M picনিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয় মুফাচ্ছির পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত সন্ত্রাস ও জঙ্গি নির্মুলের লক্ষ্যে শনিবার সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা শুরুলিয়া জামে মসজিদে এক প্রতিবাদ সভা ও জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় মুফাচ্ছির পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি. মুহাদ্দিস আমিরুল ইসলাম বেলালী।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে মুহাদ্দিস আমিরুল ইসলাম বেলালী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গি নির্মূল করা শুধু মাত্র সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্ব নয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম খতীব ও সকল আলেম ওলামাকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভুমিকা পালন করতে হবে। এবং মুহাদ্দিস আমিরুল ইসলাম বেলালীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় মুফাচ্ছির পরষদ সাতক্ষীরা জেলা কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে সভাপতি হিসাবে মাওলানা মনিরুল ইসলাম বোলালী ও সম্পাদক হিসাবে মাওলানা ইমাম হাসান নাসারী পুনরায় নির্বাচিত হয়। কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলান রেজাউল করিম,সহ সভাপতি মাওলানা এম এ আবুল খায়েরসহ সভাপতি মাওলানা আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

022মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে রবীন্দ্র জয়ন্তী ও নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকালে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির আয়োজনে এ আলোচনা সভায় সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরির সহ সভাপতি প্রফেসর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন কিশোরী মোহন সরকার, আশুতোষ সরকার, গাজী শাহ্জান সিরাজ, গাজী মোমীন উদ্দিন প্রমুখ। আলোচসভা শেষে নজরুল সংগীত ও রবীন্দ্র সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য সম্পাদক তৃপ্তি মোহন মল্লিক, নির্বাহী সদস্য মোঃ আমিনুল হক, প্রভাষক রেজাউল করিম, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ছিদ্দিকুর রহমান, হায়দার আলী, মন্ময় মনির, আব্দুর রহমান, মনিরুজ্জামাান মুন্না, মুনসুর রহমান প্রমুখ। এসময় জেলার বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মনিরুজ্জামান ছট্রু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

000000001মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০১৭-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরার বর্ণমালা একাডেমির চার জন শিশু শিক্ষার্থী বিজয়ী হয়েছে। জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০১৭ এ সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী সৃজনশীল এ সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিক্ষার্থীরা দলীয় আঞ্চলিক নৃত্যে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে। বর্ণমালা একাডেমির এ কৃর্তী শিক্ষার্থীরা হলেন পি.এন বিয়াম (ইংলিশ মিডিয়াম) ল্যাবরেটরী স্কুলের শিক্ষার্থী আফিফা আনতারা ঝিলিক, নোশিন তাবাচ্ছুম সুজানা, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ¯েœহা বিশ্বাস এবং সাতক্ষীরা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী অহনা বণিক গল্প। জাতীয় শিশু একাডেমী মিলনায়তনে বিজয়ী শিশুদের হাতে পদক ও পুরস্কার তুলে দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন এবং পরিচালক আনজির লিটন বক্তব্য রাখেন। পরে রাষ্ট্রপতি শিশুদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। তাদের এ সাফল্যে নৃত্য প্রশিক্ষক নাহিদা পারভীন পান্না এবং জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বর্ণমালা একাডেমীর পরিচালক শামীমা পারভীন রতœা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Picture on sportsপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : রবিবার পিস কনসোর্টিয়াম, বাংলাদেশ বাস্তাবয়নে অগ্রগতি সংস্থা’র আয়োজনে ফুলবাড়ি বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ জ্ঞান,  বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব লায়লা পারভীন সেজুতি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ১৫+ সকল ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে বালিকাদের জন্য চেয়ার সিটিং, ভারসাম্য দৌড়, সূচে সুতা পরানো এবং লাফ দড়ি এবং বালকদের জন্য দীর্ঘ লাফ, ১০০ মিটার দৌড়, ২০০ মিটার দৌড়, মোরগ লড়াই ও চাকতি নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় প্রতিযোগিতার মধ্যে বালকদের জন্য ক্রিকেট খেলা এবং বালিকাদের জন্য ফুটবল ও রসি টানাটানি।
এছাড়া দ্বিতীয় পর্বে সাধারণজ্ঞান প্রতিযোগিতায় মোট ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে যাদের মধ্যে থেকে ৩০ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং পরবর্তীতে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যেখানে পক্ষে ও বিপক্ষে মোট ৬ জন অংশগ্রহণ করে। বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহিংসতা ও চরমপন্থার বিপক্ষে সচেতনতা সৃষ্টি করে’’।
“শান্তির স্বপক্ষে তরুণÑ যুবরা ঐক্যবদ্ধ হোন” এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে পিস কনসোর্টিয়াম প্রকল্প সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী একটি অহিংস ও সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। কারণ আমাদের সমাজ থেকে সহিষ্ণুতা ও সহনশীলতা কমে যাচ্ছে। হিংসা-দ্বেষ বাড়ছে। উগ্রতা ছড়াচ্ছে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-যুবদের মাঝে। তারা বিভ্রান্ত হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে, নিখোঁজ হচ্ছে। উগ্রবাদ চরমপন্থার কবলে পড়ে ‘মানব বোমায়’ পরিণত হয়ে ধ্বংস করছে, ধ্বংস হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে একটি সহনশীল সমাজ গঠনে পরস্পরের মাঝে  সম্প্রীতি গড়ে তুলতে পিস কনসোর্টিয়াম প্রকল্প আয়োজন করছে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তরুণ-যুবদের লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলেই কেবল উগ্রতা, সহিংসতার বিপরীতে শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে সমগ্র অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_96139146_2e3f1ed5-1cc1-45cb-b2d4-697f4c6350baবিশেষ ডেস্ক : সারা বিশ্বেই বড়ো বড়ো ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্প হয় বাংলাদেশেও। সম্প্রতি এধরনের ভূমিকম্পের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। ভূমিকম্প হলে তার পরপরই এনিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক এই ঘটনা সম্পর্কে আমরা কতোটুকু জানি। এখানে এরকম ১২টি বিস্ময়কর তথ্য তুলে ধরা হলো:

১. সারা পৃথিবীতে বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প হয়
যুক্তরাষ্ট্রে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে বলছে, প্রত্যেক বছর গড়ে ১৭টি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয় রিখটার স্কেলে যার মাত্রা সাতের উপরে। এবং আট মাত্রার ভূমিকম্প হয় একবার।
তবে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প হয়। এর অনেকগুলো হয়তো বোঝাই যায় না। বোঝা যায় না কারণ খুব প্রত্যন্ত এলাকায় এসব হয় অথবা সেগুলোর মাত্রা থাকে খুবই কম।

২. ভূমিকম্পের কারণে দিনের দৈর্ঘ্য কমবেশি হতে পারে
জাপানের উত্তর-পূবে ২০০৯ সালের ১১ই মার্চ একটি বড়ো ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার মাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৯। এর ফলে পরিবর্তন ঘটে পৃথিবীর ভরের বণ্টনে। এবং তার প্রভাবে পৃথিবী ঘুরতে থাকে সামান্য দ্রুত গতিতে আর তখন দিনের দৈর্ঘ্য কমে যায়। সেদিন দিন ১.৮ মাইক্রো সেকেন্ড ছোট ছিলো।

৩. সান ফ্রান্সিসকো সরে যাচ্ছে লস অ্যাঞ্জেলসের দিকে
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহর প্রত্যেক বছর গড়ে দুই ইঞ্চি করে লস অ্যাঞ্জেলসের দিকে সরে যাচ্ছে। এই একই গতিতে বাড়ে আমাদের আঙ্গুলের নখ। শহরের এই অবস্থান পরিবর্তনের কারণ হচ্ছে সান অ্যানড্রেয়াস ফল্টের দুটো দিক ক্রমশ একটি অপরটিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই গতিতে চলতে থাকলে এই দুটো শহর কয়েক লাখ বছর পর একত্রিত হয়ে পড়বে।

৪. ভূমিকম্পের আগে স্থির পানি থেকে গন্ধ বের হয়
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূমিকম্পের আগে পুকুর, খাল-বিল, হ্রদ, জলাশয়ের স্থির পানি থেকে দুর্গন্ধ আসতে পারে। এমনকি সেই পানি সামান্য উষ্ণও হয়ে পড়তে পারে। প্লেট সরে যাওয়ার কারণে মাটির নিচ থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তার কারণে এটা হয়ে থাকে। এর ফলে ওই এলাকার বন্যপ্রাণীর আচরণেও পরিবর্তন ঘটতে পারে। ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগ বলছে, ২০০৯ সালে ইটালিতে এক ভূমিকম্পের সময় এক ধরনের ব্যাঙ সেখান থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলো এবং ফিরে এসেছিলো ভূমিকম্পের পরে। বলা হয়, এই ব্যাঙ পানির রাসায়নিক পরিবর্তন খুব দ্রুত শনাক্ত করতে পারে।

৫. ভূমিকম্পের পরেও পানিতে ঢেউ উঠতে পারে
ভূমিকম্পের পরেও পুকুরে কিম্বা সুইমিং পুলের পানিতে আপনি কখনো কখনো ঢেউ দেখতে পারেন। একে বলা হায় শ্যাস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূমিকম্প হয়তো শেষ হয়ে গেছে কিন্তু তারপরেও কয়েক ঘণ্টা ধরে অভ্যন্তরীণ এই পানিতে তরঙ্গ অব্যাহত থাকতে পারে। মেক্সিকোতে ১৯৮৫ সালে একবার ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯৮৫ সালে যেবার এই মেক্সিকো থেকে ২০০০ কিলোমিটার দূরে অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলের পানি ছিটকে পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গিয়েছিলো।

৬. ভূমিকম্পের কথা মনে রেখেই ইনকা সভ্যতা ও জাপানি বাড়িঘর তৈরি
ভূমিকম্পের কারণে যাতে বাড়িঘর ধসে না যায় সে বিষয়টি মাথায় রেখেই ইনকা আমলের স্থাপত্য ভবন ও জাপানি প্যাগোডা নির্মিত হয়েছিলো। ৫০০ বছর আগে ইনকার স্থাপত্য কর্মীরা যখন মাচু পিচু শহর নির্মাণ করে তারা বাড়িঘর নির্মাণের ব্যাপারে একটি আদিকালের জ্ঞান কাজে লাগিয়েছিলো যাতে ঘন ঘন হওয়া ভূমিকম্পের হাত থেকে তাদের বাড়িঘর বেঁচে যেতে পারে।

৭. বেশিরভাগ ভূমিকম্পেরই উৎস প্রশান্ত মহাসাগর
পৃথিবীতে যতো ভূমিকম্প হয় তার অধিকাংশ, ৯০ শতাংশই হয় রিং অফ ফায়ার এলাকাজুড়ে। এই এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

৮. ভূমিকম্পের কারণে চিলির একটি শহর ১০ ফুট পশ্চিমে সরে যায়
২০১০ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি বড়ো ধরনের এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিলো চিলির কনসেপসিওন শহরে। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৮.৮। এর ফলে পৃথিবীর শক্ত উপরিভাগে ফাটল ধরে এবং শহরটি ১০ ফুট পশ্চিমে সরে যায়।

৯. ভূমিকম্পে খাটো হয়ে যায় এভারেস্ট
নেপালে ২০১৫ সালের ২৫শে এপ্রিল আঘাত হানে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কমে আসে হিমালয়ের অনেক পর্বতের উচ্চতাও। মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কমে গিয়েছিলো এক ইঞ্চির মতো।

১০. বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনিতে ভূমিকম্প
ইতিহাসে দেখা যায় জাপানি এক দ্বীপে মাটির নিচে চাপা পড়ে গিয়েছিলো নামাজু নামের বিশাল এক ক্যাটফিশ। পৌরাণিক কল্প কাহিনীতে বলা হয়, অনেক ভূমিকম্প হয়েছিলো এই মাছটির কারণে।
প্রাচীন গ্রিকরা বিশ্বাস করতেন সমুদ্রের দেবতা পজিডন রেগে গিয়ে পৃথিবীর ওপর আঘাত করলে ভূমিকম্প হতো।
হিন্দু পুরাণে আছে এই পৃথিবীকে ধরে রেখেছে আটটি হাতি। এই হাতিগুলো দাঁড়িয়ে আছে একটি কচ্ছপের পিঠের ওপর। আর ওই কচ্ছপটি ছিলো কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকা একটি সাপের উপরে। এই প্রাণীগুলোর যে কোনো একটি যখন নড়ে উঠতো তখনই ভূমিকম্প হতো।

১১. ভূমিকম্পের আগে প্রাণীর আচরণে পরিবর্তন ঘটে
ভূমিকম্পের ফলে যে শুধু ব্যাঙের আচরণেই পরিবর্তন ঘটে তা নয়, ইন্দোনেশিয়া এবং ২০০৪ সালে সুনামির আগে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন যে তারা অনেক পশু পাখিকে দেখেছেন উঁচু এলাকার দিকে ছুটে যেতে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন পশুপাখিরা টের পেয়ে যায়।

১২. ব্রিটিশ একজন বিজ্ঞানী ভূমিকম্পের কারণ চিহ্নিত করেছেন
ব্রিটেনের একজন প্রকৌশলী জন মাইকেল ভূমিকম্পের কারণ উদঘাটন করেছেন। এই আবিষ্কার হয়েছে ১৮শো শতাব্দীর শুরুর দিকে। তাকে দেখা হয় ভূকম্পনবিদ্যার একজন জনক হিসেবে। তিনি বলেন, ভূ-পৃষ্ঠের বহু নিচে শিলা-খণ্ডের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sabiha hossion picমাহফিজুল ইসলাম আককাজ : আগামী ২৩ মে মঙ্গলবার সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের স্থগিত আসনের নির্বাচন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসন ০২ (৬) নং ওয়ার্ডের সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা, দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া, কুলিয়া, দেবহাটা সদর, সখিপুর, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের নির্বাচনী এলাকায় জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদিকা ও কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সদস্য মোছাঃ সাবিহা হোসেন। ইতিমধ্যে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে এলাকার উন্নয়ন ও গরীব, দুঃখী অসহায় মানুষের সেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।
সাবিহা হোসেন তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বাজার, প্রতিষ্ঠান ও প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদকারী ও বিশিষ্ট সমাজসেবিকা হিসেবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘টেবিল ঘড়ি মার্কা’য় ভোট প্রদান করে সেবা করার সুযোগ চাইছেন।
এদিকে,  প্রার্থীদের অতীত কর্মকা-কে গুরুত্ব দিচ্ছেন ভোটাররা। ভোটাররা জানান, “আমরা চাই, একজন স্বচ্ছ ও ন্যায়পরায়ন সদস্য।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

111মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় খুলনা’র ‘ফাহিম স্টোন হাউজে’র উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও শুভ হালখাতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে রোববার (২১মে) সাতক্ষীরা শহরের সংগ্রাম টাওয়ার মিলনায়তনে খুলনা ২নং কাস্টমঘাট এর প্রতিষ্ঠান ফাহিম স্টোন হাউজের কাজী শামীমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দন্ত চিকিৎসক ডা. আবুল কালাম বাবলা।
এসময় তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করতে এ মতবিনিময় সভা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। স্টোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফাহিম স্টোন হাউজ ইতিমধ্যে খুলনা বিভাগের মধ্যে যে সুনাম অর্জন করতে সঙম হয়েছে। আগামী দিনে এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ব্যবসা আরো প্রসারিত হবে বলে আশাব্যক্ত করেন তিনি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ সভাপতি এনছান বাহার বুলবুল, জুনিয়র সহ সভাপতি কামরুজ্জামান মুকুল, পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামান মুকুল, সৈয়দ শাহিনুর আলী, শহিদুল ইসলাম বাবলু, দৈনিক আমাদের সময়ের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ব্যবসায়ী আব্দুল গফুরসহ খুলনা বিভাগের ৫ শতাধিক স্টোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় স্টোন ব্যবসায়ী ও সুধীজনদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। মতবিনিময় সভা শেষে র‌্যফেল ড্র: এবং উপস্থিত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফাহিম স্টোন হাউজের সভাপতি কাজী শামীম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

high_courtনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাই কোর্টের দেওয়া রায় ২ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিলের শুনানি করে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত বিচারকের বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেয়।

আদেশে বলা হয়, ওই সময় পর্যন্ত হাই কোর্টের রায় স্থগিত থাকবে এবং এর মধ্যে হাই কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত আপিল করতে হবে।

এর আগে তিনটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১১ ও ২০১২ সালে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাই কোর্ট বেঞ্চ গত ১১ মে ওই রায় দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest