সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

15.6.17_1024x431[1]দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা সখিপুরে পিক্আপ ভ্যান- মহেন্দ্র মুখো মুখি সংঘর্ষে ঘটনা স্থলেই খায়রুন্নেছা নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছে। এ সময় নিহতের স্বামীসহ  তিন জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে সখিপুর মোড় বাদাম তলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পিক্আপ চালক শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া গ্রামের জয়নাল মোল্যার পুত্র আক্তারুজ্জামানকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় আহত হয় নিহতের স্বামী কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষীন শ্রীপুর সোনাতলা এলাকার গোলাম আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর শিমুলিয়া এলাকার আবুল হোসেন সরদারের পুত্র মনিরুল ইসলাম, একই উপজেলার কুলিয়া এলাকার ইব্রাহীমের স্ত্রী রিজিয়া খাতুন। আহতরা বর্তমানে সখিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

15................কে এম রেজাউল করিম/আরাফাত হোসেন লিটন : বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা নানারকম ষড়যন্ত্র করছে। জনগনের ভালবাসা ও সহযোগিতায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে। আপনাদের মনে রাখতে হবে শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার। তাই তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে এক হয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। আপনারা দেখেছেন সরকার বছরের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই তুলে দিয়েছে, প্রতিটা এলাকায় বিদ্যুতায়ন করা হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় না আসতে পারলে এই উন্নয়নের ব্যহত হবে। তাই পুনরায় সরকারকে ক্ষমতায় আসতে না দেওয়ার জন্য একটি কুচক্রী মহল উঠে পড়ে লেগেছে। এই চক্রটি স্বাধীনতা যুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু হত্যা, ২০১৩ সালের নাশকতা-সহিংসতায় জড়িত ছিল। পুনরায় তারা আওয়ামীলীগকে বিভ্রান্ত করতে মাঠে নেমেছে। আপনারা তাদের আশ্রায় দেবেন না। তাদের সাথে কোন সম্পর্ক রাখবেন না। দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাংসদ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে পারুলিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে আ. লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার মাহফিলে উপজেলা আ. লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদ, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জজকোর্টের পিপি এড ওসমান গণি, কোষাধ্যক্ষ আছাদুল হক, পৌর আ. লীগের সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ্বাস, শরৎ চন্দ্র ঘোষ, যুগ্ন-সম্পাদক আনারুল হক, আজহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন, ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কাশেম, সখিপুর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, পারুলিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস আবারা, সাধারণ সম্পাদক ও পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, কুলিয়া আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র বর্মন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, সখিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, কুলিয়া যুবলীগের সভাপতি মোশারাফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক নাসিরউদ্দীন, যুগ্ন-আহবায়ক মাহাবুর রহমান অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC04448 copyনিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ইউনানী মেডিক্যাল এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে রমজানের গুরুত্ব, তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৯ রমজান বাংলাদেশ ইউনানী মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ইউনানী মেডিক্যাল এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি হাকীম এম. এ কাশেম শিকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা বিশিষ্ট সমাজ সেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা ড্রাগ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগর, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারী শেখ নুরুল হক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার নজরুল ইসলাম, হাকীম মো. রাজু আহম্মেদ ও এড. আকবর আলী প্রমুখ। ইফতার পুর্বে দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ইউনানী মেডিক্যাল এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাকীম এম আমিরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3কালিগঞ্জ ব্যুরো : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ইফতার মাহফিলের প্রস্তুতি ও বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শেখ ওয়াহেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ নেতা জিএম মহাতাব উদ্দিন, আলহাজ্ব খান আসাদুর রহমান, মাষ্টার নরিম আলী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবুল হাকিম, মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি সজল মুখার্জী, দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, কুশুলিয়া ইউনিয়ন আ,লীগের সভাপতি কাজী কাহফিল-অরা সজল, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, রতনপুর ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম খোকন, মথুরেশেপুর ইউনিয়র আ. লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মনোয়ার হোসেন মনো, বিষ্ণপুর ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি নিরঞ্জন কুমার বাচ্চু পাল, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায় ইকবাল আলম বাবলু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল আহসান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গোতম লস্কর, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম খোকন, উপজেলা তরুণলীগের সভাপতি শাহাজালাল প্রমুখ। বক্তরা এসময় বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য যারা কাজ করছেন তাদেরকে তার্গেট করে নানা ধরণের ষড়যন্ত্রে করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

jt5sh6_srabanti1শ্রাবন্তী নামটা টলিউডে ভীষণ ফেমাস। দেখতে যেমন মিষ্টি, তেমন অভিনয় দক্ষতা, সব কিছুতেই হার মানবে অন্য নায়িকারা। তবে কিছুদিন আগে টলি ইন্ডাস্ট্রি থেকে একটু ‘ডিটাচ’ হয়ে পড়েছিলেন শ্রাবন্তী।

শেষ হিট ছবি ছিল বিরসা দাসগুপ্ত পরিচালিত ‘শুধু তোমারি জন্য’। তারপর ছবি করেছেন অনেক কিন্তু, সেগুলো বক্স অফিসে তেমন হিট করতে পারেনি। তবে এখন সে কাজ করছে রাজশ্রী দে পরিচালিত ‘বীরপুরুষ’ ছবিতে। যেখানে শ্রাবন্তীকে পাওয়া যাবে একেবারে অন্য লুকে। একজন পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় আমরা তাঁকে দেখতে পাবো।RZjIPg_srabanti

কিন্তু ছবি ছাড়াও শ্রাবন্তীকে নানা কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ট্রোল’ হতে দেখা গিয়েছে বারবার। পরিচালক রাজীবের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল ছিল শ্রাবন্তীকে নিয়ে। পরে যখন শ্রাবন্তী আবার বিয়ে করে মডেল কৃষাণ ব্রজকে তখন ফের সোশ্যাল মিডিয়ার ‘ডেইলি সোপ’ ছিলেন শ্রাবন্তী। সম্প্রতি ছেলে ঝিনুকের সঙ্গে তোলা একটি ছবিকে কেন্দ্র করে আবারও সোশ্যাল মিডিয়ার ‘ট্রোল’ হচ্ছেন শ্রাবন্তী।

অনেকে লিখছেন “এ কেমন মা, যে তার ছেলের সঙ্গে এমন পোজে ছবি তোলেন”। তবে শ্রাবন্তী একেবারেই সেদিকে দৃষ্টিপাত করেননি। তিনি তাঁর ছেলের বন্ধু, এটি তিনি আগেও জানিয়েছিলেন, ছেলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্যই হয়তো এমন ছবি তুলতে তার অসুবিধা হয়নি। সূত্র: কলকাতা নিউজ24×7

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_ban-ind1কোন কোন দিন করতে চাওয়ার কোনকিছুই ঠিকঠাক হয় না। মাশরাফিদের বোলিংয়ের অংশটা সেরকম হলেও ব্যাটিংয়ের চিত্র ছিল উল্টো। নিষ্কণ্টক হয়তো ছিল না, তবে সুযোগ ছিল সম্ভাবনাগুলো পাশাপাশি গেঁথে বিজয়মাল্যের ক্ষেত্র প্রস্তুতের। কিন্তু ইনিংসের মাঝপথে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে প্রথমে সেইসব সম্ভাবনার অপমৃত্যু, পরে বিবর্ণ বোলিং প্রদর্শনীতে ষোলোকলা পূর্ণ। শেষঅবধি স্বপ্ন ছোঁয়ার সেমিতে ভারতের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ম্যাচ হাতছাড়া করে সমাধিত ফাইনালের প্রত্যাশা।

এজবাস্টনে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ২৬৫ রানের লক্ষ্য তেমন কিছুই নয়। শক্তিশালী লাইনআপের ভারতের সামনে তো নয়ই। তাদের চাপে রাখতে শুরুতেই তুলে নিতে হত উইকেট। অথচ প্রথম সাফল্যটি যখন এল, ততক্ষণে পেরিয়ে গেছে ১৫টি ওভার, ভারতের রানও প্রায় একশর কাছাকাছি। মাশরাফির হাত ধরে টুর্নামেন্টের টপ স্কোরার ধাওয়ানের বিদায়ে মিলল কাঙ্ক্ষিত উইকেটের দেখা। সেটিই শেষ, বাকি নয় উইকেট অক্ষত রেখে ফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

আদতে প্রথম ইনিংসের পরই ম্যাচটা অর্ধেক হেরে বসে বাংলাদেশ। আবার নিভু নিভু হলেও খানিকটা প্রত্যাশাও ছিল। ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস তো বিরল নয়। কিন্তু টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারহীন বোলিংয়ের ধারাবাহিকতাই থাকল। বোলারদের সুযোগই দেননি দুই ভারতীয় ওপেনার। তাদের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, পৃথিবীর সহজ কাজটা বুঝি করতে নেমেছেন।

ইনফর্ম শেখর ধাওয়ানের ব্যাট বড় ইনিংসের আভাস দিয়ে থেমেছে ৪৬ রানে। টুর্নামেন্টে ৭৮, ১২৬, ৬৮-এর পর চার রানের জন্য ফিফটি হাতছাড়া। সেটিই এবারের আসরে সর্বোচ্চ রানের আসনটি ফিরিয়ে দিল ধাওয়ানকে। প্রথম ইনিংসে টপকে যাওয়া তামিম ইকবালকে (২৯৩) পুনরায় টপকে ধাওয়ানের এখন ৩১৭।

ধাওয়ানের ৮৭ রানের উদ্বোধনী জুটি সঙ্গী রোহিত শর্মা সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। হার না মানা ১২৩ রানের ইনিংস তার। ১৫ চার ও এক ছয়ে ১২৯ বলে সাজানো। আর আট হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখা বিরাট কোহলির অবদান অপরাজিত ৯৬। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১৭৮ জুটির পর ৫৯ বল হাতে রেখেই ম্যাচ পকেটে।

এর আগের গল্পটা সম্ভাবনা আর ছুঁড়ে আসার। শুরুর ধাক্কা সামলে যখন বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ, তখনই তালগোল পাকিয়ে ফেলার। তামিমের পর মুশফিক ও সাকিব দ্রুত ফিরে গেলে পথ হারায় টাইগাররা। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি।

সৌম্য (০) ও সাব্বিরের (১৯) বিদায়ের পর মুশফিককে নিয়ে ১২৩ রান যোগ করে পথ দেখানোর কাজটা করেছিলেন তামিম। ৭০-এর ঘরে যখন ফিরলেন এই বাঁহাতি, তখনো ভদ্রস্থই দেখাচ্ছিল সংগ্রহটা। কেদার যাদভের বলে বোল্ড হয়ে ফেরা তামিম ৮২ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছে।

উইকেটে তখন থিঁতু হওয়া মুশফিকের সঙ্গী আগের ম্যাচে শতক করা সাকিব। কিন্তু তামিম ফেরার পর সাকিবও (১৫) দ্রুতই সাজঘরে হাঁটা দিলে বড় ধাক্কা খায় লাল-সবুজরা। মুশফিক তাকে অনুসরণ করলে সেটা তালগোলে পরিণত হয়। ফেরার আগে ৬১ রান এসেছে মুশফিকের ব্যাটে। ৪ চারে ৮৫ বলের ধীরস্থির ইনিংস তার।

গত ম্যাচে শতক করা মাহমুদউল্লাহ তখনো ছিলেন, সঙ্গী তরুণ মোসাদ্দেক। কিন্তু দুজনে ৩৪ রানের বেশি যোগ করতে পারেনি। মাহমুদউল্লাহ ২১ রানে সাজঘরে ফেরার আগেই মোসাদ্দেক আউট (১৫)।

এরপরও সংগ্রহটা যে আড়াইশ পেরিয়ে গেছে তার কৃতিত্ব মাশরাফির। শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক। ২৫ বলের ইনিংসটি ৫ চারে সাজানো। তার সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৩৫ রানের জুটি গড়া তাসকিন অপরাজিত ১১ রানে।

ভারতের তিন বোলার দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ভুবনেশ্বর, বুমরাহ ও যাদভ। একটি উইকেট গেছে জাদেজার ঝুলিতে।

ফাইনালের স্বপ্ন হয়তো পূরণ হয়নি, তবে টুর্নামেন্টজুড়ে অর্জনের খাতায় যুক্ত হয়েছে অনেককিছুই। প্রথমবারের মত আইসিসির কোন টুর্নামেন্টের সেমিফাইলে খেলার কথা কল্পনা করাই একসময় ছিল বিলাসিতা, এখন সেটি বাস্তবতা। যে সিঁড়িতে হাঁটতে অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আরো খানিকটা পথ পেরিয়ে একদিন হয়তো ফাইনালের বাস্তবতাটাও যুক্ত হবে লাল-সবুজের পতাকা তলে, হয়তো তারও খানিকটা বেশি এগিয়ে শিরোপাটাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1497528207সেহরি খেতে উঠেই ধোঁয়ার গন্ধ টের পাচ্ছিলেন মুসলিমরা। তারপর খেয়াল করে দেখেন গ্রেনফেল টাওয়ারের একটি ফ্লোরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। দেরি না করে তাঁরা ডেকে তোলেন প্রতিবেশীদের।
সেহরি খেতে ওঠা মুসলমানদের চিৎকার চেঁচামেচিতেই অনেকেরই ঘুম ভাঙে। ফলে তারা বেঁচে যান ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে।
গ্রেনফেল টাওয়ারে বসবাসকারী মুসলিমরা জানায়, ভোর রাতে সেহরি খেতে উঠে ধোঁয়ার গন্ধ পান। এরপর প্রতিবেশীদের দরজায় দরজায় গিয়ে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন তাঁরা। এর মধ্যেই অনেক তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল অনেক ঘুমন্ত মানুষের বাসায় আগুন লেগে যায়। পরে অনেককে দড়ি ব্যবহার করে বের করে আনতে হয়।
অগ্নিকাণ্ডের পর পরই উদ্ধার তৎপরতা চালানো অনেকের ভাষ্য, আগুন লাগার পর স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ও এলার্ম কাজ করেনি।
গ্রেনফেল টাওয়ারের আটতলার বাসিন্দা খালিদ সুলেমান জানান, তিনি সাধারণত বেশি রাত জাগেন না। কিন্তু ওই রাতে তিনি সেহরির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
খালিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘কোনো অগ্নি সতর্কতা ঘণ্টি বাজেনি। কেউ সতর্কও করেনি। আমি রেডিও চালু করে সেহরির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় ধোঁয়ার গন্ধ পাই।’
খালিদ আরো বলেন, ‘আমি আমার ঘরের জানালা খুলে বাইরে তাকাই। দেখি সাততলা থেকে ধোঁয়া উড়ছে। এরপর আমি আমার ফুফুকে ডেকে আশপাশের সব প্রতিবেশীকে ডেকে তুলি। দুই প্রতিবেশী ছাড়া বাকি সবাই দরজা খুলেছে। আমার পাশের বাসার লোকেরা একটু দ্রুতই ঘুমিয়ে যায়।’
শুধু ডেকে তুলে জীবন বাঁচানোই নয়, অগ্নিকাণ্ডের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দিয়েছে মুসলিমরা। ভয়াবহ সে রাতে অনেক মুসলিম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও আল মানার মসজিদসহ অনেক মসজিদ খোলা ছিল।
লন্ডনের কালচারাল হেরিটেজ কেন্দ্র তাদের ফেসবুক পেইজে লেখে, ‘গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাময়িক আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহারের জন্য আল মানার মসজিদ খোলা রাখা হয়েছে। যে কোনো ধর্মের যে কাউকে এখানে স্বাগতম। তারা চাইলে এখানে এসে খানিকটা বিশ্রাম ও ঘুম কিংবা একটু পানি ও খাবার গ্রহণ করতে পারেন।’
গ্রেনফেল টাওয়ারের এক বাসিন্দা বলেন, ‘যদি মুসলিম তরুণেরা আমাদের ডেকে না জাগাত আর মসজিদে আশ্রয় নিতে সাহায্য না করত তবে হতাহতের সংখ্যা আরো বেড়ে যেত। তারাই ব্যাগভর্তি পানি নিয়ে প্রথম সহায়তায় জন্য এগিয়ে আসে এবং মানুষকে দৌড়ে দৌড়ে জাগিয়ে দেয়।’
আন্দ্রে বারোস নামের ৩৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘মুসলিমরা অনেক মানুষকে বের করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমি দেখেছি সাহায্যকারীদের বেশির ভাগই ছিলো মুসলিম। এ ছাড়া তারা খাদ্য ও কাপড় দিয়েও সহায়তা করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kamalকখনো ২২ গজে, কখনো ৬৫ গজী ব্যসার্ধকে কেন্দ্র করে আবর্তিত সবুজ গালিচায় গর্জে ওঠেন এগারো জন বাঘ। সঙ্গে গর্জন তরঙ্গ গ্যালারি হয়ে ছিটকে পড়ে লাল-সবুজের বর্গমাইল জুড়ে। তাতে ভেঙে যায় গভীর ধ্যানমগ্ন মুনীর সাধনাও। বইপোকা শাহ কামালের ধ্যানও ভাঙত বাংলাদেশ দলের খেলার সময়। টাইগাররা খেললে বইয়ে আর মুখ গুঁজে রাখতে পারতেন না বিসিএস পুলিশে প্রথম হওয়া এই কর্মকর্তা।

কামাল ৩৪তম বিসিএসে পুলিশে প্রথম হয়েছিলেন। বর্তমানে মৌলিক প্রশিক্ষণে রয়েছেন সারদা পুলিশ একাডেমীতে। নিজেও খেলাধুলা করতে পছন্দ করতেন। মেধাবী এই কর্মকর্তা জানালেন খেলা নিয়ে নিজের নানা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা।
আদতে বই পাগল বলতে যা বোঝায়, পুলিশ কর্মকর্তা শাহ কামাল ছিলেন ঠিক সেটাই। বই আর বই ছাড়া অন্যকিছু খুব কমই ভাবাত তাকে। শুধুমাত্র বাংলাদেশের খেলা হলেই ঘটত ব্যতিক্রম। যেকোন মূল্যে তখন খেলা দেখতেই হবে। মাইলের পর মাইল হেঁটে গিয়ে খেলা দেখার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

বাংলাদেশের খেলা দেখার জন্য পরীক্ষার আগেও রাত জেগেছেন কামাল। এমনকি বিসিএস পরীক্ষা চলাকালেও বাদ দেননি টাইগারদের কোন ম্যাচ। ক্রিকেট অনুরক্ত এ কর্মকর্তা ধৈর্য সহকারে দেখেন বাংলাদেশের টেস্ট খেলাও। টেস্ট ক্রিকেটের একটি বলও মিস করতে চান না। এমনকি সারদা ট্রেনিং একাডেমীর কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যেও সর্বাত্মক চেষ্টা করেন খেলা দেখার।

প্রিয় দলের প্রিয় তারকাদের খেলার কথা বলতে গিয়ে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এ কর্মকর্তা। হারিয়ে যান সুদূর অতীতে। ১৯৯৭ সালের ঘটনা। তখন তিনি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। সেবার বাংলাদেশ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাছাইপর্বে কেনিয়াকে হারায়। খেলা নিয়ে চারপাশের মানুষের টানটান উত্তেজনা। তখন রেডিওতে শুনতে হয়েছিল খেলার ধারাবিবরণী।

কামালের অনেক ইচ্ছে ছিল টাইগারদের ১ বলে এক রানে বিজয়ী হওয়া শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি টিভিতে দেখার। কিন্তু বাসায় কোন টিভি ছিল না। বিটিভি খেলাটির ধারণকৃত অংশ সম্প্রচার করে দু’দিন পর। সেই খেলা দেখতেই খুব নিকট এক আত্মীয়ের বাড়িতে বহু পথ পাড়ি দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেদিন খেলা দেখতে পাননি তিনি। সেই বাড়িতে গেলে তাকে ঢুকতেই দেয়া হয়নি। বলা হয়, বাসায় অনেক ভিড় হয়ে যাচ্ছে, এত মানুষের একসঙ্গে টিভি দেখা যাবে না।

সেই ঘটনায় খুব আহত হয়েছিলেন কামাল। দীর্ঘসময় সেই বাসার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করেছিলেন, একটু যদি ভেতর থেকে কেউ ডাক দেয়। সেদিন আর কেউ ডাকেনি তাকে। অগত্যা কষ্ট বুকে চেপেই ধরতে হয়েছিল বাড়ির পথ।

ক্রিকেটভক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তাকে জীবনের এই ঘটনাটি এখনও গভীরভাবে নাড়া দেয়। শাহ কামালের প্রিয় ক্রিকেটার মাশরাফি। মাশরাফির বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ভক্ত তিনি।
বৃহস্পতিবারের সেমিফাইনাল নিয়েও অনেক উত্তেজনা কাজ করছে তার মাঝে। বিশ্বাস করেন ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ সেমিফাইনালের বাধা টপকে যাবে। জিতে ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েই দেশে ফিরবে। সেই শুভ মূহুর্তের অপেক্ষায় দিন গুনছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
শুধু এই তিনিই নন, পুরো ক্রিকেট পাগল বাঙালি জাতিই এখন তাকিয়ে এজবাস্টনের দিকে। বাংলাদেশে দলের জন্য সবার প্রার্থনা, প্রার্থনা মাশরাফিদের সাফল্যে জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest