pgIDQD_6আইসিসি একদিনের ক্রিকেট র‍্যাংকিংয়ে আবারো ছয় নম্বর অবস্থানে এসেছে বাংলাদেশ। গতকাল (৯ই জুন) নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সাত থেকে ছয় নম্বরে উঠে আসে বাংলাদেশ।

কার্ডিফে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অবিশ্বাস্য ২২৪ রানের জুটি টাইগারদের ৫ উইকেটের জয় এনে দেয়।

ঐতিহাসিক এই জয়ের ফলে ৩ রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচ শুরুর আগে টাইগারদের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৯২, অবস্থান ছিল সাত নম্বরে। অন্যদিকে এর আগে ভারতকে হারিয়ে ৯৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বর অবস্থানে ছিল শ্রীলংকা।

এক নজরে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাংকিং-

১। দক্ষিণ আফ্রিকা- ১২০ রেটিং পয়েন্ট

২। অস্ট্রেলিয়া- ১১৮ রেটিং পয়েন্ট

৩। ভারত- ১১৬ রেটিং পয়েন্ট

৪। ইংল্যান্ড- ১১৩ রেটিং পয়েন্ট

৫। নিউজিল্যান্ড- ১১১ রেটিং পয়েন্ট

৬। বাংলাদেশ- ৯৫ রেটিং পয়েন্ট

৭। শ্রীলংকা- ৯৪

৮। পাকিস্তান- ৯০

৯। ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ৭৯

১০। আফগানিস্তান- ৫২

১১। জিম্বাবুয়ে- ৪৬

১২। আয়ারল্যান্ড- ৪১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

QX8NFu_5সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, নিজেদের থেকে ছোট বয়সের ছেলেদের বিয়ে করে খুশি হন বেশির ভাগ ভারতীয় মেয়ে। শুধু তাই নয় বিয়ের পর মানিয়ে চলতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন মেয়েরাই। বিয়ের পাত্র-পাত্রী বিজ্ঞাপনের সোশ্যাল সাইট ভারত মেট্রিমনিতে সমীক্ষা চালিয়ে যে তথ্যগুলি জানা যায় সে গুলি হল-

 

১) নিজের থেকে বয়েসে ছোট পাত্রের সঙ্গে বিয়ে করে খুশি হয়েছেন ৯৭ শতাংশ মহিলা

২) মায়ের আঁচলের তলায় থাকা পাত্রের সঙ্গে বিয়ে করেও কোনও সমস্যা হয়নি ৮০ শতাংশ মহিলার। তার মানে এই নয় যে তাদের জীবনের স্বাধীনতা অভাব।

৩) যৌথ পরিবারে বিয়ে করে খুশি রয়েছেন ৯৫ শতাংশ মহিলা। এদের মধ্যে রয়েছেন ৬০ শতাংশ মহিলা এবং ৩৫ শতাংশ পুরুষ।

৪) মহিলাদের স্বামীরা ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ঘর গুছিয়ে রাখতে ভালোবাসেন প্রায় ৯০ শতাংশ মহিলা।

৫) ধৈর্যের অভাব এবং একঘেয়েমিতার জন্যই পুরুষেরা মহিলাদের সঙ্গে শপিং করতে যেতে পছন্দ করেন না।

৬) জীবনসঙ্গী খোঁজার জন্য তাদের পরস্পরের জীবনধারন এবং বোঝাপড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭) আবার ৮৫ শতাংশ মহিলা নিজের শহরের কাছে জীবনসঙ্গী বাছার চেষ্টা করেন। যাতে বিয়ের পর নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গেও সময় কাটাতে পারেন।

মেট্রিমনির এক আধিকারিক কৌশিক তিয়ারি জানিয়েছেন, তাঁদের এই সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের উদ্দেশ্য ছিল একটি মেয়ে বিয়ে করতে আসেন তখন তাঁদের কি কল্পনা করে আসেন। কিন্তু এই প্রচারের ফল দেখে তাঁরা অভাবনিয় ফল পেয়েছেন। এই সমীক্ষা মহিলা এবং পুরুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গাঢ় হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

NmZ1PJ_biyaছোট ভাইয়ের প্রেমিকাকে বিয়ে করবে বড় ভাই। ছোট ভাই কিছু বলতে পারছিলো না তখন। এরপর কাণ্ড ঘটলো একেবারে বিয়ের আসরেই। বিয়ের আসরে বড় ভাইকে ঠেলে সরিয়ে প্রেমিকাকে দ্রুত কবুল করে ছোট ভাই।

ইলায়াম পাট্টির বালা মুরুগান মন্দিরে গত ১ জুন বিয়ের আসর বসেছিলো। ২০ বছরের রাজাপালায়ামের সঙ্গে সম্বন্ধ করে বিয়ে হচ্ছিলো স্থানীয় যুবক কুমারের। প্রথা মেনে মন্দিরের পুরোহিত যখন ওই যুবককে রাজাপালায়ামের গলায় ‘থালি’ (পবিত্র সুতো) বাঁধতে বলেন, তখনই ঘটে অঘটন।

সেই সময় বরের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন কুমারের ছোট ভাই ভেলু। হঠাতই বড়ভাইকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়ে পকেট থেকে একটি ‘থালি’ বের করে রাজাপালায়ামের গলায় তা বেঁধে দেন তিনি। মনে করা হয়, ওই পবিত্র সুতো কনের গলায় যিনি বাঁধবেন তিনিই তাঁর স্বামী হিসাবে গণ্য হবেন।

ছোট ভাই হঠাতই কনের গলায় ওই ‘থালি’ পরিয়ে দেওয়ায় অবাক হয়ে যান সকলেই। কিন্তু অবিচল থাকেন রাজাপালায়াম। পরিবারের সকলে চাইলেও ‘থালি’ খুলতে অস্বীকার করেন কনে। একটু পরেই বেরিয়ে পড়ে সত্যিটা। ভেলু স্বীকার করে নেন কয়েক মাস আগে রাজাপালায়ামের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল তার।

এরপরই ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। একে অপরকে ভালবেসে ফেলেছিলেন তারা। কিন্তু সে কথা খোলসা করে বলতে পারেননি বাড়িতে। তাই বড় ভাইয়ের সঙ্গে প্রেমিকার বিয়ের সম্বন্ধ হচ্ছে দেখেও কিছু বলতে পারেননি তিনি। অবশেষে একটি ফন্দি আঁটেন দুজন। বিয়ের আসরে একেবারে সঠিক সময়ে রাজাপালায়ামকে ‘থালি’ পরিয়ে দেন ভেলু।

এরপরেই বাধে গোলমাল। কনের বাড়ি থেকে এই বিয়ে মেনে নিতে অস্বীকার করা হয়। এমনকী জোর করে খুলেও দেওয়া হয় তার ‘থালি’। কিন্তু অন্য কাউকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন রাজাপালায়াম। কনের বাড়ির আত্মীয়দের হাতে মার খেতে হয় ভেলুকে। এরপরই আহত ভেলু বিয়ের আসর ছেড়ে পালিয়ে যান।

তিরুপাত্তুর তালুক থানার পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর ওই যুবকের পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হলেও এক ঘণ্টার মধ্যে তা তুলেও নেওয়া হয়। কনের বাড়ি থেকেও লিখিত অভিযোগ জানানো হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-20141নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে শিবিরের একজন কর্মীসহ ৪২ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন,তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৬ জন, দেবহাটা থানা ০৬ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের আটককের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1MqHE7_mashrafemortazaমাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পরেও সাকিব-মাহমুদউল্লাহ নৈপূণ্যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। এই জয়ে সেমি-ফাইলের স্বপ্ন টিকে রইল টাইগারদের।

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিন্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৬ রান সংগ্রহ করে তারা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ ওভার ১ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্ধরে পৌঁছায় টাইগাররা।

এই কার্ডিফেই ২০০৫ সালের ১৮ জুন ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে জন্মদিয়েছিল রূপকথার। আজকে সেই কার্ডিফেই রচিত হলো আরেকটি রূপকথা। কিউইদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে যেতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েই পথ খোলা রাখলো মাশরাফি বাহিনী। কালকের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া হারলেই ‘এ’ গ্রুপ থেকে শেষ চার নিশ্চিত করবে টাইগাররা।

অবশ্য ২৬৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে স্মৃতিটা সুখকর ছিল না তামিম-সৌম্যদের। শুরুতেই পড়ে যায় ব্যাটিং বিপর্যয়ে। কিউই বোলিং তোপে আসা যাওয়ার খেলায় মাতে টাইগাররা। টিম সাউদির শুরুর ওভারের দ্বিতীয় বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে যান ওপেনার তামিম ইকবাল। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে ফের আঘাত হানেন সাউদি। এবার শিকার সাব্বির রহমান। উইকেটের পেছনে রঞ্চির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান। এরপর ক্রিজে থেকে কিছু করতে পারেননি আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারও। পঞ্চম ওভারে সাউদির বলেই এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন বাঁহাতি এই ওপেনার। মাঝে কিছুক্ষণ প্রতিরোধ দেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন সাকিব আল হাসান ও মুশিফকুর। ১২তম ওভারে এই জুটিকেও ভেঙে দেন পেসার অ্যাডাম মিলনে। দুর্দান্ত এক গতির বোলিংয়ে উপড়ে ফেলেন মুশফিকের স্ট্যাম্প।

এরপর অবশ্য যা রচিত হয়েছে তা ইতিহাস। সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জুটিতে ভর করেই জয়ের কঠিন পথ সহজ করে টাইগাররা। দুজনের ব্যাটে ভর করেই বাংলাদেশ পার করে শত রান। পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের হয়ে যে কোনও উইকেটের সেরা জুটিও গড়েছেন দুজন। সাকিব সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ছক্কা মেরে। বিদায় নেন অবশ্য ১১৪ রানে। যেখানে ছিল ১১টি চার ও একটি ছয়। আর মাহমুদউল্লাহও করেন সেঞ্চুরি। সাকিবের বিদায়ের পর চার মেরে পূরণ করেন নিজের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে টিকে থাকতে হলে আজকে জিততেই হবে। এমন পরিসংখ্যান মাথায় নিয়েই টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। শুরুটা ভালো করলেও বাংলাদেশের বোলিং তোপে ধীরে ধীরে ইনিংসের চিত্র পাল্টে দেয় মাশরাফি বাহিনী। তাতেই ৮ উইকেটে ৫০ ওভারে ২৬৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

কার্ডিফে মাশরাফি মুর্তজার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু করেছিল টাইগাররা। যদিও মার্টিন গাপটিল ও লুক রঞ্চির উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন তাসকিন আহমেদ। এরপরেই তাদের চেপে ধরে কিউইদের। ১৩তম ওভারে রুবেলের ওভারেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ওপেনার মার্টিন গাপটিল।

মাশরাফি তার বল দিয়ে শুরু থেকে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। প্রথম দুই ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ১ রান দেন তিনি। তবে মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বেশ খরুচে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত রঞ্চিকে ১৬ রানে মিডউইকেটে মোস্তাফিজের ক্যাচ বানান তাসকিন। ভাঙে ৪৬ রানের জুটি। এরপর গাপটিলকে নিয়ে এগোচ্ছিলেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। রুবেলের ওভারে ৩৩ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে বিদায় নেন ওপেনার গাপটিল।

দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সেই চাপ কাটিয়ে উঠে কেন উইলিয়ামসন আর রস টেলরের ব্যাটে। ধীরে ধীরে হুমকি হয়ে ওঠা জুটিই ভুল করে বসে সাকিবের ৩০তম ওভারে। রানের প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন কেন উইলিয়ামসন। কিউই অধিনায়ক ফেরেন ৫৭ রানে। অধিনায়ক বিদায় নেওয়ার পর এগিয়ে নিতে থাকেন রস টেলর ও নিল ব্রুম। ৩৯তম ওভারে তাসকিনের বলে আর থিতু থাকতে পারেননি টেলর। তালুবন্দী হন মোস্তাফিজের হাতে। বিদায় নেওয়ার আগে ৬৩ রান করেন তিনি।

তাতেও অবশ্য রানের চাকা সচল থাকে নিউজিল্যান্ডের। রান বাড়াতে থাকেন নিল ব্রুম ও নিশাম। তবে ৪৪তম ওভারে মোসাদ্দেকের বলে সব কিছু পাল্টে যায় কিউইদের। একে একে ফেরেন ব্রুম ও অ্যান্ডারসন। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে আবারও আঘাত হানেন মোসাদ্দেক। এবার ফেরেন ২৩ রানে ব্যাট করতে থাকা নিশাম। ৪৯তম ওভারে এরপর মিলনেকে মোস্তাফিজুর রহমান বোল্ড করলে ইনিংস আরও ছোট হয়ে আসে কিউইদের। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ২৬১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-20995অপ্রতিম রহমান : ২৬৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই কিউই বোলিং তোপে আসা যাওয়ার খেলায় মাতে টাইগাররা। টিম সাউদির শুরুর ওভারের দ্বিতীয় বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে ফের আঘাত হানেন সাউদি। এবার শিকার সাব্বির রহমান। উইকেটের পেছনে রঞ্চির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান। এরপর ক্রিজে থেকে কিছু করতে পারেননি আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারও। পঞ্চম ওভারে সাউদির বলেই এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন বাঁহাতি এই ওপেনার। মাঝে কিছুক্ষণ প্রতিরোধ দেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন সাকিব আল হাসান ও মুশিফকুর। ১২তম ওভারে এই জুটিকেও ভেঙে দেন পেসার অ্যাডাম মিলনে। দুর্দান্ত এক গতির বোলিংয়ে উপড়ে ফেলেন মুশফিকের স্ট্যাম্প।
কিন্তু এরপরই শুরু হয় পরিণত বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা দুই বিজ্ঞাপন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ। সেই প্রতিরোধের মহাকাব্যেটোইগাররা এখন জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দুজনের ব্যাটে ভর করেই বাংলাদেশ পার করে দ্বিশত রান। সাকিব সেঞ্চুরি করে মাত্র আউট হয়েছেন ১১৫ বলে ১১৪ রান করে।  অন্যদিকে, সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে মাহমুদউল্লাহ ব্যাট করছেন ৯৮ রানে। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৪৬.৩ ওভারে ২৫৭ রান। ২১ বলবোকি আছে খেলার, জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ৯রান, হাতে উইকেট আছে ৫টি।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে টিকে থাকতে হলে আজকে জিততেই হবে। এমন পরিসংখ্যান মাথায় নিয়েই টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। শুরুটা ভালো করলেও বাংলাদেশের বোলিং তোপে ধীরে ধীরে ইনিংসের চিত্র পাল্টে দেয় মাশরাফি বাহিনী। তাতেই ৮ উইকেটে ৫০ ওভারে ২৬৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

কার্ডিফে মাশরাফি মুর্তজার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু করেছিল টাইগাররা। যদিও মার্টিন গাপটিল ও লুক রঞ্চির উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন তাসকিন আহমেদ। এরপরেই তাদের চেপে ধরে কিউইদের। ১৩তম ওভারে রুবেলের ওভারেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ওপেনার মার্টিন গাপটিল।

মাশরাফি তার বল দিয়ে শুরু থেকে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। প্রথম দুই ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ১ রান দেন তিনি। তবে মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বেশ খরুচে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত রঞ্চিকে ১৬ রানে মিডউইকেটে মোস্তাফিজের ক্যাচ বানান তাসকিন। ভাঙে ৪৬ রানের জুটি। এরপর গাপটিলকে নিয়ে এগোচ্ছিলেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। রুবেলের ওভারে ৩৩ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে বিদায় নেন ওপেনার গাপটিল।

দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সেই চাপ কাটিয়ে উঠে কেন উইলিয়ামসন আর রস টেলরের ব্যাটে। ধীরে ধীরে হুমকি হয়ে ওঠা জুটিই ভুল করে বসে সাকিবের ৩০তম ওভারে। রানের প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন কেন উইলিয়ামসন। কিউই অধিনায়ক ফেরেন ৫৭ রানে। অধিনায়ক বিদায় নেওয়ার পর এগিয়ে নিতে থাকেন রস টেলর ও নিল ব্রুম। ৩৯তম ওভারে তাসকিনের বলে আর থিতু থাকতে পারেননি টেলর। তালুবন্দী হন মোস্তাফিজের হাতে। বিদায় নেওয়ার আগে ৬৩ রান করেন তিনি।

তাতেও অবশ্য রানের চাকা সচল থাকে নিউজিল্যান্ডের। রান বাড়াতে থাকেন নিল ব্রুম ও নিশাম। তবে ৪৪তম ওভারে মোসাদ্দেকের বলে সব কিছু পাল্টে যায় কিউইদের। একে একে ফেরেন ব্রুম ও অ্যান্ডারসন। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে আবারও আঘাত হানেন মোসাদ্দেক। এবার ফেরেন ২৩ রানে ব্যাট করতে থাকা নিশাম। ৪৯তম ওভারে এরপর মিলনেকে মোস্তাফিজুর রহমান বোল্ড করলে ইনিংস আরও ছোট হয়ে আসে কিউইদের। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ২৬১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_96417554_2b14ce7a-39b0-48ea-8cd3-bd86091be364চীনের ইন্টারনেট ধনকুবের জ্যাক মা এক দিনেই তার সম্পত্তি বাড়িয়েছেন তিনশো কোটি ডলার। তাঁর মালিকানাধীন কোম্পানি ‘আলিবাবা’র শেয়ারের দাম নিউ ইয়র্কের স্টক এক্সচেঞ্জে বাড়তে থাকায় এক দিনেই তার সম্পদ এতটা বেড়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা যা আশা করেছিলেন, তার চেয়েও অনেক বেশি ভালো ব্যবসা করছে আলিবাবা। ফলে শেয়ার বাজারে এই কোম্পানির শেয়ার এখন বেশ চাঙ্গা।

‘আলিবাবা’কে চীনের ই-বে বলে গণ্য করা হয়। সমস্ত কিছুই বিক্রি হয় তাদের ইন্টারনেট সাইটে।

জ্যাক মা ১৯৯৯ সালে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে তিনি ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন।

ষাট হাজার ডলার দিয়ে জ্যাক মা তার ব্যবসা শুরু করেন। শুরুর দিকে তিনি তার ব্যবসা পরিচালনা করতেন নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে।

‘আলিবাবা’ এখন চীনের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর একটি। এর বাজার মূল্য এখন চল্লিশ হাজার কোটি ডলার।

জ্যাক মা এই মূহুর্তে এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বলে মনে করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1497026553-1ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে। সমাজ প্রতিবাদহীন হয়ে পড়ছে। এই অবস্থার পরিবর্তনে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘কোন পথে বাংলাদেশ’ শিরোনামে এ আলোচনার আয়োজন করা হয়।

সভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমাদের হায়েস্ট প্রায়োরিটি (সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার) হচ্ছে আমাদের দেশে একধরনের অ্যাটমসফেয়ার (পরিবেশ) তৈরি করা। যেখানে আমরা সব ধর্মের সকল ধরনের মানুষ পাশাপাশি বেঁচে থাকব। ইকোনমিক্যালি (অর্থনৈতিকভাবে) তারা ভালো হলো না খারাপ হলো, সেটা পরের ব্যাপার। সম্মান নিয়ে এই দেশে আমার ভাই হিসেবে, বোন হিসেবে থাকতে পারবে।’

জাফর ইকবাল বলেন, ‘তাহলে সুলতানা কামাল আর হেফাজতের একজন নেতাকে পাশাপাশি বসানো হলো কেন? এটা আমি জানতে চাই। আপনাদের টেলিভিশনের প্রচার বাড়ানোর জন্য এই কাজগুলি খুব রগরগে জিনিস করলে মানুষ টেলিভিশন দেখে। এটাই যদি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তাহলে তো হলো না। আপনারা আপনাদের দায়িত্বটা পালন করবেন, আপনাদের আমি সেই অনুরোধ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. অজয় রায় বলেন, ‘এই তরুণ সমাজের প্রতি আবার আহ্বান জানাব, আপনারা রাজপথে নেমে আসুন। বিপ্লব ছাড়া, আন্দোলন ছাড়া কোনো অর্জন গঠিত হয় না। যে অন্যায়গুলো হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। প্রয়োজন হলে আরেকটি গণজাগরণ মঞ্চ গড়ে তুলুন।’

‘সংলাপ সূত্র’ আয়োজিত আলোচনা সভায় হেফাজত ইসলামের দাবির মুখে সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরিয়ে নেওয়া, পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন, সাবেক ত্ত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামালকে হুমকি এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন বক্তারা। দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি ক্রমেই তাদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হচ্ছে জানিয়ে এ জন্য সরকারেরও সমালোচনা করেন তাঁরা।

সভায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ড. সারোয়ার আলী বলেন, ‘এটি একেবারেই নির্বাচনী কৌশল। এই কথা ভাবতে খুব কষ্ট হয়, যে দলের নেতৃত্বে দেশটি স্বাধীন হয়েছিল, তারা এমন কৌশলটি গ্রহণ করেছে। সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটেছে এবং উগ্রবাদী ব্যাখ্যা যাঁরা করছেন, তাঁদের দ্বারা তরুণসমাজ আচ্ছন্ন হচ্ছে।’

ভাষাসৈনিক আহমেদ রফিক বলেন, ‘আজকের সমাজকে আমরা যারা লক্ষ করছি, যেটা প্রতিবাদহীন সমাজ। এত ঘটনা ঘটছে, এগুলো কিন্তু প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র নয়।’

বক্তারা বলেন, এসব কারণে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীদের অনেকেই দেশ ছাড়ছেন, অনেকে ছাড়তে চাচ্ছেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির বিস্তারের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ আসে। পাশাপাশি অসচেতন রাজনীতিবিদদের সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেন অনেক বক্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest