সর্বশেষ সংবাদ-
দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভাশ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যুকালীগঞ্ঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ড

প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ। তাঁদের রোজ ডায়েটের লম্বা লিস্টে একটি খাবার প্রায় প্রতিদিনই থাকে। তা হল কাঁচা ডিমের কুসুম। কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে ডিমের কুসুম নানাভাবে শরীরের উপকারে লাগে। পেশির গঠনকে মজবুত করার পাশাপাশি এনার্জির ঘাটতি দূর করতে এবং শরীরকে সার্বিকভাবে রোগ মুক্ত রাখতে ডিমের কুসুমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন পেতে কাল সকাল থেকেই শুরু করে দিন কাঁচা ডিমের কুসুম খাওয়া। কাঁচা ডিমের কুসুম থেকে সাধারণত যে যে উপকারগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হল…

১। অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়ঃ ডিম খেলেই যাদের অ্যালার্জি হয়, তারা এবার থেকে কাঁচা ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ডিমের পুষ্টিও পাবেন, আবার কোনও শারীরিক সমস্যাও হবে না। কাঁচা ডিমের কুসুমে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা নানাবিধ অ্যালার্জির প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২। ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি দূর করেঃ একটা কাঁচা ডিমের কুসুমে প্রায় ০.২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১২ থাকে। এই ভিটামনিটি শরীরে জমে থাকা চর্বি ঝড়িয়ে ফেলার পাশাপাশি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়াতে কাজে আসে। কাঁচা ডিমের কুসুমে ফলেট নামে একটি উপাদানও থাকে। এটি অ্যানিমিয়া রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করা।

৩। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা মেটায়ঃ দুটো কাঁচা ডিমের কুসুম খেলে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কোনও ঘাটতিই থাকে না। অ্যামাইনো অ্যাসিড, ট্রাইপোফেন এবং টাইরোসিনের মতো উপাদানের ঘাটতিও দূর করে। ফলে একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবানা হ্রাস পায়। কারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান যা একাই শরীরেরে নানাবিধ ক্ষয়কে রোধ করে দেয়।

৪। কোলেস্টেরলের যোগান বাড়ায়ঃ শরীরকে সচল রাখতে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। প্রতিদিন ডিমের কুসুম খেলেই ধীরে ধীরে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করবে। তখনই বুঝবেন উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে আপনার শরীরে।

৫। বায়োটিনের ঘাটতি দূর করেঃ শরীরে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লোকজের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে বায়োটিন। তাই তো এই উপাদানটির ঘাটতিতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়। দেহে যাতে কোনও সময় বায়োটিনের অভাব দেখা না দেয়, সে কারণে প্রতিদিন কাঁচা অথবা সেদ্ধ করে কুসুম খেতেই হবে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কনফেডারেশনস কাপের ফাইনালে যেতে রাশিয়ার সোচিতে আজ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে  জার্মানি ও মেক্সিকো। জার্মানিকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানানো জোয়াকিম লো’র তরুণ তুর্কিদের সামনে লাতিন আমেরিকার কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নরা।

সোচিতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায়। ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে এসেছে লোর জার্মানি। মেক্সিকো ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ। মেক্সিকো তাদের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ড্র করার পর হারিয়ে দেয় নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক রাশিয়াকে। জার্মানি প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া ও ক্যামেরুনের বিপক্ষে। মাঝে চিলির সঙ্গে করেছে ড্র। দুই দলই সেমিতে এসেছে সাত পয়েন্ট নিয়ে।

অন্যদিকে প্রথম সেমিফাইনালে বুধবার রাতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়েছে লাতিন আমেরিকার আরেক দেশ চিলি। গোলকিপার ব্রাভোর অসাধারণ নৈপুণ্যে টাইব্রেকারে ৩-০ তে জয় পেয়েছে চিলি।

এবার অপেক্ষার পালা ফাইনালে চিলির প্রতিপক্ষ কে হয় জার্মানি নাকি প্রতিবেশি মেক্সিকো!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বলিউলে ৪০ বছর পেরিয়েও এখনো অনেকে হিরোইন। আসলে নায়িকা হওয়ার জন্য বয়স এখন আর কোনো বাধা নয়। শুধমাত্র বয়সের ছাপটা চেহারায় বোঝা না গেলেই হল। আর বোঝা গেলেও সমস্য নেই। আছে মেকআপের কারিশমা। মালাইকা অরোরা, ঐশ্বরিয়া রায়, কারিশ্মা কাপুর, শিল্পা শেঠি, মাধুরী দীক্ষিতরা তারই উদাহরণ।

মালাইকা অরোরা: 
তার বয়স ৪৩। সদ্য ডিভোর্স হয়েছে। ১৪ বছরের ছেলের মা তিনি। কিন্তু নিজেকে এমনভাবে ধরে রেখেছেন, যা সত্যিই যে কোনো ২২-২৫ বছরের কাছে বড় একটা কৌতূহল। প্রতিদিনই জিমের এমন সব ওয়ার্ক আউটের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসছে, যাতে মালাইকার এই অসামান্য তন্বী চেহারার রহস্যময়তা বেড়েই যাচ্ছে। তার ওপর আরবাজ খানের সঙ্গে ডিভোর্সের পর থেকে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জল্পনা বাড়িয়েই যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে আবারও বড়পর্দায় ফেরত আসছেন মুন্নি। এখন তাতে তিনি বদনাম হবেন, নাকি সুনাম কুড়াবেন তা অবশ্য সময়ের অপেক্ষা।

ঐশ্বরিয়া রায়:
কান চলচ্চিত্র উৎসবে যেভাবে বার্বি গাউন পরে পুতুলের মত হাঁটলেন রেড কার্পেটে, তাতে কে বলবে তাঁর বয়স ৪০ ছাড়িয়েছে। মেয়ে আরাধ্যার বয়স পাঁচ। ছবিতে ফিরেছেন বেশ কয়েকবছর আগেই পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তার জসবায়। কিন্তু তখনও যেন শরীরটা তৈরি ছিল না। পরের ছবি সরবজিতে তাই অভিনয়েই মন দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, আসলে তিনি বিশ্বসুন্দরী, মেইনস্ট্রিম নায়িকা। তাই ফেরত এলেন গ্ল্যামার ছড়িয়ে অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল-এ। এসময়ের নায়িকা অনুষ্কা শর্মাও হাঁ করে দেখলেন ঐশ্বরিয়ার রূপের ছটা।

কারিশ্মা কাপুর: 
বয়স ৪২। প্রাক্তন স্বামী সঞ্জীব কাপুরের সঙ্গে ডিভোর্সের পর থেকেই পুরনো সম্পর্ক ঝেড়ে ফেলে আবার যেন সজীব হয়ে উঠেছেন। দুই সন্তানের মা। প্রতিদিনের ওয়ার্ক আউটের পর যেন ফিরে গেছেন ৯০ এর সেই বছরগুলোয়, যখন বলিউড মানেই কারিশ্মা কাপুর। বোন কারিনা কাপুরের সঙ্গে মিলে যেন নতুন ক্যারিয়ার-গোল সেট করেছেন, শুধু নিজের জন্যই নয়, নতুনদের জন্যও।

শিল্পা শেঠি:
৪০ পেরিয়েছেন শিল্পা শেঠিও। কিন্তু তাঁর থেকে ফিট আর তাঁর থেকে তন্বী চেহারা বলিউডে আর একটাও আছে কিনা সন্দেহ। খুব কাছাকাছি থাকবেন কৃতি স্যানন, কিন্তু তাঁর বয়স মাত্র ২৬।

মাধুরী দীক্ষিত: 
আজও তিনি বলিউডের ধকধক গার্ল। এখনও তাঁর হাসি লক্ষ বুকে ঝড় তোলে। পর্দায় তাঁর কামব্যাককে স্মরণীয় করে রাখার জন্য রণবীর কাপুরকে আসরে নামতে হয়। বয়স তাঁর ৫০। বড়পর্দায় আজও তিনি স্বাগত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বীর্য কেলেঙ্কারিতে জড়াল এবার থাইল্যান্ড! থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় নঙ খাই শহর দিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের সময় এক ব্যক্তির ব্যাগে থাকা একটি নাইট্রোজেন বাক্সের ভিতরে ওই শিশিগুলো পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, চিনা ও ভিয়েতনামের কয়েকব্যক্তির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় বীর্যভরতি এই সমস্ত শিশিগুলি। প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, লাওসের রাজধানীর ভিয়েনতিয়ানের একটি ফার্টালিটি ক্লিনিকে এগুলি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বীর্য পাচারের সময়ে হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল থাইল্যান্ডের পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ছটি শিশি। এই সমস্ত শিশিতে করেই বীর্য পাচার করা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, লাওসে এই সমস্ত বীর্য পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ক্যাম্বোডিয়ার একটি হাসপাতালেও তিনি কয়েকটি চালান পৌঁছে দিয়েছেন বলে পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়। বেশ কয়েকটি স্ক্যান্ডালের পর বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে থাই মহিলাদের সারোগেট হিসেবে কাজ করা ২০১৫ সালে নিষিদ্ধ করে দেশের সরকার। এর পরের বছর সারোগেসি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে ক্যাম্বোডিয়া।

থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ায় সারাগেসি নিষিদ্ধের পর প্রতিবেশী লাওসে বাণিজ্যিক সারাগেসি ব্যাপক আকারে বাড়তে দেখা যায়। ‘ব্যাংকক পোস্টে’র প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, ধৃত ওই থাই চোরাচালানকারী গত বছর একইভাবে ১২ বার লাওসে গিয়েছেন, যেখানে ব্যাংককের বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে বীর্য সংগ্রহ করে তিনি তা লাওসের কয়েকটি ক্লিনিকে পৌঁছে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনেকে ভাবেন, কলা খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা উপায়ে কলা ওজন কমাতে সাহায্য করে। সারা বছর মেলে—এমন সবজি বা ফলের মধ্যে কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। কলা শরীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা ঠেকাতে পারে। তাই যাঁরা পেটের চর্বি কমাতে চান, তাঁরা খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন।

কলায় কোলিনসহ সব ধরনের ভিটামিন বি আছে। এতে শরীরে চর্বি জমতে বাধা দেয়। বিশেষ করে, পেটের মেদ কমাতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। যাঁরা জাঙ্ক ফুডে অভ্যস্ত, তাঁরা এই অভ্যাস ছাড়তে কলা খেতে পারেন। যখন এ ধরনের খাবার খেতে ইচ্ছা হবে, তখন কলা খেলে খিদে মিটবে, আর পুষ্টিও মিলবে। কলা পাকস্থলীতে দরকারি ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে, যাতে খুব সহজে খাবার হজম হয়। খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ায় ওজন বাড়ে।
তবে কলার যে শরবত পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে, তা তৈরি করতে কিছু উপকরণ লাগবে।

উপকরণ:
১) কলা- ১টি
২) আদার গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
৩) দই- আধা কাপ
৪) ফ্লাক্সিড-১ টেবিল চামচ

তৈরিকরণ পদ্ধতি:
একসাথে সকল উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। শরবতের মত মিহি না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। প্রতিদিন সকালে নাস্তা করার আগে এই মিশ্রণটি এক গ্লাস পরিমাণ পান করুন। সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে শুধু এই শরবতটিও খেয়ে দেখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। এটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এটি টানা নবম বাজেট। এর আগে তিনি আরো দুটি বাজেট দিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নেতৃত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০ টায়। এরপর বাজেটের ওপর আলোনায় বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা ৫৯টি ছাটাই প্রস্তাব এবং ৩২৫টি দাবি উত্থাপন করেন।

এরমধ্যে আলোচনার জন্য ৭টি দাবি গৃহীত হয়। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট পাস করার জন্য অর্থমন্ত্রী তা উপস্থাপন করেন। পরে সংসদে কণ্ঠভোটে বাজেট পাস করা হয়।

এ সময় সরকার দলীয় সংসদ্যরা টেবিল চাপড়ে অর্থমন্ত্রীকে সমর্থনক ও স্বাগত জানান। কাল ১ জুলাই থেকে নতুন এ বাজেট কার্যকর হবে। নতুন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য সংযুক্ত তহবিল থেকে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১৪ কোটি ১৫ লাখ ৯২ হাজার টাকার নির্দিষ্টকরণ বিল পাস করা হয়।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনের শুরুতেই মঞ্জুরি দাবিতে আলোচনা করার কথা জানান। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা এসব দাবিতে আলোচনা করেন। পাস হওয়া বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি বাজেটে এনবিআরের টার্গেট ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৩ হজার ১৫২ কোটি টাকা।

এ ছাড়া এনবিআর-বহির্ভূত খাত থেকে কর রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৬২২ কোটি টাকা। করবহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩১ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি বাজেটে জিডিপির লক্ষ্য ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। পরিকল্পনা কমিশন ইতিমধ্যে আভাস দিয়েছে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর শেষে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে। আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৪ শতাংশ, যা বিগত চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

এ ছাড়া বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপকে ৫ দশিমক ৫ শতাংশে ধরে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। নতুন এই বাজেটে অনুন্নয়নমূলক ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। তবে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর অর্থায়নে আরও ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সে হিসেবে মোট এডিপির আকার ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে; যা জিডিপির ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। এই বাজেটে সার্বিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক উৎস থেকে ৫১ হাজার ৯২৪ কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৬০ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ২৮ হাজার ২০৩ কোটি, সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও অন্যান্য ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ৩২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্দিষ্টকরণ বিল পাস : আগামী অর্থবছরের বাজেট ব্যয়ের বাইরে সরকারের বিভিন্ন ধরনের সংযুক্ত দাড়ায় মিলিয়ে সংযুক্ত তহবিল থেকে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১৪ কোটি ১৫ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকার নির্দিষ্টকরণ বিল কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।

মঞ্জুরি দাবি ও ছাঁটাই প্রস্তাব: আগামী অর্থবছরের বাজেটের ওপর সংসদে উত্থাপিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ খাতের ৩২৫টি মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সাংসদরা ৫৯টি ছাঁটাই প্রস্তাব আনেন। এরমধ্যে ৭টি দাবি আলোচনার জন্য গৃহীত হয়। এবং বাকি ছাটাই প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বাজেট পাস হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্যদের সবাইকে বাজেটোত্তর নৈশভোজে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

খাতওয়ারি বরাদ্দ: সংযুক্ত বিল ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১৪ কোটি ১৫ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয় অর্থ বিভাগে। এ বিভাগের ব্যয় ২ লাখ ৬ হাজার ৫৩০ কোটি ৮৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ব্যয়ের দিক থেকে সবচেয়ে কম হচ্ছে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে। এ খাতে ব্যয় ২১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত ব্যয় পর্যায়ক্রমে হচ্ছে প্রতিরক্ষায় ২৫ হাজার ৭৪০ কোটি ৭৫ লাখ ৮ হাজার টাকা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে ২৪ হাজার ৬৭৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। অন্য খাতের ব্যয়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ খাতে ৩১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় খাতে ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৯৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ১ হাজার ৭০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৪৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা, সরকারি কম-কমিসন খাতে ৭৪ কোটি ২২ লাখ টাকা। অর্থ বিভাগ মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয় খাতে ১৯৬ কোটি ৫ লাখ টাকা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ২ হাজার ২০৬ কোটি ৩ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ২ হাজার ৫৪০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ খাতে ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি পরিকল্পনা বিভাগে ১ হাজার ৩৩২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে ১০০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৫১৮ কোটি ৭ লাখ টাকা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ৬১১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ১৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ৩০ কোটি ৪১ লাখ টাকা, আইন ও বিচার বিভাগ ১ হাজার ৪২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ধরা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ১৮ হাজার ২৮৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে ২১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২২ হাজার ২৩ কোটি ২৮ লাখ ১৯ হাজার টাকা, মাদমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিবাগে ২৩ হাজার ১৪৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খাতে ১১ হাজার ৩৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবা খাতে ১৬ হাজার ২০৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ৯৭৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ৪ হাজার ৮৩৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৫৭৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে ২৬২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় খাতে ৩ হাজার ৭৩৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ১৪৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৪১৭ কোটি ৭৭ হাজার টাকা।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬৫৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে ১ হাজার ৮৮৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, শিল্প মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ৮২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে ৮৯৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে ২ হাজার ২২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, কৃষি মন্ত্রণালয়ে ১৩ হাজার ৬০৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ৯২৯ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ১২০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, ভূমি মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ৮৫৮ কোটি ৫৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ৫ হাজার ৯২৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ১৪ হাজার ৪০২ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ৮৫৩ কোটি ১২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

এছাড়া সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ১৯ হাজার ৬৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি ৯ লাখ টাকা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ৬৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৫২২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ১৫০ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা, বিদ্যুৎ বিভাগ ১৮ হাজার ৮৯৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা, সুপ্রিমকোর্ট ১৬৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ৯৮৬ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ৬৮৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, দুর্নীতি দমন কমিশন খাতে ১০১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ও সেতু বিভাগে ৮ হাজার ৪২৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৫ হাজার ২৭০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, সুরক্ষা সেবা খাত ২ হাজার ৮৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ খাতে বরাদ্দ ৪ হাজার ৪৭৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর আগে বুধবার সংসদে অর্থবিল-২০১৭ পাস হয়। যে বিলে করসংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনেক অনেক কাল আগে থেকেই নিজেদের ছোটখাটো পরিসরে নানারকম ঔষধি গাছের চাষ করতেন চিকিৎসকেরা। আবিষ্কার করতেন চিরচেনা সব গাছের নানান চমত্কার ক্ষমতা। বর্তমানে ঔষধি গাছ নিয়ে কাজ করার সেই ঘরোয়া পরিবেশটা আর নেই।
তবু কে না চায় এই ব্যস্ততম আর জঞ্জালে ভরা শহরে নিজের বাড়িতেই কিছু ঔষধি গাছের চাষ করতে, নিজেকে আর নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখতে? যদি আপনিও তাই চান তাহলে আপনার জন্যেই দেওয়া হল ঘরেই চাষযোগ্য কিছু চমৎকার ও কার্যকরী ঔষধি গাছের বর্ণনা।

১. সেজ বা ঋষি উদ্ভিদ

উৎপত্তিগতভাবেই সেজ উদ্ভিদের নাম এসেছে স্যালভিয়া নামক শব্দ থেকে। যার বাংলা করলে হয়- আরোগ্যের জন্যে। নিজের পরিবারের সুস্থতা আর আরোগ্যকে কামনা করতে তাই আপনি চাইতেই পারেন এই উদ্ভিদটিকে নিজের বাড়িতে চাষ করতে। ছোটখাটো উদ্ভিদটি খুব বেশি জায়গা নেয়না। সেইসাথে প্রাচীনকাল থেকে চিকিৎসাকাজে ব্যবহৃত সেজ নিমিষে সারিয়ে দিতে পারে মুখ ও জীহ্বার নানারকম প্রদাহকেও।

২. ক্যামোমিল

ডেইজীসদৃশ ফুলের অধিকারী এই উদ্ভিদটি চাষ করলে কেবল এর ঔষধি উপকারই নয়, সেই সাথে আপনি পাবেন ফুলের মন মাতানো সৌন্দর্যও। হজমে সমস্যা? ত্বকে কোন সংক্রমণ হয়েছে? ক্যামোমিল সহজেই সমাধান করে দিতে পারে এসব ছোটখাটো সমস্যা। এছাড়াও সাধারন অস্বস্তিবোধকেও দূর করতে সাহায্য করে এটি।

৩. পুদিনা

পুদিনাকে চেনেনা এমন খুব কম মানুষই আছে আমাদের দেশে। নিত্যনৈমিত্তিক নানা খাবার তৈরি করতে পুদিনাকে ব্যবহার করি আমরা সবাই। তবে বাসায় এই পুদিনা পাতা চাষ করলে কেবল খাবারকে আকর্ষণীয় করতেই নয়, নানারকম কাটা-ছেঁড়ার ক্ষেত্রে এবং হারিয়ে যাওয়া ক্ষুধাকে ধরে আনতেও সাহায্য করবে এটি।

৪. ফিভারফিউ

গাছের নাম শুনেই নিশ্চয় বুঝে গিয়েছেন জ্বর কিংবা জ্বরসংক্রান্ত কোন কিছুর সাথে বেশ ভালো একটা যোগাযোগ রয়েছে ফিভারফিউয়ের? আর সত্যিই একেবারে তাই। মাথায় প্রচন্ড ব্যথা? দেরি না করে খানিকটা ফিভারফিউয়ের পাতা ছিঁড়ে চিবিয়ে নিন। কিংবা সেটাকে চায়ের সাথে মিশিয়ে পান করুন। ব্যস! দেখবেন জাদুর মতন ব্যথা হারিয়ে গিয়েছে অন্য কোথাও। এছাড়াও চিকিৎসকেরা ফিভারফিউকে ত্বকের নানা সমস্যা ও আরথ্রাইটিসের ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করেন।

৫. লেমন বাম

বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি অনেকটা মিন্টের কাছাকাছি। তবে অনেক অনেক বছর ধরেই একে চিকিৎসাকাজে ব্যবহার করে আসছে মানুষ। অস্থিরতা, অনিদ্রা, ক্ষত কিংবা পোকার কামড়ের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে এটি। সেইসাথে হুটহাট পেটের সমস্যাতেও বেশ সাহায্য করে লেমন বাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গরমের এ সময়টিতে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা সূর্যের উত্তাপের কারণে বেড়ে যায়। অনেক সময় খাদ্য গ্রহণের কারণেও তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
গরমের সময় ভারী খাবার খাওয়ার ফলে অস্বস্তি হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে বদহজমের কারণও হতে পারে। তবে এ সময় ঋতুভিত্তিক সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিটি সবজিরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ। তাহলে জেনে নিন এমনই কিছু সবজির কথা যেগুলো খেলে আপনার স্বাস্থ্য পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে এবং কোনো অস্বস্তিও তৈরি হবে না।

করলা : করলা সুগারের মাত্রা কমাতে এবং ক্যান্সার ও ইনফেকশন রোধে লড়াই করে। এটা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পরিত্রাণ দেয়। করলা দেহে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধির পাশাপাশি রক্ত পরিশোধনে সাহায্য করে। গরমের দিনে চোখ ও ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশনের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। সজনে : এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন এ এর উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি আছে। এতসব পুষ্টিগুণ একসাথে আছে বলেই এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবন ধারনের পুষ্টি দুটোই পাওয়া যায়। বহু ধরনের ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের সমাহার এই সজনে।

চিচিঙ্গা : দেহের তরল উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং শুষ্কতা দূর করতে সাহায্য করে চিচিঙ্গা। হৃদরোগীদের জন্যও অনেক উপকারী চিচিঙ্গা। বুক ধড়ফড় করা ও শারীরিক পরিশ্রমের ফলে সৃষ্ট বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে চিচিঙ্গা পাতার রস। দেহে শীতল প্রভাব দান করে চিচিঙ্গা।

শসা : শসা হতে পারে আপনার জন্য পারফেক্ট একটি সবজি। এতে শতকরা ৯৬ ভাগ পানি রয়েছে এবং কাঁচা সবুজ অবস্থায় খাওয়া যায়। শসায় ভিটামিন সি এবং সিলিকা রয়েছে, যাতে টিস্যু বৃদ্ধি ও ত্বক পরিষ্কারকের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। শসার উচ্চ পানীয় গুণ রয়েছে যা গরমের দিনের জন্য যথোপযুক্ত। শসার খোসাসহ খাওয়া খুবই জরুরি। কারণ, শসার খোসায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে। স্বাস্থ্যের জন্য এই উপাদানগুলো অতি জরুরি।

কুমড়া : কুমড়া শীতলতা ও মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। এটি পরিপাকক্রিয়ায় ভালো কাজ করে এবং পাচনতন্ত্রের কৃমি দূর করতে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। এতে পটাশিয়াম বিদ্যমান এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও সুগারের ফলে অগ্ন্যাশয়ের উদ্দীপনা কমায়। কুমড়া ত্বকের রোগ নিরাময়ের ভালো একটি দাওয়াই হিসেবে কাজ করে। উচ্চ ফাইবার ও কম ক্যালোরিসমৃদ্ধ কুমড়ায় রোগ প্রতিরোধ পুষ্টিও বিদ্যমান। যেমন প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ই ও সি।

ঝিঙ্গা : ঝিঙ্গা গরমের দিনের সবজি হিসেবে খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ফাইবার ও পটাসিয়াম থাকে, যা দেহের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।

বেগুন : এটি একটি বহুল প্রাপ্য সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। বেগুনে মলিবডেনিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন কে, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ফলেট বিদ্যমান। এটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত, যা খারাপ কোলেস্টেরলও ধ্বংস করতে কাজ করে। কিন্তু যদি কিডনি ও পিত্তথলির সমস্যা থাকে তাহলে বেগুন এড়িয়ে চলাই ভালো।

লাউ : গরমের উত্তাপ থেকে বাঁচতে লাউ একটি অন্যতম সবজি হিসেবে বিবেচিত। এটি পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। অধিক পুষ্টিগুণ এবং কম ক্যালোরি ও চর্বি জোগান দেয়া এই সবজিতে ৯৬ শতাংশ পানি রয়েছে। এটা গরমের দিনে সত্যিই উপকারী এবং হিট স্ট্রোক রোধের ক্ষমতা রাখে। পাশাপাশি গরমের দিনে ঘামের সাথে যে পানি বের হয়ে যায় শরীর থেকে তা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest