99a52060e41eb32a63f617d50a746020-5921f949dca04দীর্ঘ ৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো রিয়াল মাদ্রিদের। গত দুইবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে হটিয়ে লা লিগার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করল জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। লা লিগা বর্তমান মৌসুমের শেষদিন মালাগার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতে ৩৩তম শিরোপার স্বাদ পেয়েছে তারা। একই দিন অ্যাইবারের বিপক্ষে লিওনেল মেসির জোড়া গোলে বার্সেলোনা ৪-২ গোলের ঘুরে দাঁড়ানো জয় পেয়েছে। কিন্তু ওই ৩ পয়েন্ট তাদের শিরোপা ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

৩৮ ম্যাচে ২৯ জয়, ৬ ড্র ও ৩ হারে ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার রাজত্ব দখল করল রিয়াল। আর ৯০ পয়েন্টে মৌসুম শেষ করেছে বার্সা।

গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার চেয়ে ৩ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে রবিবার মালাগার মাঠে নেমেছিল রিয়াল। শিরোপা জেতার জন্য হার এড়ানোই যথেষ্ট ছিল তাদের জন্য। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিনে তারা শুধু ড্রয়ের জন্য মাঠে নামেনি। শুরু থেকে বালাইদোসে ঝাপিয়ে পড়েছিল রিয়াল। ২ মিনিটে মালাগার ডিফেন্ডারের ভুলে গোলমুখ খোলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। আর ওই লক্ষ্যভেদী শটে মৌসুমের সব ম্যাচে গোলের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করে রিয়াল। হার্নান্দেজের বল বিপদমুক্ত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বল চলে যায় ইস্কোর কাছে। মালাগার সাবেক এ তারকা বল দেন রোনালদোকে। স্বাগতিক গোলরক্ষক কামেনিকে বোকা বানিয়ে খালি জালে বল পাঠান পর্তুগিজ তারকা।

প্রথম গোল হজমের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে মালাগা। ১৩ মিনিটে ফাঁকা জায়গা খুঁজে পেয়ে ডানপায়ে শট নেন রামিরেজ। ডানদিকে খানিকটা নিচু হয়ে তাকে হতাশ করেন কেইলর নাভাস। পরের মিনিটে মার্সেলোর ক্রসে সুযোগ পান করিম বেনজিমা। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার মিকেল হেড করে বল বাইরে পাঠান। ২১ মিনিটে রামিরেজের ফ্রিকিক দারুণভাবে ঠেকান নাভাস। রোনালদো দ্বিতীয় সুযোগ নষ্ট করেন ৩৪ মিনিটে।  এমন আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে দুই দল আরও কয়েকটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।

বিরতির পর পঞ্চম মিনিটে রামোসের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে লক্ষ্যে শট নেন রেসিও। নাভাস প্রতিরোধ গড়লে সমতা ফেরাতে পারেনি মালাগা। স্বাগতিকরা যারপরনাই চেষ্টা করে গেছে গোলের, কিন্তু পারেনি। বরং ৫৫ মিনিটে রিয়াল পায় দ্বিতীয় গোল। ক্রুসের কর্নার থেকে বল পান সের্হিয়ো রামোস। কামেনি তাকে পরাভূত করলে বল রাফায়েল ভারানের বুকে লেগে যায় বেনজিমার পায়ে। মাত্র ২ গজ দূর থেকে মালাগার জালে বল জড়ান ফরাসি ফরোয়ার্ড।

শুরুতেই রিয়ালের গোলের সংবাদ হয়তো পৌঁছে গিয়েছিল ন্যু ক্যাম্পে। যেখানে বার্সেলোনা স্বাগত জানিয়েছিল অ্যাইবারকে। তারা রিয়ালের হারের জন্য প্রার্থণা করছিল। কিন্তু তাদের চাওয়া পূরণ হয়নি। বরং কাতালানরা হেরে মৌসুম শেষ করার আশঙ্কায় পড়েছিল। দুই অর্ধে ইনুই জোড়া গোল করলে বার্সা পিছিয়ে পড়ে ২-০ গোলে। ৬৩ মিনিটে জুনকার আত্মঘাতী গোল বার্সাকে ম্যাচে ফেরার পথ তৈরি করে দেয়। ৬৯ মিনিটে জর্দি আলাবার সৌজন্যে বিতর্কিত পেনাল্টি আদায় করে নেয় কাতালানরা। বিস্ময়করভাবে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। গোলপোস্টের মাঝামাঝিতে শট নেন আর্জেন্টাইন তারকা, সহজেই বল উপর দিয়ে বাইরে পাঠান অ্যাইবার গোলরক্ষক ইয়োয়েল।

তবে ৪ মিনিট পর লুই সুয়ারেসের গোলে সমতায় ফেরে বার্সা। নেইমারের কর্নার থেকে অ্যালকাসেরের ফ্লিকে ব্যাকপোস্টের কাছ থেকে গোল করেন উরুগুয়ান স্ট্রাইকার। ২ মিনিটের ব্যবধানে বার্সা এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে কাজে লাগায়। নেইমারকে অ্যাইবারের ডিবক্সে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন অ্যান্ডার রদ্রিগেজ। প্রথম ব্যর্থতার পরও আবার পেনাল্টি শট নেন মেসি। তার ডানপায়ের নিচু শট এবারও লক্ষ্য ভেদে ব্যর্থ হতো। তবে বলে হাত লাগালেও ঠেকাতে পারেননি ইয়োয়েল। ৯২ মিনিটে মৌসুমে শেষবারের মতো ঝলক দেখান মেসি। মাঝমাঠ থেকে বল একাই টেনে নেন প্রতিপক্ষের বক্সে, এর পর পাঁচজনকে কাটিয়ে বাঁপ্রান্তে কোনাকুনি শট নিয়ে সফল হন আর্জেন্টাইন তারকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495376025নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। ‘এক্সিকিউটিভ বা সিনিয়র এক্সিকিউটিভ—প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট’ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা

যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ফার্ম পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রার্থীদের এমবিএ ডিগ্রি থাকলে তা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে। এ ছাড়া বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগে দক্ষতা থাকতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া

সব শিক্ষাসনদের সত্যায়িত ফটোকপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও দুই কপি সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত ডাকযোগে পাঠিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার ঠিকানা ‘হেড অব এইচআর, দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, কোর্ট দে লা একমি, ১/৪ কল্যাণপুর, মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭’।

বিডিজবস ডটকমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত দেখুন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495360548‘বাহুবলি’র ব্যাপক সাফল্যের পর পৌরাণিক কাহিনীভিত্তিক ছবি নির্মাণের দিকে ঝুঁকছেন দক্ষিণের অনেক নির্মাতাই। তারই ধারাবাহিকতায় সুন্দর সি’য়ের পরিচালনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে পৌরাণিক কাহিনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘সংঘমিত্র’। বলা হচ্ছে, বাহুবলিকে টেক্কা দেবে এই ছবি। সে জন্যই বোধ হয় পরিচালক বেছে নিলেন বিশ্বের অনন্য চলচ্চিত্র উৎসবটিকেই। এনডিটিভির খবরে প্রকাশ, শ্রুতি হাসান অভিনীত চলচ্চিত্রটির আগমনী বার্তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে কান চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে।

২৫০ কোটি রুপি বাজেটের ছবিটি বাহুবলির মতই দুই খণ্ডে নির্মিত হবে। দুই খণ্ডের এই মহাকাব্যিক ছবির প্রযোজনায় থাকছে থেনাডাল স্টুডিও। শ্রুতি হাসান ছাড়াও চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করছেন জয়ম রবি ও আয়রা। সংগীতের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এ আর রহমান। ছবিটি নিয়ে জাঁকজমকের মাত্রা দেখে অনেকেই ধারণা করছেন, এই ছবি ‘বাহুবলিকে’ও ছাড়িয়ে যেতে পারে। আসলেই কি তাই? বিভিন্ন ভাষায় মুক্তি পাওয়া ‘বাহুবলি : দ্য কনক্লুশন’ এপ্রিলের ২৮ তারিখ পর্যন্ত আয় করেছে প্রায় দেড় হাজার কোটি রুপি।

এদিকে, ‘সংঘমিত্র’ ছবিটি নিয়ে তিন বছর ধরে কাজ করছেন পরিচালক সুন্দর সি। ১৮ শতকের তামিল ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হতে যাচ্ছে ছবিটি। ছবিটি নিয়ে পরিচালক বলেন, ‘এ ছবি বিনোদনমূলক হবে। ছবিটি নির্মাণের জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম। এক দশক ধরে ছবিটি নির্মাণের পরিকল্পনা আমার মাথায় ঘুরছে। আমি শুধু অপেক্ষা করছিলাম সঠিক বাজেট এবং যথাযথ প্রযুক্তির। এ সময় এখন চলে এসেছে। আমি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম, যাতে বিশাল এই ছবিটি নির্মাণের ক্ষেত্রে আমি সুবিচার করতে পারি।’

ছবিটি নিয়ে সুন্দর আরো বলেন, “‘সংঘমিত্র’ রাজমৌলী পরিচালিত ভিএফএক্সে ব্লকবাস্টার ‘বাহুবলিকে’ও ছাড়িয়ে যাবে। ‘বাহুবলি’ দক্ষিণের চলচ্চিত্রকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আর আমি মনে করি, ‘সংঘমিত্র’ দক্ষিণের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাবে।”

দক্ষিণ ভারতে পরিচালক হিসেবে বেশ সুনাম রয়েছে সুন্দর সি’য়ের। রজনীকান্তকে নিয়ে ‘অরুণাচলম’ ও কামাল হাসানকে ‘আনভি শিবাম’-এর মতো ছবি পরিচালনা করেছেন তিনি। তবে বিগত কাজ নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ এই পরিচালক। তিনি বলেন, “আমি এত দিন আপনাদের যেসব ছবি উপহার দিয়েছি, তা থেকে এই ছবিটি যোজন যোজন দূরে। ‘সংঘমিত্র’ আমার পরিচালনা জীবনের সেরা ছবি হতে যাচ্ছে।”

২০১৮ সালের শেষের দিকে ছবিটির মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Satkhira photo Press Conference, 21.05.17.docপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা শহরব্যাপী মটর ভ্যান-রিক্সা বিরোধী অভিযানের কারণে সহাস্রাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অবিলম্বে মটর চালিত ভ্যান রিক্সা বিরোধী অভিযান বন্ধ করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরায় মটর চালিত ভ্যান রিক্সা উচ্ছেদ প্রতিরোধ সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব এ্যাডঃ ফাহিমুল হক কিসলু বলেন, গত ১৫ মে থেকে সাতক্ষীরা শহরব্যাপী চলছে মটরভ্যান বিরোধী এক নৈরাজ্যকর সাড়াশী অভিযান। ইতিমধ্যে শত শত মটর ভ্যান আটক করার পাশাপাশি অনেককে মারপিট ও লাঞ্চিত করা হয়েছে। ফলে সাতক্ষীরা শহর এখন মটর ভ্যান শুন্য হয়ে পড়ায় বেকার হয়ে হাজার হাজার শ্রমিক পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বর্তমান জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন এই জেলায় আসার পর থেকে মটর রিক্সা-ভ্যানের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে দাবি দাওয়া নিয়ে গেলে তিনি শহরে প্যাডেল চালিত রিক্সা চলা চলের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এজন্য তিনি নিজে ২’শ রিক্সা, সদর এমপি এক’শ রিক্সা এবং সমাজাসেবা অধিদপ্তর থেকে ভ্যানের বডি পরিবর্তনের সহায়তা করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কারো রিক্সা প্রদান বা কারো ভ্যানের বডি পরির্বতনে সহায়তা করা হয়নি। এছাড়া শারীরিক সক্ষমতা না থাকায় অধিকাংশ চালকরা এখন আর প্যাডেল চালিত রিক্সা ভ্যান চালাতে চায় না। আবার অনেকে খন্ডকালিন মটর ভ্যান চালিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখা পড়া করছে।
তিনি বলেন, এই জেলায় ২২ লাখের মধ্যে শহরে প্রায় দেড় লাখ মানুষের বসবাস। শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। প্রতিদিন বিভিন্ন কর্মকান্ডের কারনে প্রায় ২/৩ লাখ মানুষ এই শহরে চলাচল করে। তাদের অধিকাংশই এই মটরভ্যান ব্যবহার করে। ১৫ মে থেকে মটর ভ্যান বিরোধী অভিযানের কারনে এসব মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা এখন সময়মত কোচিংয়ে যেতে পারছে না। মটর চালিত রিক্সা ভ্যান না থাকার করানে বাচ্চারা সময় মত বাড়ি ফিরতে পারছে না। ফলে দুচিন্তায় থাকতে হচ্ছে অভিভাবকদের। গ্রাম থেকে সবজিসহ অন্যান্য পন্য শহরে আনতে না পারায় বাড়ছে দ্রব্যমূল্য।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় প্যাডেল চালিত রিক্সা ভ্যান এখন মটর ভ্যানে পরিণত হয়েছে। এই মটর রিক্সা ভ্যানের কারনে মানুষ এখন দ্রুত চলাচল করতে পারছে। সব কিছু যখন ইন্টারনেটের গতিতে চলছে ঠিক তখনই সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এই জেলার মানুষকে মধ্যযুগীয় গরুরগাড়ি, ঠেলাগাড়ি ও প্যাডেল চালিত ভ্যান রিক্সায় ফিরিয়ে আনতে চান।
ভ্যান রিক্সা উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মটর চালিত ভ্যান রিক্সা বিরোধী অভিযান ও হয়রানি বন্ধ, বিনা পয়সায় আটক মটর চালিত ভ্যান রিক্সা ছেড়ে দেয়া এবং রেজিস্ট্রেশন প্রদান করে মটর চালিত ভ্যান রিক্সা  আধুনিকরণে প্রয়োজনী পদক্ষেপ গ্রহণসহ পাঁচ দফা দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495339348বিচ্ছেদের পরও যে সাবেক স্ত্রী বা স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকতে পারে, সেটাই প্রমাণ করে দিলেন হৃতিক রোশন ও সুজান। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল ২০১৪ সালে। তখন দুজনের সম্পর্ক তিক্ততার মধ্য দিয়ে গেলেও পর্যায়ক্রমে সেটা বন্ধুত্বে রূপ নেয়। একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়া থেকে আরম্ভ করে বিভিন্ন পার্টিতে তাঁদের দেখা যেত। সুজান হৃতিকের জন্মদিন ও তাঁর বোন সুনয়না রোশনের জন্মদিনেও উপস্থিত ছিলেন। তাই বলা যায়, ঘর ভাঙলেও বন্ধুত্ব ভাঙেনি হৃতিক-সুজানের।

বন্ধুত্ব গাঢ় হওয়ার প্রমাণ মিলছে ফিল্মফেয়ারের খবর থেকে। সেখানে জানা যায়, সম্প্রতি জুহুতে সুজানের জন্য একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন হৃতিক। বিচ্ছেদ ঘটলেও এখনো হৃতিকের জীবনে সুজান ও তাঁদের দুই ছেলে অবিচ্ছেদ্য অংশ। সে জন্যই নিজের বাংলো থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরত্বে সুজানের জন্য এই ফ্ল্যাট কেনেন হৃতিক।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে, এক ছাদের নিচেই নাকি থাকছেন হৃতিক ও সুজান। তবে বিষয়টি তাঁরা গোপন রাখছেন। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যতে হৃতিক ও সুজানের এই বন্ধুত্ব আবারও দাম্পত্যে গড়ায় কি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1937958468_1495379940.jpg.pagespeed.ic.AjdCmqqqbbডেস্ক: আজই নির্ধারণ হয়ে যাবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলে তিন জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ট্রফি জিতবে নিউজিল্যান্ড। অথচ এই সিরিজের অন্যতম ফেবারিট ছিল বাংলাদেশই। আয়ারল্যান্ড প্রসঙ্গ বাদ দিলে তুলনামূলক কম শক্তির নিউজিল্যান্ডকে টপকে ট্রফি জিতবে বাংলাদেশ এমনটাই প্রত্যাশা ছিল ক্রিকেট ভক্তদের। সেই প্রত্যাশায় শুরুতেই ধাক্কা লাগে যখন বৃষ্টির কারণে আয়ারল্যান্ড-বাংলাদেশ ম্যাচ ড্র হয়। এরপর নিউজিল্যান্ডের কাছে ৪ উইকেটের হারে সেই আশা পুরোই ফিকে হয়ে যায়।

সেক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী সিরিজের ট্রফির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে আয়ারল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়েই। আর নিউজিল্যান্ড জিতে গেলে শেষ ম্যাচে কিউইদের হারালেও লাভ হবে না বাংলাদেশের।

আইরিশদের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে টম ল্যাথামের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩৪৪ রান সংগ্রহ করেছে কিউইরা। এত রান তাড়া করে আগে কখনোই জিততে পারেনি দুর্বল আয়ারল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়ায় সেই প্রমাণই দিচ্ছে আইসিসির সহযোগি দেশটি।

রানের পাহাড় টপকানোর লক্ষ্যে খেলতে নামা আইরিশদের সংগ্রহ ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭১ রান। অর্থাৎ বাংলাদেশের আশা শেষ করে জয় ও ট্রফি দুটোর দ্বারপ্রান্তেই রয়েছে নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের কাছে যে কয়টি জিনিস এখনো অধরা, তার মধ্যে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি। অবশ্য ক্রিকেট ইতিহাসে একটিই ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ সেটা ২০০৭ সালে। তবে সেই সিরিজে প্রতিপক্ষ ছিল বারমুডা ও কানাডা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pornপর্নো ছবির প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি প্রেমের সম্পর্ক থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে রাখে। শুধু তা-ই নয়, এই আসক্তি এতটাই ভয়ংকর যে এতে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয় এবং প্রেমিকার কাছে নিজেকে তাচ্ছিল্যের পাত্র বলে মনে হয়। এটা কিছুটা পুরোনো গবেষণা। তবে এবার নতুন গবেষণা বলছে, পর্নোগ্রাফির প্রতি আসক্তির কারণে পুরুষদের জননতন্ত্রের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে কেউ নপুংসক হয়ে যেতে পারেন।

আমেরিকান ইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের এক গবেষণায় এ ফল পাওয়া গেছে বলে গবেষকেরা দাবি করেছেন।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণা প্রতিবেদনটি গত ১২ মে আমেরিকান ইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের ১১২তম বৈজ্ঞানিক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। গবেষকেরা ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী তিন শতাধিক পুরুষ যাঁরা সান দিয়েগো ইউরোলজি ক্লিনিকে জননতন্ত্রের চিকিৎসা নিয়েছেন তাঁদের ওপর এই গবেষণাটি করেছেন।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত পুরুষেরা পর্নো দেখে যতটা উপভোগ করেন, বাস্তবে শারীরিক সংসর্গের সময় তাঁরা ততটা উপভোগ করতে পারেন না।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিপ চালানো তিন শতাধিক পুরুষের মধ্যে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ পর্নো দেখে নিয়মিত স্বমেহন করার পর শারীরিক সংসর্গ করেন। প্রতি চারজনে একজন বলেছেন, তাঁরা সপ্তাহে অন্তত একবার পর্নো দেখেন। আর ২১ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ বলেছেন, তাঁরা সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচবার দেখেন। সপ্তাহে ছয় থেকে ১০ বার দেখেন পাঁচ শতাংশ পুরুষ এবং ৪ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ সপ্তাহে ১১ বারের বেশি পর্নো দেখেন।

নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির পুরুষ প্রজনন স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ও ইউরোলজির অধ্যাপক জোসেফ অ্যালুকাল বলেন, স্ক্রিনে দেখা উদ্দীপক কখনো কখনো নারী ও পুরুষের যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় ঠিকই। কিন্তু যদি কেউ পর্নোগ্রাফিতে মাত্রাতিরিক্ত সময় ব্যয় করেন এবং নিয়মিত স্বমেহন করেন তাহলে বাস্তব জীবনে তিনি শারীরিক সংসর্গে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন।

জোসেফ অ্যালুকাল বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের সমস্যা নারীদের ক্ষেত্রে খুব কমই ঘটে। আর এতে পুরুষদের জননতন্ত্রের কার্যক্ষমতা হারিয়ে যেতে পারে। মনে রাখতে হবে—যৌনতা শুধু শারীরিক ব্যাপার নয়, এটা মানসিক ব্যাপারও বটে।

সান দিয়েগোর নাভাল মেডিকেল সেন্টারের ইউরোলজিস্ট ম্যাথিউ ক্রিস্টমান বলেন, পর্নো ছবির প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তিতে পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সমূহ ঝুঁকি থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষ শারীরিক সংসর্গের সময় যতটা উত্তেজিত থাকেন, পর্নো দেখার সময় তার চেয়ে বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। আর কারণেই তা সহ্য ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় প্রজননতন্ত্রের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যদিও ৪০ থেকে ৭০ বছর বয়সী পুরুষদের এই সমস্যা এমনিই হতে পারে।

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গবেষকেরা ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী নারী যাঁরা পর্নো ছবি দেখায় আসক্ত, তাঁদের ওপরও জরিপ চালিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁদের প্রজননতন্ত্রের কার্যক্ষমতা হ্রাস হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

korean-cheerleadersগত মার্চে ‘টেক ইন এশিয়া’ তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দৃষ্টি ই-কমার্স থেকে অন্যান্য দিকে ঘুরে যাচ্ছে। নতুন যেসব ক্ষেত্রে ব্যবসা সরে যাচ্ছে সেই তালিকার প্রথমেই রয়েছে সম্ভবত ক্রীড়াক্ষেত্র।

এর মানে এই নয় যে এখনো ক্রীড়াক্ষেত্র কম লাভজনক। ২০১৫ সালে এশিয়া-প্যাসিফিকের ক্রীড়া সংস্থার মোট রাজস্ব আয় ছিল ২৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি একটি উল্লেখযোগ্য বাজার; যা মিডিয়া এবং স্পন্সরদের মনোযোগ সৃষ্টি করে। সেইসঙ্গে এই শিল্প পোশাক বিক্রয় থেকে শুরু করে ক্রীড়াবিদ্যা অর্জন ও অন্যান্য বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

স্পোর্টস মানুষের চিন্তার চেয়েও বেশি বিচিত্রমুখী হতে পারে। এখানে কোচিং থেকে শুরু করে অন্যান্য বিষয় বিশ্লেষণের সুযোগ রয়েছে। আর এটা এশিয়াতেও হতে পারে। এই ধারণাগুলোর উপর ভিত্তি করেই ক্রীড়াপ্রযুক্তি শিল্প চালিত হচ্ছে এবং সারাবিশ্বের খেলাধুলার পারফরম্যান্সের উন্নতিই এর মোক্ষম উত্তর।

ক্রীড়া সামগ্রীর উৎপাদন ও বিপণনের অন্যতম প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। যারা শুধু ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকাকে টার্গেট করেই বিনিয়োগ করেছিল। তারা এখন এশিয়াতেও নজর দিয়েছে। এই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডি ডাসলার একটি নতুন খসড়াও দাঁড় করিয়েছেন। বার্লিন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তারা তাদের প্রসারণকে দ্রুততর করতে চায়। তবে এমনটা তাদের প্রথম নয়, বরং ইউরোপেও ব্যবসা বিস্তারে পণ্যের মান বৃদ্ধি করতে চায় তারা।

একটা সময় ছিল যখন ক্রীড়াঙ্গনে প্রযুক্তির ব্যবহার তেমন ছিল না। কিন্তু এখন সেটা পাল্টেছে। বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ক্রীড়াঙ্গনে প্রযুক্তির ব্যবহার বহুগুণে বেড়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলেছে। এর ব্যবহারে অ্যাথলেটদের ইনজুরি কমিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়িয়েছে।

ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার, মনোযোগ আকর্ষণের কায়দা বা চাতুরীর চেয়ে আরও বেশি কিছু। ‘টেক ইন এশিয়া’র প্রতিবেদনে উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, বাস্কেটবলের খেলোয়াড় কোবি ব্রায়েন্ট ও স্টিফেন কারিরা বিজ্ঞাপনের চেয়ে জুতা পায়ে খেলা বা অনুশীলনে বেশি উপকৃত হয়েছেন।

এশিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্র ক্রমবর্ধমান ভাবে বাড়ছে। চীন, ভারত, সাউথ কোরিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো দেশে ক্রীড়াক্ষেত্রে ইনজুরি আঘাত বাড়ছে। তাতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গনে ওষুধ শিল্পের বাজার ৯.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

যদিও নর্থ আমেরিকা ও ইউরোপে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী স্পোর্টস ব্র্যান্ডের নাম রয়েছে, তবে পূর্ব এশিয়ায়ও শক্তিশালী ফ্যান সংস্কৃতি রয়েছে- বিশেষ করে বেসবলের মত খেলায় সেটা দেখা যায়। জাপান, কোরিয়া এবং তাইওয়ান তো বেসবলকে তাদের ‘জাতীয় চিত্তবিনোদন’ হিসেবে দেখে। তাদের সমর্থকরাও মাঠে সেটা ভালভাবে প্রমাণ করে।

শুধু পুরুষ নয়, এশিয়াতে নারী ক্রীড়াবিদের সংখ্যাটাও বাড়ছে চোখে পড়ার মত হারে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ভারত ও ইন্দোনেশিয়াতে অর্ধেকেরও বেশি নারী তাদের ব্যয় করে খেলাধুলার পণ্য-সামগ্রী ক্রয়ের পেছনে। সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে লিঙ্গ বৈষম্য সবচেয়ে কম।

এটি কোনও আশ্চর্য হওয়ার মতো বিষয় নয় যে, সামাজিক মাধ্যম এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এশিয়ায় অর্থায়ন করতে চাচ্ছে। ক্রিকেটের বাইরেও এখানে প্রচুর বিনিয়োগ হচ্ছে। ভারতের মুম্বাই ভিত্তিক বিভিন্ন কোম্পানি ফুটবল, টেনিস এবং বাস্কেটবলেও অনেক বিনিয়োগ করছে। কাজ হচ্ছে ফর্মুলা ওয়ান নিয়েও।

আর চলতি বছর সিঙ্গাপুর ভিত্তিক স্পোর্টহিরো গ্রুপ তো ক্রীড়াক্ষেত্রে তাদের বিনিয়োগ ২.৫ মিলিয়ন বাড়িয়েছে। আর মার্কিন জায়ান্ট কোম্পানি রেজার মোট যে ১৪টি স্পোর্টস টিমকে স্পন্সর করে তার ৬টিই এশিয়ার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest