সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big TechSoftware de Trading para Inversores en Españaসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বুধবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অফিস কক্ষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তফা শামছুজ্জামানের সভাপতিত্বে জে.ডি.সি পরীক্ষা ২০১৭ সংক্রান্ত বিষয়ে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাওঃ আলতাফ হোসেন, সদর উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফ, সেক্রেটারী মাওঃ জালাল উদ্দীন এছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ৩৩টি মাদ্রাসার প্রধান ও তাদের প্রতিনিধিগণ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে সভাপতি ও মাওঃ মোঃ আলতাফ হোসেনকে কেন্দ্রে সচিব করে ১১ সদস্যের জি.ডি.সি পরীক্ষা কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ১) জেলা শিক্ষা অফিসার, ২) আলহাজ্ব মাওঃ আব্দুর রউফ, ৩) মাওঃ মালাল উদ্দীন, ৪) মাওঃ আব্দুল আহাদ, ৫) মাওঃ আব্দুল লতিফ, ৬) মাওঃ নজরুল ইসলাম, ৭) মাওঃ গোলাম রব্বানী, ৮) মোঃ রমজান আলী, ৯) মাওঃ আলতাফ হোসাইন। প্রধান অতিথি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নকলমুক্ত পরিবেশে কোমলমতি বাচ্চাদের পরীক্ষা গ্রহণের আহবান জানান। অনুষ্ঠান শেষে মুফতি মাওঃ আক্তারুজ্জামান দোয়া পরিচালনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশেষ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলাধীন ৬ নং নলতা ইউনিয়নের মাঘুরালী গ্রামের ডায়নামিক সংঘ অর্থাৎ ক্ষ্যান্তর মাঠ হতে উত্তরে সন্ধ্যার খাল আহম্মদ আলী বিশ্বাসের বাড়ী পর্যন্ত নতুন বিদ্যুৎ লাইনে বাতি জ্বালিয়ে সংযোগের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক। খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও অত্র গ্রামের বাসিন্দা মো. মনিরুজ্জামান মহসিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় ডা. রুহুল হক এমপি বলেন- শুধু একটি বা দুটি গ্রাম নয়, অচিরেই নলতা ইউনিয়ন শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প বাস্তবায়নে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে যাবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন আওয়ামীলীগের পূর্বে বিরোধী পক্ষও ক্ষমতায় ছিল। তাই সে সময়ের সাথে আওয়ামীলীগ বা মহাজোট সরকারের কাজের তুলনা করলে বুঝতে পারবেন আমাদের সময়ে কি পরিমাণ এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হয়েছে, নলতার মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইএইচটি, ম্যাটস্, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালর্ভাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ, ক্রীড়া,তথ্য ও প্রযুক্তিসহ সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। এছাড়া আগামী অর্থবছরে মাঘুরালীসহ আশপাশের এলাকায় বড় বড় যত কাঁচা বা ইট সোলিং রাস্তা আছে সেগুলো কার্পেটিং বা পিচ করণের জন্য ইতোমধ্যে আমার নির্দেশনা মোতাবেক জেলা পরিষদ সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিমসহ দায়িত্বশীলরা প্লানে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
গত ১৮ জুলাই মঙ্গলবার বিকালে উত্তর মাঘুরালী ডায়নামিক সংঘ প্রাঙ্গণে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নলতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য এড. এসএম আসাদুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ লস্কর জায়াদুল হক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক ও এম পি সাহেবের বন্ধু মো. এমাদুল হক সরদার। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন আ. রাজ্জাক মোড়ল, বাহার আলী সরদার, মো: হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, মো. আজিজুল হক সরদার, হামিদুল হক সরদার, প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল হক, প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষক মো. আলীমুজ্জামান শাহীন, শিক্ষক শেখ আলমগীর কবীর, আব্দুল কাদের বিশ্বাস, নূর ইসলাম গাজী, আওয়ামীলীগ নেতা মো. হাবিবুল্যাহ হবি, মো. সাইদুল ইসলাম সরদার, মো. গোলাম মহিউদ্দীন, মো. ইব্রাহিম খলিল, মো. আব্দুল খালেক, জাহিদ হাসান, শামছুর রহমান, ফিরোজ হোসেন, জফু, রিপন সরদার, সংবাদকর্মী কাইফু, জামালউদ্দিন, স্বপন কুমার, স্বাস্থ্য সহকারী আ. জলিল, মহসিন হোসেন, বাবুরালী বিশ্বাস, পুটু বিশ্বাস, অলিদ হোসেন, মোজাফ্ফার হোসেন, আক্তার সরদার, শহীদ, ইব্রাহীম, আ. রউফ, শাফিন আহমেদ, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা রনি, সাইফুলসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষ ও শিশু।
উল্লেখ্য, ৭টি বড় ও ২টি ছোট খুঁটিসহ মোট ৯টি খুঁটির মাধ্যমে উক্ত নতুন বিদ্যুৎ লাইন হতে ৩৪ টি মিটারের সাহায্যে অত্র এলাকার প্রায় ১৫০ জন নারী-পুরুষ নতুন বৈদ্যুতিক সুবিধার আওতায় আসায় তারা এমপি মহোদয়ের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সাতক্ষীরায় দলীয় নেতা-কর্মীরাও বেশ উজ্জিবিত হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। জেলার বিভিন্ন স্থানে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের রকমারী ব্যানার, পোস্টার ও প্যানা লাগিয়ে ভোটারদের মাঝে ইতিমধ্যে প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছেন। তবে, জামায়াত ইসলামী বাদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিসহ অন্যান্য দলগুলো প্রকাশ্যেই তৎপরতা চালাচ্ছে। তবে, এ জেলায় অনেক আগ থেকেই জামায়াতের একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। আর এ কারণে সাতক্ষীরার চারটি আসনের জয়-পরাজয়েই জামায়াতের প্রভাব থাকবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আর মিত্র দল বিএনপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি না হলে জামায়াত স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে পারেন বলেও প্রচার রয়েছে।
২০০১ সালের নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা বিজয়ী হন। অবশ্য ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামায়াত কোনো আসনেই জিততে পারেনি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা সাংগঠনিক কর্মকা- চালানোর পাশাপাশি দলীয় কোন্দল মেটাতে ব্যস্ত। চারটি আসনে (সংসদীয় ১০৫, ১০৬, ১০৭ ও ১০৮) এ এখনই ব্যানার, পোস্টার, প্যানাসহ নানা ধরনের শুভেচ্ছাবার্তা সংবলিত প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সাতক্ষীরা-১ আসন (তালা ও কলারোয়া) : এই আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান এমপি মোস্তফা লুৎফুল্লাহ আবারও ১৪ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন চাইবেন। তবে, জোট সম্প্রসারিত হয়ে মহাজোট হলে এই আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন জাতীয় পার্টির সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখ্ত। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কামাল শুভ্র, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স.ম আলাউদ্দীনের কন্যা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লায়লা পারভিন সেজুঁতি, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তরুন নেতা ও আঞ্চলিক যুদ্ধাপরাধ নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় আহবায়ক কামরুজ্জামান সোহাগ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সরদার মুজিব, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপনও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
এ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব নির্বাচন করবেন। জামায়াতে ইসলামী থেকে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ইজ্জত উল্লাহ এ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। এ ছাড়া তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান এস এম নজরুল ইসলাম, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলুও দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাতক্ষীরা সদর-২ আসন : একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আ.হ.ম তারেক উদ্দীন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাবেক যুগ্ম-সচিব শেখ শাফি আহমেদ ও ভোরের পাতা পত্রিকার সম্পাদক এরতেজা হাসান জজ।
এ ছাড়া বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন জেলা বিএনপির সভাপতি রহমত উল্লাহ পলাশ, সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ, আলহাজ্ব এম.এ জলিল ও চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি আবদুল জব্বার, জেলা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, কেন্দ্রিয় নেতা শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন ও জেলা সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফুজ্জামান আশু। ন্যাপের জেলা সম্পাদক কাজী সাঈদ, গণফোরাম থেকে জেলা সাধারণ সম্পাদক আলিনুর খান বাবুলও নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আবদুল খালেক।
সাতক্ষীরা ৩ আসন : আশাশুনি, দেবহাটা এবং কালীগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। তিনি সম্প্রতি আ ’লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতির গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ আস্থাভাজন নেতা হিসেবেও তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি মুনসুর আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল জামায়েত হোসেন, নর্দান ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. ইউসুফ আবদুল্লাহ ও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ.বি.এম মোস্তাকিমও নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বিএনপি থেকে মাঠে রয়েছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের বাসিন্দা ডা. শহিদুল আলম ও সাবেক সংসদ সদস্য দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী আলাউদ্দীন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির হয়ে কাজ করছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি স.ম সালাউদ্দিন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে হাফেজ রবিউল বাশারও নির্বাচন করতে পারেন।
তবে, আসন সংখ্যা যদি পূর্বের ন্যায় ৫টি হয় তাহলে শুধুমাত্র আশাশুনি উপজেলা নিয়ে গঠিত সাবেক এই ৩ আসনে ক্লিন ইমেজের লোক হিসেবে পরিচিত আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্ণেল জামায়েত হোসেন আওয়ামীলীগ থেকে মনোয়ন পেতে পারেন। তিনি মনোয়ন পেলে আশাশুনি উপজেলা বাসী জনমত নির্বিশেষে তাকে নির্বাচিত করবেন বলেও প্রচার রয়েছে।
সাতক্ষীরা-৪ আসন : সুন্দরবন ঘেঁষা শ্যামনগর উপজেলা ও কালীগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসন থেকে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান এমপি এস এম জগলুল হায়দার দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ ছাড়াও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক শফিউল আজম লেলিন ও শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলনও তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ মাস্টার।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন, দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ছাত্তার মোড়ল ও বহিষ্কৃত নেতা এইচ এম গোলাম রেজা। আর জামায়াত ইসলামী থেকে এখানে প্রার্থী হতে পারেন সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর জাকির হোসেন মুকুল হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী জেসমিন সুলতানা ও তার প্রেমিক মনিরুজ্জামান মুকুলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারদ্বন্ড ও ৭০ হাজার জরিমানা করেছে আদালত। এর মধ্যে স্ত্রী জেসমিন সুলতানার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো একছর কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। একইসাথে তার প্রেমিক মনিরুজ্জামান মুকুলের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোঃ আব্দুল হামিদ জনাকীর্ন আদালতে এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গৌরীপুর ধাপুয়ার চক গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মনিরুজ্জামান মুকুল (৪২) ও নিহত জাকির হোসেন মুকুলের স্ত্রী জেসমিন সুলতানা (৩৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের কেরামত আলী গাজীর ছেলে জাকির হোসেন মুকুল উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে মোহরার কাজ করতো। বন্ধুত্বের জের ধরে সন্তানকে নিয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করার সুবাদে জাকিরের স্ত্রী জেসমিন সুলতানার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মনিুরুজ্জামান মুকুল। বেশ কয়েক মাস অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পর মনিরুজ্জামান মুকুলকে বিয়ের জন্য বলে জেসমিন সুলতানা। এক স্ত্রীর দু’ স্বামী থাকতে পারে না জেসমিনের এমন বক্তব্যের কারণে মনিরুজ্জামান মুকুল পরিকল্পনা করে জাকির হোসেন মুকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

মামলার বিবরণে আরো জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ জুন রাত ৯টার দিকে জাকির হোসেন মুকুল বাড়ি থেকে ভাত খেয়ে কলাটুপি এলাকায় নিজের মাছের ঘেরে যায়। সেখানে তার ঘেরের পাহারাদার জোহর আলীকে ঘেরের বাসায় রেখে সে বাড়িতে ফিরে আসছিল। পথিমধ্যে মঠবাড়ির শহীদ মিস্ত্রীর মাছের ঘেরের উত্তর পশ্চিম পাশে রাত পৌনে ১০ টার দিকে তাকে নির্যাতন চালিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ কাদার মধ্যে ফেলে রাখা হয়। গভীর রাতে জনৈক জবেদ আলী মিস্ত্রী ও ফকির মিস্ত্রীর ডাক চিৎকারে খবর পেয়ে জাকির হোসেন মুকুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা কেরামত আলী গাজী বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে পরদিন শ্যামনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ জেসমিন সুলতানাকে গ্রেফতার করেন। জেসমিন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হেমায়েত হোসেনের কাছে নিজেকে স্বামী হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে জাকির হোসেন মুকুলকে হত্যার জন্য ২০ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়াটিয়া গুন্ডা হিসেবে জবেদ আলী, ওসমান, ওমর আলী ও রেজাউল ইসলামকে নিয়োগ করে মনিরুজ্জামান মুকুল বলে উল্লেখ করা হয়।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক মোঃ হযরত আলী ২০০৭ সালের ২৪ নভেম্বর সাজাপ্রাপ্ত দু’জনসহ শ্যামনগর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের ফকির আহম্মেদ মিস্ত্রীর ছেলে জবেদ আলী মিস্ত্রী (৪৬), কালাম মিস্ত্রীর ছেলে ওসমান মিস্ত্রী (৫০), তার ভাই ওমর ফারুক মিস্ত্রী (৫৮), সোলায়মান মিস্ত্রীর ছেলে রেজাউল ইসলাম (৪২), গনি গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম(৩৫) ও কালিগঞ্জ উপজেলার খড়িতলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শহীদ সরদার(৫০) এর নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার নথি ও ১৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে বিচারক উক্ত দুই জনকে দোষী সাব্যস্ত করে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। অপরদিকে, নির্দোষ প্রমানিত হওয়ায় জবেদ আলী মিস্ত্রী, ওসমান মিস্ত্রী, ফারুক মিস্ত্রী, রেজাউল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম ও শহীদ সরদারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা এ সময় কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন।
মামলায় আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. আব্দুল মজিদ(১), অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, অ্যাড, আবু বক্কর ছিদ্দিক ও অ্যাড. এস এম হায়দার আলী। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃতি ও অবমাননা করা হয়েছে এমন অভিযোগে করা মামলায় বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারেক সালমানকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট্র আদালতের বিচারক মো. আলী হোসাইন বুধবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। পরে একই আদালত দুপুরে তাকে জামিন দেন।
বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মোখলেছুর রহমান বলেন, মামলায়টিতে জামিনযোগ্য ধারা থাকায় কাগজপত্র জোগাড় করে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় দুপুর দেড়টায় জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তাকে জামিন দেন।
গত বছর গাজী তারেক সালমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকাকালে ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানের একটি আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ করেন। ওই আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায় পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া একজন শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপানো হয়।
স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায় বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাপানোয় জাতির জনকের মানহানী হয়েছে্এমন অভিযোগে গত ৭ জুন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওবায়েদুল্লাহ সাজু বাদী হয়ে আগৈলঝাড়ার ইউএনও গাজী তারেক সালমানের বিরুদ্ধে বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
এরপর মামলা আমলে নিয়ে বিচারক ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজী তারিক সালমানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারির আদেশ দেন।
বুধবার সকাল ১১টায় ইউএনও গাজী তারিক সালমান বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলা দায়েরের পর সমালোচনার মুখে এক মাস আগে তাকে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোট : বিরল চর্ম রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু কন্যা মুক্তামনির শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করেই অবনতি হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চিকিৎসক বলেন, মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) তার জ্বর হয়। তাপমাত্রাও ছিল অনেক বেশি। আজ (বুধবার) সকাল থেকে তার আক্রান্ত হাত থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রক্তের প্লাটিলেটও কমে গেছে। যদিও আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার চিকিৎসা নিয়ে নিজেরা পরামর্শ করেছি। সাধ্যমতো যা কিছু করা যায়, সেই চেষ্টা করছি ।
একই কথা জানান মুক্তামনির বাবা মো. ইব্রাহীম হোসেনও। তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে মেয়ের জ্বর ছিল ১০২ ডিগ্রি। সকাল থেকে ডান হাত থেকে অল্প অল্প করে রক্ত পরলেও দুপুরের পর থেকে সেটা বেড়েছে। একের পর এক ডাক্তাররা আসছেন, কিন্তু আমি তো মেয়েটাকে নিয়ে ভয় পাচ্ছি ।’
এদিকে, বার্ন ইউনিটের একটি সূত্র জানায়, তারা ইতোমধ্যেই মুক্তামনির বিষয়ে অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ডেকেছেন। মেডিসিন, হেমাটোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দেখে গেছেন। সবাই মিলে এখন সিদ্ধান্ত নেবেন, কী করা যায়। তবে রক্তক্ষরণের জন্য কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হবে মুক্তামনিকে। বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মুক্তামনির জন্য ‘এ’ পজিটিভ রক্তের আহ্বান করছি সবার কাছে।
প্রাথমিকভাবে মুক্তামনি বিরল ‘লিমফেটিক ম্যালফরমেশন’ রোগে আক্রান্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তার চিকিৎসায় আট সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রসঙ্গত, ১১ বছরের মুক্তামনির ডান হাত ফুলে গিয়ে দেহের চেয়েও ভারী হয়ে গেছে। সাদা রঙের শত শত পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে সেই ফুলে যাওয়া অংশে। চার বছর ধরে এই ‘বোঝা’ বয়ে বেড়াচ্ছে ছোট্ট শিশুটি।
উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ১০ জুলাই একটি প্রতিনিধি দল বাড়িতে গিয়ে মুক্তাকে নিয়ে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এরপর মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় এবং মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্বও নেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সদর হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর হাসপাতালে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এসময় আর বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তাওহীদুর রহমান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারী প্রমুখ।
স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলোচ্যসূচির মধ্যে ছিল জনবল সম্পর্কিত আলোচনা, হাসপাতালের বিদ্যুৎ লাইনের সমস্যা / সিটি স্কান, এক্সরেসহ ভারী যন্ত্র সম্পর্কিত আলোচনা, লাশঘর স্থাপন সম্পর্কিত আলোচনা, হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবৈধ স্থাপনা সম্পর্কিত আলোচনা, সমাজসেবা (টিকিটের দুই টাকা) ও স্বেচ্ছাসেবক (ক্লিনার) সম্পর্কিতসহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া সদরের লাবসা ইউনিয়নে স্বাস্থ্য বিভাগের নামীয় বেদখলকৃত সম্পত্তি কমিটি করে দখল নেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলোচ্য সূচীতে আলোচনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাস, ডা. আবুল হোসেন, নার্সিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুন সহ সদর হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. কামরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘মাছ চাষে গড়বো দেশ, বদলে দেব বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৭ উদ্যাপন উপলক্ষে পৌর দিঘীতে মৎস্য অবমুক্তকরণ, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। ১৮-২৪ জুলাই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে। বর্তমানে যত্রতত্র অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য চাষ করা হচ্ছে। যেটা ঝুকিপূর্ণ ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। সকলের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষ করতে হবে। ‘জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও দারিদ্র্য বিমোচনের সাতক্ষীরা জেলায় গুরুত্ব অনেক বেশি। এ জেলায় বার্ষিক মৎস্য উৎপাদন হয় ১লক্ষ ৩১ হাজার ৫১৬ মেট্রিক টন। জনগণের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৮৯২২৩ মেট্রিক টন মাছ ও চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি এবং অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ। চিংড়ি চাষে সাতক্ষীরা দেশের প্রথম স্থানে থাকলেও তা এখন নানাভাবে হুমকির মুখে পড়ছে। এক্ষেত্রে চিংড়ি পোনার ভাইরাস রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এজেলায় ৩০৯০ মেট্রিক টন কাঁকড়া উৎপাদন হয়। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কাঁকড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষের ক্ষেত্রে বন বিভাগের যে নীতিমালা রয়েছে ১০০ গ্রামের নিচে কোন কাঁকড়া ধরা যাবেনা তা সংশোধন করতে হবে। না হলে বৈদেশিকভাবে কাঁকড়া রপ্তানী হুমকির মুখে পড়বে। কারণ বিদেশে সাধারণত চাহিদা ৬০ গ্রামের কাঁকড়া। মৎস্য উৎপাদনে এ জেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এটি আমাদের ধরে রাখতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, মৎস্য বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম সরদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মৎস্য পোনা ব্যবসায়ী আলহাজ¦ ডা. মো. আবুল কালাম বাবলা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest