি ভারতে এখনও পর্যন্ত কারওর কাছে নেই।

বলিউডে দানধ্যানের জন্য ভাইজানের যথেষ্ট নাম রয়েছে। এমনকী, অনেক নায়ক-নায়িকার কেরিয়ারই সালমানের কৃপায় সাফল্যের মুখ দেখেছে। তবে উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে শাহরুখও যে বন্ধুর থেকে কোনও অংশে কম যান না, তা এই মহার্ঘ উপহারের নজির থেকেই স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই একসঙ্গে শুটিং শুরু করে দিয়েছেন দুই খান। দু’জনকে একসঙ্গে ফ্লোরে দেখে অনেকেই যেন করণ-অর্জুন জমানার নস্টালজিয়ায় ফিরে গিয়েছেন। এবার গোটা সিনেমা জুড়েই এই যুগলবন্দি দেখার অপেক্ষায় সিনেপ্রেমীরা। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

লম্বা সময় পর অবশেষে জাতীয় দলে ফিরেছেন মারকুটে ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল। ৯ জুলাই কিংস্টনের সাবিনা পার্কে সফরের একমাত্র টি-২০ ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে ভারত। মঙ্গলবার ঐ ম্যাচের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ঘোষণা করেছে দলটির ক্রিকেট বোর্ড, আর তাতে রয়েছে গেইলের নাম।

ঘোষিত ১৩ সদস্যের দলে অবশ্য জায়গা পাননি দলটির নিয়মিত অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার জ্যাসন হোল্ডার। ঐ ম্যাচের জন্য বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে তাকে। তার পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কার্লোস ব্রাফেট।

গেইলের প্রত্যাবর্তনের দলটি যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ বলে মনে করছেন নির্বাচকদের প্রধান কোর্টনি ব্রাউনি। তিনি বলেন, ‘টি-২০ দলে ফিরে আসায় ক্রিসকে আমরা স্বাগত জানাই। এই ফরম্যাটের সবচেয়ে যোগ্য ব্যাটসম্যান সে এবং তার উপস্থিতি টপ অর্ডারে আমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবে। সে তার ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছে এবং সেটি ভারতের মতো বিশ্বের সেরা একটি দলের বিপক্ষে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চট্টগ্রামের একটি হোটেলে মধ্যরাতে মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় হোটেলের চার কর্মচারী ও এক এসআইকে পিটিয়েছেন পুলিশের এক পরিদর্শক। সোমবার মধ্যরাতে নগরীর আগ্রাবাদে সেন্ট মার্টিন হোটেলে দামপাড়া পুলিশলাইনে সংযুক্ত পুলিশ পরিদর্শক মাঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া এ ঘটনা ঘটান।

তবে দু’দিন তা ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়। বুধবার ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায়। এ ঘটনায় সিএমপিতে তোলপাড় চলছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের অভিযোগ থানায় না দিলেও এসআই পেটানোর ঘটনায় ডবলমুরিং থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম অভিযুক্ত পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে সিএমপি কমিশনারের কাছে প্রতিবেদন দিয়েছেন বুধবার বিকালে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিএমপি কমিশনার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত সোমবার মধ্যরাতে সেন্ট মার্টিন হোটেলের ৪১৫ নম্বর কক্ষে যান পুলিশ কর্মকর্তা মাঈনুল। ওই কক্ষটি তার একজন বন্ধুর নামে বুকিং ছিল এবং সেখানে ওই বন্ধুটি ছিলেন। সেখানে দুই বন্ধু মিলে মদ পান করেন। রাত ২টার দিকে ওয়েটারের কাছে ব্ল্যাক লেবেল মদ চান। ওয়েটার ওই ব্র্যান্ডের মদ হোটেলে নেই জানালে মাঈনুল তার ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে নিচতলায় নামিয়ে আনেন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীরা ওই ওয়েটারকে রক্ষা করতে গেলে তাদেরও মারধর করেন।

একে একে চারজনকে মারধর করে একপর্যায়ে পিস্তল বের করে গুলি করার হুমকি দিয়ে হোটেল থেকে বের হয়ে যান। এরই মধ্যে ডবলমুরিং থানার এসআই সৈয়দ আলম নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে হোটেল সেন্ট মার্টিনে যান। মাঈনুল তখন গাড়ির ভেতরে ছিলেন। এসআই সৈয়দ আলম সন্দেহবশত গাড়িতে উঁকি দিলে মাঈনুল গাড়ি থেকে নেমে ওই এসআইয়ের শার্টের কলার চেপে ধরে কিল-ঘুষি মারেন। এতে তিনি হতভম্ব হয়ে যান। তিনি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ফোনে সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুকুর রহমানকে জানান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ডবলমুরিং থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিমকে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। মহিউদ্দিন সেলিম গিয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানেন হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। তবে এর আগেই মাঈনুল ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ডবলমুরিং থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বুধবার রাত ১১টায় জানান, ‘আমি হোটেলের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। মধ্যরাতে মাঈনুল ওই হোটেলে কী কী করেছে তার তথ্য নিয়েছি। ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। আমার থানার সাব-ইন্সপেক্টর সৈয়দ আলম লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। এর ভিত্তিতে ঘটনার আদ্যোপান্ত বিবরণ দিয়ে আমি কমিশনার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেছি। এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।’

সূত্র : যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে মাটির তৈরি বসত ঘর থেকে একে একে ২০টি গোখরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ইউনিয়নের বেউলা গ্রামের মোড়ল পাড়ায়। প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানাগেছে, বুধবার বিকাল ৫টার দিকে বাড়ির মালিক মৃত মুজির সরদারের পুত্র মকবুল সরদার ওরপে খোকনের বাড়ির বসত ঘরের মেঝের নিজে থেকে হঠাৎ ১টি গোখরা সাপ বের হয়ে আসে। বাড়ির মালিক সাপটি দেখা মাত্র লাঠি দিয়ে মেরে ফেলে। বিষাক্ত সাপটি প্রায় দেড় ফুট লম্বা। পরে ঘরের কাচা মেজের একটি ছোট ছিদ্র দিয়ে একে একে ১৯টি একই মাপের সাপ বের হয়ে আসে। খোকনসহ স্থানীয় লোকজন মিলে সাপগুলোকে মেরে ফেলে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন মিলে ঘরের মেঝে খুড়ে আরও সাপ আছে কিনা তার সন্ধান করছিল। এখবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত গ্রামবাসি খোকনের বাড়ি সাপ দেখতে ভিড় জমায়। এলাকাবাসী বিষধর সাপ আতঙ্কে ভুগছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শরীর চর্চা করে অনেকেই আট প্যাকের অধিকারী হয়েছেন। তবে মাত্র সাড়ে সাত বছর বয়সে আট প্যাকের অধিকারী হয়েছে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কিন্ত তাই করে দেখিয়েছে চীনের হেংজাউস প্রদেশের চেন ই নামের এক বালক। তার কাছে বয়স আর কিছু নয়; যেন একটি সংখ্যা মাত্র।

এত কম বয়সে জিমে ভর্তি হয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আট প্যাক বানিয়েছেন চেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শরীর চর্চার এক প্রতিযোগিতায় ছয়টি গোল্ড মেডেল এবং একটি রৌপ্য মেডেল জিতে নেয় সে।

চীনের পিপলস ডেইলির ফেসবুক পাতায় শেয়ার করা চেন ই এর শারীরিক গঠনের ছবি মাত্র ১৮ ঘণ্টায় ২৫ হাজার প্রতিক্রিয়া পায়। ওই পোস্টের মাধ্যমে জানা যায়, চেন পাঁচ বছর বয়স থেকে শরীর চর্চা শুরু করেন। নিজের সাহসিকতা এবং দক্ষতা বদৌলতে কিন্ডারগার্টেনের শিশু হওয়া সত্ত্বেও তিনি শরীর চর্চার সুযোগ পান।

চেনের শরীরের এই বিবর্তনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন তার কোচ। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চেন নিজের পেট এবং শরীরের পিছনের মাংসপেশীর উন্নয়ন করেছেন, শারীরিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করেছেন, ভারসাম্য রক্ষায় উন্নতি করেছেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পিপলস ডেইলি।

মাত্র সাত বছর বয়সের এই শিশু শারীরিক গঠনের প্রশংসা করেছেন অনেকে। তার বয়স কম হওয়ায় এ নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাতারের ওপর অবরোধ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সৌদি আরব। সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশের দেয়া ১৩টি শর্ত পূরণের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর এমন ঘোষণা এলো।

মিশরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে তাদের দাবিগুলোর তালিকার প্রতি কাতারের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

সম্পর্কচ্ছেদের ঠিক এক মাস পর কাতার ইস্যুতে আলোচনায় বসে সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। অবরোধ তুলে নিতে বেঁধে দেয়া ১৩টি শর্ত মানতে কাতারকে বাড়িয়ে দেয়া ৪৮ ঘণ্টা সময়ও শেষ হয় এই দিন।

কায়রোতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কাতারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হয়।

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার শর্ত হিসেবে কাতারভিত্তিক নিউজ নেটওয়ার্ক আল-জাজিরা বন্ধ এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করাসহ ১৩টি দাবি জানানো হয়েছিল সৌদি জোটের পক্ষ থেকে। তবে কাতার সরকার সেগুলোকে ‘অবাস্তব এবং বাস্তবায়নের অযোগ্য’ উল্লেখ করে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদে মদদ ও অর্থায়নের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে গত ৫ জুন সৌদি আবর, মিশর, সংযুক্ত অারব আমিরাত, বাহরাইন, ইয়েমেন, লিবিয়া এবং মালদ্বীপ কাতারের সঙ্গে সব ধরণের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে সার্বিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

কাতার অবশ্য বারবারই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। অবরোধ থেকে মুক্তি পেতে এবং নতুন আরও নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে চার দেশের ১৩ শর্ত মেনে নেয়ার জন্য প্রথমে বেঁধে দেয়া ১০ দিনের সময়সীমায় কাতার শর্ত মানতে রাজি না হলে গত সোমবার আরও দু’দিন সময় বাড়ানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শাশুড়ির চড় খেয়ে অপমানে আত্মহত্যা করলেন জামাই! শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই ঘটেছে। তাও আবার খাস কলকাতার বুকে রিজেন্ট পার্ক এলাকায়। বিষয়টা শোনার পরই অনেকেই ভ্রু কুচকাবে। কিন্তু ঘটেছে এমনটাই। মৃত যুবকের নাম পিন্টু মল্লিক। গত সোমবার ওই যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। এরপর মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ঘরের মধ্যে থেকে। শেষপর্যন্ত বুধবার সকালে পিন্টুর পরিবারের তরফে তাঁর শাশুড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত বেশ কিছুদিন আগেই হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পিন্টুর স্ত্রী পাড়ার এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি জানতে পারেন পিন্টু। এরপর থেকেই অশান্তি লেগেছিল। প্রায়শই স্বামী—স্ত্রীর মধ্যে এই নিয়ে গোলমাল হত। গত রবিবারও একই গোলমালে জড়িয়ে পড়েন পিন্টু ও তাঁর স্ত্রী। গোলমাল এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন পিন্টুর স্ত্রী। সোমবার আনন্দপল্লিতে বাপের বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর স্ত্রীকে বুঝিয়ে ঘরে ফিরিয়ে আনতে যান পিন্টু। কিন্তু ঘরে ফেরা তো দূর, ফের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। অভিযোগ, এরপরই মেয়ের পক্ষ নিয়ে শাশুড়ি চড় মারেন পিন্টুকে। রাগে অপমানে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে যান পিন্টু। বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। বাড়ির লোককে গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে তিনি ঘরে ঢুকে যান। রাতে কিছু খাননি বলেও জানিয়েছে তাঁর পরিবার।

এরপরেই মঙ্গলবার সকালে ঘরের দরজা না খোলায় পিন্টুকে ডাকাডাকি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘক্ষণ কোনও সাড়া না মেলায় ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তারা পিন্টুর মৃতদেহ দেখতে পান। এরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এরপরই বুধবার সকালে রিজেন্ট পার্ক থানায় পিন্টুর পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেখানে শাশুড়ির অপমানের জেরেই আত্মঘাতী হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তখনই জানা যায় চড়ের অপমান সহ্য করতে না পেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই যুবক। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest