আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া, দক্ষিণশ্রীপুর ও বিষ্ণপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত কালিগঞ্জ টু বাঁশতলা ব্যস্ততম কার্পেটিং সড়কটির বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই এই সড়ক দিয়ে সাধারণ মানুষ, সাইকেল, মটরসাইকেল, ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান, প্রাইভেট, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের যানবহন চলাচল একবারেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অনেকেই বলছেন কতৃপক্ষের চোখ অন্ধ তাই দেখাতে পায়না রাস্তার করুণদশা। এই সড়ক দিয়ে চলাচলে ঘটছে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় নানান দুর্ঘটনা। ইতিমধ্যে এই সড়কেড় বেহাল দশা নিয়ে জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন, ফেসবুকে ঝড় উঠলেও টনক নড়েনি কতৃপক্ষের। কালিগঞ্জ সদর থেকে বাঁশতলা ১৩ কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৫ কিলোমিটার জুড়ে বড় বড় খানাকন্দের সৃষ্ঠি হয়েছে দেখলেই মনে হবে রাস্তাতো নয় যেন মরণ ফাঁদ। কোন যন্ত্রদানবও এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ন এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করলেও যেন দেখার কেউ নেই। রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ সরকারের সমালোচনা করে প্রাই বলতে শোনা যাচ্ছে এই এলাকা বুঝি বাংলদেশের মধ্যে নয় আলাদা কোন দেশের ভূখন্ড। “কার্পেটিং রাস্তা নয় যেন চলার পথের মরণ ফাঁদ”। এই রাস্তা দিয়ে ব্যবসায়ি ও শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের চলাচলের এ রাস্তাটি সংস্কারের আশু প্রয়োজন। রাস্তার দুই পাশে মাছের ঘের হওয়ায়, পাশের ড্রেন দিয়ে নদীর জোয়ারের পানি উঠানামা করে মৎস্য ঘেরে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির প্রবল জুয়ারে ঐ রাস্তার উপর থাকে হাঁটু পানি। এমনিতে রাস্তার কার্পেটিং অনেক আগে থেকে নষ্ট হয়ে বেহাল দশার সৃষ্ঠি হয়েছে, তার উপর আবার নদীর জুয়ারের পানিতে চলাচলের কোন সুযোগ থাকেনা জনসাধারণের। অতিজন গুরুত্বপূর্ন এ রাস্তাটি দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ কার্পেটিং উঠে যেয়ে খানা খন্দে পরিনত হলেও সংস্কারের জন্য এগিয়ে আসেনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী সাধারণ এ রাস্তাদিয়ে যাতায়াত করে থাকেন। কালিগঞ্জ বাঁশতলা রাস্তার কফিলউদ্দিন হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে বিষ্ণপুর বাজার পর্যন্ত জরাজীর্ণ। এর মধ্যে শ্রীপুর টেওরপাড়া ব্রিজের উভয় পাশে কার্পেটিং রাস্তাটি ছোট বড় খানা খন্দে এমনকি খালে পরিণত হয়েছে। মাঝে মধ্যে সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ড্রেনে নদীর জোয়ারের পানিতে নিমর্জ্জিত হয়ে থাকে রাস্তা জুড়ে। এ হাল অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলতেও যেন দেখার কেউ নেই। নিত্য নৈমত্তিক ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। জীবনহানীর মত ঘটনাও ঘটে থাকে এই রাস্তায়। এমতাবস্থায় বাঁশতলা কালিগঞ্জ রাস্তাটি আশু সংস্কারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সাধারণ যাত্রী ও সচেতন মহল।

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বাগদা চিংড়িতে অবাদে চলছে অপদ্রব্য পুশ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেচাকেনা। অথচ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেই কোন পদক্ষেপ। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর, ভেটখালী, হরিনগর, বংশীপুর, মুন্সিগঞ্জ, কলবাড়ী, নওয়াবেকী মহেন্দ্র সিলে কাটা, ঝাপালী, নওয়াবেকী, সোনারমোড়, বিভিন্ন বাজারে, মাছের সেটে ও বাগদা ব্যবসায়ীদের বাড়িতে অবাদে চলেছে চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে বাগদা চিংড়ি বেচাকেনা। সরেজমিনে দেখা গেছে, কলবাড়ী থেকে নওয়াবেঁকী রোডের মাঝামাঝি মহন্দ্র সিলে নামক মাছের কাটায় কাদা গোলার মধ্যে বাগদা চিংড়ি বেচা কেনা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঐ কাটার সেক্রেটারি বুলবুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার প্রায়ই আমাদের সেটে আসা যাওয়া করেন। তার সাথে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার ফারুক হোসেন সাগরের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি সত্য নয় বলে জানান।
নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটা বাজারের টাওয়ার মসজিদের দ্বিতল ভবনের গ্রিলের সাথে গলায় গামছা পেচিয়ে শনিবার রাতে এক নব মুসলিমের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার মসজিদের ইমাম আজান দিতে গিয়ে মসজিদে গলায় গামছা পেচিয়ে আতœহত্যার বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে পাটকেলঘাটা থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ প্রাথমিক তজন্তে আতœহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায় তার নাম শহিদুল ইসলাম (৪৫)। সে খুলনা জেলার হরিঢালী গ্রামের রনজিৎ সিংহের পুত্র খোকন সিংহ। সে প্রায় দু’বছর পূর্বে পাটকেলঘাটা বাজারে গরুহাটা রোডে চায়ের দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে সে প্রথম বিবাহ করে মাগুরায় সেময় তার প্রথম স্ত্রীর দুটি সতœান রয়েছে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে কোর্ট এফিডেফিডের মাধ্যমে সে নিজধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সনাতন কাটিগ্রামে বিবাহ করে। এর পর পাটকেলঘাটায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করত। প্রায় কয়েকদিন সে মসজিদের দোতালায় রাত যাপন করতো। পাটকেলঘাটা থানার ওসি মহিবুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন পারিবারিক কারণে তার আতœহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে পোস্ট মর্টেম করলে সব তথ্য বের হয়ে আসবে।
নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ধাকার অভিযোগে ৩ জনের অর্থদণ্ড প্রদান করেছে।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় খাদিজা খাতুন (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও তিনজন। পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করেছে।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুলিশের অ ভিযানে সাড়ে সাত কেজি রূপার গহনাসহ ইউসুফ আলী নামে এক চোরাকারবারী আটক হয়েছে।
অপ্রতিম রহমান : সাতক্ষীরার মেয়ে তিনি। এখন তার অভিনয় দক্ষতা আর প্রতিভা দিয়ে আলো ছড়াচ্ছেন দেশ ও দেশের বাইরে। সম্প্রতি সাতক্ষীরার গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন ঈদ করতে। তার ঈদের আনন্দ মাটি হয়েছে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে। ফিরে গিয়ে ঢাকায় আবারও কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, কালিগঞ্জঃ কালিগঞ্জের বিষ্ণপুর ইউনিয়নের বন্দকাটি গ্রামের হাফিজুল ইসলাম মোড়ল (৩৮) ৭ বিঘা সাদা মাছের ঘেরে শত্রুতার জের ধরে বিষ প্রয়োগ করায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে। সরেজমিনে যেয়ে জানা যায় বন্দকাটি গ্রামের আব্দুল খালেক মোড়লের ছেলে হাফিজুলের নৌবাজপুর এলাকায় ৭বিঘা জমিতে ৪ বছর যাবৎ সাদা মাছের মিশ্র চাষ করেন। কিন্তু গত মঙ্গলবার ঘেরের পানি সরানোকে কেন্দ্র করে পাশবর্তী জমির মালিক একই এলাকার মৃত তফিল মোড়লের ছেলে আমিন মোড়ল (৫৫), গফুর মোড়লের ছেলে আলামিন মোড়ল (২৮),ও জেহের আলী মোড়লের ছেলে আব্দুল ছাত্তার মোড়ল (৩৫), এদের সাথে বাকবিতন্ডতার সৃষ্টি হয়। ওই সময় শাসিয়ে বলেন তুই কিভাবে এই জমিতে ঘের করিস আমরা দেখে নিব তোকে সর্বশান্ত করে ছারব এ কথা জানান ঘের মালিক হাফিজুল। এরপর রবিবার সকালে যেয়ে দেখি আমার ঘেরে প্রতিপক্ষরা বিষ প্রয়োগ করেছে যার ফলে আমার ঘেরের সব মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখি। তিনি কান্না জরিত কন্ঠে বলেন আমার ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে আমাকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে । ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিপক্ষ আমিন মোড়লের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এই ঘটনায় রবিবার সকাল ১০ টায় কালিগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মুরাদ শেখ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।