সর্বশেষ সংবাদ-

XMz8d6_bnpবাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণ এখনো বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমর্থন করে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও রিসার্চ ডেভলোপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি) ২০১৭ সালের প্রথমার্ধে চালানো এক জনমত জরিপ থেকে এ তথ্য জানা যায়। দেশের অধিকাংশ মানুষ তাদের জীবনযাত্রার মান নিয়ে সন্তুষ্ট এবং সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে আশাবাদী বলে এই জরিপের প্রতিবেদনে বলা হয়। জরিপ অনুসারে দেশের মানুষের কাছে সবচাইতে বড় দুটি সমস্যা সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জ্বালানী ও বিদ্যুতের উচ্চ মূল্য।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিএনপির তুলনায় আওয়ামী লীগের প্রতি জন সমর্থন বেশি। সেই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার তুলনায় জনপ্রিয়তায় অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে ১ হাজার ৫ জন প্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশের নাগরিককে ফোনে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়।

এই জনমত জরিপে অংশ নেয়া ৬৪ ভাগ মানুষ মনে করেন তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটেছে। ২৪.৫ ভাগ মানুষ তাদের জীবন মানের উন্নয়ন ঘটেনি বলে জানায়। জীবনমান অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান ১১.৪ ভাগ উত্তরদাতা। পারিবারিক আর্থিক উন্নয়ন ঘটেছে কিনা এ প্রশ্নর ইতিবাচক উত্তর পাওয়া যায় ৫৪.৫ ভাগ মানুষের কাছে। অন্যদিকে আয় বাড়েনি বলে জানান ২৫.৫ ভাগ মানুষ। পূর্বের কয়েক বছরের তুলনায় পারিবারিক আয় একই আছে বলে মতামত আসে ১৯.৯ ভাগ।

বর্তমানে নিজ পরিবারের ক্ষেত্রে শারীরিক বা সার্বিক নিরাপত্তা বেড়েছে বলে মনে করেন ৬৩ ভাগ মানুষ। ১৬.৯ ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন তাদের নিরাপত্তা হ্রাস পেয়েছে। ২০ ভাগ উত্তরদাতা জানান তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি অপরিবর্তিত আছে। ৬৮.৬ ভাগ মানুষ জানায়,দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আর দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে না বলে জানান ১৩.৭ ভাগ মানুষ। অন্যদিকে এ বিষয়ে উত্তর দেয়নি বা উত্তর নেই বলে জানান ১৭.৭ ভাগ উত্তরদাতা।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের জন্য করা প্রশ্নে ৫৬.৯ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগ সম্পর্কে ‘ভাল’ মত প্রদান করেন। বিএনপি পক্ষে ‘ভাল’ মত প্রকাশ করেন ১৮.৫ ভাগ উত্তরদাতা। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির সম্পর্কে ‘ভাল’ মত প্রকাশ করেছেন ১৫ ভাগ। আওয়ামী লীগের বিষয়ে ‘খারাপ’ মত প্রকাশ করেন মাত্র ২.৬ ভাগ উত্তরদাতা। বিএনপি সম্পর্কে ‘খারাপ’ মত প্রদান করেন ৪৪.১ ভাগ। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির বিষয়ে নেতিবাচক মতামত প্রদান করে ২৫.৪ ভাগ উত্তরদাতা।

এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন জানতে চাইলে উত্তরদাতাদের ৩৬.১ ভাগ জানান, আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন। অন্যদিকে বিএনপিকে ভোট দেবেন বলে জানান ৩.৫ ভাগ। এ ছাড়াও জাতীয় পার্টির পক্ষে ১.২ ভাগ এবং জামায়াত-ই-ইসলামকে ভোট দেবে বলে জানান ০.৪ ভাগ উত্তরদাতা।

দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের জরিপ এবং ওয়াশিংটন ভিত্তিক ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চালানো জনমত জরিপের ফলাফল বেশ কাছাকাছি। ২০১৬ সালের অক্টোবরে চালানো ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের জরিপ অনুসারে তখন আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে চেয়েছিল ৩৮ ভাগ উত্তরদাতা। সেখানে বিএনপির পক্ষে ছিল মাত্র ৫ ভাগ ভোট। ২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াত-ই-ইসলামকে নিয়ে বিএনপির চার দলীয় জোট সরকারের কার্যাবলী, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের চেষ্টায় জামায়াত-ই-ইসলামকে সমর্থন এবং সর্বশেষ ২০১৪ সালে নির্বাচনকালীন ও তার পরবর্তী বছরে রাস্তায় সাধারণ মানুষের ওপর চালানো অত্যাচারকে বিএনপির জনপ্রিয়তা হ্রাসের মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে জানান জরিপ পরিচালনাকারীরা।

এই জরিপ প্রতিবেদন অনুসারে ৪৯.৭ ভাগ মানুষ এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি, তারা কাকে ভোট দেবে। ৭.৫ ভাগ মানুষ কাকে ভোট দেবেন তা জানাবে না বলে উত্তর দেন। অন্যদিকে ১ ভাগ মানুষ জানায়, তারা ভোট প্রদান করবেন না। উল্লেখ্য, বিএনপির সমর্থনে থাকা ভোটারদের একটি বড় অংশ বর্তমানে তাদের ভোট নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।

এদিকে তরুণদের কাছে বিএনপির তুলনায় বেশি জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ। জরিপে অংশ নেয়া ১০০৫ জনের মধ্যে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের ৫৫.৪ ভাগ তরুণ আওয়ামী লীগের পক্ষে তাদের মতামত প্রদান করেছেন। বিএনপির পক্ষে ‘ভাল’ মত প্রকাশ করেছেন ২০.৮ ভাগ। অন্যদিকে এই তরুণদের ২.৫ ভাগ আওয়ামী লীগ সম্পর্কে নেতিবাচক মত প্রকাশ করছে, বিএনপির ক্ষেত্রে নেতিবাচক মত প্রকাশ করেছে ১৩.৮ ভাগ।

কাকে ভোট দেবেন জানতে চাইলে এই তরুণদের প্রায় ৩৬ ভাগ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে বলে জানান। অন্যদিকে বিএনপিকে ভোট দেবে বলে জানান মাত্র ৩.৪ ভাগ তরুণ। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে দলীয় প্রধানদের জনপ্রিয়তা। ইন্ডিপেন্ডেন্টের জরিপ অনুসারে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে ‘ভাল’ মত প্রদান করেছেন ৭২.৩ ভাগ উত্তরদাতা। অন্যদিকে ২৬.৬ ভাগা উত্তর দাতা ‘ভাল’ মত প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে।

এদিকে শেখ হাসিনা সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন ২ ভাগ মানুষ। অন্যদিকে ১৩.৬ ভাগ মানুষ বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য প্রদান করেন। তরুণদের ৭১ ভাগের কাছে জনপ্রিয় শেখ হাসিনার, অন্যদিকে ২৩ ভাগের কাছে জনপ্রিয় বেগম খালেদা জিয়া।

জরিপে অংশ নেয়া অধিকাংশ মানুষ জানায়, তাদের মতে দেশের সবচাইতে বড় সমস্যা যোগাযোগ ব্যবস্থা। রাস্তা, ট্রাফিক জ্যাম, যাত্রী ছাউনির অভাব, সড়ক দুর্ঘটনাসহ আরো বেশ কিছু বিষয় তারা উল্লেখ করেন। উত্তরদাতাদের ৪৮.৩ ভাগ এটি সমাজের প্রধান সমস্যা হিসেবে বলেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উচ্চ মূল্য। ৪১.৭ ভাগ মানুষ এই বিষয়টিকে প্রধান সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করেন। দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্টবিডি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

SXYkbO_maliআন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর তিন সদস্য মালিতে নিহত হয়েছে। উত্তরাঞ্চলীয় মালিতে ঘাঁটির বাইরে হামলায় এ তিন সদস্য নিহত হয়েছে। নিহতরা সবাই তার দেশের সেনা বলে জানিয়েছে গিনির সরকার। অবশ্য হামলাকারীদের পরিচয় জানা যায় নি।

জাতিসংঘ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শান্তিরক্ষী বাহিনীর শিবির লক্ষ্য করে ভারি মর্টার হামলা চালানো হয়েছিল। হামলায় পাঁচজন আহতও হয়েছিল। এরপর ঘাটির বাইরে চোরাগুপ্তা হামলায় জাতিসংঘের তিন সেনা নিহত হয়। বিবৃতিতে আর কোনো বিবরণ দেয়া হয়নি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোত শতাধিক শান্তি সেনা মালিতে নিহত হয়েছে। দেশটি জাতিসংঘের মিশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক স্থানে পরিণত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

nMUqm9_baক্রিকেটে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডের দ্বৈরথ একটা দারুণ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টাইগারদের পরিসংখ্যানটাও নড়রকাড়া। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকখানা ‘ইংলিশ বধ কাব্য’ রচিত হয়েছে। আজকের চিত্রটা একটু ভিন্ন। আজ বার্কিংহামে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। কারণ এই ম্যাচে ইংল্যান্ড যদি অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিতে পারে তাহলে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে উঠবে বাংলাদেশ। কেবল তাই নয়, এই ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতলে প্রথমবারের মতো আইসিসি আয়োজিত কোনো টুর্নামেন্টের শেষ চারে খেলবে টাইগাররা।

তবে আজ ইংল্যান্ডের জন্য জয়ের জয় কামনা ১৬ কোটি মানুষ। শুক্রবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভালোভাবেই জিইয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডকে হারালেও সেমিফাইনালের টিকিট পাননি মাশরাফিরা। সেমিফাইনালের চাবি পেতে হলে অপেক্ষা করতে হবে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। ইংলিশরা যদি অসিদের হারিয়ে দেয় তাহলেই মাশরাফিদের হাতে আসবে সেমিফাইনালের টিকিট।

আজ অস্ট্রেলিয়া যদি ইংল্যান্ডকে হারাতে পারে, তাহলে চার পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে চলে যাবে স্টিভেন স্মিথের দল। আর ইংল্যান্ড জিতলে স্বাগতিকদের সঙ্গে সেমিফাইনালে চলে যাবে বাংলাদেশও। কেবল হারজিতই বাংলাদেশের সেমিফাইনালে যাওয়ার একমাত্র পথ নয়। বৃষ্টিবাধায় যদি ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ পরিত্যক্ত হয় তাহলেও সেমিফাইনালে উঠবে টাইগাররা। সেক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের পয়েন্ট হবে তিন। তবে রান রেটে এগিয়ে থাকায় সেমিফাইনালে উঠবে লাল-সবুজের দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

naBmNp_cowগত মাসে ভারতের রাজস্থান হাইকোর্টের এক বিচারপতি কেন্দ্রকে সুপারিশ করেছিলেন, গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হোক। এবার হায়দরাবাদ হাইকোর্টের এক বিচারপতি মা আর ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করলেন গরুকে।

বি শিবা শঙ্কর রাও নামের এই বিচারপতি গরু সংক্রান্ত এক মামলার রায় দিতে গিয়ে বলেন, গরু হল পবিত্র জাতীয় সম্পদ। গরু ঈশ্বর ও মায়ের বিকল্প।

সম্প্রতি তেলঙ্গানার নালগোন্ডার এক গরু ব্যবসায়ী রামবত হনুমার বাড়ি থেকে ৬৫টি গরু বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।

অভিযোগ ওঠে, ঈদের আগে গোমাংসের জন্যই গরুগুলিকে নিয়ে এসেছিলেন হনুমা। নালগোন্ডার নিম্ন আদালতে হনুমা দাবি করেন, ঈদের জন্য নয়, চরানোর জন্যই তিনি গরুগুলিকে এনে কাঞ্চনপল্লির খামারে রেখেছেন। এ নিয়ে একটি পিটিশনও দাখিল করেন হনুমা। কিন্তু নালগোণ্ডা আদালত তার সেই পিটিশন খারিজ করে দেয়। নিম্ন আদালতকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান হনুমা। কিন্তু সেখানে গিয়েও রেহাই পাননি।

হনুমার আবেদনকে খারিজ করে দিয়ে হায়দরাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শঙ্কর রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নিম্ন আদালতের নির্দেশে নাক গলাবে না হাইকোর্ট। উল্টো সুপ্রিম কোর্টের এক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে কোনও স্বাস্থ্যবান গরুকে জবাই করা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

এ প্রসঙ্গে তিনি মোগল সম্রাট বাবরের কথাও উল্লেখ করেন। বলেন, গোহত্যা বন্ধ করেছিলেন বাবর। সেই সঙ্গে ছেলে হুমায়ুনকেও নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন তার নীতি অনুসরণ করতে। আকবর, জাহাঙ্গির এবং আহমেদ শাহ-ও গোহত্যা নিষিদ্ধ করেছিলেন বলে উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার এই মতামত দেওয়ার পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানার পশু চিকিৎসকদের উদ্দেশেও একটি নির্দেশ দেন বিচারপতি। বলেন, যে সব চিকিত্সক ভুয়ো সার্টিফিকেট দিয়ে দুধেল গরুকে কষাইখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন, তাদের অন্ধ্রপ্রদেশ গরু জবাই আইন, ১৯৭৭-এর আওতায় এনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আইনের সংশোধন করে ওই চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য পরোয়ানাও আনা দরকার বলে মত দেন তিনি।

মে-তে রাজস্থান হাইকোর্টে হিঙ্গোনিয়া গোশালা মামলার শুনানি ছিল। গত বছর অসুস্থতা, অবহেলা ইত্যাদি নানান কারণে ওই গোশালায় মারা গিয়েছিল প্রায় আট হাজার গরু। সেই শুনানি চলার সময়ই বিচারপতি মহেশ চন্দ্র শর্মার সিঙ্গল বেঞ্চ প্রস্তাব রাখে, গরুকে জাতীয় পশুর স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

গরুকে জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করা হলে গো-হত্যায় রাশ টানা যাবে বলেই মত বিচারপতি মহেশ চন্দ্র শর্মার। তার কথায়, নেপাল গরুকে জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করেছে। আমাদের দেশ কৃষিভিত্তিক। এখানে গবাদি পশুর পালন যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়ে থাকে। তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৪৮ এবং ৫১এ(জি) অনুযায়ী রাজ্য সরকারের কাছে আশা করাই যায় যে, গোরক্ষার জন্য কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালায় সরকারি মৎস্য হ্যাচারির প্রায় ১২শ’ ফুট সীমানা প্রাচীর নির্মাণে নিন্মমানের উপকরণ সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণ সামগ্রী ল্যাবে টেস্ট’র পর তা ব্যবহারের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এমনকি প্রাচীরটি নির্মাণে হ্যাচারিতে রক্ষিত পুরাতন ইট,খোঁয়া ও নি¤œমানের রড ব্যবহার হচ্ছে। এক কথায় নাম মাত্র কাজ করে লোপাট হচ্ছে বরাদ্দের প্রায় সমুদয় অর্থ।
তালা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ হাদিউজ্জামান বলেন, সার্বক্ষণিক নাকি তিনিই কাজের তদারকি করেন। তবে মাঝে মাঝে তার ব্যস্ততায় তার পিয়ন মফিজ কাজের তদারকি করে থাকেন।
সূত্র জানায়, ৩৮ লক্ষ ব্যয়ে প্রাচীরটি নির্মাণে কাজ শুরুর আগে বরাদ্দ’র তথ্য সম্বলিত সাইন বোর্ড টানানো ও নির্মাণ কাজের উপকরণ সামগ্রী ল্যাব টেস্টের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। নির্মাণ কাজে নতুন ১নং ইটের পরিবর্তে পূর্ব থেকে হ্যাচারিতে রক্ষিত পুরাতন নি¤œমানের ইট ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঠিকমত কাজ তদারকি না করে ঠিকাদারের সাথে গোপনে চুক্তি করে বরাদ্দের প্রায় সমুদয় টাকা লোপাট করছেন।
তালা উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা মৎস্য বীজ হ্যাচারি প্রকল্প’র সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছে। প্রায় ৩৮লাখ টাকা ব্যায়ে গত ১মাস আগে এ কাজ শুরু হয়ে তা চলমান রয়েছে। ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস মোনালিসা কনস্ট্রাকশন এ কাজ বাস্তবায়ন করছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে তালা উপজেলা বীজ হ্যাচারি প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, বরাদ্দ’র তথ্য সম্বলিত কোন সাইনবোর্ড প্রকল্প এলাকায় নেই। রড দেওয়া হয়েছে নিন্ম মানের। পূর্বে হ্যাচারিতে পড়ে থাকা পুরাতন ইট দিয়ে খোঁয়া তৈরি হচ্ছে। এই খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাচীরের কাজে। এসময় সেখানে কাজের তদারকির মত কাউকে দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদার নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য পূর্বে হ্যাচারিতে পড়ে থাকা পুরাতন ইট দিয়ে খোঁয়া তৈরি করেছে। ওই খোঁয়া দিয়ে শুক্র ও শনিবার  ছুটির দিনে সীমানা প্রাচীরের কাজে ঢালাই দেয়া হয়। সেদিন কোন প্রকৌশলীও আসেন না। মৎস্য কর্মকর্তা কাজটি তদারকির প্রধান দায়িত্বে থাকলেও তিনি কাজ তদারকি করেন না। ঠিকাদার তার ইচ্ছামত কাজ করছেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে কাজটি দেখার কেউ নেই।
ঠিকাদারের নিয়োজিত কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা মোতাসিন বিল্লাল জানান, ঠিকাদার আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন সেভাবে করছি। তবে টেষ্ট রিপোর্ট, সাইন বোর্ড এবং পুরাতন ইটের দিয়ে বেজ তৈরি করার কথা সত্যতা স্বীকার করেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রকৌশলী গৌতম কুমার জানান,তার জানামতে কাজে কোন প্রকার অনিয়ম বা দূর্নীতি হচ্ছেনা। কোন প্রকার অনিয়মের নাকি সেখানে সুযোগও নেই। তবে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন,বেজ ঢালাইয়ের সময় সাপোর্টিয়ে কিছু পুরনো খোঁয়া দেয়া হয়েছিল যা পরে উঠিয়ে নেয়া হয়।
খুলনা বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, পুরাতন ইট ব্যবহার করার কোন নিয়ম নেই। কাজে অনিয়ম থাকলে খতিয়ে দেখা হবে।
এব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আলিমুজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রকল্পটি তার অধিভূক্ত নয়। তাই এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তার কাছে নেই।
এব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ’র নিকট তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুরনো ইট দিয়ে কাজ করার কোন বিধান নেই। যদি ঠিকাদার তা করে থাকেন তা হরে সে অন্যায় করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

hqdefaultমরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানিয়ে সচেতন করে দিন।

১. আলুর চিপস : চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো  হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময়  উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার : বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত  হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।

৪. সফট ড্রিংকস : বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম  চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. কৃত্রিম চিনি : কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।

৬. অ্যালকোহল : অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।

৭. গ্রিল, বারবিকিউ : গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।

৮. বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

 ৯. খোলা বাজারের শরবত : বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

১০. পুরোনো তেল : পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার  হতে পারে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ, সাভার, ঢাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imagesপ্রচন্ড গরমে সবাই চাইছেন ঠান্ডা কিছু খেতে। প্রাণ জুড়াতে ঠান্ডা কিছু আপনি খেতেই পারেন, তবে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে সেই খাবারটি যেন স্বাস্থ্যকর হয়। এক্ষেত্রে ঘরে তৈরি দই হতে পারে স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। চাইলে গুঁড়ো দুধ দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন মিষ্টি দই। রইলো রেসিপি-

উপকরন : গুঁড়ো দুধ – ২/৩ টেবিল চামচ, দুধ – ১ লিটার, চিনি – স্বাদমতো, পুরনো দই (টক বা মিষ্টি) – ৩ টেবিল চামচ।

প্রণালি : প্রথমে তরল দুধ ও গুঁড়ো দুধ প্যানে নিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। বলক এলে চিনি দিয়ে দিন স্বাদ অনুযায়ী। মাঝে মাঝে চামচ দিয়ে নাড়তে হবে, নইলে দুধ পাতিলের নিচে জমা হয়ে পুড়ে যেতে পারে। দুধ হাফ লিটার হলে চুলা থেকে নামিয়ে দুধকে ঠান্ডা হতে দিন। দু্ধ পুরো ঠান্ডা হওয়ার আগে আঙ্গুল দিয়ে পরখ করে দেখুন।

কুসুম গরম থাকা অবস্থায় তাতে পুরনো দই মেশান। মেশানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ফেনা বেশি না উঠে যায়। এবার যে পাত্রে দই বানাবেন তাতে দইয়ের মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। মোটা টাওয়াল/কাপড় গরম করে ৮/১০ ঘন্টা দই ঢেকে রাখুন। ৮/১০ ঘন্টা পর দই জমে গেলে ফ্রিজে রাখুন। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_sakib-mahmudullahঅস্ট্রেলিয়াকে হারতে হবে, তার আগে বাংলাদেশকে জিততে হবে। সেই পথে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকই সেরে রাখল বাংলাদেশ। শুক্রবার নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল টাইগাররা। মাশরাফিদের সেমিতে খেলতে এখন দুটি সমীকরণ মিললেই চলবে।

বৃষ্টি ‘এ’ গ্রুপের সমীকরণ বদলে দিয়েছে আগেই। অনেককিছুই নির্ভর করছিল ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের ওপর। সোজা ভাষায়, বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে হারানোয় এখন হিসেবটা গুছিয়ে এসেছে। স্বাগতিকরা যদি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতে যায়, তাতে সেমিতে যাবে উদ্বোধনী ম্যাচ খেলা দুই প্রতিপক্ষ ইংলিশ ও টাইগাররাই।

শনিবার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে এই গ্রুপের শেষ ম্যাচে। যাতে পুরো বাংলাদেশের চোখ থাকবে ইংল্যান্ডের দিকে। অস্ট্রেলিয়ার হারই চাইবে টাইগারপ্রেমীরা। ইংল্যান্ড জিতলেই বাংলাদেশকে নিয়ে সেমিতে স্বাগতিকরা।

অন্য একটি সমীকরণও থাকছে। বৃষ্টিতে ইংলিশ-অজি ম্যাচ ভেসে গেলেও চলবে। তাতে পরিত্যক্ত ম্যাচের পর অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট হবে ৩, বাংলাদেশেরও পয়েন্ট এখন ৩। দুই দলেরই রানরেট এখন শূন্যে। তবে সেমির টিকিট পেতে রানরেটের আগে দেখা হবে কার জয় বেশি। সে হিসেবে বাংলাদেশই চলে যাবে সেমিতে। কারণ অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিপক্ষে বৃষ্টিতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে, তাদের জয় নেই এখন অবধি।

বাংলাদেশের নিভু-নিভু সম্ভাবনার প্রদীপটা এখন সমীকরণের বেড়াজালে এভাবেই দপ করে জ্বলে উঠেছে। এখন সমীকরণগুলো মিললেই হয়। তাতে প্রথমবারের মত কোন বৈশ্বিক আসরের সেমিতে যাওয়ার গৌরবে ভাসবে লাল-সবুজরা।

অন্যদিকে কিউইদের এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর শেষ হয়ে গেল এক পরিত্যক্ত ম্যাচ ও দুই হারে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest