সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

02নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিবন্ধীরা আমাদেরই সন্তান। তারা আমাদের বোঝা নয়। তাদেরকে শারীরিকভাবে সুস্থ করে সমাজের মূলধারায় আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সাতক্ষীরার স্বাস্থ্যসেবাধর্মী কিছু সরকারি বেসরকারি সংস্থা। সোমবার সাতক্ষীরায় ডিআরআরএ আয়োজিত এক বৈঠকে একথা বলেন বক্তারা। তারা বলেন সমাজের প্রতিবন্ধীদের প্রতি বন্ধুসুলভ আচরণ, তাদের চিকিৎসায় মনোযোগী হওয়া এবং সর্বোপরি তাদেরকে জনশক্তি হিসাবে গড়ে তুলতে হলে এই তৎপরতা বাড়িয়ে দিতে হবে। শহরের পলাশপোলে ডিআরআরএ (ডিস্যাবলড রিলিফ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যাসোসিয়েশন) অফিসে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ষান্মাসিক বৈঠকে বলা হয়, গত ছয় মাসে ডিআরআরএ ৮৩ জন প্রতিবন্ধীকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে। থেরাপি সেন্টার থেকে ১১০০ জনকে থেরাপি দেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ার মত অবস্থায় ২৮৭ জনকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে বহুলাংশে সুস্থ করে তোলা হয়েছে।  এ ছাড়া ডিআরআরএ বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি যেয়ে প্রতিবন্ধীর থেরাপি কিভাবে দিতে হয় তা শিখিয়ে দিয়ে আসছে।  তাদেরকে নানা ধরনের সহায়ক উপকরন দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আশাশুনি, দেবহাটা ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১৬ জন সরকারি ডাক্তারের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের সেবাদান অব্যাহত আছে। সরকারের সহযোগিতার কারণে জেলায় প্রতিবন্ধী বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।  কেবলমাত্র সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় ৪০০ জন নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী প্রতিমাসে ছয়শত টাকা ভাতা পাচ্ছে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। বৈঠকে প্রতিবন্ধীদের টিউশন ফিস হ্রাস করার আহবান জানানো হয় সরকারের প্রতি। দেশ জুড়ে আরও ৮০ হাজার প্রতিবন্ধীর তালিকা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে বৈঠকে বলা হয় কোনো প্রতিবন্ধীই আর অনাদর অবহেলায় থাকবে না। সরকার এ ব্যাপারে বেশ সচেতন রয়েছে।  এরই মধ্যে এসব বিষয়ে জরিপ চলছে। ডিআরআরএ ছাড়াও প্রতিবন্ধীদের সেবা দিচ্ছে রিশিল্পী, প্রতিবন্ধী সেবা সাহায্য কেন্দ্র এবং বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বৈঠকে উপস্থিত থেকে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা ম্যানেজার আবুল হোসেন, সাংবাদিক এম. বেলাল হোসেন, খন্দকার আনিসুর রহমান, সিএম মো. মনিরুজ্জামান, এহসানুল করিম, মো. আমিনুর রহমান, সাহেরা খাতুন, মমতাজ বেগম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

28370e3d8f17c92b399437fa53f053e4-593e503d36f35ঘূর্ণিঝড় মোরার রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ফের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে ভারি বর্ষণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার রাত ১০টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। সোমবার দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বর্ষণ হয়েছে। এতে নগরীর নিম্নাঞ্চলে ফের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ। রাজপথে গাড়ির বদলে নৌকা চলতে দেখা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

t8TcKR_Cotউচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য দায়িত্বরত ২৩ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে স্বীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালনের জন্য ২৭ জনকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১২ জুন) রাষ্ট্রপতির এক আদেশ মোতাবেক আইন মন্ত্রণালয় থেকে এমন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বিষয়টির সততা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
444গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাঃসোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলা চত্ত্বরে উপজেলা পরিষদ শ্যামনগরের অর্থায়নে দুস্থ ও অসহায় নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ফটোকপিয়ার মেশিন প্রদান করা হয়েছে। ফটোকপিয়ার মেশিনটি শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধায়নে একজন দুস্থ নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষেই প্রদান করা হয়েছে বলে জানা যায়।
ফটোকপি মেশিন প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন মো: কামরুজজামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্যামনগর, মহসিন উল মুলক উপজেলা চেয়ারম্যান (ভার:); উপজেলা প্রকৌশলী, সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা নারী ও শিশু কোর্টের স্পেশাল পিপি এড. জহুরুল হায়দার বাবু সহ অন্যান্যরা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Road 02মোসলেম আহমেদ/আজহারুল ইসলাম/সোহেল পারভেজ : সাতক্ষীরা শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে নাগরিক জীবন এত দুর্দশার হতে পারে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। রাস্তাটির অতি নিকটে ডিসি অফিস ও জজ কোর্ট। কিন্তু রাস্তাটি দেখলে যে কারও মনে হতে পারে এ যেন শহরতরির কোন বস্তির চোরা গলি। কথা হচ্ছে সাতক্ষীরা পৌরসভার শহিদ কাজল সরণির পলাশপোল নিকারি পাড়া মোড় থেকে নবজীবনের দিকে যেতে বিশিষ্ট বীজ ব্যবসায়ী মেছের আলীর বাড়ি পর্যন্ত সড়ক সংলগ্ন এলাকাটি নিয়ে।
পানি নিষ্কাশনের যথাযথ ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে এই এলাকার জনজীবনে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নাগরিক সুবিধা যেন সোনার হরিণ। রাস্তাটির দু’পাশের প্রায় শতাধিক পরিবারকে বছরের পর বছর বাস করতে হচ্ছে চরম নোংরা পরিবেশে। অথচ জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রের এই সড়কটি দিয়ে সহজেই শত শত মানুষ প্রতিদিন ডিসি অফিস, জজ কোর্ট, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যাতায়াত করতে পারে।
রাস্তাটির দুপাশের ড্রেন থেকে উপছে পড়া নোংরা পানিতে এলাকার পরিবেশ যেমন দূষিত হয়ে থাকে তেমনি রাস্তায় পানি জমে বিটুমিন উঠে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য থাকে প্রায় সারাবছর। আর বর্ষা মৌসুমেতো এলাকাবাসীর দুর্দশার কোন শেষ থাকে না। যেমন এখন নেই। পথচারীরা তবুও একটু ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে পারেন। কিন্তু স্থানীয়দের দুর্গতির অন্ত নেই। প্রতিদিন এই ড্রেনের নোংরা পানি উপছে পড়া পথ দিয়ে শিশুদের স্কুলে যেতে হয়। ভ্যান-রিক্সা এপথ দিয়ে যেতেই চায় না। তাই মানুষকে বাড়তি ভোগান্তিও পোহাতে হয়।Road 01
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, “সাংবাদিকসহ বিভিন্ন লোকজন ছবি তুলে নিয়ে যায়, কিন্তু আমাদের দুর্দশা লাঘবে কোন কার্যকর ব্যবস্থা পৌর কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করছেই না। আমাদের দুরাবস্থারও কোন পরিবর্তন হচ্ছে না।”
এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিসমিল্লাহ হ্যাচারির স্বত্বাধিকারী সাতক্ষীরা জেলা শিল্প ও বণিক সমিতি’র পরিচালক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম বলেন, “অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্তার কারণে এই জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এখানে ড্রেন নির্মাণ করা হয় আনুমানিক ১৯৯৮ সালে এবং রাস্তা সংস্কার করা হয় ২০০৯ সালে। কিন্তু ড্রেনটি একেবারেই অপরিকল্পিতভাবে করা হয়। ড্রেনটি যদি ভালোভাবে লেভেলিং করা হয়Ñ অর্থাৎ টপ টু বটম ১.৫ ফুট উঁচু করা হয় তাহলে হয়ত সমাধান হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার সংশ্লিষ্ঠ ৮নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর মোঃ শফিকুল আলম বাবু গত রবিবার বলেন, “তিন থেকে চার দিনের মধ্যে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধান করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।”
অন্যদিকে, সাতক্ষীরা পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতির সাথে তার কার্যালয়ে এই প্রতিবেদকদের কথা হয়। তিনি বলেন, “আমি নিজে এলাকাটি পরিদর্শন করেছি। কিন্তু কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারছি না। কারণ পানি বের করবার কোন কার্যকর পথ খুঁজে পায়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে আমিও কিছুটা অনিশ্চিত।” তিনি আরও যোগ করেন, “কয়েকদিন আগে গণপূর্ত বিভাগের একজন প্রৌকশলীকেও সেখানে পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি আমার মাথায় আছে। সমাধানের একটা পথ নিশ্চয়ই বের করতে পারব।”

মোসলেম আহমেদ/আজহারুল ইসলাম/সোহেল পারভেজ : ডেইলি সাতক্ষীরা’র মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্ন ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01সেলিম হায়দার : কপোতাক্ষ নদ থেকে বানিজ্যিক ভাবে অবাধে বালি তোলা হচ্ছে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদ থেকে বালি উত্তোলন করে বিক্রয়ের জন্য রাখা হচ্ছে প্রায় একশ ফুট দূরে রাস্তার পাশে।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের জালালপুর হাই স্কুলের সামনে কপোতাক্ষ নদ থেকে এ বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। বালিয়া গ্রামের বালি ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ’র এর তত্বাবধায়নে এ বালি উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসির অভিযোগ, বছরের ছয় মাস পানির সাথে যুদ্ধ করে বাঁচতে হয় তাদের। এজন্য নদ খনন করে তীরে দেওয়া হয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ভেড়িবাঁধ। কিন্তু বালি উত্তোলনের কারণে যে কোন সময় ধস্বে পড়তে পারে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ভেড়িবাঁধ।
রবিবার (১১জুন) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে সরেজমিনে শ্রীমন্তকাটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কপোতাক্ষ নদের ভেতরে ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। ড্রেজারে চার জন শ্রমিক কাজ করছে। এসময় প্রতিবেদকদের দেখে শ্রমিকরা পালিয়ে যায়। ড্রেজিং মেশিনের বালি জালালপুর হাই স্কুলের সামনে কপোতাক্ষ নদ থেকে এ বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। ড্রেজিং মেশিনের বালি প্রায় একশ ফুট দূরের একটি জমিতে বানিজ্যিক ভাবে বিক্রয়ের জন্য ভরাট করা হচ্ছে।
ড্রেজিং মেশিনের মালিক নফর আলী জানান, তার ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালি ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদের বালি উত্তোলন করছেন তিনি। প্রতি ফুট বালি চার টাকা দরে বালি ব্যবসায়ী মজিদের সাথে চুক্তি করে তিনি একাজ করছেন।
বিষয়টি নিয়ে আব্দুল মজিদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এভাবে অনেকে বালি উত্তোলন করে ব্যবসা করছে। আমি করলে কি দোষ । তাছাড়া আমি স্থানীয় নেতাদের ম্যানেজ করে বালি উত্তোলন করছি। আমার নামে লিখে কি করবেন, কিছু হবে না। সব ম্যানেজ করে আমি বালি উত্তোলন করছি।
এ ব্যাপারে জালালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম মুক্তি জানান, আমার জানামতে কোন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এ বালু ব্যবসার সাথে জড়িত না।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কেশবপুরের দায়িত্বে থাকা সাইদুর রহমান জানান, কপোতাক্ষ নদ থেকে বালু উত্তোলন করা সম্পূর্ন অবৈধ। যদি কেউ অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন জানান, কপোতাক্ষ নদ থেকে বালি উত্তোলন সম্পূর্ন অবৈধ। বালি উত্তোলনের বিষয়টি তার জানানেই। কেউ বালি উত্তোলন করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কুপিয়ে-জখমআসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার তালায় স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করার পর স্বামী গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার ভোর রাতে তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। মারাত্মক আহত স্ত্রী ইরানি বেগমকে প্রথমে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থান্তার করা হয়েছে।
আত্মহত্যাকারি স্বামীর নাম আক্তার আলী মোড়ল। তিনি তালা উপজেলার ঘোনা গ্রামের গওর আলি মোড়লের ছেলে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, সোমবার ভোর রাতে স্বামী আক্তার আলী মোড়ল তার স্ত্রী ইরানি বেগমকে ঘুমন্ত অবস্থায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। জখম করার পর নিজে বাড়ির সামনে একটি আম গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্ত্রীর আতœচিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন ছুটে আসলে স্ত্রীকে প্রথমে তালা হাসপাতালে ও পরে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থান্তর করা হয়। ওসি আরও জানান, নিহত আক্তার আলী মোড়ল দুই সন্তানের জনক। তিনি মানসিক ভারসম্যহীন ছিলেন। নিহত আক্তার মোড়লের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

BZFfVp_2বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু। যা তাকে ক্রমেই ভয়ের পৃথিবীতে তাড়িত করছে। তবে এ দুশ্চিন্তা নিজেকে নিয়ে নয় তার অনাগত সন্তান নিয়ে। আট বছরের সংসার শিমু আর দিনারের।

এত বছর নিঃসন্তান থেকেছেন তারা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর মা হওয়ার সুখবর আসে সুমাইয়া শিমুর। এ খবরেই আনন্দে ভরে ওঠে শিমুর সংসার। কিন্তু বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। হঠাৎ তার মাঝে একটা পরিবর্তন দেখা যায়। গর্ভে থাকা অনাগত সন্তানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

এই শহরের নানা অসঙ্গতি ও সমস্যা গর্ভে থাকা সন্তান তার মাকে জানায়। সে এমন অনিরাপদ শহরে আসতে চায় না। কিন্তু মা তাকে বুঝিয়ে বলে এত মানুষ শহরে তো একটু সমস্যা থাকবেই। ‘ছাড়পত্র’ নাটকের গল্প এটি।

মানসুর আলম নির্ঝরের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটি আসছে ঈদে একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে বলে নির্মাতা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest