সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

news pic.নলতা প্রতিনিধি :  কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফ প্রেসক্লাবে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) বিকাল ৫ টায় নলতা অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে নলতা শরীফ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কেবিএ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান মহসিনের সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মীর্জা মুহা.সালহউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ¦ মো.সাইদুর রহমান শিক্ষক।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নলতা হাসপাতালের সুপারিন টেনডেন্ট ডা.আবুল ফজল মাহমুদ বাপ্পী,নলতা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ,গ্রামীন ব্যাংক নলতা শাখার ব্যবস্থাপক এ্যাড. মুন্নাফ আলী, সহকারী অধ্যাপক স.ম মমতাজুর রহমান,কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু,সাংগঠনিক সম্পাদক মো.হাফিজুর রহমান শিমুল, আমজাদ হোসেন,জান্টু,ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আবুল হোসেন,মিশন কর্মকর্তা আলহাজ¦ মো.আবুল ফজল, মো.এনামুল হক, মো.আনোয়ারুল হক,ভাড়াশিমলা এমজেএফ পরিচালক মো.আজহারুল ইসলাম, নলতা চৌমুহনী শেরে বাংলা ক্লিনিকের পরিচালক মো.আবু সাইদ, সমাজ সেবক আলহাজ¦ শাহাদাত হোসেন, নলতা শরীফ প্রেসক্লাবের সম্পাদক মীর জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক শিক্ষক শেখ আলমগীর কবীর মো. শরিফুজ্জামান, মো.তরিকুল ইসলাম লাভলু,গোপাল চন্দ্র পালসহ জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা,শিক্ষক,ব্যবসায়ি,বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গসহ প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইফতারের আগে দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওঃ মো. আঃ মোমিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নলতা প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার মানিক তলায় আহছানিয়া দরবেশ আলী মেমোরিয়াল ক্যাডেট স্কুলে শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জন, ক্লাসের সর্বউচ্চ উপস্থিতি, ২৬ মার্চ দেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনকারীদের কৃতিত্বের জন্য দেওয়া হয়েছে এ পুরস্কার ও দেশ টিভি’র সনদপত্র। শিশুরা এসব বিষয় পুরস্কার পেয়ে বেশ আনন্দিত ও উৎফুল্ল।
বৃহঃবার বেলা ১০টায় এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। স্কুলের অধ্যক্ষ খান আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ও শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নলতা ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের দিক নির্দেশনা মূলক বিভিন্ন পরামর্শ দেন ও তাদের লেখাপডার উন্নতির জন্য পাশে থেকে সহযোগিতার কথা বলেন।
সিনিয়র সহকারি শিক্ষক আবু ফরহাদের সঞ্চালনায় সকলের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সোহরাব হোসেন সবুজ, উপ-অধ্যক্ষ শাহিনুর রহমান ও সহকারি শিক্ষক শিউলী সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি আইয়ুব হোসেন, শিক্ষক আনারুল ইসলাম, মিরানা আক্তার, আব্দুল কাইয়ুম, শাহানারা খাতুন, রাশিদা খাতুনসহ স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও কর্মচারীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_96498010_c91bedfb-d168-4950-9b54-bc6fe85ece7bস্পেন-মরক্কো সীমান্তের একটি ছবি ব্যবহার করে নিজেদের কৃতিত্ব জাহির করার জন্য ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিয়ে টুইটারে প্রবল হাসি-মশকরা শুরু হয়েছে।

অল্ট নিউজ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি খবরে বুধবার দেখানো হয়, মন্ত্রণালয় তাদের বার্ষিক রিপোর্টে ওই ছবিটি ব্যবহার করে দাবি করেছে সীমান্ত এলাকায় তারা ফ্লাডলাইট বসিয়েছে।

কিন্তু ওই ওয়েবসাইটটি জানায়, ২০০৬ সালে স্প্যানিশ আলোকচিত্রী হাভিয়ার মোয়ানো ওই ছবিটি তুলেছিলেন সেউটা দ্বীপে।

এই চরম বিব্রতকর অভিযোগ ওঠার পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে এর আগেও সরকারি প্রেস বিবৃতি বা রিপোর্টে ভুয়ো কিংবা ফোটোশপ করা ছবি ব্যবহারের জন্য অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে।

ভারতের সরকারি পরিচালনাধীন প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ২০১৫ সালে চেন্নাইয়ের বন্যা সরেজমিনে পরিদর্শরত প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি ছবি টুইট করেছিল – যেটি পরিষ্কার বোঝা গিয়েছিল যে এডিট করা!

অল্ট সংবাদ সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুনতম কারসাজিটি ধরিয়ে দেওয়ার পর ভারতেই অনেকে সরকারকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করছেন।

এনডিটিভি ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, এই ঘটনা সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব মেহরিষি কর্মকর্তাদের কৈফিয়ত তলব করেছেন।

তিনি বলেছেন, “যদি দেখা যায় এটা মন্ত্রণালয়ের ভুল, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষমা চাইব।”

ভারতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সীমান্তে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোখার জন্য অবশ্য সত্যিই ফ্লাডলাইট বসানোর কাজ শুরু করেছে।

বার্ষিক প্রতিবেদনে তারা জানিয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্তে এরই মধ্যে ৬৪৭ কিলোমিটার বা ৪০২ মাইল এলাকাতে ফ্লাডলাইট বসানো হয়ে গেছে।

কিন্তু এই তথ্যের সঙ্গে কীভাবে একটি ভুল ছবি প্রতিবেদনে জায়গা করে নিল, সেটাই এখনও বোঝা যাচ্ছে না বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-20141আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানে জামায়াতের ১৩ নারী নেতা-কর্মীসহ ৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৩ জন, কলারোয়া থানা ২৭ জন, তালা থানা ১৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৪ জন, শ্যামনগর থানা ৪ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খুলনা বিভাগে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imagesআসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহবধু টুম্পা খাতুন দীর্ঘ ছয় দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মারা গেছেন।  শুক্রবার ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
গৃহবধুর স্বামী সাইফুল ইসলাম জানান, গত (১০ জুন) শনিবার ভোররাতে সেহেরি করতে উঠে তার স্ত্রী টুম্পা খাতুন তরকারি গরম করতে গেলে গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে তিনি দগ্ধ হন। এতে টুম্পার শরীরের ৭০ শতাংশ ঝলসে যায়। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দীর্ঘ ছয় দিন চিকিৎসাধিন অবস্থায় থাকার পর শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল ইসলাম শাহিন জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে গৃহবধু টুম্পা খাতুন কেরোসিনের আগুনে পুড়ে আতœহত্যার চেষ্টা করছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6bf495c34da055fe3f8999b07177e846-59436ea176d2cস্পোর্টস ডেস্ক : আসছে আগস্টে বাংলাদেশ সফর করবে অস্ট্রেলিয়া। আর দুই টেস্টের এ সিরিজের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে তারা। যদিও ১৩ জনের এ দল থেকে বাদ পড়েছেন মিচেল স্টার্ক ও স্টিভ ও’কিফ।
পায়ে চিঁড় ধরায় গত ভারত সফরের মাঝপথে ছিটকে যান স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মিশনে খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বাঁহাতি পেসারের চোট পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। অ্যাশেজ সিরিজের কথায় মাথায় রেখে তাকে দেওয়া হয়েছে বিশ্রাম।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির পর প্রথমবার টেস্ট দলে ফিরেছেন ভিক্টরিয়ার তারকা পেসার জেমস প্যাটিনসন। ইনজুরি কাটিয়ে তিনি যোগ দিচ্ছেন দল। তিন অলরাউন্ডার হিলটন কার্টরাইট, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও বাঁহাতি স্পিনার অ্যাস্টন অ্যাগার আছেন দলে।
ভারতের বিপক্ষে সিরিজে ১৯ উইকেট নেওয়া ও’কিফের জায়গায় এসেছেন অ্যাগার। ভারত সফরে একটিও টেস্ট না খেলা উসমান খাজা দলে জায়গা ধরে রেখেছেন। বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ব্যাটিং দুর্দশায় থাকা শন মার্শকে বাদ পড়তে হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া দল: স্টিভ স্মিথ (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার (সহঅধিনায়ক), অ্যাস্টন অ্যাগার, হিলটন কার্টরাইট, প্যাট কামিন্স, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, জশ হ্যাজেলউড, উসমান খাজা, নাথান লিয়ন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, জেমস প্যাটিনসন, ম্যাথু রেনশো ও ম্যাথু ওয়েড। সূত্র- ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

60c169703278bf917d80bf71133810fe-59433b9ec27b8ভারতীয় পোশাকে বাংলাদেশের ঈদের বাজার ছয়লাব। এমনকি হরেক নামের ও দামের ভারতীয় পোশাক এ দেশেই পাওয়া যাচ্ছে। তবুও ভারতে গিয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করে ঈদের কেনাকাটা করছেন অনেকেই। ভারতে গিয়ে শপিংয়ের এ মনোভাব কেবল উচ্চবিত্তে নয়, মধ্যবিত্তকেও গ্রাস করেছে। প্রতিদিনই দেশের হাজার হাজার মানুষ ঈদ উপলক্ষে শপিং করতে ছুটছেন কলকাতার বিখ্যাত বিগ বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেটের উদ্দেশ্যে। এবার ঈদের কেনাকাটায় দেড় লাখেরও বেশি বাংলাদেশির ভারতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

গত শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ঈদের শপিং করতে গিয়েছিলেন মুন্সিগঞ্জের আরাফাত আবেদীন। তিনি প্রায় লক্ষাধিক টাকার শপিং করে দেশে ফিরেছেন মঙ্গলবার। দেশে ফিরে তিনি জানান, তিনি তার পরিবারকে খুশি করতে ভারতে গিয়েছিলেন ঈদের কেনাকাটা করতে। ‘ইন্ডিয়ার ট্যাগ লাগানো গিফট দেখলে পরিবারের সবাই খুশি হবে’ – এমন ধারণা থেকেই তিনি ঈদের শপিংয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন। তিনি সেখান থেকে নিজের বোন, বোনের স্বামী, বাবা-মা, বন্ধুদের জন্য ঈদের কেনাকাটা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ঈদের বাজার অনেক বড়। এদেশেই নামি-দামি সব ধরণের পোশাক পাওয়া যায়। তবুও ঈদ আসলে মানুষ ছুটে যায় ভারতে বা সিঙ্গাপুরে।’
হেলাল উদ্দিন আরও জানান, গত রজমানের ঈদের শপিং করতে দেড় লাখেরও বেশি বাংলাদেশি ভারতে গিয়েছিলেন। ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় হাই-কমিশন গত বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ভিসা দিয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবার আরও বেশি মানুষ সেখানে কেনাকাটা করতে যাবে উল্লেখ করে হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রত্যেকে যদি সর্বনিম্ন এক হাজার ডলারের (বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৭৮ হাজার টাকা) পণ্য কেনাকাটা করে তাহলে দেশ থেকে এবারের ঈদে এক হাজার ১৭০ কোটি টাকা চলে যাবে। তবে অনেকে ভারতে গিয়ে দুই হাজার ডলার থেকে পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত কেনা-কাটা করছে। এই হিসাবে দেশ থেকে অর্থ চলে যাওয়া পরিমাণটা আরও বাড়বে।’
বাংলাদেশি সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল ভারত থেকে ঈদের কেনাকাটা করে ফিরেছেন সোমবার। তিনি জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকাসহ এর আশপাশের মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশি ক্রেতাদের প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি বলেন, ‘ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন মাকের্টে বাংলাদেশি ক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। কলকাতার ব্যবসয়ীদের ধারণা, এখন প্রতিদিন গড়ে প্রায় পঁচিশ হাজার বাংলাদেশি ক্রেতা আসছেন শুধু নিউ মার্কেট চত্বরে। ঈদের আগ মুহূর্তে এ সংখ্যা দেড় লাখ থেকে দু’লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। নিউমার্কেট এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে শুধুমাত্র ছেলে-মেয়েদের পোশাকের দোকানের সংখ্যা প্রায় দুই শতাধিক। প্রত্যেক দোকানে ইতোমধ্যেই ঈদের কেনাকাটা জমে উঠছে।’

জানা গেছে, বাংলাদেশি ক্রেতা ধরতে ভারতে গড়ে উঠছে নতুন নতুন বাজার। কলকাতার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা মীর্জা গালিব স্ট্রিট, মল্লিকবাজার, বেলগাছিয়া, নিউমার্কেট, চিৎপুর, টালিগঞ্জ, এন্টালি, আনোয়ার শাহ রোড, রাজাবাজার, পার্ক সার্কাস, মেটিয়াবুরুজ, খিদিরপুর, পার্ক স্ট্রিট, চিৎপুরের জাকারিয়া স্ট্রিট, ধর্মতলার টিপু সুলতান মসজিদ চত্বর এলাকায় ইতোমধ্যে ঈদের জমজমাট বিক্রি শুরু হয়েছে। এসব এলাকায় অস্থায়ী ভিত্তিতে দোকানপাট গড়ে উঠেছে। এর বাইরে ধর্মতলা থেকে গড়িয়াহাট, শিয়ালদহ থেকে রাজাবাজার বা বেলগাছিয়া-পার্ক সার্কাস থেকে এন্টালি-খিদিরপুর এলাকাতেও ঈদের কেনাকাটার ধুম লেগেছে। কলকাতার বিখ্যাত বিগ বাজার, শ্রী লেদারস, খাদিম, সাউথ সিটি মল ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে ঈদ উপলক্ষ্যে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর বিশেষ ছাড়ও দেওয়া হচ্ছে। ব্র্যান্ডের শপগুলো ছাড়াও বড় বাজার বা চায়না মার্কেট এলাকায় পাইকারি মূল্যে শাড়ি, থ্রিপিস, প্রসাধনী কিনছেন অনেকেই।

এফবিসিসিআই সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন মনে করেন, কেনাকাটা করতে অন্যদেশে যাওয়া তখনই বন্ধ হবে, যখন দেশেই মানসম্মত পণ্য পাওয়া যাবে প্রতিযোগিতামূলক দামে। তিনি বলেন, ‘এখন বাংলাদেশে বিশ্বমানের অনেক কিছুই পাওয়া যায়। তবে এমন অনেক পণ্য হয়ত আছে যেগুলো দেশে পাওয়া যায় না। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যারা যাচ্ছেন, তারা নিয়ম মেনেই যাচ্ছেন। ঈদ শপিংকে কেন্দ্র করে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে গেলেও কিছুই করার নেই। কারণ, কেনাকাটা করার ক্ষেত্রে যে নীতিমালা আছে তারা তা মেনেই করছেন। এছাড়া দু’দেশের সীমান্ত হাট রয়েছে। সেখান থেকেও দু’দেশের মানুষ ইচ্ছেমতো বাজার করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

031159Pic-06অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে চালের দাম। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। সহসাই কমছে না বেড়ে যাওয়া চালের দাম। আর এই দাম কমানোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনও উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না।
সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মোটা চালের কেজি ৪০ টাকা এবং সরু চালের কেজি ৫৬ টাকায় উঠেছিল। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জসহ দেশের ছয় জেলায় বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে হাওরের ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার ইস্যুকে পুঁজি করে বাড়তে থাকে চালের দাম। এরপর থেকে আর স্থিতিশীল হয়নি চালের বাজার। এখন বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনও মোটা চাল নেই। ৬৫ টাকার নিচে পাওয়া যায় না ভালো মানের চিকন চাল।
হাওরে বন্যায় ডুবে যাওয়া ১০ লাখ মেট্রিক টন চালের ঘাটতি মেটাতে ওই সময় বিভিন্ন মহল থেকে বারবার চাল আমদানির দাবি উঠেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৬ লাখ টন চাল সরকারিভাবে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। পরে আরও ৪ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই চাল এলেই বাজার স্বাভাবিক হবে। তবে এখনও সরকারিভাবে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া চালের এক কেজিও দেশে এসে পৌঁছেনি। কবে নাগাদ ওই চাল দেশে আসতে পারে, সেই প্রশ্নেরও কোনও জবাব দিতে পারছেন না সরকারের দায়িত্বশীল কেউ।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার টু সরকার পদ্ধতিতে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াগত জটিলতায় আটকে আছে। এরই মধ্যে বুধবার (১৪ জুন) আবার আড়াই লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা হবে এ চাল। এর মধ্যে ৫০ হাজার টন সিদ্ধ ও দুই লাখ টন আতপ চাল। টনপ্রতি চলের দাম পড়বে ৪৭০ মার্কিন ডলার। ৮০ টাকায় ডলার হিসাবে এই চালের দাম পড়বে প্রতিকেজি ৩৭ টকা ৬০ পয়সা। তবে এই আড়াই লাখ টন চালও কবে নাগাদ দেশে আসতে পারে, সে সম্পর্কে কোনও তথ্য জানাতে পারেননি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অনেকেই বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে যোগাযোগ করেও নাকি চাল পাওয়া যায়নি।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চালের দাম বেশি বেড়েছে গত পাঁচ মাসে। প্রতিমাসেই সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা করে। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও বাড়ছে মোটাসহ সব ধরনের চালের দাম। এই সময়ে চিকন চালের দামও বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এখন বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনও মোটা চাল নেই, ভালো চিকন চালও নেই ৬৫ টাকার নিচে। তবে চালের দাম বাড়ার কারণ জানেন না কেউ।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিলারদের কারসাজিতে বেড়েছে মোটা চালের দাম। সেই দাম এরই মধ্যে স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৫ টাকা কেজি দরে খোলা বাজারে চাল বিক্রি করলেও তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারছে না। রাজধানীর কোথায় এই চাল বিক্রি করা হয়, তা খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর।
এদিকে, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এখনও বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমতি দিচ্ছে না সরকার। তবে পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে গেলে যেকোনও সময় বেসরকারিভাবেও চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
সরকারের একটি সূত্র জানায়, গত কয়েক বছরে কৃষক উৎপাদিত ধানের দাম নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না। এ বছর চালের দাম বাড়তে থাকলে কৃষকের কথা চিন্তা করেই বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির বিষয়টি নিয়ে ভাবেনি সরকার। কারণ, ২০১৪ সালে বেসরকারিভাবে বিপুল পরিমাণে চাল আমদানি হওয়ায় দেশের বাজারে চালের দাম একেবারেই কমে যায়। ফলে ওই বছর ধানের ন্যায্যমূল্য পাননি কৃষকরা। তাদের অনেকে ধান উৎপাদনে আগ্রহও হারান।
চালের বাজারের অস্থিরতা প্রসঙ্গে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে চালের দাম। সরকার স্বীকারই করতে চায় না যে চালের দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। হাওরাঞ্চলের সাত জেলায় এ বছর আগাম বন্যায় ব্যাপক ফসলহানি হয়েছে। আরও ১৯টি জেলায় ধানক্ষেতে ছত্রাকের আক্রমণে (ব্লাস্ট রোগ) উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুই কারণে এ বছর ১০ লাখ টনের বেশি বোরো ধান নষ্ট হয়েছে।’
ট্রেডিং করপোরেশন অব বংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এই সময় উন্নতমানের মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের কেজি ছিল গড়ে ৪৮ থেকে ৫২ টাকা। আর এখন বাজারে সাধারণ মানের মিনিকেট চালের কেজিই ৫৬-৬০ টাকা। যদিও সাধারণ মানের মিনিকেট চালের দাম গত বছরের এই সময়ে ছিল ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ বেশি খায় বিআর-২৮ ও পাইজাম চাল। এই দুই প্রকারের চালের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। বাজারে এখন বিআর-২৮ চালের কেজি ৫২ থেকে ৫৬ টাকা, পাইজাম চালের কেজি ৫০ থেকে ৫৪ টাকা। অথচ জানুয়ারিতেও এসব চালের দাম ছিল প্রতিকেজি ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা। আর গত বছরের এই সময়ে দাম ছিল ৪০ থেকে ৪২ টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে এসব চালের দাম বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫১ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চালের দামকে কেন্দ্র করে অন্য সব নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষকে। তারা হিমশিম খাচ্ছেন সংসার চালাতে। বিপাকে পড়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণিও, তবে লোকলজ্জার ভয়ে তারা এ বিষয়ে উচ্চকিত হতে পারছেন না।
ঢাকায় দিনাজপুর থেকে আসা দিনমজুর মজনু মিয়া কাজ করেন কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটে। বিভিন্ন পাইকারি দোকানের পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজ করেন তিনি। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগে দিন শেষে চারশ টাকা পেলেই বাজার খরচ কিনে বাসায় যেতাম। এখন পারি না। চাল কিনতেই বাড়তি খরচ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে মাছ, মাংস ও সবজি, হলুদ, মরিচ, পেঁয়াজ—সবকিছুর দামই বেড়েছে। তাই চারশ টাকার বাজার করতে এখন লাগে পাঁচশ থেকে সাড়ে পাঁচশ টাকা। কিন্তু বাড়তি সেই টাকা কোথায় পাবো?’ আক্ষেপের সুরে মজনু মিয়া বলেন, ‘আমার আয় তো বাড়েনি!’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest