সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

ছয়বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে মহিল ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। বৃহস্পতিবার ডার্বিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৩৬ রানে হারিয়ে রবিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেতাবের লড়াইয়ে নামবে মিতালিরা। ১৯৮৩ তে কপিল দেবের ভারতের পর ফের লর্ডসে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামবে ভারত।

রবিবার ক্রিকেট মক্কায় ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে প্রথমবার বিশ্বজয়ের স্বাদ পাবে ভারতের প্রমীলাবাহিনী।

মনপ্রীত কাউরের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে ফাইনালে ওঠার লড়াই অস্ট্রেলিয়াকে বড় রানের টার্গেট দেয় ভারত। বৃষ্টিবিঘ্নিত সেমিফাইনালে ৪২ ওভারের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৮২ রানের টার্গেট দেয় ভারত। ১৭১ রানের রাজকীয় ইনিংস খেলেন পঞ্জাব তনয়া। ওয়ানডে ক্রিকেটে পঞ্চম মহিলা হিসেবে ‘ক্যারি দ্য ব্যাট’র নজির গড়েন হরমনপ্রীত। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে সর্বোচ্চ রানের মালিকন হন তিনি। ম্যাচের সেরা রেকর্ড সেঞ্চুরিকারী পঞ্জাব তনয়া।

এর আগে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে ওয়ানডে তে ‘ক্যারি দ্য ব্যাট’ হিসেবে নজির গড়েন পূর্ণিমা রাও। কিন্তু মহিলাদের হরমনপ্রীতই প্রথম যিনি ওপেন করতে নেমে সেঞ্চুরি করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন। ১১৫ বলে ২০টি বাউন্ডারি ও সাত ছক্কায় ১৭১ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন হরমনপ্রীত। ভারতীয় ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর অধিনায়িকা মিতালি রাজের ৩৬।

বৃষ্টিবিঘ্নিত সেমিফাইনালে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু হয়নি। তিন ঘণ্টা পর খেলা শুরু হয়। ম্যাচ হয় ৪২ ওভারের। দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান করেন হরমনপ্রীত। বিশ্বকাপে যা চতুর্থ সর্বোচ্চ রান।

আগেই মহিলা বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালে উঠেছে আয়োজক ইংল্যান্ড। প্রথম সেমিফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তারা। আর ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারলেই রবিবার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেতাবের লড়ায়ে নামবে ভারত। ১১ বারের টুর্নামেন্টে একবারই মাত্র ফাইনালে ওঠে ‘উইমেন ইন ব্লু’। ২০০৫-এ সেঞ্চুরিয়ানে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে ভারত। ১২ বছর পর ফের ফাইনালে ভারতের মেয়েরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

উত্তর লন্ডনে একটি গ্যারেজ থেকে বিস্ফোরণের কারণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে প্রায় ৬০ জন দমকলকর্মী। এজওয়্যারের বার্নট ওকের ওয়াটলিং অ্যাভিনিউয়ের একটি ওয়ার্কশপে এই ভয়াবহ আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীরা নেমে পড়ে।

লন্ডনের দমকল বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৫০০ জনকে সেই স্থান থেকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে। অন্যান্য গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে এই আশঙ্কায় জায়গাটি খালি করে দেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে আগুন লাগলো তা এখনও জানা যায়নি। হতাহতের কোন খবরও পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বেতন ভাতা বাড়ানোর জন্য অস্টেলিয়া ক্রিকেটাররা ধর্মঘট করে। তাদের দাবি ছিল তাদের বেতন ভাতা বাড়াতে হবে। অস্টেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড তাদের দাবি মেনে নেননি। কিন্তু বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে আশার কথা শোনাতে পারছে না কোন পক্ষই। দ্বন্দ্ব নিরসনে দুই পক্ষ সমঝোতার কথা বললেও আদতে ধীরগতিতে এগোচ্ছে সবকিছুই। এমন অবস্থায় হুমকির মুখে পড়েছে অসিদের বাংলাদেশ সফর। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই বিবাদের মীমাংসা না হলে হয়তো ভেস্তেই যেতে পারে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজটি। তাই অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল বাংলাদেশ সফরে না এলে হুমকিতে পড়তে পারে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও। তবে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ না হলে অক্টোবরে ভারত সফরেও নাও যেতে পারে স্মিথরা।

অস্টেলিয়ার গণমাধ্যমের প্রকাশিত, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফর বাতিল হলে অক্টোবরে ভারতের পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও খেলবে না অস্ট্রেলিয়া। অক্টোবরে ভারতের সঙ্গে পাঁচটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা অস্ট্রেলিয়ার।

আগামী ১০ আগস্ট থেকে ডারউইনে ক্যাম্প করার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়া দলের তবে বেতন-ভাতা নিয়ে জটিলতার কারণে এই ক্যাম্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সময়মতো প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু না হলে ভেস্তে যেতে বাংলাদেশ সফর।

কিছুদিন আগে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে যাওয়া ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। দুই পক্ষই আশা করছিল, শিগগিরই গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো যাবে। আর এতে করে গতিশীল হবে দেশটির ক্রিকেট। চলমান সংকট নিরসনে কিছু বিষয়ে ছাড় দিতে রাজি হয়েছিল দুই পক্ষ। তবে দেশটির কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আলোচনা একেবারে ধীরগতিতে এগাচ্ছে।

গত এপ্রিলে ক্রিকেটারদের প্রায় ৩৫ শতাংশ বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। তবে বোর্ডের সেই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন দেশটির ক্রিকেটাররা। ইংল্যান্ড-ভারতসহ বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা তাদের চেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছে অভিযোগ করে আরো বেশি পারিশ্রমিকের দাবি জানায় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। তবে ক্রিকেটারদের দাবি মানতে একেবারেই নারাজ ছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার।

বোর্ডের অনড় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হন দুইশর বেশি ক্রিকেটার। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ‘এ’ দলের সফরও বয়কট করেন ক্রিকেটাররা। এবার হুমকির মুখে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত সফর। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোথাকার জল কোথায় গিয়ে গড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। জানা গেছে, আসল তরোয়াল নিয়েই শুটিং চলছিল। শুটিং চলাকালীন তরোয়ালটি এসে লাগে অভিনেত্রীর কপালে। তখন রক্ত বের হতে থাকে। পরে দ্রুত শুটিং স্পট থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

আপাতত হায়দরাবাদের অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিসিউ বিভাগে ভর্তি রয়েছেন কঙ্গনা। জানা গেছে, কপালের জখমটি বেশ গুরুতর। ১৫টি সেলাই পড়েছে অভিনেত্রীর কপালে। আগামী কয়েকদিন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাকে।

ডাক্তারের মতে, অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন তিনি। হাড়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিল আঘাত। এর চেয়ে বেশি জখম হওয়ার সম্ভাবনা ছিল কঙ্গনার।

এ বিষয়ে প্রযোজক কমল জৈন জানান, নিহার পান্ডেয়ার সঙ্গে এই অ্যাকশন দৃশ্য শুট করতে বডি ডাবল নিতে চাননি কঙ্গনা। ছবির প্রতিটি অ্যাকশন দৃশ্য নিজেই শুট করবেন বলে জেদ করেছিলেন অভিনেত্রী। তাই শুট করার আগে বহুবার রিহার্সাল করা হয়, কিন্তু তারই মাঝে টাইমিংএ গণ্ডগোল হয়ে যায়। তরোয়াল গিয়ে সটান লাগে কঙ্গনার কপালে। দুই ভ্রুর মাঝখান থেকে শুরু হয় রক্তপাত। শুটিং সেট থেকে ৩০ মিনিটের দূরত্বে অ্যাপোলো হাসপাতালে আনা হয় তাঁকে।

এই ঘটনায় খুবই দুঃখিত হয়ে পড়েন অভিনেতা নিহার, ক্ষমাও চান কঙ্গনার কাছে। কিন্তু রক্তাক্ত অবস্থাতেও নিহারকে চিন্তা করতে বারণ করেন অভিনেত্রী।

তিনি বলেন, এটা নিছকই একটা দুর্ঘটনা। কিন্তু এত ব্যথা ও রক্তাক্ত অবস্থায় কঙ্গনা যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তা নিয়ে গর্বিত তাঁর ছবির গোটা টিম। তবে এই আঘাতের ফলে কঙ্গনার কপালে এক ক্ষতের চিহ্ন রয়ে যাবে বলা জানান চিকিৎসকরা। সেই ক্ষত এতটাই গভীর যে তাঁর দাগ সরাতে প্লাস্টিক সার্জারি করাতে হবে অভিনেত্রীকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিয়ে অনেক ভোটার এখন দুঃখ প্রকাশ করছেন। নতুন এক জনমত জরিপের ফলাফল থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ওই জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে ভোট দেয়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন দুঃখ প্রকাশ করছেন। রয়টার্স এবং ইপসোস যৌথভাবে জরিপটি পরিচালনা করেছে। জরিপে অংশ নেয়া লোকজনের শতকরা ১২ ভাগ বলেছেন, ২০১৬ সালের নির্বাচন যদি আজকে হতো তাহলে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিতেন না। এ জরিপের ভেতর দিয়ে ট্রাম্পের সমর্থকরদের অনেকের মোহমুক্তির বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

গত নির্বাচনে ট্রাম্প সামান্য ভোটের ব্যবধানে হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে জিতেছেন তবে দিন দিন তার সমর্থন কমছে। এতে আগামী ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের জন্য বিজয়ী হওয়া কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া, যেসব এজেন্ডা রয়েছে তার হাতে সেগুলো বাস্তবায়ন করাও তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।পার্সটুডে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশের মাটিতে মারা যাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের মরদেহ প্রতিদিনই আসছে দেশে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৯ থেকে ১০ জনের মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে। এরমধ্যে সৌদিআরব থেকেই সবচেয়ে বেশী মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
জানা গেছে, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত মোট ৩১,৭১৫ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। এরমধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ৬ মাসে মোট ১,৭৫৭ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়।
অন্যদিকে ২০০৫ সালে ১২৪৮, ২০০৬ সালে ১৪০২, ২০০৭ সালে ১৬৭৩, ২০০৮ সালে ২০৯৮, ২০০৯ সালে ২৩১৫, ২০১০ সালে ২৫৬০, ২০১১ সালে ২৫৮৫, ২০১২ সালে ২৮৭৮, ২০১৩ সালে ৩০৭৬, ২০১৪ সালে ৩৩৩৫, ২০১৫ সালে ৩৩০৭ এবং ২০১৬ সালে ৩৪৮১ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি বছরই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশী মানুষের মৃত্যুর হার বাড়ছে।বিদেশে বাংলাদেশীদের সংখ্যা বাড়ার জন্যই এই পরিসংখ্যান বাড়ছে বলে মনে করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক (যুগ্ন সচিব) মোঃ শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরই বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ বিদেশে যাচ্ছেন। তাই বিদেশে বাংলাদেশী লোকও বাড়ছে। যতবেশী লোক বাড়বে ততবেশী মৃত্যুর হার বাড়বে। কোনো স্থানে যদি ৫ হাজার মানুষ থাকে তাহলে সেখানে মারা যাবে কম। যদি ৫ লাখ মানুষ থাকে তাহলে মারা যাবে বেশী। তবে বিদেশে বাংলাদেশী মানুষ মারা যাওয়া দুঃখজনক। কারণ আমরা ইয়ং লোককে বিদেশ পাঠাই। তারা যদি সেখানে মারা যায় সেটাতো আমাদের জন্য শোকের বিষয়।’
বিদেশ থেকে আনা মরদেহগুলোর বেশীরভাগই বিভিন্ন দূর্ঘটনায় মারা যান বলে জানান তিনি। এক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের জন্য তারা তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করেন বলে জানান ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের এই পরিচালক।
তিন বলেন, ‘যারা মারা যায় তাদের কোম্পানি তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়। না দিলে আমরা তাদের পক্ষে মামলা করি। অথবা তারা (পরিবার) নিজেরাই মামলা করে। এরপর আদালত সিদ্ধান্ত দেয় ক্ষতিপূরণ পাবে কি না। যেমন অসতর্কভাবে রাস্তা পার হতে গিয়ে কেউ যদি মারা যায় সেক্ষেত্রে তো ক্ষতি পূরণ পাবে না।’
বিদেশ থেকে দেশে মরদেহ আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বিদেশে যখন কেউ মারা যায় তখন আমাদের কাছে খবর পাঠায়। পরিবারের সদস্যরা বা অন্য কেউ খবর দেয়। এরপর লাশটি তারা দেশে আনবে নাকি ওখানে দাফন করবে তা আমাদের জানার বিষয় থাকে। পরিবার যদি দেশে আনতে চায় সেক্ষেত্রে আমরা মরদেহ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকি।’
মরদেহ আনার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়া নেই বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘একেক দেশ থেকে লাশ আনতে একেক সময় লাগে। যেমন সৌদি আরব থেকে আনতে দেরি হয়। কারণ তাদের ১০ থেকে ১২টা এজেন্সি আছে যারা এটা তদন্ত করে। তাই সৌদি আরবের ক্ষেত্রে ১ থেকে ২ মাস দেরি হয়। কিন্তু অনান্য দেশ থেকে কয়েকদিনের মধ্যেই আনা যায়।’
বিমানবন্দরে মৃত ব্যক্তির মরদেহ গ্রহণ করার পর তা দাফন করার জন্য পরিবারকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ৩৫ হাজার টাকা দেয়া হয় বলে জানান মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘যারা বৈধভাবে বিদেশ যান তাদের ক্ষেত্রে এ টাকা দেয়া হয়। ৩৫ হাজার টাকা দেয়ার পরে আবার মৃত ব্যক্তির পরিবারকে ৩ লক্ষ টাকা দেয়া হয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আমাদের মাঝে মধ্যেই হঠাৎ করে পেটে বা মাথার যন্ত্রণা। আমরা বুঝতে পারি না কি হয়েছে। কিন্তু ডাক্তারের কাছে গেলে তারা বলে দিচ্ছে আপনার তেমন কিছুই হয়নি। কয়েটা ঔষধ খেলেই সেরে যাবে। সারাদিন শরীরে অস্বস্তি বোধ লেগেই রয়েছে। এটার কারণ একটাই হতে পারে, আর সেটা হল কৃমি। কিন্তু পেট ব্যথা আর মাথা যন্ত্রণাই শুধু নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য আরও কয়েকটি লক্ষণ রয়েছে।

কী সেই লক্ষণগুলো?
* অস্থিরতা, অকারণে অতিরিক্ত চিন্তা, অবসাদে ভোগা, আত্মহত্যাপ্রবণ হওয়া।
* মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছা।
* রক্তাল্পতা এবং আয়রন ডেফিশিয়েন্সি। কৃমি থাকলে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে কমতে অ্যানিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
* ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়া, র‌্যাশ, অ্যাকনে, চুলকুনি ইত্যাদি হওয়া।
* গা-হাত-পা ব্যথা।
* নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
* মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।
* ঘুমনোর সময়ে মুখ থেকে লালা পড়া।
* ফুড অ্যালার্জি।
* খিদে না পাওয়া।
* মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলে সমস্যা।
* অকারণে ক্লান্ত হয়ে পড়া।

* স্মৃতিভ্রম হওয়া।

লক্ষণগুলো পড়ে অনেকেই নিজেদের সমস্যার সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন, কারণ সমীক্ষা বলেছে ৮৫ শতাংশ মানুষের পেটে কৃমি থাকে। কিন্তু কীভাবে মুক্তি পাবেন কৃমির হাত থেকে! ওষুধ নয়, কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

কাঁচা রসুন:
কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাংগাস মেরে ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত কুচনো কাঁচা রসুন খান অথবা রসুনের জুস করে খান।

লবঙ্গ:
লবঙ্গ কলেরা, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মাকে প্রতিরোধ করতে পারে। এ ছাড়া রোজ লবঙ্গ খেলে ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ফাংগাস ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

পেঁপে:
পেটের সমস্যা দূর করতে পেঁপের থেকে ভাল কিছু হয় না। যে কোনও ধরনের কৃমি তাড়াতে পেঁপের বীজ শ্রেষ্ঠ। ভাল ফল পেতে পেঁপে এবং মধু খান।

আদা:
আদা হজমের সমস্ত রকমের সমস্যা মেটাতে সক্ষম। হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেটে ইনফেকশন, ইত্যাদি দূর করতে আদার জুড়ি মেলা ভার। এই সমস্যাগুলিও কৃমি থেকে তৈরি হয়। তাই এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাঁচা আদার রস খান খালি পেটে।

শশার বীজ:
ফিতাকৃমি রুখতে শশার দানা সর্বশ্রেষ্ঠ। শশার দানাকে গুঁড়ো করে নিন। প্রতিদিন এক চা-চামচ করে খান।

কাঁচা হলুদ:
কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করে কার্ড ছাপানোর অভিযোগে ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত ছিলেন বিস্মিত।
বৃহস্পতিবার পত্র-পত্রিকায় এই খবর দেখে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কর্মকর্তারাও বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। ঘটনার পরপরই তারা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম এক সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারে এইচ টি ইমাম বলেন, “আমরা সবাই, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ যত কর্মকর্তা ছিলেন, এটি দেখে আমরা সকলেই বিস্মিত হয়েছি। যে ব্যক্তি এই মামলা করেছেন, আমরা মনে করি তিনি অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ করেছেন।”
এইচ টি ইমাম জানান, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে একজন ইউএনওকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার এই ছবিটি দেখান।
এইচ টি ইমাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, ছবিটি দেখে তিনি বিস্মিত হলেন। “প্রধানমন্ত্রী বললেন, ক্লাশ ফাইভের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে এই অফিসার সুন্দর একটি কাজ করেছেন।এবং সেখানে যে ছবিটি আঁকা হয়েছে, সেটি আমার সামনেই আছে, আপনারা দেখতে পারেন। এবং এই ছবিটিতে বিকৃত করার মতো কিছু করা হয়নি। এটি রীতিমত পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। এই অফিসারটি রীতিমত পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। আর সেখানে উল্টো আমরা তার সঙ্গে এই করেছি, এই বলে প্রধানমন্ত্রী তিরস্কার করলেন। বললেন, এটি রীতিমত নিন্দনীয়।
প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারীকে কিভাবে গ্রেফতার করা হলো কোনরকম অনুমোদন ছাড়া? এ প্রশ্নের উত্তরে এইচ টি ইমাম বলেন, এটি করা যায় না। কারণ ইউএনও হচ্ছেন উপজেলা পর্যায়ে সরকারের সবচেয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তাকে কোন শাস্তি দিতে হলে বা তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা কোন রকম কিছু করতে হলে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এইচ টি ইমাম এই ঘটনার জন্য বরিশালের ডিসি, এসপিকে দায়ী করেন।
তিনি বলেন, “পুলিশ যে ব্যবহার করেছে এই ছেলেটির (ইউএনও) সঙ্গে, যেভাবে তাকে নিয়ে গেছে, এ নিয়ে আমি ওখানকার ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার, এদের প্রত্যেককে আমি দায়ী করবো।এদের বিরুদ্ধেও আমাদের বোধহয় ব্যবস্থা নিতে হবে।”
কিভাবে পুলিশ এরকম একটি মামলা নিল আর জেলা জজই কিভাবে এই মামলা গ্রহন করলেন, সেটা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
এইচ টি ইমাম বলেন, এই ঘটনায় মাঠ পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে তিনিও তাদের সঙ্গে একমত।
“আমাদের অফিসারটিকে যেন হেনস্থা করার জন্য পুলিশ যেভাবে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে, এই পুরো ঘটনায় যেরকম তীব্র ক্ষোভ ফেটে উঠেছে, আমি তার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত।”
এইচ টি ইমাম বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছিলেন, যে ব্যক্তি এই মামলা করেছে, সে কে?
মামলা দায়েরকারী ব্যক্তি সম্পর্কে সঙ্গে সঙ্গে তারা খোঁজ খবর নেন, একথা জানিয়ে এইচ টি ইমাম বলেন, এই লোক পাঁচ বছর আগেও আওয়ামী লীগে ছিল না। দলের ভেতরে ঢুকা পড়া এই ‘অতি উৎসাহীরাই’ এই কান্ড ঘটিয়েছে, এই চাটুকাররাই আমাদের ক্ষতি করছে’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এইচ টি ইমাম বলেন, এই ঘটনার পেছনে তিনটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, এই অফিসারের বিরুদ্ধে হয়তো তাদের কোন ক্ষোভ ছিল। তাকে অপমানিত করা ছিল তাদের লক্ষ্য। দ্বিতীয়ত বিভিন্ন সার্ভিসের মধ্যে একটি অসন্তোষ সৃষ্টি করা। আর তৃতীয়ত, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করা।

দলের মধ্যেও ক্ষোভ : এ ঘটনা নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং দলটির সমমনাদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
দলটির সমমনাদের অনেকে বলেছেন, এক শ্রেণীর চাটুকার বিভিন্ন সময়ই এ ধরনের মামলা করে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে।
অনেকে আবার বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে অতিউৎসাহী অনেক ব্যক্তি এবং অনেক ভূঁইফোড় সংগঠনের কর্মকান্ড তাদের দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।
বরিশালে আওয়ামী লীগের একজন নেতা এবং সেই জেলার আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদ উল্লাহ সাজু আদালতে মামলাটি করেন গত ৭ই জুন।
তাতে অভিয়োগ করা হয়েছে, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমত্রণপত্রে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করে ছাপা হয়েছে।
অভিযুক্ত করা হয়েছে আগৈলঝাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তারিক সালমানকে। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা।
মামলার শুনানিতে বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত প্রথমে ঐ নির্বাহী কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল। গত বুধবার এই নির্দেশ দেয়ার দুই ঘন্টা পর আদালত তাঁকে জামিন দেয়।
একটি শিশুর আঁকা ছবি আমন্ত্রণপত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল। মামলার বাদির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে তাঁর পক্ষের আইনজীবী এবং সেখানকার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম খোকন বলছিলেন, “কার্ডের উপরে এবং ভিতরে বঙ্গবন্ধুর কোনো ছবি নাই। কার্ডের পিছনে একবারে নিচে ছবি ছাপা হয়েছে। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে আমরা মনে হয়েছে। সে কারণে আমরা মামলা করেছি।”
বরিশালে এমন মামলা করার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক নেটওয়ার্ক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আওয়ামী লীগেরই সমমনাদের অনেকে সামাজিক নেটওয়ার্কে তাদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তুলে ধরছেন।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরও অনেকে এই মামলার বিষয়কে ভালভাবে নেননি। দলটির নেতাদের অনেকে মনে করেন, এখন মামলার পিছনে অতি উৎসাহ কাজ করেছে।
আবার দলটির অনেকে বলেছেন, শেখ মুজিব এবং আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে অতি উৎসাহী এবং ৫০টির মতো সংগঠন কাজ করে থাকে। এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বিভিন্ন সময় দলে আলোচনা হলেও তাদের থামানো যাচ্ছে না।
এ নিয়ে দলের ভেতর ক্ষোভও রয়েছে। আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া গেছে।

তবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, “একটি শিশু তার কল্পনা শক্তি দিয়ে অনেক কিছু করতে পারে বা ভুল করতে পারে। কিন্তু একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা শিশুর আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভুল করতে পারেন না।”
এদিকে, সিনিয়র সাংবাদিক আবেদ খান মনে করেন, অতি উৎসাহ থেকে বরিশালে মামলাটি হয়েছে এবং সেটি আওয়ামী লীগেরই ক্ষতি করছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest