6II04Q_imআলু, শশা, টম্যাটো এই তিনটি খাবারের সাথে সবাই পরিচিত। আলু প্রায় সব তরকারির সাথে রান্না করে খান। শশা, টোম্যাটো খাবারের সাথে থাকতেই হবে মুখের রুচি বারানোর জন্য। কারণ এই তিনটেই অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। প্রতি দিনের প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিনের যেমন অন্যতম উত্স আলু, তেমনই প্রচুর ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর শশা, টম্যাটো। বিশেষ করে গরমকালে বেশি করে স্যালাড খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে খুব বেশি এগুলো খাওয়াও কিন্তু ঘটাতে পারে হিতে বিপরীত ফল।

নতুন এক গবেষণার ফল বলছে- আলু, শশা, টম্যাটোর মধ্যে থাকে এমন এক প্রোটিন যা বাড়িয়ে দেয় অ্যালঝাইমার’স-এর ঝুঁকি। ক্যালিফোর্নিয়ার কার্ডিওলজিস্ট ও হার্ট সার্জন স্টিভেন গন্ড্রি জানাচ্ছেন- শশা, টম্যাটো, গোটা শস্য, সয়, ক্যাপসিকাম, আলু, কল বেরনো ছোলা ও ডেয়ারি প্রডাক্টে থাকা লেকটিন নামক প্রোটিন আমাদের স্মৃতিশক্তি নষ্ট করে দিতে পারে। একই মত ইংল্যান্ডের চিকিত্সক টম গ্রিনফিল্ডেরও। রক্তের বিভিন্ন গ্রুপের উপর তিনি লেকটিনের প্রভাব পরীক্ষা করেন। ফলাফলে জানিয়েছেন, শরীর লেকটিনের পরিমাণ অতিরিক্ত হয়ে গেলে তা ব্রেন ডিজঅর্ডারেরও কারণ হয়ে উঠতে পারে।

গ্রিনফিল্ড জানান, এই লেকটিন ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে, মস্তিষ্ক কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা নির্ভর করে জিনের উপর। রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী লেকটিনের প্রভাবও বদলে যায়। রক্তের ইনসুলিন রিসেপটর ব্লক করে রক্তনালীর উপর প্রভাব ফেলতে পারে, মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে লেকটিন ডায়েট থেকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। প্রথমত, এই সব খাবার অত্যন্ত পুষ্টিকর, এবং দ্বিতীয়ত, জিনের গঠন অনুযায়ী এর মধ্যে কোনও খাবার কারও জন্য ভাল, সেই খাবারই আবার অন্যের জন্য ভিলেন হয়ে উঠতে পারে।

অন্য এক গবেষক ডেভিড জকারস আবার জানাচ্ছেন, লেকটিন শরীরে প্রয়োজনীয় উপাদানের শোষণে বাধা দিতে পারে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে নানা রকম শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

top2ইউরোপের সেরা পাঁচটি লিগের সবই প্রায় শেষ হয়েছে। এরইমধ্যে ঘরোয়া শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে রিয়াল, চেলসি, জুভেন্টাস, মোনাকো ও বায়ার্ন মিউনিখ।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বেশ কয়েক ম্যাচ বাকি থাকতেই শিরোপা নিশ্চিত করে চেলসি। একই অবস্থা ছিল জার্মান বুন্দেসলিগায়। শেষ ম্যাচে শিরোপা নির্ধারণ হয় স্প্যানিশ লিগে। এক ম্যাচ করে বাকি থাকতে শিরোপা জেতে মোনাকো ও জুভরা।

ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে অনেক স্ট্রাইকার নিজ নিজ লিগে সর্বোচ্চ গোল স্কোরার হিসেবে মৌসুম শেষ করেছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হল- তাদের কেউই দলকে শিরোপা জেতাতে পারেননি। দেখে নেয়া যাক, ইউরোপের পাঁচ লিগে টপ গোল স্কোরার কারা।

স্প্যানিশ লিগে শীর্ষ গোলদাতা লিওনেল মেসি। ৩৪ ম্যাচে ৩৭টি গোল করেছেন বার্সেলোনার এমএল টেন। কিন্তু দলকে শিরোপা জেতাতে পারেননি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সুয়ারেজের ৩৫ ম্যাচে ২৯ গোল। রিয়াল তারকা রোনালদো ২৯ ম্যাচে ২৫ গোল করে তৃতীয় স্থানে আছেন। সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন সেল্টা ভিগোর ইয়াগো আসপাস (৩২ ম্যাচে ১৯), অ্যান্তনিও গ্রিজম্যান (৩৬ ম্যাচে ১৬)।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মেসির মত অবস্থা টটেহ্যামের স্ট্রাইকার হ্যারি কেনের। ৩০ ম্যাচে ২৯ গোল করেছেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। তার দল লিগ শেষ করেছে দ্বিতীয় স্থানে থেকে। হ্যারির পরের জায়গাটি রোমেলু লুকাকুর। ৩৭ ম্যাচে ২৫ গোল করেছেন এভারটনের বেলজিয়ান তারকা। ৩৮ ম্যাচে ২৪ গোল করে তৃতীয় স্থানে আছেন আর্সেনালের অ্যালেক্সিস সানচেজ। চিলিয়ান তারকার দুরন্ত পারফরমেন্সের পরও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি গানাররা। আর্সেন ওয়েঙ্গার দল লিগ শেষ করেছে পাঁচে থেকে। ৩৫ ম্যাচে ২০ গোল করে শিরোপা জেতা চেলসির স্প্যানিশ স্ট্রাইকার ডিয়েগো কস্তা আছেন চারে। আর পাঁচে আছেন লিগ টেবিলের তিনে থেকে শেষ করা ম্যানচেস্টার সিটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সার্জিও আগুয়েরো।

বুন্দেসলিগায় শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় একনম্বর জন লিগের তিন নম্বর দল বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের স্ট্রাইকার পিয়ের-ইমেরিক ওবামেয়াং। ৩২ ম্যাচে ৩১ গোল করেছেন গ্যাবন তারকা। ৩৩ ম্যাচে ৩০ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে আছেন লিগ জয়ী বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডোভস্কি। তিন আছেন ক্লোনের অ্যান্থনি মডেস্ট। ৩৪ ম্যাচে ২৫ গোল ফরাসি তারকার। ৩১ ম্যাচে ২১ গোল করে চারে লেইপজিগের জার্মান ফরোয়ার্ড টিমো ওয়েনার। পাঁচে আছেন ভল্ফবুর্গের জার্মান তারকা মারিও গোমেজ।

ইতালির সিরি আ’তে শীর্ষে আছেন এএস রোমার এডিন জেকো। লিগে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ৩৬ ম্যাচে ২৮ গোল বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনিয়া স্ট্রাইকারের। তার দল লিগ শেষ করেছে দুই নম্বরে থেকে। দ্বিতীয় স্থানে আছেন নাপোলির ডেরিস মার্টিনেজ। ৩৪ ম্যাচে ২৭ গোলে বেলজিয়ান তারকার। নাপোলি তালিকার তিন নম্বরে আছে। এরপরই আছেন আন্দ্রে বেলোত্তি। তোরিনোর স্বদেশী স্ট্রাইকার ৩৪ ম্যাচে করেছেন ২৫ গোল। তোরিনো লিগ শেষ করেছে ৯ নম্বরে থেকে।

চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাসের গঞ্জালো হিগুয়েন আছেন চারে। ৩৭ ম্যাচে ২৪ গোল আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের। পাঁচে রয়েছেন ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মাউরো ইকার্ডি। ৩৪ ম্যাচে ২৪ গোল তার।

ফরাসি লিগ ওয়ানে টপ স্কোরার পিএসজির এডিনসন কাভানি। ৩৬ ম্যাচে ৩৫ গোল উরুগুয়ে তারকার। দ্বিতীয় অলিম্পিক লিওনিসের ফরাসি স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার ল্যাকজেট। ৩০ ম্যাচে ২৮ গোল তার। তিনে আছেন চ্যাম্পিয়ন মোনাকোর রাদামেল ফ্যালকাও। ২৯ ম্যাচে ২১ গোল কলম্বিয়ান তারকার। চারে অলিম্পিক মার্শেইয়ের বাফেটিমি গোমেজ। স্বদেশী গোমেজের গোল ৩১ ম্যাচে ২০টি। ৩৮ ম্যাচে ১৫ গোল নিয়ে পাঁচে আছেন গোমেজের সতীর্থ ফ্লোরিয়ান থাউভিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

১-4ভি কি জাহেদ পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘রূপ’ ইউটিউবে এসেছে ২০ মে রাতে। আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ছবিটি ১ লাখ ৮০ হাজার বার দেখা হয়েছে। ১১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ছবিটি খুবই প্রশংসিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় তারকা মুমতাহিনা টয়া। এতে তার সহশিল্পী সাগর আহমেদ। গত বছর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বখাটে’তে অভিনয় করে প্রশংসিত হন টয়া। ‘রূপ’ তার দ্বিতীয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এবারও টয়ার অভিনয় দেখে প্রশংসা করছেন দর্শক।

টয়া বলেন, ‘কাজটি করে একজন মেয়ে হিসেবে আমি শান্তি পেয়েছি। একদম অন্যরকম একটা কাজ। এর উল্লেখযোগ্য দিক হলো, ছবিতে আমার মেকআপ। খুব যত্ন করে মেকআপ করা হয়েছে। এসিডদগ্ধ মেয়ের বাস্তব চেহারা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটি মুক্তির পর প্রচুর ফোন আর এসএমএস আসছে। সবার পজেটিভ রেসপন্স পেয়ে ভালো লাগছে। কষ্টটা সার্থক মনে হচ্ছে।’

‘রূপ’ ছবির গল্প লিখেছেন পরিচালক ভি কি জাহেদ নিজেই। তিনি বলেন, ‘মাত্র এক দিনেই ইউটিউবে এক লাখ ভিউ হয়ে গেছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে, সবাই আমাদের কাজ ভালো ভাবে গ্রহণ করছেন’।

এই ছবির জন্য একটি প্রমোশনাল মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে এসেছে গত সপ্তাহে। ‘চল না আজ’ শিরোনামে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী ইমরান। কথা লিখেছেন, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন মাহামুদ হায়াৎ অর্পণ।

এস বি ফুডের ব্যানারে নির্মিত ‘রূপ’ প্রযোজনা করেছেন খলিলুর রহমান এবং সহ-প্রযোজক টাইগার মিডিয়া।

 

দেখুন- স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘রূপ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

UK_Blast3-1যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার এরিনা এলাকায় একটি পপ কনসার্টে দু’টি বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন।

সোমবার রাতে এ বিস্ফোরণ ঘটে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এটি সন্ত্রাসী হামলা বলে পুলিশের ধারণা।

বিবিসি ও আল জাজিরা জানিয়েছে,  টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে বিস্ফোরণ ও হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ। এতে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৫০ জন।

ভিন্ন কোনো প্রমাণ পাওয়ার আগ পর্যন্ত আপাতদৃষ্টিতে এটিকে আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলা হিসেবেই বিবেচনা করছে পুলিশ। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র পক্ষ থেকেও পুলিশের এ সন্দেহের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ‍তিনি।

মার্কিন সংগীতশিল্পী আরিয়ানা গ্রান্ডের কনসার্টে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কনসার্ট শেষে যখন দর্শকরা উঠে বের হতে শুরু করেন ঠিক তখনই বিকট আওয়াজে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় ম্যানচেস্টার এরিনা সংলগ্ন ভিক্টোরিয়া ট্রেন স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

f157106d69223e2f7eed6aafafa3eb55-59231cae6bfe5গত এক সপ্তাহের লোডশেডিংয়ে জনজীবনের নেমে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। এতে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এ নিয়ে লেখালেখি চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অথচ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বলছে, দেশের কোথাও কোনও লোডশেডিং নেই। লোডশেডিংয়ের পরিমাণ শূন্য। বিষয়টি নিয়ে সোমবার জরুরি বৈঠকে বসে বিদ্যুৎ বিভাগ। বৈঠকে পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) আবুল বাশার খান বলেন, ‘বিতরণ সীমাবদ্ধতা ও কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।’ এছাড়া গ্যাসের স্বল্পতাকে উৎপাদন কম হওয়ার জন্য দায়ী করেন তিনি। তার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি—ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রতিনিধিরা। তাদের দাবি,  উৎপাদন স্বল্পতার কারণে লোডশেডিং হচ্ছে। বৈঠক ‍সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমেদ কায়কাউসসহ বিদ্যুৎ বিভাগ, পিডিবি ও বিতরণ কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ঢাকা বা আশেপাশের অঞ্চলগুলোয় নয়, সারাদেশেই অসহনীয় লোডশেডিং চলছে। আর গরম বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলেও চলছে ব্যাপক লোডশেডিং। দিনের ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। বাকি সময় অন্ধকারে থাকতে হয়।

জানতে চাইলে ডিপিডিসির পরিচালক (অপারেশন) হারুন অর রশীদ বলেন, ‘গত কয়েকদিনের ঝড়ে ডিপিডিসি বিদ্যুৎ বিতরণের তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো সংরক্ষণের কাজ চলছে। শিগগিরই সব ঠিক হয়ে যাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রবিবার কিছুটা লোডশেডিং ছিল।’

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ২ তারিখে কালবৈশাখী ঝড়ে জাতীয় গ্রিডের একটি অংশের সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  ওই লাইন মেরামত করতে গেলে আরেকটি লাইন বিকল হয়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৩৫টি জেলা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন ছিল। ওই গ্রিড লাইন-বিপর্যয়ের পর ৩৬টি জেলায় বিপর্যয় সৃষ্টি হয়।  যা এখনও অব্যাহত আছে। পুরোপুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা যায়নি।

এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবররাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’

পিডিবির ওয়েবসাইটে কোনও লোডশেডিং নাই!
এদিকে সারাদেশে যখন লোডশেডিংয়ে মানুষ অতিষ্ঠ, তখন পিডিবির ওয়েব সাইট বলছে, সারাদেশে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ শূন্য। রবিবার রাত আটটার সময় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ওয়েবসাইটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত তথ্যে দেখা যায়, বিদ্যুতের চাহিদা আট হাজার ৮০০ মেগাওয়াট । উৎপাদনও আট হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। এই হিসাব অনুযায়ী চাহিদা ও সরবরাহ সমান। অর্থাৎ দেশের কোথাও কোনও লোডশেডিং নেই।’

এদিকে, সোমবারের বৈঠকে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন বলেন, ‘রবিবার আরইবির চাহিদা ছিল ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট কিন্তু সরবরাহ পেয়েছে ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। এতে স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুতের লোডশেডিং করতে হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘আগামী চার দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির  উন্নতি হবে। টাওয়ার ভেঙে যাওয়া, ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণে থাকা ও গ্যাসের স্বল্পতার জন্য চাহিদামতো বিদ্যুৎ দেওয়া যাচ্ছে না। চার দিনের মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনে আসবে।’ রমজানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ভালো থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা উচিত। লোড ম্যানেজমেন্টে লোড শেডিং সমানুপাতিক হারে করতে হবে।  প্রতিটি বিতরণ সংস্থার ডিম্যান্ড অনুসারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা প্রয়োজন। লোড শেডিং করতে হলে আগেই গ্রাহকদের জনাতে হবে।’ রোজার সময় সার্বিক পরিস্থিতি উন্নত করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করাসহ  মন্ত্রণালয় থেকে পর্যবেক্ষণের  নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণরত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া  এলএনডিসি বিতরণ সংস্থাগুলোকে কিভাবে, কী পরিমাণ বিদ্যুৎ দিচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুগ্ম সচিব এ কে এম হুমায়ুন কবীরকে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে যে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে, মেঘনাঘাট- ৪৫০ মেগাওয়াট, সামিট বিবিয়ানা-৩৪১ মেগাওয়াট, খুলনা সিপিপি-৭২ মেগাওয়াট, সিরাজগঞ্জ-২১০ মেগাওয়াট, আশুগঞ্জ সাউথ ৩৬০ মেগাওয়াট, আশুগঞ্জ-৭৫ মেগাওয়াট, ঘোড়াশাল-১ এ ৪০ মেগাওয়াট, ঘোড়াশাল-৫ এ ১৯০ মেগাওয়াট, শান্তাহার পিকিং ৫০ মেগাওয়াট এবং হাটহাজারি পিকিং ৯৮ মেগাওয়াট।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় এক হাজার ৮৮৬ মেগাওয়াট উৎপাদন কম হচ্ছে। এছাড়া গ্যাসের স্বল্পতার কারণে আরও ৮৯৩ মেগাওয়াট উৎপাদন কম হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লম্পট ভোলা

লম্পট ভোলা

কেএম রেজাউল করিম : বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। বছরের প্রথম দিন ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তার পাশাপাশি প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাল্টিমিডিয়ায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এমনকি ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যাও একেবারে কমে দাঁড়িয়েছে। সবমিলে শিক্ষায় এক নব জোয়ার লেগেছে। আর ঠিক সেই সময়ে কতিপয় কিছু ব্যক্তির কারণে আজ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তেমনি একটি ঘটনা যেটি ঘটনা ঘটেছে দেবহাটার সূবর্ণাবাদ গ্রামে। সেখানে এক লম্পট শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকা-ে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। দিনে দিনে তার অসামাজিক কর্মকা-ে এলাকাজুড়ে ছি ছি পড়ে গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সূবর্ণাবাদ গ্রামের গুরু চরণ মন্ডলের পুত্র ভোলা মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে আসা ছাত্রীদের ফুঁসলিয়ে তাদের সাথে অনৈতিক কর্মকা-ে লিপ্ত হয়। সাম্প্রতিক তার এই কর্মকা- সমাজের মানুষের কাছে প্রকাশ হলে উঠতি বয়সের ছাত্রীরা তার কাছ থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করেছে। কিন্তু তার এই জঘন্যতম কর্মকা-ের শিকার হয় ২য় শ্রেণির ছাত্রী থেকে বিভিন্ন বয়সী ছাত্রীরা।
২য় শ্রেণির এক ছাত্রী জানায়, ভোলা মাস্টার তাকে একটি ভিডিও (পর্নগ্রাফি)দেখায়। ভিডিও তে যা যা করেছে তাকে তাই করতে বলে। এমনকি লম্পট ভোলার যৌন অঙ্গে হাত দিতে বলে।
অপরদিকে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আরও এক ছাত্রী জানায়, ভোলা তাকেও ভিডিও দেখিয়ে সেখানে যা যা আছে তাকে তাই করতে বলে। তাকে বলে আগামি বছরে তো তোকে বিয়ে দেব। তুই তো অনেক রোগা। তুই যদি আমার সাথে এ কাজ করিস তাহলে তোর শরীর ভালো হবে, স্বামীর কাছে অনেক আদর পাবি। তাছাড়া একাজ করলে আমি তোকে টাকা দেব। তুই টাকা দিয়ে ছাদে বসে দই কিনে খেতে পারবি।
সম্প্রতি এক ছাত্রী ভোলার কাছে পড়তে গেলে ভোলা জোরপূর্বক খাটে ফেলে শরীরের বিভিন্ন স্পার্শকাতর স্থানে হাত দেয়। ওই ছাত্রী কোনরকমে ভোলার কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে চিৎকার করতে থাকলে ভোলা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রীর মা’র সাথে বললে তিনি ভোলার বাড়িতে গিয়ে নালিশ জানান। তবে এতে কোন ফল পাননি। পরে বিষয়টি সাংবাদকর্মীদের কাছে পৌঁছালে তারা মেয়েটির বাড়িতে গেলে সহযোগিতা চেয়ে তিনি কান্ন্ায় ভেঙে পড়ে। পরে ভোলার বাড়িতে পৌঁছলে তার স্ত্রী আগে থেকে টের পেয়ে তাকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে। তার স্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি স্বামীর কাজে সাহায্যে করেন কিনা জানতে চাইলে বিভিন্নভাবে এড়িয়ে যান।
এবিষয়ে ভোলার সাথে পরবর্তিতে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংবাদকর্মীদের দেখে পালিয়ে যাওয়ার কথা জানতে চাইলে বলেন, ভয়ে পালিয়েছেন তিনি। তবে তিনি সংবাদকর্মীদের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ম্যানেজ করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য অচিন্তকে দিয়ে চেষ্টা চালান।
এঘটনায় দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি ন্যাক্কারজনক। তবে আমি এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। তবে দোষির শাস্তির হবে।
শিক্ষা জাতির মেরুদ- আর শিক্ষক হলেন পরম শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু শিক্ষক যখন এমন ভক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন সমাজের সাধারণ মানুষের ঠাঁই কোথায়Ñ এমন প্রশ্ন গোটা সূবর্ণাবাদ এলাকাবাসীর। তাদের একটাই দাবি এমন লম্পট চরিত্রহীন শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তি। যাতে আর কোন শিক্ষক এমন জঘন্য কাজ না করেন। এ বিষয়ে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাবেক-রাষ্ট্রপতি-হুসেইন-মুহম্মদ-এরশাদজাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘ধর্ষণ এখন জাতীয় ক্রীড়ায় পরিণত হয়েছে। আর এটি হয়েছে দেশে বিচারহীনতার কারণে। কারণ, তারা জানে ধর্ষণ করলে বিচার হবে না, শাস্তি হবে না।’

আজ সোমবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলনে এইচ এম এরশাদ এ কথা বলেন। নগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সামনের সড়কে ওই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

দেশে এককেন্দ্রিক সরকার ভেঙে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে এরশাদ নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন চেয়েছেন। তিনি বলেন, যেভাবেই নির্বাচন করুন না কেন, অতীতের প্রতিটি নির্বাচন বিতর্কিত হয়েছে। তাই নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন করতে হবে।

এইচ এম এরশাদ বলেন, ‘এককেন্দ্রিক সরকার ভেঙে জনগণের সরকার করতে হবে। নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন করতে হবে। যেভাবে নির্বাচন করেন না কেন প্রত্যেকটা নির্বাচন বিতর্কিত।’

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে এরশাদ বলেন, ‘সরকারি ব্যাংক খালি। ৭৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।’ তিনি জনগণের টাকা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

এরশাদ বলেন, ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠা করব। আমার সময় কেউ মরে নাই। প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই দেখি মানুষ গুম হয়েছে। মায়েরা কাঁদছে। মায়েদের বুক খালি হচ্ছে।

চোখের জলে ভাসছে দেশ। কেউ পরোয়া করে না। মায়ের কান্না বৃথা যেতে পারে না।’

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে এরশাদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টি এখন রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্টর। আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জাতীয় পার্টি প্রস্তুত। আমরা এখন ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। মানুষের ভালোবাসা আছে, এই ভালোবাসা নিয়ে আগামীতে সরকারও গঠন করবে জাতীয় পার্টি।’

এরশাদ বলেন, ‘অনেক নির্যাতন করা হয়েছে আমাকে। নিঃশেষ করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। অনেক ঝড় গেছে। কিন্তু এখনো কর্মীরা আমাকে ছেড়ে যায়নি। আমি বেঁচে আছি। এখন জাতীয় পার্টি ইজ এ বিগ ফ্যাক্টর ইন পলিটিকস।’

সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কিছুদিন আগে বিএনপি তাদের ভিশন দিয়েছে। অনেক আগেই আমরা ভিশন দিয়েছি। আমরা বলেছি, প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা চালু করতে হবে। নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন করতে হবে। উপজেলা চেয়ারম্যানদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে উপজেলা পরিষদকে কার্যকর করতে হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

222112221কে এম রেজাউল করিম : বিশিষ্ট নাট্যকার, প্রযোজক ও পরিচালক হিসাবে সন্মাননা পেলেন সাতক্ষীরার দেবহাটার কৃতি সন্তান জি.এম সৈকত। ২১ মে ঢাকার সেগুনবাগিচার কচিকাঁচার মেলায় অগ্ন বার্তার ২৩ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে সন্মাননা হিসাবে তিনি এ ক্রেস্ট পান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি। সে দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের রাধাকান্ত মোহন দারের পুত্র। তিনি ২০০০ সালে অভিনয় জগতের যাত্রা শুরু করেন। পাশাপাশি ২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করেন। এছাড়া ২০০৯ সাল থেকে পরিচালক হিসাকে কাজ করে যাচ্ছেন। পরিচালকের পাশাপাশি দুঃস্থ, অসুস্থ ও অসহায় শিল্পীদের পাশে থাকার অঙ্গিকার নিয়ে ২০১৫ সালে মানবতার কল্যানে শিল্পী ঐক্য জোট নামে একটি সংগঠন তৈরি করে যা ইতি মধ্যে দেশের ৪২টি জেলাতে ও ৪টি দেশের বাইরে পরিচালনা করছেন। এছাড়া শিল্পী ঐক্য জোটের ক্রেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডিএ তায়েব ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন জিএম সৈকত। ইতি পূর্বে বিনোদন বিচিত্রা, সালমানশাহ এ্যাওয়ার্ড সহ বিভিন্ন এ্যাওয়ার্ড ও পদক লাভ করেন। বিশিষ্ট নাট্যকার, প্রযোজক ও পরিচালক হিসাবে সন্মাননা ক্রেস্ট পাওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দেবহাটা শিল্পী ঐক্য জোটের আহবায়ক কৌলশ স্বর্ণকার, সদস্য সচিব নিলয় আহম্মেদ সবুজ সহ সকল সদস্য বৃন্দ। বর্তমানে এই মহান মানব সাতক্ষীরার প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েকে জাতীয় পর্যায়ে কাজ কারার সুযোগ করে দিচ্ছেন। বিশেষ করে অসহায়, অসুস্থ, দারিদ্র শিল্পীদের পাশে তিনি দাড়াতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest