7273প্রেস বিজ্ঞপ্তি : গত ২৯ মে সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকা অফিসে অতর্কিত হামলা এবং উক্ত ঘটনায় পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের নামে মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব।
এক বিবৃতিতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে অবিলম্বে উক্ত মামলা প্রত্যাহার এবং হামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। একইসাথে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিদাতারা হলেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি কালিদাস কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল বারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রবিউল ইসলাম, অর্থ-সম্পাদক ফারুক মাহবুবুর রহমান, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আহসানুর রহমান রাজীব, নির্বাহী সদস্য আশরাফুল ইসলাম খোকন, এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, মোশাররফ হোসেন ও এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ও অসীম বরণ চক্রবর্তীসহ সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Lailaনিজস্ব প্রতিবেদক : সালিশের নামে তার সামনে বাবা-মাকে বকাবকি ও প্রেমিক তাকে বিয়ে করতে অসস্মতি জানানোয় ক্ষোভ ও দু:খে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে এক তরুণী। রোববার দিবাগত রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ওই তরুণী কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।
তরুণীর মা জানায়, তার মেয়ে একই এলাকার কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে এক ছেলে (আলিমুল দালাল) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ছেলেটি তাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। রোববার রাত নয়টার দিকে ছেলেটি তার মেয়েকে মোবাইল করে বাইরে আসতে বলে। বাড়ি থেকে বাইরে এসে ছেলেটি সঙ্গে কথা বলার আগ মূহুর্তে একই এলাকার শিমুল, মামুন, রাজু, বাবু ও ওয়াদুল তাদের আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তোলে। পরে তারা স্থানীয় কেড়াগাছি ইউপির সদস্য ইয়ার আলী ও মফিজুল ইসলামের হাতে তুলে দেয়। রাতেই ইউপি সদস্যরা তাদের বাড়িতে সালিশ বাসায়। সালিশে ছেলেটি ওই মেয়েকে বিয়ে করতে অস্মতি জানান। এ সময় তারা প্রেমিক ছেলেটি ও তার সঙ্গে থাকা একই এলাকার মিন্টু সরদারকে মারধোর করে। আর মেয়ে, তার বাবা ও মাকে বকাবকি করে। এ সময় মেয়ের বাবাকে তার ভাই মারধোর করে।
তিনি আরও জানান, সালিশ শেষে মেয়ে তাকে বলে সালিশের নামে তোমাদের অপমানিত করা হয়েছে। ছেলেটি তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এখন অস্মতি জানাচ্ছে। এ মুখ আর কাউকে দেখাবে না। এসব কথা বলে রাত ১১টার দিকে গড়ে দরজা দিয়ে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তারা জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
ছেলেটি চাচা বলেন, শালিসের নামে তার ভাইপোকে মারধোর করা হয়েছে। সে তার পর আর বাড়িতে আসেনি। ছেলে ও মেয়ের সঙ্গে কি সম্পর্ক ছিল তা তিনি জানেন না।
কেড়াগাছি ইউপি সদস্য ইয়ার আলী জানান, কয়েক তরুণ ছেলে ও মেয়েটিকে আটক করে তাদের খবর দেয়। তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখেন তাদের এক সঙ্গে আটক করা হয়নি। ত মেয়েটি বয়স সবে ১৬ বছর পেরুয়েছে। ছেলেটিও বয়স ১৫ বেশি হবে না। তাদের এভাবে চলাফেরার কারণে তিনি ছেলেটিকে মারপিট করে শাসন করেছেন। মেয়েটি ও তার অভিভাবকদের বকাবকি করে চলে এসেছেন। এর জন্য যদি মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা করে থাকে তার জানা নেই।
কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকলে অফিসার ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, রাত দেড়টার দিকে মেয়েটিকে ভর্তি করা হয়েছে কীটনাশক পান করা অবস্থায়। সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি মেয়েটি দেখে বলেন সে ভালো আছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, তার এ বিষয় জানা নেই। কেউ তাদের কাছে অভিযোগ করেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

05....3আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের গোদাড়া গ্রামে সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হুমকীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেমাবার এলাকার বহু মানুষের সামনে ঐ পরিবারের সদস্যরা তাদের উপর হুমকী-নির্যাতনের অভিযোগ বর্ণনা করেন।
সংখ্যালঘু কাপালী পরিবারের সদস্য সুবোধ সরদারের স্ত্রী অনিমা, মৃত পরেশ সরদারের স্ত্রী সবিতা ও মৃত স্বপন সরদারের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী জানান, ১ জুন এশার আলীর পুত্র রবিউল ইসলামের একটি ভেড়া কুকুরে কামড়ালে তার স্ত্রী প্রকাশ্য দিবালোকে সুবোধ সরদারের বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রী অনিমাকে জাপটে ধরে টেনে হেঁচড়ে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়। তাদের কুকুরে কামড়াইনি বলে অনুনয় বিনয় করলেও তাকে ছাড় দেওয়া হয়নি। তাদেরকে নানা হুমকি ধামকি দিয়ে ফিরে গিয়ে তিনি মরা ভেড়া নিয়ে রবিউলের ভাই আজহারুলকে সাথে নিয়ে পুনরায় তাদের বাড়িতে ভেড়া ফেলে দিয়ে “ভেড়ার দাম না দিলে-তোরা এখানে কিভাবে বসবাস করিস দেখে নেব” বলে হুংকার দিতে থাকে। ভীত সন্ত্রস্ত পরিবারের লোকজন ইউপি সদস্য আঃ হান্নানকে জানালে তিনি সেখানে গিয়ে মোবাইলে রবিউলের আর এক ভাই আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীরকে জানালে তিনিও পরিবারের সদস্যদের হুমকী ধামকী দেয়। তাদের ভেড়াগুলো সব সময় মুক্ত ছেড়ে রাখায় তাদের শাক-সকজীসহ খেতের ফসল বিনষ্ট হলেও ভয়ে কিছু বলতে পারেন না। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক ম. মোনায়েম হোসেনকে জানালে তিনি অপরাধীদের দিয়ে মাপ চাইয়ে মিমাংশা করে দেন বলে তারা জানান। ঘটনা বর্ননার সময় পুজা উদযাপন পরিষদ ইউনিয়ন সভাপতি নিত্যানন্দ ঘোষ, আওয়ামীলীগ ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খায়রুল গাজী ও আজিজ গাজী, পুলিশিং ফোরাম সভাপতি আঃ মান্নান, সদস্য মহসিন, মোত্তালেব গাজী, ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যসহ বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আলমগীরের প্রতিবেশী তাছলিমা, চাচা খলিল গাজী সাংবাদিকদের জানান, আলমগীর তার বাড়িতে মেম্বার হান্নান কর্তৃক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গালিগালাজ ও হুমকির যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয় বলে জানান এবং সেখানে কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান। এ ঘটনার পর হামলাকারীরা ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ও থানায় জিডি করে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে দাবি করেন অভিযোগকারীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

05....111111আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ৩ দিনের প্রশিক্ষণ-১৭ উদ্বোধন করা হয়েছে। সেমাবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পের ম্যানেজার, সভাপতি ও মহিলা সদস্যদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, আরডিও বিষ্ণপদ বিশ্বাস ও প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী কনক চন্দ্র অধিকারী। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১ম ব্যাচের প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কোর্চ পরিচালক সুষমা সুলতানা। উল্লেখ্য, প্রকল্পের আওতায় আশাশুনি উপজেলার সদস্যরা ৯ কোটি টাকা সঞ্চয় করেছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে আরও ৯ কোটি টাকা সদস্যদের স্ব-স্ব ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়েছে। অন লাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সদস্যদের হিসাব-নিকাশ লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kidnep_dhaka_report_18353আমির হোসেন খান: কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে নূর মোহাম্মদ সরদার (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ২নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বন্ধকাটি গ্রামের মৃত নুরু মোড়লের ছেলে মজনুর রহমানের (৪৫) সাথে প্রতিবেশী মৃত সৈয়দ আলী সরদারের ছেলে নূর মোহাম্মদ সরদারের জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। একাধিকবার মাপ জরিপ করে বিরোধীয় ওই জমির একটি তালগাছের বিষয়ে নূর মোহাম্মদের মালিকানা নিশ্চিত হয়। কিন্তু সবকিছু উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীনের পোষা লাঠিয়াল বাহিনীর সহযোগিতায় গত শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে জোরপূর্বক তালগাছটি কেটে নেয় মজনুর রহমান। ভূক্তভোগী নূর মোহাম্মদ সরদার বিষয়টি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীনের নিকট জানালে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। এর প্রেক্ষিতে নূর মোহাম্মদ সরদার ওই দিনই মজনুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। থানার উপ-পরিদর্শক রাজিব কুমার রায় সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দেয়ার পর রোববার (০৪/০৬/১৭ তারিখ) মামলা রেকর্ড হয়।

বিষয়টি জানতে পেরে নূর মোহাম্মদের উপর ক্ষেপে যান চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীন। এক পর্যায়ে রোববার রাতে নূর মোহাম্মদ সরদার তারাবী পড়ার উদ্দেশ্যে বন্ধকাটি মোড়ল বাড়ি মসজিদে যেয়ে ওজু করে মসজিদে প্রবেশের সাথে সাথে চেয়ারম্যানের আলোচিত ক্যাডার বাহিনীর অস্ত্রধারী সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। শেখ রিয়াজ উদ্দীন নূর মোহাম্মদ সরদারকে নিজের বাড়িতে নিয়ে ঘরে আটক করে বেধড়ক মারপিট করে। খবর পেয়ে নূর মোহাম্মদের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন (৪২) চেয়ারম্যানের বাড়িতে যেয়ে স্বামীকে নির্যাতন থেকে রেহাই দিতে কাকুতি মিনতি জানায়। কিন্তু চেয়ারম্যান এতে কর্ণপাত না করায় তিনি স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের নিকট থেকে থানার মোবাইল নাম্বাার নিয়ে অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হকের সাথে স্বামীকে অপহরণ ও নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে তাকে রক্ষার জন্য অনুরোধ করেন। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে একটি ঘরে আটক অবস্থায় থাকা নূর মোহাম্মদ সরদারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় নির্যাতিত নূর মোহাম্মদের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন বাদী হয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে রাতেই ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীনকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর: ১০, তারিখ: ০৪/০৬/১৭ খ্রিঃ)। নির্যাতিত নূর মোহাম্মদ সরদার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সোমবার সাতক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হয়ে বিজ্ঞ বিচারকের নিকট ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তিকে ভয়ভীতি দেখানো, নির্যাতন করা, অবৈধ ভাবে জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এলাকার লোকজন তাকে নব্য এরশাদ শিকদার হিসেবে অভিহিত করে। দীর্ঘদিন যাবত একটি লাঠিয়াল বাহিনী তৈরি করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজনকে ধরে এনে টর্চার সেলে নির্যাতন চালাচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। রোববার রাতের ঘটনার খবর পেয়ে তার বাড়ি থেকে নূর মোহাম্মদ সরদারকে যে অবস্থায় উদ্ধার করেছি তাতে জনগণের অভিযোগ যে সত্য তা প্রমাণিত হয়েছে।
এব্যাপারে চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দীনের নিকট জানার জন্য তার মোবাইলে (০১৭৫২২৭৪৭৩৭) একাধিকবার ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01আরাফাত হোসেন লিটন : ভিক্ষুক শ্রেণির মানুষদের অবহেলা না করে আলাদা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশকে ক্ষুদা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার দেশ গড়তে হবে। সমাজের নি¤œ পেশার মানুষ হলেন ভিক্ষুকরা। কর্মদক্ষতা না থাকায় কিংবা নানা সমস্যায় মানুষ ভিক্ষাবৃত্তি পেশায় নিয়োজিত হয়। সমাজের মানুষের কাছ থেকে চেয়ে এনে খুবই নি¤œমানের জীবন যাপন করেন এই পেশার মানুষেরা। তারা সামাজিক মূল্যহীন ভাবে অবহেলায় খেয়ে না খেয়ে দিন পার করেন। তাই বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একটি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ভিক্ষুকদের তালিকা হয়েছে। একই সাথে তাদের জীবনযাত্রা পরিবর্তনেও সরকার বিভিন্ন মেয়াদী কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। সেই সাথে ভিক্ষুকদের ভিক্ষাবৃত্তি পেশা থেকে ফিরিয়ে এনে কর্মস্থানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে। তাছাড়া সরকারের স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দেশ থেকে ভিক্ষুক মুক্ত করা হবে। এই সুবিধাভোগীরা আর যেনো কখনো ভিক্ষা না করেন সে ব্যাপারেও সরকার উদ্যোগ নিয়েছেন। অচিরেই সরকারের সকল মহান উদ্যোগ বাস্তাবায়ন হবে। উপজেলার ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের সকল ভিক্ষুকদের সাথে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদ।
সোমবার পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। পারুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইউপি সচিব প্রবীর হাজারীর সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনেট্রাক্টর সাইদুল হক, একটি বাড়ি একটি খামারের ফিল্ড সুপারভাইজার আজহার উদ্দীন ও সালমা খাতুন, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য বানু আল কাদেরী, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারগিছ পারভীন, ৭, ৮ ও ৯ নং হামিদা পারভীন, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য সাহেব আলী, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম ফারুক, ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য সালাউদ্দীন সারাফি, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য সিরাজুল ইসলাম, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য ইয়ামিন মোড়ল, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ মোকারম হোসেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা সকল ভিক্ষুকদের দক্ষতা অনুযায়ী চাহিদার কথা শোনেন। একই সাথে আতœকর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ভিক্ষুকমুক্ত করতে প্রত্যেকের মতামত গ্রহন করেন। ভিক্ষুকরা সরকারি সহায়তা পেলে ভিক্ষা পেশা ছেড়ে দেবেন বলেও অঙ্গিকার করেন। ইফতার মাহফিলের দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাঝ পারুলিয়া জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবু তাহা গিয়াস উদ্দীন নূরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03মাহফিজুল ইসলাম আককাজ :  সাতক্ষীরা জেলা স্কাউটস্ এর নতুন দল গঠন সংক্রান্ত কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা স্কাউটস্ এর আয়োজনে জেলা অফিসার্স ক্লাবে জেলা স্কাউটস্রে  সহ-সভাপতি কৃষ্ণা নন্দ মুখার্জীর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাক, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক সামছুল হক, প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলী, প্রধান শিক্ষক সামছুল হক, কাজী আফজাল বারী, আব্দুল মাজেদ, পল্টু বাসার, সাবেক কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক শফি উদ্দিন, সেলিমা আকুঞ্জি, জহুরুল ইসলামসহ জেলা স্কাউটস্রে সদস্যবৃন্দ।
ইফতারের পূর্বে দেশ ও জাতির শান্তি এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা স্কাউটস্রে সম্পাদক এম ইদুজ্জামান ইদ্রিস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Kapotakkha-Nodতালা ডেস্ক : মধু কবি, বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক পালাবদলের যুগ সন্ধিক্ষণের কবি। সেই কবি তার কপোতাক্ষ নদ কবিতায় জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে শৈশব আর কৈশরের স্মৃতি বিজড়িত নদের ¯্রােত ধারাকে জন্মভূমির বুকে মাতৃ দুগ্ধের আধার রূপে বর্ণনা করেছেন। সুদূর ইউরোপে বসে সতত তার এই ¯্রােতস্বিনী নদের কথা মনে পড়েছে। গভীর আবেগ আর মততায় তিনি কপোতাক্ষ নদকে সাহিত্যের এক অপার সৃষ্টি রূপে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। বৈদিক সাহিত্যের স্বরস্বতী নদী আজ আর বাস্তবে নদী নেই। একইভাবে মধু কবির কপোতাক্ষ নদও সাহিত্যে অমরত্ব পেলেও হারিয়ে যাচ্ছে মানচিত্র থেকে।
চীনের হোয়াংহো নদীর মত সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনার দুঃখে পরিণত হয়েছে গঙ্গা ও পদ্মার শাখা ও  মহকবি মাইকেল এর স্মৃতি বিজিড়িত কপোতাক্ষ নদ। জমি দখলের মত নদ দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছর এই তিন জেলার পাঁচটি উপজেলার অর্ধ শতাধিক গ্রাম বছরের ৮ থেকে ৯ মাস পানিতে তলিয়ে থাকছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই গ্রামগুলোর কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি এখন অনাবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। স্কুল, কলেজগুলো পরিনত হয়েছে স্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে। এলাকাবাসী জলাবদ্ধ জমিতে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে পানি অপসারণ করে চাষাবাদ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলার তালা ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরোজমিনে জনগণের সাথে আলাপ করে জানা যায়, যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ইতিহাস খ্যাত কপোতাক্ষ নদ। যাত্রী ও মালামালা নিয়ে লঞ্চ এবং কার্গো চলাচল করতো যে নদে সেখানে এখন ছোট নৌকাও চলে না। এক সময় খরস্রোতা হলেও এখন মৃত প্রায় হয়ে গেছে সে সময়ের দুই শত থেকে আড়াই শত ফুটের বেশি চওড়া কপোতাক্ষ নদ। নব্বই এর দশকেও কপোতাক্ষ নদ তার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় রাখতে সক্ষম ছিল। কিন্তু এরপর নানা কারণে ভরাট হতে থাকে কপোতাক্ষের তলদেশ, এখন অনেক স্থানে ৫০ ফুটে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপত্তি দেখা দেয় ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে। ২০০৯ সালের জুন মাসে বন্যার পানিতে কপোতাক্ষের দুই পাশের অর্থাৎ যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলা এবং সাতক্ষীরা জেলার তালা ও কলারোয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এই পানি নেমে যেতে সময় লাগে কয়েক মাস।kapotakh-nod
এরপর ২/৩ বছর সামান্য এলাকায় পানি জমলেও ২০১১ সালের পর থেকে যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া, কুমিরিয়া, সরুলিয়া, ইসলাম কাঠি, মাগুরা ও তালা সদর ইউনিয়ন এবং কলারোয়া উপজেলার জয়নগর, দেয়াড়া, জালালাবাদ ও যুগিখালী ইউনিয়নের সব গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। পানিতে তলিয়ে থাকা গ্রামগুলোর জনগণ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নেয় অন্য এলাকায়। তবে বেশির ভাগ লোক আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে ঠাই করে নেন। যারা গত ২/৩ বছরেও তাদের বাড়ি ঘরে ফিরে যেতে পারেননি। এলাকাবাসী আরও জানায়, পদ্মা থেকে কপোতাক্ষ নদের উৎপত্তি হয়ে তা মিশেছে শিবসা নদীতে। ২০০৪ সালের আগ পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদ স্বাভাবিক থাকলেও এ সময়ের পর থেকে আর পানি অপসারণ করতে সক্ষম হয়নি।
২০১২ সালের পর থেকে বর্ষায় জমে থাকা পানি নেমে যেতে সময় লেগেছে ৮ থেকে ৯ মাস। বছরের তিন চতুর্থাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকায় আমন এবং অন্যান্য তরিতরকারি এখানে হয় না। দীর্ঘ দিন জলাবদ্ধ থাকার কারণে গবাদি পশু ও গাছপালা উজাড় হয়ে গেছে। ফসল ফলাতে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি সেচে ফেলছেন এলাকাবাসী। তবে তা খুব বেশি কার্যকর নয় বলেও তারা জানিয়েছেন। একই পদ্ধতি অবলম্বন করে এবার কলারোয় উপজেলায় তিন শত বিঘা জমি চাষাবাদের আওতায় এনেছেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, জোট সরকারের শেষ দিকে ৩৭ কোটি টাকা ব্যায়ে কপোতাক্ষ নদের খনন কাজ শুরু হয়। যশোরের কেশবপুর উপজেলা থেকে খনন কাজ শুরু হয়। খনন করা হয় তালা উপজেলা পর্যন্ত। তবে ড্রেজার মেশিন যথাযথভাবে কাজ করতে পারেনি। অনেক স্থানে ঢুকতে পর্যন্ত পারেনি। খনন করার সময় নদ থেকে উত্তোলন করা বালু ফেলা হয় একেবারেই নদের তীরে। যা পরবর্তী বর্ষা মৌসুমে আবারও নদের তলদেশ ভরাট করে ফেলে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌছায় যে শীতকালে কপোতাক্ষের অনেক স্থানে পায়ে হেটে পার হতে শুরু করেন এলাকাবাসী। একই সাথে ভূমি দস্যুরাও মেতে ওঠেন কপোতাক্ষের চর দখল প্রতিযোগিতায়। কপোতাক্ষ নদের দুই পাশে জেগে ওঠা চর দখলকারীদের মধ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারাও রয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
পাউবো সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছর আবারও খনন কাজ শুরু হয়েছে। তবে এবার নীচু এলাকা হিসাবে তালা থেকে খনন কাজ শুরু করা হয়েছে। পাটকেলঘাটা পর্যন্ত কাজ হয়েছে। বর্ষা আসার আগে কলারোয়া পর্যন্ত খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার জানান, কপোতাক্ষ নদের পলি অপসারণ ও এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাতœক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকারও আমাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে যেন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সে জন্য জোর প্রচেষ্টা চলছে। এ কাজে সরকারের কাছ থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা পাওয়ার আশা রাখি। এলাকাবাসী আমাদের সাথে আছেন। ফলে আমরা দ্রুত কাজ করতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest