সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

photo-1494688851মাত্র ৬৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়লেন ভারতের মুম্বাইয়ের ব্যাটসম্যান রুদ্র ধাণ্ডে। আবিজ রিজভি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আন্তকলেজ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে রিজবি কলেজের হয়ে খেলতে নেমে এই কীর্তি গড়েন তিনি।

স্থানীয় ডালমিয়া কলেজের বিপক্ষে ম্যাচে রুদ্র ধাণ্ডে শুরু থেকেই বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে মাত্র ৩৯ বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯ বছরের এই তরুণ ৬৭ বলে করেন ডাবল সেঞ্চুরি। অসাধারণ এই ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ২১ চার ও ১৫ ছক্কায়।

দারুণ রেকর্ড গড়ে উচ্ছ্বসিত রুদ্র বলেন, ‘এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ভাবতেই পারছি না এত বড় একটি ইনিংস খেলেছি আমি।’

দারুণ ইনিংসটি নিজের বাবা-মাকে তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর উপহার হিসেবে দিলেন তরুণ ব্যাটসম্যান।

ব্যাটিংয়ে কাকে আদর্শ হিসেবে দেখেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বীরেন্দর শেবাগের মতো মেরে খেলতেই পছন্দ আমার। এর আগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাঁচটি সেঞ্চুরি রয়েছে আমার। আশা করছি ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494729619মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা রিভিউ আবেদন এবং খালাস চেয়ে করা সাঈদীর রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রয়েছে।

আজ রোববার মামলাটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ৩০ নম্বরে রাখা হয়েছে। বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন আবদুল ওয়াহাব মিয়া, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসাইন হায়দার।

গত ৬ এপ্রিল সাঈদীর আইনজীবীর সময় আবেদনের কারণে ১৪ মে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়।

সাঈদীর পক্ষে শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এস এম শাহজাহান। সঙ্গে ছিলেন তানভীর আল আমিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০১৬ সালের ১২ জানুয়ারি সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড থেকে বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায়  রিভিউ আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। মোট ৩০ পৃষ্ঠার মূল আবেদনে পাঁচটি যুক্তি দেখানো হয়।

একই বছরের ১৭ জানুয়ারি আপিলের রায় থেকে খালাস চেয়ে রিভিউ আবেদন দায়ের করেন সাঈদী। মোট ৯০ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে আমৃত্যু কারাদণ্ড থেকে খালাস পেতে ১৬টি যুক্তি দেখানো হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ আদালত সাঈদীর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ১৫ দিনের মধ্যে তা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করতে পারে রাষ্ট্র বা আসামিপক্ষ।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি প্রমাণিত হয়। রায়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায় জামায়াত-শিবির। সহিংসতায় প্রথম তিন দিনেই ৭০ জন নিহত হন।

আপিলে ১০, ১৬ ও ১৯ নম্বর অভিযোগে সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। ১০ নম্বর অভিযোগ বিসাবালিকে হত্যার, ১৬ নম্বর অভিযোগ তিন নারীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের এবং ১৯ নম্বর অভিযোগ প্রভাব খাটিয়ে ১০০-১৫০ হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করার।

সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে ৬, ১১ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। ৬ নম্বর অভিযোগ লুণ্ঠনের, ১১ নম্বর হামলা ও লুণ্ঠনের এবং ১৪ নম্বর অভিযোগ ধর্ষণের। ৮ নম্বর অভিযোগের অংশবিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে সাঈদীকে খালাস দেওয়া হয়। একই অভিযোগের অংশবিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে তাঁকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। অষ্টম অভিযোগটি হত্যা ও অগ্নিসংযোগের।

এ ছাড়া সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে ৭ নম্বর অভিযোগে সাঈদীকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। সপ্তম অভিযোগ নির্যাতন ও বাড়ি লুণ্ঠনের পর অগ্নিসংযোগ। ৮ নম্বর (ইব্রাহিম কুট্টি হত্যা) ও ১০ নম্বর অভিযোগের (বিসাবালি হত্যা) দায়ে সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  এ সময় ৬৪ পিচ ইয়াবা, সাড়ে ৭ শত গ্রাম গাঁজা ও ১৩ শত পিচ ভারতীয় খাওয়ার স্যালাইন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা ০৬ জন, তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৩ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1494672759-army-cirনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদশ সেনাবাহিনী। সেনা শিক্ষা কোরে ‘জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (ওয়ারেন্ট অফিসার)’ হিসেবে বাংলাদেশি (পুরুষ) নাগরিকদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
বিএ, বিএসসি বা বিকম পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষা প্রশিক্ষণে ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা এবং শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। স্নাতক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ২.০০ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ কমপক্ষে ৩.০০ থাকতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতা
প্রার্থীদের ন্যূনতম শারীরিক উচ্চতা হতে হবে পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি। বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ন্যূনতম ৩০ ইঞ্চি এবং স্ফীত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের ওজন হতে হবে কমপক্ষে ৪৯.৯০ কেজি।

অন্যান্য যোগ্যতা
প্রার্থীদের অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত প্রার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন না। আগামী ১৫ নভেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত প্রার্থীদের বয়স ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইট (www.joinbangladesharmy.mil.bd) অথবা টেলিটকের ওয়েবসাইট (army.teletalk.com.bd) থেকে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থীদের প্রাথমিক শারীরিক ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য সেনাবাহিনীর বিভিন্ন এরিয়া সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত জেলার প্রার্থীদের নির্দিষ্ট তারিখে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

বিস্তারিত দেখে নিন দৈনিক কালের কণ্ঠে ১৩ মে, ২০১৭ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1494678577-1নতুনদের জন্যও চাকরির সুযোগ রেখে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড। ‘জুনিয়র অফিসার’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা

যেকোনো সরকারি বা স্বীকৃত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের যোগাযোগে দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া

জীবনবৃত্তান্ত ও কভারলেটার ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠিয়ে আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা। ই-মেইল করার ঠিকানা ‘sfbl-hr@squaregroup.com’। এ ছাড়া ডাকযোগেও ‘জেনারেল ম্যানেজার, হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, রূপায়ণ সেন্টার (১১তম ফ্লোর), ৭২ মহাখালী সি/এ, ঢাকা-১২১২’ ঠিকানায় আবেদন করার সুযোগ থাকছে। আবেদন করা যাবে ১৯ মে, ২০১৭ পর্যন্ত।

বিস্তারিত বিডিজবস ডটকমে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে দেখুন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a3ff565360ad8f4dcd61e3fc0b9a4650-58f3b634673a1শাকিব খান ও শবনম বুবলী অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘রংবাজ’-এর পরিচালক শামীম আহমেদ রনির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।

শনিবার বিষয়টি জানিয়েছেন পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

রোববার গাজীপুরের পুবাইলে ছবিটির শুটিংয়ের জন্য পরিচালক সমিতিতে গত বৃহস্পতিবার আবেদন করেছিলেন প্রযোজক মোজাম্মেল হক সরকার। একই দিনে পরিচালক সমিতির সদস্যপদ ফেরত চেয়ে আবেদন করেন শামীম আহমেদ রনি। কিন্তু আজ শনিবার পরিচালক সমিতির কার্যকরী কমিটির বৈঠকে দুটি আবেদনই খারিজ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক সমিতির সভাপতি গুলজার এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘রনির সদস্যপদ যেহেতু বাতিল করা হয়েছে, সেই অবস্থায় সে কোনো ছবির শুটিং করতে পারবে না। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের কোনো টেকনিশিয়ান (কলাকুশলী) তার সঙ্গে কাজ করবে না।’

শাকিব-বুবলী জুটির ছবিটি আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। এই ছবিতে প্রযোজক বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। এর পরও পরিচালককে শুটিংয়ে অংশ নিতে না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে গুলজার বলেন, ‘বাংলাদেশের যেকোনো চলচ্চিত্র পরিচালক (রনি বাদে) নিয়ে ছবিটি শেষ করতে পারবেন প্রযোজক। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

গুলজার জানান, প্রতি ছয় মাস পরপর সাধারণ সভা করে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। কেউ সদস্যপদ ফেরত চেয়ে আবেদন করলে সেটির সুরাহা হয় সাধারণ সভায়। এরই মধ্যে রনি ক্ষমা চেয়ে সদস্যপদ ফেরত চেয়ে আবেদন করেছেন। আগামী জুনে সাধারণ সভায় তাঁর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চলচ্চিত্র পরিচালকদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের অভিযোগে সম্প্রতি শাকিব খানকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় পরিচালক সমিতিসহ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) ১৪টি সংগঠন। পরে ক্ষমা চাওয়ার পর শাকিবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই শাকিবকে নিয়ে শুটিং করায় রংবাজের পরিচালক শামীম আহমেদ রনির সদস্যপদ বাতিল করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fcf33eb2728ad9c13b3d45de4fb42edd-5917405e084b4জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে অভিযুক্ত লেকহেড স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা রেজোয়ান হারুন লন্ডন থেকে তিন দিন আগে ঢাকায় এসে  লাপাত্তা হয়ে গিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন রেজোয়ান হারুন। এরপর তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে  ইমিগ্রেশন পার হয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।

রেজোয়ানের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে অর্থায়ন ও মদদের অভিযোগ রয়েছে। তিনি জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়া ঢাকার লেকহেড গ্রামার স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এই স্কুলে আলোচিত অনেক জঙ্গি বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকতা করেছেন।

সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে রেজওয়ান হারুনকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই চিঠির আলোকে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে উপ-সচিব হাবিব মো. হালিমুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ সদর দফতর ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ সদর দফতরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা এ বিষয়ে খোঁজ করছি।

সূত্র জানায়, রেজোয়ান হারুন বাংলাদেশি দু’টি পাসপোর্ট একসঙ্গে ব্যবহার করতেন। তার একটি পাসপোর্ট নাম্বার বিএইচ ০৬৩৪১৩৭। ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইস্যু হওয়া এই পাসপোর্টের মেয়াদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সাল পর্যন্ত। এছাড়া তার আরেকটি পাসপোর্ট নম্বর এই ৬০১৬৯৩৩। ২০১২ সালের ১২ নভেম্বর ইস্যু হওয়া এই পাসপোর্টটি চলতি বছরের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে। রেজোয়ান হারুনের বিরুদ্ধে ঢাকার সামুরাই কনভেনশন সেন্টারে প্রচলিত ইসলামিরীতির বিরুদ্ধে গিয়ে একদিন আগের ঈদের জামায়াত আদায়, বাসায় জুম্মার নামাজ আদায় করার রীতি প্রচলের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৬ সালে ধানমন্ডির ৬/এ সড়কে প্রতিষ্ঠিত হওয়া লেকহেড গ্রামার স্কুলের বিরুদ্ধে জঙ্গি তৎপরতায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই স্কুলের বনানী ও গুলশানে আরও দু’টি শাখা রয়েছে। প্রতিষ্ঠাকালীন এই স্কুলের অধ্যক্ষ ছিলেন জেনিফার আহমেদ, যিনি বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীর সংগঠিত করার অন্যতম প্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম মাওলার স্ত্রী। জেনিফার নিজেও হিযবুতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ হওয়ার পর এই স্কুল প্রথম আলোচনায় আসে। ওই বছরই এই স্কুল পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্ব নেন হারুন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের কর্ণধার হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে রেজোয়ান হারুন। শুরু থেকেই এই স্কুলে এমন শিক্ষকরা কর্মরত ছিলেন, যাদের বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। নেপথ্যে থেকে তাদের সাংগঠনিক কাজকর্ম সম্পাদন করতেন রেজোয়ান হারুন। বেশিরভাগ সময় লন্ডনে থাকলেও চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি থেকে প্রকাশ্য চলাফেরা বন্ধ করে আত্মগোপন চলে যান তিনি। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ  ফাঁকি দিয়ে শুক্রবার দেশে ঢুকলেও পরে আত্মগোপনে চলে যান।

সূত্র জানায়, রেজোয়ান হারুনের লেকহেড গ্রামার স্কুলে আলোচিত যুক্তরাষ্ট্রগামী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে গ্রেফতার হওয়া রাজীব করিম, তার ভাই তেহজিম করিম ও তেহজিবের স্ত্রী সিরাত করিম শিক্ষক ছিলেন। ২০১০ সালে ইয়মেনে আল-কায়েদাবিরোধী অভিযোনে গ্রেফতার হয়েছিলেন তেহজিব করিম। তেহজিবের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া মাইনুদ্দিন শরীফও এই স্কুলে শিক্ষকতার করতেন। এছাড়া পরিবারসহ সিরিয়ায় চলে যাওয়া মাইনুদ্দিনের ভাই রেজোয়ান শরীফও এই লেকহেডের শিক্ষক ছিলেন।

দায়িত্বশীল একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, রেজোয়ান হারুনের সঙ্গে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের আধ্যাত্মিক নেতা কারাবন্দি জসিমউদ্দিন রাহমানী, আনসারুল্লাহার আরেক শীর্ষ নেতা রেজওয়ানুল আজাদ রানা, পাকিস্তানে গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশি জঙ্গি ইফতেখার আহমেদ সনি, জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে অভিযুক্ত ও নিখোঁজ হওয়া ফারজাদ হক তুরাজ, জুবায়েদুর রহমান, তাসনুভা হায়দার, ইয়াসিন তালুকদার, আরিফুর রহমানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তারা সবাই বিভিন্ন সময়ে রেজোয়ান হারুনের লেকহেড গ্রামার স্কুলে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকতা করেছেন। এমনকি হলি আর্টিজানে হামলাকারীদের প্রশিক্ষণদাতা সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর জাহিদুল ইসলামও লেকহেড গ্রামার স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করতেন। গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রূপনগরে জঙ্গিবিরোধী এক অভিযানে জাহিদ মারা যায়।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, রেজোয়ান হারুন নর্থসাউথসহ উচ্চবিত্ত পরিবারের তরুণদের জঙ্গিবাদে মোটিভেটেড করার কাজ করে থাকেন। তার নির্দেশনায় কায়াকুশিন নামে একটি মার্শাল আর্ট শেখা প্রতিষ্ঠানে জঙ্গিরা প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে। ওই প্রতিষ্ঠানে মার্শাল আর্ট শিখতে গিয়েই সর্বশেষ মাস তিনেক আগে বনানীর বাসিন্দা সাঈদ আনোয়ার খাঁন নামে এক তরুণ নিখোঁজ হয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, রেজোয়ান হারুন ব্রিটেনে থাকা অবস্থায় জামায়াতুল মুসলেমিন নেতা আবু ইসা আল রাফাই (জর্ডান থেকে ব্রিটেনে বসবাসকারী) এর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে মোটিভেটেড হয়। ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশে সে জামায়াতুল মুসলেমিন সংগঠিত করার কাজ শুরু করে। আল-কায়েদার অনুসারী জামায়াতুল মুসলেমিন বাংলাদেশে উচ্চবিত্ত তরুণদের দলে ভেড়ানো শুরু করে। জামায়াতুল মুসলেমিন প্রথমে দেশের ১৩ জেলায় তাদের কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৫ সালে ব্ল্যাকলিস্টেড হওয়ার পর তারা আরসিইউডি (রিসার্স সেন্টার ফর ইউনিটি ডেভেলপমেন্ট) ছদ্মবেশে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করে। সর্বশেষ জামায়াতুল মুসলেমিনের আমির ছিলেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. রেজাউর রাজ্জাক। রেজোয়ান হারুন ও রেজাউর রাজ্জাক মিলে আরসিইউডি পরিচালনার নামে জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত বছরের ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজানে হামলার পর ড. রেজাউর রাজ্জাক মালয়েশিয়া পালিয়ে যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00222222 (Medium)প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোঃ মারুফ আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় সদর থানায় উপস্থিত হয়ে এ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ রেজাউল  করিম, সাধারণ সম্পাদক বিএম শামছুল হক, সহ-সভাপতি আব্দুল হক, ক্রীড়া সম্পাদক জাহিদ হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনোরঞ্জন মন্ডল, এস এম নজমুচ্ছায়াদাত (পলাশ), মোঃ আশরাফুর রহমান, আবুল হাসানা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest