সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

cad5c41981d3db664910fd3c91cfe8ea-5927ee5bcc465বিনোদন ডেস্ক : বহুদিন ঢাকার শাকিব খানে নতুনত্ব নিখোঁজ। তার সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হলো ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক নেতিবাচক কিছু ঘটনা। এটাও সত্যি, এখনও তিনিই দেশের এক নম্বর নায়ক। সিনেমা ব্যবসায় দিন শেষে শেষ ভরসা তার কাছেই।
তবে ঢাকায় শাকিবের চলমান টলমল কিংবা একঘেঁয়ে ইমেজে আবারও নতুন বার্তা নিয়ে এলেন ‘কলকাতা’র শাকিব! হুম, ঠিকই পড়েছেন- ‘কলকাতা’র শাকিব খান।
গেল বছর প্রথম ধাক্কাটা দেন কলকাতার শ্রাবন্তীকে নিয়ে ‘শিকারি’ দিয়ে। চুলের স্টাইল, পাতলা শরীর আর স্টাইলিশ গেটআপের সেই শাকিব খানকে দেখে ঢালিউড দর্শক-সমালোচকরা রীতিমতো তাজ্জব বনে গেছেন! সেই ছায়ায় এরপর দেশে আরও বেশ ক’টি সিনেমা মুক্ত হয়েছে শাকিব খানের। নাহ্, কলকাতার সেই শাকিবকে আর পাওয়া যাচ্ছিলো না।
অতঃপর বৃহস্পতিবার (২৫ মে) ফের চমকে দিলেন শাকিব খান। এবারও সেই ‘কলকাতার’ শাকিব। সেখানকার নতুন ছবি ‘নবাব’ এর প্রথম ট্রেলার দিয়ে এবার দ্বিগুন চমকে দিলেন কলকাতা ‘প্রবাসী’ ঢাকার খান। এবারও একেবারে নতুন লুক। এবার তিনি টলিউডের শুভশ্রীকে নিয়ে ‘নবাব’ সাজে এসেছেন। মুখে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি, স্টাইলিস গোঁফ, হালকা গড়ন, প্রেমিকার সঙ্গে রোমান্টিক আলাপ আর কণ্ঠে তার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্লোগান!
সত্যিই, ঈদের ছবি ‘নবাব’ ট্রেলারে পাওয়া গেছে চোখ ধাঁধানো নতুন শাকিবকে।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন কলকাতার জয়দ্বীপ মুখার্জি। এতে শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন শুভশ্রী। সঙ্গে আছেন বাংলাদেশের অমিত হাসান, ভারতের খরাজ মুখার্জি, রজতাভ দত্ত, মেঘলা, সব্যসাচী চক্রবর্তী প্রমুখ।
এসকে মুভিজের প্রযোজনায় বাংলাদেশের হয়ে ছবিটি পরিবেশনা করবে জাজ মাল্টিমিডিয়া। আগামী রোজার ঈদেই ছবিটি বাংলাদেশে এবং জুলাইয়ে ভারতে মুক্তি পাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ca93ce2a0f7a1ad5647465c4e4dfb55f-5928411141309বিনোদন ডেস্ক : দেশে নেমে এসেছে রোজার আমেজ। দিন পেরোলেই শুরু মুসলিম ধর্মের সিয়াম সাধনার মাস। এমন একটি সময়ে (২৬ মে সন্ধ্যা) প্রকাশ পেয়েছে জিৎ-নুসরাত ফারিয়ার বিশেষ একটি গান। দুই বাংলার আলোচিত মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘বস- টু’র এই গানটির শিরোনাম ‘আল্লাহ মেহেরবান’।
স্বাভাবিক, গানের শিরোনাম শুনে যে কেউ মিলিয়ে নেবেন এটি রোজার মাসকে লক্ষ্য করেই প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। যাকে বলে ইভেন্ট অরিয়েন্টেড প্রমোশন। বাণিজ্যিক ছবিতেও তো, ধর্মীয় ভাবধারার গান হতে পারে। যদিও গানটি মুক্তির ২৪ ঘন্টা আগেই গণ্ডগোল পাকিয়ে গেল অন্তর্জালে। ২৫ মে ফেসবুকে এটি মুক্তির আগাম খবর জানালো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। যেখানে গানের শিরোনামের সঙ্গে নুসরাত ফারিয়ার বেশ খোলামেলা একটি ছবি সংযুক্ত ছিল। অন্তর্জালে বিষয়টি নিয়ে খটকা আর সমালোচনা শুরু তখন থেকেই।
যে সমালোচনার আগুনে ঘি পড়েছে শুক্রবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় গানটির ভিডিও প্রকাশের পর থেকে। যেখানে গানের শিরোনাম, কথা অথবা ভাবধারার সঙ্গে ফারিয়ার খোলামেলা উপস্থিতি দারুণ সাংঘর্ষিক বলেই মনে করছেন বেশিরভাগ সিনেমাপ্রেমী ও সমালোচক। অবাক বিষয় হলো, গানটির সঙ্গে জিৎ-এর কালো কাবলি-পাগড়ি-ড্রেসআপ এবং উপস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক অথবা মার্জিত। ফলে গানটিতে বাংলাদেশের মেয়ে নুসরাত ফারিয়ার এমন খোলামেলা উপস্থিতি কতটা প্রাসঙ্গিক আর কতটা উদ্দেশ্যমূলক- সেটি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে প্রচুর।
এ নিয়ে অন্তর্জালের কমেন্ট বক্সে ভালোই তোপের মুখে আছেন নুসরাত ফারিয়া ও মুক্তি প্রতিক্ষীত ‘বস- টু’ সংশ্লিষ্টরা। যদিও ফারিয়ার ভাষ্য বেশ ডিপ্লোমেটিক। বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘সমালোচিত বলেই আলোচিত।’
তবে গানের শিরোনাম এবং রোজাকেন্দ্রিক এই সময়টাকে ‘স্কিপ’ করে গেলে- প্রাঞ্জলের কথায়, জিৎ গাঙ্গুলীর সুর-সংগীতে, নাকাশ ও জনিতার গাওয়া গানটি এক কথায় অসাধারণ। এতে ফারিয়া দারুণ সাবলীল এবং সেট-কোরিওগ্রাফি অদ্ভুত সুন্দর।

বাবা যাদব পরিচালিত এ ছবিতে জিতের বিপরীতে ঢাকার নুসরাত ফারিয়া ছাড়াও অভিনয় করেছেন কলকাতার শুভশ্রী।
সিনেমাটি বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।
২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় জিৎ ও শুভশ্রী অভিনীত ছবি ‘বস: বর্ন টু রুল’। এটি ছিল তেলেগু ছবির রিমেক। আগের ছবিটির দ্বিতীয় কিস্তি ‘বস- টু’। এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, অমিত হাসান, সীমান্ত প্রমুখ।

https://www.youtube.com/watch?v=BJYC0eWgmNI

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2d746e3c6f8afc7f80a81ada3a387d3a-59283411ab9c3ন্যাশনাল ডেস্ক : পদমর্যাদা নির্ণয় না করেই দায়িত্ব-কর্তব্য নির্ধারণ করা হলো জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের। শপথ নেওয়ার ৫ মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক স্বাক্ষরিত ‘জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যগণের দায়িত্ব ও কার্যাবলি বিধিমালা-২০১৭’-এ পরিষদের চেয়ারম্যানের ৭টি কাজ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বিধিমালায় পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইনের অধীনে গঠিত বিভিন্ন কমিটি ও স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের। তবে, কোনও জেলা পরিষদে স্থায়ী কমিটি গঠিত না হলে, সে ক্ষেত্রে সদস্যদের ১৫টি কাজ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সদস্যদের কর্তব্যের বেশিরভাগই সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণমূলক। পরিষদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদেরও সামাজিক সচেতনতামূলক ৫টি কাজ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১১ জানুয়ারি পরিষদের চেয়ারম্যান ও ১৮ জানুয়ারি পরিষদের সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যরা শপথ নেন। আইন অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত আসনের নারী নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।

বিধিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন শুক্রবার বলেন, ‘আইনের আলোকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও অন্য সদস্যদের দায়িত্ব-কার্যাবলি ঠিক করে বিধিমালা জারি করেছে মন্ত্রণালয়। এখন থেকে এই বিধিমালার আলোকে পরিষদের সবাই স্ব-স্ব অধিক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবেন।’ পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তাদের মর্যাদা এখনও ঠিক করা হয়নি। যখন হবে, তখন জানতে পারবেন।’

অবশ্যই সম্প্রতি স্থানীয় সরকার সচিব আবদুল মালেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের মর্যাদা প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘সংসদ সদস্যরা জেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের মর্যাদা ঠিক করা হবে। তবে, এটুকু বলতে পারি যে, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের মর্যাদা ডিসিদের নিচে হবে না।’

বিধিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু বলেন, ‘এতদিন আমরা আইনের আলোকে দায়িত্ব পালন করছি। শুনেছি বিধিমালা হয়েছে। কিন্তু এখনও হাতে পাইনি। আশা করছি, এতে অনেক বিষয় স্পষ্ট করা হবে।’

পদমর্যাদার বিষয়ে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ টুকু বলেন, ‘বিধিমালার থেকে আগে দরকার ছিল আমাদের পদমর্যাদা। পরিষদের চেয়ার‌ম্যান হিসেবে আমরা দায়িত্ব পালন করছি ঠিকই, কিন্তু আমাদের অবস্থান কোথায় সেটা জানি না।’

পদমর্যাদার কারণে অনেক সময় রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে বিব্রত হতে হয় মন্তব্য করে শেখ টুকু বলেন, ‘মর্যাদা পাব কি পাব না, এসব চিন্তা করে অনেক সময় জেলার সরকারি অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছি আমরা।’
প্রসঙ্গত, জেলা পরিষদ আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০১৬)এর কয়েকটি ধারায় জেলা পরিষদের কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে। পরিষদের বাধত্যমূলক ও ঐচ্ছিক এই দুই ধরনের কাজ রয়েছে। বাধ্যতামূলক কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে (১) জেলার সব উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা, (২) উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, (৩) সাধারণ পাঠাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ, (৪) উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা বা সরকারের  সংরক্ষিত নয়, এমন জনপথ, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, (৫) রাস্তার পাশে ও জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণ, (৬) জনসাধারণের ব্যবহারার্থে উদ্যান, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ, (৭) সরকারি, উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার রক্ষণাবেক্ষণে নয় এমন খেয়াঘাটের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ, (৮) সরাইখানা, ডাকবাংলা, বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ, (৯) জেলা পরিষদের অনুরূপ কার্যাবলি সম্পানরত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা, (১০) উপজেলা ও পৌরসভাকে সহায়তা-উৎসাহ দেওয়া, (১১) জেলা পরিষদের ওপর সরকারের অর্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ও (১২) সরকারের  আরোপিত অন্যান্য কাজ।
আর ঐচ্ছিক কাজের মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা, সাংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ, অর্থনৈতিক কল্যাণ, জনস্বাস্থ্য, গণপূর্ত ইত্যাদি। এছাড়া কয়েকটি ক্ষেত্রে টোল আদায়ের কাজও পরিষদের রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Moinur Pic-- 26-05-17-- (1)
মইনুল ইসলাম : আশাশুনির বুধহাটা ও হাবাসপুরের যৌথ উদ্যোগে ৮দলীয় গাঁদনদাড়ি টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় হাবাসপুর মাঠে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গাঁদনদাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধহাটা যুবলীগ সেক্রেটারি শাহজুদ্দীন সাজু’র সভাপতিত্বে উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান। সাংবাদিক এস এম শাহিন আলমের পরিচালনায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এড. শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রব, ফিংড়ী ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক অজয় দাশ, আ’লীগ নেতা ছাত্তার গাজী, আবঃ সেনা কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, যুবলীগ নেতা হুমায়ন কবির, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম, আজহারুল ইসলাম, আবুল কালাম, খলিলুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। খেলায় ফিংড়ী ইউনিয়নের হাবাসপুর যুব কমিটির গাঁদনদাড়ি দল ১-০ সেটে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর জাকিরুল হকের দলকে পরাজিত করে। খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বিজয়ী দলকে ২১ইঞ্চি ও অপর দলকে ১৪ইঞ্চি কালার টেলিভিশন পুরস্কৃত করেন। ঐতিহ্যবাহী গাঁদনদাড়ি খেলায় মাঠে দর্শক ছিলো চোখে পড়ার মত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Moinur Pic-- 26-05-17-- (2)
মইনুল ইসলাম : আশাশুনির বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক শুক্রবার সকাল ১১টায় নিজ বাস ভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তৎক্ষনাত তাকে খুলনা ইসলামী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হঠাৎ এমন অসুস্থ্যতায় তার শারীরিক সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব। বিবৃতিদাতারা হলেন আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি আইয়ুব হোসেন রানা, সহ সভাপতি আকাশ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাষ্টার সুব্রত দাশ, সাংঠনিক সম্পাদক শেখ বাদশা, অর্থ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক মোখলেছুর রহমান ময়না, ক্রিয়া সম্পাদক জি এম আজিজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এম এম নূর আলম, সদস্য অধ্যক্ষ আলমিন হোসেন ছট্টু, বাহাবুল হাসনাইন,  প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, আবু ছালেক, উত্তম কুমার দাশ, সত্যরঞ্জন সরকার, বাপন মিত্র ও তপন রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

555555
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদরের কুশখালি ইউনিয়নের আড়ুঁয়াখালি এলাকায় খাল খনন কাজ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে যেয়ে তিনটি ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি ও চাষাবাদের ফসল রক্ষা করতে ঐ খাল খনন করা। এসময় খাল খননে তাদের মাঝে আনন্দের উচ্ছাস বইতে শুরু করে। সাধারণ জনগণ ঐ এলাকায় অবৈধভাবে ও অপরিকল্পিত ঘের তৈরীর হোতা কাদের বাহিনীর দ্বারা নির্যাতনের বিভিন্ন বর্ণনা দেন। ঐ কাদের বাহিনীর কারনে প্রতিবছর তিনটি ইউনিয়নের মানুষ পানি-বন্দি ও ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখিন হয় তার চিত্র তুলে ধরেন এবং পরবর্তীতে আর পানি-বন্দি না হতে হয় সেবিষয়ে সাংসদের কাছে দাবী জানান। পরে কুশখালি ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বলেন, ‘নিরীহ মানুষকে কষ্ট দিয়ে যারা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে ও ফসলের ক্ষতি করে অপরিকল্পিতভাবে ঘের করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এসময় কুশখালি ইউনিয়ন, শিবপুর, বৈকারী ও ঘোনা ইউনিয়নের মানুষের পানিবন্দি হওয়া ও ফসলের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে এই খাল খননের ব্যবস্থা করেছেন বলে ঐ তিন ইউনিয়নের মানুষ বাংলার প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং সাংসদ রবির জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করেন। মৃগীডাঙ্গা ব্রীজ হতে ভাড়–খালি পুজিমারি খাল পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, মীর তানজীর আহমেদ, সাবেক চেয়ারম্যান ইসমাঈল গাজী, ইউপি সদস্য আলী হোসেন, শফিকুল ও মহিলা ইউপি সদস্য ইতিসহ ঐ তিন ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলায় সুসমাজ ফাউন্ডেশনের ভিজিডি ২০১৭-১৮ চক্রের মাঠ প্রশিক্ষক পদে ৪ জন কর্মীকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে চাকুরী থেকে অব্যহতি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশিক্ষক পদে নিয়োগ ও অব্যহত পত্র সুত্রে জানাযায়, নাভারণ শার্শা যশোর সু-সমাজের নিবার্হী পরিচালক এনএনএম মুজিবুদৌলা সরদার কনক, সুসমাজ /নাভা/ ভিজিডি/২০১৭-২০১৮/৯৬(৫) স্মারক নম্বরে শেখ ফিরোজ হোসেন, খাদিজা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, রোমিছা খাতুনকে মাঠ প্রশিক্ষক হিসেবে ২৫/২/১৭ তারিখে নিয়োগ প্রদান করে। ইতিপূর্বে ঐ চারজন প্রশিক্ষক কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ সরকারের আত্মসামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওয়তায় সে সকল কর্মসূচি আছে তার মধ্যে সর্ববৃহৎ ভিজিডি কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় তিন ধাপে ৬ বছর সুনামের সাথে চাকুরী করে আসছিল। বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন, মহিলা বিষায়ক অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগী সংস্থা হিসাবে প্রকল্পটিতে উপজেলায় ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এলাকার অসহায় হতদরিদ্র নারীদের ভিজিডি বিষয়ে সচেতনতা ও জীবন দক্ষতা মুলক কার্যক্রমে ২০১১-১২, ২০১৩-১৪ ও ২০১৫-১৬ সালে প্রশিক্ষক হিসাবে সুসমাজ ফাউন্ডেশনে ৬ বছর যাবৎ চাকুরী করে আসছিল। পরবর্তীতে এই প্রকল্প ২০১৭-১৮ সালের জন্য উপজেলার সুসমাজ ফাউন্ডেশন ৮টি ইউনিয়নে এবং ইডা সংস্থা ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে সরকারের সহযোগি হিসাবে ভিজিডি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ৯ মে উপজেলা বিআরডিবি হলরুমে অনুষ্ঠিত দুটি সংস্থার ১১জন মাঠ প্রশিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অভিযোগকারী প্রশিক্ষকরা চুক্তিপত্র আলোকে তাদের মাসিক বেতন ভাতা ৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮ হাজার টাকা দাবীর বিষয়টি জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী ও  উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এমএ নাহারের নিকট উপস্থাপন করলে বাড়তি বেতন সম্পর্কে সুসমাজ ও ইডা সংস্থা কতৃপক্ষ তাদের উপর ক্ষুব্দহয়। পরে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিষয়টি সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী দ্রুত নিজেদের মধ্যে সমাধান করার নির্দেশ দেয়। এরই জের ধরে সুসমাজ ফাউন্ডেশন মে মাসের শেষের দিকে ৪জন প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে সঞ্চায়ের টাকা অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে চাকুরী হতে অব্যহতি দিয়ে ডাকযোগে তাদের কাছে চিঠি পাঠায়। এই প্রকল্পটিতে সুসমাজ ফাউন্ডেশন প্রথম থেকেই ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি করে আসছে। ২০১৭ সালে জানুয়ারী থেকে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হলেও সঞ্চয় আদায় কার্যক্রম শুরু হয় মে মাস থেকে। এবং ভিজিডি সদস্যদের মাসিক ২শ টাকা সঞ্চায়ের কথা থাকলেও সেখানে উপজেলার ভাড়াশিমলা, তারালী ও বিষ্ণপুর ইউনিয়নে ২১০ ও ২২০ টাকা হারে সঞ্চায় আদায় করে সংস্থাটি। সরকারি পরিপত্র ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ভিজিডি কর্মসূচির রেজুলেশন উপেক্ষা করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে। এদিকে সুসমাজ ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির তদন্ত করে প্রতিকার চেয়ে অব্যহতি প্রাপ্ত ৪জন মাঠ পর্যায়ের প্রশিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এব্যাপারে সুসমাজের মনিটরিং অফিসার আবু সাঈদের সাথে দূর্নীতি ও ষড়যন্ত্র মুলকভাবে কর্মীদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাথে কথা বলে সব পেয়ে যাবেন। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বলেন সুসমাজ ফাউন্ডেশনের কোন কর্মকর্তাকে তাদের কে একাধিকবার ডেকেও পাইনে। ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিডি কর্মসূচি ট্রেনিংয়ের বিষয় তাদের দায়িত্বে রয়েছে। তারা যে দূর্নীতি করেছে এটা আমি বিভিন্ন সময় লোক মারফত শুনেছি। উপজেলা পরিষদের মিটিংয়ে তাদের আমি কখনো আসতে দেখিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

18622189_1397282280364993_4145606926983165879_n

নলতা প্রতিনিধি : নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সাথে সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের ম্যানেজিং কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নলতা কেন্দ্রীয় মিশন কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি।

এসময় তিনি বলেন, খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রহ.) একজন আধ্যাত্বিক সাধনায় সিদ্ধিলাভকারী মহাপুরুষ। তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল অপূর্ব বিনয়ী। তিনি সব সময় পরস্পরের সহিত মহব্বত, ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে কথা বলতেন। আমাদের উচিত তার আদর্শকে অনুসরণ করা। তিনি আরো বলেন, পীর কেবলার আদর্শ ও আহ্ছানিয়া মিশনের মত ও পথ সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে। কেন্দ্রীয় মিশনের সাথে প্রতিটি শাখা মিশনের সুসম্পর্ক ও মহব্বত সৃষ্টি করতে হবে। পীর কেবলার প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ এবং শাখা মিশনগুলোকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের জন্য আহবান জানান তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সহ সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী আমজাদ হোসেন, আবু সাঈদ, আবুল ফজল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest