সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা আট মাসের অন্তস্বত্তা গৃহবধূ মনজিলা খাতুনসহ তার স্বামী ও বৃদ্ধা দাদিকে ব্যাপক মারিপট করে আহত করেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের বেতলা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। আহত অন্তস্বত্তা গৃহবধু ও তার বৃদ্ধা দাদিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গৃহবধুর বাবা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেতলা গ্রামের আনছার আলী সরদারের ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে সদর থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন।
বাদির এজাহারে বর্ণিত অভিযোগে জানা যায়, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রতিবেশী মাঃ আতাউর হক গংদের সঙ্গে মনিরুল ইসলামের বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ৪ জুলাই দিবগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেতলা গ্রামের মৃতঃ অলেক সরদারের ছেলে মোঃ আতাউর হক ও তার ছেলে কামরুল ইসলাম, ইব্রাহিমের ছেলে মগরব আলী, আতাউর রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম, মৃতঃ টেটে সরদারের ছেলে ইব্রাহিম, কাশেমপুর গ্রামের মাহরমের ছেলে বিল¬াল হোসেন, ইছাহাক মোল¬ার ছেলে মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এবং নলকুড়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে মোঃ হাবিবসহ তাদের সহযোগী আরও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন আসামী বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে লাঠি, লোহার রড, শাবল, কুড়াল ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহকারে বাদির ভোগদখলকৃত ভিটাবাড়ীর জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে বসতঘর ভাংচুর করতে থাকে। এসময় বাধা দিলে আসামীরা আমিসহ আমার মেয়ে মনজিলা খাতুন (২৫), বৃদ্ধ মা জোহরা খাতুন (৬৫) এবং জামাতা হাফিজুল ইসলামকে মারপিট করতে থাকে। আমার মেয়ে মনজিলা ৮ মাসের অন্তস্বত্তা। আসামী বিল¬াল হোসেনের হুকুমে আতাউর হক আমার মেয়ের গলায় শাড়ি পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় কামরুল ও বিল¬াল লাঠি ও লোহার রড দিয়ে আমার অন্তস্বত্তা মেয়ের পেটেসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে এলোপাতাড়ী ভাবে পিটিয়ে কাটা ফোলা রক্তাক্ত জখম করে। কামরুল আমার তিন বছরের নাতি ছেলে আমির হামজাকে মাটিতে আছাড় মেরে জখম করে। হাবিব আমার মেয়ের পরনের কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। তারা আমার বৃদ্ধ মা’কেও মারপিট করে আহত করে।
পরে আসামী ঘরে ঢুকে ড্রয়ারের তালা ভেঙ্গে নগদ ৪০ হাজার টাকা নেয় এবং বসতঘরসহ অন্যান্য মালামাল ও জিনিসপত্র ভাংচুর করে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। যাওয়ার সময় আসামীরা আমাকেসহ আমার মা, মেয়ে ও জমাতাকে বিষয়টি নিয়ে থানা বা কোর্টে মামলা না করার হুমকি দেয়। এমনকি আসামীরা আমাদের ভোগদখলকৃত ভিটাবাড়ীর জমি জোর পূর্বক দখল করে নিবে, আমাদের নামে মিথ্যে মামলা দিয়ে গ্রাম ছাড়া করবে ও ভিটা ছাড়া করবে ইত্যাদি হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় অন্তস্বত্তা মেয়ে ও আমার মা’কে জখম অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। আমি ও আমার জামাতা স্থানীয় ডাক্তারের কাছ থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করেছি। তিনি ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া সরকারি কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসার বাসুদেব বসু বলেছেন. জঙ্গিবাদীরা ইসলামের ভুল ব্যাখা দিয়ে আমাদের কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের বিপদগামী করছে। এরা জাতিকে সর্বনাশের পথে চালিত করার চেষ্টা করছে। এদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েদের জঙ্গিবাদের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা করতে হবে। প্রফেসার নতুন প্রজন্মকে জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার আহবান জানিয়ে বলেন, নতুন প্রজন্মকে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। জাতির প্রত্যাশা পূরণে তোমাদেরকে অগ্রসৈনিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। কলারোয়া সরকারি কলেজের (২০১৭-১৮) শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের নবীর বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান অতিথি’র বক্তবে এসব কথাগুলো বলেন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও গীতা পাঠদানের মাধ্যমে বুধবার সকালে সরকারি কলেজের আয়োজনে বিজ্ঞান ভবনের ১১নং কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু। শিক্ষা হোক সমাজ জাগরণের হাতিয়ার, সুশিক্ষা শিক্ষিতরা পারে সমাজ আর জাতিকে পরিবর্র্তন করতে। কলেজের পরিবর্র্তনের কথা তুলে ধরে এসো তুলি ধরি শিক্ষার মশাল, দুর করি সমাজের অন্ধকার। অন্তর মম বিকাশিত কর, অন্তরতর হে- এই স্লোগানকে সামনে রেখে কলেজে পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রীদের উদ্দ্যেশে প্রধান অতিথি প্রফেসার বাসুদের বসু আরও বলেন, মন্দ কিছু বলোনা, মন্দ কিছু করোনা, এই হোক জীবনের গান। তোমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে পিতা-মাতার কথা মেনে চলা। তোমরা ছাত্র তোমরাই পার শিক্ষককে আগলে রাখতে। শিক্ষক হচ্ছে শ্রেষ্ঠ, শিক্ষক হচ্ছে শ্রেষ্ঠ সবার সুতারাং তোমাদের বিনয়ী হতে হবে। কিসের বন্দ কিসের ছুটি, কলেজ জীবন ফাটাফাটি। এই সরকারি কলেজ থেকে বহু ছাত্র/ছাত্রীরা বাংলাদেশসহ বিশ্বের মান উজ্জ্বল করেছে। এখান থেকে তোমাদের যাত্রা শুরু হবে আগামীর পথচলা। সর্বপরি দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বদলে গেছে বাংলাদেশ। বদলে যাওয়া দেশের সাথে নিজেদের আতœমর্যাদা বৃদ্ধিও বাড়াতে হবে। কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র শাহেদ আহম্মেদ শাওন ও ছাত্রী শামীমা আফরোজের যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি মাইকেল মধুসুদন কলেজের প্রাক্তন উপাধ্যাক্ষ প্রফেসার নজরুল ইসলাম, কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসার আবু নছর, তালা সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসার আবু বক্কর ছিদ্দিক, কলেজের প্রাক্তন উপাধ্যাক্ষ আব্দুল মজিদ, অধ্যাপক প্রাক্তন বিদ্যালয় পরিদর্শক এম এ ফারুক, কলেজের প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ স্বরজিত কুমার বিশ্বাস, প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ অহিদুল আলম মন্টুসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারি অধ্যাপক আব্দুর সবুর, সহকারী অধ্যাপক ফারুক হোসেন, কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র কাজী আবিদ ও পূজা শেঠসহ কলেজের সকল শিক্ষক ছাত্র/ছাত্রীবৃন্দ। এদিকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথি’দের ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় কলেজের নবীন ছাত্র-ছাত্রীরা। এ সময় অতিথিদের পক্ষ থেকেও উপস্থিত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। আলোচনা সভা শেষে দুপুরে নবীর/প্রবীণদের নিয়ে এক মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুুদেব বসুসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃৃন্দ এবং কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করে টাকা গ্রহণ করে পরে ফেরৎ দিতে অস্বীকার করায় কুলিয়ার অচিন্ত মন্ডল নামের এক ইউপি সদস্যকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে। তিনি কুলিয়া ইউনিয়ন পরিদের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

ঘটনার সময় উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীরা কেউ কেউ ইউপি সদস্যদের দ্বারে দ্বারে যেয়ে ভোট চাওয়া ও ভোটারদের মন জয় করার জন্য উপহার হিসাবে মিষ্টি, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পরে জানজানি হয়ে যায় যে, একজন ভোটার একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা পয়সাসহ বিভিন্ন উপহার গ্রহণ করেছে। এদের কাউকে কাউকে ভোটের পরে পরাজিত প্রার্থীদের ভোটারদের কাছে যেয়ে টাকা ফেরত চাইতেও দেখা গেছে। কিন্তু অচিন্ত্য একাধিক প্রার্থীর কাছে ভোট দেওয়ার অঙ্গিকার করলেও ভোট না দেয়ায় পরাজিত প্রার্থীরা তার কাছে টাকা ফেরত চান। অচিন্ত সব প্রার্থীকে একই কথা বলে যে আমি তোমাকে ভোট দিয়েছি, কাজেই আমি আমি টাকা ফেরৎ দিতে পারবো না। গত ৪/৭/১৭ তারিখ মঙ্গলবার ইউপি সদস্য অচিন্ত মন্ডল মাছ কেনা-বেচার জন্য পারুলিয়া সেটে যান। সেখানে সখিপুর কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সাথে দেখা হয়। এসময় জেলা পরিষদের পরাজিত প্রার্থী শাপলার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয় নিয়ে সাইফুল ও অচিন্ত মন্ডলের মধ্যে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা উপস্থিত হলে দু’জনই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এবিষয়ে ইউপি সদস্য অচিন্ত মন্ডল বলেন, “আমিও নিজের ভোটের সময় টাকা পয়সা খরচ করেছি। কিন্তু ভোটের পরে যারা আমাকে ভোট দেয়নি তাদের কাছেতো আমি টাকা চাইতে যাইনি।”
তিনি আরো বলেন, “আমি মঙ্গলবার সকালে পারুলিয়া মৎস্য সেটে গেলে সাইফুল ইসলামের সাথে দেখা হয়। সেখানে শাপলার ভোটের টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে সাইফুলসহ কয়েকজন আমাকে মারপিট করেন। এসময় স্থানীয়রা উপস্থিত হলে সবাই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আমি উক্ত ঘটনায় প্রচ- আহত হয়ে ডাক্তারের কাছ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে যাই।”

এবিষয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমি শুধু শাপলার কাছ থেকে তাকে টাকা নিতে দেখেছি। এজন্য শাপলা অচিন্তের কাছে টাকা চাইলে অচিন্ত আমার কাছে টাকা ফেরৎ দেওয়ার কথা বলে কয়েকবার সময় নেয়। কিন্তু সে আমার কাছে টাকা ফেরৎ না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। গত মঙ্গলবার আমার সাথে অচিন্তের দেখা হওয়ায় আমার সাথে অচিন্তের দেখা হলে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে অচিন্ত আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। কিন্তু স্থানীয় লোকজন সেখানে উপস্থিত হলে কুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম অচিন্তকে নিয়ে চলে যায়। এছাড়া অচিন্তের সাথে আমার কোন প্রকার মারমারির ঘটনা ঘটেনি।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া ইউনিয়নের কোন না কোন জায়গায় প্রতি রাতেই বসছে জমজমাট জুয়ার আসর। এতে এলাকার পরিবেশ মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চুরি-ডাকাতিসহ এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৫ দিন যাবত সরুলিয়া এলাকায় জমজমাট জুয়ার আসর বসলেও স্থানীয় প্রশাসন কোন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কয়েক জন জনপ্রতিনিধি ও থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে এলাকার একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী ওই জুয়ার আসর বসাচ্ছে। প্রতিরাতে লাখ লাখ টাকার খেলা হচ্ছে সেখানে। এই এই টাকার ভাগ পাচ্ছে আইনের রক্ষকরা। তাহলে কে রুখবে এই জুয়ার আসর?
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টা থেকে ভোর রাত ৪ টা পর্যন্ত সরুলিয়া স্লইজ গেট (জিল্লার বাড়ির পাশে) এলাকায় বসে জুয়ার আসর। সরুলিয়া ইউনিয়নের খোদ্দ গ্রামের জনৈক আলম, একই গ্রামের শফি ও পাশ্ববর্তী চৌগাছা গ্রামের বারী ওই জুয়ার বোর্ড চালাচ্ছে বলে জানাগেছে। তারা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে পাচ্ছে না। তারা জানান, যশোর, খুলনা, কলারোয়া, শার্শা, মনিরামপুর,কেশবপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়া খেলার জন্য মানুষ আসছে।
এলাকাবাসী আরো জানান, মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও পাটকেলঘাটা থানার ওসিকে বিষয়টি অবহিত করার পরেও কোন ফল হয়নি। প্রতিরাতের ন্যায় চলেছে জুয়ার জমজমাট আসর। ফলে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়ে গেছে।
সম্প্রতি পাশ্ববর্তী কাটাখালি, কুমিরাসহ ওই এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে ডাকাতি ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙাখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হলেও জুয়া বন্ধে থানা পুলিশ কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না তাদের অভিযোগ। তারা জানান, বর্তমান পাটখেলঘাটা থানার ওসি মহিবুল ইসলাম কাউকে কেয়ার করেন না। কারো কথা তিনি শুনতে বা মানতে চান না। যা ইচ্ছে তাই করছেন।
অভিযোগ রয়েছে থানা পুশিলকে ম্যানেজ করে এ ধরনের জুয়ার আসর বসানো হচ্ছে পাটকেলঘাটার কোন না কোন জায়গায়।
এ ব্যাপারে সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, কয়েক দিন ধরে শুনছি এলাকায় না-কী জুয়ার আসর বসছে। আমি পাটকেলঘাটা থানার ওসিকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। কিন্তু দেখছি এখনও বন্ধ হয়নি। জুয়ার আসর যাতে আর না বসে সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওই জনপ্রতিনিধি।
পাটখেলঘাটা থানার ওসি মহিবুল ইসলাম জানান, শুনেছি জুয়ার আসন না-কি বসছে। দেখি, খোঁজ-খবর নিচ্ছি। জুয়ার আসর বসলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে বুধবার সন্ধ্যায় কথা হয় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো: আলতাফ হোসেনের সাথে। তিনি জানান, “বিষয়টি আমার নলেজে নেই। এলাকার সচেতন মহল মঙ্গলবার রাতে আপনার সাথে এনিয়ে কথা বলেছিলেন কী-না জনাতে চাইলে তিনি বলেন, কথা বললে কি আর জুয়ার আসর বসতো। ঠিক আছে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে এ বিষয়ে ফোন করেছিল। তিনি বলেন, আগেও আমার কাছে খবর আসার পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আবারও ওই এলাকায় বসছে জুয়ার আসর। এর সাথে স্থানীয় প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা জড়িত বলে জানতে পেরেছি। পুলিশ সবই জানে। আমি তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি। আজ থেকে এলাকায় জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলবে। তিনি আরও বলেন, এরপরেও বন্ধ না হলে আমি বিষয়টি পরবর্তী জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উথ¥াপন করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কফি কেন খাবেন

কর্তৃক Daily Satkhira

আমাদের ব্যস্ত জীবনের অন্যতম সঙ্গী কফি। হাজার ব্যস্ততায় নিজেকে একটুখানি চাঙ্গা করে নিতে কফির জুড়ি মেলা ভার। সারাদিনের ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে এক কাপ কফিই যথেষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ এক পরীক্ষায় প্রমাণ করেছে, যারা প্রতিদিন চার বা ততোধিক কাপ কফি পান করে তাদের বিষণ্ন হওয়ার সম্ভাবনা যারা কখনও পান করেনি তাদের চেয়ে ১০ ভাগ কম। কফিতে উচ্চমাত্রায় ক্যাফেইন নামে এক প্রকার উপাদান থাকার কারণেই এটি সম্ভব। এই কফি আপনাকে দূরে রাখবে নানারকম অসুখ থেকেও। চলুন জেনে নেয়া যাক-

যারা কাজের স্ট্রেসের কারণে রাতে ভালো করে ঘুমোতে পারেন না তারা শোয়ার আগে কিছুক্ষণ অন্তত কফির গন্ধ শুঁকুন। কফির অ্যারোমা কিন্তু নিমেষে আপনার স্ট্রেস কমিয়ে দেবে।

বিভিন্ন হার্ট ডিজিজ আর ডায়বেটিস অনেকটা কমে যায় যদি নিয়মিত অল্প পরিমাণে কফি পান করেন। তবে মাথায় রাখবে কফিটি হতে হবে চিনি ছাড়া। নিয়মিত কফি পান স্কিন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমিয়ে দেয়। সেইসঙ্গে দেহের অন্য অংশেও ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় ।

দিনে কয়েক কাপ কপি খেলে পার্কিনসন্স ডিসিজ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোগটি দেখা দেয়। একটি সমীক্ষা বলছে এইসময় যদি কফি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেন তা হলে অ্যালঝাইমারস হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

বিজ্ঞানবিষয়ক দৈনিক সায়েন্স ডেইলি জানায়, পার্কিনসন রোগাক্রান্ত ব্যক্তিরা কফি পানে দারুণভাবে উপকৃত হতে পারেন। কফি তাদের এই রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। শুধু রোগাক্রান্তরাই নয়, নিয়মিত কফি পান করলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা যারা কফি পান করেন না তাদের তুলনায় কম।

কোলোন সার্জারি হলে পেট পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি। রোজ কফি খেলে আপনার পেট পরিষ্কার থাকবে আর তাড়াতাড়ি সেরে উঠবেন।

সিউল ন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটিতে ইদুরের মস্তিষ্কের উপর চালানো এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, নিদ্রাহীনতার ফলে মস্তিষ্কের যে চাপের সৃষ্টি হয় কফি সে চাপ লাঘবে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পূর্ব চীনে ‘অবিশ্বাস্য’ একটি সমাধিস্থলের সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। দাবি করা হচ্ছে এটি প্রায় পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো এবং সেখানে যাদের সমাহিত করা হয়েছে তাদের বলা হচ্ছে ‘জায়ান্টস’ (দৈত্যকার)।

শানদং প্রদেশের জিনন শহরের কাছে অবস্থিত জিয়াজিয়া গ্রামে ‘দুর্গবেষ্টিত’ সমাধিস্থলের সন্ধান পাওয়ার প্রতিবেদন বুধবার প্রকাশ করে দ্য টেলিগ্রাফ।

সমাধিস্থলে সমাহিতদের অধিকাংশের উচ্চতা ১.৮ মিটার (৫ ফুট ১১ ইঞ্চি)। পাঁচ হাজার বছর আগের মানুষের গড় উচ্চতায় এটি ‘দৈত্যকার’ বলেই মনে করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা।

সমাহিতদের মধ্যে ১.৯ মিটার (৬ ফুট ৩ ইঞ্চি) উচ্চতার একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে, যাকে বলা হচ্ছে ওই সময়ের ‘দৈত্যমানব’।

‘উচ্চতার এ পরিমাপ শুধুমাত্র সমাহিতদের হাড়ের গঠনের ওপর ভিত্তি করে করা। যদি ওই ব্যক্তি জীবিত হতেন তাহলে তার উচ্চতা ১.৯ মিটারের বেশি হতো’- এমনটি জানালেন শানদং ইউনিভার্সিটি স্কুলের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান ফাঙ হুই।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, সমাধিস্থলটির আয়তন ও আনুষঙ্গিক বিষয় পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে, এখানে সমাহিতরা ছিলেন উচ্চবংশীয়, সম্ভ্রান্ত ও শক্তিশালী। ওই সময়ে পৃথিবীতে বিচরণকারী মানুষের চেয়ে ভালো খাদ্যাভ্যাস ছিল তাদের।

কিন্তু তাদের এমন উচ্চতা কীভাবে হলো- এমন প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিলেন ফাঙ হুই। বলেন, ‘সেই সময়েই তারা খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র আনতে সক্ষম হন। শিকার ফেলে কৃষিজাতপণ্য উৎপাদন এবং উন্নতমানের খাবর গ্রহণে অভ্যস্ত হন তারা।’

বর্তমানে চীনের ওই অঞ্চলে ১৮ বছর বয়সী পুরুষের গড় উচ্চতা ১.৭৫ মিটার। যা দেশটির জাতীয় গড় উচ্চতা ১.৭২ মিটারের চেয়েও বেশি।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা ওই স্থান থেকে বেশকিছু শিল্পকর্মও উদ্ধার করেছেন। যা লংসান সংস্কৃতির অন্তর্গত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মঙ্গলবার রাত ১১টার সময় শোবার ঘরে টেলিভিশন দেখছিলেন রাজশাহী শহরের বুধপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাজদার আলী। কিন্তু শোবার ঘরে হঠাৎ তার চোখে পড়ল গোখরা সাপ। একটি সাপ খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে আসে। মুহূর্তের মধ্যেই সাপটি ড্রেসিং টেবিলের পেছনে চলে যায়।

তখন তিনি ড্রেসিং টেবিলের পেছনে টর্চ লাইট দিয়ে সাপটি দেখতে গিয়ে দেখেন সেখানে আরো তিন সাপ। তখন তিনি ভয়ে আঁতকে উঠলেন। তারপর তিনি তার ভাইদের ডাকেন।

ডাকার আগেই সাপ তিনটি ড্রেসিং টেবিলের পাশে একটি গর্তে ঢুকে যায়।তারপর পাঁচ ভাই মিলে গর্ত খুঁড়ে শাবল এবং লাঠি দিয়ে সাপগুলো বের করার চেষ্টা করেন।

এক পর্যায়ে কক্ষের আসবাবপত্র সরিয়ে আরো গর্ত খোঁড়া শুরু করেন তারা। তারা বলেন, ” আমরা ঘরের ভেতরে সবগুলো গর্ত খুঁড়তে থাকি। সাপ বের হয়ে আসে আর মারি। এভাবে ২৭টা সাপ বের হয়ে আসে”। মাজদার আলী বলেন, সবগুলো সাপই বিষাক্ত গোখরা সাপ।

তিনি জানান, রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত সাপ মারার কাজ চালিয়ে যান তারা।মাজদার আলী জানালেন সাপ ধরার জন্য তারা সাপুড়ে না পাওয়ায় নিজেরাই সাপ মারার কাজটা করেন।

মাজদার আলীর ধারণা ঘরের একটি কক্ষে ধান রাখার কারণে সেখানে ইঁদুর গর্ত তৈরি করে। সেজন্য সেসব গর্তে সাপ এসেছে বলে তিনি ধারণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাছে-ভাতে বাঙ্গালী আমরা। ভাতের সাথে মাছ না থাকলে চলেই না। কিন্তু মাছ খাওয়ার একটা জালা আছে। খেতে খেতে হঠাৎ গলায় মাছের কাঁটা ফোটেনি এমন বাঙালি বোধহয় খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেকেই এই ভয়ে মাছ খেতে ভয় করেন।

আমাদের বদ অভ্যায় আছে, আমরা খেতে খেতে কথা বলি। আবার কর্মব্যস্ততার জন্য খুই তাড়াতাড়া খায়। এই অসাবধানের কারণে মাছ খেতে গিয়ে কগায় কাঁটা ফুটান। আর তখনি শুরু হয় ঝামেলা।

তাই এবার আসুন গলায় মাছের কাঁটা নামানোর উপায়।

সাদা ভাত:
সাদা শুকনো ভাতের ছোটো ছোটো বল বানিয়ে চটপট পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। মনে রাখবেন, শুধু শুধু সাদা ভাত খেলে কিন্তু গলায় আটকে থাকা জেদি কাঁটা নামাতে পারবেন না।

পানি:
উপরে উল্লেখিত কোনও উপাদানই যদি হাতের কাছে না থাকে, তা হলে অনেক পরিমাণ পানি খেয়েই গলা থেকে কাঁটা নামাতে হবে আপনাকে। ভালো হয় যদি, হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে খান। তাতে কাঁটা নরম হয়ে তাড়াতাড়ি গলা থেকে নেমে যাবে। আপনিও তাড়াতাড়ি কাঁটা ফোটার যন্ত্রণা থেকে নিস্তার পাবেন।

কোক:
বাড়িতে কোক জাতীয় পানীয় থাকলে খান। এটি কাঁটা নামানোর সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতি। গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে এক নিশ্বাসে যতটা সম্ভব কোক খেয়ে নিন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

অলিভ অয়েল:
তেল পিছল পদার্থ। আর অলিভ অয়েল কাঁচা খেলেও ক্ষতি নেই। তাই বাড়িতে যদি অলিভ অয়েল থাকে তৎক্ষণাৎ খেয়ে নিন ১ চামচ। কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে।

পাতি লেবু:
মাছের কাঁটা নিমেষে নরম করে তুলতে পারে পাতি লেবু। তাই গলায় কাঁটা ফুটলে আগে একটা লেবু কাটুন। নুনে মাখিয়ে রস খেয়ে নিন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে গলা দিয়ে।

কলা:
কলা পিচ্ছিল। তাই গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে আগেই একটা কলা খেয়ে নিন। কখন গলা থেকে কাঁটা নেমে যাবে টেরই পাবেন না।

ভিনিগার:
গলায় ফুটে থাকা মাছের কাঁটা নামাতে দারুণ কাজ দেয় ভিনিগার। জলের সঙ্গে সামান্য ভিনিগার মিশিয়ে খেলে আটকে থাকা কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। অনেকটা পাতি লেবুর মতো কাজ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest