সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

pic dhaka copy
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : চিহ্নিত কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া চললেও সারাদেশে হাজার হাজার আলবদর,রাজাকার ও শান্তি কমিটির নেতারা এখন প্রকাশ্যে ৭১ এর মত দেশবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলীর সেকেন্ড ইন কমান্ড, চট্টগ্রাম আলবদর বাহীনির চট্টগ্রামের অপারেশনাল ইনচার্জ ও জামাতের অর্থ যোগান দাতা শিল্পপতি টি কে আবুল কালাম, চট্টগ্রাম আলবদরের আরেক শীর্ষ কমান্ডার মওলানা আবু তাহের, রাজাকার কমান্ডার ও হেফাজত ইসলামী নেতা মাওলানা আব্দুল হালীম বোখারী সহ দেশের সকল যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। ১৯৭৩ সালে গঠিত ৭৩ টি বিশেষ ট্রাইব্যুনালকে পুনরুজ্জীবিত ও পুন:গঠনের  মাধ্যমে আঞ্চলিক পর্যায়ে সকল যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকাল ৪ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে উপস্থিত বক্তাগণ,অবিলম্বে টি কে কালাম সহ সকল আঞ্চলিক যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। সমাবেশে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, বীর মুাক্তিযোদ্ধা আখতার জাহান, এম.পি, অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এম.পি, সেলিনা জাহান লিটা এম.পি, জন প্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব আলী কবির, আবুল কালাম আজাদ এম.পি, যুগ্ন-মহাসচিব, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম,অধ্যাপক আবুল কালাম পাটোয়ারী, বিশ^ বাঙ্গালি সম্মেলনের সভাপতি কবি আব্দুল খালেক, সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার মোজ্জামেল হক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নেটওয়ার্কের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আলী আমান প্রমূখ। বিজয় সংগঠনের সভাপতি আবু তৈয়ব ও বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশটি আঞ্চলিক যুদ্ধাপরাধী নির্মূল কমিটির সমন¦য়ক তারেক হায়দারের উপস্থাপনায় এবং আহ্বায়ক কামরুজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আগামী ৭ ই জুলাই ২০১৭ রোজ শুক্রবার, শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে আঞ্চলিক সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ১৯৭৩ সালের ৭৩ টি বিশেষ ট্রাইব্যুনালকে পুন:গঠনের দাবিতে বৃহত্তর নাগরিক সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC06505 (Large)
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ২৬ মে শুক্রবার বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ সাতক্ষীরা সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে জেলা সভাপতি মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক হতে মাহে রামাজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে এক বিশাল র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মাও: আব্দুল মান্নান, জেলা সেক্রেটারী ও কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য আলহাজ্ব মাওঃ আলতাফ হোসেন, যুব সংঘের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, আন্দোলনের জেলা প্রচার সম্পাদক শাহীনুর রহমান, সদর উপজেলা সভাপতি মোঃ আব্দুল খালেক, সেক্রেটারী আবুল কালাম আজাদ, অর্থ সম্পাদক মাওঃ আব্দুল মালেক, প্রচার সম্পাদক মাওঃ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হালিম, তালা উপজেলার অর্থ সম্পাদক ক্বারী শাহাদৎ হোসাইন, আহলেহাদীছ যুব সংঘের জেলা সহ-সভাপতি মাওঃ আসাদুল্লাহ বিন মুসলিম, সেক্রেটারী মাওঃ মুজাহিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ দেলোয়ার হোসেন, অর্থ সম্পাদক নাজমুল আহসান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা  বজলুর রহমান, সদর উপজেলার সেক্রেটারী আরাফাত বিন আহসান প্রমুখ। র‌্যালিটি আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এসে সমাপ্ত হয়। র‌্যালিতে আহলান সাহলান মাহে রামাজানের পবিত্রতা, সুদ ঘুষ লাটারী, অশ্লীলতা বেহায়পনা বন্ধ কর করতে হবে। ইত্যাদি শ্লোগানে মুখরিত হয়। র‌্যালি শেষে আহলেহাদীছ আন্দোলনের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মাওঃ আলতাফ হোসেন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে দোয়া পাঠের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495793930২০০৭ সালে ভারতের টি-টোয়েন্টি শিরোপা জয় প্রভাব ফেলেছে পুরো ক্রিকেট বিশ্বে। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালে ভারত আয়োজন করেছিল ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা, আইপিএল। কালক্রমে সেটি হয়ে উঠেছে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা। ভারতের দেখাদেখি প্রায় সবগুলো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশই আয়োজন করা শুরু করেছে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ। বাদ যাচ্ছে না ক্রিকেটের নবীনতম উঠতি সদস্য আফগানিস্তানও।

আইপিএলের আদলে আফগানিস্তানও আয়োজন করতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি লিগ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে তার নিলামও। যেখানে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবাল। নিলামে তামিমের দাম উঠেছে ২১ লাখ আফগান মুদ্রা। বাংলাদেশের টাকার হিসেবে যে অঙ্কটা দাঁড়াবে ২৪ লাখ টাকায়।

এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে আফগানিস্তানের এই ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগের তিনটি আসর। তবে সেগুলোতে বিদেশি খেলোয়াড় সেভাবে ছিল না বললেই চলে। পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের হাতে গোনা কিছু খেলোয়াড় গিয়েছিলেন সেই লিগ খেলতে। তবে ২০১৭ সালে প্রতিযোগিতাটি আরেকটু জাঁকজমকের মধ্যেই করতে চাইছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।

এরই মধ্যে তারা অনুমোদন পেয়ে গেছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দেশগুলোর অনুমোদন। তামিম ছাড়াও আফগানিস্তানের এই টি-টোয়েন্টি লিগের নিলামে নাম উঠেছে সাব্বির রহমান ও ইমরুল কায়েসের।

আগামী ১৮ জুলাই থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত কাবুলে অনুষ্ঠিত হবে এই টি-টোয়েন্টি লিগ। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা শেষপর্যন্ত সেখানে খেলতে যাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1475351b4bb7cc9eba4c4cb06cdee71a-59280d61cf3fbবিপিএলের গত আসরে নতুন দল হিসেবে নাম লিখিয়েছিল খুলনা টাইটানস। আর প্রথমবারেই আলো ছড়িয়ে তৃতীয় হয়েছিল দলটি। সেই সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে খুলনা টাইটানস নিয়ে আসছে মাহেলা জয়াবর্ধনেকে। শ্রীলঙ্কার এই ব্যাটিং-কিংবদন্তিকে দুই বছরের জন্য প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে খুলনা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে টাইটানস।

এবারের আইপিএলের শিরোপাজয়ী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচের দায়িত্বে থাকা জয়াবর্ধনে গত মৌসুমেও ছিলেন বিপিএলে। তবে গতবার কোচ নয়, ঢাকা ডায়নামাইটসের খেলোয়াড়ের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর বিশ্বের বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় সাফল্যের সঙ্গে খেলছেন শ্রীলঙ্কার এই সাবেক অধিনায়ক। এ মৌসুমে ইংল্যান্ডের টি২০ ব্লাস্টে তিনি খেলবেন ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে।

জয়াবর্ধনের মতো কিংবদন্তিকে কোচ হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বসিত খুলনা টাইটানসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘বিপিএলের আগামী দুই মৌসুমের জন্য টাইটানসের প্রধান কোচ হিসেবে মাহেলা জয়াবর্ধেনেকে নিয়োগ দিতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। মাঠের মধ্যে তিনি সব সময়ই একজন দুর্দান্ত নেতা। শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট জিতেছেন। সম্প্রতি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচ হিসেবে তাকে আইপিএল জিততে দেখে আমরা রোমাঞ্চিত। আমি নিশ্চিত, টাইটানসের সবাই তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে। আর তার উপস্থিতিতে এই টুর্নামেন্ট আরও সমৃদ্ধ হবে।’

গত বছর খুলনার কোচ ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক কোচ স্টুয়ার্ট ল। এবার টাইটানসের দায়িত্ব পেয়ে জয়াবর্ধনে আনন্দিত। তিনি বলেছেন, ‘গত বছর বিপিএলে খেলাটা দারুণ উপভোগ করেছিলাম। তখনই ভালোমতো উপলব্ধি করেছিলাম, ২০১৭ সালের টুর্নামেন্টে সফল হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘বিপিএল শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্যই একটা উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতার অন্যতম সম্মানিত ও ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা দল খুলনা টাইটানস। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে ‍যুক্ত হতে পেরে আমি রোমাঞ্চ অনুভব করছি।’

শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক জয়াবর্ধনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার দারুণ উজ্জ্বল। টেস্ট ক্রিকেটে ৩৪টি সেঞ্চুরি সহ ১১ হাজার ৮১৪ রান করেছেন তিনি। এর মধ্যে ডাবল সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭টি। টেস্টে তার চেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরি আছে শুধু ডন ব্র্যাডম্যান, কুমারা সাঙ্গাকারা ও ব্রায়ান লারার।  ওয়ানডেতেও ব্যাট হাতে দারুণ সফল জয়াবর্ধনে। ১৯টি সেঞ্চুরি সহ ১২ হাজার ৬৫০ রান সেই সাক্ষ্য দিচ্ছে। ২০০৭ ও ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে রানার্সআপ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া শ্রীলঙ্কা দলের গর্বিত সদস্য তিনি।

অধিনায়ক হিসেবেও জয়াবর্ধনে সফল। শ্রীলঙ্কাকে ৩৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে ১৮টিতে জয় এনে দিয়েছেন তিনি। ২০০৭ বিশ্বকাপে তিনিই ছিলেন দলের অধিনায়ক।

পুরো  ক্যারিয়ারে  মোট ৬৫২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন জয়াবর্ধনে।  লঙ্কানদের মধ্যে যা  সর্বোচ্চ।  এই তালিকায় তার চেয়ে এগিয়ে আছেন শুধু শচীন টেন্ডুলকার।  ভারতের ব্যাটিং-গ্রেট খেলেছেন ৬৬৪টি ম্যাচ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

5190c064bab955a488a64323f65c2816-592816a7c4f7cআন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিসরের মিনিয়া প্রদেশে কপটিক খ্রিস্টানদের বহনকারী একটি বাসে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ২৬ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৬ জন। মেডিক্যাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স হতাহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। এর আগে প্রাদেশিক গভর্নরের পক্ষ থেকে নিহতের সংখ্যা ২৩ বলে জানানো হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুটি বাস ও একটি ট্রাকে করে কপটিক খ্রিস্টানরা প্রার্থনার জন্য সেন্ট স্যামুয়েল আশ্রমে যাচ্ছিলেন। আচমকা মুখোশধারী বন্দুকধারীরা তাদের বহনকারী যানগুলোতে হামলা চালায় এবং ফাঁকা গুলি ছুড়তে শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
মিসরের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ খ্রিস্টান। সশস্ত্র সংগঠনগুলো প্রায়ই খ্রিস্টানদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে থাকে। গত এপ্রিলে পাম সানডে উৎসব চলার সময় তান্তা আলেক্সান্দ্রিয়া শহরের বিভিন্ন গির্জায় দুটি আলাদা বোমা হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হন। এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কায়রোর বৃহত্তর কপটিক ক্যাথেড্রোলে বোমা হামলায় ২৫ জন নিহত এবং ৪৯ জন আহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexআসাদুজ্জামান ঃ কোন বৈধ পাশ ছাড়াই সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারন্যে মাছ ধরার অভিযোগে একটি ফিশিং ট্রলারসহ তিন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগের সদস্যরা। শুক্রবার সকালে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কচুখালীখাল থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার বংশিপুর গ্রামের নূর আলী গাজীর ছেলে আমিনুর গাজী, একই উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের আবুল হোসেন জোয়াদ্দারের ছেলে কামরুল ইসলাম জোয়াদ্দার ও গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের মৃত রুপচাঁদ গাজীর ছেলে রেজাউল করিম গাজী।
বনবিভাগের সদস্যরা জানান, কোন বৈধ পাশ ছাড়াই সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের গভীর অভয়রান্য কচুখালী খাল এলাকায় মাছ শিকার করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখান থেকে বৈধ পাশ ছাড়াই মাছ শিকারের অভিযোগে একটি ফিশিং ট্রলারসহ উক্ত তিন জেলেকে আটক করা হয়।
বনবিভাগের কৈখালী ষ্টেশন কর্মকর্তা মিঠু তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত কওে জানান, আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

scSlkN_5পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে দুধ অন্যতম। যে কোন বয়সে সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য দুধের ভূমিকা অপরসীম। দুধ কি শুধু শরীরের পুষ্টি দিয়ে থাকে, নাকি এর অন্য কোনো ব্যবহারও আছে। পান করা বা মজাদার খাবার তৈরি করা ছাড়াও দুধের রয়েছে আরো কিছু ভিন্ন ব্যবহার। দুধের অদ্ভুত কিছু ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন-

১। পোকার কামড় সারিয়ে তুলতে

যে কোনো পোকার কামড় ব্যথাময়। পোকার এই ব্যথা জ্বালাপোড়া সারিয়ে তুলতে পারবেন দুধ দিয়ে। দুধ এবং লবণ দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি পোকার কামড়ের স্থানে লাগান। এই মিশ্রণটি ত্বকের চুলকানি কমানোর পাশাপাশি ফোলাভাব কমিয়ে দেবে।

২। মরিচা দূর করতে

অনেক সময় ব্যবহার্য ধাতব জিনিসের ওপর মরিচা পড়ে যায়। দেখতে বিশ্রী দেখায় বলে অনেকেই জিনিষটি ব্যবহার করেন না। কিন্তু এই মরিচা সহজেই দূর করা যায় দুধের সাহায্যে। অর্ধেক কাপ দুধ নিয়ে এতে সামান্য ভিনেগার বা লেবুর রস দিয়ে টক করে নিন। এরপর একটি কাপড় এই দুধে ভিজিয়ে মরিচা পড়া জিনিষ ঘষে নিন। দেখবেন মরিচা দূর হয়ে গেছে।

৩। চিনামাটির পাত্রের ফাটা বন্ধ করতে

শখের চিনামাটির কাপ বা পাত্রটিতে চিড় ধরেছে? ফাটা দাগের জন্য ফেলে দিতে যাচ্ছেন পাত্র বা কাপটি? ভুলেও এই কাজ করবেন না। কাপ বা পাত্রটি একটি বড় পাত্রে রেখে দুধ দিয়ে ডুবিয়ে দিন। এরপর কাপ সহ দুধ চুলায় জ্বাল দিতে থাকুন। দুধ ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। পরে কাপ বা পাত্রটি দুধ থেকে তুলে দেখবেন ফাটা দাগ বা চিড় দূর হয়ে নতুনের মত হয়ে গেছে। দুধের প্রোটিন চিনামাটির সাথে মিশে যেয়ে এই ফাটা অংশ জোড়া লাগতে সাহায্য করে।

৪। চামড়ার জিনিস চকচকে করতে

চামড়ার জিনিসপত্র দ্রুত উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। এই উজ্জ্বলতা ফিরে আনতে দুধের জুড়ি নেই। একটি কাপড় দুধে ভিজিয়ে সেটি দিয়ে চামড়ার জিনিসপত্র মুছে ফেলুন। এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেল দেখবেন আগের মত সাইন করছে।

৫। শেভিং ক্রিমের বিকল্প হিসেবে দুধ

শেভ করতে গিয়ে দেখলেন শেভিং ক্রিম শেষ। এখন কী করবেন? চলে যান রান্নাঘরে, গুঁড়ো দুধ এবং পানি মিশিয়ে ক্রিমের মতো পেস্ট তৈরি করুন।এই পেস্টটি দিয়ে শেভ করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495775432তামান্না চৌধুরী: সুস্থ থাকতে হলে সঠিকভাবে জীবনযাপন করা প্রয়োজন। তবে সঠিক জীবনযাপন মেনে চলাটা অনেকের ক্ষেত্রে একটু কঠিনই হয়ে পড়ে। তারপরও সুস্থ থাকতে হলে কিছু নিয়ম তো মেনে চলতেই হয়।

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন মানুষকে সুস্থ রাখতে বেশ সাহায্য করে। আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে এমন দুটো ছোট পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হলো।

পরামর্শ-১

মাছ-মাংস একসঙ্গে নয়

দৈনিক খাদ্যতালিকায় আমরা নানা রকম প্রোটিনজাতীয় খাবার খাই। শারীরিক গঠন ও বৃদ্ধি ছাড়াও আরো নানা কাজে আমাদের দৈনিক প্রোটিন গ্রহণ করতে হয়। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল, বাদাম ইত্যাদি প্রোটিনজাতীয় খাবার। সুস্থ থাকতে দৈনিক চাহিদা অনুযায়ী প্রোটিন খেতে হয়। কিন্তু অনেকে একবেলায় মাছ ও মাংস দুটোই খায়। এতে অনেক বেশি প্রোটিন খাওয়া হয়। এটি কিডনির জন্য ক্ষতিকর। তাই একবেলায় মাছ খেলে আর মাংস নয়। অথবা মাংস খেলে আর মাছ নয়।

পরামর্শ-২

ভাত খেলে আলু নয়

আলু ও ভাত এক জাতীয় শর্করা। আলু ও ভাতের কার্বোহাইড্রেট খুবই কাছাকাছি। যদিও বাঙালির প্রিয় খাবার ভাত দিয়ে আলুভর্তা। তবে পুষ্টির কথা মাথায় রাখলে ভাত ও আলু একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো। ভাত ও আলু দুটোতেই ক্যালরি বেশি। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভাত ও আলু একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।

লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest