সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণতালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

নলতা প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা আ’লীগ কার্যলয়ে গতকাল বিকাল ৪ টায় ১৫ আগস্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় নলতা ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মোনায়েম’র সঞ্চালনায় ও সাবেক সভাপতি আলহাজ্জ আনিছুজ্জামান খোকনের সভাপতিত্বে¡ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি। আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য এস. এম আসাদুর রহমান সেলিম, তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, তারালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আহম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল করিম, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আব্দুল গফুর গাজী,সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, চম্পাফুল ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক তোষিকে কাইফু, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ শাহরিয়ার, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দীন খোকন, নলতা ইউনিয়ন মহিলালীগের সভাপতি খোদেজা খাতুন, জেড এইচখান জফুসহ আ’লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগক, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ৪৫ জন ছাত্রীকে বেধড়ক মারপিটের অভিযোগে শিক্ষক মো. আবদুর রশিদকে আটক করেছে খালিশপুর থানার পুলিশ। আজ মঙ্গলবার স্কুলের শেষ ক্লাস চলার সময় বেলা ১২টার দিকে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ জানান, গত জুনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে কলেজে যোগ দেন প্রভাষক মো. আবদুর রশিদ। তিনি আজ তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসে গিয়ে ছাত্রীদের আনন্দ-উল্লাস করতে দেখেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে তিনি উপস্থিত সব ছাত্রীকে স্কেল দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।

অধ্যক্ষ আরো বলেন, ছাত্রীদের পিটুনির খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানান অভিভাবকরা। মারধরে সুমি নামে এক ছাত্রীর মাথা কেটে রক্ত বের হলে অভিভাবকরা উত্তেজিত হয়ে তাঁর কাছে গিয়ে বিচার দাবি করেন। এ সময় অভিভাবকদের সঙ্গে স্থানীয়রাও যোগ দেন। অভিভাবকদের দাবির মুখে খালিশপুর থানার পুলিশ শিক্ষক আবদুর রশিদকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান।

অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ জানান, ছাত্রীদের দৈহিকভাবে মারধর করার অভিযোগে শিক্ষক আবদুর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে।

খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সোমা বলে, ‘আমরা সবাই চিল্লাপাল্লা করছিলাম, কয়েকজন বেঞ্চের ওপর উঠছিল, তখন ওই দিকে আমিও উঠছিলাম এই জন্য বিজ্ঞানের স্যার সবাইকে মারছে, সবাইকে ফুলাই দিছে।’

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ইসরাত জাহান সায়মার মা বলেন, ‘আমরা বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে চলে যাই। আবার দেড়টার দিকে তাদের নিতে আসি। ওরা বলে আজকে এভাবে ক্লাস হইছে, এই ক্লাস হইছে। কিন্তু আজকে আমার বাচ্চা অনেক কান্নাকাটি করছে। ওর হাতের একপাশ ফুলে গেছে, এমনভাবে মারছে স্যার। বাড়িতে গিয়ে বাচ্চাকে বরফ দিছি আগে, দিয়ে তারপর আমি স্কুলে আসছি।’

ওই অভিভাবক আরো বলেন, ‘এখন আমার কথা হচ্ছে, বাচ্চাকে তো আমি আবার কালকে স্কুলে নিয়ে আসব। আমরা কীভাবে নিয়ে আসব? আমরা তো দিয়ে চলে যাই, এখন কি আমাদের বাচ্চারা ঠিক থাকবে? সেটাই স্যারদের কাছে দাবি।’

আরেক এক ছাত্রীর মা বলেন, ‘খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভালো বিধায় আমার মেয়েকে ভর্তি করেছিলাম, বুঝেছেন। কিন্তু এই প্রিন্সিপাল স্যারের ব্যবহার এত খারাপ। আমরা কয়েকবার মিটিংয়ে এসে ভালো ব্যবহার পাইনি। আমার সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করিছে, আমি মনে খুব কষ্ট পাইছিলাম। প্রত্যেকটা গার্ডিয়ানের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে।’

খুলনা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার সোনালী সেন বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে তাঁকে (শিক্ষক আবদুর রশিদ) এরই মধ্যে আটক করা হয়েছে। এখান থেকে যদি কোনো অভিযোগ যায়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী যত রকম ব্যবস্থা নেওয়া যায় আমরা সেগুলো নেব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : আজ ১ অগাস্ট। ১৯২৮ সালের এই দিনে সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্ম নেন বাংলাদেশের চিকিৎসকদের গর্ব স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান (মো. রাফি খান)।

এম আর খান স্যার ১৯৫২ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি অর্জন করেন ।
দেশে ফিরে এসে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে শিশু বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তদানিন্তন পিজি হাসপাতালে শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ে DCH ও FCPS ডিগ্রি চালু করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বাংলাদেশে প্রায় ১৩০০ জন শিশু চিকিৎসক দেশের শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করছেন। এই সূত্রে তিনি প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের শিশু বিশেষজ্ঞদের শিক্ষা গুরু।
অসাধারণ এই মানুষটি খুবই সাধারণ আটপৌড়ে জীবনযাপন করতেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করেছেন জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত। চিকিৎসক হিসাবে কিংবদন্তী এই মানুষটি শিশু চিকিৎসার জন্য ঢাকা, যশোর ও সাতক্ষীরায় প্রতিষ্ঠা করেছেন একাধিক শিশু হাসপাতাল। এর বাইরে সাধারণ মানুষের জন্য সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও টাঙ্গাইলের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা ছাড়া চালু করেছেন অনানুষ্ঠানিক সান্ধকালীন প্রাথমিক শিক্ষা, ভোকেশনাল ট্রেনিং, পরিবেশ উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী, আর্সেনিক ফিল্টার বিতরণ, স্যানেটারী লেট্রিন স্থাপনসহ নানা কর্মকান্ড। এর জন্য অধিকাংশ অর্থই নিজস্ব উৎস থেকে দান করেছেন।
অত্যন্ত সময়ানুবর্তী ছিলেন। ছিলেন রবীন্দ্র অনুরাগী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক ছড়া, কবিতা তাঁর মুখস্ত ছিল। তাঁর সকল বক্তৃতায় একটি বা দুটি ছড়া-কবিতা সাবলীল উপস্থিতি থাকতই। তাঁর সাথে একবার শান্তি নিকেতনে একটি কনফারেন্সে গেলে রবীন্দ্র যাদুঘরের দেয়ালে লেখা একটি কবিতা আমি পড়ছিলাম শব্দ করে। দূর থেকে শুনে বললেন, ‘সাকিল, কবিতাটি ভুল পড়ছ।’ স্যার সঠিক ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কবিতা, ছড়া তার এতটাই ঠাসা ছিল মস্তিষ্কে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ বিএমএর একটি নবীনবরণ অনুষ্ঠানে স্যার কথা বলছিলেন ‘হিপোক্রেটিক ওথ এবং আজকের বাস্তবতা’ শিরোনামে। শেষটা ছিল হযরত ইমাম গাজ্জালী (র.)-এর সমাধিলিপিতে ফার্সীতে লেখা একটি কবিতাংশ-

‘মান তাজ্জুব মেকুনাম/ চেলা ডাকতুরা ওয়ালী-এ খোদা/লা মেশাওয়াত।’
বাংলা হচ্ছে—

‘আমি বিস্মিত হই বার বার/ কেন একজন ডাক্তার অলি হয় না আল্লাহর।’

কথাগুলো জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান স্যার ছাড়া আর কারও জন্য এত বেশি প্রযোজ্য কি-না, আমার জানা নেই।

লেখক: ডা. সাকিল আহম্মদ, সহযোগী অধ্যাপক, শিশু বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা জেলার স্থানীয় দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক আব্দুল লতিফ মোড়লকে প্রতিমন্ত্রীর বিতরণ করা ছাগল মারা যাওয়া সংক্রান্ত খবর শেয়ারের কারণে ৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল গভীর রাতে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মিস্টার মোড়লের মেয়ে মেহনাজ রেজা মিম্মা।

তিনি বলেন, “রাত আড়াইটার দিকে আমার আব্বুকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ ছিল, আমাদের ডুমুরিয়া থানার ওসি ছিল, আরও ২০/৩০ জনের মত মানুষ এসেছিল। দেয়াল টপকে তারা ঢোকে। তারা আমার রুমেও জোরে জোরে নক করে। আমি জানতে চাই ওনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন। তখন আমাকে বাজে-ভাবে বলা হয় কোথায় নিয়ে যাচ্ছি সেটা আপনার মায়ের কাছ থেকে জেনে নিয়েন”।

বিকেল চারটার দিকে মেহনাজ রেজার সাথে যখন কথা হচ্ছিল তিনি তখন আদালত এলাকায়।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ছাগল বিতরণ করেছেন সেই ছাগল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মারা গেছে। সকালে ছাগল বিতরণ করছে, রাতেই মারা গেছে। আব্বু সেই খবরের লিংকটা শুধু শেয়ার করছে। এজন্য আমার বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি শুধু এটুকুই জানি”।

অনার্স চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী মিজ রেজা জানান, তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

“আমার বাবা বলতো আমি যেহেতু সাংবাদিক আমার অনেক ধরনের বিপদ আসতে পারে। আমরা এখন নিরাপত্তা হীনতায় আছি”।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো: আব্দুল খালেক বলেছেন, “প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের পক্ষে স্পন্দন নামে আরেকটি পত্রিকার সাংবাদিক সুব্রত রায় বাদী হয়ে তথ্য – প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করেছেন”।

এই পুলিশ ইন্সপেক্টর আরও বলেন “সাংবাদিক লতিফের মোবাইল আইডি থেকে প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের ছবি আপলোড করে তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী মহোদয় দুদিন আগে ছাগল বিতরণ করেছেন সেই ছাগল মারা গেছে। তার অভিযোগ একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমি ছাগর বিলি করছি। আমি নিজে তো বিলি করিনি। কিন্তু আমার সুনাম কেন ক্ষুণ্ণ করলো কেন?”

স্থানীয় অন্যান্য সাংবাদিক ও পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে, গত ২৯শে জুলাই ডুমুরিয়ায় কিছু লোককে হাঁস, মুরগি ও ছাগল বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে একজন ব্যক্তির ছাগল ওইদিন রাতেই মারা যায় বলে বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রচার হয়।

সেই খবর আব্দুল লতিফ ফেসবুকে শেয়ার করেছেন এই অভিযোগে লতিফের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়।

পুলিশ বলছে এখন বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে মিস্টার লতিফের ফেসবুক পাতায় গিয়ে ছাগল সংক্রান্ত কোন পোস্ট দেখা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় মাল চুরির অপবাদ সইতে না পেরে এক দোকান কর্মচারির আত্মহত্যা করেছে। আত্মহননকারী দোকান কর্মচারীর নাম আবদুল আলিম (৩২)। সে শহরের পলাশপোলের বউ বাজার এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
জানা গেছে, দোকান মালিক লাল্টু মেটাল এর স্বত্বাধাকারী লাল্টু তার কর্মচারী আলিমকে বলেন, তোর কাছে ৩০ হাজার টাকা পাবো। দোকানের মাল চুরি বাবদ আরও ৩০ হাজার টাকা। এই মোট ৬০ হাজার টাকা তোর কাছে পাবো। এই টাকা না দিলে তোর খবর আছে বলে দোকান মালিক হুমকিও প্রদান করেন।
এ ঘটনা নিয়ে সোমবার আবদুল আলিমের সাথে দোকান মালিক লাল্টুর তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তাকে চুরির অপবাদ দিলে এই অপবাদ সইতে না পেরে গলায় রশিতে ঝুলে আত্মহননের পথ বেছে নেয় আব্দুল আলিম।
আলিমের বাবা আবদুর রহমান বলেন, কাজের আগাম অর্ডার হিসাবে আলিমের কাছে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছিল দোকান মালিক লাল্টু। সময় মতো কাজ টাকা কোনোটিই দিতে পারছিল না সে। আমি দোকানে যেয়ে লাল্টুকে স্ট্যাম্পে লিখে দিয়ে এসেছি, সত্ত্বরই পাওনা টাকা দিয়ে দেব। তাতেও মন গলেনি তার। অবশেষে ছেলেটিকে চুরির অপবাদ দিলো’। আর এই অপবাদ সহ্য করতে না পেরে ছেলেটি আত্মহত্যা করলো বলে জানান তিনি।
আবদুল আলিমের স্ত্রী নার্গিস খাতুন জানান, চুরির অপবাদ শুনে বাড়ি এসে মন খারাপ করে বসেছিল আলিম। আমি তাকে অনেক বুঝিয়েছিলাম। তারপরও আমাদের সবার অজান্তে বাড়ির একটি নির্মানাধীন ঘরে রশিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে আবদুল আলিম।
সাতক্ষীরা সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছেন। তিনি জানান লাশের ময়না তদন্ত হবে ।
চুরির অপবাদ দিয়ে আবদুল আলিমকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তের ব্যাপার। লাল্টু তার দোকান বন্ধ রেখে গা ঢাকা দিয়েছে। তার মোবাইলও বন্ধ। তদন্তে প্রমান পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দুই পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান শারজিল খান ও খালিদ লতিফ ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে আজীবনের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন। এই দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএলে) ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দু’জনকেই আজীবনের জন্য ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পিএসএলের সর্বশেষ আসরের শুরুতেই শারজিল ও লতিফের বিরুদ্ধে আসে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। সেই সময় দুজনই টুর্নামেন্টটিতে খেলছিলেন ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে। সাময়িক নিষেধাজ্ঞার পর দেশটির গণমাধ্যমে দুজনকে ‘ফাঁসানোর চেষ্টা’ করা হচ্ছে জানিয়ে সংবাদও প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রমাণ মিলেছে শারজিল ও লতিফের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মানবদেহ সম্পর্কিত কিছু বিস্ময়কর তথ্য আছে, যা অনেকের হয়তো জানা নেই। রক্তমাংসের তৈরি এই দেহে কতো যে সূক্ষ্ম কার্যকলাপ ঘটে প্রতিদিন। মানবদেহ সম্পর্কিত অবিশ্বাস্য কিছু বিস্ময়কর তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো-

* এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষের তুলনায় নারীদের হার্টবিট দ্রুততর হয়। নারীদের দেহঘড়ি তাদের পুরুষ সঙ্গীদের তুলনায় ১.৭ থেকে ২.৩ ঘন্টা এগিয়ে থাকে।

* চুল পড়া নিয়ে চিন্তিত থাকেন সবসময়? তাহলে জেনে রাখুন একজন পুরুষের দিনে গড়ে ৪০ টি এবং নারীদের ৭০ টি। রক্ত লবণাক্ত তা আমরা সকলেই জানি, কিন্তু ঠিক কতোটা তা জানেন কি? আপনার দেহের রক্তে যতোটা লবণ রয়েছে ঠিক ততোটাই লবণ রয়েছে একটি মহাসাগরে।

* শিশুরা সবচেয়ে বেশি দ্রুতগতিতে শ্বাস নেয়। প্রতি মিনিটে ৩০-৬০ বার শ্বাস নেয়। একটু বড় বাচ্চারা প্রতি মিনিটে ২০-৩০ বার শ্বাস নেয়। আর কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্করা মিনিটে ১২-২০ বার শ্বাস নেয়। প্রতিদিন আমরা ১৭ হাজার থেকে ৩০ হাজার বার শ্বাস নিই। এই হার বিশ্রামের সময়কার।

* উচ্চতা নিয়ে কি অনেক দ্বিধায় রয়েছেন? তাহলে জেনে রাখুন মজার একটি তথ্য। আপনি জানেন কি, সকালের তুলনায় রাতে আপনার উচ্চতা কম থাকে? প্রতিদিন আপনার হৃদপিণ্ড আপনার দেহে প্রায় ১,০০০ বার রক্ত সঞ্চালন করে থাকে। চোখের পাপড়ি পড়ে গেলে ভয় পাবেন না। একটি চোখের পাপড়ির আয়ুষ্কাল মাত্র ১৫০ দিন। এরপর তা ঝরে পড়ে যায়।

* মানবদেহের সবচেয়ে বড় কোষটি হল নারীদের ডিম্বানু। আর সবচেয়ে ক্ষুদ্র কোষটি হলো পুরুষদের শুক্রাণু। মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত একটি শুক্রাণুর দৈর্ঘ্য হয় ৫০ মাইক্রোমিটার (০.০৫ মিলিমিটার বা ০.০০২ ইঞ্চি- এক ইঞ্চির ১ হাজার ভাগের দুই ভাগ)। আর একটি ডিম্বানু এর চেয়ে ৩০ গুন বড়। যা খোলা চোখেই দেখা যায়। জেনে হয়তো অবাক হবেন যে, মানব দেহের সবচাইতে শক্তিশালী মাংসপেশি হচ্ছে জিহ্বা। আর মুখ থেকে পেটে খাবার পৌঁছুতে সময় লাগে ৭ সেকেন্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জোড়া লাগা যমজ শিশু তোফা ও তহুরাকে আলাদা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুই শিশু সুস্থ আছে। তাদের আলাদা করার পর দুটো অপারেশন থিয়েটারে রেখে দুই দলে ভাগ হয়ে কাজ করছেন সার্জনরা। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে তোফা–তহুরার অস্ত্রোপচার শুরু হয়। বেলা আড়াইটার দিকে অস্ত্রোপচারে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিভাগের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

চিকিৎসক রাজিউল হাসান, এস এম শফিকুল আলম, অসীত চন্দ্র সরকার, আশরাফুল হক, আব্দুল হানিফ ও কানিজ হাসিনা সাংবাদিকদের জানান, দুই শিশুর স্পাইনাল কর্ড, মেরুদণ্ড, পায়খানার রাস্তা ও প্রস্রাবের রাস্তা আলাদা করা হয়েছে।

জন্মের পর থেকে ১০ মাস তোফা ও তহুরা একসঙ্গে বড় হয়েছে। পিঠের কাছ থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত তারা পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। দুজনের পায়খানার রাস্তা ছিল একটি। তবে মাথা-হাত-পা ছিল আলাদা।

তোফা-তহুরা যেভাবে জোড়া লাগানো ছিল, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘পাইগোপেগাস’। শিশু দুটোর অস্ত্রোপচারে বিভিন্ন বিভাগের ১৬ জন সার্জন যুক্ত ছিলেন।

শিশু সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘পাইগোপেগাস’ শিশু আলাদা করার ঘটনা এটি প্রথম। এর আগে অন্যান্য হাসপাতালে তিন জোড়া শিশুকে অস্ত্রোপচার করে আলাদা করা হয়েছে, তাদের ধরন ছিল আলাদা।

তোফা-তহুরার মায়ের নাম শাহিদা ও বাবার নাম রাজু মিয়া। তাঁরা গাইবান্ধায় থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest